২:০১ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ৭:২৭ অপরাহ্ন
“মাছ, গোশত, দুধ, ডিম এগুলো উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোন বাধা থাকবে না”
প্রাণিসম্পদ

মাছ, গোশত, দুধ, ডিম অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। একই সাথে এগুলো পচনশীল দ্রব্য। এগুলো উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোনোভাবেই বাধা থাকবে না বলে জানান মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় আয়োজিত এ ভার্চুয়ালি সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে মাছ, হাঁস-মুরগি, গবাদিপশু, দুধ, ডিম, মাছের পোনা, মুরগির বাচ্চা, পশু চিকিৎসা সামগ্রী, টিকা, কৃত্রিম প্রজনন সামগ্রী, মৎস্য ও পশু খাদ্য, ওষুধ ইত্যাদি পরিবহণ ও বিপণন কার্যক্রম নিশ্চিতকরণ বিষয়ে এসভা অনুষ্ঠিত হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, এ বছর করোনা পরিস্থিতি গত বছরের চেয়ে আরো ভয়াবহ। তবে এ সময় আতঙ্কিত হয়ে একেবারে ঘরে বসে থাকার সুযোগ নেই। আমরা সবকিছু বন্ধ করে দিলে দেশ চলবে না। আবার উৎপাদক, খামারি, বিপণনকারীসহ এ খাত সংশ্লিষ্ট অন্যরাও ক্ষতিগ্রস্ত হবে। মানুষের মাছ, গোশত, দুধ ডিমের চাহিদা পূরণ করা সম্ভব হবে না। বিদ্যমান করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত চলমান নিষেধাজ্ঞাকালে জরুরি খাদ্য পরিবহনে কোনো বাধা নেই।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, মাছ, গোশত, দুধ, ডিম অত্যাবশ্যকীয় পণ্য। একই সাথে এগুলো পচনশীল দ্রব্য। এগুলো উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোনোভাবেই বাধা থাকবে না। এ ব্যাপারে প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট দফতর-সংস্থায় চিঠি দিয়ে মন্ত্রণালয় থেকে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এ ব্যাপারে জেলা ও উপজেলা প্রশাসন এবং পুলিশ প্রশাসনের সাথে প্রয়োজনীয় সমন্বয় করার জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাদের তৎপর থাকার নির্দেশ দেন মন্ত্রী। মাঠ পর্যায়ের উদ্ভুত সমস্যাগুলো গুরুত্বসহকারে বিবেচনা করা এবং নিয়মিত কঠোর মনিটরিং এর ব্যবস্থা নেয়ার জন্য মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের এ সময় নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, গতবছর এ খাতের সঙ্কট উত্তরণে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়েছিল, কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে, পরিবহনের বাধা দূর করা হয়েছে। বন্দরে মৎস্য ও প্রাণী খাদ্য ছাড়করণেও আমরা ব্যবস্থা নিয়েছি। এ বছরও প্রান্তিক খামারিদের উৎপাদিত পণ্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা করা হবে। উদ্ভূত সঙ্কট মোকাবিলায় কন্ট্রোল রুম চালু করা হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো: ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মৎস্য অধিদফতরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমানসহ মৎস্য অধিদফতর ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা এ ভার্চুয়াল সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ৪:৩৯ অপরাহ্ন
সোনারগাঁয়ে ভুয়া পশু চিকিৎসকের জরিমানা
প্রাণিসম্পদ

নারায়ণগজ্ঞের সোনারগাঁ উপজেলায় এক ভুয়া পশু চিকিৎসককে ৫ হাজার টাকা জরিমানা করেছে ভ্রাম্যমান আদালত। ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) গোলাম মোস্তাফা মুন্না।

ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনাকারী গোলাম মোস্তাফা মুন্না জানান, সোনারগাঁও পৌরসভার বটতলা বাজার এলাকায় আকবর আলী নামে এক ব্যক্তি গবাদি পশুর চিকিৎসক হিসেবে চিকিৎসা দিয়ে আসছেন। কোনো প্রকার সনদ ছাড়া চিকিৎসক উপাধি নিয়ে দীর্ঘদিন মানুষের সাথে প্রতারণা করে আসছে। ভিজিটিং কার্ডে নিজেকে চিকিৎসক লেখায়  ৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে ও অঙ্গীকারনামার মাধ্যমে সতর্ক করে দেওয়া হয়েছে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আছাবুর রহমান, উপ-সহকারি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা তাবারক হোসেন ও পুলিশ ফোর্স।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ১২:০১ অপরাহ্ন
গরমে গবাদিপশুর যত্ন নিবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

চলছে গরমের মৌসুম। কখনও কখনও বইছে তীব্র দাবদাহ। এই অবস্থায় যখন মানুষেরই হাঁসফাঁস অবস্থা তখন গবাদিপশুর অবস্থাও আপনার বিবেচনায় নিতে হবে। তাদের জন্যও দিতে হবে স্বস্তিকর পরিবেশ, নিতে হবে বাড়তি যত্ন। তার জন্য আপনাকে যা করতে হবে-

১. বেলা ১১টা থেকে ৩টা পর্যন্ত ছায়াযুক্ত শুকনা স্থানে
রাখুন।

২. পর্যাপ্ত পানি ও ইলেকট্রোলাইটসও দিন।
৩. বিশেষ করে এফ,এম,ডি, হবার ইতিহাস আছে এমন
গরুগুলোর যেন বেশি রৌদ্র না লাগে, তাহলে হিট
স্ট্রোক হয়ে মারা যেতে পারে।
৪. হিট স্ট্রেসে আক্রান্ত গবাদিপশুকে ড্রেকস্ট্রোজ ও
ভিটামিন সি দিন।
৫. প্রয়োজনীয় বিশ্রাম দিন।
৬. এই গরমে পারতপক্ষে প্রাণি পরিবহণ করবেন না।
৭. এত গরমে পারতপক্ষে ক্রিমিনাশক দিবেন না।
৮. সুষম খাবার ও পরিষ্কার পানি সরবরাহ করুন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ১০:৩৭ পূর্বাহ্ন
আত্রাইয়ে অগ্নিকাণ্ড: গরু ছাগল ও মালামাল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর আত্রাইয়ে গোয়ালঘর ও শয়ন ঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৩টি গরু ও একটি ছাগল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা গেছে। এবং শয়ন ঘরটি পুড়ে ছাই হয়ে যায়। এতে উজ্জল হোসেন নামের ওই লোকের প্রায় ১০ থেকে ১২ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

রোববার দিবাগত রাত ১১ টার দিকে উপজেলার মধ্যবোয়ালিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, ওই গ্রামের উজ্জল হোসেন প্রতি দিনের ন্যায় রোববার রাতে তার গোয়ালঘরে কয়েল জ্বালিয়ে নিজ শয়ন ঘরে ঘুমিয়ে যান। এ সময় কয়েলের আগুন থেকে গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। মুহুর্তের মধ্যে গোয়ালঘর পুড়ে তার শয়ন ঘরে আগুন লেগে যায়।

এ সময় তিনি চিৎকার করতে থাকলে স্থানীয় লোকজন এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ততক্ষনে গোয়ালঘরে থাকা ৩ টি গরু ও একটি ছাগল অগিানদগ্ধ হয়ে মারা যায় এবং শয়ন ঘরের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৬:৩১ অপরাহ্ন
ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে : মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের উল্লেখ করে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন ইলিশ সম্পদের উন্নয়নে বাধাগ্রস্ত করলে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আজ সোমবার (৫ এপ্রিল) জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এ মন্তব্য করেন মন্ত্রী।

তিনি বলেন, “দেশের মৎস্য সম্পদ রক্ষার দায়িত্ব আমাদের সকলের। অথচ অবৈধভাবে জাটকা আহরণের নেপথ্যে কিছু মানুষ কাজ করছে। অবৈধ মৎস্য আহরণে যে ট্রলারগুলো পাওয়া যায় সেগুলো সাধারণ মৎস্যজীবীদের নয়, কিছু ধনী অসাধু ব্যক্তির। তারা সমাজ ও দেশের শত্রু। পুষ্টিকর মাছ ইলিশ যাতে বৃদ্ধি করা না যায় সেজন্য তারা কাজ করে। অনেক সময় বিষাক্ত দ্রব্য নির্গমন, অবৈধ বালু উত্তোলনের জন্য মা ইলিশ নির্বিঘ্নে ডিম ছাড়তে পারে না। এভাবে নানা রকম ক্ষতিকর ভূমিকায় বিভিন্ন সেক্টরের অসাধু ব্যক্তিরা সম্পৃক্ত রয়েছে। এগুলো বন্ধে ইলিশের অভয়াশ্রম প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। মনিটরিং ক্যামেরা বসানো হয়েছে। দেশের মৎস্য সম্পদের যারা শত্রু তাদের ব্যাপারে কোন তদবীর শোনা হবে না। এ ব্যাপারে কঠোরতা অবলম্বন করা হবে।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনায় সম্প্রতি নেয়া প্রকল্পের মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা সমাধান করা হবে। অবৈধ মৎস্য আহরণ বন্ধে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী পরিচালিত অভিযানে অত্যাধুনিক জলযান সংযোজনের বিষয়টি গুরুত্বের সাথে বিবেচনা করা হবে। তবে ইলিশ রক্ষায় বিদ্যমান সমস্যা রাতারাতি সমাধান করা না গেলেও বিদ্যমান জনবল ও নৌযান দিয়ে সমস্যা মোকাবিলার আপাতত চেষ্টা করতে হবে। এর স্থায়ী সমাধানে আমরা পদক্ষেপ নিচ্ছি।”

কোভিডকালে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা পূরণ করতে হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “এ জন্য শাক-সবজির পাশাপাশি মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পর্যাপ্ত পরিমাণ খেতে হবে। এ মূহুর্তে করোনার ভয়াবহ বৈশ্বিক সমস্যা আমাদের দেশের অভ্যন্তরে মোকাবিলা করতে মাছ, মাংস, দুধ ডিম এর উৎপাদন ও বিপণন বাড়াতে হবে। সেক্ষেত্রে ইলিশ একটি গুরুত্বপূর্ণ একটা অংশ। ইলিশ উৎপাদনে আমরা বিশ্বের শ্রেষ্ঠ স্থানে রয়েছি।”

মন্ত্রী আরো জানান, “মৎস্যজীবীদের কল্যাণে সব জায়গায় সরকার কাজ করছে। মৎস্যজীবীদের তালিকা প্রতিনিয়ত হালনাগাদ করার জন্য নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। যারা এ পেশা ছেড়ে চলে গেছেন তাদের তালিকায় রাখা হবে না, যারা নতুন করে এ পেশায় যুক্ত হয়েছেন তাদের এ তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে। একসময় ১০ কেজি করে মৎস্যজীবীদের ভিজিএফ চাল দেওয়া হতো, এখন সেটা ৪০ কেজিতে উন্নীত করা হয়েছে।”

তিনি বলেন, নৌপুলিশের অভিযানে গত বছর ২৯ কোটি মিটার অবৈধ কারেন্ট জাল আটক করা একটা বড় সাফল্য উল্লেখ করে ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে নিয়োজিত নৌপুলিশসহ অন্যান্য আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও প্রশাসনের কর্মকর্তাদের ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

করোনা সংকট মোকাবিলায় জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপারদের উদ্দেশ্য করে মন্ত্রী বলেন, “কোভিডকালে মাছ মাংস, দুধ ও ডিমের সরবরাহ জরুরী সরবরাহ। এটা কোনভাবে বাধাগ্রস্ত করা যাবে না। এটা বাধাগ্রস্ত হলে উৎপাদক, বিপণনকারী ও ভোক্তারা ক্ষতিগ্রস্ত হবেন। এজন্য মাছ মাংস, দুধ ও ডিম উৎপাদন, আহরণ, পরিবহণ, ও ক্রয়-বিক্রয়ে বাধা দেওয়া যাবে না। এক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সকলে সহযোগিতা করতে হবে।”

পরে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ এর আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করে এটি সফল ও সার্থকভাবে উদযাপন হবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদের সভাপতিত্বে ও অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকারের সঞ্চালনায় উদ্বোধন অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালন ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, জাটকা সম্পৃক্ত ৬টি জেলা বরিশাল, ভোলা, পটুয়াখালী, শরীয়তপুর, চাঁদপুর ও লক্ষ্মীপুর জেলার জেলা প্রশাসক ও পুলিশ সুপার, মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ, জননিরাপত্তা বিভাগ, নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ নৌবাহিনী, বাংলাদেশ বিমান বাহিনী, নৌপুলিশ, বাংলাদেশ কোস্টগার্ড, বিআইডব্লিউটিসি, বিআইডব্লিউটিএ, র্যা ব ও মৎস্যজীবী সমবায় সমিতির প্রতিনিধিগণ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের সংশ্লিষ্ট বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য কর্মকর্তাগণ ভার্চুয়ালি সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
‘লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পরিবহন-বিপণনে ক্ষতি হবে না’
কৃষি বিভাগ

লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো ক্ষতি হবে না। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রোববার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে। তাই এসব খাদ্যের উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো বাধা আসবে না।

সরকার ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনোভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এ বছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম এসময় বলেন, ‘ইলিশের উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।’

ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৩০ পূর্বাহ্ন
চুয়াডাঙ্গায় ঝড়ো হাওয়ায় আগ্নিকাণ্ড: তিন ছাগলের মৃত্যু, দুই গরু দগ্ধ
প্রাণিসম্পদ

কালবৈশাখী ঝড়ের সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের একটি গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৩টি ছাগলের মৃত্যু ও ২টি গরু দগ্ধ হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী মাঠে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

রবিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের দরগাপাড়ার গদা ফকিরের ছেলে বুড়ো’র বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝড়ের সময় বুড়ো মিয়ার বাড়ির নিকট একটি ছাইয়ের গাদা থেকে আগুনের ফুলকি প্রচণ্ড বাতাসে পাশের খড়ের গাদায় লেগে আগুন ধরে যায়।

এসময় ঝড়ের গতিবেগ বেশি থাকায় আগুন মুহূর্তের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে ভয়ঙ্কর রূপধারণ করে। আগুনে বুড়ো মিয়ার একটি গোয়ালঘর ও রান্নাঘর পুড়ে গিয়ে গবাদিপশু দগ্ধ হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য এলাকাবাসী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। স্থানীয়দের জোর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ৬:৪২ অপরাহ্ন
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এবছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ০৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। ‘মুজিববর্ষে শপথ নেবো, জাটকা নয় ইলিশ খাবো-এ প্রতিপাদ্যে আমাদের এবারের কর্মসূচি। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রম সুরক্ষা এবং জাটকা নিধন বন্ধে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।”
রবিবার (০৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে মন্ত্রী এসময় বলেন, “ইলিশের উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। আশা করছি ভবিষ্যতে এটা আরো ব্যপক আকার ধারণ করবে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার চমৎকার ব্যবস্থাপনা করেছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে। ইলিশের অভয়াশ্রমে জাটকা নিধনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যারা কারেন্ট জাল, বেহুন্দী জালসহ অন্যান্য ক্ষতিকর জাল তৈরি করে জাটকা নিধন করে তাদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান ও জরিমানা করা হচ্ছে। গণমাধ্যমের সংবাদ বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্বিং অপারেশনসহ বিভিন্নভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”
তিনি আরো যোগ করেন, “জাটকাসহ অন্যান্য মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ জাল নির্মূলে এবছর ‘বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করে ১৫ দিনে ১৭ টি জেলায় মোট ৪৯২ টি মোবাইল কোর্ট ও ১ হাজার ৬৮১ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ২ হাজার ৪৪৮ টি বেহুন্দি জাল, ২৭৪.২ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩ হাজার ২৫৫ টি বেড় জাল, চরঘড়া জাল, মশারি জাল ও পাইজাল আটক করা হয়েছে এবং প্রায় ৯ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা খুব কঠোর অবস্থান নিয়েছি। প্রভাবশালী ব্যক্তিরাদের সাথে আমরাও ন্যুনতম সমঝোতা করিনি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওযা হয়েছে এবং অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়েছে।”
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “২০১৯-২০ অর্থবছরে জাটকা আহরণে বিরত ৩ লক্ষ ১ হাজার ২৮৮ টি জেলে পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি হারে ৪ মাসে ৪৬ হাজার ৭৭৮ মে.টন ভিজিএফ বিতরণ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ম কিস্তিতে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ৮১৫টি জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে প্রদানের জন্য মোট ২৬ হাজার ৩০৫ মে.টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। কারণ আমাদের মৎস্যজীবীদের পরিবারের কথাও মাথায় রাখতে হয়। ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৫২ হাজার জেলেকে চাহিদানুযায়ী নানা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে।”
“জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কেউ যাতে জাটকা আহরণ করতে না পারে, আহরণের পৃষ্ঠপোষকতার জাল তৈরি করতে না পারে, ট্রলার চালাতে না পারে, ইলিশের অভয়াশ্রমে ক্ষতিকর ভূমিকা রাখতে না পারে সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। এমনকি মাছের বাজারে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। কোনভাবে চোরাইপথে জাটকা আসলেও আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বরফ কল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের যে বিস্তৃত এলাকায় ইলিশ উৎপাদন হয় সব জায়গায় ভূমিকা রাখতে না পারলেও আমরা চেষ্টা করছি কোন প্রান্তেই যেন জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে কেউ জাটকা আহরণ করতে না পারে।”-যোগ করেন মন্ত্রী।
ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “গণমাধ্যমকে এ সময় জনসচেতনা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে। আমরা জাটকা ধরবো না। বড় ইলিশ তৈরির সুযোগ করে দেবো। আমরা বড় ইলিশ খাওয়ার সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করবো না। এটা হোক জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে আমাদের অঙ্গীকার।”
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, “মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় অতীতের তুলনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় মোবাইল কোর্টের সংখ্যা এবং জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অবৈধভাবে মৎস্য আহরণকারী নেপথ্যের ব্যক্তিদেরও আমরা এখন আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। মৎস্যজীবীদের মধ্যে যারা ইলিশের সাথে সম্পৃক্ত তাদের এসময় তালিকা অনুযায়ী আমরা ভিজিএফ দিচ্ছি। এ তালিকা প্রতিবছর হালনাগাদ করা হচ্ছে।”
“করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে।”-যোগ করেন মন্ত্রী
করোনা লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোন ক্ষতি হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ৫:৪১ অপরাহ্ন
গাজীপুরে গরু চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
পাঁচমিশালি

গরু চোর সন্দেহে গাজীপুরে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নজরুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার বুলুবেড় কান্দাপাড়া এলাকার আব্দুল বাতেনের ছেলে।

শনিবার রাতে কাপাসিয়ার চাঁদপুর এলাকার বড়কুশিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কাপাসিয়া থানার ওসি মো. আলম চাঁদ জানান, রাত দুইটার দিকে একদল চোর উপজেলার চাঁদপুর বড়কুশিয়া এলাকায় বাচ্চু মোড়লের বাড়িতে গরু চুরি করতে যায়।

বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পেয়ে ডাকাডাকি করতে থাকেন। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে নজরুল ইসলামকে ধরে পিটুনি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে নজরুল ইসলাম মারা যান।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর চোরেরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ১:০৪ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক হিসেবে  নিয়োগ প্রাপ্ত হন  ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান।এর আগে তিনি রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর এর পরিচালক হিসেবে ছিলেন।

 

প্রজ্ঞাপনে পুনরাদেশ দেয়া না পর্যন্ত বিসিএস (লাইভস্টক) ক্যাডারের কর্মকর্তা রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমানকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (সাময়িক দায়িত্ব)-এর দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিস্তারিত আসছে……

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop