১:৪১ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ২৩, ২০২১ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
হাঁস-মুরগি পালনে অর্থনৈতিতে অবদান রাখছেন উপকূলীয় নারীরা
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশে এখন পুরুষদের পাশাপাশি বাড়ছে নারী উদ্যোক্তাও। উপকূলীয় চরাঞ্চলের বেশির ভাগ নারীরা এখন হাঁস-মুরগি পালনে পরিবারে অর্থনৈতিক অবদান রাখছেন প্রচুর।

জানা যায়, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের “উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্প” বাংলাদেশের উপকূলীয় চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ সৃষ্টি করেছে। প্রকল্পটি বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের ১৬টি উপকূলীয় উপজেলার ৬৮টি ইউনিয়নে বাস্তবায়িত হচ্ছে।

এই প্রকল্পে প্রত্যেক সুফলভোগী শুরুতে তিনদিনের মৌলিক প্রশিক্ষণ শেষে ২০টি করে হাঁস বা ২০টি করে মুরগি বা তিনটি করে ভেড়া বিনামূল্যে পেয়ে থাকেন। পাশাপাশি বিনামূল্যে হাঁস, মুরগি ও ভেড়া রাখার জন্য শেড, খাদ্য, ওষুধ, ভ্যাকসিন ও চিকিৎসা সুবিধা পেয়ে থাকেন।

বরগুনা সদর উপজেলার মুরগি পালন গ্রুপের সুফলভোগী মোসা. মনিকা জানান, তিনি এই প্রকল্প থেকে প্রাপ্ত ২০টি মুরগি থেকে গড়ে প্রতিদিন ১২ থেকে ১৩টি ডিম পান, এ পর্যন্ত প্রায় ৫০টি বাচ্চা উৎপাদন করেছেন। তিনি প্রায় ৮ হাজার টাকা পুঁজি গড়েছেন।

সুফলভোগী শামসুন্নাহার বেগম জানান, আমরা তিনদিনের ট্রেনিং শেষে ২০টি মুরগি পেয়েছিলাম, সেখান থেকে এখন মুরগির সংখ্যা ১২০টি। মুরগি থেকে প্রায় ৬০০টি ডিম বিক্রি করেছি।

আরেক সুফলভোগী জানান, আমি তিনদিনের মৌলিক প্রশিক্ষণ নিয়েছি। সেখান থেকে তিনটি ভেড়া, শেড, খাবার, মেডিসিন আর ভ্যাকসিন বিনামূল্যে পেয়েছি। এখন আমার ভেড়ার সংখ্যা সাতটি।

উপকূলীয় চরাঞ্চলের সুবিধাবঞ্চিত মানুষকে অর্থনীতির মূলস্রোতে অন্তর্ভুক্ত করার কোনো বিকল্প নেই উল্লেখ করে উপকূলীয় চরাঞ্চলে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক জিয়াউল হক রাহাত জানান, এ প্রকল্পটি সরাসরি উপকূলীয় চরাঞ্চলের মানুষকে প্রশিক্ষণ ও বিনামূল্যে ২০টি করে হাঁস বা ২০টি করে মুরগি বা তিনটি ভেড়া এবং হাঁস, মুরগি ও ভেড়া রাখার জন্য শেড, খাদ্য, মেডিসিন ও ভ্যাকসিন বিতরণের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হতে সহায়তা করছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২২, ২০২১ ৯:১৬ পূর্বাহ্ন
গরুর খামার করে দৃষ্টান্ত স্থাপন করলেন কিশোরগঞ্জের ইউপি চেয়ারম্যান
প্রাণিসম্পদ

কিশোরগঞ্জের সদর উপজেলার মাইজখাপন ইউপি চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন ভূঞা নিজ শ্রমে গরুর খামার ও ফিসারি ব্যবসায় দৃষ্টান্ত স্থাপন করে হয়েছেন সফল খামারি। বিগত কয়েক বছর ধরে নিজ খামারে পালন করা গরু বিক্রি করে এখন সফল ব্যবসায়ীদের একজন তিনি।

জানা যায়, চলমান উন্নয়ন অগ্রযাত্রায় অংশীদারিত্বের লক্ষ্যে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয় নিয়ে বিগত ২০১৯ সালের প্রথম দিকে ‘রেজিয়া ডেইরি ফার্ম’ গড়ে তোলে চারটি গরু পালন শুরু করেন তিনি। পাশাপাশি নিজ গ্রাম পাঁচধায় ১৪০ কাটা নিজস্ব জমিতে ফিসারি ব্যবসা পরিচালনা করে থাকেন। বর্তমানে তার খামারে ১২টি ষাড় ও দুইটি গাভী রয়েছে।

স্থানীয়রা জানান, চেয়ারম্যান রোকন উদ্দিন গরুর খামারে গরু মোটাতাজা করে উজ্জল দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। একজন জনপ্রতিনিধি হয়েও নিজের খামারে শ্রম দিয়ে যাচ্ছেন, ফিসারি ব্যবসা পরিচালনা করছেন। তার এ সফলতা দেখে এলাকার অনেকেই গরু পালন করে ও ফিসারী ব্যবসায় নিজেদের সাবলম্বী করার চেষ্টা করছেন বলে জানান স্থানীয়রা।

রোকন উদ্দিন ভূঞা জানান, ইউপি চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি নিজস্ব অর্থায়নে নিজ বাড়ির পাশে আধা পাকা টিনসেট ঘরের খামারে গরু পালন শুরু করেন তিনি। প্রতিদিন তার খামারে কাঁচাঘাস ও খরকুটো ছাড়াও গরুর খাদ্য বাবদ আরো ২/৩ হাজার টাকা খরচ হয়। খামার পরিচালনায় নিজ শ্রমের পাশাপাশি একজন মাসিক বেতনে অন্যজন তার ভাতিজা এ খামারে শ্রম দিয়েছেন।

তিনি আরও বলেন, ‘কয়েক বছর আগে কোরবানীর জন্য গরু কিনে জবাই করতে গিয়ে দেখা গেল পানিতে ভরপুর। তাই নিজেই উদ্যোগী হই খামার প্রতিষ্ঠায়। একদিকে আমার কোরবানীর গরু কিনতে হচ্ছে না। অন্যদিকে নিজের তদারকিতে গরু লালন পালন করার তৃপ্তিই অন্যরকম। সরকারিভাবে পৃষ্ঠপোষকতা পেলে দীর্ঘ প্রজেক্ট নিয়ে আরো ব্যাপক আকারে খামার গড়ে তুলে সফলভাবে ব্যবসা করতে পারব বলে জানান তিনি।

খামারে কর্মরত শ্রমিক জানান, ‘আমাদের খামারের গরুর খাবারের জন্য দেশীয় কাঁচাঘাস ও খরকুটো ছাড়াও অন্যান্য সব খাবার ভেজালমুক্ত অবস্থায় নিজ হাতে তৈরি করি। এলাকাতে আমাদের খামারের গরুর আলাদা কদর রয়েছে। প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও সম্পূর্ণ ভেজালমুক্ত খাবার খাইয়ে গরু মোটাতাজা করেছি।

তারা বলেন, আসছে ঈদুল আযহায় কোরবানীর জন্য স্থানীয় এলাকার গরু ক্রেতারা প্রতিদিনই আসতেছে আমাদের খামারে গরু দেখার জন্য। ১৪টি গরু নয় লাখ টাকা দিয়ে ক্রয় করেছিলাম। আশা করা যায়, লাভবান হব। ইতোমধ্যে চারটি ষাড়ের দাম দুই লাখ টাকা করে দাম হাঁকা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২১, ২০২১ ১১:১০ পূর্বাহ্ন
আস্থা ফিডে যোগদান করলেন ডাঃ শোয়েব
প্রাণিসম্পদ

আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিস লিমিটেড এর বরিশাল জোনের ম্যানেজার (সেলস এন্ড মার্কেটিং) হিসাবে যোগদান সম্পন্ন করেছেন ডাঃ মোঃ শোয়েব প্রধান। তার আগে তিনি দীর্ঘ ৬ বছরের বেশি সময় ধরে আমান ফিডে ডেপুটি ম্যানেজার হিসেবে কর্মরত ছিলেন এবং অত্যন্ত সুনাম ও নিষ্ঠার সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন । অবশেষে গত ১৮ মে তিনি যোগদান করেন আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিমিটেডে।

শোয়েব প্রধান বলেন, অশেষ ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইলো আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিস লিঃ এর ম্যানেজমেন্ট এর উপর, যে তারা আমার উপরে ভরসা ও বিশ্বাস রেখে নতুন দায়িত্ব অর্পন করেছেন। দোয়া করবেন আমি যেন আপনাদের দেয়া দায়িত্ব সুচারুভাবে সম্পন্ন করে বিশ্বাস ও ভরসার মান সমুন্নত রখতে পারি। ধন্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা রইল চেয়ারম্যান স্যার, সিও স্যার, এমডি স্যার, ডাইরেক্টর স্যারের প্রতি।

তিনি আরো বলেন, দীর্ঘ দিন বরিশালে চাকুরির সুবাদে থাকার দরুণ বরিশালের প্রতি মায়া জন্মে যাওয়ার কারণে আবার বরিশালেই থেকে গেলাম। পরিশেষে ধন্যবাদ রইলো আমার প্রানপ্রিয় এজেন্টবৃন্দ, প্রানপ্রিয় খামারিবৃন্দ, বিভিন্ন ফিড ও মেডিসিন কোম্পানির কর্মকর্তাবৃন্দ ও এই সেক্টরের জড়িত সকল ব্যক্তিবর্গ যারা আমাকে এত দিন সাহায্য ও সহযোগিতা করে আসছেন। আশা করি আগের মতই আপনাদের সাহায্য ও সহোযোগিতার হাত আমার প্রতি বাড়িয়ে দিবেন।

উল্লেখ্য যে, ডাঃ মোঃ শোয়েব প্রধান এর জন্মস্থান রংপুরের মিঠাপুকুরে, তবে বেড়ে ওঠেন বগুড়ায়। তাঁর প্রাথমিক শিক্ষা- বুজ্রুক মহদিপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়, মাধ্যমিক কুমরগঞ্জ দিমুখি উচ্চ বিদ্যালয়, উত্তরন উচ্চ বিদ্যালয়, উচ্চ মাধ্যমিক সরকারী শাহ সুলতান কলেজ।

তিনি সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডিভিএম এবং এমএস, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এমএস সম্পন্ন করেন।

তিনি প্রথম চাকুরিতে যোগদান করেন ২০১৪ সালে নোভারটিস বাংলাদেশ লিঃ এ টেকনিক্যাল সার্ভিসেস অফিসার হিসেবে। এরপর ২০১৫ সালে আমান ফিড লিঃ এ সিনিয়র এক্সিকিউটিভ হিসেবে যোগদান করেন এবং বিভিন্ন ধাপে পদোন্নতি পেয়ে ডেপুটি ম্যানেজার (সেলস এন্ড মার্কেটিং) থাকা অবস্থায় আস্থা ফিড ইন্ডাস্ট্রিজ লিঃ এ যোগদান করলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২০, ২০২১ ৬:৪৪ অপরাহ্ন
পূর্বধলায় চোরাই গরুসহ আটক-১
পাঁচমিশালি

নেত্রকোনার পূর্বধলায় একটি চোরাই গরুসহ চন্দন তালুকদার (৩৫) নামের এক ব্যক্তিকে জনতা আটক করে পুলিশে সোর্পদ করেছে।

বৃহস্পতিবার (২০ মে) সকালে এই ঘটনা ঘটে। আটককৃত চন্দন তালুকদার উপজেলা সদর ইউনিয়নের আতকাপাড়া গ্রামের আ. রহমান তালুকদারের ছেলে।

পুলিশ জানায়, বুধবার (১৯ মে) দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে ওই চোর তার পাশের বাড়ির জোনায়েদ হোসেন ওরফে জনির গোহাল ঘর থেকে ৩০ হাজার টাকা মূল্যের একটি বকনা গরু চুরি করে নিয়ে যায়।

পরে ওই চোরাই গরুটি বৃহস্পতিবার সকালে চন্দন বিক্রির উদ্দেশ্যে বাজারে নেয়ার সময় পথে উপজেলার বিশকাকুনী ইউনিয়নের জামাইকোনা গ্রামে স্থানীয় লোকজন তাকে সন্দেহভাজন হিসেবে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করে।

পূর্বধলা থানার উপ-পরিদর্শক (এস আই) মো. নাজিম উদ্দিন জানান, গরুসহ চোরকে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনায় গরুর মালিক বাদী হয়ে পূর্বধলা থানায় একটি মামলা দায়ের করেছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২০, ২০২১ ৯:৪৫ পূর্বাহ্ন
সুনামগঞ্জে বজ্রপাতে মারা গেল দরিদ্র ‍দুই কৃষকের ৪ গরু
প্রাণিসম্পদ

সুনামগঞ্জের দিরাইয়ে সাকিতপুর গ্রামে বজ্রপাতে দরিদ্র দুই কৃষক বর্গাচাষি আ. ছুরত মিয়া ও একই গ্রামের মুক্তার মিয়া সর্দারের চারটি গাভী মারা গেছে। এতে প্রায় ২ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি তাদের।

বুধবার (১৯ মে) বিকেল ৫টার দিকে উপজেলার সাকিতপুর গ্রামের পাশের হাওরে এই ঘটনা ঘটে। ৪টি গাভীর মাঝে ছুরত মিয়ার তিনটি গাভী ও মুক্তার মিয়া সর্দারের একটি গাভী মারা গেছে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাকিতপুর গ্রামের বাসিন্দা করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নং ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এওয়ার হোসেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, হাওরের বোরো ধান কাটা শেষ হওয়ায় সাকিতপুর গ্রামের কৃষকরা গ্রামের পাশের হাওরে গরু চড়ান। প্রতিদিনের ন্যায় বুধবারও গ্রামের পাশের হাওরে সবাই গরু চড়াচ্ছিলেন। বিকেলে হঠাৎ বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। বৃষ্টি বন্ধ হওয়ার পর গ্রামের লোকজন পূর্বপাশের হালুয়া বিলের পশ্চিম পাড়ে ছুরত মিয়ার তিনটি গাভী ও মুক্তার মিয়া সর্দারের একটি গাভী মরা দেখতে পান।

সাকিতপুর গ্রামের বাসিন্দা করিমপুর ইউনিয়ন পরিষদের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য এওয়ার হোসেন এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর হোসেন জানান, ‘বজ্রপাতে মানুষ মারা গেলে সরকারের পক্ষ থেকে নগদ ২০ হাজার টাকা করে আর্থিক সহায়তা দেয়া হয়। কৃষকদের গরু-ছাগল মারা গেলে সহায়তা দেয়ার বিষয়ে কোন নির্দেশনা নেই। তবে দিরাইয়ের দরিদ্র কৃষকদের চারটি গাভী মারা যাওয়ার বিষয়ে খোঁজ নিয়ে সহায়তার চেষ্টা করব বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১১:৪৮ অপরাহ্ন
গোবর-গোমূত্রের সূত্র ধরে গরু চুরির রহস্য উদঘাটন, গ্রেফতার ৫
প্রাণিসম্পদ

গরুর গোবর ও গোমূত্র থাকার সূত্র ধরে দিনাজপুরের ঘোড়াঘাটে মিনি ট্রাকে থাকা গরু চুরির রহস্য উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনায় দুটি গরু উদ্ধারসহ ৫ জন চোরকে গ্রেফতার করা হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৮ মে) বিকেলে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ধরমপুরার মোড়ে অভিযান চালিয়ে ঘোড়াঘাট থানা পুলিশ চুরি হওয়া দুই গরু উদ্ধার করে।

এর আগে একইদিন ভোরে দিনাজপুর-গোবিন্দগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কের ঘোড়াঘাট উপজেলার কারিগরি কলেজ মোড়ে চেকপোস্টে গরু চুরির কাজে ব্যবহৃত মিনি ট্রাকটি আটক করে পুলিশ।

আটক ব্যক্তিদেরকে বুধবার (১৯ মে) সকালে দিনাজপুরের বিজ্ঞ আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং আদালত তাদেরকে জেল হাজতে প্রেরণ করেছেন।

গরু চুরির ঘটনায় সংশ্লিষ্টতা থাকায় গ্রেফতারকৃতরা হলেন গাইবান্ধা জেলার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার অনন্তপুর গ্রামের শহিদুল ইসলামের ছেলে ট্রাক চালক সাজু মিয়া (২৭), একই উপজেলার কামদিয়া পশ্চিমপাড়া গ্রামের মৃত কেফায়েতুল্লার ছেলে মজনু মণ্ডল (৫৫), দিনাজপুরের নবাবগঞ্জ উপজেলার নামাকাঁঠাল হরিনাথপুর গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে মিজানুর রহমান (৪৪), ঘোড়াঘাট উপজেলার দক্ষিণ দেবীপুর গ্রামের মৃত হাছেন আলীর ছেলে সাহেব মিয়া (৩৮) এবং সিংড়া বেড়ীভিটা গ্রামের মৃত রমজান আলীর ছেলে সাইদুল ইসলাম (৪৫)।

ঘোড়াঘাট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আজিম উদ্দিন বলেন, সোমবার দিবাগত রাতে জেলার ফুলবাড়ি উপজেলার উত্তর লক্ষ্মীপুর (চিলাপাড়া) গ্রামের আদিবাসী যোগেন সরেনের বাড়ি থেকে ২টি গরু চুরি হয়। মঙ্গলবার ভোরে পুলিশ নিয়মিতভাবে ঘোড়াঘাট উপজেলার কারিগরি কলেজ মোড়ে চেকপোস্টে একটি মিনি ট্রাক (ঢাকা মেট্রো-ড-১২-০৩৬৪) থামিয়ে সেটিতে তল্লাশি চালায়। তল্লাশির এক পর্যায়ে ট্রাকের পেছনে গরুর কাঁচা গোবর ও গোমূত্র দেখতে পায়।

এতে দায়িত্বরত পুলিশের সন্দেহ হলে ট্রাকের চালক সাজু মিয়া ও দুই যাত্রী মজনু মণ্ডল এবং মিজানুরকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। মিনি ট্রাকে গরুর গোবর ও গোমূত্র আসার কারণ জানতে চেয়ে জিজ্ঞাসাবাদের এক পর্যায়ে তারা গরু চুরির ঘটনা স্বীকার করে। পরে তাদের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে উপজেলার সুজা মসজিদ এলাকার আব্দুল করিম মিয়ার বাড়িতে অভিযান চালায়।

কিন্তু পুলিশ যাওয়ার আগেই করিম গরুগুলো নিয়ে পালিয়ে যায়। পরবর্তীতে পুলিশ প্রযুক্তির সহযোগিতা নিয়ে জয়পুরহাট জেলার পাঁচবিবি উপজেলার ধরমপুরার মোড়ে অভিযান চালিয়ে দুটি গরুসহ সাহেব মিয়া ও সাইদুল ইসলামকে আটক করে। এই ঘটনার পর থেকে আব্দুল করিম পলাতক রয়েছে।

ওসি জানান, আটক ব্যক্তিরা দিনাজপুরের ফুলবাড়ি উপজেলার উত্তর লক্ষ্মীপুর (চিলাপাড়া) গ্রামের আদিবাসী যোগেন সরেনের বাড়ির দেয়ার কেটে দুটি গরু চুরি করে নিয়ে এসেছিল। গরু উদ্ধারের পর আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী গরুর মালিককে খবর দিলে, তিনি ঘোড়াঘাট থানায় এসে ৯ জনের নাম উল্লেখ করে একটি মামলা করেন। আটক ব্যক্তিরা আন্তঃজেলা চোর চক্রের অন্যতম সদস্য। তারা দীর্ঘদিন থেকে গরু চুরির সঙ্গে জড়িত। আসন্ন কুরবানির ঈদকে কেন্দ্র তারা সরব হয়ে উঠেছে।

মামলার বাদী এবং চুরি হওয়া গরুর মালিক যোগেন সরেন বলেন, ‘প্রতিদিনের মত হামি সোমবার সন্ধ্যায় গরুগুলা গোয়ালেত তুলে ঘুমাছি। সকালে উঠে দেখি গোয়ালেত হামার গরু নাই। হামার বাড়ির দেয়াল ভাঙা চোর গরু নিয়ে গেছে। অনেক খোঁজাখুঁজি করছি। কিন্তু কোনোটে হামার গরু খুঁজে পাইনি।

মঙ্গলবার দুপুরে হঠাৎ দেখি হামার বাড়িত পুলিশ আসা হামাক কচ্চে, তোমার গরু হারাছে? হামি কনু হ হারাছে। পরে পুলিশ হামাক কলো (বললো) ঘোড়াঘাট থানাত যাও। তোমার গরুসহ গরু চোর ধরছে পুলিশ। পরে হামি ঘোড়াঘাট থানাত যায়া ৯ জন চোরের নামে মামলা কচ্চি।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ৩:২২ অপরাহ্ন
আমেরিকার চাকরি ছেড়ে দেশে গরুর দুধের ব্যবসা, মাসিক আয় ৪০ কোটি!
পাঁচমিশালি

আমেরিকার বিপুল আয়ের চাকরি ছেড়ে দেশে ফিরে আসেন কর্ণাটকের ছেলে। তিনি আমেরিকার একটি নামজাদা সংস্থায় মোটা টাকায় কাজ করেছেন ৬ বছর ধরে। সেই সব ছেড়ে আসেন নিজ দেশে। আর এসেই শুরু করেন গরুর দুধের ব্যবসা৷ ২০১২ সালে মাত্র ২০ টি গরু দিয়ে শুরু করে এখন তাঁর মাসিক আয় ৪০ কোটি টাকা।

নিউজ১৮.বাংলা এর সূত্র মতে জানা যায়, গরুর দুধ দোয়ানের কাজও করতেন এই ব্যবসায়ীর পরিবারের সকলে৷ এইভাবেই ক্রেতাদের দারজায় দরজায় প্রতিদিন পৌঁছে দিতেন দুধ৷ এরপর কেনা হয় দুধ মজুত রাখার জন্য বিশেষ ফ্রিজ৷ যার ফলে দুধ জমিয়ে রাখতে পারতেন তাঁরা৷ ধীরে ধীরে ব্যবসার প্রসার ঘটে৷ ছেলের নাম সিদ্ধার্থ, সেই নামের সঙ্গে মিলিয়ে এই দুধের ব্যবসার নাম রাখা হয় সিডস ফার্ম৷

২০১৮ নাগাদ তাঁদের খদ্দের ছিল ৬হাজার৷ যা মূলত হায়দরাবাদ ও তার আশপাশেই ছিল৷ এখন এই ব্যবসা ফুলে ফেপে উঠেছে৷ ১২০জন কর্মী কাজ করেন এই সংস্থায়৷ মাসের আয় প্রায় ৪০ কোটি টাকা৷ এবং খদ্দের সংখ্যা ১০হাজারেরও বেশি৷

এখন সাফল্য এলেও, শুরুর দিনগুলো ছিল বেশ কঠিন৷ নিজেরা গিয়ে গিয়ে অন্যদের বাড়িতে দুধ দিয়ে আসতে হত তাদের৷ পরিবারের সঞ্চিত সব টাকাই ঢালতে হয়েছিল এই ব্যবসায়৷ শুরুতে ১ কোটি টাকা বিনিয়োগ করতে হয়৷ পরের বছর আবার ২ কোটি বিনিয়োগ করতে হয়৷ আস্তে আস্তে লাভের মুখ দেখেন আইআইটির প্রাক্তনী৷ এরপর ২০১৮-এ নিজের ব্যবসা আরও বড় করতে ১.৩ কোটি লোন পান তিনি৷

গরু ও মোষের দুধ দিয়ে ব্যবসা শুরু করলেও, এখন এই ব্যবসা অনেক দূর এগিয়েছে৷ নানা ধরণের দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রি হয়৷ দুধ, ঘি, মাখন, পনির সবই মেলে এখানে৷ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে কাজ হয় সিডস ফার্মে৷ যদিও কোভিড ও লকডাউন পরিস্থিতিতে কিছুটা হলেও মার খেয়েছে ব্যবসা, তবে তাতে কোনও সমস্যা হয়নি ব্যবসায়ীর৷ নিজের কাজ তিনি নিজে করে চলেছেন এবং অনেক যুবদের আদর্শ হয়ে উঠেছেন এই ব্যবসা প্রতিষ্ঠিত করে৷

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১০:১২ পূর্বাহ্ন
গাভী হিটে না আসা কারণ
প্রাণিসম্পদ

গাভী হিটে না আসা বা গরম বা ডাক না আসা (Anestrum): বকনা পশু বয়:প্রাপ্ত হওয়া সর্ত্বেও ও গাভী বাচ্চা দেওয়ার ৩ মাসের মধ্যে গরম বা হিটে না আসাকে এ্যানস্ট্রাম (Anestrum )বলা হয়। আমাদের দেশের গরুর প্রায় ৮৬% এ্যান্ট্ট্রাম (Anestrum) হওয়ার তথ্য আছে।

হিটে না আসার কারণ

পুষ্টির অভাব যেমন: ফসফরাস, কপার, কোবাল্ট, মাঙ্গানিজ, সিলেনিয়াম ও

ভিটামিন এ, ডি ও ই ইত্যাদির অভাবে এ রােগ হয়।

জরায়ুতে প্রদাহ: বিভিন্ন ধরনের জীবানু দ্ধারা এ রােগ হয়।
ওভারীর সমস্যা: ওভারীতে বিভিন্ন ধরনের সিস্ট বা পানির থলি হলে ও

টিউমার হলে পশু সময়মত পশু গরম হয় না। হরমােনের ভারসাম্যহীনতা: ইস্টোজেন ও প্রজেস্টরেন, ফলিকুল স্টমুলেটিং হরমােন, এল এইচ, পােস্টাগ্লানডিন ইত্যাদির লেভেল রক্তে কম-বেশী হলে
এ রােগ হয়।

লক্ষণ
১) বকনা বা গাভী যথা সময়ে হিটে বা গরম না আসা।
২) হিট বা গরম হওয়ার কোন লক্ষণ প্রকাশ পায় না।

রোগ নির্নয়ঃ
১। পুষ্টিহীনতা, খাওয়া দাওয়ার অপ্রতুলতা ও জনন তন্ত্রের বিভিন্ন রােগের ইতিহাস।
২। রেক্টাল পালপেশন মাধ্যমে জনন অঙ্গের পরিবর্তন পরিলক্ষিত হয় যেমন- ডিম্বাশয়ে ফলিকুলার বা লিউটিয়াল সিস্ট, জরায়ুতে সংক্রামন (স্ফীত ও ব্যাথাপূর্ণ) ইত্যাদি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ১০:০১ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লায় গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মারা গেলো কৃষক
পাঁচমিশালি

কুমিল্লার হোমনায় গরু নিতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। মৃত কৃষক আব্দুল মোমেন চান্দেরচর ইউনিয়নের সীতারামপুর গ্রামের তফাজ্জল হোসেনের ছেলে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করে চান্দেরচর ইউপির চেয়ারম্যান আবুল বাশার।

চেয়ারম্যান আবুল বাশার জানান, আকাশে মেঘ দেখে মোমেন গরু নেয়ার জন্য বাড়ির পাশের জমিতে যান। সেখানে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলে মৃত্যু হয় তার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১৯, ২০২১ ৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
কিশোরগঞ্জে হাওর থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মৃত্যু
পাঁচমিশালি

কিশোরগঞ্জের নিকলীতে মাঠ থেকে গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে মো. আরিফুল ইসলাম (১৭) নামে এক কিশোর রাখালে প্রাণহানি হয়েছে। নিহত আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বেতি নোওয়াগাঁও এলাকার মিয়া চাঁনের ছেলে।

মঙ্গলবার দুপুরে উপজেলার গুরুই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী বিয়াতিরচর হাওরে বজ্রপাতে মৃত্যুর এঘটনা ঘটে।

নিকলী উপজেলার গুরুই ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান মো. আবু তাহের এবং নিকলী থানার ওসি মো. শামসুল আলম সিদ্দিকী ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, মঙ্গলবার দুপুর আড়াইটার দিকে আরিফুল ইসলাম গুরুই ইউনিয়নের বিয়াতিরচর হাওর থেকে গরু আনতে যায়। এসময় প্রচণ্ড ঝড়বৃষ্টির সঙ্গে বজ্রপাত হয়। এসময় আরিফুল গুরুতর আহত হন। মুমূর্ষু অবস্থায় উদ্ধার করে নিকলী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়ার পথে তার মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop