১১:৪৫ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২১ ৮:০২ পূর্বাহ্ন
মাল্টা চাষে সাফল্য দেখিয়েছেন হান্নান শেখ
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুরের নাজিরপুরের বলিবাবলা গ্রামে বিশাল এলাকা নিয়ে মাল্টার বাগান গড়ে তুলেছেন সদর উপজেলার দূর্গাপুরের হান্নান শেখ।

হান্নান শেখ মাল্টা বাগান করে অল্প সময়ে পেয়েছেন প্রত্যাশিত সাফল্য। এখানকার মাটি ও আবহাওয়া মাল্টা চাষের জন্য খুবই উপযোগী বলে জানিয়েছেন কৃষি কর্মকর্তারা।

প্রায় ৪ বছর পূর্বে ৭ বিঘা জমিতে মাল্টা চাষ শুরু করেন ব্যবসায়ী হান্নান শেখ। গাছ রোপণের পরের বছরই ফলন পেতে শুরু করেন হান্নান। এরপর থেকে প্রতিবছরই তিনি ওই জমি থেকে নিয়মিত মাল্টা পাচ্ছেন। আর এ মাল্টা বিক্রি করে লাভবানও হয়েছেন তিনি। মাল্টার পাশাপাশি তার একই জমিতে মাছের ঘের, মুরগি, গরু ও ছাগলের খামার রয়েছে।

প্রায় একযুগ আগে পিরোজপুরে বাণিজ্যিকভাবে বারি-১ প্রজাতির মাল্টা চাষ শুরু হয়। এরপর এ মাল্টাকেই জেলা ব্র্যান্ডি করা হয়। বর্তমানে স্থানীয় বাজারে প্রতিকেজি মালটা খুচরা ৮০-৯০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। শুধু হান্নানই নন, বর্তমানে মাল্টা চাষের প্রতি ঝুঁকেছেন এ জেলার অনেক চাষি ও বেকার যুবকরা।

মাল্টা চাষে কোনো এখন পর্যন্ত সমস্যায় পড়তে হয়নি বলে জানিয়েছেন হান্নান শেখ। এ কারণে মাল্টা চাষ আরও সম্প্রসারণের আশা করছেন তিনি। এ ছাড়া স্থানীয় বাজারেও মাল্টার অনেক চাহিদা রয়েছে। প্রতিদিন এ চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাচ্ছে।

পিরোজপুরে প্রথমে শখের বশে কেউ কেউ মাল্টা বাগান করতেন। বর্তমানে জেলায় প্রায় ৯৫০টি মাল্টা বাগান রয়েছে। জেলায় বর্তমানে ১২৭ হেক্টর জমিতে মাল্টার বাগান আছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২১ ৫:১৬ অপরাহ্ন
পাটের বাম্পার ফলনে মুখে হাসি চাপাইনবাবগঞ্জ চাষিদের
কৃষি বিভাগ

চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাট কেটে নদীতে জাগ দেওয়া ও আঁশ ছড়ানোর কাজ চলছে পুরোদমে। সদর উপজেলার ইসলামপুর, শিবগঞ্জ উপজেলার শ্যামপুর, বাররশিয়া, দুলর্ভপুর ও খাষেরহাট এলাকায় এমন চিত্র দেখা যায়। পাটের ভালো ফলন ও দাম বেশি হওয়ায় খুশি সেখানকার চাষিরা।

শিবগঞ্জ উপজেলার মুসলিমপুর এলাকার এরফান ফারুক জানান, পাট চাষে খরচ খুবই কম তাই প্রতি বছর পাট চাষ করি এবার তিন বিঘা জামিতে পাট চাষ করেছিলাম। ফলন বেশি হওয়ায় সব কর্যক্রম শেষ করতে পারিনি। আজও এক বিঘা জমির পাট জাগ দিচ্ছি। আর দুই বিঘা জমির ২১ মণ পাট বিক্রি করেছি ২৭০০ টাকা মণ দরে।

গোমস্তাপুর উপজেলার চানপুর এলাকার রুবেল নামে আরও এক পাট চাষি জানান, তিনি ১২ কাঠা পাট চাষ করেছিলেন এ বছর এতে পাট হয়েছে প্রায় ৫ মণ বিক্রি করেছেন সাড়ে ১২ হাজার টাকায়। আর পাটখড়ি হয়েছে সাড়ে তিন মণ বিক্রি করেছেন এক হাজার টাকায়।

কানসাটের হাসান আলী নামে এক পাট আড়তদার জানান, গত বছর এসময় পাট কিনেছিলাম ১২০০-১৩০০ টাকা মণ এবার করছি ২৫০০-২৭০০ টাকা মণ দরে। আর পাটখড়ি ক্রয় করছি ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা মণ দরে। পাটের দাম এ বছর প্রথম থেকেই ভালো।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মুহাম্মদ নজরুল ইসলাম জানান, এ বছর জেলায় ৩০৯৫ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছে যা গত বছরের তুলনায় প্রায় দ্বিগুণ। জেলার ৫ উপজেলার মধ্যে সদর ও শিবগঞ্জ উপজেলায় এবার পাট চাষ বেশি।

গত বছর শেষ দিকে ভালো দাম পাওয়ায় এবার পাট বেশি চাষ করেছিলেন চাষিরা। এবারও দাম বেশ ভালো চাষিরা অনেক লাভবান হবেন। গত বছর এই জেলায় পাট চাষ হয়েছিল ১৭৬৫ জমিতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ৬:১৪ অপরাহ্ন
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে কানাইঘাটে চারা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

কানাইঘাট কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে সবজি বীজ এবং চারা বিতরণ করা হয়।

গতকাল বিকাল ৪ টার সময় ২ নং লক্ষীপ্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের বড়বন্দ গ্রামে ভূমিহীনদের সরকারি ভাবে নবনির্মিত ঘরের আঙ্গীনায় মুজিব বর্ষ উপলক্ষে সবজি বীজ ও ফলের চারা বিতরণ অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকারের সভাপতিত্বে ও উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো:আবুল হারিছ এর পরিচালনায় অনুষ্টিত সভায় প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কানাইঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমন্ত ব্যানর্জী।
বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন ২ নং লক্ষী প্রসাদ পশ্চিম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জেমস লিউ ফারগুশন নানকা,৩ নং দিঘির পার পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আলী হোসেন কাজল,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হায়দার আলী,প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা জহিরুল ইসলাম,উপ সহকারী কৃষি কর্মকর্তা ওমর ফয়সল প্রমুখ।

সভায় প্রধান অতিথি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের এ উদ্যোগকে স্বাগত জানিয়ে বলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা ভূমিহীনদের জন্য জমি দিয়েছেন সেই জমিতে ঘর নির্মান করে দিয়েছেন এখন ফলের চারা ,সবজির বীজ দেওয়া হল পর্যায়ক্রমে আপনাদের সব সমস্যার সমাধান হবে আপনারা প্রধানমন্ত্রীর জন্য দোয়া করবেন।

পরে প্রধান অতিথি ২১ জন ভূমিহীনদের মধ্যে ফলের চারা ও সবজি বীজ বিতরণ করা হয়। এর আগে প্রধান অতিথি একটি ফলের চারা রোপন করে কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ৬:০৬ অপরাহ্ন
বাড়ির আঙিনায় ১০ ফুট লম্বা চিচিঙ্গার চাষ!
কৃষি বিভাগ

ভোলার মনপুরা উপজেলার মনোয়ারা বেগম মহিলা কলেজের অর্থনীতির প্রভাষক উৎপল মণ্ডল বাড়ির আঙিনায় ১০ ফুট লম্বা চিচিঙ্গা চাষ করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন। উৎপল মণ্ডল মনপুরা উপজেলার হাজিরহাট ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের চর যতিন গ্রামের বাসিন্দা। তার বাবার নাম নিতাই পদ মণ্ডল।

ওই চিচিঙ্গার ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক তোলপাড় সৃষ্টি হয়। বৃহদাকার এ সবজিটি দেখতে ওই শিক্ষকের বাড়িতে ভিড় করছে শত শত মানুষ।

স্থানীয়রা জানান, তিন মাস আগে খুলনার পাইকগাছার শ্বশুরবাড়িতে বেড়াতে যান উৎপল মণ্ডল। ওই সময় তার শ্বশুর চারটি চিচিঙ্গার বীজ উপহার দেন। বীজগুলো তিনি ভারতের চেন্নাই থেকে নিয়ে এসেছিলেন। পরে ওই কলেজ শিক্ষক মনপুরার বাড়িতে দুটি বীজ রোপণ করেন। সার-কীটনাশক ছাড়াই প্রাকৃতিকভাবে গাছ বড় হতে থাকে। এ সময়ের মধ্যে গাছে শতাধিক চিচিঙ্গা ধরে। প্রতিটি চিচিঙ্গা প্রায় ১০ ফুট লম্বা।

সম্প্রতি ওই শিক্ষকের বাড়িতে ঘুরতে যান সীমান্ত হেলাল নামের স্থানীয় এক গণমাধ্যমকর্মী। বাড়ির আঙিনায় এতো লম্বা চিচিঙ্গা দেখে অবাক হন তিনি। ওই চিচিঙ্গার ছবি তুলে তিনি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে দিলে সেটি ভাইরাল হয়।

এ বিষয়ে উৎপল মণ্ডল বলেন, ফেসবুকে চিচিঙ্গার ছবি ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় লোকজন ও কৃষকরা বাড়িতে আসছেন। অনেকে এ জাতের চিচিঙ্গা চাষে আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

ভোলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আবু মো. এনায়েত উল্লাহ জানান, এটি হাইব্রিড জাতের চিচিঙ্গা। আমার জানা মতে, ভোলায় প্রথম এ জাতের চিচিঙ্গা চাষ হয়েছে। গোটা জেলায় এ জাতের চিচিঙ্গা চাষের উদ্যোগ নেয়া হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ২:৪৬ অপরাহ্ন
বিদেশের মাটিতে যাচ্ছে জৈন্তাপুরের জারালেবু
কৃষি বিভাগ

সিলেটের জৈন্তাপুর পাহাড়টিলা বেষ্টিত হওয়ায় পর্যটকদের কাছে পরিচিত।এবার জৈন্তার জারালেবুর নামডাক ছড়িয়ে পড়েছে দেশে-বিদেশে। এ উপজেলায় জারালেবু চাষ করে দুই শতাধিক কৃষক পরিবার স্বাবলম্বী হয়েছে। শুধু তাই নয়, এলাকার উৎপাদিত জারালেবু দেশের বাজার ছেড়ে ইউরোপ, আমেরিকাসহ অনেক দেশে রপ্তানিও হচ্ছে।

জারালেবু চাষ করে ভালো দর পাওয়ায় বদলে যাচ্ছে কৃষকদের ভাগ্য। পাশাপাশি অন্য ফসলের চেয়ে জারালেবুর চাষ লাভবান হওয়ায় জারালেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন কৃষক পরিবার। এ উপজেলার ভূমি পাহাড়টিলা শ্রেণির হওয়াতে লেবু জাতীয় ফল চাষের জন্য খুবই উপযোগী।

জৈন্তাপুর উপজেলার চিকনাগুল, হরিপুর, জৈন্তাপুর ও ফতেহপুর বাজার জারালেবুর জন্য সিলেটের মানুষের কাছে বেশি পরিচিত। স্থানীয় এই বাজারগুলোতে লেবু, আধালেবু, জারালেবু, কমলা ক্রয় করার জন্য জেলার বিভিন্ন স্থান থেকে ব্যবসায়ী, পাইকার ও সৌখিন ভোজনরসিক লোকজন আসেন।

এই উপজেলার জারালেবুসহ টকজাতীয় ফল প্রক্রিয়াজাত করে ব্যবসায়ীরা যুক্তরাজ্য, আমেরিকা, কাতার, সৌদি আরব, কুয়েত, আরব আমিরাত, সিংঙ্গাপুরসহ ইউরোপ এবং মধ্যপ্রাচ্যোর বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করছেন।

ফতেপুর ইউনিয়নে দেখা যায়, শ্যামপুর, হরিপুর, বাগেরখাল, শিকারখাঁ, উৎলারপার, উমনপুর, পানিছড়া, ঠাকুরের মাটি, কালিনঞ্জিবাড়ি বিভিন্ন অঞ্চলে টিলা শ্রেণির ভূমিতে বাণিজ্যিকভাবে জারালেবু চাষ হচ্ছে। অন্য যে কোনো ফসলের চেয়ে ফলন বেশি হওয়ায় এবং বাজারে চাহিদা থাকায় জারালেবু চাষ করতে বেশি আগ্রহী হচ্ছেন কৃষকরা। অধিকাংশ কৃষক অন্য ফসল চাষ বাদ দিয়ে অধিক মুনাফার আশায় জারালেবু চাষের দিকে ঝুঁকছেন। বেকারত্ব দূর হচ্ছে এবং অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন কৃষকরা। জারালেবুর সুস্বাদু ও টক জাতীয় ফল। লেবু দেখতে অনেকটা চালকুমড়ার মতো। একেকটি জারালেবুর ওজন ২ থেকে আড়াই কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে।

দলইপাড়া (বাগেরখাল) গ্রামের কৃষক সেলিম আহমদ জানান, জারালেবু চাষের জন্য আমাদের এলাকাটি খুব উপযোগী। আমাদের পূর্ব পুরুষরা জারালেবু চাষ করেছেন শুধু নিজ পরিবারের জন্য। আমি এখন বাণিজ্যিকভাবে চাষ করতে শুরু করেছি। বর্তমানে আমার সাড়ে ১৩ বিঘা (৪০৫ শতক) জমি সাত বছরের জন্য চুক্তি নিয়ে ৫টি বাগান করেছি। আমার বাগানগুলোতে পরিচর্যার জন্য ৫০ জনের অধিক শ্রমিক নিয়োজিত আছে। সব খরচ বাদে বছরে ৭ থেকে ৮ লাখ টাকা উপার্জন করছি।

জৈন্তাপুর উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোয়েব আহমদ জারালেবু চাষ সর্ম্পকে জানান, এলাকার কৃষকদের মাধ্যমে লেবু জাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ, ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আওতায় এ উপজেলায় বিভিন্ন আয়াতনের ১২০টি বাগান রয়েছে। এছাড়া বাগান পরির্চযায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর এর মাধ্যমে প্রয়োজনীয় উপকরণ বিতরণ করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৪, ২০২১ ২:২১ অপরাহ্ন
মাগুরায় ক্ষিরার বাম্পার ফলনের সাথে দামেও খুশি চাষিরা
কৃষি বিভাগ

চলতি মৌসুমে মাগুরা জেলায় ক্ষিরার ভালো ফলনের পাশাপাশি ভালো দাম পাওয়ায় হাসি ফুটেছে মাগুরার কৃষকদের মুখে। চার উপজেলার উৎপাদিত ক্ষিরা স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ হচ্ছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্যানুযায়ী, চলতি বছর মাগুরার শ্রীপুর, সদর, শালিখা ও মহম্মদপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের ক্ষিরা চাষ করা হয়েছে। এ বছর প্রাকৃতিক দুর্যোগ না থাকার পাশাপাশি বীজ, সার এবং কীটনাশক সুলভমূল্যে পাওয়ায় ক্ষিরার বাম্পার ফলন হয়েছে।

সদর উপজেলার কৃষক আহাদ বিশ্বাস জানান, প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষিরা চাষ করতে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। প্রতি বিঘা জমি থেকে উৎপাদিত ক্ষিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৫-৪০ হাজার টাকা। ক্ষিরা আবাদে পোকামাকড়ের ঝামেলা কম হওয়ায় অনেকটা নিশ্চিন্তেই এটি চাষ করা যায়। এ কারণে ক্ষিরা চাষে কৃষকের আগ্রহ দিন দিন আরও বাড়ছে।

ক্ষিরা চাষি মো. রায়হান আলী জানান, তার প্রতি বিঘা জমিতে ক্ষিরার আবাদ করতে প্রায় ১২ থেকে ১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। এখন প্রতি বিঘা জমির ক্ষিরা বিক্রি হচ্ছে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকা।

মাগুরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সুশান্ত কুমার প্রামাণিক জানান, জেলায় এ বছর ৬৮০ হেক্টর জমিতে ক্ষিরা চাষ করা হয়েছে। এর মধ্যে ক্ষিরার সবচেয়ে বেশি চাষ হয়েছে সদর উপজেলায়। এ বছর ক্ষিরা চাষে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন। ক্ষিরা চাষে অল্প সময়ে এবং স্বল্প বিনিয়োগেই অধিক লাভ করা যায়।

কৃষকরা বিঘাপ্রতি খরচ বাদে ২৫-৩০ হাজার টাকা করে লাভ করছেন। আগামীতে ক্ষিরা চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ ৬:৫১ অপরাহ্ন
আগাম রূপবান শিমে মুখে হাসি ফুটেছে কুমিল্লার কৃষকের
কৃষি বিভাগ

শিম শীতকালীন সবজি। কিন্তু গ্রীষ্মে আগাম লাগানো শিম চাষ করে কৃষকরা লাভবান হচ্ছেন। কুমিল্লার বুড়িচং উপজেলার বিস্তীর্ণ মাঠজুড়ে চাষ করা হয়েছে আগাম রূপবান প্রজাতির শিম। আগাম শিম বাজারে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। আর কৃষকরা পাইকারি ৭০ থেকে ৮০ টাকা দরে শিম বিক্রি করছেন। রূপবান জাতের শিম চাষ করে এ এলাকার কৃষকের মুখে হাঁসি ফুটেছে।

বুড়িচং উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ২০ হেক্টর জমিতে দুই শতাধিক চাষি আগাম শিম চাষ করেছেন। উপজেলার মোকাম ও ডুবাইচর গ্রামের মাঠে বেশি শিমের আবাদ হয়েছে। সরেজমিনে দেখা যায়, মাঠের পর মাঠ শিমের আবাদে ভরে গেছে। অনেক কৃষক শিমের ক্ষেতে কাজ করছেন। আবার কেউ ক্ষেত থেকে শিম তুলছেন।

শিকারপুর গ্রামের শিমচাষি আলমগীর ইসলাম জানান, তিনি দেড় বিঘা জমিতে আগাম রূপবান জাতের লাল শিম লাগিয়েছেন। দেড় বিঘা জমিতে তার সার, সেচ, কীটনাশক, বাঁশের চটি, পরিচর্যা বাবদ খরচ হয়েছে ২৫ হাজার টাকা। এর মধ্যে তিনি দুই দফায় ৫ হাজার টাকার শিমও বিক্রি করেছেন। প্রথম দফায় ৭০ টাকা ও দ্বিতীয় দফায় ৬০ টাকা কেজি দরে শিম বিক্রি করেছেন। অবশ্য খুচরা বিক্রেতারা ক্রেতাদের কাছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে শিম বিক্রি করছেন।

তিনি আরো জানান, আগাম লাগানো এ শিম গাছ থেকে ৬ মাস পর্যন্ত শিম পাওয়া যাবে। ৬ মাসে তিনি ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকার শিম বিক্রি করতে পারবেন। অবশ্য বাজার ভালো থাকলে অনেক সময় লাখ টাকার শিম বিক্রি হবার সম্ভাবনা থাকে।

ডুবাইচর গ্রামের চাষি জহিরুল ইসলাম বলেন, এখন কয়েক মাস শিমের দাম ভালো পাওয়া যাবে। শীতের সময় শিমের দাম কমে যায়। তখন কৃষকদের ১০/১২ টাকা কেজি দরে শিম বিক্রি করতে হয়। খুচরা বিক্রেতা তখন ১৫ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে শিম বিক্রি করেন। সবমিলিয়ে খরচ বাদে তার ২৫ থেকে ৩০ হাজার টাকা লাভ হবার সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান।
মোকাম গ্রামের আনু মিয়া ২ বিঘা জমিতে একই গ্রামের আলী মিয়া দেড় বিঘা জামিতে শিমের আবাদ করেছেন। তাদের মতো উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের একাধিক চাষি শিমের আবাদ করেছেন। এসব চাষিরা ক্ষেত থেকে শিম তুলে কয়েক দফায় বাজারে বিক্রিও করেছেন। দাম ভালো পাওয়ায় রূপবানে হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আনোয়ার হোসেন জানান, বুড়িচং উপজেলায় আগাম জাতের শিমের চাষ বেশি হয়েছে। এ এলাকায় শতাধিক কৃষক আগাম জাতের শিমের চাষ করেছেন। এসব চাষিদের সার, বীজ দেওয়া হয়েছে। এ ছাড়া তাদের সার্বিকভাবে কৃষিবিষয়ক পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে। বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ ৪:৫৮ অপরাহ্ন
ছাদে ড্রাগন ফলের চাষ পদ্ধতি
কৃষি বিভাগ

কল্পকাহিনির ড্রাগন নয়, সুস্বাদু ও লোভনীয় ফল ড্রাগন। ভিটামিন সি সমৃদ্ধ ফলটি মূলত ভিনদেশি হলেও এখন দেশেই চাষ হচ্ছে। ড্রাগন ফলের সুখ্যাতি এখন সব জায়গায়। খুব সহজেই বাড়ির আঙিনা বা ছাদে ফলটি চাষ করা যায়। ড্রাগন ফলের গাছ লতানো, মাংসল ও খাঁজকাটা। লোহা, কাঠ বা সিমেন্টের খুঁটি বেয়ে এটি বড় হতে পারে। আসুন জেনে নেই কিভাবে খুব সহজে বাড়ির ছাদে ড্রাগন ফল চাষ করা যায়-

উৎপত্তি ও বিস্তার: ড্রাগন মূলত আমেরিকার একটি প্রসিদ্ধ ফল, যা বর্তমানে বাংলাদেশেও জনপ্রিয়তা পাচ্ছে। আমাদের দেশে ২০০৭ সালে প্রথম থাইল্যান্ড, ফ্লোরিডা ও ভিয়েতনাম থেকে এ ফলের বিভিন্ন জাত আনা হয়। নরম শাঁস ও মিষ্ট গন্ধযুক্ত গোলাপি বর্ণের এ ফল খেতে অনেক সুস্বাদু। তার সাথে ভিটামিন সি, মিনারেল পুষ্টিগুণ সমৃদ্ধ ও ফাইবারের উৎকৃষ্ট উৎস। ড্রাগন ফল গাছ ক্যাকটাস সদৃশ। আমাদের দেশের আবহাওয়া ড্রাগন ফল চাষের জন্য উপযোগী। চাইলে বাড়ির ছাদে বড় টবে বা ড্রামে ড্রাগন চাষ করতে পারেন।

যেভাবে চাষ করবেন: সারা বছরই ড্রাগন ফল চাষ করা যায়। তবে ছাদ বাগানে ড্রাগন ফল চাষ করে ভালো ফলন পেতে এপ্রিল থেকে সেপ্টেম্বর মাসে চারা রোপণ করাই উত্তম। প্রায় সব ধরনের মাটিতেই ড্রাগন ফল চাষ করা যায়। তবে জৈবপদার্থ সমৃদ্ধ বেলে দোআঁশ মাটি ড্রাগন চাষের জন্য উত্তম। ড্রাগন সাধারণত গাছের কাটিং লাগানো হয়। টবে ড্রাগন ফলের কাটিং লাগানোর জন্য ২০ ইঞ্চি ড্রাম বা টব সংগ্রহ করতে হবে। কারণ এ আকারের ড্রামে চারা ভালোভাবে শিকড় ছড়াতে পারবে আর তাতে ফলনও অনেক ভালো হবে। টবে বা ড্রামে যাতে পানি না জমে সে জন্য ড্রামের তলায় ৪-৫টি ছোট ছিদ্র করে নিতে হবে এবং ছিদ্রগুলো ইটের ছোট ছোট টুকরা দিয়ে বন্ধ করে দিতে হবে।

মাটি তৈরি: ড্রাম বা টবের ২ ভাগ বেলে দোআঁশ মাটি, ১ ভাগ গোবর, ৪০-৫০ গ্রাম টিএসপি সার এবং ৪০-৫০ গ্রাম পটাশ সার মিশিয়ে টব বা ড্রাম এমনভাবে ভর্তি করতে হবে, যেন উপরে পানি দেওয়ার জন্য একটু (৩-৫ সেমি) খালি থাকে। এরপর মাটির সাথে অন্যান্য উপাদান ভালোভাবে মেশানোর জন্য পানি দিয়ে ১০-১২ দিন রেখে দিতে হবে। এরপর মাটি কিছুটা আলগা করে দিয়ে পুনরায় ৪-৫ দিন একইভাবে রেখে দিতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরে করে ড্রামে ভরতে হবে। টবের মাটি ঝুরঝুরে হয়ে গেলে ড্রাগনের কাটিংয়ের চারা ওই টবে ৮-১০ সেমি গভীর করে রোপণ করতে হবে। গাছের গোড়ায় মাটি কিছুটা উঁচু করে হাত দিয়ে চেপে চেপে দিতে হবে। যাতে গাছের গোড়া দিয়ে বেশি পানি না ঢুকতে পারে।

কাটিং বা চারা পাওয়ার স্থান: ড্রাগন ফলের সুস্থ ও রোগমুক্ত কাটিং বা চারা বিভিন্ন জায়গায় পাওয়া যায়। তার মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহে অবস্থিত বৃহৎ জার্মপ্লাজম সেন্টার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের বিভিন্ন হর্টিকালচার সেন্টার, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন গবেষণা কার্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন নার্সারিতেও পাওয়া যায়।

গাছের পরিচর্যা: ড্রাগন ফল গাছের সঠিক পরিচর্যা না করলে ফলন ভালো হবে না। ড্রাগনের গাছের কাণ্ড লতানো প্রকৃতির। তাই চারা লাগানোর পর গাছ কিছুটা বড় হয়ে গেলে গাছকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য খুঁটি বা পিলার পুঁতে দিয়ে পিলারের মাথায় গোলাকার কোন কিছু যেমন টায়ার বেঁধে দিতে হবে, এতে গাছ সহজেই ঢলে পড়বে না। গাছে অতিরিক্ত বা রোগাক্রান্ত শাখা বের হলে তা কেটে ফেলে দিতে হবে। গাছের চারপাশ পরিষ্কার রাখতে হবে। যদিও ড্রাগন ফল গাছে তেমন একটা রোগ-বালাইয়ের আক্রমণ হয় না। তবে পারিপার্শ্বিক অন্যান্য যত্ন নিয়মিত নিতে হবে। ড্রাগন ক্যাক্টাস জাতীয় গাছ। তাই পানি খুব কম দিতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে, যেন গাছের গোড়ায় পানি কখনই জমে না থাকে। কাটিং লাগানোর পরে টব বা ড্রামটিকে মাটিতে বা ছাদে রৌদ্রোজ্জ্বল জায়গায় রাখতে হবে।

ফল সংগ্রহ: ড্রাগন ফলের কাটিং বা চারা রোপণের এক থেকে দেড় বছর বয়সেই এর ফল সংগ্রহ করা যায়। গাছে ফুল ফোটার ৩৫-৪০ দিনের মধ্যেই ফল পরিপক্ক হয়। তখন ফল সংগ্রহ করে খাওয়া যায়। প্রতিকেজি ফল বাজারে ৩০০ থেকে ৪০০ টাকা ধরে বিক্রি হয়। একবার গাছ লাগালে প্রায় ২০ বছর এর ফল পাওয়া যায়।

ছাঁটাই: ড্রাগন ফলগাছ খুব তাড়াতাড়ি বৃদ্ধি পায়। তাই ফল আহরণ শেষে গাছের শাখা-প্রশাখা ভালোভাবে ছেঁটে দিতে হয়। শাখা-প্রশাখা ছেঁটে দেওয়ার পর ভালো ছত্রাকনাশক ব্যবহার করলে গাছের রোগবালাই হয় না। আর ছাদ বাগানের প্রতিটি ফল গাছই ছাঁটাই করা জরুরি। এতে রোগাক্রান্ত ডালপালা কমে যায়। আর গাছটির গঠন মজবুত ও সুন্দর হয়। পরবর্তী বছর আরও বেশি ফলন পাওয়ার সম্ভাবনা থাকে।

সূত্রঃ Jagonews24

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২১ ৩:৪৭ অপরাহ্ন
মালটা চাষে সাড়া জাগিয়েছেন মিরসরাইয়ের আকবর
কৃষি বিভাগ

ঢাকায় একটি প্রাইভেট কোম্পানির চাকরি ছেড়ে গ্রামে মাল্টা চাষে ব্যাপক সাড়া পেলেছেন মিরসরাই উপজেলার খিলমুরারী এলাকার মনির আহমেদ মাস্টারের পুত্র আকবর হোসেনেপাহাড়ে দুই একর জায়গা লিজ নিয়ে ২০১৮ সালে ফলের বাগান শুরু করেন তিনি। এক বছর পরই গাছে আসা শুরু হয় ফল।

তিনি পাহাড়ের বুকে গড়ে তুলেছেন ‘ফিউচার এগ্রো হোমস’ নামে সমন্বিত ফলের বাগান। যা প্রেরণা যোগাচ্ছে বেকার যুবকদের। দৃঢ় মনোবল আর কঠোর পরিশ্রমের কারণে আকবর এখন সফল উদ্যোক্তা। তার বাগানে ফরমালিনমুক্ত সুস্বাদু ফল যাচ্ছে ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে।

পাহাড়ের ঢালুতে গাছের মধ্যে থোকায় থোকায় ঝুলছে মালটা। বাগানে আরও রয়েছে পাকা আধা পাকা পেঁপে ও পেয়ারা আরও রয়েছে লিচু ও ড্রাগন ফলের গাছ।

আকবর হোসেন জানান, পড়াশোনা শেষ করার পর চাকরি, ছোটখাটো ব্যবসা কিছুতেই আমার মন বসছে না। এরপর ওমান যাওয়ার জন্য দ্রুত পাসপোর্ট বানিয়েছি, মেডিকেল করে রিপোর্ট পাঠিয়েছি কিন্তু ভিসা না হওয়ার কারণে যেতে পারিনি। মনস্থির করলাম দেশে কিছু একটা করা প্রয়োজন। তখনই ২০১৮ সালে বাড়ির পূর্বপাশে পাহাড়ে দুই একর জায়গা লীজ নিয়ে বিভিন্ন ফলের চারা রোপন করলাম। ২৫০ পিস বারি-১ ও বাউ-৩ গ্রীণ মালটা, ১শ’ পিস পেয়ারা, ২শ’ পিস রেডলেডি, ফাষ্টলেডি পেঁপে, থাই পেয়ারা, ১শ’ পিস লেবু, কিছু চায়না-৩ লিচু চারা রোপণ করেছি। এক বছর পরই গাছে ফলন এসেছে। চলতি বছর পেয়ারা বিক্রি করেছি ৭০ হাজার টাকার এবং বছর মাল্টা বিক্রি শুরু করেছি। এই পর্যন্ত প্রায় ১ লক্ষ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছি এবং গাছে যে পরিমাণ মাল্টা রয়েছে আরো প্রায় ৫ থেকে ৬ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করতে পারবো বলে আশাবাদী।

আমার বাগানের ফলে কোন ধরনের মেডিসিন ও ফরমালিন ব্যবহার করা হয় না। যদি সবকিছু ঠিকঠাক থাকে আগামী বছর তাহলে আমি ৮ থেকে ১০ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করতে পারবো ইনশাআল্লাহ।

তিনি আরও জানান, আমি ইউটিউব চ্যানেলে দেখে দেখে সব শিখেছি। কিভাবে চারা রোপণ করতে হবে, কিভাবে পরিচর্চা করতে হবে। সহযোগিতার জন্য উপজেলা কৃষি অফিসে যোগাযোগ করলে তারা সার্বিক সহযোগিতা করবেন আশা প্রকাশ করেন। এই পর্যন্ত তার বাগানে প্রায় ১১ লাখ টাকা খরচ হয়েছে। আগামীতে আমার আরও পরিকল্পনা রয়েছে।

মিরসরাই উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রঘুনাথ নাহা বলেন, পাহাড়ী অঞ্চল হওয়ায় কিছু টা পানির সংকট রয়েছে সেই কারণে ফলন টা ও তুলনা মূলক কম হয়েছে। তবে আমি আমি সরজমিনে কয়েকবার পরিশদর্শন করে কৃষক আকবর হোসেন জীবনকে পরামর্শ ও সহযোগিতা আশ্বাস দিয়ে এসেছি। এই উদ্যেক্তা ধারাবাহিকতা বজায় রাখলে ভবিষ্যৎতে আরো ফলন বাড়বে বলে আশা করছি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২১ ৬:৪৬ অপরাহ্ন
সিকৃবির কৃষি অনুষদের নতুন ডিন প্রফেসর ড. আসাদ
কৃষি বিভাগ

সিকৃবি প্রতিনিধি: সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) কৃষি অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে দায়িত্ব নিলেন উদ্ভিদ রোগতত্ত¡ ও বীজ বিজ্ঞান বিভাগের সিনিয়র প্রফেসর ড. মো: আসাদ-উদ-দৌলা।

ড. আসাদ ১৯৯০ সালে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বিএসসি ইন এগ্রিকালচার, ১৯৯৬ সালে এমএস ইন প্লান প্যাথলজি, ১৯৯৮ সালে ডেনমার্ক সরকারের বৃত্তি নিয়ে ডেনমার্কের রয়েল ভেটেরিনারি অ্যান্ড এগ্রিকালচারাল ইউনিভার্সিটি থেকে ডিপ্লোমা ইন সীড প্যাথলজি, ২০০৬ সালে জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে জাপানের নিগাতা ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি এবং ২০১৩ সালে পোস্ট ডক্টরেট ডিগ্রী অর্জন করেন।

একাধারে শিক্ষক ও গবেষক ড. আসাদ এর ৩৮টি জাতীয় ও আন্তর্জাতিক গবেষণা প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে। এছাড়া তাঁর কৃষি শিক্ষা ও গবেষণা বিষয়ে ১টি পুস্তকসহ ২০টি প্রসেডিংস, এবস্ট্রাক্ট এবং রিপোর্ট প্রকাশিত হয়েছে। তিনি ২০১৯ সালে জাপান সরকারের বৃত্তি নিয়ে জাপানের কুবে ইউনিভার্সিটির ভিজিটিং প্রফেসর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

ডিন হিসেবে যোগদানের পূর্বে তিনি বিশ^বিদ্যালয়ের হলপ্রভোস্ট, বিভাগীয় চেয়ারম্যানসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করেন। তিনি শিক্ষা ও গবেষণা সংক্রান্ত কাজে ডেনমার্ক, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, থাইল্যান্ড, ইন্দোনেশিয়া, সৌদিআরব, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ ভ্রমণ করেছেন। তিনি নাটোর জেলায় এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্ম গ্রহণ করেন।

ব্যক্তি জীবনে তিনি এক কন্যা সন্তানের জনক। উল্লেখ্য ড. আসাদ কৃষি অনুষদের ৯ম ডিন হিসেবে দায়িত্ব গ্রহণকরলেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop