৮:২০ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ডিসেম্বর ১, ২০২১ ১২:০৫ অপরাহ্ন
নাটোরে চাষ হচ্ছে পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ব্ল্যাক রাইস
কৃষি বিভাগ

নাটোরে চাষ হচ্ছে বেশি পুষ্টিগুণ সম্পন্ন ব্ল্যাক রাইস। জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা যায়, অ্যান্টি অক্সিডেন্ট ফ্লাভিনয়ের্ড খুব বেশি পরিমাণে থাকায় এই চালের রঙ কালো হয়। কালো চাল ডায়াবেটিস, স্নায়ুরোগ ও বার্ধক্য প্রতিরোধক। এতে ভিটামিন, ফাইবার ও মিনারেল রয়েছে।

কৃষি বিভাগের তথ্যমতে, চীনে চতুর্দশ শতক থেকে সপ্তদশ শতকে মিং যুগে এই ব্ল্যাক রাইস বা কালো ধানের চাষ হতো। কিন্তু রাজা বা রাজপরিবার ছাড়া কারও এই কালো চালের ভাত খাওয়ার অধিকার ছিল না। প্রজাদের জন্য এই চাল নিষিদ্ধ ছিল বলে এই চালকে বলা হয় নিষিদ্ধ চাল বা ফরবিডেন রাইস। কালের বিবর্তনে জাপান ও মিয়ানমারে এই ধানের চাষ শুরু হয়। এরপর থাইল্যান্ডে শুরু হয় এর চাষাবাদ। সেখান থেকে এই ধানের চাষ শুরু হয় বাংলাদেশে। কিন্তু দীর্ঘদিন ধরে তা সীমাবদ্ধ ছিল পাহাড়ি অঞ্চলে। পার্বত্য এলাকায় এই চালকে বলা হয় পোড়া বিন্নি চাল।

নাটোর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক ও সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মেহেদুল ইসলাম বলেন, ‘সদর উপজেলার লক্ষ্মীপুর-খোলাবাড়িয়া ইউনিয়নের গাজীপুর বিলে চাষ হয়েছে ব্ল্যাক রাইস। স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অর্গানিক পল্লী অ্যাগ্রো ফার্মস অ্যান্ড নার্সারির পরিচালক মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল কৃষি বিভাগের সহায়তায় এই ধানের চাষ করেছেন।

সরেজমিনে গাজীপুর বিলে দেখা যায়, কৃষক ও উদ্যোক্তা টুটুল তার এক বিঘা জমিতে চাষ করেছেন ওই ব্ল্যাক রাইস। দেখা যায়, অন্য ধানগাছের মতো হলেও ব্ল্যাক রাইস ধানের শীষের কিছু ধানের রঙ কালো। তবে শীষের আকৃতি তুলনামূলক বড়। ধানের খোসা সরিয়ে দেখা যায়, চালগুলোর রঙ কালো।

মোস্তাফিজুর রহমান টুটুল জানান, তিনি ময়মনসিংহ থেকে ওই ধানের এক কেজি বীজ সংগ্রহ করেছিলেন। সব খরচসহ তার এক বিঘায় ব্যয় হয়েছে ১৩ হাজার টাকা।

ফলন সম্পর্কে জানতে চাইলে মাহমুদুল ফারুক ও মেহেদুল ইসলাম জানান, জমির অতিরিক্ত রস থাকায় ধানগাছগুলো আগেই পড়ে গিয়েছিল। ফলে কিছুটা চিটা হয়েছে। তবে তাদের পরীক্ষালব্ধ ফলাফল অনুযায়ী ওই জমিতে প্রায় ১১-১২ মণ ধান পাওয়া যাবে। যা শুকানোর পর ১০ মণে টিকবে। গড়ে প্রতি মণে ২৫ কেজি চাল হলেও মোট ২৫০ কেজি চাল পাওয়া যাবে। যার বাজারমূল্য সর্বনিম্ন ১৫০ থেকে ২০০ টাকা হিসেবে ৩৭৫০ থেকে ৫ হাজার টাকা। এতে স্বাভাবিক ধান করার চেয়ে লাভ অনেক বেশি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক মাহমুদুল ফারুক জানান, কালো চাল সাধারণ চালের তুলনায় অনেক বেশি উপকারী ও স্বাস্থ্যসম্মত। তুলনামূলক বিচারে অ্যানথোসায়ানিন, প্রোটিন ও ফাইবার অন্যসব চালের থেকে কালো চালে বেশি থাকে। চালে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট প্রচুর থাকায় শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ত্বক পরিষ্কার করে ও শরীর থেকে দূষিত পদার্থ বের করে শরীরকে ফুরফুরে রাখে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
ঝিনাইদহে কৃষকদের মধ্যে বীজ-সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহে ৬ হাজার ৮’শ কৃষকদের মাঝে সার ও ধান বীজ বিতরণ করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে সদর উপজেলা পরিষদ চত্বরে কৃষি বিভাগের আয়োজনে এ প্রনোদনা বিতরণ করা হয়।

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলী। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সদর উপজেলা মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরতী দত্ত। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জুনাইদ হাবীব।

কৃষি বিভাগ জানান, সরকারের রবি মৌসুমে প্রনোদনা কর্মসূচির আওতায় বোরো উচ্চ ফলনশীল আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সদর উপজেলার ৬ হাজার ৮’শ কৃষকের প্রত্যেককে ২০ কেজি রাসায়নিক সার ও ৫ কেজি ধান বীজ বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ৪:০৬ অপরাহ্ন
ঝিনাইদহে ড্রাগন চাষে সফলতা
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহের মাটি ও আবহাওয়া বিদেশী ফল ড্রাগন চাষের উপযোগী হওয়ায় সেখানে এর আবাদ দিনদিন বাড়ছে। এই ফল বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন চাষীরা। আর, চাষ বাড়তে থাকায় হচ্ছে নতুন কর্মসংস্থান। পুষ্টিসমৃদ্ধ এই বিদেশী ফলের আবাদ বাড়াতে প্রয়োজনীয় পরামর্শ দেয়া হচ্ছে বলে জানিয়েছে কৃষি বিভাগ। 

বিদেশি ফল ড্রাগন চাষে দিন দিন আগ্রহ বাড়ছে ঝিনাইদহের চাষীদের মাঝে। জেলা সদর, কোটচাঁদপুর, মহেশপুর ও কালীগঞ্জসহ ছয়টি উপজেলার বিভিন্ন গ্রামে বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ড্রাগন চাষ করে লাভবান হয়েছেন চাষিরা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে বিভিন্ন জেলায় বিক্রি হচ্ছে এই ফল।

কৃষকরা জানালেন, এক বিঘা জমিতে ড্রাগন চাষ করতে খরচ হয় এক লাখ টাকা। উৎপাদিত ফল বিক্রি করে ৫ লাখ টাকা আয় করা সম্ভব হয়।

ড্রাগন চাষ করে একদিকে বেকার যুবকরা যেমন স্বাবলম্বী হয়েছেন, তেমনি এই ফলের বাগানে কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করছেন অনেক শ্রমিক।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জানালেন, ড্রাগন একটি পুষ্টিগুন সমৃদ্ধ ফল। আর এর চাষও লাভজনক। তাই এর চাষ বাড়াতে কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। ঝিনাইদহে এবছর ১৫০ হেক্টর জমিতে ড্রাগনের আবাদ হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
রাঙামাটির পাহাড়ে মসলা চাষে আগ্রহ বাড়ছে কৃষকদের
কৃষি বিভাগ

দুর্গম ও অনুন্নত যোগাযোগ ব্যবস্থায় রাঙামাটিতে উৎপাদিত কৃষিপণ্য বাজারজাত কষ্টসাধ্য ও ব্যয়বহুল। ফলে কাঙ্ক্ষিত মুনাফা থেকে বঞ্চিত হন কৃষকেরা। এজন্য ওজনে হাল্কা, পরিবহণে সহজ মসলা চাষের প্রকল্প হাতে নিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড।

আদি থেকেই জুম চাষের পাশাপাশি পাহাড়ের ঢালে চাষ করা হয় আদা, হলুদ। এসব চাষে পাহাড়ের মাটি নরম হয়ে ভূমি ক্ষয় হচ্ছে, তেমনি ঝুঁকি বাড়ছে পাহাড়ধসের। আর উৎপাদিত পণ্যে প্রকৃত মুনাফাও পাচ্ছেন না কৃষকরা।

পাহাড়ি জমিতে তাই ভিন্ন এক প্রকল্প হাতে নিয়েছে পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড। ওজনে হালকা, আমদানিনির্ভর, অধিক মূল্যের কৃষিপণ্য মসলা চাষ থাকছে প্রকল্পের আওতায়। ২৬ হাজার একর জমিতে নির্বাচিত কৃষকের বাগানে শোভা পাচ্ছে আলুবোখারা, দারুচিনি, গোলমরিচ, তেজপাতার মতো বিভিন্ন মসলাজাতীয় পণ্য উৎপাদন।

মসলা বাগান প্রতিদিনই দেখতে আসে আশপাশের অনেক কৃষক, এমন চাষাবাদে আগ্রহ হচ্ছেন তারাও। তবে মসলার ফলন পেতে তিন বছরের মতো দীর্ঘসময় লাগায় অন্যান্য ফসলও পাশাপাশি আবাদ করা হচ্ছ।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ডের মসলা চাষ প্রকল্পের পরিচালক শফিকুর ইসলাম জানান, আমদানি নির্ভরতা কমাতে আলুবোখারা, দারুচিনি, গোলমরিচ, তেজপাতার মতো বিভিন্ন মসলাজাতীয় পণ্য চাষ শুরু করা। তিনি আরও বলেন, এ মসলার ফলন ৩/৪ বছরের মধ্যে আসবে।

পার্বত্য চট্টগ্রাম উন্নয়ন বোর্ড চেয়ারম্যান নিখিল কুমার চাকমা বলেন, ভূ-প্রকৃতি বিবেচনা করে অধিক মুনাফার জন্য এমন প্রকল্প হাতে নেয়া হয়েছে।

এ প্রকল্পে ৩৪ কোটি ৮৭ লাখ টাকা ব্যয়ে ২ হাজার ৬শ কৃষককে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ২:৫৬ অপরাহ্ন
সারের দাম বৃদ্ধি ও সংকটে বিপাকে হিলির আলু চাষিরা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের হিলিতে শুরু হয়েছে আলু চাষ। মাঠে মাঠে আলুর বীজ রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। আমন ধানের কাটা-মাড়াই শেষের দিকে। আলু চাষে প্রয়োজন বেশি সার। বিশেষ করে জমি তৈরি করার সময় পর্যাপ্ত পরিমাণে বিভিন্ন প্রকার সার প্রয়োজন। আলু চাষিরা অভিযোগ করছেন, স্থানীয় বাজারে সারের সঙ্কট ও কিনতে হচ্ছে বেশি দামে।

এদিকে কৃষি দপ্তর বলছে, পর্যাপ্ত পরিমাণ সার রয়েছে ডিলারদের কাছে। ডিলারদের অভিযোগ, পর্যাপ্ত সার পাচ্ছেন না তারা।

হিলির বিভিন্ন মাঠ ঘুরে দেখা যায়, আমন চাষিরা ধান কেটে ওই জমি আলু চাষের জন্য প্রস্তুত করছেন। এছাড়াও অনেক জমিতে আলুর বীজও রোপণ করতে শুরু করেছেন তারা। কিন্তু সার সঙ্কট ও দাম বেশি হওয়ায় আলু চাষে অনিহা প্রকাশ করছেন অনেক কৃষক। ডিলারদের নিকট তারা চাহিদার তুলনায় টিএসপি ও ফসফেট সার পাচ্ছেন না। পেলেও বেশি দাম ধরায় বিপাকে পড়ছেন তারা।

হিলির হরিহরপুর গ্রামের ইমরান আলী বলেন, ‘প্রতি বছরের ন্যায় এ বছরও আমন ধান কাটার পর এই জমিতে আলু চাষ শুরু করেছি। গতবারও ভালো ফলন পেয়েছি, এবারও ভালো ফলনের আশায় আলুর বীজ রোপণ করতে শুরু করেছি।’

‘আশা করছি আবহাওয়া ভালো থাকলে ভালো ফলন পাবো। তবে টিএসপি ও ফসফেট সারের সঙ্কট দেখা দিচ্ছে এবং ডিলার ও ব্যবসায়ীরা ১১০০ টাকা মূল্যের বস্তা টিএসপি সারের দাম নিচ্ছেন প্রায় ১৬০০ টাকা। সার সরবরাহ ঠিকমতো পেলে আলু চাষে আমরা আরও আগ্রহী হতাম’, বলেন তিনি।

হরিহরপুর গ্রামের আব্দুল রাজ্জাক বলেন, ‘আড়াই বিঘা জমির আমন ধান কাটা-মাড়াই শেষ। এই আড়াই বিঘাতেই আলুর চাষ করেছি, প্রয়োজনীয় সব সার দিয়ে মাটি তৈরি করে বীজ রোপণ করছি। কিন্তু সার ঠিকমতো পাচ্ছি না, যদিও পাচ্ছি তা আবার বেশি দামে কিনতে হচ্ছে।’

হিলির হরিহরপুর বাজারের সারের ডিলার মিজান বলেন, ‘বর্তমানে আমাদের এলাকায় আলু ও সরিষার মৌসুম চলছে। এসব ফসল ফলাতে কৃষকের প্রচুর সারের প্রয়োজন হয়ে থাকে। তবে তাদের চাহিদা অনুযায়ী ১০ ভাগ সারও আমরা পাচ্ছি না। ফলে কৃষকেরা হয়রানির শিকার হচ্ছে। তবে আমরা কৃষকদের কাছ থেকে সারের মূল্য বেশি নিচ্ছি না।’

হাকিমপুর (হিলি) উপজেলা কৃষি অফিসার ড. মমতাজ সুলতানা বলেন, ‘আলু চাষের জন্য হিলির ৩টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভায় মোট ১৯টি সারের ডিলার আছে। তাদের নিকট পর্যাপ্ত সার রয়েছে। সারের কোনো সঙ্কট নেই। তবে যদি কোনো সারের ডিলার অনিয়ম কিংবা দাম বেশি নেয়, তা প্রমাণ পেলে তাদের বিরুদ্ধে আমরা ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ১:৫৯ অপরাহ্ন
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় আমন ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু
কৃষি বিভাগ

মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলায় আমন ধান ও চাল সংগ্রহ শুরু হয়েছে।

এ উপলক্ষে সোমবার (২৯ নভেম্বর) উপজেলার ভানুগাছ সরকারি খাদ্য গুদাম প্রাঙ্গণে উপজেলা প্রশাসন ও উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সাবেক চিফ হুইপ ও অনুমিত হিসাব সম্পর্কিত কমিটির সভাপতি উপাধ্যক্ষ ড. মো. আব্দুস শহীদ এমপি।

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) আশেকুল হকের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আছলম ইকবাল মিলন, পৌর মেয়র জুয়েল আহমদ, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জনি খান, উপজেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রক কর্মকর্তা দীপক মন্ডল প্রমুখ।

চলতি মৌসুমে উপজেলায় অভ্যন্তরীণ আমন ধান ২৭ টাকা কেজি প্রতি ১১শ’ ৮৭ মেট্টিক টন ধান ও ৪০ টাকা কেজি প্রতি ১১৭ মেট্টিক টন সিদ্ধ চাল কেনা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩০, ২০২১ ১:০৪ অপরাহ্ন
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল
কৃষি বিভাগ

ধানের ন্যায্যমূল্য পাওয়ার দাবিতে পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় কৃষক সমাবেশ ও বিক্ষোভ মিছিল করেছে বাংলাদেশ কৃষক সমিতি নীলগঞ্জ শাখা।

সোমবার উপজেলার নীলগঞ্জ ইউনিয়নের পাখিমারা বাজারে এ কর্মসূচির আয়োজন করে। এতে স্থানীয় কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেনী পেশার মানুষ অংশগ্রহন করেন।

বাংলাদেশ কৃষক সমিতি নীলগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক জি. এম মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে সমাবেশে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশের কমিউনিষ্ট পার্টির খেপুপাড়া শাখার সাধারণ সম্পাদক কমরেড নাসির তালুকদার, বাংলাদেশ ক্ষেত মজুর সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার আহবায়ক প্রভাষক রফিকুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি কলাপাড়া উপজেলা শাখার যুগ্ন আহবায়ক মো.আতাজুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষকলীগ নীলগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার সভাপতি মো.আলাউদ্দিন খান, বাংলাদেশ কৃষক সমিতি নীলগঞ্জ ইউনিয়ন শাখার আহবায়ক মো.আলাউদ্দিন সিকদার প্রমূখ।

বক্তারা কৃষকদের ধানের ন্যায্যমূল্য প্রদান, শস্যবীমা চালু, পল্লী রেশনিং চালু ও ধানের মন ৪৬ কেজির পরিবর্তে ৪০ কেজিতে মন ধরে বিক্রির দাবি জানিয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৬:৫৬ অপরাহ্ন
এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সকল সহযোগিতা দেয়া হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

দেশে এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগকারী ও উদ্যোক্তাদের সকল ধরণের প্রণোদনা এবং সহযোগিতা প্রদান করা হবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণ ও রপ্তানি বৃদ্ধিতে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে। এগ্রিবিজনেসে দেশের ও বিদেশের উদ্যোক্তাদের সরকার সকল সুবিধা প্রদান করবে।

আজ সোমবার হোটেল রেডিসন ব্লুর উৎসব হলে বিডা আয়োজিত আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ সম্মেলনের এগ্রিবিজনেস: গ্রোথ বাই ন্যাচার শীর্ষক সেশনে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, আমরা সাধারণ জনগণ ও কৃষকের আয় বাড়াতে চাই। সেজন্য আন্তর্জাতিক বাজারে দেশের সতেজ ও প্রক্রিয়াজাত কৃষিপণ্যের রপ্তানি বাড়ানোর পাশাপাশি প্রক্রিয়াজাত করে দেশের ভিতরে বাজার বিস্তৃত করতে হবে। এটি করতে পারলে কৃষকেরা উৎপাদিত ফসলের ন্যায্যমূল্য পাবে, লাভবান হবে ও তাদের আয় বাড়বে। সেলক্ষ্যে বর্তমান সরকার নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

স্থানীয় ও আন্তর্জাতিক ব্যবসায়ী এবং দেশের শিক্ষিত তরুণদেরকে এগ্রিবিজনেসে বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়ে কৃষিবিদ ড. রাজ্জাক আরও বলেন, দেশের রপ্তানি মূলত গার্মেন্টসনির্ভর, এটিকে আমরা বহুমুখী করতে চাই। এক্ষেত্রে সবচেয়ে সম্ভাবনাময় হলো দেশের কৃষিখাত। বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকারের প্রচেষ্টায় গত ১২ বছরে কৃষি উৎপাদনে বিস্ময়কর সাফল্য অর্জিত হয়েছে। সকল ফসলের উৎপাদন যেমন বেড়েছে, তেমনি অনেক ফসলে আমরা উদ্বৃত্ত। এসব ফসলের রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতকরণ বৃদ্ধি এবং ভ্যালু অ্যাড করাই এখন আমাদের মূল লক্ষ্য।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৪:৪১ অপরাহ্ন
নড়াইলে ৫ হাজার কৃষক ও কৃষাণীর মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নড়াইল জেলায় ৫ হাজার কৃষক ও কৃষাণীর মধ্যে বিনামূল্যে বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

সোমবার সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বোরো ধানের উফসী ও হাইব্রিড (এসএল-৮) জাত ব্যবহারের মাধ্যমে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আয়োজনে বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর নড়াইলের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায়ের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন- সদর উপজেলা চেয়ারম্যান ও জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক নিজামউদ্দিন খান নিলু, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সাদিয়া ইসলাম, সংসদ সদস্য মাশরাফির পিতা গোলাম মোতুর্জা স্বপন, সদর উপজেলা সহকারি কমিশনার (ভূমি) কৃষ্ণা রায়, সরকারি কর্মকর্তা, উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের কর্মকর্তাগণসহ উপকারভোগি কৃষকগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, এ কার্যক্রমের আওতায় ৩ হাজার জন হাইব্রিড (এসএল-৮) জাত ধান চাষির মধ্যে প্রত্যেককে ২ কেজি করে এবং ২ হাজার উফসী ধান চাষির মধ্যে প্রত্যেককে ৫ কেজি করে বীজ , ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও ১০ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৯, ২০২১ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
একবার ধান লাগিয়ে কাটা যাবে পাঁচবার
কৃষি বিভাগ

একবার ধান লাগিয়ে কাটা যাবে পাঁচবার। প্রতি হেক্টরে ফলনও হবে দ্বিগুণ। বিস্ময়কর এ জাতের আবিষ্কারক অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী। ধানের জিনগত পরিবর্তন করে যিনি জাতটির নাম দিয়েছেন পঞ্চব্রিহি।

প্রতিনিয়ত কমছে চাষের জমি। উৎপাদন খরচও বাড়ছে হু হু করে। কৃষকের এমন ত্রাহি অবস্থা থেকে মুক্তি দিতেই পঞ্চব্রিহি জাতের আবিষ্কার।

গেল ১৫ বছর গবেষণা করে পঞ্চব্রিহি জাতের ১৬ প্রজাতির ধান আবিষ্কার করেছেন অস্ট্রেলিয়া প্রবাসী বিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী। মৌলভীবাজার কালিহাতির নিজ গ্রামে প্রাথমিক গবেষণা চালিয়ে ইতোমধ্যে সফলও হয়েছেন তিনি।

ধান গবেষক ও জিনবিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী বলেন, আমি এই উচ্চারণটা করেছি ১৫ বছর আগে। বলেছি যে, ধানকে আমি চিরজীবী করে ফেলবো, অর্থাৎ ধান দিতেই থাকবে।

পঞ্চব্রিহি প্রথম রোপণ হয় বোরো মৌসুমে। ১২০ দিন পর প্রথমবারের মতো ঘরে ওঠে নতুন ধান। তারপর প্রতি ৪৫ দিনের মাথায় আরও ৪ বার কাটা যাবে বহুব্রিহি ধান। কাটার সময় গোড়া থেকে খানিকটা ওপরে কাটতে হবে এই ধান।

আবেদ চৌধুরী বলেন, একেক রেটনের ইতিহাস একেকটা, ১৬টা প্রজাতির জন্মের কাহিনী ১৬টি। মূল কথা হল যে, যেভাবে বলা হয়ে থাকে দ্বিতীয় বার অল্প হয় এবং তৃতীয়বার একদম মাঠে মারা যায়। এটা মোটেই রেটনের কাহিনী নয়। এটা রেটন নয়, এটা হচ্ছে পুনঃজীবনী ধান বহুব্রিহি ধান।

হেক্টর প্রতি বছরে মিলবে ১৩ থেকে ১৬ টন। দ্বিতীয়বার কাটার সময় ফলন কমবে ২০ শতাংশ। তারপর টানা তিনবার ফলবে প্রায় একই ফলন।

ধান গবেষক আরও বলেন, এগুলোর মধ্যে যেটার ফলন ভাল সেটা ১৬ টনের বেশি হয়। ৮ থেকে ১০ টনের উপরে অনেকগুলো জাত আছে।

পঞ্চব্রিহির সুবিধা আছে বীজ সংগ্রহের ক্ষেত্রেও। চাষীর হাতে একবার যাওয়ার পর বারংবার তা ব্যবহার করতে পারবে। জাতের পুরোটাই পরিবেশবান্ধব ও খরা সহনশীল। ঝড় বৃষ্টিতেও টিকে থাকতে পারে পঞ্চব্রিহি।

শিগগিরই গবেষণা প্লট থেকে চাষি পর্যায়ে ধানের বীজ সরবরাহ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন ধানবিজ্ঞানী আবেদ চৌধুরী।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop