১:২৭ অপরাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
রামগতিতে ২৮ গরু-মহিষ লুটে নিয়ে গেল লাঠিয়াল বাহিনী
প্রাণিসম্পদ

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদী বেষ্টিত চর আবদুল্লাহ থেকে ২৮টি গরু, ছাগল, মহিষ লুটে নিয়েছে লাঠিয়াল বাহিনী। এসময় অন্তত ১০ বাড়িতে হামলা চালিয়ে স্বর্ণসহ দুই লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এখনও হুমকির মুখে রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

বুধবার (১০ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে (রামগতি অঞ্চল) মামলা করা হয়। মামলায় পার্শ্ববর্তী ভোলার তজমুদ্দিনের চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকরুল আলম জাহাঙ্গীরসহ ৪৬ জনকে আসামি করা হয়।

আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেসটিগেশন (পিবিআই) নোয়াখালীকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভোলার চাঁদপুরের ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল আলম জাহাঙ্গীরসহ আসামিরা দেশীয় অস্ত্রসহ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রামগতির চর আবদুল্লাহর দক্ষিণ মাথায় তেলির চরের জমি দখলে নিতে আসে। এসময় তাদের বাধা দিলে মহিউদ্দিন মাঝিসহ অন্তত ১০ বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে স্বর্ণসহ দুই লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়া হয়।

এছাড়া এসময় মারধর করা হয় গৃহবধূ নুরজাহান ও জোসনাকে। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন সংগঠিত হলে আসামিরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। যাওয়ার সময় তারা বিভিন্ন আকারের ২২টি গরু, চারটি মহিষ ও দুইটি খাসি নিয়ে যায়।

চর আবদুল্লাহর ইউনিয়ন পরিষদের তিনজন সদস্য জানান, রামগতির তেলির চর ও চর মুজাম পাশাপাশি অবস্থিত। তজমুদ্দিনের চাঁদপুরের ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর একটি লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করে দীর্ঘদিন ধরে ওই চরগুলো দখল করে ভোগ করছেন।

তারা আরও জানান, প্রায়ই এই লাঠিয়াল বাহিনী তেলিরচর এলাকা দখল করতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। ব্যর্থ হয়ে প্রত্যেকবারেই চরের বাসিন্দাদের ক্ষতি করে। বহিরাগত লাঠিয়াল বাহিনীর হুমকির মুখে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের।

মামলার বাদী চর আবদুল্লাহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) মো. টিপু বলেন, জাহাঙ্গীরসহ আসামিরা চরের জমি দখলে নিতে এসে আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ওপর হামলা করেছে। তারা গরু-মহিষ লুট ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে অন্তত ২৩ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। নদী বেষ্টিত হওয়ায় ওই লাঠিয়ালরা চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের অংশে প্রায়ই হামলা চালায়। তাদের ভয়ে কেউ মামলা করারও সাহস পান না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৯:২৮ পূর্বাহ্ন
কয়েলের আগুনে কৃষকের ৪ গরু ৬ ভেড়ার মৃত্যু, ১২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি!
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে কৃষকের দুটি বসত ঘরসহ গোয়াল ঘরে থাকা চারটি গরু ও ছয়টি ভেড়া পুড়ে মারা গেছে। এছাড়া আরো অগ্নিদগ্ধ হয়েছে আরও ১১টি গরু ও ১৪টি ভেড়া। এতে আনুমানিক ১২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের।মশার কয়েল থেকেই এমন অগ্নিদগ্ধের ঘটনা ঘটেছে জানা যায়।

বুধবার (১০ মার্চ) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের চর বাগুয়া হকের চর গ্রামের আব্দুস সালামের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহেবের আলগা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল বাতেন।

তিনি জানান, রাতে আব্দুস সালাম ও তার পরিবার গোয়াল ঘরে কয়েল লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ভোর ৪টার দিকে গোয়াল ঘরে আগুন দেখে পরিবারের লোকজন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে আসে। আগুন তাৎক্ষণিক চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে গোয়াল ঘরসহ পার্শ্ববর্তী আরও দুটি ঘর পুড়ে ছাই হয়।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আরও জানান, কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় স্থানীয়রা আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে কৃষক আব্দুস সালামের গোয়াল ঘরে থাকা চারটি গরু ও ছয়টি ভেড়া পুড়ে মারা যায়। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় আরও ১১টি গরু ও ১৪টি ভেড়া উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসবাবপত্রসহ তার দুটি ঘর আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে।

‘ঘটনাস্থলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুর-ই-জান্নাত রুমি জানান, অগ্নিদগ্ধ গরু ও ভেড়াগুলোকে চিকিৎসা দিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন থেকে যেসব সহায়তার ব্যবস্থা আছে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ওই পরিবারকে সেসব সহায়তা দেব বলে জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৯:০৩ পূর্বাহ্ন
ব্রাহমা জাতের গরু আমদানি ‍নিষিদ্ধের কারণ
প্রাণিসম্পদ

সম্প্রতি ঢাকার বিমানবন্দরে ত্রিশটির মতো আমদানি করা গরু বাজেয়াপ্ত করার পর জানা যাচ্ছে, আমদানি নিষিদ্ধ এই ব্রাহমা জাতের গরুগুলো মিথ্যা তথ্য দিয়ে আনা হচ্ছিল।

ব্রাহমা জাতের গরু বাংলাদেশে উৎপাদন ও পালন নিষিদ্ধ না হলেও ২০১৬ সালে এক নীতিমালা দিয়ে এই জাতটিকে আমদানি নিষিদ্ধের তালিকায় ঢোকানো হয়েছে।

ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে আটক করা ব্রাহমা গরুগুলিকে আনা হচ্ছিলো ফ্রিজিয়ান জাত বলে ঘোষণা দিয়ে।

আইন বহির্ভূতভাবে আমদানি করায় গরুগুলোকে বাজেয়াপ্ত করে সাভারের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। যদিও এই ব্রাহমা জাতের উৎপাদন বাড়ার কারণে বাংলাদেশে মাংসের উৎপাদন বেড়েছে এবং চাহিদা মেটানো সহজ হয়েছে।

এই জাতের গরু পালন সহজ ও লাভজনক, আর রোগ বালাইও অন্যান্য জাতের চেয়ে কম হওয়ায় স্থানীয় অনেক খামারি এই গরু আমদানি করতে চান।

ব্রাহমা জাতের গরুর পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য
এই মূহুর্তে বাংলাদেশে যেসব ব্রাহমা জাতের গরু রয়েছে তার প্রায় সবই কৃত্রিম পদ্ধতিতে প্রজনন করা গরু।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার বিবিসিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্রাহমা জাতের গরুর সিমেন বা বীজ বা শুক্রাণু এনে সরকার কয়েকটি জেলায় স্থানীয় খামারিদের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে এই জাতের গরু উৎপাদন শুরু করে।

বাংলাদেশে ২০০৮ সালে প্রথম প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ‘বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট’ নামে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রাহমা উৎপাদন কর্মসূচি শুরু করে। শুরুতে ১১টি উপজেলায় তিন বছরের জন্য এ কর্মসূচি চালু হলেও এখন প্রায় ৫০টির মত জেলায় চলছে এ কর্মসূচি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সরকার বলেছেন, ব্রাহমা গরু মূলত মাংসের জাত বলে পরিচিত। দুধের জন্য এই গরুর তেমন খ্যাতি নেই।

ব্রাহমা গরু দেখতে অনেকটাই দেশি গরুর মতো, কিন্তু আকৃতিতে বেশ বড় হয়। এই গরুর মাংসের স্বাদ দেশি গরুর মতো। এর গায়ে চর্বি কম হয়, যে কারণে পুষ্টিগুণ বেশি।

প্রাণী পুষ্টি ও জেনেটিক্স বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রাহমা গরুর আদি নিবাস ছিল ভারতে। কিন্তু বর্তমানে যেসব ব্রাহমা গরু বাংলাদেশ, ভারত কিংবা অস্ট্রেলিয়ায় দেখা যায় সেগুলো মূলত ব্রাহমার সিমেন বা শুক্রাণু দিয়ে কৃত্রিম পদ্ধতিতে জন্ম নেয়া শংকর জাতের গরু।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন, জেনেটিক্স অ্যান্ড ব্রিডিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আল-নূর মোহাম্মদ ইফতেখার রহমান বলেছেন, ব্রাহমা জাতের গরু নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে, যে কারণে এই জাতের গরুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত কথা বলা যায় না।

তবে সাধারণভাবে ব্রাহমা গরুর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণের মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দেয়া হয়—এর উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতা, দীর্ঘ জীবন এবং ক্রস-ব্রিডিংয়ে উচ্চফলন।

সাধারণত একটি পূর্ণবয়স্ক ব্রাহমা জাতের ষাঁড়ের ওজন ৮০০ কেজি থেকে ১০০০ কেজির বেশি হতে পারে, আর একটি পূর্ণবয়স্ক ব্রাহমা জাতের গরুর ওজন হবে ৫০০কেজি থেকে ১০০০ কেজি।

তীব্র গরমে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রায় ব্রাহমা গরু সুস্থ-স্বাভাবিক থাকতে পারে।

সাধারণত একটি ব্রাহমা গরু ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরো দীর্ঘ জীবন পাওয়ার নজির আছে।

এছাড়া উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল হবার কারণে ব্রাহমা জাতের গরুর রোগবালাই অনেক কম হয়।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মি. রহমান বলেছেন, মাংস বেশি হবার কারণে বাংলাদেশে দ্রুতই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই জাতের গরু।

কোরবানির সময় বাজারে অস্বাভাবিক দাম হাঁকানো গরুগুলো মূলত এই ব্রাহমা জাতেরই গরু।

বাংলাদেশের কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ব্রাহমা জাতের গরু নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। সেগুলোর ফলাফল জানা গেলে আগামী দিনে এ জাতের গরুর উৎপাদন দেশে আরো বাড়বে।

কেন নিষিদ্ধ করা হলো ব্রাহমা গরুর আমদানি?
বাংলাদেশে যত পশু কোরবানি হয়, এক সময় তার একটা বড় অংশ আসতো ভারত থেকে।

কিন্তু ২০১৪ সালে ভারতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে গরু আসা বন্ধে সীমান্তে কড়াকড়ি দেয়। যে কারণে এক পর্যায়ে দেশীয় পর্যায়ে মাংসের চাহিদা পূরণ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।

ব্রাহমা জাতের বাছুরও সাধারণ দেশি গরুর চেয়ে বেশি ওজনের হয়

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সরকার বলেছেন, সেসময় দেশীয় মাংসের চাহিদা পূরণে সরকার ব্যাপকভাবে ব্রাহমা গরু উৎপাদনের দিকে যায়।

তিনি বলেন, ব্রাহমা জাতের গরু পালন খামারিদের জন্য সহজ এবং লাভজনক হওয়ায়, আর রোগ বালাইও অন্যান্য জাতের গরুর চেয়ে কম হওয়ায় স্থানীয় খামারিদের কাছে এই গরু অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এই মূহুর্তে বাংলাদেশে গরুর মাংসের চাহিদা একটি বড় অংশ আসছে ব্রাহমা জাতের গরুর মাংস থেকেই।

কিন্তু ২০১৬ সালে সরকারের কৃত্রিম প্রজনন নীতিমালার অধীনে বেসরকারিভাবে এবং ব্যক্তি উদ্যোগে খামারিদের মাধ্যমে ব্রাহমা গরু আমদানি নিষিদ্ধ করে।

কারণ ব্যাখ্যা করে ডা. সরকার বলেছেন, এখন খামারিরা সরকারের কাছ থেকে সিমেন নিয়ে প্রজনন ঘটাচ্ছে, কিন্তু আমদানির অনুমতি পেলে খামারিরা ব্যাপক হারে এই গরু উৎপাদন করবে।

তিনি বলেন, “কিন্তু এই জাতের গাভী তার আকৃতি অনুযায়ী অনেক দুধ দেয় না। এখন খামারিরা যদি ব্যাপক হারে ব্রাহমা উৎপাদন করে তাহলে দেশে গরুর দুধের উৎপাদন একেবারেই কমে যাবে। মূলত সেই জন্যই বেসরকারি পর্যায়ে ব্রাহমা গরু আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”

সরকারের আশংকা ব্যাপক হারে ব্রাহমা গরু উৎপাদন হলে হোলস্টেইন জাতের বা ফ্রিজিয়ান জাতের গরুর উৎপাদনে আগ্রহ হারাবে খামারিরা। এই জাতের গরু দুধের উৎপাদনের জন্য খ্যাত।

বাংলাদেশে দুগ্ধ উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দেবার জন্যই মূলত নিষিদ্ধ করা হয়েছে ব্রাহমা জাতের গরুর আমদানি। বিবিসি বাংলা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১০, ২০২১ ৬:৪৭ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার (১০ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
কৃষি বিভাগ

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১০/০৩/২০২১ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.২০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
সাদা ডিম=৫.৪০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৪৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৬৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=৩০০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=৪৫-৫০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৮
লেয়ার সাদা=৪০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৪.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৩-৫৫
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬১
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
ব্রয়লার =৫৫
সোনালী হাইব্রিড =৩৫
সোনালী রেগুলার =৩০
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৮৫/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/১২২কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/৩০০কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪২
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৬
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৭০
সাদা ডিম=৫.৫০
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৯, ২০২১ ৭:৫৩ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার (০৯ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:০৯/০৩/২০২১ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.০০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
সাদা ডিম=৫.৪০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৬/কেজি
কালবার্ড লাল=১৫০/কেজি
কালবার্ড সাদা=১২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=৪৫-৫০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৪৩/১৪৭কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৮
লেয়ার সাদা=৪০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৪.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৩-৫৫
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২৪/১২৬কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫৫
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
ব্রয়লার =৫৫
সোনালী হাইব্রিড =৩৫
সোনালী রেগুলার =৩০
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৮০/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৪/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী =২৭০/২৮০কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৬
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৪/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৭০
সাদা ডিম=৫.৫০
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৯, ২০২১ ১০:২০ পূর্বাহ্ন
২৫টি হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে মুনাফা অর্ধলক্ষাধিক টাকা
কৃষি বিভাগ

আগের মতো কঠোর পরিশ্রম করতে পারছিলেন না। ছেলের লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিতে জমি বন্ধক রাখতে হয়েছিল, করতে হয়েছিল ধারদেনা। এখন সেসব অতীত। নিজের চেষ্টায় ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি, পেয়েছেন অর্থনৈতিক সচ্ছলতা। হয়েছেন সফল উদ্যোক্তা ও খামারি।

এই গল্পের যিনি নায়ক, তাঁর নাম সিরাজুল ইসলাম। বয়স ৭০ বছর ছুঁইছুঁই। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কশবা গ্রামে তাঁর বাড়ি। রোববার বেলা ১১টার দিকে গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ছেউটিয়া নদীর পাশে বসে কথা হচ্ছিল তাঁর সফলতা ও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে।

দুই বছর আগে মাত্র ২৫টি পাতিহাঁস লালন-পালন শুরু করেন সিরাজুল ইসলাম। তা থেকে এখন ৭০০ হাঁসের খামারে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ৩০০টি হাঁস ডিম পাড়ে। এসব ডিম পাইকারি দরে প্রতিটি ৭ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি করে নগদ টাকা পাচ্ছেন তিনি। দুই কর্মচারীর বেতন ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে তাঁর মাসিক মুনাফা এখন অর্ধলক্ষাধিক টাকা।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রথমে ২৫টি হাঁসের দল নিয়ে পাশের ছেউটিয়া নদীতে ছেড়ে দিয়ে আসেন। সারা দিন হাঁসগুলো নদীর শামুকসহ বিভিন্ন খাবার খেয়ে কাটিয়ে দেয়। দিনে দিনে হাঁসের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিছুদিন যাওয়ার পর নদীর দুই পাশে নেট জাল দিয়ে হাঁসগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে আটকানোর ব্যবস্থা করেন। সন্ধ্যা হলেই হাঁসগুলো তুলে এনে খামারে ঢোকানো হয়। একসঙ্গে ২৫০ থেকে ৩০০টি ডিম দিতে থাকে। এসব ডিম অনেকে বাড়ি থেকে নগদ টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যান।

রোববার সিরাজুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, ছেউটিয়ার বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে ভেসে বেড়াচ্ছে হাঁসের দল। হাঁস দেখাশোনার জন্য আছেন দুই কর্মচারী। পানিতে ডিঙি ভাসিয়ে হাঁসের দলগুলোর নজরদারি করছেন তাঁরা।

ডিম দেওয়ার পর থেকেই লাভের টাকা দিয়ে খামারে নতুন হাঁস কেনা হয় বলে জানালেন খামারি সিরাজুল। বলেন, কিছু ডিম রাখা হয় বাচ্চা ফোটানোর জন্য। এতে হাঁসের সংখ্যার পাশাপাশি আয়ও বাড়তে থাকে। বর্তমানে ৭০০ হাঁস আছে খামারে। গত শীতে হাঁসের ডিমের চাহিদা ও দামও বেশি ছিল। বর্তমানে কর্মচারীসহ সব খরচ বাদ দিয়ে মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়।

দুই কর্মচারী সন্ধ্যায় খামারে হাঁস নিয়ে ফেরার পর রাতে সিরাজুল নিজেই দেখাশোনা করেন। রোগবালাইয়ের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিষেধক ওষুধ মেশানো খাবার নিজেই তৈরি করেন। কোথাও থেকে প্রশিক্ষণ না নিলেও এই কাজগুলো শিখেছেন অন্যদের দেখাদেখি। সিরাজুল বলেন, ‘দিনের বেশির ভাগ সময় হাঁসের সঙ্গে কাটানোয় পরিবারের মতো হয়ে গেছে। এখন তাদের গতি-প্রকৃতি দেখেই বুঝতে পারি কখন কী করতে হবে।’

খামারের ডিম বিক্রি করে অর্জিত মুনাফা দিয়ে সিরাজুল ইসলামের বাড়ির চেহারাও পরিবর্তন হয়েছে। ভিটেমাটিতে তিনি একটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। ছেলের পড়াশোনা ও থাকা–খাওয়া বাবদ মাসিক টাকা মাস শেষ হওয়ার আগেই পাঠাতে পারেন। তিন মেয়ের জামাইদের ভালো করে দেখাশোনাও করতে পারেন। চার বিঘা কৃষিজমি বন্দক নিয়ে ইজারা দিয়েছেন। সড়কের পাশে একটি গুদামসহ জায়গা কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

গ্রামের বাসিন্দা হজরত আলী বলেন, মানুষের ইচ্ছাশক্তি মানুষকে অনেক দূরে নিয়ে যেতে পারে। এর উজ্জ্বল নিদর্শন সিরাজুল ইসলাম। বৃদ্ধ বয়সেও তিনি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশের প্রতিটি মানুষের এই ধরনের উদ্যম ও ইচ্ছাশক্তি থাকা দরকার।

কশবা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম স্বনির্ভরশীল একজন উদ্যমী মানুষ বলে জানান ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আখেরুজ্জামান। বলেন, বয়স কোনো বাধা হতে পারেনি। তাঁর এই দৃষ্টান্ত সমাজের সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে সক্ষম হবে।

সুত্রঃ প্রথম আলো
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৮, ২০২১ ৬:৫১ অপরাহ্ন
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্ভাবন ও সেবা সহজিকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উদ্ভাবনী কর্মপরিকল্পনা ২০২০-২১ এর অংশ হিসেবে উদ্ভাবন ও সেবা সহজিকরণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সোমবার (০৮ মার্চ) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে এ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়।

কর্মশালায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব ও চীফ ইনোভেশন কর্মকর্তা মোঃ তৌফিকুল আরিফের সঞ্চালনায়  মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ, মন্ত্রণালয়ের অতিলিক্ত সচিব শাহ্ মোঃ ইমদাদুল হক, শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ তথ্য দপ্তরের উপপরিচালক (যুগ্মসচিব) মোঃ শেফাউল করিম, মন্ত্রণালয়ের যুগ্মসচিব সুবোধ চন্দ্র ঢালী ও শাহীন মাহবুবাসহ মন্ত্রণালয়ের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মাকর্তাগণ এবং মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরসমূহের উদ্ভাবনী কার্যক্রম সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাবৃন্দ কর্মশালায় অংশগ্রহণ করেন।

কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব বলেন, “উদ্ভাবন ও সেবা সহজিকরণ বিষয়ে দপ্তর-সংস্থার উদ্যোগ বাস্তবে প্রয়োগ ঘটাতে হবে। সেবা প্রদানের ক্ষেত্রে নিজ নিজ দায়বদ্ধতার জায়গা থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাজ করতে হবে। একইসাথে মানুষ হিসেবে আমরা নিজের জন্য অন্যের কাছ থেকে যা কিছু প্রত্যাশা করি সে দৃষ্টিভঙ্গি নিয়ে সেবাপ্রার্থীদের সেবা দেয়া নিশ্চিত করতে হবে। পাশাপাশি উদ্ভাবনগুলো হতে হবে টেকসই যাতে সেগুলো জনকল্যাণে নিবেদন করা সম্ভব হয়।”

কর্মশালায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের সফল উদ্ভাবকগণ তাদের উদ্ভাবনী ধারণা বাস্তবায়নের অভিজ্ঞতা তুলে ধরেন ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৮:১২ অপরাহ্ন
বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। তাঁর ৭ মার্চের ভাষণই ছিলো স্বাধীনতা সংগ্রামের ঘোষণা বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

রোববার (০৭ মার্চ) ঐতিহাসিক ৭ মার্চ জাতীয় দিবস উদযাপন উপলক্ষে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর সচিবালয়ের নিজ দপ্তর থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

তিনি বলেন, বঙ্গবন্ধু সেদিন তার ভাষণে পরিষ্কারভাবে বলে দিয়েছেন, ‘আপনাদের যার যা আছে, তাই নিয়ে ঝাঁপিয়ে পড়ুন’। তার সেদিনের ভাষণকে বিশ্বের বিস্ময় বলা হয়। তিনি সেদিন নিজের জীবন বাজি রেখে পাকিস্তানের বিরুদ্ধে সংগ্রাম করেছেন। এমন নেতার জন্ম না হলে বাংলাদেশ স্বাধীন হতো না। কিছু কুচক্রী মহল তার ঘোষণাকে বিকৃত করতে চায়। কিন্তু বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণে স্বাধীনতা সংগ্রামের সব নির্দেশনা রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, ‘এবছর বঙ্গবন্ধুর ৭ মার্চের ভাষণের পঞ্চাশতম বছরে আমরা পদার্পণ করেছি। এ ভাষণ ইউনেস্কো বিশ্বের গুরুত্বপূর্ণ দলিল হিসেবে তালিকাভূক্ত করে সংরক্ষণ করেছে। জাতিসংঘের সকল দাফতরিক ভাষায় অনূদিত হয়ে সকলের কাছে পৌঁছে দেয়া হয়েছে এ ভাষণ। এ ভাষণ আজ শুধু বাঙালির মধ্যে সীমাবদ্ধ নেই। সারা বিশ্বে ছড়িয়ে পড়েছে।

তিনি আরও বলেন, বঙ্গবন্ধুর এ ভাষণ পৃথিবীর বিস্ময়কর ও কল্পনাতীত এমন একটি সৃষ্টি যে সৃষ্টির ভেতর অতীত, বর্তমান ও ভবিষ্যতের দিক-নির্দশনা নিহিত ছিলো। তাই এটি ইতিহাসের মহাকাব্য। এটি একটি দর্শন। যে কারণে এ ভাষণ বারবার গবেষণার দাবি রাখে।

শ ম রেজাউল করিম বলেন, ‘সম্প্রতি কমনওয়েলথ বিশ্বের যে তিন জন নারী নেতাকে করোনা পরিস্থতি মোকাবেলায় সাহসী সাফল্যের জন্য স্বীকৃতি দিয়েছে তার অন্যতম বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা। জাতিসংঘ বিশ্বখ্যাত নেতৃত্বের তালিকায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে বিবেচনা করে। বিশ্বখ্যাত ম্যাগাজিন বঙ্গবন্ধু কন্যাকে বিশ্বের অন্যতম সৎ ও পরিশ্রমী প্রধানমন্ত্রী বলছে। বঙ্গবন্ধুর প্রদর্শিত পথেই শেখ হাসিনা আমাদের এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন। এ কারণে আজ বাংলাদেশ বিশ্বের বিস্ময়। বাংলাদেশের সরকারপ্রধানকে বলা হয় উন্নয়নের জাদুকর।

জাতীয় ঐক্যের প্রশ্নে দল-মত নির্বিশেষে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও মুক্তিযুদ্ধের প্রতি শ্রদ্ধা রাখার জন্য মন্ত্রী সকলকে আহ্বান জানান। বিভ্রান্ত না হয়ে স্বাধীনতাবিরোধী ও প্রতিক্রিয়াশীলদের রাষ্ট্র ক্ষমতায় প্রতিষ্ঠিত না করারও অনুরোধ জানান তিনি।

জেলা প্রশাসন কার্যালয়ের হলরুমে জেলা প্রশাসক আবু আলী মোহাম্মাদ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য দেন জেলা অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা মো. আজাদ, জেলা আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক অ্যাডভোকেট হাকিম হাওলাদার। এছাড়া এ উপলক্ষে জেলার বিভিন্ন উপজেলায় আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওবায়দুর রহমান জানান, উপজেলার স্বাধীনতা মঞ্চে এ উপলক্ষে আলোচনা সভা ও শিক্ষার্থীদের নিয়ে প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৭, ২০২১ ৫:২৩ অপরাহ্ন
কয়েলের আগুনে দগ্ধ কৃষকের ৭টি গরু!
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহীতে বাগমারার কাচারীকোয়ালীপাড়া ইউনিয়নের মোহনপুর গ্রামে আগুনে কৃষকের সাতটি গরু আগুনে দগ্ধ হয়েছে। মারা গিয়েছে একটি।

শনিবার (৭ মার্চ) রাতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। হালিমা বিবি ৪৫ নামের এক নারীও আগুন নেভাতে গিয়ে হয়েছেন দগ্ধ।

স্থানীয় সূত্র জানায়, মোহনপুর গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম শনিবার গোয়ালঘরে দুইটি গরু রেখে দরজা বন্ধ করে নিজের ঘরে ঘুমিয়ে পড়েন। তার গোয়ালঘরের পাশাপাশি প্রতিবেশী হাবিবুর রহমান, ছবির উদ্দিন ও জালাল উদ্দিনেরও গোয়ালঘর রয়েছে। রাতের কোনো এক সময়ে নজরুল ইসলামের গোয়ালঘরে রাখা কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। সেখান থেকে আগুন পাশের হাবিবুর রহমান, ছবির উদ্দিন ও জালাল উদ্দিনের গোয়ালঘরে ছড়িয়ে পড়ে।

এসময় গোয়ালঘরে থাকা গরু ছোটাছুটি শুরু করে। মধ্যরাতে লোকজন টের পেয়ে আগুন নেভানোর চেষ্টা করে। ততক্ষণে পাশাপাশি থাকা চারটি গোয়ালঘর পুড়ে ভস্মিভূত হয়ে যায়। পরে দগ্ধ অবস্থায় সাতটি গরু উদ্ধার করা হয়। তবে কৃষক নজরুল ইসলামের একটি গরু জীবিত উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি। পরে মৃত অবস্থায় তার গরুটি উদ্ধার করা হয়।

স্থানীয় বাসিন্দা ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক আবদুল মান্নান বলেন, গোয়ালঘরগুলো পাশাপাশি হওয়ার কারণে সবগুলো গরুই পুড়ে গেছে। মশার জন্য জ্বালানো কয়েল থেকে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনকে বিষয়টি জানানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

ঘটনার বিষয়ে জানতে চাইলে বাগমারা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোস্তাক আহম্মেদ বলেন, ‘ঘটনাটি শুনেছি। এটি একটি দুর্ঘটনা, তাই কোনো মামলা হয়নি। তবে কেউ অভিযোগ করলে অবশ্যই বিষয়টি ক্ষতিয়ে দেখা হবে বলে জানান ওসি মোস্তাক আহম্মেদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৬, ২০২১ ৬:০৩ অপরাহ্ন
ঝালকাঠিতে গরুর ক্ষুরা রোগের সয়লাভ, দিশেহারা কৃষক
প্রাণিসম্পদ

হঠাৎ করে ব্যাপক হারে ঝালকাঠি জেলার চার উপজেলায় দেখা দিয়েছে গরুর ক্ষুরা রোগ। এই রোগে জেলার বিভিন্ন গ্রামের খামারে ও কৃষকের কয়েক হাজার গরু আক্রান্ত হয়েছে। মারাত্মক ঝুঁকিতে আছে বাছুর ও গর্ভবতী গাভী।

তবে এখন পর্যন্ত কোনো গরু মারা যায়নি বলে জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে। জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, সংক্রামক ভাইরাস ক্ষুরা রোগ থেকে প্রতিকার পেতে প্রতি ছয় মাস পর পর টিকা দেয়ার পরামর্শ দেয়া হয়। আক্রান্ত হলে স্বাভাবিক পদ্ধতিতে সুস্থ করার নির্দেশনা দেয়া হয় বলেও জানায় সূত্রটি।

কৃষক ও খামারীরা জানান, আক্রান্ত পশুর চিকিৎসা ব্যয় বেশি হওয়ায় আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে দিশেহারা হয়ে পড়ছেন তারা।

ঝালকাঠি সদর উপজেলা ভেটেরেনারি সার্জন (ভারপ্রাপ্ত প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা) ডা. মো. সরোয়ার হাসান বলেন,আবহাওয়াজনিত কারণে এই রোগ শুরু হয়েছে। আমরা আক্রান্ত পশুগুলোর চিকিৎসায় পরামর্শ সহায়তা দিচ্ছি। যেহেতু ক্ষুরা রোগ ভাইরাসের কারণে হয়ে থাকে। তাই এর তাৎক্ষণিক সুস্থ করার কোনো ব্যবস্থা নেই। এছাড়াও সুস্থ গরুগুলোকে ক্ষুরা রোগে প্রতিরোধের ভ্যাকসিন দেয়া হচ্ছে।

ডা. মো. সরোয়ার হাসান আরো জানান, ক্ষুরা রোগ অতি তীব্র প্রকৃতির সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগে আক্রান্ত পশুর মুখ ও পায়ে ঘা হবার ফলে খাদ্য গ্রহণ করতে পারে না এবং খুঁড়িয়ে হাটে। ক্ষুরা রোগ অত্যন্ত সংক্রামক হওয়ায় কোনো এলাকায় এ রোগ দেখা দিলে একশত ভাগ পশুই তাতে আক্রান্ত হয়। বাতাসের সাহায্যে এ ভাইরাস ৬০-৭০ কিলোমিটার দূরবর্তী এলাকায় ছড়িয়ে পড়তে পারে।

গ্রামাঞ্চলে অনেক সময় আক্রান্ত পশুকে দূর-দূরান্তের হাটবাজারে বিক্রির জন্য নেয়া হয়। তখন ভাইরাস বিভিন্ন এলাকায় ছড়িয়ে ক্ষুরা রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটায়। আক্রান্ত পশুর পরিচর্যাকারীর জামা-কাপড়, জুতা ইত্যাদির সাহায্যেও ভাইরাস বিভিন্ন জায়গায় ছড়িয়ে পড়ে।

ঝালকাঠি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাহেব আলী বলেন, গরুর তড়কা, বাদলা, গলাফুলা ও ক্ষুরা রোগ সংক্রামক ভাইরাসজনিত রোগ। এ ভাইরাস বাতাসের মাধ্যমে একপশু থেকে অন্য পশুতে ছড়িয়ে আক্রান্ত হয়ে থাকে। আমরা কৃষক ও খামারিদের সর্বাত্মক পরামর্শ ও সহযোগিতা দিচ্ছি।

ঝালকাঠিতে প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের চিকিৎসকসহ জনবল সংকট থাকায় গবাদি প্রাণীর চিকিৎসা ব্যবস্থা চলছে খুঁড়িয়ে খুঁড়িয়ে । দীর্ঘদিন ধরে এই প্রাণী সম্পদ অফিসের গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো শূন্য থাকায় চিকিৎসা সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে এই জেলার কয়েক হাজার হাঁস মুরগি ও গবাদিপশু।

৫৮টি পদের মধ্যে ২১টি পদই রয়েছে শূন্য। ৩৭জন কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে চলছে অফিসের কার্যক্রম। জেলার চার উপজেলায় প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রয়েছেন তিনজন, ভেটেরেনারি সার্জন পাঁচজনের স্থানে রয়েছে দুইজন। ঘাটতি থাকায় কর্মকর্তাদের বেগ পেতে হচ্ছে স্বাভাবিক কার্যক্রম পরিচালনায়।

প্রাণী সম্পদ অফিস সূত্রে জানা যায়, সরকারিভাবে এ জেলায় একটি জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদফতর, চার উপজেলায় চারটি প্রাণিসম্পদ অফিস, চারটি কৃত্রিম প্রজনন কেন্দ্র ও একটি ডাকরিয়ারিং সেন্টার আছে।

জানা যায়, প্রতিদিন গড়ে ১০০-১৫০ জন বিভিন্ন সেবা যেমন কৃত্রিম প্রজনন, ছাগলের ঠান্ডা কাশিসহ ভ্যাকসিন দিতে আসতো। বর্তমানে যথাযথ চিকিৎসা না পেয়ে গ্রামের হাতুড়ে ডাক্তারদের শরণাপন্ন হতে হচ্ছে খামারিদের।

অপরদিকে একসময় এই হাসপাতালটি হতে সপ্তাহে একদিন বিনা মূল্যে হাঁস-মুরগির ভ্যাকসিন দেয়া হতো। বর্তমানে সেটা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় সাধারণ মানুষ বিপাকে পড়েছে। কারণ বর্তমানে বাজারে হাজারের নিচে ২০-২৫টির হাঁস মুরগির কোনো ভ্যাকসিন পাওয়া যায় না।

এখানে অধিকাংশ পদ শূন্য থাকায় বিপুল জনগোষ্ঠির প্রাণিসম্পদ চিকিৎসায় তাদের হিমশিম খেতে হচ্ছে। জনবল সংকটের কথা জানিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে একাধিকবার লিখিতভাবে জানানো হলেও কোনো লাভ হয়নি বলে জানান জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাহেব আলী।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop