৯:৩১ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ১২:৩২ অপরাহ্ন
শূণ্য থেকে লাখপতি রাখাল বিদ্যুত
প্রাণিসম্পদ

চাপাইনবাবগঞ্জ জেলার সীমান্তবর্তী উপজেলা ভোলাহাটের বিদ্যুত রাখাল থেকে হয়েছেন লাখপতি। যার নিজের কোনো গরুই ছিল না, সে কিখন ৫০টি গরুর মালিক। অন্যের গরু চরিয়ে যা পেতেন, তা দিয়ে নিজে অল্প অল্প করে দইয়ের ব্যবসায় বাবার সঙ্গে বিনিয়োগ করেছেন। প্রাপ্ত লাভ ও কিছু টাকা ধার করে কিনেছিলেন একটি গাভী। সেই গাভী থেকেই লাখপতি বুনে গেলেন বিদ্যুত।

বিদ্যুত জানান, ক্ষতিকর ইনজেকশন ও ট্যাবলেট ব্যবহার না করে ঘাস-খড়ের পাশাপাশি খৈল, ছোলা ও ভুসি খাওয়ানোর মাধ্যমে গরু মোটাতাজা করছেন তিনি। তবে রোগ প্রতিরোধের টিকা তিনি গরুকে দিয়েছেন।

আরও বলেন, বাজারে ভারতীয় গরু বেশি থাকায় আগের বছরগুলোতে ততটা লাভ করতে পারিনি। লোকসানের মুখে পড়েন আমার মতো অনেক খামারি। গরুগুলো একটু অসুস্থ হলেই উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সাথে যোগাযোগ করেছি, তারা সহযোগিতাও করেছেন।

জানা যায়, ২০১৪ সাল থেকে পরিশ্রম চালিয়ে যাচ্ছেন বিদ্যুৎ। তখন থেকেই ফল পেতে শুরু করেছেন। বর্তমানে এলাকায় প্রতিষ্ঠিত খামারিদের মধ্যে একজন হয়েছেন তিনি। বর্তমানে খামারে প্রায় ৫০টির মতো দেশি ও সংকর জাতের গরু রয়েছে। প্রতিদিনই প্রায় ২০টির মতো গাভীতে ১০০ লিটার দুধ হয়। সেই দুধ দিয়ে ঘি তৈরি করেন। বাকি অংশ দিয়ে সুস্বাদু দই তৈরি করেন। প্রতিদিনই প্রায় ১০০ কেজির বেশি দই উৎপাদন হয় বিদ্যুতের বাসায়। তাকে সহায়তা করছেন পরিবারের সবাই।

প্রতিবছরই প্রায় ১০টি করে গরু বিক্রি করেন। বিশেষ করে কোরবানির সময় বিক্রি করে থাকেন। বছর শেষে হিসাব করলে তার বার্ষিক আয় প্রায় ৮-৯ লাখ টাকা।

তিনি বলেন, একটা সময় আমার দুঃখ ছিল, মনে মনে চাইতাম আমারও কিছু গরু হোক। টাকা হোক। স্বপ্ন পূরণ হয়েছে। এখন আমার দু’ছেলেকে লেখাপড়া শিখিয়ে মানুষের মতো মানুষ করতে চাই।

ভোলাহাট উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আব্দুল্লাহ বলেন, একেবারে শূন্য থেকে স্বাবলম্বী হয়ে ওঠা বিদ্যুতের পেছনে প্রাণিসম্পদের অনেক অবদান রয়েছে। একটি গরু দিয়ে শুরু করা খামারে এখন ৫০টির বেশি গরু রয়েছে। প্রতিবছর তিনি কয়েক লাখ টাকা গরু বিক্রি করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৬:২৬ অপরাহ্ন
বাঙালির ঐক্যের তান হোক সম্প্রীতির বাংলাদেশ: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “বাঙালির ঐক্যের তান হোক সম্প্রীতির বাংলাদেশ। বাঙালির বাংলাদেশে, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে সামনে এগিয়ে যেতে হবে। আজকের সমাজ ব্যবস্থায় মানুষরূপী যে অসুর রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে শেখ হাসিনার নেতৃত্বে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে”।

রবিবার (১০ অক্টোবর) পিরোজপুরের নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে শারদীয় দুর্গা পূজা উপলক্ষ্যে নাজিরপুর উপজেলার দুর্গা মন্দিরের সভাপতি ও সম্পাদকের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময়, প্রধানমন্ত্রীর অনুদানের চেক বিতরণ, ব্যক্তিগত অনুদান প্রদান এবং জেলা পরিষদের অনুদান প্রদান উপলক্ষ্যে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। জেলা পরিষদ পিরোজপুর, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্ট এবং নাজিরপুর পূজা উদডাপন পরিষদ যৌথভাবে এ মতিবিনিময় সভা আয়োজন করে।

তিনি আরো বলেন, “সকল ধর্মই সৃষ্টির কল্যাণের কথা বলে। সত্যকে গ্রহণ করে অসত্যকে বর্জন করার কথা বলে। পরার্থে নিজেকে বিলীন করার কথা বলে। কোন ধর্মই উগ্রতাকে প্রশ্রয় দেয় না। কিছু উগ্র ব্যক্তি আছে যারা নিজেদের মতো করে আলাদা ধর্ম রচনা করে। সে ধর্ম দিয়ে সমাজে সম্প্রীতি নষ্ট করে, মানবতার জয়গানে বিঘ্ন সৃষ্টি করে। তারা মানবতার শত্রু, অসাম্প্রদায়িকতার শত্রু। এরা অস্তিত্বের উৎসমূলে আঘাত করে, ধর্মীয় বিশ্বাসে আঘাত করে। এদের বিষয়ে সচেতন থাকতে হবে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “দুর্গাপূজা এখন আর পূজার মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। এটা এখন বাঙালির সর্বজনীন উৎসবে পরিণত হয়েছে। আমাদের সৌভাতৃত্ব, সহমর্মিতা, ভালোবাসা আমাদের একটি জায়গায় আবদ্ধ করেছে। সে জায়গা হচ্ছে আমরা সকলে অসাম্প্রদায়িক বাঙালি। যে বাঙালিত্বকে প্রতিষ্ঠার জন্য আমাদের ত্রিশ লাখ শহিদ রক্ত দিয়েছিল, দুই লাখ মা-বোন সম্ভ্রম দিয়েছিল”।

নাজিরপুর উপজেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি সুখরঞ্জন বেপারীর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেন, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান, জেলা পরিষদের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রেবেকা খান, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অমূল্য রঞ্জন হালদার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোহাম্মদ ওবায়দুর রহমান, পিরোজপুর জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সভাপতি বিমল কৃষ্ণ মন্ডল, সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, হিন্দু ধর্মীয় কল্যাণ ট্রাস্টের ট্রাস্টি সুরঞ্জিত দত্ত লিটু প্রমুখ।

এর আগে মন্ত্রী নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের দিঘীতে মাছের পোনা অবমুক্ত করেন এবং নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের সম্প্রসারিত প্রশাসনিক ভবন ও হল রুম নির্মাণ কাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
খামারিদের মাঝে খাদ্যসহ হাঁস-মুরগি বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

পিরোজপুরের ভাণ্ডারিয়ায় সিআইজি খামারিদের মাঝে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিনামূল্যে হাঁস-মুরগি বিতরণ করা হয়েছে। এ সময় হাঁস-মুরগি ও গরু-ছাগলের খাবারও বিতরণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি কর্মসূচির আওতায় মোট ১৮ জন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত (সিআইজি) খামারিকে ১০টি করে হাঁস, ১০টি করে মুরগি, ২৪০ কেজি গরুর খাবার, ১১৫ কেজি করে হাঁস-মুরগির খাবার, বেলচা, বালতিসহ বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সীমা রাণী ধর এ কর্মসূচির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। এ সময় উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা সঞ্জিব কুমার বিশ্বাস, ভেটেরিনারি সার্জন সোমা সরকার প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২১ ১২:৫৯ পূর্বাহ্ন
খাবারের সন্ধানে বাসাবাড়িতে অজগর!
প্রাণ ও প্রকৃতি

খাবারের সন্ধানে সিলেটে বাসাবাড়িতে হানা দিচ্ছে অজগর সাপ। গত এক সপ্তাহে শহরতলির মেজরটিলা এলাকার এক বাড়ি থেকে তিনটি অজগর উদ্ধার করা হয়। এর আগেও ওই বাড়ি থেকে আরও দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছিল। বনবিভাগের কর্মকর্তা ও প্রাণী বিশেষজ্ঞরা বলছেন, বন-জঙ্গল উজাড় ও খাদ্য সংকটের কারণে লোকালয়ে আসছে অজগর।

এ ছাড়া নগরীর ভিতরের বিভিন্ন বাসা থেকেও অজগর উদ্ধারের খবর পাওয়া গেছে। লোকালয়ে অজগর সাপ দেখা গেলে ভীত-সন্ত্রস্ত হয়ে পিটিয়ে না মেরে বনবিভাগকে খবর দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট বিভাগের কর্মকর্তারা।

জানা যায়, গতকাল সকালে শহরতলির মেজরটিলা সৈয়দপুরের রাবেয়া বেগমের বাড়ি থেকে একটি অজগর উদ্ধার করেন বনবিভাগের কর্মীরা। এর আগে এক সপ্তাহের ব্যবধানে ওই বাড়ি থেকে আরও দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছিল। পরে সেগুলো টিলাগড় সংরক্ষিত বনে অবমুক্ত করা হয়।

রাবেয়া বেগম জানান, সকালে তার দেবরের মুরগির খামারে একটি অজগর দেখতে পাওয়া যায়। পরে বনবিভাগ ও পরিবেশকর্মীদের খবর দেওয়া হয়। তারা এসে সাপটি উদ্ধার করে নিয়ে যায় এর আগে ১ ও ২ অক্টোবর তার বসতঘর থেকে দুটি অজগর উদ্ধার করা হয়েছিল। গত ছয় মাসে তার বাড়ি থেকে পাঁচটি অজগর উদ্ধার করা হয় বলে জানান রাবেয়া।

পরিবেশবাদী ‘সংগঠন ভূমিসন্তান বাংলাদেশ’র সমন্বয়ক আশরাফুল কবির জানান, গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে গতকাল সকাল পর্যন্ত আলুরতল ও বালুচর এলাকার দুটি বাড়ি থেকে আরও দুটি অজগর উদ্ধার করেছেন বনবিভাগের কর্মীরা। এগুলোও টিলাগড় ইকোপার্কের বনে অবমুক্ত করা হয়েছে। যে বাড়িগুলো থেকে সাপ উদ্ধার হয়েছে সেগুলো টিলাগড় ইকোপার্কের পাশে। এর আশপাশে অনেক টিলা ও বন-জঙ্গল আছে। বাসাবাড়িতে অজগর ঢুকে পড়ায় স্থানীয়দের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। তবে বনবিভাগের কর্মীরা বলছেন, অজগর নিয়ে আতঙ্কের কিছু নেই। অজগর নিরীহ প্রজাতির বিষহীন সাপ। এরা সাধারণত মানুষের ক্ষতি করে না। খাবারের সন্ধানেই এরা বন ছেড়ে লোকালয়ে আসছে।

বনবিভাগের সিলেট বিভাগীয় কর্মকর্তা এস এম সাজ্জাদ হোসেন সিলেটকে অজগরের ‘হটস্পট’ উল্লেখ করে বলেন, ‘সিলেট অঞ্চলে প্রচুর অজগর সাপ রয়েছে। বিশেষত এখানকার চা বাগানগুলো অজগরের নিরাপদ আশ্রয়স্থল। আগে চা বাগানে অনেক বনমোরগ ও কাঠবিড়ালি পাওয়া যেত। এগুলো ছিল অজগরের প্রিয় খাদ্য। এসব এখন কমে গেছে। ফলে অজগর খাদ্য সংকটে পড়েছে। তাই বন ও চা বাগানের আশপাশের যেসব বাড়িতে হাঁস-মুরগি আছে, সেসব বাড়িতে অনেক সময় অজগর ঢুকে পড়ে।’

ইদানীং লোকালয়ে অজগরের চলে আসার প্রবণতা বেড়েছে জানিয়ে তিনি আরও জানা, ‘এখন প্রায় প্রতি সপ্তাহেই দুই-একজন ফোন করে অজগর পাওয়ার কথা জানান। আমরা গিয়ে সেগুলো উদ্ধার করে নিয়ে আসি। সম্প্রতি লোকালয় থেকে বেশ কিছু বাচ্চা অজগর উদ্ধার করা হয়েছে। এতে বোঝা যায়, মা অজগর আশপাশে কোথাও এসে ডিম পেড়েছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ১০:৪৫ অপরাহ্ন
শেকৃবিতে বিশ্ব ডিম দিবস পালিত
ক্যাম্পাস

রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে শোভা যাত্রার মাধ্যমে বিশ্ব ডিম দিবস-২০২১ পালিত হয়েছে। শোভাযাত্রা শেষে জনসাধারণের মাঝে সিদ্ধ ডিম বিতরণ করা হয়।

শুক্রবার(৮ অক্টোবর) পোল্ট্রি প্রোফেশনাল’স বাংলাদেশ (পিপিবি) শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যোগে শেকৃবি ক্যাম্পাসে ডিম দিবস উপলক্ষ্যে বর্নাঢ্য শোভাযাত্রার আয়োজন করা হয়।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন এনিম্যাল সায়েন্স এন্ড ভেটেরিনারি মেডিসিন অনুষদের সাবেক ডীন এবং পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের প্রধান উপদেষ্টা ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ, পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের উপদেষ্টা এনিম্যাল প্রোডাকশন ও ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোঃ সাইফুল ইসলাম, এনাটমি, হিস্টোলজি ও ফিজিওলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম রাসেল, পিপিবি’র কেন্দ্রীয় সমন্বয়ক কৃষিবিদ অঞ্জন মজুমদার, পিপিবি’র কোর টিম সদস্য এবং ইবোনিক বাংলাদেশ লিঃ এর ম্যানেজিং ডিরেক্টর ডাঃ সঞ্জিত চক্রবর্তী, কোর টিম সদস্য ডাঃ আবদুর রহমান রাফি, শেকৃবি ইউনিটের কো-লিডার রূপ কুমার এবং পিপিবি শেকৃবি ইউনিটের অন্যান্য সদস্যবৃন্দ। উক্ত আয়োজনে সার্বিকভাবে সহযোগিতা করে “Shinil Group”।

এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন সিনিল গ্রুপের রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার মোঃ রাজিবুল ইসলাম ও এক্সিকিউটিভ কৃষিবিদ লিমা খন্দকার।

No description available.

এছাড়াও পিপিবি ভলান্টিয়ার টিমের হাজী দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় শাখা এবং খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় অধ্যাপক ড. মোঃ আনোয়ারুল হক বেগ বলেন, “ডিম একটি আদর্শ ও পরিপূর্ণ খাবার। ডিম খেলে হার্টের বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্ত থাকা যায়।

একটি নতুন প্রাণের বিকাশ হয় ডিমের মধ্য থেকে অর্থাৎ ডিমের মধ্যে সকল পুষ্টিগুণ বিদ্যমান।” উপস্থিত বক্তারা সকলকে ডিম খাওয়ার জন্য উৎসাহিত করেন এবং ডিমের পুষ্টিগুণ জনসাধারণের কাছে তুলে ধরার আহ্বান জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ৫:১৬ অপরাহ্ন
বেড়েই চলছে মুরগি-পেঁয়াজের দাম, অস্বস্তিতে নিম্ন ও মধ্যবিত্তরা!
পাঁচমিশালি

কেজিতে ১৫ থেকে ২০ টাকা পর্যন্ত বেড়ে প্রতি কেজি দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা। আর ভারতীয় পেঁয়াজের জন্য কেজি প্রতি ক্রেতাকে গুণতে হচ্ছে ৬০ থেকে ৬৫ টাকা। এভাবেই গত সপ্তাহ থেকে বৃদ্ধি পাচ্ছে পেঁয়াজ। লাগাতার বাড়ছে সোনালি ও ব্রয়লার মুরগির দাম। বাজারে ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৭৫ থেকে ১৮০ টাকা কেজি। যা এক সপ্তাহ আগে ছিল ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা। আর সেপ্টেম্বর মাসের শুরুর দিকে ছিল ১২০ থেকে ১৩০ টাকার মধ্যে।

ব্রয়লার মুরগির মত পাকিস্তানি কক বা সোনালি মুরগির দামও কয়েক দফা বেড়েছে। মাসখানেক আগে ২১০ থেকে ২৩০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া সোনালি মুরগির দাম কয়েক দফা বেড়ে এখন ৩২০ থেকে ৩৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর বাজারগুলোতে দেখা যায়, শীত শুরুর আগেই বাজারে এসে গেছে শীতকালীন সবজি। তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই স্বস্তি মিলছে না দামে।

কিছুটা দাম কমেছে শিমের। এখন শিমের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১০০ টাকা। মরিচ, গাজর, টমেটোর কেজি ১৫০ টাকা। ঝিঙার কেজি ৪০ থেকে ৫০ টাকা, করলা বিক্রি হচ্ছে ৬০ থেকে ৭০ টাকা, চিচিঙ্গা বিক্রি হচ্ছে ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, পটলের কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকা, ঢেঁড়শের কেজি ৫০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে, বরবটির কেজি ৭০ থেকে ৮০ টাকা, আলুর কেজি ২৫ টাকা, লম্বা বেগুনের কেজি ৪০ টাকা থেকে ৫০ টাকা, গোল বেগুনের ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি, মিষ্টি কুমড়ার কেজি ৩০ টাকা। প্রতিটি লাউ ৫০ থেকে ৬০ টাকা, জালি-কুমড়ার পিস ৩০ থেকে ৪০ টাকা, ছোট আকারের ফুলকপির পিস ৩৫ থেকে ৪০ টাকা, কাঁচকলার হালি বিক্রি হচ্ছে ৩০ থেকে ৩৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে।

মিনিকেট চাল প্রতি কেজি ৬৪ থেকে ৬৫ টাকা, আটাশ চালের কেজি ৫০ থেকে ৫২ টাকা, নাজিরশাইল চাল প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬৬ থেকে ৬৮ টাকায়। বাজারে আগের দামেই বিক্রি হচ্ছে ভোজ্যতেল। খুচরা প্রতি লিটার তেল বিক্রি হচ্ছে ১৫০ টাকা। শুকনা মরিচ প্রতি কেজি ১৫০ থেকে ২৫০ টাকা, দেশি রসুনের কেজি ৭০ থেকে ৮০, ইন্ডিয়ান রসুনের কেজি ১২০ থেকে ১৩০ টাকা। দেশি আদা ৭০ থেকে ৮০ টাকা কেজি। চায়না আদার কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৬০ টাকা।

চিংড়ির কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০০ থেকে ৭০০ টাকা। বড় আকারের রুই ও কাতলা মাছ বিক্রি হচ্ছে ৩০০ থেকে ৪০০, মাঝারি আকারের ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, ছোট আকারের ১৫০ থেকে ২২০ টাকা, শিং মাছ ৪০০ টাকা কেজি, পাবদা ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকা কেজি, পাঙ্গাস ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তেলাপিয়া ১৫০ থেকে ২৮০ টাকা, চাষের সরপুঁটি ১৬০ থেকে ১৭০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ৪:৫৮ অপরাহ্ন
ডিমের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আনার পরিকল্পনা নেয়া হচ্ছে
প্রাণিসম্পদ

সরকারি-বেসরকারি যৌথ উদ্যোগে ডিমের দাম মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে নিয়ে আসার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (৮ অক্টোবর) রাজধানীর একটি হোটেলে বিশ্ব ডিম ‍দিবস উপলক্ষ্যে আয়োজিত অলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ পরিকল্পনার কথা জানান। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থা (এফএও), ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) যৌথভাবে এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী জানান, “সমৃদ্ধ জাতি গড়তে হলে পরিপূর্ণ পুষ্টিসম্মত খাবার নিশ্চিত করতে হবে। পুষ্টিসম্মত খাবারের অন্যতম উপাদান ডিম। ডিমের প্রয়োজনীয়তা গ্রামে-গঞ্জেসহ সকল জায়গায় ছড়িয়ে দিতে হবে। দেশের প্রতিটি মানুষ যেন অনুধাবন করতে পারে, খাবারের শ্রেষ্ঠতম একটা উপকরণ ডিম। এই খাদ্য উপাদান যেন ব্যয়বহুল না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। যতটুকু ব্যয় হয় সেটা কীভাবে কমানো যায় সেজন্য সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে যৌথ পরিকল্পনা নেয়া হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে ব্যয়ের কারণে ডিম যেন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে না যায়। ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি ও সহজলভ্য করার জন্য মানুষকে উদ্বুদ্ধ করতে হবে, উদ্যোক্তা হিসেবে তৈরি করতে হবে, স্বনির্ভর করতে হবে”।
অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, “বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গুণগত উন্নয়নে বিশ্বাস করেন। ‍তিনি দেশের সকল কিছুতে টেকসই উন্নয়নের কথা বলেন। প্রতিবেশী দেশসমূহের তুলনায় বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ খাতের এগিয়ে যাওয়া বিস্ময়কর। এ খাতের উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকার ব্যাপক পৃষ্ঠপোষকতা দিয়েছে”।

মন্ত্রী আরো বলেন, “পোল্ট্রি খাতের সমস্যা সমাধানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় তৎপর রয়েছে। করোনার সময় পোল্ট্রি ও ডেইরি খাতের বিপর্যস্ত অবস্থা কাটিয়ে উঠার জন্য তাৎক্ষণিকভাবে সমস্যা সমাধান করা হয়েছে। বার্ড ফ্লু সংক্রমণ থেকে পোল্ট্রি খাতকে রক্ষার জন্য শেখ হাসিনা সরকার যেভাবে কঠোর পদক্ষেপ নিয়েছে, সে ধারা বজায় রেখে এ খাতকে উত্তরোত্তর সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে নিয়ে যাওয়া হচ্ছে। বর্তমানে পোল্ট্রি ও ফিশ ফিডের মূল্য বৃদ্ধি বন্ধ করার জন্য আমরা তৎপর রয়েছি। আমি আশ্বস্ত করতে চাই পোল্ট্রি খাতকে বিকশিত করার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকারের পক্ষ থেকে যত প্রকার সহযোগিতা, পৃষ্ঠপোষকতা দরকার, সেটা দেওয়া হবে। যাতে বাংলাদেশে এ খাত পিছিয়ে না পড়ে”।
“পুষ্টি চাহিদা মেটাতে বেশি বেশি ডিম খেতে হবে। ডিম খাওয়া নিয়ে বিভ্রান্তির বেড়াজাল থেকে বেরিয়ে এসে মানুষকে সচেতন করতে হবে। পুষ্টি চাহিদা পূরণের মাধ্যমে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারলে আমাদের আয়ুষ্কাল বাড়বে। আজ দেশের মানুষের গড় আয়ু বেড়েছে। মাতৃমৃত্যুর হার, শিশু মৃত্যুর হার অনেক কমে গেছে। এটা এমনি এমনি আসেনি। রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থাপনা ও বেসরকারি উদ্যোক্তাদের সম্মিলিত প্রয়াসে চাহিদা অনুযায়ী খাদ্যের যোগান ও স্বাস্থ্যসম্মত জীবনযাপনের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে”-যোগ করেন মন্ত্রী।

বিপিআইসিসি’র সভাপতি মসিউর রহমানের সভাপতিত্বে অলোচনা অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। সম্মানীয় অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান ও এফএও’র বাংলাদেশ প্রতিনিধি রবার্ট ডি সিম্পসন। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিপিআইসিসি’র সহসভাপতি শামসুল আরেফিন খালেদ। অনুষ্ঠানে প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের পোল্ট্রি সায়েন্স বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. শওকত আলী এবং বারডেম হাসপাতালের প্রধান পুষ্টিবিদ শামসুন্নাহার নাহিদ মহুয়া। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিএলআরআই ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাক্তন ও বর্তমান কর্মকর্তাবৃন্দ এবং পোল্ট্রি খাতের বিশেষজ্ঞ, বিপিআইসিসি, ওয়ার্ল্ড পোল্ট্রি সায়েন্স অ্যাসোসিয়েশন-বাংলাদেশ শাখা ও এফএও’র প্রতিনিধিবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

ডিম খেতে সব বয়সের জনগণকে উৎসাহিত করার জন্য অনুষ্ঠানে প্রতিকী হিসেবে দুজন শিশু ও দুজন বয়োজ্যেষ্ঠ ব্যক্তিকে ডিম খাওয়ান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব। উল্লেখ্য, আজ ৮ অক্টোবর ‘প্রতিদিন ডিম খাই, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াই’-এ প্রতিপাদ্যে সারাদেশে বিশ্ব ডিম দিবস উদযাপন হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৬, ২০২১ ১২:২৮ পূর্বাহ্ন
রাণীর রেকর্ড ভাঙতে পারবে কি টুনটুনি?
প্রাণিসম্পদ

গরুর নাম টুনটুনি। দেখতে স্বাভাবিক বাছুরের চেয়ে ছোট। টুনটুনির বয়স চৌদ্দ মাস, ওজন ২৩ কেজি আর উচ্চতা ২২ ইঞ্চি। অন্য সব গরুর থেকে ছোট আর দুরন্তপনার জন্য মালিক নাম তার রেখেছেন টুনটুনি।গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার গোসিংগা ইউনিয়নের হায়াতখারচালা গ্রামের কৃষক আবুল কাশেমের খামারে গত বছরের জুলাইয়ের শেষ সপ্তাহে এক খর্বাকৃতির মাদি বাছুরের জন্ম হয়।

গত ১৯ আগস্ট দুবছর বয়সে মারা যাওয়া খর্বাকৃতির গরু রাণীর উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি আর ওজন ছিল ২৬ কেজি।

গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় স্থান পাওয়া সাভারের দুই বছর বয়সী খর্বাকৃতির গরু রাণী’র উচ্চতা ছিল ২০ ইঞ্চি, আর ওজন হয়েছিল ২৬ কেজি। গরুটি গিনেস বুকে স্থান পাওয়ার খবরের আগেই অসুস্থ হয়ে মারা যায়।

রাণীর চেয়ে টুনটুনির উচ্চতা দুই ইঞ্চি বেশি হলেও ওজন তিন কেজি কম। স্থানীয়দের আশা সাভারের রাণীর রেকর্ড ভেঙে পৃথিবীর সবচেয়ে ছোট গরু হিসেবে গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ডসের তালিকায় নাম উঠবে গাজীপুরের টুনটুনির।

গাজীপুর জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. এস.এম উকিল উদ্দিন বলেন, টুনটুনির ওজন ২৩ কেজি এবং উচ্চতা ২২ ইঞ্চি বলে জানা গেছে। জিনগত খনিজ খাটতি ও হরমোনের কারণে এমনটি হতে পারে। আমার কয়েকজন চিকিৎসক বিষয়টি অবজারভেশন করছেন। তবে রেকর্ডের আওতায় যদি পড়ে তাহলে যাবতীয় ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৫, ২০২১ ১০:১৪ অপরাহ্ন
দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে চালকসহ ২৫ ছাগল নিহত
প্রাণিসম্পদ

কামরুল হাসান, কালিহাতী (টাঙ্গাইল) প্রতিনিধি:টাঙ্গাইলের কালিহাতীতে দুই ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষে লাল চাঁন(৩৮) নামে
এক ট্রাক চালক নিহত হয়েছেন। এ সময় ট্রাকে করে আনা আনা ২৫টি ছাগলও মারা যায়। নিহত ট্রাক চালক লাল চাঁন নওগা সদর উপজেলার চকরাম চন্দ গ্রামের মৃত জসিম উদ্দিনের ছেলে।

মঙ্গলবার সকালে ঢাকা বঙ্গবন্ধু সেতু মহাসড়কের কালিহাতীর আনালিয়াবাড়ী এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।

বঙ্গবন্ধু সেতু পূর্ব থানার ওসি শফিকুল ইসলাম জানান, চাল বোঝাই ট্রাকের উপরে ২৫টি ছাগল উঠিয়ে উত্তরবঙ্গ থেকে ঢাকার দিকে যাচ্ছিল আনালিয়াবাড়ী নামকস্থানে পৌঁছলে বিপরীত দিক থেকে আসা একটি খালি ড্রাম ট্রাকের সঙ্গে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে ঘটনাস্থলে চাল বোঝাই ট্রাকের চালক গুরুতর আহত হন। তাকে উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালে নেওয়ার পর চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুপুরে তার মৃত্যু হয়।

তিনি আরও জানান, সংঘর্ষে চাল বোঝাই ট্রাকের উপরে আনা ২৫ টি ছাগল ঘটনাস্থলেই মারা যায়। নিহতের মরদেহ টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৫:৩০ অপরাহ্ন
মা ইলিশ রক্ষায় আজ মধ্যরাত থেকে শুরু হচ্ছে সমন্বিত বিশেষ অভিযান
প্রাণিসম্পদ

চলতি বছর প্রধান প্রজনন মৌসুমে মা ইলিশ রক্ষায় আজ মধ্যরাত থেকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে সমন্বিত বিশেষ অভিযান শুরু হচ্ছে। ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত দেশের ৩৮টি জেলায় এ বিশেষ অভিযান পরিচালিত হবে। জেলা ও উপজেলা প্রশাসন, স্থানীয় মৎস্য দপ্তর, বাংলাদেশ পুলিশ, র‌্যাব, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী সমন্বিতভাবে এ অভিযান পরিচালনা করবে।

অভিযান বাস্তবায়নকালে ২০টি জেলা তথা ঢাকা, মুন্সীগঞ্জ, মাদারীপুর, শরীয়তপুর, মানিকগঞ্জ, রাজবাড়ী, ফরিদপুর, বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, বরগুনা, পিরোজপুর, ঝালকাঠি, চাঁদপুর, লক্ষ্মীপুর, ফেনী, নোয়াখালী, চট্টগ্রাম, কক্সবাজার, ও বাগেরহাট জেলার নদ-নদী, মোহনা ও সাগরে ইলিশসহ সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। অপর ১৮টি জেলা তথা নারায়ণগঞ্জ, নরসিংদী, কিশোরগঞ্জ, টাঙ্গাইল, গাজীপুর, জামালপুর, রাজশাহী, নাটোর, বগুড়া, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, গাইবান্ধা, কুড়িগ্রাম, ব্রাহ্মণবাড়িয়া, খুলনা, কুষ্টিয়া ও নড়াইল জেলার নদ-নদীতে ইলিশ মাছ ধরা বন্ধ থাকবে।

রবিবার (০৩ অক্টোবর) সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে এ সংক্রান্ত এক মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত হয়। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলম, যুগ্ম সচিব সুবোধ চন্দ্র ঢালী, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ ও নৌপুলিশের অতিরিক্ত ডিআইজি শফিকুল ইসলাম সভায় অংশগ্রহণ করেন। মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সংশ্লিষ্ট ৩৮ জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, মৎস্য অধিদপ্তরের স্থানীয় কর্মকর্তাগণ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, র‌্যাব এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাগণ সভায় ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ করেন।

সভায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ বলেন, “সম্মিলিত প্রচেষ্টায় দেশে মৎস্য উৎপাদন বৃদ্ধি পাচ্ছে, ইলিশ মাছকে অনন্য উচ্চতায় নিয়ে যাওয়া সম্ভব হচ্ছে। মৎস্য বিজ্ঞানী ও বিশেষজ্ঞদের মতামতের ভিত্তিতেই ইলিশের সর্বোচ্চ প্রজনন সময় বিবেচনা করে এ বছর ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধের সময় নির্ধারণ করা হয়েছে”।

তিনি আরো যোগ করেন, “ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকাকালে এ বছর ৫ লক্ষ ৫৫ হাজার ৯৪৪টি জেলে পরিবারের জন্য ১১ হাজার ১১৮ দশমিক ৮৮ মেট্রিক টন ভিজিএফ চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। ইলিশ ধরা বন্ধকালে যাতে পাশ্ববর্তী দেশের জেলেরা অবৈধ মৎস্য আহরণ করতে না পারে সে জন্য কোস্টগার্ড ও নৌবাহিনী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে”।

সভায় জানানো হয়, মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান সফল করতে এ বছর ব্যাপক কার্যক্রম গ্রহণ করা হয়েছে। নৌপুলিশ এবছর নদীতে ভাসমান ফাঁড়ি পরিচালনা করবে এবং সার্বক্ষণিক একটি নিয়ন্ত্রণ কক্ষ চালু রাখবে। বিমান বাহিনী আকাশপথে নজরদারি গত বছরের চেয়ে বৃদ্ধি করবে এবং রাতের বেলা টহল জোরদার করবে। নৌবাহিনী ৯টি জাহাজের মাধ্যমে অভিযান পরিচালনা করবে। বাংলাদেশ কোস্টগার্ড ভারতীয় কোস্টগার্ডের সাথে সমন্বয় করবে অভিযানের পরিচালনা করবে যাতে ভারতীয় জেলেরা বাংলাদেশের জলসীমায় মাছ ধরতে না পারে। স্থানীয় প্রশাসন, মৎস্য বিভাগ ও আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাথে সমন্বয় করে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনাসহ বরফকল বন্ধ রাখা, বাজার মনিটরিং এবং স্থানীয় মৎস্যজীবী, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ ও জনপ্রতিনিধিদের সাথে সমন্বয় করে সচেতনতা ও প্রচারনামূলক ব্যবস্থা গ্রহণ করবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে বাধা সৃষ্টি করলে কোন রকম ছাড় দেওয়া হবে না বলেও সভায় জানানো হয়।

উল্লেখ্য, ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন এন্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫’ অনুযায়ী ৪ থেকে ২৫ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করে গত ২৬ সেপ্টেম্বর প্রজ্ঞাপন জারি করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। উল্লিখিত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহণ, মজুদ, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় দন্ডনীয় অপরাধ। এই আইন অমান্যকারী কমপক্ষে ১ থেকে সর্বোচ্চ ২ বছর সশ্রম কারাদন্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দন্ডে দন্ডিত হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop