৬:৩২ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৩০ পূর্বাহ্ন
চুয়াডাঙ্গায় ঝড়ো হাওয়ায় আগ্নিকাণ্ড: তিন ছাগলের মৃত্যু, দুই গরু দগ্ধ
প্রাণিসম্পদ

কালবৈশাখী ঝড়ের সময় চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের একটি গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। এতে ৩টি ছাগলের মৃত্যু ও ২টি গরু দগ্ধ হয়। এছাড়াও পার্শ্ববর্তী মাঠে আগুন ছড়িয়ে পড়ে ফসলেরও ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

রবিবার (৪ এপ্রিল) বিকালে আন্দুলবাড়ীয়া গ্রামের দরগাপাড়ার গদা ফকিরের ছেলে বুড়ো’র বাড়িতে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ঝড়ের সময় বুড়ো মিয়ার বাড়ির নিকট একটি ছাইয়ের গাদা থেকে আগুনের ফুলকি প্রচণ্ড বাতাসে পাশের খড়ের গাদায় লেগে আগুন ধরে যায়।

এসময় ঝড়ের গতিবেগ বেশি থাকায় আগুন মুহূর্তের মধ্যে বিভিন্ন স্থানে ছড়িয়ে পড়ে ভয়ঙ্কর রূপধারণ করে। আগুনে বুড়ো মিয়ার একটি গোয়ালঘর ও রান্নাঘর পুড়ে গিয়ে গবাদিপশু দগ্ধ হয়।

আগুন নিয়ন্ত্রণের জন্য এলাকাবাসী ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলে প্রতিকূল আবহাওয়ার কারণে ফায়ার সার্ভিসের গাড়ি সময়মতো পৌঁছাতে পারেনি। স্থানীয়দের জোর প্রচেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ৬:৪২ অপরাহ্ন
ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সরকার সকল ব্যবস্থা গ্রহণ করছে। ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এবছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ০৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। ‘মুজিববর্ষে শপথ নেবো, জাটকা নয় ইলিশ খাবো-এ প্রতিপাদ্যে আমাদের এবারের কর্মসূচি। এ সময় ইলিশের অভয়াশ্রম সুরক্ষা এবং জাটকা নিধন বন্ধে কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।”
রবিবার (০৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষ্যে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।
বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে মন্ত্রী এসময় বলেন, “ইলিশের উৎপাদন অতীতের সকল রেকর্ড অতিক্রম করেছে। আশা করছি ভবিষ্যতে এটা আরো ব্যপক আকার ধারণ করবে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। এক্ষেত্রে সরকার চমৎকার ব্যবস্থাপনা করেছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে। ইলিশের অভয়াশ্রমে জাটকা নিধনকারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। যারা কারেন্ট জাল, বেহুন্দী জালসহ অন্যান্য ক্ষতিকর জাল তৈরি করে জাটকা নিধন করে তাদের মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে সাজা প্রদান ও জরিমানা করা হচ্ছে। গণমাধ্যমের সংবাদ বিবেচনায় নিয়ে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম্বিং অপারেশনসহ বিভিন্নভাবে ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।”
তিনি আরো যোগ করেন, “জাটকাসহ অন্যান্য মৎস্যসম্পদ ধ্বংসকারী অবৈধ জাল নির্মূলে এবছর ‘বিশেষ কম্বিং অপারেশন পরিচালনা করে ১৫ দিনে ১৭ টি জেলায় মোট ৪৯২ টি মোবাইল কোর্ট ও ১ হাজার ৬৮১ টি অভিযান পরিচালনা করা হয়েছে। যার মাধ্যমে ২ হাজার ৪৪৮ টি বেহুন্দি জাল, ২৭৪.২ লক্ষ মিটার কারেন্ট জাল এবং ৩ হাজার ২৫৫ টি বেড় জাল, চরঘড়া জাল, মশারি জাল ও পাইজাল আটক করা হয়েছে এবং প্রায় ৯ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়েছে। এক্ষেত্রে আমরা খুব কঠোর অবস্থান নিয়েছি। প্রভাবশালী ব্যক্তিরাদের সাথে আমরাও ন্যুনতম সমঝোতা করিনি। তাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে, মোবাইল কোর্টের মাধ্যমে ব্যবস্থা নেওযা হয়েছে এবং অবৈধ জাল ধ্বংস করা হয়েছে।”
এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, “২০১৯-২০ অর্থবছরে জাটকা আহরণে বিরত ৩ লক্ষ ১ হাজার ২৮৮ টি জেলে পরিবারকে মাসিক ৪০ কেজি হারে ৪ মাসে ৪৬ হাজার ৭৭৮ মে.টন ভিজিএফ বিতরণ করা হয়েছে। ২০২০-২১ অর্থবছরে ১ম কিস্তিতে ৩ লক্ষ ২৮ হাজার ৮১৫টি জেলে পরিবারকে ৪০ কেজি হারে প্রদানের জন্য মোট ২৬ হাজার ৩০৫ মে.টন চাল বরাদ্দ প্রদান করা হয়েছে। কারণ আমাদের মৎস্যজীবীদের পরিবারের কথাও মাথায় রাখতে হয়। ভিজিএফ সহায়তার পাশাপাশি জেলেদের জন্য বিকল্প কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যে এ পর্যন্ত প্রায় ৫২ হাজার জেলেকে চাহিদানুযায়ী নানা উপকরণ প্রদান করা হয়েছে।”
“জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে কেউ যাতে জাটকা আহরণ করতে না পারে, আহরণের পৃষ্ঠপোষকতার জাল তৈরি করতে না পারে, ট্রলার চালাতে না পারে, ইলিশের অভয়াশ্রমে ক্ষতিকর ভূমিকা রাখতে না পারে সে ব্যবস্থা আমরা নিচ্ছি। এমনকি মাছের বাজারে আমরা অভিযান পরিচালনা করছি। কোনভাবে চোরাইপথে জাটকা আসলেও আমরা ব্যবস্থা নিচ্ছি। সংশ্লিষ্ট এলাকায় বরফ কল বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। দেশের যে বিস্তৃত এলাকায় ইলিশ উৎপাদন হয় সব জায়গায় ভূমিকা রাখতে না পারলেও আমরা চেষ্টা করছি কোন প্রান্তেই যেন জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে কেউ জাটকা আহরণ করতে না পারে।”-যোগ করেন মন্ত্রী।
ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “গণমাধ্যমকে এ সময় জনসচেতনা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে। আমরা জাটকা ধরবো না। বড় ইলিশ তৈরির সুযোগ করে দেবো। আমরা বড় ইলিশ খাওয়ার সুযোগ থেকে নিজেদের বঞ্চিত করবো না। এটা হোক জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহে আমাদের অঙ্গীকার।”
এ সময় সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের উত্তরে মন্ত্রী জানান, “মা ইলিশ ও জাটকা রক্ষায় অতীতের তুলনায় কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করায় মোবাইল কোর্টের সংখ্যা এবং জরিমানার পরিমাণ বৃদ্ধি পেয়েছে। অবৈধভাবে মৎস্য আহরণকারী নেপথ্যের ব্যক্তিদেরও আমরা এখন আইনের আওতায় নিয়ে আসছি। মৎস্যজীবীদের মধ্যে যারা ইলিশের সাথে সম্পৃক্ত তাদের এসময় তালিকা অনুযায়ী আমরা ভিজিএফ দিচ্ছি। এ তালিকা প্রতিবছর হালনাগাদ করা হচ্ছে।”
“করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে।”-যোগ করেন মন্ত্রী
করোনা লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহণ ও বিপণনে কোন ক্ষতি হবে না বলেও আশ্বস্ত করেন মন্ত্রী। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমান বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও এসময় জানান মন্ত্রী।মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ৫:৪১ অপরাহ্ন
গাজীপুরে গরু চোর সন্দেহে যুবককে পিটিয়ে হত্যা
পাঁচমিশালি

গরু চোর সন্দেহে গাজীপুরে এক যুবককে পিটিয়ে হত্যা করা হয়েছে। নিহত নজরুল ইসলাম নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও থানার বুলুবেড় কান্দাপাড়া এলাকার আব্দুল বাতেনের ছেলে।

শনিবার রাতে কাপাসিয়ার চাঁদপুর এলাকার বড়কুশিয়া এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে কাপাসিয়া থানার ওসি মো. আলম চাঁদ জানান, রাত দুইটার দিকে একদল চোর উপজেলার চাঁদপুর বড়কুশিয়া এলাকায় বাচ্চু মোড়লের বাড়িতে গরু চুরি করতে যায়।

বাড়ির মালিক বিষয়টি টের পেয়ে ডাকাডাকি করতে থাকেন। পরে এলাকাবাসী ধাওয়া দিয়ে নজরুল ইসলামকে ধরে পিটুনি দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে হাসপাতালে নেয়ার পথে নজরুল ইসলাম মারা যান।

এ সময় তার সঙ্গে থাকা অপর চোরেরা পালিয়ে যায়। এ ঘটনায় পুলিশ তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ১:০৪ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নবনিযুক্ত মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের  মহাপরিচালক হিসেবে  নিয়োগ প্রাপ্ত হন  ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান।এর আগে তিনি রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর এর পরিচালক হিসেবে ছিলেন।

 

প্রজ্ঞাপনে পুনরাদেশ দেয়া না পর্যন্ত বিসিএস (লাইভস্টক) ক্যাডারের কর্মকর্তা রাজশাহী বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তরের পরিচালক ডা: শেখ আজিজুর রহমানকে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক (সাময়িক দায়িত্ব)-এর দায়িত্ব পালনের নির্দেশনা দেওয়া হয়।

বিস্তারিত আসছে……

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৮:০৩ অপরাহ্ন
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ খাতে আমূল পরিবর্তন এসেছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবহেলার অধ্যায় অতিক্রম করে প্রাণিসম্পদ খাতে একটা আমূল পরিবর্তন এসেছে বলে মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগারের কার্যক্রম ও বিধি-বিধান বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

রেজাউল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞানের আবিষ্কার সঙ্গে নিয়ে আমাদের চলতে হবে। এ কারণে আমরা মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন করেছি।

তিনি বলেন, প্রাণিজাত যে খাদ্য আমরা বিদেশে রপ্তানি করবো অথবা বিদেশ থেকে আমদানি করবো সেটা মানসম্মত কিনা, পুষ্টিসম্মত কিনা এটা এ গবেষণাগারে পরীক্ষা- নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি বিদেশ থেকে আনা প্রাণী খাদ্য মানসম্মত কিনা, এর মধ্যে বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে কিনা সেটাও মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার থেকে জানা সম্ভব হবে। এভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশকে চলমান রাখতে হবে। যে পরিবেশই আসুক না কেন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা সবকিছু চালু রাখতে হবে। মানুষের পুষ্টি, আমিষসহ অন্যান্য খাবারের চাহিদা মেটাতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এসব বিষয় অব্যাহত রাখতে হবে। করোনার মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে, গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে। চাল, ডাল, শস্য, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন না হলে খাদ্যের সরবরাহ থাকবে না। আমাদের বিপন্ন অবস্থা সৃষ্টি হবে। সেজন্য খাদ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে। প্রতিকূলতা যতই আসুক মোকাবিলা করতে হবে।

রেজাউল করিম আরো বলেন, বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাত এক সময় চরম অবহেলিত ছিল। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবহেলার অধ্যায় অতিক্রম করে এ খাতে একটা আমূল পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তনে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত হয়েছে। সবাই মিলে কাজ করার ফলে এ খাত এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের একার পক্ষে একটি দেশের সবকিছু নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। এজন্য আমরা বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করছি। কারণ বেসরকারি খাত রাষ্ট্রের উন্নয়নেরই অংশ। বেসরকারি খাতকে সরকার সব সহযোগিতা করবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হক ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল জলিল অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদারসহ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজন, বিজ্ঞানী ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৯:০৫ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার দূরদর্শী ভূমিকায় দেশে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “শেখ হাসিনার দূরদর্শী ভূমিকায় এবং বেসরকারি খাত এগিয়ে আসায় দেশে আজ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য। ভাতে-মাছে বাঙালির দেশে একটা সময় মাছ, মাংস দুর্লভ হয়ে গিয়েছিল। এখন গ্রামে গ্রামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উদ্যোক্তা তৈরী হয়েছে। ফলে অর্থনীতির চাকা সবল হয়েছে। পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মিটছে। খাবারের বড় যোগান হচ্ছে। এভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এজন্য কৃষি ও কৃষককে আমরা অবশ্যই বাঁচিয়ে রাখবো। অমিত সম্ভাবনার বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে এগিয়ে চলছে, সে ধারাকে উত্তরোত্তর আমাদের সমৃদ্ধ করতে হবে।”

শুক্রবার (০২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দীপ্ত টেলিভিশন স্টুডিওতে ‘এসিআই দীপ্ত কৃষি অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন দীপ্ত টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান ও এসিআই এগ্রোবিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফা. হ. আনসারী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, “আমাদের জাতির জন্য সৌভাগ্য যে আমরা বঙ্গবন্ধুর মতো একজন মহান নেতা পেয়েছিলাম। তিনি কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে বলেছিলেন কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে কৃষি থাকলে বাংলাদেশ থাকবে। আর কৃষিকে রাখতে হলে কৃষকের জন্য সবকিছু করতে হবে। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে কৃষকদের যেভাবে রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে, বিপ্লব পরবর্তীতে পৃথিবীর কোন দেশ এভাবে দিতে পারে নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে ভর্তুকি দিয়ে কৃষকদের কৃষি উপকরণ, প্রশিক্ষণসহ নানা সহায়তা দিয়েছেন এটা শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, গোটা বিশ্বের বিস্ময়।”

“আজকাল কৃষি খাতে কেউ লজ্জা বোধ করে না। ডেইরি, পোল্ট্রি ও মৎস্য খাতে যারা জড়িত তারা গর্ববোধ করে বলে আমি একজন উদ্যোক্তা, আমি বেকার নই। আমার অর্থনীতির চাকা আমি নিজেই সচল রাখি।”-যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্যে কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে বেশি করে বিনিয়োগের জন্য দেশের বেসরকারি শিল্প উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানান কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। এসময় তিনি বলেন, “দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কৃষির সম্ভাবনা অনেক। কৃষির উন্নয়ন হলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। গ্রামীন মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজার বিস্তৃতির মাধ্যমে শিল্পায়নও ত্বরান্বিত হবে।”

উল্লেখ্য, এসিআই ও দীপ্ত টেলিভিশন যৌথভাবে প্রথমবারের মতো এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান আয়োজন করে। কৃষক, খামারি, সৃজনশীল উদ্ভাবক, মেধাবী গবেষক এবং সফল কৃষি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার জন্য মোট ১০টি ক্যাটাগরিতে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান। সেরা শস্য উৎপাদনকারী কৃষক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ফেনীর আবু ছায়েদ রুবেল। চট্টগ্রামের আবুল হাসান চৌধুরী সাগর সেরা গবাদি খামারি, কক্সবাজারের নয়ন সেলিনা সেরা পোলট্রি খামারি ও খুলনার মামুনুর রশিদ সেরা মৎস্য চাষি ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। সেরা সবজি চাষি ক্যাটাগরিতে হবিগঞ্জের বদু মিয়া এবং সেরা ফল বাগানি ক্যাটাগরিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতিউর রহমান অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। বগুড়ার ‘স্বপ্ন ছোঁয়া সিঁড়ি’ সমবায় সেরা সামাজিক/সমবায় বিভাগে ও নওগাঁর জাহাঙ্গীর আলম শাহ সেরা কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি বিভাগে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। এছাড়া গাইবান্ধার নজরুল ইসলাম সেরা কৃষি উদ্ভাবক ও সাভারের কোব্বাদ হোসাইন সেরা কৃষি উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৬:৪৮ অপরাহ্ন
নেত্রকোনায় দিনমজুরের ৫ গরু ও ২ ছাগল আগুনে পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার চন্দনকান্দি গ্রামের এক দিনমজুরের গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি গরু ও দু’টি ছাগল মারা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এতে সর্বস্বান্ত হয়ে হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর মানিক মিয়া (৪৮)।

জানা গেছে, পোগলা ইউনিয়নের চন্দনকান্দি গ্রামের মানিক মিয়া দিনমজুরির পাশাপাশি নিজ বাড়িতে গরু-ছাগল পালতেন। এটিই তার আয়ের মূল উৎস। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে খেয়েদেয়ে তিনি ঠাকুরাকোনা-কলমাকান্দা সড়কের সংস্কার কাজের পাহাড়া দিতে যান।

এদিকে তার স্ত্রী প্রতিদিনের মতো গোয়ালঘরে মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ ঘরটিতে আগুন ধরে যায়। আর এতে তালাবদ্ধ ঘরে পাঁচটি গরু ও দু’টি ছাগল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়।

পরে স্থানীয়রা ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ক্ষতিগ্রস্থ দিনমজুর মানিক মিয়া জানান, অগ্নিকাণ্ডে তার প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পোগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, গরু-ছাগলগুলো ছাড়া মানিক মিয়ার আর কোন সহায়-সম্পদ নেই। তাকে সরকারীভাবে সহযোগিতা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদস জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৫:৫৩ অপরাহ্ন
ছাগল পালনে অনার্স পড়ুয়া ছাত্রের বছরে ৩৫ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন
প্রাণিসম্পদ

অনিক আহমেদ: নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার চৌমুহনী গ্রামের তরুণ মো. মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করছেন। অনেক আগে থেকেই ছাগল পালনের প্রতি তার ব্যাপক আগ্রহ ছিল। তারই প্রেক্ষিতে বছরখানেক আগে গড়ে তুলেছেন ছাগলের খামার।

ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে দুয়েকটি ছাগল পালন করতেন তিনি। মূলত এসএসসি পাশের পর থেকেই বাণিজ্যিকভাবে শুরু করেন। মাত্র ২৫ টি ছাগল নিয়ে যাত্রা শুরুর ১৫ মাস পর এখন তার খামারে সব মিলিয়ে ছাগলের সংখ্যা প্রায় শতাধিক। এর মাঝে বেশকিছু ছাগল বিক্রিও করেছেন তিনি।

প্রধানত দেশী জাতের ছাগল নিয়েই খামার শুরু করেছেন উদ্যােক্তা মাসুম। কারণ হিসেবে এগ্রিভিউ`কে তিনি জানান, ‘মানুষের দেশী জাতের ছাগলের প্রতি সবসময়ই চাহিদা বেশী থাকে। ফলে বিক্রিতে সমস্যা হয় না। আর এরা আবহাওয়ার সাথে সহজে মানিয়ে নিতে পারে এবং রোগবালাই কম হয়।’

খামারের শুরুতে ছাগলগুলো নিকটস্থ হাট থেকে ক্রয় করেন। তবে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় খামার শুরুর সাতদিনের মধ্যে প্রায় ৭/৮ টি ছাগল পিপিআর রোগে মারা যায়। পরবর্তীতে সঠিক সময়ে টিকাদানের কারণে আর কোনো ছাগল মারা যায়নি।

ছাগল পালনের কারণ হিসেবে এ তরুণ উদ্যোক্তা আরও জানান, ‘স্বল্প পুঁজিতে ছাগল পালন করা যায়। রোগ-বালাই কম হয় এবং তাদের খাবারও কম লাগে। আমি মনে করি, ছাগল পালনে লাভ বেশি। তাই ছাগল পালন করছি।’

ছাগলের পাশাপাশি তিনি বেশ বড় পরিসরে হাঁসের খামার শুরু করেছেন। এখন পর্যন্ত ছাগল ক্রয়, বাসস্থান নির্মাণ, হাঁস ক্রয় এবং অন্যান্য সবকিছু মিলিয়ে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। প্রতি মাসে হাঁস ও ছাগল পালন বাবদ মাসে দেড় লক্ষ টাকা ব্যয় হয়। এক্ষেত্রে তার পরিবার সাপোর্ট করে যাচ্ছে।

বর্তমানে তার খামারে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা সমমূল্যের হাঁস ও ছাগল রয়েছে। অনার্স পড়ুয়া এই তরুণ ১০০ মা ছাগল পালন করতে চান। সেখান থেকে বছরে প্রায় ৪০০ বাচ্চা উৎপাদনের আশা তার। প্রতিটি বাচ্চা ৮/১০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চান। ফলে বছর শেষে খামার থেকে ৩৫-৪০ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৯:৫০ পূর্বাহ্ন
চুয়াডাঙ্গায় খাবারে বিষ মিশিয়ে কৃষকের ৩ গরু হত্যা!
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে এক কৃষকের তিনটি গরু হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গরু তিনটির আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা বলে দাবি কৃষক আজম মন্ডলের।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার পিয়ারাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পিয়ারাতলা গ্রামের মৃত শাহাবুদ্দিন মন্ডলের ছেলে আজম মন্ডল জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোয়াল ঘরে গরুর খাবার দিতে গিয়ে দেখি একটি গরুর মুখ দিয়ে লালা পড়ছে। এর কিছুক্ষণ পরই গরুটা মারা যায়। তার আধা ঘণ্টার মধ্যে বাকি দুটি গরুরও একই লক্ষণ দেখা দেয়। কিছুক্ষণ পর গরু দুটিও মারা যায়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর পশু চিকিৎসককে বাড়িতে ডেকে অনলে তিনি গরুর লক্ষণ দেখে জানান- খাবারের সঙ্গে বিষ প্রয়োগ করে গরুগুলো হত্যা করা হয়েছে।গরু তিনটির আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা বলে দাবি কৃষকের।

‘এ ব্যাপারে এখনো কেউ থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ‍জানান জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসলাম ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২১ ৪:৪২ অপরাহ্ন
অভিনব কায়দায় গ্রাম পুলিশের ৫টি গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

কুষ্টিয়ার মিরপুরে উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মুসা প্রমানিক নামে এক গ্রাম পুলিশের ৫টি গরু অভিনব কায়দায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। এখনও সেই গরুর কোন সন্ধান মিলেনি।

বুধবার স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন মুসা প্রমানিক। ভুক্তভোগী মুসা প্রমানিক ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার)।

ভুক্তভোগী মুসা প্রমানিক জানান, ধার দেনা ও ঋণ করে গরু কিনে তা লালন পালন করে আসছিলাম। সংসারে একটু সচ্ছলতা আনতে নিজে খেয়ে না খেয়ে গরু লালন পালন করে আসছি। হঠাৎ করেই গেল রাতে গরু চোরেরা আমার পাঁচটি গাভী গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে এখন আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।

এলাকাবাসী জানান, এই ইউনিয়ন এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে গরু চুরির এমন ঘটনা ঘটলেও সংঘবদ্ধ চোর দলকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় সহজেই তারা পার পেয়ে যায়। এতে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংঘবদ্ধ গরু চোর দলকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি করেন তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, গরু চুরির অভিযোগ থানায় পেয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop