৩:৪০ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ৩:৪৯ অপরাহ্ন
বরিশালের গৌরনদীতে জিংকসমৃদ্ধ ধানের বীজ বিক্রেতাদের সাথে বাজারজাতকরণ শীর্ষক আলোচনা
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে জিংকসমৃদ্ধ ধানের বীজ বিক্রেতাদের সাথে বাজারজাতকরণ শীর্ষক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ (সোমবার) জেলার গৌরনদীর বেসরকারি সংস্থা সিসিডিবির হলরুমে হারভেস্ট প্লাস ও সিসিডিবির যৌথ উদ্যোগে এই আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়। সিসিডিবি’র কো-অর্ডিনেটর দেবাশিষ কুমার দের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) উপপরিচালক মো. রমিজুর রহমান।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপপরিচালক মোসাম্মৎ মরিয়ম, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন এবং উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মামুনুর রহমান। সিসিডিবি’র এরিয়া ম্যানেজার ডেনিস মারান্ডির সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন হারভেস্ট প্লাসের ডিভিশনাল কো-অর্ডিনেটর জাহিদ হোসেন, বীজ ব্যবসায়ী জালাল সর্দার, বীজ উৎপাদনকারী মো. ইসলাম জোয়াদ্দার প্রমুখ।

প্রধান অতিথি মো. রমিজুর রহমান বলেন, মানবদেহে জিংকের চাহিদা অল্প। তবে অত্যাবশ্যকীয়। অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এ পুষ্টি উপাদান স্বাভাবিক খাবার গ্রহণে অভাব পূরণ হয় না। কেবল ভাতের মাধ্যমেই এর ঘাটতি দূর করা সহজ। এ জন্য জিংকসমৃদ্ধ ধানের আবাদ বাড়াতে হবে। আর তা সম্মিলিত প্রচেষ্টায়ই বাস্তবায়ন সম্ভব।
সভায় কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, কৃষক, বীজ উৎপাদনকারী এবং বীজ ব্যবসায়ীসহ ৩৫ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ২:২৬ অপরাহ্ন
হিলিতে কমেছে আমদানিকৃত পেঁয়াজ-কাঁচা মরিচের দাম
কৃষি বিভাগ

হিলিতে পাইকারি বাজারে কমেছে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচের দাম। কয়েক দিনের ব্যবধানে প্রতি কেজি পেঁয়াজে কমেছে প্রকারভেদে ৫ থেকে ৬ টাকা। গত সপ্তাহে যে পেঁয়াজ স্থানীয় ও আড়তগুলোতে বিক্রি হয়েছিল। এ ছাড়া ৪০ থেকে ৪২ টাকা আজ আড়তগুলোতে পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৩৬ টাকা দরে।

এদিকে আমদানি বেশি হওয়াতে কমেছে দাম বলছেন ব্যবসায়ীরা। দাম কমাতে খুশি সাধারণ ক্রেতারা। সোমবার (১৫ নভেম্বর) হিলি বাজার ঘুরে এ তথ্য পাওয়া যায়।

পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচ কিনতে আসা ক্রেতারা জানান, গত সপ্তাহে পেঁয়াজ এবং কাঁচা মরিচের দাম অনেকটাই বেশি ছিল। এখন কিছুটা দাম কমেছে। তবে কাঁচা মরিচ ৫০ টাকার নিচে এবং পেঁয়াজ ২০ টাকার মধ্যে থাকলে সাধারণ ক্রেতাদের জন্য সুবিধা হতো। সেই সঙ্গে বাজার মনিটরিং এর দাবিও জানান তারা।

স্থানীয় বাজারের পেঁয়াজ বিক্রেতা কয়েকজন  জানান, গত সপ্তাহে পেঁয়াজের আমদানি কম হওয়াতে দাম বৃদ্ধি ছিল। বর্তমানে চলতি সপ্তাহে আমদানি বৃদ্ধি পাওয়াতে কমতে শুরু করেছে দাম। সোমবার (১৫ নভেম্বর) হিলি পাইকারি বাজারে ভারতীয় পেঁয়াজ কেজি প্রতি ৩৫ থেকে ৩৬ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। আমদানি বেশি হলে আরও দাম কমতে পারে বলেও জানান বিক্রেতারা।

এদিকে কাঁচা মরিচ বিক্রেতা কয়েকজন  জানান, দেশীয় বাজারে কাঁচা মরিচের সরবরাহ বৃদ্ধি এবং ভারত থেকে আমদানির অব্যাহত থাকায় কমতে শুরু করেছে দাম।

গত কয়েক দিনের ব্যবধানে ১০ টাকা কমে প্রতি কেজির কাঁচা মরিচ বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকায়। দাম কমাতে ক্রেতার সংখ্যা বৃদ্ধি পেয়েছে।

হিলি কাস্টমসের তথ্য মতে, চলতি সপ্তাহের দুই কর্ম দিবসে ভারতীয় ৩১ ট্রাকে ৮৩২ মেট্রিটন পেঁয়াজ এবং ৪ ট্রাকে ৪২ মেট্রিক টন কাঁচা মরিচ আমদানি হয়েছে এই বন্দর দিয়ে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ১:০৯ অপরাহ্ন
কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় এক কোটি ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ
কৃষি বিভাগ

জয়পুরহাট জেলার প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকদের সহায়তা হিসেবে ২০২১-২২ ফসল চাষ মৌসুমে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূিচর আওতায় এক কোটি ৬৩ লাখ ১৭ হাজার টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান কৃষি বান্ধব সরকারের নির্বাচনী অঙ্গীকার অনুযায়ী প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের অধিক হারে রবি ফসল উৎপাদনে সহায়তা দানের জন্য কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি চালু করে। চলতি রবি মৌসুমে জেলার পাঁচ উপজেলার কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় নির্বাচিত কৃষকের সংখ্যা হচ্ছে ১৭ হাজার ২০০ জন। এরমধ্যে রয়েছে গম চাষের জন্য পাঁচ হাজার কৃষক, ভূট্টার জন্য তিন হাজার কৃষক, সরিষার জন্য ৮ হাজার কৃষক, শীতকালীন পেঁয়াজ চাষের জন্য ৫০০ কৃষক এবং মুগ ডাল চাষের জন্য ২০০ জন ও মসুর ডালের জন্য ৫০০ জন কৃষক । কৃষি প্রণোদনার আওতায় জেলায় পাঁচ হাজার বিঘা জমিতে গম, ভূট্টা তিন হাজার বিঘা, সরিষা ৮ হাজার বিঘা, শীতকালীন পেঁয়াজ ৫শ বিঘা, মুগডাল ২শ বিঘা ও মসুর ডাল ৫শ বিঘা জমি নির্বাচন করা হয়েছে। পেঁয়াজ চাষের জন্য প্রতিজন কৃষক পাবেন বীজ এক কেজিসহ ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার, গম চাষের জন্য প্রতিজন কৃষক পাবেন ২০ কেজি বীজসহ ১০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার। ভূট্টা চাষের জন্য নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক পাবেন ২ কেজি বীজ , ২০ কেজি ডিএপি ও ১০ কেজি এমওপি সার, সরিষা চাষের জন্য প্রতিজন কৃষক পাবেন এক কেজি বীজসহ ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার, মুগডাল চাষের জন্য নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক পাবেন বীজ ৫ কেজিসহ ডিএপি ১০ কেজি ও এমওপি সার ১০ কেজি এবং মসুর ডাল চাষের জন্য নির্বাচিত প্রতিজন কৃষক পাবেন বীজ ৫ কেজিসহ ১০ কেজি করে ডিএপি ও এমওপি সার ১০ কেজি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মো: শফিকুল ইসলাম বলেন, উপজেলা কৃষি অফিসের মাধ্যমে প্রণোদনা আওতায় প্রান্তিক পর্যায়ে থাকা কৃষকদের মাঝে সার ও বীজ বিতরণ কার্যক্রম চলমান রয়েছে। প্রান্তিক পর্যায়ে থাকা কৃষকরা অধিক মুনাফা লাভের আশায় আগাম রবি ফসল চাষ করতে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি বিশেষ ভূমিকা পালন করে থাকে বলেও জানান তিনি।

 

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ১১:৫৫ পূর্বাহ্ন
সারাদেশে খাদ্যগুদামগুলো ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে- খাদ্যমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

খাদ্যমন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার বলেছেন, সারা দেশে খাদ্যগুদামগুলো ডিজিটালাইজড করা হচ্ছে। ফলে অ্যাপের মাধ্যমে খুব সহজেই কোথায় কোন গুদামে পণ্য ঢুকছে এবং বের হচ্ছে তা জানা সম্ভব। দেশের খাদ্যনিরাপত্তা এরই মধ্যে নিশ্চিত হয়েছে, এখন পুষ্টিকর খাদ্য ভোক্তার কাছে পৌঁছে দেয়া সরকারের অন্যতম লক্ষ্য। নারায়ণগঞ্জ রাইস সাইলো এবং কার্নেল ফ্যাক্টরি এ লক্ষ্য বাস্তবায়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

গতকাল নারায়ণগঞ্জে সেন্ট্রাল স্টোরেজ ডিপো (সিএসডি) ক্যাম্পাসে রাইস সাইলো এবং প্রিমিক্স কার্নেল ফ্যাক্টরি নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

নারায়ণগঞ্জের জেলা প্রশাসক মোস্তাইন বিল্লাহর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী, নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মোছাম্মৎ নাজমানারা খানুম। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন খাদ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শেখ মুজিবর রহমান।

খাদ্যমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে তলাবিহীন ঝুড়ি থেকে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল। ক্ষুধামুক্ত বাংলাদেশ গড়ে তুলতে খাদ্যমজুদ বাড়াতে এবং কৃষকের নায্যমূল্য নিশ্চিতে কাজ করছে সরকার।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী গোলাম দস্তগীর গাজী তার বক্তব্যে বলেন, সরকার কৃষকের কাছ থেকে ধান কিনে বলে কৃষক নায্যমূল্য পান। দেশে যত বেশি সাইলো নির্মাণ হবে কৃষক তত বেশি লাভবান হবেন। এ সময় তিনি বলেন, কৃষকবান্ধব সরকার কৃষকের পাশেই থাকবে।

পরে খাদ্যমন্ত্রী নারায়ণগঞ্জ স্টিল রাইস সাইলো নির্মাণকাজের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপনের উদ্বোধন করেন। নারায়ণগঞ্জ রাইস সাইলোর ধারণক্ষমতা ৪৮ হাজার টন। প্রতিটি চার হাজার টন ক্ষমতার মোট ১২টি সাইলো বিন রয়েছে। এসব সাইলো বিনে কীটনাশক ব্যবহার ব্যতিরেকেই অত্যাধুনিক চিলার যন্ত্রের মাধ্যমে আর্দ্রতা ও তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে মজুদ চাল প্রায় দুই বছর সংরক্ষণ করা যাবে। সড়ক ও নৌপথে এ সাইলোর সরবরাহ ও বিতরণ কার্যক্রম পরিচালিত হবে।

প্রিমিক্স কার্নেল ফ্যাক্টরি স্থাপনের ফলে সামাজিক নিরাপত্তা বলয়ের আওতায় বিতরণকৃত চালের পুষ্টি বৃদ্ধি পাবে। জন্য কার্নেল ফ্যাক্টরিও নির্মাণ করা হচ্ছে। কার্নেলে মানবদেহের অপরিহার্য ছয়টি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট ভিটামিন এ, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি ১২, ফলিক অ্যাসিড, আয়রন (ফেরিক পাইরোফসফেট) এবং জিংক ইত্যাদি বিতরণকৃত চালে ফর্টিফাইড করা হবে। ফলে সরকারি সামাজিক নিরাপত্তার বিভিন্ন কর্মসূচিতে ভালোমানের ও পুষ্টিসমৃদ্ধ চাল সরবরাহ নিশ্চিত হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২১ ১:২৬ অপরাহ্ন
ভেজাল কীটনাশকে পোকার উপদ্রবে অতিষ্ঠ চাষিরা
কৃষি বিভাগ

শীতকালীন সবজিতে পোকার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় কাঙ্ক্ষিত ফসল ঘরে তুলতে পারছেন না নওগাঁর চাষিরা। তাদের অভিযোগ, ক্ষতিকর পোকামাকড় নিধনে আশপাশে গড়ে উঠেছে কীটনাশকের দোকান। এসব দোকানের ভেজাল কীটনাশক ব্যবহার করে আর্থিক ক্ষতির শিকার হচ্ছেন চাষিরা।

নওগাঁর বর্ষাইল এলাকার মাঠজুড়ে দিগন্ত বিস্তৃত সবুজ ক্ষেতে শীতকালীন সবজির মহাসমারোহ। প্রায় দেড় মাস নিবিড় পরিচর্যায় মাঠের চার পাশের এসব ক্ষেত সতেজ ফুলে ভরে উঠেছে। হেমন্তের মৃদু বাতাসে শিমের ডগায় লাল সাদা ফুল দৃষ্টিনন্দন শোভা ছড়াচ্ছে। তবে ফসলের ওপরের সৌন্দর্য আলো ছড়ালেও ফলনে নানা রোগবালাইয়ে দুশ্চিন্তায় চাষিরা।

চাষিরা জানান, বাজারে সবজির যে দাম আছে, এই দাম থাকলে আমরা কিছুটা লাভবান হয়। অন্য এক চাষি বলেন, আমরা বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক ব্যবহার করি। এতে করেও আমাদের কোনো লাভ হচ্ছে না। সবজিতে পোকার উপদ্রবে আমরা অতিষ্ঠ। এ ছাড়া কীটনাশকের দামের তুলনায় সবজির দামও পাচ্ছি না বলে অভিযোগ করেন চাষিরা।

বিশাল এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠা সবজি ক্ষেত টার্গেট করে এলাকায় গড়ে উঠেছে কীটনাশকের ছোট বড় কয়েকশ’ দোকান। চাষিরা এসব দোকান থেকে বাকিতে কীটনাশক কিনে সবজিতে প্রয়োগ করে প্রতারিত হচ্ছেন হরহামেশা। ভেজাল ওষুধে কাজ না হওয়ায় কৃষকের তোপের মুখে পড়ার কথা বলছেন ব্যবসায়ীরা।

সার ব্যবসায়ী মো. জিয়াউল হাসান বলেন, আমরা চাষিদের বিভিন্ন কোম্পানির যে ওষুধগুলো দিচ্ছি তা অনেক সময় কাজ করে আবার অনেক সময় কাজ করছে না। এতে আমরা ব্যবসায়ীরা তোপের মুখে পড়ছি।

এ অবস্থায় ফসলে অধিক কীটনাশক প্রয়োগ না করে বালাই মোকাবিলায় কৃষি বিভাগের পরামর্শ গ্রহণের পরামর্শ দেন নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক মো. সামসুল ওয়াদুদ।

কৃষি বিভাগ জানায়, চলতি মৌসুমে জেলায় ৯১ হাজার হেক্টর জমিতে রবি ফসল চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এর মধ্যে সবজি চাষ করা হয়েছে ৩৭ হাজার হেক্টর জমিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২১ ১২:২৬ অপরাহ্ন
দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় আমনের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা
কৃষি বিভাগ

চলতি মওসুমে দেশের দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রযেছে বলে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে।এ মওসুমে ৬ জেলায় আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৪লাখ ৫১ হাজার ৫২০ হেক্টর জমিতে। লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আমনের আবাদ হয়েছে ৪লাখ ৫৫ হাজার ৯ হেক্টর জমিতে।লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে ৩হাজার ৪শ’৮৯ হেক্টর বেশি জমিতে আমনের চাষ হয়েছে।ইতোমধ্যে আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে।১৩ নভেম্বর পর্যন্ত প্রায় ৩০ শতাংশ জমির আমন ধান কর্তন হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অধীন দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের ৬ জেলা হচ্ছে-যশোর, ঝিনাইদহ, চুয়াডাঙ্গা,কুষ্টিয়া, মেহেরপুর ও মাগুরা।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে, চলতি মওসুমে যশোর জেলায় ১লাখ ২৮ হাজার ৪৪৩ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ৯হাজার ১১৭ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের এবং ১হাজার ৩৮৫ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।ঝিনাইদহ জেলায় ৯৬ হাজার ৯৫৫ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ৭হাজার ৬৫৭ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।মাগুরা জেলায় ৫০ হাজার ৫৩৮ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ১০হাজার ৮০ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের এবং ৯০২ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।কুষ্টিয়া জেলায় ৭৭ হাজার ৩৩৮ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ১০হাজার ৪৭৪ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের এবং ১হাজার ৩৩ হেক্টর জমিতে স্থানীয় জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।চুয়াডাঙ্গা জেলায় ৩২ হাজার ২৭৮ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের, ২হাজার ৬৩৯ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে এবং মেহেরপুর জেলায় ২৬ হাজার ১৭০ হেক্টর জমিতে উচ্চ ফলনশীল জাতের আমন ধানের চাষ হয়েছে।

যশোর আঞ্চলিক কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মো: জাহিদুল আমিন জানান,চলতি আমন মওসুমে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংকসহ অন্যান্য ব্যাংক সহজ শর্তে চাষিদের কৃষি ঋণ প্রদান করেছে। ধান ও চালের দাম ভালো থাকায় এ অঞ্চলে আমনের চাষ দিন দিন বাড়ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০২১ ৩:০০ অপরাহ্ন
নওগাঁয় আগাম আলু চাষে ব্যস্ত চাষিরা
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর চাষিরা আগাম জাতের আলু চাষে ব্যস্ত সময় পার করছেন। শুরু থেকে আবহাওয়া ভালো থাকায় এবার আলুতে ভালো লাভের আশা করছেন তারা। চাষিদের মতে, বৃষ্টি না হলে চলতি মৌসুমে প্রতি বিঘা জমি থেকে ২০-২২ মণ হারে ফলন হবে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তথ্য মতে, চলতি মৌসুমে জেলায় ২৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত ১ হাজার ৭৫৫ হেক্টর জমিতে আলু চাষ হয়েছে। এর মধ্যে আগাম জাতের আলুর চাষ হয়েছে ১ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে।

চলছে শীতের মৌসুম। বাজারে উঠতে শুরু করেছে বিভিন্ন শাক-সবজি। দামও বেশ চড়া। শীতের আগাম সবজি হিসেবে আলুর ভালো দাম পেতে চাষিরাও ব্যস্ত সময় পার করছেন। কেউ জমি চাষ করছেন, কেউবা জমি সমান করতে মই দিচ্ছেন আবার কেউ জমির আইলের ঘাস পরিষ্কার করছেন। কেউ জমিতে আলুর বীজ রোপণ করছেন। আগাম এই নতুন জাতের আলুর ভালো দাম পাওয়ার আসায় দিনরাত কাজ করছে চাষিরা। আগাম জাতের আলু কার্তিক মাসে রোপণ করা হয়। প্রায় দুই মাসে এই আগাম জাতের আলু বাজারে পাওয়া যায়। আবহাওয়া ভালো থাকলে বিঘা প্রতি ২০ থেকে ২২ মণ হারে ফলন পাওয়া যাবে বলে আশাবাদী চাষিরা।

জেলার সদর উপজেলার কীর্তিপুর ইউনিয়নের কীর্তিপুর গ্রামের কৃষক জয়নাল বলেন, চলতি মৌসুমে তিন বিঘা জমিতে ফাটাপাপরি আগাম জাতের আলু চাষ করছি। আলু রোপণ করা প্রায় ৪৫ দিনের মতো হয়েছে। আর ২০-২৫ দিনের মধ্যে নতুন আলু ওঠা শুরু হবে।

তিনি আরও বলেন, এই আগাম জাতের আলু বৃষ্টি না পেলে বিঘা প্রতি ২০-২২ মণ হারে ফলন হয়। আর এই জাতের আলু যদি পরবর্তীতে লাগানো হয় তাহলে বিঘা প্রতি ৪০-৫০ মণ হয়।

হাঁপানিয়া গ্রামের কৃষক আমজাদ আলী বলেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে আলুর বাম্পার ফলন হবে বলে আশা করছি। প্রথম দিকে ১০০ টাকা কেজি থেকে শুরু হলেও পরবর্তীতে আলুর আমদানি বেশি হলে ৩০-৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়। আগাম জাতের আলুর ফলন কিছুটা কম হলেও দাম বেশি পাওয়ায় পুষিয়ে নেওয়া যায়।

নওগাঁ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মো. শামসুল ওয়াদুদ বলেন, চলতি মৌসুমে ২৩ হাজার ১০০ হেক্টর জমিতে আলুর চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এবার আবহাওয়া ভালো। এই কারণে আলুর আবাদ বেশি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে। জেলার বিভিন্ন জাতের আলু চাষ হয়। এই কারণে অনেক আলু আগে আসবে আবার অনেক আলু পরে আসবে। যে আলু আগাম আসবে বাজারে সেটার দাম বেশি। পরবর্তীতে পর্যায়ক্রমে দাম কমে যাবে। যারা একটু আগে লাগিয়েছে তারা ভালো দাম পাবে। কৃষক যদি আগাম আলু চাষ করে সেক্ষেত্রে লাভবান হবে।

 

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৩, ২০২১ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
বগুড়ায় বাঁধাকপি চাষ করে সফল কৃষক জামিল
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে বাঁধাকপি চাষ করে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন কৃষক জামিল। বগুড়া জেলার নন্দীগ্রাম উপজেলা বাদলাশন গ্রামের আলহাজ আবুল হোসেনের ছেলে জামিল হোসেন তার নিজস্ব ৬ বিঘা জমিতে নরেশ জাতের বাঁধাকপি চাষ করে লাখ টাকার স্বপ্ন দেখছেন।

কৃষক জামিল উদ্দিন জানান, আমি বগুড়া জেলার শাজাহানপুর থানার শাহনগর এলাকার নজরুল ইসলামের কৃষি নার্সারি থেকে ৮শ’ টাকা হাজার চারা কিনে ৬ বিঘা জমিতে সর্বমোট ৩ হাজার ৬শ’টি চারা রোপণ করি এবং লাগানো থেকে শুরু করে এ পর্যন্ত আমার প্রতি বিঘায় চারা, সার, জমিচাষ ও মজুরি বাবদ প্রায় ৩০ হাজার টাকা করে খরচ হয়েছে। ৬ বিঘা জমিতে আমার সর্বমোট ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, আগামী ১০ থেকে ১৫ দিনের মধ্য কপি তুলে বাজারে বিক্রি করতে পারবো এবং আমি আশা করছি বাজারে দাম ভালো পেলে ৬ বিঘা জমি থেকে আমি ৬-৭ লাখ টাকার নরেশ জাতের বাঁধাকপি বিক্রি করতে পারবো।

উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন বলেন, আমি চাষি মো. জামিল উদ্দিনের কপির জমি নিয়মিত পরিদর্শন করি এবং তাকে বিভিন্ন পরামর্শ প্রদান করে আসছি।

নন্দীগ্রাম উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আদনান বাবু বলেন, মো. জামিল উদ্দিন একজন সফল কৃষক তিনি ৬ বিঘা জমিতে নরেশ জাতের বাঁধাকপি চাষ করেছেন। কৃষি অফিস থেকে তাকে সহযোগিতা করা হয়েছে এবং তিনি ১৫-২০ দিনের মধ্যে কপি তুলে বাজারে বিক্রি করে লাখ লাখ টাকা লাভবান হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১২, ২০২১ ৮:২৭ অপরাহ্ন
জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে সময় কমিয়ে আনতে চাই
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বাংলাদেশের কৃষিখাতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় আমরা অগ্রাধিকারভিত্তিতে জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে কাজ করে যাচ্ছি। লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্নতা, উচ্চ তাপমাত্রাসহ নানা প্রতিকূল পরিবেশে চাষের উপযোগী বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা কাজ করে যাচ্ছে। ইতোমধ্যে অনেক সফলতাও এসেছে। কিন্তু এসব জাত উদ্ভাবনে অনেক সময় লেগে যায়। এটিকে আমরা কমিয়ে আনতে চাই। এক্ষেত্রে নেদারল্যাণ্ডের সহযোগিতা প্রয়োজন।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকালে দেশটির ভাখেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চের (Wageningen University and Research) এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকোর (Louise O. Fresco) সাথে বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

কৃষি, খাদ্য ও লাইফ সাইন্সের গবেষণা এবং শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভাখেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় ও রিসার্চের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্টের নিকট কৃষিমন্ত্রী লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) উপস্থাপন করেন। মন্ত্রী কৃষি গবেষণা বিশেষ করে দ্রুত ক্লাইমেন্ট রেজিলিয়েন্ট ক্রপ ভ্যারাইটি উদ্ভাবন, পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণে এবং বিজ্ঞানী ও সম্প্রসারণ কর্মীদের প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকো এসব বিষয়ে সহযোগিতায় বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন। শিগগিরই বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন এবং সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করার প্রতি জোর দেন।

এর আগে দুপুরে কৃষিমন্ত্রী ও ফার্মিং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ ড. রাজ্জাক ভাখেনিঙেন বিশ্ববিদ্যালয় এবং নেদারল্যান্ড প্ল্যান্ট ইকো-ফেনোটাইপিং সেন্টার (এনপিইসি) পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণাগার (ফেনোমিয়া ল্যাব) এবং জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাত মোকাবেলায় জিন প্রযুক্তি ব্যবহার ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে খুব স্বল্প সময়ে নতুন জাত উদ্ভাবনে প্রযুক্তিগত গবেষণাগারের (ফেনোমিক্স  ল্যাব) কার্যক্রম ঘুরে দেখেন।

একই দিন সকালে কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক ভাখেনিঙেন শহরের মেয়র ফ্লুর ভার্মিউলেনের (Floor Vermeulen) সাথে বৈঠকে মিলিত হন এবং তাঁকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী ‘The Unfinished Memoirs’ বই উপহার দেন।

এসময় সরকারি-বেসরকারি প্রতিনিধিদলের সদস্য কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো: রুহুল আমিন তালুকদার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ, ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউভেন, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রো লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এফএইচ আনসারী, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের চিফ অপারেটিং অফিসার পারভেজ সাইফুল ইসলাম, এবং জেমকন গ্রুপের ডিরেক্টর কাজী ইনাম আহমেদ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১২, ২০২১ ৩:১৩ অপরাহ্ন
জলবায়ু পরিবর্তনসহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে সময় কমিয়ে আনতে চাই: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিখাতে জলবায়ু পরিবর্তনের বিরূপ প্রভাব মোকাবিলায় অগ্রাধিকারভিত্তিতে জলবায়ু পরিবর্তন-সহনশীল ফসলের জাত উদ্ভাবনে কাজ করছি বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, লবণাক্ততা, খরা, জলমগ্ন, উচ্চ তাপমাত্রাসহ নানা প্রতিকূল পরিবেশে চাষের উপযোগী বিভিন্ন ফসলের জাত উদ্ভাবনে বাংলাদেশের বিজ্ঞানী ও গবেষকরা কাজ করছেন। ইতোমধ্যে অনেক সফলতাও এসেছে। কিন্তু এসব জাত উদ্ভাবনে অনেক সময় লেগে যায়। এটিকে আমরা কমিয়ে আনতে চাই। এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডের সহযোগিতা কামনা করেন মন্ত্রী।

বৃহস্পতিবার (১১ নভেম্বর) নেদারল্যান্ডের স্থানীয় সময় বিকেলে দেশটির ভাখেনিঙেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্সের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকোর সঙ্গে বৈঠকে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। শুক্রবার (১২ নভেম্বর) কৃষি মন্ত্রণালয়ের পাঠানো প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

কৃষি, খাদ্য ও লাইফ সাইন্সের গবেষণা এবং শিক্ষায় বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় ভাখেনিঙেন ইউনিভার্সিটি অ্যান্ড রিসার্সের এক্সিকিউটিভ বোর্ডের প্রেসিডেন্টের কাছে কৃষিমন্ত্রী লেটার অব ইনটেন্ট (এলওআই) উপস্থাপন করেন। মন্ত্রী কৃষি গবেষণা বিশেষ করে দ্রুত ক্লাইমেন্ট রেজিলিয়েন্ট ক্রপ ভ্যারাইটি উদ্ভাবন, পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণা ও প্রযুক্তি সম্প্রসারণ এবং বিজ্ঞানী ও সম্প্রসারণ কর্মীদের প্রশিক্ষণে বিশ্ববিদ্যালয়টির সহযোগিতা কামনা করেন।

প্রেসিডেন্ট লুইজি ও. ফ্রেসকো এসব বিষয়ে সহযোগিতায় বিশেষ আগ্রহ প্রকাশ করেন। শিগগির বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি প্রতিনিধি দল বাংলাদেশ সফর করবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। এছাড়া সহযোগিতার ক্ষেত্রগুলো সুনির্দিষ্ট করার প্রতি জোর দেন তিনি।

এর আগে দুপুরে কৃষিমন্ত্রী ও ফার্মিং সিস্টেম বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ ড. আব্দুর রাজ্জাক ভাখেনিঙেন ইউনিভার্সিটি এবং নেদারল্যান্ড প্ল্যান্ট ইকো-ফেনোটাইপিং সেন্টার (এনপিইসি) পরিদর্শন করেন। সেখানে তিনি পচনশীল কৃষিপণ্যের সংরক্ষণকাল বাড়ানোর গবেষণাগার (ফেনোমিয়া ল্যাব) ঘুরে দেখেন। এছাড়াও জলবায়ু পরিবর্তন অভিঘাত মোকাবিলায় জিন প্রযুক্তি ব্যবহার ও পরিবেশ নিয়ন্ত্রণের মাধ্যমে খুব স্বল্প সময়ে নতুন জাত উদ্ভাবনে প্রযুক্তিগত গবেষণাগারের (ফেনোমিক্স ল্যাব) কার্যক্রম ঘুরে দেখেন মন্ত্রী।

একই দিন সকালে কৃষিমন্ত্রী ড. রাজ্জাক ভাখেনিঙেন শহরের মেয়র ফ্লুর ভার্মিউলেনের সঙ্গে বৈঠক করেন। এ সময় মেয়রকে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আত্মজীবনী ‘The Unfinished Memoirs’ বই উপহার দেন তিনি।

এসময় কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. রুহুল আমিন তালুকদার, কৃষি বিপণন অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মোহাম্মদ ইউসুফ, নেদারল্যান্ডে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত এম রিয়াজ হামিদুল্লাহ, ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান ভ্যান লিউভেন, প্রাণ আরএফএল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও সিইও আহসান খান চৌধুরী, এসিআই এগ্রো লিংকের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও এফএইচ আনসারী, স্কয়ার ফুড অ্যান্ড বেভারেজের চিফ অপারেটিং অফিসার পারভেজ সাইফুল ইসলাম এবং জেমকন গ্রুপের ডিরেক্টর কাজী ইনাম আহমেদ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop