৩:৫৭ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৮:০৩ অপরাহ্ন
প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে প্রাণিসম্পদ খাতে আমূল পরিবর্তন এসেছে : প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবহেলার অধ্যায় অতিক্রম করে প্রাণিসম্পদ খাতে একটা আমূল পরিবর্তন এসেছে বলে মন্তব্য করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (৩ এপ্রিল) দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন উপকরণ ও প্রাণিজাত খাদ্যের মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগারের কার্যক্রম ও বিধি-বিধান বিষয়ক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

রেজাউল করিম বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন বর্তমান সরকার টেকসই উন্নয়ন নিশ্চিত করার জন্য কাজ করছে। টেকসই উন্নয়নের জন্য বিজ্ঞানের আবিষ্কার সঙ্গে নিয়ে আমাদের চলতে হবে। এ কারণে আমরা মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার স্থাপন করেছি।

তিনি বলেন, প্রাণিজাত যে খাদ্য আমরা বিদেশে রপ্তানি করবো অথবা বিদেশ থেকে আমদানি করবো সেটা মানসম্মত কিনা, পুষ্টিসম্মত কিনা এটা এ গবেষণাগারে পরীক্ষা- নিরীক্ষার মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব হবে। এর পাশাপাশি বিদেশ থেকে আনা প্রাণী খাদ্য মানসম্মত কিনা, এর মধ্যে বিষাক্ত পদার্থ রয়েছে কিনা সেটাও মান নিয়ন্ত্রণ গবেষণাগার থেকে জানা সম্ভব হবে। এভাবে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।

তিনি বলেন, যেকোনো পরিস্থিতিতে দেশকে চলমান রাখতে হবে। যে পরিবেশই আসুক না কেন অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা সবকিছু চালু রাখতে হবে। মানুষের পুষ্টি, আমিষসহ অন্যান্য খাবারের চাহিদা মেটাতে হবে। স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করে এসব বিষয় অব্যাহত রাখতে হবে। করোনার মধ্যেও উৎপাদন অব্যাহত রাখতে হবে, গবেষণা অব্যাহত রাখতে হবে। চাল, ডাল, শস্য, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন না হলে খাদ্যের সরবরাহ থাকবে না। আমাদের বিপন্ন অবস্থা সৃষ্টি হবে। সেজন্য খাদ্যের উৎপাদন ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে হবে। প্রতিকূলতা যতই আসুক মোকাবিলা করতে হবে।

রেজাউল করিম আরো বলেন, বাংলাদেশে প্রাণিসম্পদ খাত এক সময় চরম অবহেলিত ছিল। আজ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে অবহেলার অধ্যায় অতিক্রম করে এ খাতে একটা আমূল পরিবর্তন এসেছে। এ পরিবর্তনে বিভিন্ন বেসরকারি প্রতিষ্ঠান সম্পৃক্ত হয়েছে। সবাই মিলে কাজ করার ফলে এ খাত এগিয়ে যাচ্ছে। সরকারের একার পক্ষে একটি দেশের সবকিছু নিশ্চিত করা সম্ভব নয়। রাষ্ট্রের উন্নয়নে অবদান রাখা প্রত্যেক নাগরিকের দায়িত্ব। এজন্য আমরা বেসরকারি খাতকে উৎসাহিত করছি। কারণ বেসরকারি খাত রাষ্ট্রের উন্নয়নেরই অংশ। বেসরকারি খাতকে সরকার সব সহযোগিতা করবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ মো. ইমদাদুল হক ও বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মো. আব্দুল জলিল অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন।

এ সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সদ্য অবসরপ্রাপ্ত মহাপরিচালক ডা. আবদুল জব্বার শিকদারসহ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট অংশীজন, বিজ্ঞানী ও গবেষকরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৯:০৫ অপরাহ্ন
শেখ হাসিনার দূরদর্শী ভূমিকায় দেশে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য – মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “শেখ হাসিনার দূরদর্শী ভূমিকায় এবং বেসরকারি খাত এগিয়ে আসায় দেশে আজ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য। ভাতে-মাছে বাঙালির দেশে একটা সময় মাছ, মাংস দুর্লভ হয়ে গিয়েছিল। এখন গ্রামে গ্রামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে উদ্যোক্তা তৈরী হয়েছে। ফলে অর্থনীতির চাকা সবল হয়েছে। পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মিটছে। খাবারের বড় যোগান হচ্ছে। এভাবে বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এজন্য কৃষি ও কৃষককে আমরা অবশ্যই বাঁচিয়ে রাখবো। অমিত সম্ভাবনার বাংলাদেশ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে যেভাবে এগিয়ে চলছে, সে ধারাকে উত্তরোত্তর আমাদের সমৃদ্ধ করতে হবে।”

শুক্রবার (০২ এপ্রিল) বিকেলে রাজধানীর তেজগাঁওয়ে দীপ্ত টেলিভিশন স্টুডিওতে ‘এসিআই দীপ্ত কৃষি অ্যাওয়ার্ড ২০২০’ প্রদান অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। শুভেচ্ছা বক্তব্য প্রদান করেন দীপ্ত টেলিভিশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক কাজী জাহেদুল হাসান ও এসিআই এগ্রোবিজনেসের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ড. ফা. হ. আনসারী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরো বলেন, “আমাদের জাতির জন্য সৌভাগ্য যে আমরা বঙ্গবন্ধুর মতো একজন মহান নেতা পেয়েছিলাম। তিনি কৃষিকে প্রাধান্য দিয়ে বলেছিলেন কৃষি নির্ভর বাংলাদেশে কৃষি থাকলে বাংলাদেশ থাকবে। আর কৃষিকে রাখতে হলে কৃষকের জন্য সবকিছু করতে হবে। স্বাধীনতাত্তোর বাংলাদেশে কৃষকদের যেভাবে রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও সহায়তা দেওয়া হয়েছে, বিপ্লব পরবর্তীতে পৃথিবীর কোন দেশ এভাবে দিতে পারে নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেভাবে ভর্তুকি দিয়ে কৃষকদের কৃষি উপকরণ, প্রশিক্ষণসহ নানা সহায়তা দিয়েছেন এটা শুধু দক্ষিণ এশিয়ায় নয়, গোটা বিশ্বের বিস্ময়।”

“আজকাল কৃষি খাতে কেউ লজ্জা বোধ করে না। ডেইরি, পোল্ট্রি ও মৎস্য খাতে যারা জড়িত তারা গর্ববোধ করে বলে আমি একজন উদ্যোক্তা, আমি বেকার নই। আমার অর্থনীতির চাকা আমি নিজেই সচল রাখি।”-যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।

অনুষ্ঠানে প্রদত্ত বক্তব্যে কৃষিপণ্যের প্রক্রিয়াজাতকরণে বেশি করে বিনিয়োগের জন্য দেশের বেসরকারি শিল্প উদ্যোক্তাদের আহ্বান জানান কৃষিমন্ত্রী ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক। এসময় তিনি বলেন, “দারিদ্র্য বিমোচন ও জীবনযাত্রার মানোন্নয়নে কৃষির সম্ভাবনা অনেক। কৃষির উন্নয়ন হলেই দেশের সার্বিক উন্নয়ন আরও ত্বরান্বিত হবে। গ্রামীন মানুষের কর্মসংস্থান ও আয় বৃদ্ধি এবং অভ্যন্তরীণ বাজার বিস্তৃতির মাধ্যমে শিল্পায়নও ত্বরান্বিত হবে।”

উল্লেখ্য, এসিআই ও দীপ্ত টেলিভিশন যৌথভাবে প্রথমবারের মতো এ অ্যাওয়ার্ড অনুষ্ঠান আয়োজন করে। কৃষক, খামারি, সৃজনশীল উদ্ভাবক, মেধাবী গবেষক এবং সফল কৃষি উদ্যোক্তাদের উৎসাহিত করার জন্য মোট ১০টি ক্যাটাগরিতে এ অ্যাওয়ার্ড প্রদান করা হয়। এতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ৯ ব্যক্তি ও ১ প্রতিষ্ঠান। সেরা শস্য উৎপাদনকারী কৃষক হিসেবে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন ফেনীর আবু ছায়েদ রুবেল। চট্টগ্রামের আবুল হাসান চৌধুরী সাগর সেরা গবাদি খামারি, কক্সবাজারের নয়ন সেলিনা সেরা পোলট্রি খামারি ও খুলনার মামুনুর রশিদ সেরা মৎস্য চাষি ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। সেরা সবজি চাষি ক্যাটাগরিতে হবিগঞ্জের বদু মিয়া এবং সেরা ফল বাগানি ক্যাটাগরিতে চাঁপাইনবাবগঞ্জের মতিউর রহমান অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। বগুড়ার ‘স্বপ্ন ছোঁয়া সিঁড়ি’ সমবায় সেরা সামাজিক/সমবায় বিভাগে ও নওগাঁর জাহাঙ্গীর আলম শাহ সেরা কৃষি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান/ব্যক্তি বিভাগে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন। এছাড়া গাইবান্ধার নজরুল ইসলাম সেরা কৃষি উদ্ভাবক ও সাভারের কোব্বাদ হোসাইন সেরা কৃষি উদ্যোক্তা ক্যাটাগরিতে অ্যাওয়ার্ড পেয়েছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৬:৪৮ অপরাহ্ন
নেত্রকোনায় দিনমজুরের ৫ গরু ও ২ ছাগল আগুনে পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

নেত্রকোনা জেলার কলমাকান্দা উপজেলার চন্দনকান্দি গ্রামের এক দিনমজুরের গোয়ালঘরে অগ্নিকাণ্ডে পাঁচটি গরু ও দু’টি ছাগল মারা গেছে।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে এই ঘটনা ঘটে। এতে সর্বস্বান্ত হয়ে হয়ে পড়েছেন ক্ষতিগ্রস্ত দিনমজুর মানিক মিয়া (৪৮)।

জানা গেছে, পোগলা ইউনিয়নের চন্দনকান্দি গ্রামের মানিক মিয়া দিনমজুরির পাশাপাশি নিজ বাড়িতে গরু-ছাগল পালতেন। এটিই তার আয়ের মূল উৎস। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে খেয়েদেয়ে তিনি ঠাকুরাকোনা-কলমাকান্দা সড়কের সংস্কার কাজের পাহাড়া দিতে যান।

এদিকে তার স্ত্রী প্রতিদিনের মতো গোয়ালঘরে মশার কয়েল জ্বালিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। রাত সাড়ে ১০টার দিকে হঠাৎ ঘরটিতে আগুন ধরে যায়। আর এতে তালাবদ্ধ ঘরে পাঁচটি গরু ও দু’টি ছাগল অগ্নিদগ্ধ হয়ে মারা যায়।

পরে স্থানীয়রা ঘণ্টাব্যাপী চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন। ক্ষতিগ্রস্থ দিনমজুর মানিক মিয়া জানান, অগ্নিকাণ্ডে তার প্রায় ৪ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে পোগলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান রফিকুল ইসলাম জানান, গরু-ছাগলগুলো ছাড়া মানিক মিয়ার আর কোন সহায়-সম্পদ নেই। তাকে সরকারীভাবে সহযোগিতা করার জন্য উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে আবেদস জানানো হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৫:৫৩ অপরাহ্ন
ছাগল পালনে অনার্স পড়ুয়া ছাত্রের বছরে ৩৫ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন
প্রাণিসম্পদ

অনিক আহমেদ: নীলফামারীর সৈয়দপুর উপজেলার চৌমুহনী গ্রামের তরুণ মো. মাসুম বিল্লাহ। বর্তমানে অনার্স প্রথম বর্ষে পড়াশোনা করছেন। অনেক আগে থেকেই ছাগল পালনের প্রতি তার ব্যাপক আগ্রহ ছিল। তারই প্রেক্ষিতে বছরখানেক আগে গড়ে তুলেছেন ছাগলের খামার।

ছোটবেলা থেকেই বাড়িতে দুয়েকটি ছাগল পালন করতেন তিনি। মূলত এসএসসি পাশের পর থেকেই বাণিজ্যিকভাবে শুরু করেন। মাত্র ২৫ টি ছাগল নিয়ে যাত্রা শুরুর ১৫ মাস পর এখন তার খামারে সব মিলিয়ে ছাগলের সংখ্যা প্রায় শতাধিক। এর মাঝে বেশকিছু ছাগল বিক্রিও করেছেন তিনি।

প্রধানত দেশী জাতের ছাগল নিয়েই খামার শুরু করেছেন উদ্যােক্তা মাসুম। কারণ হিসেবে এগ্রিভিউ`কে তিনি জানান, ‘মানুষের দেশী জাতের ছাগলের প্রতি সবসময়ই চাহিদা বেশী থাকে। ফলে বিক্রিতে সমস্যা হয় না। আর এরা আবহাওয়ার সাথে সহজে মানিয়ে নিতে পারে এবং রোগবালাই কম হয়।’

খামারের শুরুতে ছাগলগুলো নিকটস্থ হাট থেকে ক্রয় করেন। তবে পর্যাপ্ত জ্ঞান না থাকায় খামার শুরুর সাতদিনের মধ্যে প্রায় ৭/৮ টি ছাগল পিপিআর রোগে মারা যায়। পরবর্তীতে সঠিক সময়ে টিকাদানের কারণে আর কোনো ছাগল মারা যায়নি।

ছাগল পালনের কারণ হিসেবে এ তরুণ উদ্যোক্তা আরও জানান, ‘স্বল্প পুঁজিতে ছাগল পালন করা যায়। রোগ-বালাই কম হয় এবং তাদের খাবারও কম লাগে। আমি মনে করি, ছাগল পালনে লাভ বেশি। তাই ছাগল পালন করছি।’

ছাগলের পাশাপাশি তিনি বেশ বড় পরিসরে হাঁসের খামার শুরু করেছেন। এখন পর্যন্ত ছাগল ক্রয়, বাসস্থান নির্মাণ, হাঁস ক্রয় এবং অন্যান্য সবকিছু মিলিয়ে প্রায় ১৭ লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। প্রতি মাসে হাঁস ও ছাগল পালন বাবদ মাসে দেড় লক্ষ টাকা ব্যয় হয়। এক্ষেত্রে তার পরিবার সাপোর্ট করে যাচ্ছে।

বর্তমানে তার খামারে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা সমমূল্যের হাঁস ও ছাগল রয়েছে। অনার্স পড়ুয়া এই তরুণ ১০০ মা ছাগল পালন করতে চান। সেখান থেকে বছরে প্রায় ৪০০ বাচ্চা উৎপাদনের আশা তার। প্রতিটি বাচ্চা ৮/১০ হাজার টাকায় বিক্রি করতে চান। ফলে বছর শেষে খামার থেকে ৩৫-৪০ লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ৯:৫০ পূর্বাহ্ন
চুয়াডাঙ্গায় খাবারে বিষ মিশিয়ে কৃষকের ৩ গরু হত্যা!
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার জীবননগরে খাবারের সঙ্গে বিষ মিশিয়ে এক কৃষকের তিনটি গরু হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গরু তিনটির আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা বলে দাবি কৃষক আজম মন্ডলের।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) রাত সাড়ে ৯ টার দিকে উপজেলার পিয়ারাতলা গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

পিয়ারাতলা গ্রামের মৃত শাহাবুদ্দিন মন্ডলের ছেলে আজম মন্ডল জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ৯টার দিকে গোয়াল ঘরে গরুর খাবার দিতে গিয়ে দেখি একটি গরুর মুখ দিয়ে লালা পড়ছে। এর কিছুক্ষণ পরই গরুটা মারা যায়। তার আধা ঘণ্টার মধ্যে বাকি দুটি গরুরও একই লক্ষণ দেখা দেয়। কিছুক্ষণ পর গরু দুটিও মারা যায়।

তিনি আরও জানান, এ ঘটনার পর পশু চিকিৎসককে বাড়িতে ডেকে অনলে তিনি গরুর লক্ষণ দেখে জানান- খাবারের সঙ্গে বিষ প্রয়োগ করে গরুগুলো হত্যা করা হয়েছে।গরু তিনটির আনুমানিক মূল্য প্রায় তিন লাখ টাকা বলে দাবি কৃষকের।

‘এ ব্যাপারে এখনো কেউ থানায় কোনো অভিযোগ করেনি। অভিযোগ পেলে তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে ‍জানান জীবননগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইসলাম ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২১ ৪:৪২ অপরাহ্ন
অভিনব কায়দায় গ্রাম পুলিশের ৫টি গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

কুষ্টিয়ার মিরপুরে উপজেলার ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের কৃষ্ণপুর এলাকায় মঙ্গলবার দিবাগত রাতে মুসা প্রমানিক নামে এক গ্রাম পুলিশের ৫টি গরু অভিনব কায়দায় চুরির ঘটনা ঘটেছে। এখনও সেই গরুর কোন সন্ধান মিলেনি।

বুধবার স্থানীয় থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন মুসা প্রমানিক। ভুক্তভোগী মুসা প্রমানিক ফুলবাড়িয়া ইউনিয়নের ৯নং ওয়ার্ডের গ্রাম পুলিশ (চৌকিদার)।

ভুক্তভোগী মুসা প্রমানিক জানান, ধার দেনা ও ঋণ করে গরু কিনে তা লালন পালন করে আসছিলাম। সংসারে একটু সচ্ছলতা আনতে নিজে খেয়ে না খেয়ে গরু লালন পালন করে আসছি। হঠাৎ করেই গেল রাতে গরু চোরেরা আমার পাঁচটি গাভী গরু চুরি করে নিয়ে গেছে। পরিবার নিয়ে এখন আমি নিঃস্ব হয়ে গেলাম।

এলাকাবাসী জানান, এই ইউনিয়ন এলাকাসহ উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগঞ্জে গরু চুরির এমন ঘটনা ঘটলেও সংঘবদ্ধ চোর দলকে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা তাদের গ্রেপ্তার করতে না পারায় সহজেই তারা পার পেয়ে যায়। এতে চুরির ঘটনা বৃদ্ধি পাচ্ছে। সংঘবদ্ধ গরু চোর দলকে ধরতে পুলিশি অভিযান অব্যাহত রাখার দাবি করেন তারা।

বিষয়টি নিশ্চিত করে মিরপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম মোস্তফা জানান, গরু চুরির অভিযোগ থানায় পেয়েছি। দ্রুত সময়ের মধ্যে তাদের গ্রেপ্তার করা হবে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ৮:০৬ অপরাহ্ন
দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করে বলেন দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টিকারীদের কঠোরভাবে মোকাবিলা করা হবে।

বুধবার রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তেনে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের ইনোভেশন শোকেসিং-২০২১ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ হুঁশিয়ারি উচ্চারণ করেন।

মন্ত্রী বলেন, করোনা মহামারিকালেও দেশকে উচ্ছৃঙ্খলতার মাধ্যমে অস্থিতিশীল করার জন্য স্বাধীনতাবিরোধী সাম্প্রদায়িক অপশক্তি এবং তাদের পৃষ্ঠপোষক একটি মহল মাঠে নেমেছে। তারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ পছন্দ করে না, সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির বাংলাদেশ পছন্দ করে না, বঙ্গবন্ধুর আরাধ্য স্বাধীন বাংলাদেশ পছন্দ করে না। হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান মিলে হাজার বছরের ভাতৃত্ব ও সহমর্মিতার বাংলাদেশ পছন্দ করে না।

সেই চক্র শেষ হয়ে যায়নি। এ সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীকে পৃষ্ঠপোষকতা বিএনপি দিয়েছে, জাতীয় পার্টি দিয়েছে। পঁচাত্তরের ১৫ আগস্টের পর মুক্তিযুদ্ধবিরোধীদের ক্ষমতায় এনে রাজাকার শাহ আজিজ, আব্দুল আলীম, মাওলানা মান্নান, খান এ সবুরদের প্রতিষ্ঠিত করেছে।

তিনি আরও বলেন, ১৭৫৭ সালের ২৩ জুন যে বিশ্বাসঘাতকের নাম ছিল মীর জাফর, ১৯৭৫ সালে সেই বিশ্বাসঘাতকের নাম হয়েছে খন্দকার মোশতাক ও জিয়াউর রহমান। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতি যারা নষ্ট করতে চাইবে, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ যারা ধ্বংস করতে চাইবে, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর-কঠিন ব্যবস্থা নেওয়া হবে। যারা দেশের অভ্যন্তরে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে, বঙ্গবন্ধুকে আঘাত করবে, স্বাধীনতার স্বপ্নে আঘাত করবে তাদের সবার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে।

রেজাউল করিম বলেন, সংবিধোনের ৭ (ক) অনুচ্ছেদ অনুসারে সংবিধানের কোনো বিধি-বিধানকে অসাংবিধানিক উপায়ে রদ, রহিত, বাতিল, স্থগিত করলে বা করার জন্য ষড়যন্ত্র করলে তা ‘ষড়যন্ত্র’ হিসেবে গণ্য হবে। এছাড়া সংবিধানের বিধানের প্রতি নাগরিকদের আস্থা-বিশ্বাস নষ্ট করলে বা প্রত্যেক্ষ বা পরোক্ষভাবে সমর্থন করলেও তা ‘রাষ্ট্রদ্রোহিতা’র অপরাধ হিসেবে গণ্য হবে। যার সর্বোচ্চ শাস্তি হতে পারে মৃত্যুদন্ড।

সাম্প্রতিক সময়ে সাংবিধানিক বিধান ‘ধর্মনিরপেক্ষতা’, ‘জাতির পিতা’ ইত্যাদি নিয়ে সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠীর কৃতকর্ম স্পষ্ঠভাবে ফৌজদারি অপরাধ হিসেবে প্রতিভাত। তিনি বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত একসময় অবহেলিত ছিল। এখন এ খাতে একটা বৈপ্লবিক পরিবর্তন এসেছে। সরকারে নীতি-নির্ধারণ ও বিভিন্ন পদক্ষেপের কারণে এটা সম্ভব হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাত সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দফতর ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের পরিসর বৃদ্ধি করেছেন।

মন্ত্রী বলেন, অত্যাধুনিক রাষ্ট্র ব্যবস্থার জন্য সকলে মিলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়ন করতে হবে। এ খাতকে আধুনিকায়ন ও যান্ত্রিকীকরণ করতে হবে। পুষ্টি ও আমিষসমৃদ্ধ খাবার মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সরবরাহের জন্য মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতকে আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছি। এ খাতের পরিসর বৃদ্ধির জন্য কর্মকর্তারা কাজ করতে হবে। সরকার ও রাষ্ট্র পাশে আছে।

করোনা পরিস্থিতি তুলে ধরে তিনি বলেন, করোনার মধ্যে কাজ না করলে রাষ্ট্রযন্ত্র বন্ধ হয়ে যাবে। রাষ্ট্রযন্ত্র বন্ধ হয়ে গেলে উৎপাদন হবে না। উৎপাদন বন্ধ হয়ে গেলে অর্থনীতি ঠিক থাকবে না। অর্থনীতি ঠিক না থাকলে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ডিজিটাল রাষ্ট্র ব্যবস্থা আমরা কেউ পাবো না। এজন্য করোনার মধ্যে কাজও করতে হবে, সচেতনও থাকতে হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গোটা জাতি, দেশের অর্থনীতি ও উন্নয়নকে সাথে নিয়ে সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও চিফ ইনোভেশন অফিসার মো. তৌফিকুল আরিফের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শাহ্ মো. ইমদাদুল হক ও শ্যামল চন্দ্র কর্মকারসহ ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দফতর-সংস্থার ৩২টি উদ্ভাবনী ধারণা উপস্থাপন করা হয়। প্রধান অতিথি ও বিশেষ অতিথি উদ্ভাবনী ধারণাগুলো ঘুরে দেখেন ও এ বিষয়ে সম্যক ধারণা নেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১:৩২ অপরাহ্ন
বাঁশখালীতে গরু চোরের হামলায় আহত ২
প্রাণিসম্পদ

বাঁশখালী শেখেরখীল ইউনিয়নের ৪নং ওয়ার্ডের হিন্দু পাড়ায় মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র লাল দেবের বাড়িতে হামলা চালিয়েছে দুর্বৃত্তরা। এসময় তাদের প্রতিরোধে এগিয়ে আসা রূপন দেব (৪০) ও দীপেশময় সিকদার (৩৬) আহত হন। পরে ঘটনাস্থল থেকে দুর্বৃত্তদের ফেলে যাওয়া একটি এলজি ও এক রাউন্ড কার্তুজ উদ্ধার করে পুলিশ।

জানা যায়, রোববার দিবাগত রাত ৩টার দিকে শেখেরখীল ইউনিয়নের হিন্দু পাড়ায় প্রয়াত মুক্তিযোদ্ধা রবীন্দ্র লাল দেবের বাড়িতে অটোরিকশা ও মিনিট্রাকে গরু চুরি করতে আসে একদল চোর। এসময় তাদের উপস্থিতি টের পেয়ে প্রতিরোধে এগিয়ে আসেন রূপন দেব (৪০) ও দীপেশময় সিকদার (৩৬)।

এতে দুই পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও মারধরের ঘটনায় হামলায় গুরুতর আহত হন রূপন ও দীপেশ। পরে তাদের বাঁশখালী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গতকাল মঙ্গলবার রূপন দেব বাঁশখালী থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

শেখেরখীল ইউপি চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইয়াছিন বলেন, চোরের দলকে প্রতিহত করতে গিয়ে দুজন আহত হয়েছেন। তারা চিকিৎসা শেষে নিরাপত্তা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য থানায় একটি অভিযোগ দিয়েছেন।

এ ব্যাপারে বাঁশখালী থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ সফিউল কবীর বলেন, হামলাকারীরা অভিযোগ দিলেও তারা কারো বিরুদ্ধে মামলা করেননি। পুলিশ ঘটনা তদন্ত করছে। এই ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বের করে আইনের আওতায় আনা হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২১ ৬:৫১ অপরাহ্ন
প্রধানমন্ত্রী চান ভাতে-মাছে বাঙালি সংস্কৃতি যেন বিলুপ্ত না হয়: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রধানমন্ত্রী চান ভাতে-মাছে বাঙালি সংস্কৃতির মাছ যেন বিলুপ্ত হয়ে না যায়। মাছের সংকট যেন না হয় বলে মন্তব্য করেছেন ​মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ মঙ্গলবার দুপুরে বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকী ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষ্যে ঢাকার গেন্ডারিয়ায় মিল ব্যারাক নৌ জেটিতে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগ কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী কমিটি আয়োজিত নৌ র‍্যালি-২০২১ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন মন্ত্রী।

স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মাদের এই বাংলাদেশে উত্থান ঘটতে দেওয়া হবে না বলে মন্ত্রী বলেন, “৭১-এর রাজাকাররা কেউ হেফাজত নামে, কেউ নেজামে ইসলাম নামে, কেউ মুসলীম লীগ নামে নতুন করে দেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করছে। ইসলাম ধর্ম সহিংসতায় বিশ্বাস করে না, সন্ত্রাসকে পছন্দ করে না, জঙ্গীবাদে বিশ্বাস করে না।

তিনি বলেন, মহানবী রসুলুল্লাহ (সা.) ধর্ম নিয়ে বাড়াবাড়ি করতে নিষেধ করেছেন। কারও উপর জুলুম না করতে বলেছেন, ফেৎনা-ফেসাদ সৃষ্টি না করার জন্য বলেছেন। তিনি বলেছেন- এগুলো যুদ্ধের চেয়ে বড় অপরাধ। কিন্তু ইসলামের নামধারী কিছু উচ্ছৃঙ্খল, সাম্প্রদায়িক শক্তি বাংলাদেশকে নতুন করে অস্থিতিশীল অবস্থায় নিয়ে যেতে চাইছে।”

মন্ত্রী আরও বলেন, “দেশ যখন শান্তিতে আছে, মানুষের যখন অভাব-অনটন নেই, অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসার সব সুযোগ যখন মিলছে, এটা একটা শ্রেণির লোকদের ভালো লাগছে না। এরা হলো মুক্তিযুদ্ধের পরাজিত শক্তি। ওরা মারা যায়নি। ওদের প্রেতাত্মারা বেঁচে আছে। ওদের সন্তানরা এদেশে এখনও বেঁচে আছে। যারা মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশ পছন্দ করে না, শান্তির বাংলাদেশ পছন্দ করে না, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ পছন্দ করে না, অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ পছন্দ করে না।

তিনি বলেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বে উন্নয়নের যে অপ্রতিরোধ্য গতি এটা ওদের ভালো লাগছে না। এজন্য বেগম খালেদা জিয়া নিজ বাড়িতে থেকেও অকৃতজ্ঞের মতো মির্জা ফখরুল ও কয়েকজনকে দিয়ে দেশের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা করছেন।”

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, “এ সময়ে একজন মানুষও না খেয়ে নেই, বিবস্ত্র অবস্থায় নেই, টাকার অভাবে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যেতে পারে না- এমন অবস্থায় নেই। বাংলাদেশে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, চিকিৎসা ও শিক্ষায় অভাবনীয় উন্নতি হয়েছে। বর্তমানে ইলিশ অহরণে বাংলাদেশ পৃথিবীর সেরা অবস্থানে রয়েছে। মিঠা পানির মাছ উৎপাদনে তৃতীয় অবস্থান, স্বাদু পানির মাছ উৎপাদন বৃদ্ধিতে দ্বিতীয় অবস্থান এবং চাষের মাছ উৎপাদনে পঞ্চম অবস্থানে থেকে সারাবিশ্বে মাছ উৎপাদনে আমরা আমূল পরিবর্তন আনতে পেরেছি। এক্ষেত্রে মৎস্যজীবীদের বড় ভূমিকা রয়েছে।।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রী চান ভাতে-মাছে বাঙালি সংস্কৃতির মাছ যেন বিলুপ্ত হয়ে না যায়। মাছের সংকট যেন না হয়। মাছের মাধ্যমে মানুষের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা যেন মেটানো যায়। মাছ রফতানি করে যেন আমরা বৈদেশিক মুদ্রা অর্জন করতে পারি, মৎস্য চাষের মাধ্যমে যেন বেকারদের বেকারত্ব দূর করা যায়, তারা যেন উদ্যোক্তা হতে পারে। সে জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বড় বড় প্রকল্প গ্রহণ করেছেন। মৎস্য চাষ এখন গর্বের বিষয়। এটি এখন অর্থ-বিত্তের সুযোগ করে দিচ্ছে।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ আওয়ামী মৎস্যজীবী লীগের সভাপতি মো. সায়ীদুর রহমানের সভাপতিত্বে সংগঠনটির কার্যকরী সভাপতি সাইফুল ইসলাম মানিক, সাধারণ সম্পাদক লায়ন শেখ আজগর নস্করসহ ঢাকা মহানগর উত্তর-দক্ষিণ ও বিভিন্ন জেলা-উপজেলা ও মহানগর কমিটির নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩০, ২০২১ ৫:১২ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে দুর্বৃত্তের আগুনে গরু-ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

ফরিদপুরের সদর উপজেলার কানাইপুর ইউনিয়নের খাসকান্দি গ্রামে আতঙ্ক ছড়াতে গভীর রাতে সুকৌশলে বাড়ি-ঘরে আগুন লাগানোর অভিযোগ উঠেছে। আগুনে চা বিক্রেতা মো. বাচ্চু মিয়াজীর (৫০) নামক একজনের রান্নাঘরে আগুন লেগে উন্নত জাতের বিদেশি গাভী ও বাছুরসহ তিনটি ছাগল ও নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে।

সোমবার (৩০ মার্চ) দিবাগত রাতে এই ঘটনাটি ঘটে। বাচ্চু মিয়াজী খাসকান্দি গ্রামের মৃত জালাল উদ্দিন মিয়াজীর ছেলে।

বাচ্চু মিয়াজী জানান, মঙ্গলবার গভীর রাতে প্রতিবেশির ডাকে ঘুম থেকে উঠে দেখি গোয়াল ঘরে আগুন জ্বলছে। পরে প্রতিবেশীদের নিয়ে অনেক চেষ্টা করে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। কিন্তু এরই মধ্যে গরু, ছাগলসহ গোয়াল ঘর পুড়ে যায়। এ সময় খামারে থাকা পাঁচটি পশু আগুনে পুড়ে মারা যায়। এর মধ্যে দুটি বিদেশি গাভী ছিল।

এছাড়া গোয়ালঘরে নতুন চিরাইকৃত কাঠ বাঁশসহ সাংসারিক নিত্যপ্রয়োজনীয় সামগ্রী রাখা ছিল। সেগুলোও পুড়ে ছাই হয়েছে। ক্ষতির পরিমাণ সাড়ে চার লাখ টাকার বেশি বলে দাবি করেন তিনি।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, এটা দুর্বৃত্তায়ন। কারণ গরুর খামারে কোনও বৈদ্যুতিক সংযোগ ছিল না। এছাড়া অল্প কয়েকদিনের ব্যবধানে ইউনিয়নের বিভিন্ন গ্রামে একইভাবে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে জানান তারা।

কানাইপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকির মো. বেলায়েত হোসেন বলেন, সম্প্রতি আমরা দেখতে পাচ্ছি, ইউনিয়নের হোগলাকান্দী গ্রামে গত সপ্তাহে একরাতে চারটা বাড়িতে আগুন দেওয়া হয়েছে। গত রাতে খাসকান্দি গ্রামে যে ঘটনাটি ঘটেছে সেটি খুবই দুঃখজনক। সুকৌশলে বাড়িঘরে আগুন দিয়ে জনমনে আতঙ্ক ছড়িয়ে প্রশাসনকে প্রশ্নবিদ্ধ করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop