৩:৪৯ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ১১:২১ অপরাহ্ন
চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে আদর্শ পোল্ট্রি খামারিদের প্রশিক্ষণ সম্পন্ন
পোলট্রি

সুস্থ পরিবেশ নিশ্চিত করে ও স্বাস্থ্য সম্মতভাবে নিরাপদ পোল্ট্রি উৎপাদান বিষয়ে চট্টগ্রামে ক্যাব’র উদ্যোগে পোল্ট্রি সেক্টরে সুশাসন প্রকল্পের উদ্যোগে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ রবিবার (২০ জুন) নগরীর মোটেল সৈকত সাম্পান হলে অনুষ্ঠিত হয়।

থানা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জাকিয়া খাতুন ও ক্যাব চট্টগ্রামের মনিটরিং কর্মকর্তা কৃিষবিদ আরিফ আহমেদ পোল্ট্রি উৎপাদনে নিরাপদ পরিবেশ নিশ্চিত বিষয়ে করনীয় বিষয়ে সেশন পরিচালনা করেন। প্রশিক্ষণে খামারিরা কিভাবে তা নিশ্চিত করবে সেজন্য চেকলিস্ট, রেকর্ডপত্র কিভাবে সংরক্ষণ করবেন সে বিষয়ে হাতে কলমে শিক্ষা দেয়া হয়।

সমাপনী অনুষ্ঠানে ক্যাব চট্টগ্রাম বিভাগীয় সহ-সভাপতি ও বিশিষ্ট সাংবাদিক এম নাছিরুল হকের সভাপতিত্বে ও ক্যাব বিভাগীয় সাধারণ সম্পাদক কাজী ইকবাল বাহার ছাবেরীর সংঞ্চালনায় অনুষ্ঠিত প্রশিক্ষণ কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ রেয়াজুল হক জসিম।

বিশেষ অতিথি ছিলেন ক্যাব কেন্দ্রিয় কমিটির ভাইস প্রেসিডেন্ট এস এম নাজের হোসাইন, মুক্তিযোদ্ধা ও পরিবেশবিদ প্রফেসর ডঃ ইদ্রিস আলী, ক্যাব চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি জেসমিন সুলতানা পারু ও বন গবেষণাগার শারিরীক শিক্ষা কলেজের অধ্যাপক এবিএম হুমায়ুন কবির।

সভায় বক্তারা খামারিদের উৎপাদন থেকে ভোক্তার টেবিলে পরিবেশেন পর্যন্ত নিরাপদ খাবার নিশ্চিতের করনীয় বিষয়গুলো কঠোরভাবে অনুসরনের আহ্বান জানান।

প্রতিযোগিতামুলক বাজারে একজন খামারী যদি বৈজ্ঞানিক পদ্ধতিতে নিরাপদ পোল্ট্রি উৎপাদান নিশ্চিত করতে না পারে তাহলে সে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতায় ঠিকতে পারবে না। আর উৎপাদনের কলাকৌশল প্রতিনিয়কই পরিবর্তন হচ্ছে। সেকারনে একজন উৎপাদককে কম খরচে উৎপাদনের বিষয়টি যেভাবে দেখতে হবে। একই সাথে পুষ্টিমান ও নিরাপদ পোল্ট্রি ভোক্তার কাছে যাচ্ছে কি না তাও নিশ্চিত করতে হবে। না হলে এই পোল্ট্রির বাজার অন্যের হাতে চলে যাবে। তাই পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে এ সংক্রান্ত জ্ঞান আহরণ ও কলাকৌশলগুলি জানা আবশ্যক। পোল্টি খাবার ও বাচ্চায় আন্টিবায়েটিকের অতিরিক্ত ব্যবহার বিষয়ে ভোক্তাদের কাছে সঠিক তথ্য পৌঁছাতে সার্টিফাইট পশু চিকিৎসকের পরামর্শ গ্রহণ করতে হবে।

সমাপনী বক্তব্যে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাঃ জসিম আরও বলেন, বায়ো সিকিউরিটি সমৃদ্ধ (কন্ট্রোল শেড) খামারে ব্রয়লার মুরগি উৎপাদন করলে অ্যান্টিবায়োটিকের নিয়ন্ত্রণ সম্ভব। আর যত্রতত্র, অপরিস্কার, অপরিছন্ন স্থানে মুরগি জবাই করে ভোক্তার কাছে মুরগি সরবরাহ করার কারনে স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ ব্রয়লার মুরগি পৌঁছানো অনেকাংশে বাধাগ্রস্থ হচ্ছে। তাই স্বাস্থ্যসম্মত ও নিরাপদ ব্রয়লার মুরগি পেতে হলে ফ্রোজেন (প্রক্রিয়াজাতকৃত) মুরগির বিকল্প নেই।

আবার সুপারশপগুলিও তাদের ভেন্ডরদের মাধ্যমে যে সমস্ত উৎস থেকে মুরগি ক্রয় করে থাকেন, সেখানেও নিরাপদ উপায়ে পোল্ট্রি উৎপাদন হচ্ছে কি না তদারকি দরকার। তাই ভোক্তাদের কাছে নিরাপদ ব্রয়লার মুরগির মাংশ সরবরাহ নিশ্চিত করতে হলে উৎস স্থল পোল্ট্রি খামার থেকে গৃহিনীর রান্নায় পরিবেশন পর্যন্ত নিরাপদ খাদ্যের অনুসরনীয় নিয়মাবলী কঠোর ভাবে মেনে চলার বিকল্প নেই।

এছাড়াও সুপার শপগুলিতে বায়োসিকিউরিটিযুক্ত, প্রাণীসম্পদ অফিসের সনদপ্রাপ্ত, যথাযথ মান পরীক্ষা নিশ্চিত করে বাজারজাতকৃত মুরগি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের ড্রেসড(প্রক্রিয়াজাতকৃত) ব্রয়লার মুরগি বাজারজাতকরনে তদারকি জোরদার করতে হবে। কর্মশালায় ২০জন খামারী ও ১০জন স্থানীয় ক্যাব নেতৃবৃন্দসহ ৩৫ জন অংশগ্রহণকারী অংশ নেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ৬:১৩ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার রবিবার (২০ জুন) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:২০/০৬/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৬০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৬.৮৫
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৬.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=২০-২৫
ব্রয়লার=২২-২৩
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১১৬/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩০
লেয়ার সাদা=১৮
ব্রয়লার=২৪
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩০
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=২১
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/১৬৫কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৬-২৮
ব্রয়লার=২০
সোনালী হাইব্রিড=১৭
সোনালী রেগুলার=১১
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
সোনালী মুরগী =১৬৫/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১১৬/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.২০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১১৬/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৪
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =২৫
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১১৬/ কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=
সাদা ডিম=

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক  করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ১১:৪৬ পূর্বাহ্ন
বর্ষায় যেভাবে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন
পোলট্রি

ষড়ঋতুর বাংলাদেশ। এক এক সময় এক এক ঋতু আসে তার অপরুপ বৈশিষ্ট্য নিয়ে। আবার তার নির্দিষ্ট সময় পার হওয়ার পর নতুনকে জায়গা করে দিয়ে। নির্দিষ্ট সময়ের জন্য বিদায় নেয়। সময়ের আবর্তমান প্রবহে এখন বর্ষাকাল। বৃষ্টি আর আকাশে জলীয় বাষ্প নিয়ে হাজির এখন। আর বর্ষাকালে বৃষ্টি অনেক উপকারি বিশেষত্ব গাছপালার জন্য। জীব বৈচিত্রের জন্য তেমনও গুরুত্বপূর্ণ।

 

আষাঢ়ের বৃষ্টি শুরু হয়েছে। এ সময় পোল্ট্রি খামারিদের নিতে হবে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা। প্রাকৃতিক নিয়মেই সময়টাতে দক্ষিণ-পশ্চিম দিক দিয়ে মৌসুমী বায়ু প্রবাহিত হয় বলে একটানা ও থেমে থেমে প্রচুর বৃষ্টিপাত হয়। তাপমাত্রা ও আর্দ্রতার হ্রাস-বৃদ্ধি, দেশের কোনো কোনো অংশে প্রচুর বৃষ্টিপাত, কোথাও ঘূর্ণিঝড়, সাইক্লোন, কোথাও বা থেমে থেমে দীর্ঘদিন বৃষ্টির কারণে অনেক সময় সঠিক খামার ব্যবস্থাপনা হুমকির সম্মুখীন হয়। এই অবস্থায় নিন্মোক্ত ব্যবস্থাগুলোর দিকে লক্ষ্য রাখলে খামারি উপকৃত হবে-

পোলট্রি খামারে করণীয়:
১. পোলট্রি শেডের চারপাশে ৫ মিটার জায়গা অতিরিক্ত বাড়াতে হবে;
২. বাড়তি জায়গা ভালভাবে পরিস্কার এবং ঘাস ও ঝোপঝাড় মুক্ত রাখতে হবে; বাড়তি জায়গার উপরে ভালমত ছাউনি দিতে হবে;
৩. ছাদের যেকোনো ছিদ্র পূর্বেই সারিয়ে নিতে হবে;
৪. প্রয়োজনীয় পলিথিনের সরবরাহ নিশ্চিত করতে হবে যদি অতিরিক্ত ছাউনি দেওয়া না হয়। তবে খেয়াল রাখতে হবে অতিরিক্ত বৃষ্টির সময় সামনে ও পেছনে যেন চটের তৈরি আচ্ছাদন থাকে। বড় মুরগির ক্ষেত্রে বৃষ্টি না থাকলে তা উঠিয়ে রাখতে হবে যাতে ভালভাবে আলো-বাতাস প্রবেশ করতে পারে;
৫. বাচ্চা উঠানোর আগেই সকল পাকা মেঝে ভালমত রিপিয়ারিং করতে হবে এবং যতদিন সম্ভব শুষ্ক রাখা যায় তার ব্যবস্থা করতে হবে;
৬. খাবারের পাত্র যাতে যথাসম্ভব শুষ্ক রাখা যায় সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে;
৭. লিটারের ক্ষেত্রে, জানালা এবং ঘরের পাশ দিয়ে বৃষ্টির পানি ঢোকার সম্ভাব্য সব ছিদ্র বের করতে হবে এবং তা বন্ধ করার সব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে যেন লিটার শুষ্ক থাকে। শক্ত লিটার ভেঙ্গে দিয়ে নতুন লিটার ছড়িয়ে দিয়ে এবং শুষ্ক দ্রব্য যেমন: লাইম পাউডার, এমোনিয়াম সালফেট ইত্যাদি ব্যবহার করে শুষ্ক অবস্থা বজায় রাখতে হবে। অন্যথায় ভেজা লিটার কক্সিডিওসিস, এন্টারইটিস, কৃমি সংক্রমণের উপযুক্ত ক্ষেত্র হিসেবে ব্যবহার হবে যা পোল্ট্রির জন্য ক্ষতিকর;
৮. যারা আখের ছোবড়া লিটার হিসেবে ব্যবহার করেন তাদের যথাযথ সতর্কতা অবলম্বন করা উচিত। অন্যথায় Aspersillus fumigatus নামক মোল্ড জন্মাতে পারে যা ফুসফুসের কোষে প্রবেশ করে এবং বাচ্চাতে ব্রুডার নিউমোনিয়া ঘটায়।
৯. পোল্ট্রি শেডের আশেপাশে যাতে বৃষ্টির পানি জমে না থাকে সেদিকে বিশেষভাবে লক্ষ্য রাখতে হবে। প্রয়োজনে পর্যাপ্ত পানি নিষ্কাশন ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। তা না হলে বিভিন্ন রোগ-বালাই শেডে প্রবেশ করতে পারে।

খাবার প্রদানে করণীয়: বর্ষার সময় যাতে নতুন খাদ্য কেনা না লাগে এজন্য যথেষ্ট পরিমাণ খাদ্য মজুত করা উচিত। অন্যথায়, পরিবহনের সময় খাদ্য পরিবেশ হতে আর্দ্রতা শোষন করবে। খাদ্য কেনার পর খাদ্যের ব্যাগ কাঠের মাচাতে রাখা উচিত। তবে মাচা যেন মেঝে থেকে এবং দেওয়াল থেকে এক ফুট দূরত্বে থাকে। পাকা ঘরের জন্য খাদ্য সংরক্ষণের রুম থাকা দরকার যা কোনোভাবেই ভেজা না থাকে। যদি ঘরের ভেতরের আর্দ্রতা বেশি থাকে অথবা পানি প্রবেশ করে এবং এভাবে দীর্ঘদিন চলতে থাকে তবে ফাংগাস এবং মোল্ডের মারাত্মক সংক্রমণ দেখা দেবে। সবচেয়ে ভয়ংকর যে ফাংগাস ভুট্র সি ফিসমিল ইত্যাদিতে আক্রমণ করে তা হচ্ছে Aspergillus flavus । এই প্রজাতি হতে যে বিষ নিঃসৃত হয় তা আফলাটক্সিন বি ১, বি ২, জি ১, এবং জি ২ নামে পরিচিত। এর মধ্যে বি ১ হচ্ছে সবচেয়ে মারাত্মক। এর ফলে ডিম উৎপাতন হ্রাস, বৃদ্ধি ব্যাহত, নিম্ন খাদ্যে রূপান্তর, লিভার টিউমার এমনকি লেয়ার ও ব্রয়লারের মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে। লেয়ারের ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ ০.১ পিপিএম এবং ব্রয়লারের জন্য ০.০৫ পিপিএম বাস্তব ক্ষেত্রে সহনীয় মাত্রা। হাঁস এবং টার্কি, মুরগির চেয়ে বেশি সহনীয়। এজন্য খাদ্যে ভালমানের টক্সিন বাইন্ডার সাধারণ মানের চেয়ে একটু বেশি ভাল ব্যবহার করা উচিত।

সবদিক বিবেচনা করে একথা বলা যায় যে, বৃষ্টি শুরু হওয়ার আগেই ভাল মানের খাদ্য কেনা উচিত। অন্যথায় বিক্রেতার গোডাউনে অধিক আর্দ্রতার কারণে তা অক্সিডাইজড হয়ে যেতে পারে। এমন খাদ্য কিনতে হবে যাতে সঠিক মাত্রার এন্টিঅক্সিডেন্ট যোগ করা থাকে। ফলে খাদ্যের গুণগতমান অক্ষুন্ন থাকবে।
বর্ষাকালে ঝিনুকের অভাব দেখা যায়। যেহেতু ঝিনুক সস্তা খাদ্য উপাদান এবং দীর্ঘদিন সংরক্ষণ করা যায় তাই ভাল সিদ্ধান্ত হবে যদি আগেই কিনে মজুদ করা যায়।
তবে যে কোনো খাদ্য মজুদের পূর্বেই ঘরের তাপ কি পরিমাণ সংরক্ষণ করা যাবে তা বিবেচনায় রাখতে হবে। লক্ষ্যণীয় যে, ধারণক্ষমতার চেয়ে অধিক সংরক্ষণ করা যাবে না।

পানির ব্যবস্থাপনা: বর্ষাকালে পুকুর, নদী, টিউবওয়েল এমনকি ট্যাপের পানি পর্যন্ত জীবাণু দ্বারা দূষিত হয় যা প্রাকৃতিকভাবেই মাটিযুক্ত বৃষ্টির পানির মাধ্যমে ঘটে থাকে। ভাল পানি পেতে হলে এলাম দ্বারা পরিশোধন করে এবং ২৪ ঘণ্টা ধরে অধঃক্ষেপন করতে হবে। পানি বিশুদ্ধ করার অন্য উপায় হচ্ছে ৩৫ ভাগ ক্লোরিন যুক্ত করা যা ২ গ্রাম ব্লিচিং পাউডার ১০০০ লিটার খাবার পানির সাথে মিশ্রণ করে পাওয়া যায়। এ পানি মিশ্রণের ৩ ঘণ্টা পরে প্রয়োগ করতে হবে।

লিটার ব্যবস্থাপনা: যখন পোল্ট্রিকে ডিপ লিটার পদ্ধতিতে পালন করা হয় তখন তা সবসময় শুষ্ক রাখা উচিত। সাধারণত ২৫ ভাগ আর্দ্রতা থাকে তৈরিকৃত লিটারে। লিটারের অবস্থা বোঝার জন্য একমুঠো লিটার হাতে নিয়ে হালকা চাপ দিয়ে ছেড়ে দিলে যদি লিটার বলের মত আকৃতির না হয় এবং এক সাথে পড়ে তবে বুঝতে হবে লিটারের অবস্থা ভাল। মনে রাখা দরকার, লিটারের অবস্থা ভাল রাখতে হলে সপ্তাহে অন্তত একদিন লিটার নেড়ে দিতে হবে। যদি লিটারের কোনো অংশ ভিজে যায় তবে দ্রুত তা সরিয়ে নতুন শুষ্ক লিটার দিতে হবে। উল্লেখ্য যে, ভেজা লিটার কক্সিডিওসিস এর মত জীবনঘাতি জীবাণুর বৃদ্ধির উপযুক্ত পরিবেশ হিসেবে কাজ করে।মানুষের আরামের জন্য যেমন বিছানা তেমনি মুরগীর জন্য লিটার বিছানা স্বরূপ। ভালো লিটার মুরগীর ভালো উৎপাদন ও সুস্থতা নির্ভর করে। আর ভেজা বা স্যাতসেতে লিটার নানান রোগ বিশেষত কক্সিডিওসিস সহ অন্যান্য ছত্রাকজনিত রোগের প্রকাপ বাড়িয়ে দেয়। বাংলাদেশে যে সমস্ত বস্তুকে লিটার হিসেবে ব্যবহার করা হয় তা হলে-

ক) ধানের গুড়া

খ) বালি

গ) তুষ

ঘ) আখের ছোবড়া ইত্যাদি।

ভালো লিটারের কিছু বৈশিষ্ট্য থাকে-

ক) আদ্রর্তা (সিক্ততা) ৪-১০ ভাগ।

খ) দ্রুত শোষন ক্ষম ও

আলোর ব্যবস্থা :

বর্ষাকালের আকাশ প্রায়শ মেঘে ঢেকে কালো থাকে যার ফলে আলো কমে যায়। আর পোল্ট্রিতে আলোর পর্যাপ্ত খুব বেশী প্রয়োজন। তাই যদি প্রাকৃতিক ভাবে আলোর ঘাটতি দেখা যায় তাহলে আলোর বিকল্প ব্যবস্থা করতে হবে। আলোর ব্যবস্থা হিসেবে বৈদ্যুতিক বাতি, কয়লা জ্বালানো ও হারিকেনের ব্যবস্থা করা যেতে পারে। বিশেষত ডিমপাড়া লেয়ার মুরগীর জন্য আলো খুবই গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। আলোর পরিমাণ কমে গেলে ডিম উৎপাদনে ব্যাঘাত ঘটে।

ভেন্টিলেশন :

বর্ষাকালে পোল্ট্রিখামারে ভেন্টিলেশন গুরুত্বপুর্ণ বিষয়। বাতাসে আদ্রতা বেশী থাকে। আর রুমে বেশী আবদ্ধ অবস্থা থাকলে তা মুরগীর জন্য তিকর। তাই পর্যাপ্ত ভেন্টিলেশন এর ব্যবস্থা রাখতে হবে।

মল ব্যবস্থাপনা: পোল্ট্রি মল রোগ বিস্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। তাই নির্দিষ্ট সময় পর পর লিটার থেকে মল সরিয়ে ফেলতে হবে। অন্যথায় মলের উপরে জীবাণুনাশক যেমন ভিরকন, মেলাথিয়ন ইত্যাদি ছিটিয়ে দিতে হবে। বর্ষায় মশা, মাছি এবং অন্যান্য পোকা-মাকড়ের উপদ্রব বৃদ্ধি পায়। তাই শেডের চারপাশে জীবাণুনাশক স্প্রে করে শেডকে রোগমুক্ত রাখার ব্যবস্থা করতে হবে।
তবে বর্ষা চলে গিয়ে আবার যখন গরম চলে আসবে তখন গরমে পোলট্রি খামারের বাড়তি যত্ন নিতে কোনভাবেই ভুল করবেন না।

উপরোক্ত ব্যবস্থাপনা গুলো ভালোভাবে অনুশীলন করলে, বর্ষায় ও পোল্ট্রি খামারের ব্যাপক লাভ আশা করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২০, ২০২১ ১১:১৪ পূর্বাহ্ন
ব্রয়লার খামারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখার উপায়
পোলট্রি

আমাদের দেশে মাংসের চাহিদা পূরণে রয়েছে বহু ব্রয়লার খামার। আর এই খামারকে আরো উন্নত করতে খামারিদের জানতে হবে বিভিন্ন উপায়।বিশেষ করে এই গরমে নিতে হবে খামারের আরো বেশি যত্ন।

গরমে ব্রয়লার খামারের তাপমাত্রা যেভাবে নিয়ন্ত্রণে রাখবেন:
খামারে কিছু সময় খাদ্য দেয়া বন্ধ করে দিয়ে ঘরের ছাদ যদি টিন বা টালির হয় সেক্ষেত্রে ছাদে মোটা চটের থলি বিছিয়ে দিয়ে তার উপর কিছুক্ষণ পর পর পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। অতিরিক্ত গরমে মুরগির শরীরে হাল্কাভাবে পিচকারির সাহায্যে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। এতে মুরগির শরীরের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে রাখতে সহায়তা করবে। তবে এ সময় মুরগির খাদ্য প্রদান বন্ধ রাখতে হবে।

ব্রয়লারের খামারের ছাদে চটের বস্তার ব্যবস্থা করা না গেলে তাল বা নারিকেলের সবুজ পাতা কেটে সেগুলো ছাদে বিছিয়ে পানি ছিটিয়ে দিতে হবে। এর ফলে ব্রয়লার খামারের ছাদ ঠাণ্ডা থাকবে ও খামারের তাপমাত্রা নিয়ন্ত্রণে থাকবে। গরমের সময়ে মুরগির খামারের ভেতরে পানির পাত্রের সংখ্যা বাড়িয়ে দিতে হবে। পাত্রের পানি শেষ হওয়ার সাথে সাথে আবার পানি প্রদান করতে হবে।

প্রচণ্ড গরমের সময়ে খামারের পর্দা তুলে রাখতে হবে। খামারে যাতে সবসময় বাতাস চলাচল করতে পারে সেই ব্যবস্থা করতে হবে। আর সম্ভব হলে ফ্যানের সাহায্যে বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৯, ২০২১ ৮:০৮ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার শনিবার (১৯ জুন) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৯/০৬/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৬০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৬.৮৫
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৬.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=২০-২৫
ব্রয়লার=২২-২৩
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩২
লেয়ার সাদা=২৩-২৪
ব্রয়লার=১৮
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩০
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=২১
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/১৬৫কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১১৮/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০১
[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=২৮-৩০
ব্রয়লার=২০
সোনালী হাইব্রিড=১৭
সোনালী রেগুলার=১১
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
সোনালী মুরগী =১৬৫/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৬
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৭.৩০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১১৬/কেজি
কালবার্ড লাল=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৪
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =২৬
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৭.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/ কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৮০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=
সাদা ডিম=

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৮, ২০২১ ৬:০৭ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার শুক্রবার (১৮ জুন) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৮/০৬/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৬০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৬.৮৫
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৬.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৬/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=২০-২৫
ব্রয়লার=২২-২৩
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/১৬০কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=১১৮/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=

আরো পড়ুন: দু‘হাজার দিয়ে শুরু করে ৮ হাজার লেয়ারের মালিক হাফেজ সোহেল!

রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
ব্রয়লার=
সোনালী হাইব্রিড=
সোনালী রেগুলার=
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
সোনালী মুরগী =১৬০/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১১২/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫৫/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৭.৩০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১১৭/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/ কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৮০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=
সাদা ডিম=

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৮, ২০২১ ৫:২৬ অপরাহ্ন
দু‘হাজার দিয়ে শুরু করে ৮ হাজার লেয়ারের মালিক হাফেজ সোহেল!
পোলট্রি

দু‘হাজার লেয়ার দিয়ে শরু করে এখন সাড়ে আট হাজার লেয়ার এবং তেরো‘শ ব্রয়লারের মালিক ভোলার লালমোহনের হাফেজ সোহেল। হাফেজী, ক্বওমী এবং ভোকেশনাল পড়া অবস্থায় স্বাবলম্বী এবং পরিবারকে সাপোর্ট দেয়ার নেশায় শুরু করেন মুরগি এবং মাছের খামার। যাতে একজন সফল খামারিও হয়েছেন তিনি। এগ্রিভিউ২৪.কম এর একান্ত সাক্ষাতকারে উঠে আসে তার জীবনের এমন গল্প।

তিনি এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে বলেন, তিনি নিয়মিত ক্রিকেট খেলতেন। বাবা হঠাৎ অসুস্থ হয়ে গেলে পুরো পরিবারের দ্বায়িত্ব চলে আসে তার কাঁধে। আর ঢাকাতে তার অন্য একজন বন্ধুর সাথে কিছু মাস মুরগির খামারে যুক্ত থাকার অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে শুরু করেন খামার।

সোহেল জানান, তিনি ১০ লাখ টাকা চালান দিয়ে এবং ডিলারের কাছে ৯লাখ টাকা বকেয়া রেখে শুরু করেন খামার। তবে তার সেই ব্যাচ শেষ হওয়ার আগেই শোধ করে দেন ডিলারের বকেয়া। তারপর ২০১৭ সালের প্রথম দিকের ১ম ব্যাচ এর লাভ দিয়ে পরে তিন হাজারের একটা পুরো সেট তিনি সম্পূর্ণ করেন। যেখানে তার লাভ হয়েছিলো প্রায় ১৫ লাখ টাকার মত।

তিনি জানান, তখন খামারের রেজাল্ট এবং ডিমের দাম ভালো থাকায় আর খামারে তিনি নিজেই কাজ করাতে তখন খুব ভালো করেছিলেন। লকডাউনের ভিতরে লাভ কিছুটা কম হলেও লস হয়নি বলে জানান এগ্রিভিউ২৪.কম‘কে।

আজ ৫বছর ধরে করে যাচ্ছি খামার তবে, ২০২১ সালটাতে এসে খুব একটু সুবিধা করতে পারছেন না বলে জানান তিনি। তিনি জানান, বর্তমানে বাজারে ফিডের দাম অনেক বৃদ্ধি পেয়েছে। যা খামারিদের নাগালের বাইরে। যে হারে ফিডের দাম বাড়ছে সেই হারে বাড়ছেনা বাজারে মুরগির দাম। এছাড়া ডিমের দামও খুব কম। বেশি টাকা দিয়ে ফিড কিনে যদি চালানও না উঠে তবে সেখানে খামারিদের হতাশ হওয়া ছাড়া কোন উপায় নেই।

তিনি বলেন, ফিডের সাথে সাথে বাজারে মুরগি এবং ডিমের দামও বাড়াতে হবে। একদিকে ফিডের দাম বাড়বে আর অন্যদিকে মুরগি আর ডিমের দাম কমবে এতে করে খামারিদের লস ই হবে।

তিনি জানান, এই সেক্টরের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ভবিষ্যতে আরো কিছু করতে চাই। তবে এই চার ধাপে ফিডের বস্তাপ্রতি বেড়েছে প্রায় ৩২৫ টাকা। যা একজন নতুন খামারির জন্য খুবই কষ্টকর। তবে এই সেক্টরে দাম উঠা-নামা করলেও সঠিক পরিচর্যা আর নিয়ম মেনে খামার করতে পারলে লাভের অংকটাই বেশি বলে জানান সোহেল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৭, ২০২১ ৬:১৭ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার বৃহস্পতিবার (১৭ জুন) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৭/০৬/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৬০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৬.৭৫
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৬.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২০৬/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=২০-২৫
ব্রয়লার=২২-২৩
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯০
সাদা ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৭৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩২
লেয়ার সাদা=১৮
ব্রয়লার=২০
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৬.১০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩০-৩৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=২৫-৩০
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/১৬০কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
ব্রয়লার মুরগী=১২২/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৫
[ খাদ্যের দাম কমানোর দাবি করছি]
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৭
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৭
ব্রয়লার=২৪
সোনালী হাইব্রিড=১৬
সোনালী রেগুলার=০৯
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
সোনালী মুরগী =১৬০/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০৫
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.৩০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১১৭/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৪
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =২৬
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=
সাদা ডিম=

একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজর দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৬, ২০২১ ৭:১৬ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার বুধবার (১৬ জুন) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১৬/০৬/২০২১ ইং

★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।

ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৮.৩০
সাদা ডিম=৭.৬০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
সাদা ডিম=৬.৬৫
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
সাদা ডিম=৬.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২১০/কেজি
কালবার্ড সাদা=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=
লেয়ার সাদা=
ব্রয়লার=
ডায়মন্ডঃ-
লাল(বাদামী) বড় ডিম=
লাল(বাদামী) মাঝারি ডিম=

চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
সাদা ডিম=৭.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৭৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩২
লেয়ার সাদা=১৮
ব্রয়লার=২০
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
সাদা ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.০০
সাদা ডিম=
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=২৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩০-৩৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=২৫-৩০
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৫০/১৬০কেজি

সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৮০
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৪০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল=৩৪
ব্রয়লার=২৬
সোনালী হাইব্রিড=১৬
সোনালী রেগুলার=০৯
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =১৫৫/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৫৫
সাদা ডিম=
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৬৫
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
কালবার্ড লাল=২২০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৪৫/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১১০/কেজি
লেয়ার মুরগী=২১০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৫০
সাদা ডিম=৭.৩০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৭.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১১৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৪
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার =২৮
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৭.৭০
সাদা ডিম=৭.২০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৮.২০
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৭.৫০
ব্রয়লার মুরগী=১১২/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৯০/কেজি
সোনালী মুরগী=১৬০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=
সাদা ডিম=
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।

ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০

গতকালকের বাজার দর জানতে ক্লিক করুন এখানে

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১৬, ২০২১ ১:৪৮ অপরাহ্ন
মুরগির মহামারি প্রতিরোধে খামারির করণীয়
পোলট্রি

আমাদের দেশের অনেকেই এখন অধিক লাভের ‍আশায় মুরগির খামারের দিকে ঝুঁকছেন। আর এই খামার করে অনেকে হয়েছেন স্বাবলম্বী। তবে খামারে মুরগির জটিল রোগের জন্য উন্নত করা সম্ভব হচ্ছে না। বিশেষ করে মুরগির মহামারি খুব জটিল। মহামারি দেখা দিলে অনেক মুরগি মারা যায় আর খামারিরা পড়েন লসের ভাগে। আর এই সম্পর্কে আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে থাকলে লসের পাল্লা কম হবে খামারিদের।

মহামারি প্রতিরোধে যা করবেন:
মহামারি প্রতিরোধে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো খামারের যত্ন নেয়া। কোনভাবেই খামারে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশ রাখা যাবে না। মুরগির খামারের ভেতরে কোন স্থান যদি ভিজে যায় বা স্যাঁতস্যাঁতে অবস্থার সৃষ্টি হয়ে থাকে তাহলে তা দ্রুত শুকানোর ব্যবস্থা করতে হবে।এছাড়া খামারের ভিতরে ব্যবহারের জন্য আলাদা পোষাক রাখতে হবে। বহিরাগতদের জন্য আলাদা পোষাক রাখতে হবে। বাইরের কাউকে খামারে প্রবেশ করাতে হবে জীবাণুমুক্ত ও গোসল করিয়ে তারপর প্রবেশ করাতে হবে।

কোন খামারে রোগের আক্রমণের খবর পাওয়া গেলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে ভ্যাকসিন প্রদান বা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। রোগে আক্রান্ত হাঁস-মুরগি বা অন্যান্য পাখির মাধ্যমে যাতে খামারে এ রোগের বিস্তার ঘটতে না পারে সেজন্য খামারের চারদিক দিয়ে উচু করে বেড়া দিয়ে দিতে হবে। খামারে দৈনন্দিন ব্যবহার হওয়া জিনিসপত্র ডিমের ট্রে,খাদ্যের পাত্র, পানির পাত্র, ইত্যাদি নিয়মিত জীবাণুমুক্ত করতে হবে।

খামারের মৃত মুরগি গর্ত করে ২ মিটার মাটির নিচে পুতে ফেলতে হবে। কোন অবস্থায় বাহিরে ফেলা যাবে না।খামারে প্রবেশ পথ ও চারপাশের বেশ কিছু অংশে নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে ভালোভাবে স্প্রে করে দিতে হবে। এতে সহজেই খামারে রোগের আক্রমণের সম্ভাবনা থাকবে না।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop