২:৩৭ অপরাহ্ন

রবিবার, ২১ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২২ ২:২৯ অপরাহ্ন
দুপুর থেকেই বর্জ্য অপসারণ শুরু রাজধানীতে
প্রাণ ও প্রকৃতি

ঢাকায় দুপুর ২টা থেকে কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ কার্যক্রম শুরুর কথা জানিয়েছেন ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) মেয়র ব্যারিস্টার শেখ ফজলে নূর তাপস।

বাসস জানায়, আজ সকালে জাতীয় ঈদগাহ ময়দানে প্রধান ঈদ জামাতে অংশগ্রহণ শেষে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে মেয়র একথা বলেন।

তিনি জানান, ‌ঈদ-উল-আযহা উপলক্ষে যে কোরবানি দেওয়া হবে, আমি সকলকে অনুরোধ করব- খুব সুষ্ঠুভাবে, পরিবেশ বজায় রেখে স্বাস্থ্যসম্মতভাবে যেন আমরা কোরবানি দিতে পারি। এরপর আমরা দুই মেয়র মিলে, ঢাকা শহরকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন করার জন্য সকল বর্জ্য অপসারণে আমরা দুপুর ২টা থেকে কার্যক্রম শুরু করব।

ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র মো. আতিকুল ইসলামও জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাতে ঈদের নামাজ আদায় করেন।

এসময় মো. আতিকুল ইসলাম বলেন, আমরা দুই মেয়র প্রধান বিচারপতিসহ প্রায় ৩৫ হাজার মুসল্লির সাথে নামাজ আদায় করেছি।

বর্জ্য অপসারণে সকলের সহযোগিতা কামনা করে ডিএনসিসি মেয়র বলেন, আমি সবাইকে অনুরোধ করব, ঢাকাবাসীকে অনুরোধ করব আপনারা আমাদেরকে সাহায্য করুন। আপনারা নির্দিষ্ট স্থানে বর্জ্যটা রেখে দিন। আমাদের সিটি করপোরেশনের পরিচ্ছন্নকর্মীরা ইতোমধ্যে মাঠে নেমেছে। জনগণের সহযোগিতা পেলে, আমরা আশা করি খুব শিগগিরই সকল বর্জ্য অপসারণ করতে পারব।

এর আগে বায়তুল মোকাররম জাতীয় মসজিদের খতিব হাফেজ মাওলানা মুফতি রুহুল আমিন ঈদের প্রধান জামাতে ইমামতি করেন। জামাত পরবর্তী এক বিশেষ মোনাজাতে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের রুহের মাগফিরাত কামনা করেন এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ জাতির পিতার পরিবারের সকল সদস্যের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেন। এ সময় তিনি দেশ ও জাতির কল্যাণে আল্লাহপাকের রহমত প্রার্থনা করেন।

প্রধান ঈদ জামাতে প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ সরকার ও প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা নামাজ আদায় করেন। নামাজ পরবর্তী দুুই মেয়র একে অপরের সাথে এবং প্রধান বিচারপতিসহ উপস্থিত অন্যান্য ব্যক্তিবর্গের সাথে কোলাকুলি করেন। এসময় অন্যান্যের মধ্যে সিটি করপোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ, সচিব আকরামুজ্জামানসহ করপোরেশনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৯, ২০২২ ৬:৩৫ অপরাহ্ন
কোরবানির গরু চুরি করে জবাই!
প্রাণিসম্পদ

পিরোজপুরের ইন্দুরকানীতে কোরবানির হাটে বিক্রির জন্য রাখা গরু গোয়াল ঘর থেকে চুরি করে জবাই করে নিয়ে গেছে দুর্বৃত্তরা।

গতকাল শুক্রবার রাতে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের চরবলেশ্বর গ্রামের এ ঘটনা ঘটে।

গরুর মালিক জালাল মোল্লা জানান, এবারের কোরবানির হাটে বিক্রি করার জন্য গোয়ালে পালিত একটি গরু গত বৃহস্পতিবার স্থানীয় চন্ডিপুর পশুর হাটে নিয়ে যাই। ওই হাটে ৬০ হাজার টাকা দাম উঠলেও মাত্র এক হাজার টাকার জন্য গরুটি বিক্রি করি নাই।

কিন্তু গতকাল গভীর রাতে দুর্বৃত্তরা গোয়াল ঘর থেকে আমার সেই গরুটি চুরি করে কচা নদীর পাড়ে জবাই করে নিয়ে গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য দুলাল ফকির বলেন, গরুটি চুরি করে নিয়ে যাওয়ায় মানসিকভাবে ভেঙ্গে পড়েছেন কৃষক জালাল মোল্লা।

ইন্দুরকানী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. এনামুল হক জানান, এ বিষয়ে শুনেছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৯, ২০২২ ১২:৪৫ অপরাহ্ন
আগামীকাল ঈদ, বর্জ্য পরিস্কারে রাজধানীতে কাজ করবে ২০ হাজার কর্মী
প্রাণ ও প্রকৃতি

আগামীকাল মুসলমানদের বড় ধর্মীয় উৎসবের মধ্যে অন্যতম উৎসব পবিত্র ঈদুল আজহা। এই ঈদুল আজহাতে রাজধানীতে হওয়া কোরবানির বর্জ্য খুব দ্রুত পরিস্কার করতে কাজ করবে প্রায় ২০ হাজার পরিচ্ছন্নতাকর্মী। এমন আশ্বাস দিয়েছেন ঢাকার দুই সিটি করপোরেশন।

কোরবানির পশুর বর্জ্য পরিষ্কার করার লক্ষ্যে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) ও ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) নিয়েছে আলাদা পরিকল্পনা৷ বাতিল করা হয়েছে কর্মীদের ছুটি৷

কোরবানির পশুর বর্জ্য পরিষ্কার কার্যক্রমে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের প্রায় ৯ হাজার কর্মী কাজ করবেন৷ পরিচ্ছন্নতার কাজে ডিএসসিসির নিজস্ব ময়লার গাড়ি ছাড়াও রাজউক, ওয়াসাসহ কয়েকটি সংস্থা থেকে নেওয়া মোট ৩০০ গাড়ি কাজ করবে। কোরবানিদাতাদের মধ্যে ২৫ মেট্রিক টন ব্লিচিং পাউডারসহ বিতরণ করা হবে পরিবেশবান্ধব ১ লাখ ২০ হাজার পলিথিন। ৫৪০ লিটার স্যাভলন দেওয়া হবে। ময়লা নেওয়ার পর পশু জবাইয়ের জায়গাটি পরিষ্কার করার জন্য মাঠে থাকবে পানির গাড়ি।

কোরবানির পশুর বর্জ্য অপসারণ ও ব্যবস্থাপনা সম্পর্কিত কার্যক্রম মাঠপর্যায়ে সরেজমিনে সচিত্র তদারকি করতে ১০টি টিম গঠন করেছে ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন। সংস্থার আঞ্চলিক নির্বাহী কর্মকর্তাদের নেতৃত্বে বিভিন্ন বিভাগের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাদের নিয়ে করপোরেশনের ১০টি অঞ্চলের জন্য ১০টি টিম গঠন করা হয়। ১০ জুলাই দুপুর ২টা থেকে ১২ জুলাই পর্যন্ত টিমগুলো পশুর বর্জ্য অপসারণ সম্পর্কিত এই কার্যক্রম পরিচালনা করবে।

কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে ডিএসসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ফরিদ আহাম্মদ দ্য ডেইলি স্টারকে বলেন, ‘আমরা ঈদের আগের দিন রাত ২টা থেকে ভোর ৬টার মধ্যে বর্জ্য অপসারণ করব এবং কোরবানির বর্জ্য ঈদের দিন দুপুর ২টা থেকে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে অপসারণ করবো।’

কোরবানির পশু বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় ডিএনসিসির ৯ হাজার ৯০০ কর্মী কাজ করবেন। বর্জ্য সরাতে নিজস্ব ১৫০টি ডাম্প ট্রাক বা খোলা ট্রাক, ৪৭টি ভারী যান এবং ১০টি পানির গাড়ির পাশাপাশি ওয়ার্ডভিত্তিক বর্জ্য সংগ্রহের কাজে ভাড়া করা আরও ১০৮টি পিকআপ কাজ করবে প্রথম দিন। এ ছাড়া দ্বিতীয় দিন কোরবানির বর্জ্য অপসারণে কাজ করবে ৫৪টি পিকআপ। পরিবেশের ক্ষতিকারক না, এমন ৫ লাখ ব্যাগ দেওয়া হবে কোরবানিদাতাদের। স্যাভলন বিতরণ করা হবে ৪ হাজার ৩৩০ লিটার। এ ছাড়া বিতরণ করা হবে ৫৩ মেট্রিক টন ব্লিচিং পাউডার।

কোরবানির বর্জ্য ব্যবস্থাপনা প্রসঙ্গে ডিএনসিসি মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, ‘এবার ঈদে ১২ ঘণ্টায় কোরবানির বর্জ্য পরিষ্কার করা হবে। কোরবানি বর্জ্য ১২ ঘণ্টায় পরিষ্কারের জন্য আমাদের প্রস্তুতি রয়েছে। প্রায় ১০ হাজার কর্মী বর্জ্য অপসারণে কাজ করবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৯, ২০২২ ১২:০৫ অপরাহ্ন
বড় গরু নিয়ে বিপাকে খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

বড় গরুর দাম জিগালেও ক্রেতারা কিনছেন ছোট গরু। বড় গরু নিয়ে এমন পরিস্থিতিতে হতাশায় আছেন খামারিরা

গাবতলী পশুর হাট ঘুরে দেখা গেছে, বড় গরুর দাম হঠাৎ করেই পড়ে গেছে। ছোট গরু তুলনামূলক ভালো দামে বিক্রি হলেও বড় গরুর দাম ততটা বলছেন না কেউ।

‘রাজা’ নামের একটি গরু নিয়ে মেহেরপুরের গাংনী থেকে এসেছেন আসমা বেগম। সাড়ে তিন বছর বয়সী ‘রাজা’র ৩০ মণ মাংস হবে বলে দাবি করছেন তিনি। দাম হাঁকা হচ্ছে ১৫ লাখ টাকা। তবে কোনো ক্রেতা এখনও আশানুরূপ দাম বলেননি।

এত দূর থেকে এত খরচ করে গরুটি গাবতলী হাটে তুলে যেন বিপাকে পড়েছেন আসমা। গরু পরিবহনে ট্রাক ভাড়া বাবদ ১৪ হাজার টাকা খরচ হয়েছে তার। এর সঙ্গে এই চারদিনের আনুসঙ্গিক খরচতো রয়েছেই। অবস্থা এমন হয়েছে যে গরুটি বিক্রি করতে পারলেই যেন মুক্তি পান তিনি! এখন সাত লাখ টাকা দাম পেলেই রাজাকে বিক্রি করে বাড়ি ফিরতে চান, অথচ ক্রেতা মিলছে না।

আসমা বেগম বলেন, ‘১৪ লাখ টাকার বদলে ৭ লাখ দাম বলি। তবুও খদ্দের নাই।’

মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থেকে চারটা বড় গরু নিয়ে গাবতলী হাটে এসেছেন নাসির উদ্দীন ব্যাপারী। কয়েকদিন বসে থেকেও একটা গরুও বিক্রি হয়নি। অনেকটা আক্ষেপ করেই নাসির বলেন, ‘ঢাকার মানুষ মাংসের দামে গরু কোরবানি দেবে না। তারা আলুর দামে গরু কোরবানি দিতে চায়।’

এদিকে, ঈদের আর মাত্র একদিন বাকি থাকায় রাজধানীর একমাত্র স্থায়ী পশুর হাট গাবতলীতে ক্রেতাদের আনাগোনা ও বিক্রি দুটোই বেড়েছে। তবে হঠাৎ করেই কমে গেছে বড় গরুর দাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২২ ৮:৩৬ অপরাহ্ন
রাজধানীতে লাখ টাকায় বিক্রি হচ্ছে মাঝারি আকারের গরু
প্রাণিসম্পদ

পবিত্র ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে রাজধানীর পশু হাটগুলো জমে উঠেছে। এবার স্থায়ী-অস্থায়ী মিলে রাজধানীতে ১৮টি পশুর হাট বসেছে।

সংশ্লিষ্ট ক্রেতা-বিক্রেতারা বলছেন, ঈদের মাত্র এক দিন বাকি থাকায় আজ সর্বোচ্চ সংখ্যক ক্রেতা কোরবানির পশু কিনে বাড়ি ফিরবেন। রাজধানীর গাবতলী পশুর হাটে ছোট-বড় নানা ধরনের নানা জাতের গরু উঠেছে। ক্রেতারা আসছেন, দেখছেন, কথা বলছেন, দামাদামি করে গরু কিনেও ফিরছেন। তবে বেশির ভাগ ক্রেতার চাহিদা মাঝারি ধরনের গরু।

উত্তরার ১৭ নম্বর সেক্টরের বৃন্দাবন ও আশিয়ান সিটিতে বসা হাট দুটিতেও কোরবানির জন্য পর্যাপ্ত পশুর উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। আর ক্রেতাদের উপস্থিতিও কম নয়।
ক্রেতারা তাদের সাধ্যমত দামে পছন্দের পশুটি কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। বগুড়ার নবাব ও লাট বাহাদুর নামে দু’টি বড় জাতের গরু উত্তরার হাটে আনা হয়েছে। দু’টির দাম চাওয়া হয়েছে ১৬ লাখ টাকা।

পশুর হাটে আসা বেশির ভাগ ক্রেতার পছন্দ স্থানীয়ভাবে খামারে লালন-পালন করা দেশি গরু। অন্যদিকে এবার অনেক মানুষ অনলাইনে কোরবানির পশু ঘরে বসেই কিনতে পারছেন। দরদামে বনিবনা হয়ে গেলেই মোবাইল অথবা অনলাইন ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে পছন্দসই পশু কিনে ফেলছেন।

রাজধানীর পশুর হাটগুলোতে সরেজমিনে দেখা যায়, ঈদের মাত্র একদিন আগে গরু-ছাগল কেনাবেচা জমে উঠেছে। মাঝারি আকৃতির গরুর চাহিদা একটু বেশি। তবে হাটে বড় গরুর সংখ্যাও একেবারে কম নয়। দাম একটু বেশি।

উত্তরার হাটে আসা পাইকারদের অনেকেই বলেছেন, এবছর পশুর হাটে ভারতীয় গরু নেই। আজ দুপুরের পর আবহাওয়া ভালো থাকায় হাটে কেনাবেচা ভালো হচ্ছে বলে গরু ব্যবসায়ী এবং হাটের ইজারাদাররা জানিয়েছেন।

উত্তরা ও তুরাগের ক্রেতারা বলছেন, গত বছর ছোট গরু ৫০ থেকে ৭০ হাজার টাকা, মাঝারি আকৃতির গরু ৭৫ থেকে ১ লাখ টাকা এবং বড় আকৃতির গরু দেড় লাখ থেকে শুরু করে সর্বোচ্চ ১৩ লাখ টাকার মধ্যেই বিক্রি হয়েছে। কিন্তু এ বছর গরুর দাম একটু বেশি। এ বছর ছোট গরু বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ৯০ হাজার, মাঝারি গরু ১ লাখ থেকে ১ লাখ ৩০। আর বড় জাতের গরু ১ লাখ ৫০ হাজার থেকে ১৩ থেকে ১৪ লাখ টাকায়।

উত্তরা বৃন্দাবন পশুর হাটের ইজারাদার আলহাজ মো. নূর হোসেন বাসস’কে বলেন, হাটে এবার দেশী গরুর প্রাধান্যই বেশি। ক্রেতার উপস্থিতি বেশ।

আজ ডিএমপির তুরাগ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মেহেদী হাসান বাসস’কে জানান, উত্তরার গরুর হাটে ডিএমপির পুলিশের পক্ষ থেকে পর্যাপ্ত নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
সূত্র : বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২২ ৪:০২ অপরাহ্ন
দেশের উন্নয়নের সব সূচকে শেখ হাসিনার পরশপাথরের ছোঁয়া লেগেছে
প্রাণিসম্পদ

বিশ্ব পরিমন্ডলের উন্নয়ন ও বিশ্ব শান্তি স্থাপন সবখানেই শেখ হাসিনা আছেন বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (৮ জুলাই) জাতীয় প্রেস ক্লাবের তফাজ্জল হোসেন মানিক মিয়া হলে বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য ও সাবেক মন্ত্রী সাহারা খাতুনের ২য় মৃত্যুবার্ষিকী উপলক্ষ্যে আয়োজিত স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন। বাংলাদেশ অনলাইন অধিকার ফোরাম এ স্মরণসভা আয়োজন করে।

এ সময় তিনি বলেন, দেশের উন্নয়নের সব সূচকে শেখ হাসিনার পরশপাথরের ছোঁয়া লেগেছে। একজন শেখ হাসিনা আমাদের কাছে দৃষ্টান্ত। দেশের অবকাঠামো উন্নয়নে, সামাজিক উন্নয়নে, অর্থনীতির উন্নয়নে যেখানেই খোঁজা হবে সেখানে রয়েছেন শেখ হাসিনা।

তিনি দেশের বাইরেও নিজের অবস্থান প্রতিষ্ঠা করেছেন। বিশ্ব জলবায়ু সম্মেলনে বলিষ্ঠ ভূমিকা রাখার জন্য তাঁকে বলা হয়েছে দুর্গতদের কন্ঠস্বর। বিশ্বের অভিবাসী সংকটে লক্ষ লক্ষ বিপন্ন মানুষকে আশ্রয় দিয়ে মানবতার মা হিসেবে স্বীকৃতি পেয়েছেন শেখ হাসিনা। সারাবিশ্ব যখন বৈশ্বিক সংকটে চুপ হয়ে আছে, সে সময় প্রমাণ হয়েছে সারাবিশ্বের সংকট দেখে মতামত দেন, উদ্বেগ দূর করতে বলতে পারেন শেখ হাসিনা। বিশ্ব পরিমন্ডলের উন্নয়ন, বিশ্ব শান্তি স্থাপন কোথায় নেই তিনি।

তিনি আরও বলেন, যারা বঙ্গবন্ধুর আদর্শে বিশ্বাস করে, এবং শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বিশ্বাস করে তাদের মনে রাখতে হবে দল আওয়ামী লীগ, নেতা একজনই শেখ হাসিনা। শেখ হাসিনা যেটা বলেন সেটাই সঠিক মনে করতে হবে। যদি ভালো কিছু করতে হয়, উন্নয়নের জন্য কিছু করতে হয়, আদর্শের জায়গায় খুঁজতে হয় তাহলে শেখ হাসিনাকে অনুসরণ করতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, “পঁচাত্তরে প্রমাণিত হয়েছে কারা আওয়ামী লীগের সত্যিকারের স্বজন। ২০০৭ সালে ওয়ান ইলেভেন সরকার আমলে প্রমাণ হয়েছে প্রকৃতপক্ষে কারা দুঃসময়ে শেখ হাসিনা বা আওয়ামী লীগের স্বজন। অনেকেই সেদিন নানা অজুহাতে শেখ হাসিনার পাশে ছিলেন না। সাহারা খাতুন শেখ হাসিনা ও আওয়ামী লীগের দুঃসময়ে পাশে থাকা আপনজন। তিনি আদর্শ ও নীতি-নৈতিকতার প্রশ্নে, দলের প্রশ্নে, দৃঢ়তার প্রশ্নে সেদিন সাহস দেখিয়েছেন। তার মত সততা, আদর্শিক দৃঢ়তা ও দুঃসময়ে পাশে দাঁড়ানোর মানসিকতা ধারণ করতে হবে। এজন্য সাহারা খাতুনরা শারীরিক মৃত্যু হলেও কীর্তির মধ্যে বেঁচে থাকেন। সাহারা খাতুনের মত শেখ হাসিনার বিশ্বস্ত কর্মী হতে পারলে তাকে স্মরণ করা সার্থক হবে।

ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল অ্যাডভোকেট কাজী শাহনারা ইয়াসমিনের সভাপতিত্বে স্মরণসভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় সাবেক উপাচার্য এ কে এম নূর-উন-নবী, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সংস্কৃতি বিভাগের অধ্যাপক ড. অসীম সরকার। ঢাকা মহানগর দক্ষিণ আওয়ামী লীগের আইন বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট জগলুল কবির, জিল্লুর রহমান পরিষদের সাধারণ সম্পাদক আখতারুজ্জামান খোকা, ঢাকা সাংবাদিক ইউনিয়নের সহসভাপতি মানিক লাল ঘোষ প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২২ ১২:২০ অপরাহ্ন
মাঝারি গরুর দিকে নজর ক্রেতাদের!
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির শেষদিকে এসে দেশজুড়ে জমে উঠেছে পশুর হাট। লাখ লাখ ক্রেতা সমাগমে গরম হয়ে উঠেছে গ্রামীণ হাট-বাজারগুলো। চলছে হাঁকডাক, দরদাম। নতুন ট্রেন্ড হিসেবে যোগ হয়েছে সেলফি উৎসব। বড় গরুর আশপাশে ভিড় বেশি হলেও কেনার ক্ষেত্রে চাহিদা বেশি ছোট ও মাঝারি গরুর।

কোরবানি ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর আফতাবনগরে জমে উঠেছে পশুর হাট।পশুর হাটে ঘুরে দেখা গেছে ছোট-মাঝারি-বড় আকৃতির বাহারি গরু আসতে শুরু করেছে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে। ঈদ সন্নিকটে হওয়ায় গরু-ছাগলের সরবরাহ বেড়েছে রাজধানীর অনন্য হাটগুলোতেও। এদিকে পশুর হাটগুলো ঘিরে নিরাপত্তাব্যবস্থা, নির্বিঘ্ন যাতায়াত ব্যবস্থা, জালনোট শনাক্তকরণ মেশিনসহ ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে পুলিশ।

ক্রেতা-বিক্রেতাদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শুরুর দিকে ক্রেতারা হাটে এসে ব্যাপক দামাদামি করলেও গরু না কিনে ফিরে গেছেন বেশি। তবে ঈদ কাছাকাছি চলে আসায় বেড়েছে বিক্রি।বাইরের বড় বড় ব্যবসায়ীরা না আসায় স্থানীয়রাই পশু কিনছেন বেশি।

নাটোর থেকে ১৫টি গরু নিয়ে আসেন মামুন। তিনি বলেন, মাঝারি আকারের চারটি গরুই ভালো দামে বিক্রি হয়েছে। হাটে আসামাত্রই মাঝারি আকারের গরু প্রত্যাশিত দাম পেয়ে বিক্রি করে দিয়েছি। তবে বড় গরুগুলো এখনও বিক্রি করতে পারিনি। হাতেগোনা কিছু ক্রেতা বড় গরু কিনছেন। মানুষ এসে দামাদামি করছেন ঠিকই কিন্তু নিচ্ছেন মাঝারি গরু। এবার পশুর দাম অনেক বেশি বলে অভিযোগ করছেন ক্রেতারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৮, ২০২২ ৮:৩১ পূর্বাহ্ন
চাহিদার তুলনায় দাম নেই গরুর,হতাশ খামারিরা!
প্রাণিসম্পদ

আর ক’দিন পরই মুসলমানদের দ্বিতীয় বৃহত্তম ধর্মীয় উৎসব ঈদুল আজহা। পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে রাজধানীতে জমে উঠেছে কোরবানির পশুর হাট।

বৃহস্পতিবার বিকেলে সরেজমিনে দেখা যায়, আফতাবনগর গরুর হাটে দাঁড়িয়ে, বসে আবার গল্প আর আড্ডায় অলস সময় কাটাচ্ছেন গরুর খামারি ও ব্যবসায়ীরা। রয়েছে তাদের নানান অভিযোগও।

এসব খামারির সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, গত তিন থেকে চারদিন গরু নিয়ে হাটে এলেও বেচাবিক্রি এখনও শুরু হয়নি। খুবই অল্প সংখ্যক ক্রেতা হাটে এলেও দামদর করে ফিরে যাচ্ছেন অনেকেই।

তাছাড়া কেউবা আবার হাঁকানো দামের অর্ধেকেরও কম দাম বলছেন। এ নিয়ে মন খারাপ করতেও দেখা গেছে অনেক খামারিকে।

নাটোরের সিংড়া থেকে এসেছেন খামারি সাইফুল ইসলাম। তিনি তিনটি গরু নিয়ে গত চারদিন ক্রেতার অপেক্ষায় রয়েছেন। ইতোমধ্যে ক্রেতারা চাহিদা মতো দাম না বলায় আক্ষেপ করছেন তিনি।

তিনি বলেন, বাসা বাড়িতে তিনটি গরু পালন করেছিলাম। এই হাটে নিয়ে এসে চাহিদা মতো দাম পাচ্ছি না। ক্রেতারা যা দাম বলছেন তা পোষাবে না। ঈদের যেহেতু আরও সময় আছে, তাই বিক্রি না হওয়া পর্যন্ত অপেক্ষা করব। আশা করছি ভালো দাম পাব।

তাছাড়া একেবারেই যদি দাম না ওঠে ফিরিয়ে তো আর নেয়া যাবে না, শেষ মুহূর্তে টার্গেটের কাছাকাছি দাম পেলেও ছেড়ে দেব।

আর রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি থেকে এসেছেন মাসুদ রানা। তিনিও বাসাবাড়িতে পালন করা দুটি গরু নিয়ে এসেছেন আফতাবনগরের এ হাটে।

বৃহস্পতিবার সকালে হাটে এসেই ক্রেতার দেখা পেয়েছেন তিনি। কিন্তু চাহিদার অর্ধেক দাম বলায় মন খারাপ মাসুদের। লাল টকটকে গরুর ২ লাখ ৮০ হাজার দামের বিপরীতে ক্রেতা বলেছেন দেড় লাখ টাকা।

মাসুদ রানা বলেন, গরু পালন করা অনেক ব্যয়বহুল। খড়-কুটা দাম বেড়েছে। তাছাড়া মাঠেও ঘাস পাতা পাওয়া যায় না। একটা গরুর পিছনে যে পরিমাণ খরচ আর শ্রম দেয়া হয় তা আসলে দাম দিয়ে কেনা যায় না।

দর্শনা থেকে ১৭ টির মতো গরু নিয়ে হাটে এসেছেন মামুন ও তার বড় ভাই মাসুদ। এখনও ক্রেতার দেখা পাননি তারাও। অলস সময় পার করছেন। আগামী দুই দিনের বেচাবিক্রির আশা করছেন তারা। ইতোমধ্যে ক্রেতা যে দাম বলেছেন তাতে খরচা উঠবে না এই খামারির।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২২ ৯:১৮ পূর্বাহ্ন
১৮টি গরু নিয়ে ছাড়ল ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন
প্রাণিসম্পদ

কোরবানির পশু পরিবহনের জন্য এবারো চাঁপাইনবাবগঞ্জ-রাজশাহী-ঢাকা রুটে চালু হয়েছে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন সার্ভিস।

বুধবার (৬ জুলাই) বিকালে চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশন থেকে ১৮টি গরু নিয়ে ট্রেনটি রাজধানীর ঢাকার তেজগাঁও রেলস্টেশনের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। আগামী শুক্রবার (৮ জুলাই) পর্যন্ত এই বিশেষ ট্রেনটি চলবে।

প্রথম দিনে একটি ওয়াগনে ১৮টি গরু ও ৪টি ছাগল নিয়ে যাত্রা শুরু করে ক্যাটল ট্রেনটি। সবগুলো গরুর মালিক সদর উপজেলার বালিয়াডাঙ্গা গ্রামের শামিম আলী।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন- জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোস্তাফিজুর রহমান, পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের সহকারী বাণিজ্য কর্মকর্তা একেএম নুরুল আলম, চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার শহিদুল আলমসহ অন্যান্যরা।

চাঁপাইনবাবগঞ্জ রেলস্টেশন সূত্রে জানা যায়, চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ক্যাটল স্পেশাল ট্রেনে প্রতিটি গরু পরিবহণের জন্য ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ৫৯১ দশমিক ৫০ পয়সা।

২০২১ সালে প্রথমবারের মতো ক্যাটল ট্রেনে পণ্যবাহী ওয়াগন দিয়ে ঢাকায় গরু পরিবহন করা হয়। প্রতিটি ওয়াগনে ভাড়া নির্ধারণ করা হয়েছে ১১ হাজার ৮৩০ টাকা।

প্রথমবারের মতো চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে ২০২১ সালের ১৭ জুলাই ক্যাটল স্পেশাল ট্রেন চালু হয়। ট্রেনটি ১৯ জুলাই পর্যন্ত গরু পরিবহণ করে। ৩ দিন ধরে চলা এ ট্রেনটিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কোরবানিযোগ্য পশু পরিবহণ করা হয় ৭৭টি। তা থেকে আয় হয় ৪৫ হাজার ৫৮৪ টাকা। তবে আয় নয়, মূলত খামারিদের ভোগান্তি ও ব্যয় কমাতে সরকার এই চালু করেছে বলে জানান রেলওয়ের কর্মকর্তারা। উদ্বোধনের দিনে ৭৭টি গরু পরিবহন করলেও পরের দুই দিনে চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে কোনো গরু পরিবহন হয়নি ট্রেনটিতে।

গরুর মালিক শামিম আলী বলেন, গতবছরও ক্যাটল ট্রেনে আমি গরু পাঠিয়েছিলাম। এরই ধারাবাহিকতায় এবারও প্রথম দিনেই গরু পাঠাচ্ছি। আজকে আমার গরু ছাড়া আরও কারো নেই। এই ট্রেনের সবচেয়ে বড় সুবিধা হলো ভাড়া অন্যান্য উপায়ে পরিবহণের তুলনায় অর্ধেক। তবে তেজগাঁও রেলস্টেশনে নামার পর হাটে গরু নিয়ে যেতে অনেক ভোগান্তি পোহাতে হয়। তাই সেখানে সরকারিভাবে গাড়ি ব্যবস্থার দাবি জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৭, ২০২২ ৯:০৬ পূর্বাহ্ন
লাখ টাকার গরু মারা গেল বিদ্যুৎস্পৃষ্ট
প্রাণিসম্পদ

নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জের একটি পশুর হাট থেকে এক লাখ টাকায় একটি গরু কেনার পর বাড়িতে নিয়ে যাচ্ছিলেন এক ক্রেতা। পথে বিদ্যুতের একটি খুঁটির সঙ্গে স্পর্শ লাগা মাত্রই গরুটি বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা গেছে। এ ঘটনায় ঢাকা পাওয়ার ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি লিমিটেড (ডিপিডিসি), নারায়ণগঞ্জকে দায়ী করে থানায় অভিযোগ দায়ের করবেন বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগী ওই ক্রেতা।

বুধবার (৬ জুলাই) সন্ধ্যায় আদমজী কোমল বাসস্ট্যান্ডে বিদ্যুতের একটি খুঁটির সঙ্গে গরুটির স্পর্শ লাগলে বিদ্যুতায়িত হয়ে মারা যায় কোরবানির জন্য কেনা পশুটি। ওই খুঁটিতে দীর্ঘদিন ধরেই বৈদ্যুতিক সমস্যা ছিল বলে জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

জানা যায়, সিদ্ধিরগঞ্জের নতুন বাজার সড়কের বাসিন্দা মোহাম্মদ আজিম বুধবার বিকেলে আইয়ুব নগর হাট থেকে এক লাখ টাকায় গরুটি কেনেন। সঙ্গে ৫ হাজার টাকা হাসিল দেন। গরুটিকে বাসায় নিয়ে যাওয়া পথে নির্মম এই ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী আজিম জানান, আমার জানা ছিল না খুঁটিটি বিদ্যুতায়িত হয়ে আছে। খুঁটির সঙ্গে গরুর স্পর্শ লাগার সঙ্গে সঙ্গে গরুটি মারা যায়। দীর্ঘদিন ধরেই নাকি খুঁটিতে বৈদ্যুতিক সমস্যা রয়েছে। আমার অনেক ক্ষতি হয়ে গেল! তবে ডিপিডিসির এই গাফিলতিতে আর যেন কারো ক্ষতি না হয় তাই আমি থানায় অভিযোগ করব।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop