১১:১৭ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ৭:০২ অপরাহ্ন
নিরাপদ খাদ্য এবং পুষ্টিতে বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা অর্জনে অবদান রাখতে চাই – আলতাপ হোসেন বিশ্বাস
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ বিগত তিন দশকে খাদ্য নিরাপত্তা ও পুষ্টি পরিস্থিতির টেকসই উন্নতি সাধন করেছে। জনসংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ হওয়া সত্ত্বেও এই সময়ে খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধির হার জনসংখ্যা বৃদ্ধির হারের তুলনায় অনেক বেশি ছিল । পুষ্টি পরিস্থিতির উন্নতির ক্ষেত্রেও বাংলাদেশের বিশাল অগ্রগতি অর্জিত হয়েছে । সাম্প্রতিককালে খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তা অর্জনে দেশের প্রশংসনীয় অগ্রগতির পরিচয় বহন করে । বাংলাদেশের অর্থনীতি বাজারমুখী, এখানে খাদ্য উৎপাদক, প্রক্রিয়াজাতকরণ ও বিপণন বেসরকারি খাতের উপরে ন্যস্ত । তাই জাতীয় খাদ্য ও পুষ্টি নিরাপত্তায় সরকারি ও বেসরকারি খাতের অংশীদারিত্বের মাধ্যমে এগিয়ে যাচ্ছে আমাদের সোনার বাংলাদেশ ।

 

দেশে পোল্ট্রি, মৎস্য ও গবাদি প্রাণির খাদ্য তৈরির কাঁচামাল আমদানিকারকদের সহায়তাকারী এবং বিদেশী কোম্পানীর এজেন্ট বিটিসি লিঃ (BTC Limited, Feed Ingredients & Additives Division) । বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে অনেকটাই আকর্ষণীয়, ভিন্নধর্মী এবং চ্যালেঞ্জিং কার্যক্রম শুরু করেছে প্রতিষ্ঠানটি যার মূল কারিগর বিটিসি লিঃ এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও স্বনামধন্য ব্যবসায়ী জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস – যিনি  বাফিটার বর্তমানে সদস্য । এছাড়াও তিনি Bangladesh Indenting Agent Association এর প্রাক্তন ভাইস প্রেসিডেন্ট, Dutch-Bangla Chamber এর প্রাক্তন সেক্রেটারি জেনারেল, Canada Ges China- Bangla Chamber এর প্রাক্তন বোর্ড মেম্বার,  Lions Club International Gi Regional Chairman (HQ) হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন । তার প্রতিষ্ঠান বিটিসি লিমিটেড ঢাকা চেম্বারের দীর্ঘদিনের সদস্য ।

প্রতিষ্ঠানটির সামগ্রিক কার্যক্রম, দেশের খাদ্য ও পুষ্টি সরবরাহে ভূমিকা এবং ভবিষ্যৎ পরিকল্পনাসহ নানা  খু্ঁটিনাটি বিষয় নিয়ে বলেন এগ্রিভিউ২৪.কম এর সহকারী প্রকাশক তাজুল ইসলাম । সম্মানিত পাঠকদের উদ্দেশ্যে সাক্ষাৎকারের চুম্বক অংশ নিচে তুলে ধরা হলো-

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: পদার্থ বিজ্ঞানে পড়াশোনা করে বিজ্ঞানী না হয়ে কেন ব্যবসায়ী হওয়া ?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: ছোটবেলা থেকেই ব্যবসায়ের প্রতি একটা টান ছিল । পড়াশুনা করেছি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে পদার্থ বিজ্ঞানে, এরপর কমনওয়েলথ এমবিএ ডিগ্রী অর্জন করি । চাকরি দিয়ে ক্যারিয়ার শুরু করলেও ব্যবসার প্রতি দুর্বলতা কখনো কমে নি । নিজের সুপ্ত বাসনাই আজ আমাকে এখানে নিয়ে এসেছে ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: বিটিসি লিমিটেড কখন এবং কিভাবে যাত্রা শুরু করে ?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: শুরুতে ম্যানেজার হিসেবে চাকুরী করি একটি বিট্রিশ ইন্সপেকশন কোম্পানিতে এবং সেখান থেকেই মূলত আন্তর্জাতিক ব্যবসায় জ্ঞান অর্জন করি এবং পরবতীতে ২০০০ সালে নিজের কোম্পানি বিশ্বাস ট্রেড লিংক কর্পোরেশন লিঃ প্রতিষ্ঠা করি । বিটিসি লিমিটেড মূলত বিদেশী কোম্পানির বাংলাদেশ প্রতিনিধি (Supplier’s Agent) হিসেবে কাজ করে । ব্যবসার শুরুতে মালয়েশিয়ান কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে জাহাজে করে পাম ওয়েল বিক্রি শুরু করি। ২০০৬ সাল থেকে বাংলাদেশের কৃষি ক্ষেত্রে অবদান স্বরূপ বিদেশি কোম্পানির প্রতিনিধি হিসেবে ডিএপি, টিএসপি, সার জাহাজে করে আমদানিকারকের কাছে বিক্রি করি। ২০০৮-০৯ সালে চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জে অফিস খোলার মাধ্যমে খাদ্যশস্য, ডাল, ছোলা, ইত্যাদি বিক্রি শুরু করি।গত কয়েক বছর বাংলাদেশ বেসরকারি পর্যায়ে আফ্রিকা ও ইন্দোনেশিয়া থেকে কয়লা আমদানি শুরু হলে সে ক্ষেত্রেও বিটিসি লিঃ বিদেশী খ্যাতনামা কোম্পানির বাংলাদেশের প্রতিনিধি হিসেবে জাহাজে করে কয়লা বিক্রি শুরু করেছি । সরাসরি প্রাণিসম্পদ সেক্টরের সাথে কাজ করার খুব বেশি দিন হয়নি, তবে অনেক অনেক বছর সফলতার সাথে কাটাতে চাই এই সেক্টরে ।

এগ্রিভিউ২৪.কম: যেহেতু করোনার মাঝে যাত্রা শুরু, তাই এখন পর্যন্ত আপনাদের কার্যক্রম সম্পর্কে যদি বলতেন…

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: বিশ্বব্যাপী করোনা শুরু হলে বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্যও আমিষ জাতীয় খাদ্যের চাহিদা  বৃদ্ধি পেতে থাকে এবং আন্তর্জাতিক পর্যায়ে Feed Ingredients & Additives এর দাম বাড়তে থাকে, তার প্রভাব বাংলাদেশের Feed Industry Sector পড়তে শুরু করে। সরবরাহে সহযোগিতা করার লক্ষে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে তুলনা মূলক কমদামে ও ভাল পন্য বাংলাদেশের আমদানীকারদের জন্য ব্যবস্থা গ্রহনের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। বিটিসি লিঃ ভুট্টা,সয়াবীন সীড, সয়াবিন মেল, গম জাহাজে করে ৫০-৬০,০০০ টন বিদেশী খ্যাতনামা কোম্পানির এজেন্ট হিসেবে সরবরাহ করতে সক্ষম। তাছাড়া সয়াবিনসীড, রেপসীড, কটন সিডমেল, সাফ্লওয়ার সিডমেল, সরিষার মেল, গমের ভুষি, ডিডিজিএস, সিজিএম, ডিওআরবি, পোল্ট্রি মিল, ফিশ মিল, ফিশ ওয়েল, হুইট ব্রান, এমসিপি, ডিসিপি, লাইমস্টোন, সোডিয়াম বাই কার্বনেট, কোলিন ক্লোরাইড (৬০%), ও সকল এমাইনো এসিড  তুলনামূলক কমদামে সরবরাহ করতে সক্ষম হয়েছি। পণ্য সরবরাহে আমাদের সবসময় উদ্দেশ্য হচ্ছে ”Quality and Commitment First” । সেভাবেই কাজ করে যাচ্ছি ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: বর্তমানে বিটিসি লিঃ এর কয়টি ডিভিশন আছে ?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: বর্তমানে আমাদের ৪ টি ডিভিশন আছে – (01) BTC Feed Ingredients & Additives Division, (02) BTC Foodgrain & Oilseeds Division, (03) BTC Fertilizer & Phosphate Division,  এবং (04) BTC Steam Coal & LPG Division । এছাড়াও বিটিসি গ্রুপের রয়েছে আন্তর্জাতিক মানের ব্রান্ড স্যানিটারি ওয়্যার ও লাইটিং এর শো রুম ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: আপনার প্রতিষ্ঠানের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: গত দুই দশকে বাংলাদেশ দ্রুত অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন করেছে। আর এর মাধ্যমে অনেক মানুষ চরম দারিদ্র্যতা থেকে বের হয়ে এসেছে। তা সত্ত্বেও এ দেশের একটি বিশাল জনগোষ্ঠী এখনো উচ্চমাত্রার অপুষ্টি ও খাদ্য ঝুঁকিতে আছে। ১৬-১৭ কোটি মানুষের জন্য নিরাপদ খাদ্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা খুবই কঠিন কাজ । সবাইকে সাথে নিয়ে সামনের দিনগুলিতে নিরাপদ খাদ্য এবং পুষ্টিতে বাংলাদেশের স্বনির্ভরতা অর্জনে অবদান রাখতে চাই  ।

 

এগ্রিভিউ২৪.কম: আপনাকে ধন্যবাদ

জনাব আলতাপ হোসেন বিশ্বাস: আপনাকেও অসংখ্য ধন্যবাদ, ভালো থাকবেন ।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১২, ২০২১ ২:১২ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে যা খাওয়াবেন
প্রাণিসম্পদ

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:

শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান
গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা
আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৮:৫৭ অপরাহ্ন
খুলনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সাধ্যমত ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাস
কৃষি বিভাগ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, “শেখ হাসিনা বিস্ময়কর রাষ্ট্রনায়কের ভূমিকায় অবতীর্ণ হওয়ায় আমরা ভালো অবস্থায় আছি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রতিদিন জাতিকে জাগ্রত করে রাখেন। বাংলাদেশের বৈপ্লবিক পরিবর্তন এখন বিশ্বের বিস্ময়। তলাবিহীন ঝুড়ির তকমা লাগা বাংলাদেশ, দুর্নীতিতে তিনবার ধারাবাহিক চ্যাম্পিয়ন হওয়া বাংলাদেশ, প্রাকৃতিক দুর্যোগের দেশ নামে বহির্বিশ্বে পরিচিত বাংলাদেশ এখন উন্নয়নশীল বিশ্বে পদার্পন করেছে।”

বৃহস্পতিবার (১১ মার্চ) খুলনা প্রেসক্লাবের হুমায়ূন কবীর বালু মিলনায়তনে স্থানীয় সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

খুলনা প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক হাসান আহম্মেদ মোল্লার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় শুভেচ্ছা বক্তব্য রাখেন খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি এস এম জাহিদ হোসেন। এছাড়া খুলনা প্রেসক্লাবের বর্তমান ও প্রাক্তন নেতৃবৃন্দ সভায় বক্তব্য প্রদান করেন।

দেশের উন্নয়ন চিত্র তুলে ধরে এসময় মন্ত্রী বলেন, “দেশে আজ অন্নের অভাবে লঙ্গরখানা খুলতে হয় না। কাউকে বস্ত্রের অভাবে থাকতে হয় না। সরকার নয় লক্ষ গৃহহীন কে বাসস্থান দেয়ার পরিকল্পনা করেছে যার মধ্যে ৭০ হাজারকে বাসস্থান দেয়া হয়েছে। পৃথিবীর আর কোন দেশ গৃহহীনদের জন্য সরকারিভাবে বিনা পয়সায় শতভাগ গৃহ দেয়ার পরিকল্পনা করতে পারেনি। সেটা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার করছে। শিক্ষা ক্ষেত্রে শিক্ষার্থীদের বই প্রদানের পাশাপাশি উপবৃত্তি দেয়া হচ্ছে। পৃথিবীর প্রায় ১৩০টি দেশে কোভিড-১৯ এর ভ্যাকসিন পৌঁছেনি। অথচ বাংলাদেশের গ্রামেও ভ্যাকসিন পৌঁছে গেছে। আমাদের মাতৃমৃত্যু, শিশুমৃত্যুর হার কমেছে, মাথাপিছু আয় বেড়েছে এবং গড় আয়ু বেড়েছে। এভাবে আমাদের দেশটা অনেক এগিয়ে যাচ্ছে। সংবিধানে উল্লিখিত নাগরিকদের প্রতিটি মৌলিক অধিকার এখন নিশ্চিত হচ্ছে।”

বিচারহীনতার সংস্কৃতির প্রাসঙ্গিকতায় মন্ত্রী এ সময় বলেন, “১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতাকে নির্মমভাবে হত্যার পর একই বছরের ৩১ ডিসেম্বর জেলখানার গেট খুলে দিয়ে প্রায় ৩৭ হাজার যুদ্ধাপরাধীদের ছেড়ে দেয়া হয়েছিল। এদের কারো জেল হয়েছিল, কারো বিচার চলছিল। পরবর্তীতে এদেশে যুদ্ধাপরাধীদের রাজনীতিতে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে। জিয়াউর রহমান সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদ পরিবর্তন করে ধর্মভিত্তিক রাজনীতির সুযোগ করে দিয়েছিলেন। আর এভাবেই সাম্প্রদায়িক গোষ্ঠী বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছিল। ১৯৭৯ সালের ৯ এপ্রিল ইনডেমনিটি অর্ডিন্যান্সকে আইনে পরিণত করে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচার করা যাবে না এমন নিকৃষ্টতম আইন বাংলাদেশে তৎকালীন রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান করে গিয়েছিলেন। বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা রাষ্ট্র ক্ষমতায় এসে দৃঢ়চেতা মানসিকতা নিয়ে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের, জেল হত্যার, যুদ্ধাপরাধীদের, নারায়ণগঞ্জের সাত খুনের বিচারসহ বড় বড় হত্যাকাণ্ডের বিচার করেছেন। এমনকি ক্ষমতাসীন দলের নেতাকর্মীদের দুর্নীতির দায়ে কারাদণ্ড হয়েছে। শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন যিনি দুর্নীতি করবেন তার কোনো দলীয় পরিচয় নেই। দুর্নীতি করলে কেউ ছাড় পাবে না।”

দেশকে স্থিতিশীল রাখতে ও উন্নয়নের অগ্রযাত্রাকে অব্যাহত রাখতে সাংবাদিকদের ভূমিকা স্মরণ করিয়ে দিয়ে মন্ত্রী বলেন, “আপনারা উন্নয়নের কথা বলুন, মুক্তিযুদ্ধের চেতনার কথা বলুন। স্বাধীনতাবিরোধীদের সম্পর্কে জাতিকে জাগ্রত করে তুলুন। আর যারা যেনোতেনো উপায়ে দেশের স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে দেশে-বিদেশে ষড়যন্ত্র করে তাদের বিষয়ে মানুষকে সজাগ করে তুলুন। আমাদের মধ্যে কেউ দুর্নীতি করলেও সামনে নিয়ে আসুন।”

গণমাধ্যমকে রাষ্ট্রের চতুর্থ স্তম্ভ বলা হয় উল্লেখ করে মন্ত্রী আরো বলেন, “গণমাধ্যম এখন অনেক সজাগ ও সক্রিয়। যদিও গণমাধ্যমকর্মীদের অনেক ক্ষেত্রে জীবনের ঝুঁকি আছে। বিশেষ করে মফস্বল সাংবাদিকদের অনেক বেদনার অধ্যায় আছে। তারা সবসময় যেমন জীবনের নিরাপত্তা পান না তেমনি অনেক সময় আর্থিক সুবিধাও পান না। তবে অনেক ক্ষেত্রেই ভুঁইফোড় সাংবাদিকদের কারণে প্রকৃত সাংবাদিকদের বদনামের শিকার হন। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে।”

এসময় খুলনা প্রেসক্লাবের উন্নয়নে ভূমিকা রাখার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী। এ সময় সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে খুলনায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে সাধ্যমত সকল ব্যবস্থা গ্রহণের আশ্বাসও দেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ১:৫১ অপরাহ্ন
গরমে পোল্ট্রি খামারের যত্ন নিবেন কীভাবে
পোলট্রি

প্রাণিজ আমিষের বড় একটা অংশ আসে পোল্ট্রি শিল্প থেকে। প্রায় অর্ধকোটি মানুষের জীবন-জীবিকা এই শিল্পের সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত। তাই এ শিল্পের সুদৃঢ় ভবিষ্যৎ চিন্তা করে সময়োপযোগী পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। গরমকাল এ পোল্ট্রি খামারের বিশেষ যত্ন না নিলে কমে যেতে পারে ব্রয়লারের ওজন বৃদ্ধি এবং লেয়ার খামারের ডিম সংখ্যা। সে কারণেই নিচের টিপসসমূহ জেনে নিন-

তাপমাত্রা বৃদ্ধি ও এর প্রভাব

ঘর্মগ্রন্থি না থাকার কারণে মোরগ-মুরগির অতিরিক্ত গরম অসহ্য লাগে। এতে উৎপাদন ক্ষমতা ব্যাহত হয়। অতিরিক্ত তাপে এদের পানি গ্রহণ, শ্বাস-প্রশ্বাস, শরীরের তাপমাত্রা বৃদ্ধি পায়। অপরদিকে থাইরয়েড গ্রন্থির আকার, রক্তচাপ, নাড়ির স্পন্দন, রক্তে ক্যালসিয়ামের সমতা, খাদ্য গ্রহণ, শরীরের ওজন ও ডিমের উৎপাদন হ্রাস পায়। ১৫ থেকে ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রায় এদের উৎপাদন সর্বোচ্চ। ২৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে শতকরা ৪ ভাগ হারে পানি গ্রহণ বৃদ্ধি পায়। ২৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রার পর থেকে ডিমের সংখ্যা না কমলেও প্রতি ডিগ্রি তাপমাত্রা বৃদ্ধিতে ডিমের ওজন শতকরা এক ভাগ হারে কমে যায়। ২৬.৫ সেলসিয়াস ডিগ্রি তাপমাত্রার পর থেকে মোরগ-মুরগির খাদ্যের রূপান্তর ক্ষমতা হ্রাস পায়। ২৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস থেকে প্রতি ডিগ্রি তাপ বৃদ্ধিতে ২ থেকে ৪ শতাংশ খাবার গ্রহণ কমে যায়। ৩৬ থেকে ৩৮ ডিগ্রি সেলসিয়াস তাপমাত্রা মোরগ-মুরগির জন্য অসহনীয় এবং ৩৮ ডিগ্রির পর মৃত্যু হার খুব বৃদ্ধি পায়।

 

তাপজনিত ধকল প্রতিরোধ

খামারের আশেপাশে ছায়াযুক্ত বৃক্ষ রোপণ এবং ঘর পূর্ব-পশ্চিমে হওয়া বাঞ্ছনীয়। তবে আধুনিক খামার ব্যবস্থাপনায় বায়োসিকিউরিটির কথা চিন্তা করে গাছপালা রোপণের প্রতি অনুৎসাহিত করা হয়ে থাকে। গরমে পোল্ট্রি শেডে প্রত্যক্ষ সূর্যালোক পরা যাবে না। অত্যধিক গরম প্রতিরোধে প্রয়োজনে শেডের ছাদে বা টিনের চালায় দিনে দু’তিন বার পানি ছিটানোর ব্যবস্থা করতে হবে। টিনের নিচে চাটাই বা হার্ডবোর্ড দিয়ে সিলিংয়ের ব্যবস্থা করতে হবে। অনেক সময় মুরগি যখন হাঁ করে শ্বাস-প্রশ্বাস নেয় তখন ঘরে সেপ্র মেশিন দিয়ে কুয়াশার মত করে পানি ছিটিয়ে দেওয়া যেতে পারে। পানির ড্রিংকার ও ফিডারের সংখ্যা বাড়াতে হবে। ঘন ঘন ড্রিংকারের পানি পাল্টাতে হবে। গরমে বাতাসের আর্দ্রতা বেড়ে যাওয়ার কারণে শেডের মেঝে অনেক সময় স্যাঁতসেঁতে হয়ে লিটার দ্রুত ভিজে যায়। ফলে রোগের আক্রমণও বাড়ে। সেজন্য প্রতিদিন সকালে ব্রয়লার শেডের লিটার উলোট-পালোট করা প্রয়োজন। লিটারে গুঁড়ো চুন ব্যবহার করলে খুব ভালো ফল পাওয়া যায়। শেড থেকে শেডের দূরত্ব ৩০ ফুটের বেশি হলে ভালো হয়। শেডে মোরগ-মুরগির ঘনত্ব বেশি হলে তা কমিয়ে দিতে হবে। বাতাসের অবাধ চলাচল শেডের ভেতরের তাপমাত্রা শীতল রাখতে সাহায্য করবে এবং পোল্ট্রির জন্য ক্ষতিকর অ্যামোনিয়া গ্যাসমুক্ত রাখবে। শেডে স্টেন্ড ফ্যানের ব্যবস্থা করতে হবে।

খাবার ব্যবস্থাপনা

ঠান্ডা ও বিশুদ্ধ পানি সরবরাহ করতে হবে। যেহেতু তাপমাত্রা বৃদ্ধি পেলে এদের খাদ্য গ্রহণ কমে যায়, সেহেতু প্রয়োজনীয় পুষ্টির চাহিদা মেটাতে ৮ থেকে ১০ ভাগ শক্তি কমিয়ে প্রোটিন, খনিজ লবণ ও ভিটামিন বাড়িয়ে দিতে হবে। প্রতি লিটার পানিতে ১০-১২ গ্রাম গ্লুকোজ ও মুরগি প্রতি ১০ গ্রাম ভিটামিন সি পানির সঙ্গে মিশিয়ে দিলে ভালো ফল পাওয়া যায়। এছাড়া প্রাকৃতিক বিটেইনে ধনাত্মক ও ঋণাত্মক আছে যা কোষের মধ্যে পানি ধরে রাখতে সাহায্য করে। ফলে হিট স্ট্রোকের হাত থেকে এরা রক্ষা পায়। গরমে পোল্ট্রির অ্যামাইনো অ্যাসিডের চাহিদা বেড়ে যায়। বিটেইনে মিথাইল মূলক বিদ্যমান, যা মিথিওনিন ও কলিনের ঘাটতি পূরণে সহায়তা করে। গরমে প্রয়োজনে একদিনের বাচ্চার জন্য পানিতে আখের গুড়, ভিটামিন-সি অথবা ইলেকট্রোলাইট যুক্ত স্যালাইন পানি দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
রামগতিতে ২৮ গরু-মহিষ লুটে নিয়ে গেল লাঠিয়াল বাহিনী
প্রাণিসম্পদ

বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) সন্ধ্যায় লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার মেঘনা নদী বেষ্টিত চর আবদুল্লাহ থেকে ২৮টি গরু, ছাগল, মহিষ লুটে নিয়েছে লাঠিয়াল বাহিনী। এসময় অন্তত ১০ বাড়িতে হামলা চালিয়ে স্বর্ণসহ দুই লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়ার অভিযোগ উঠেছে। এই ঘটনায় এখনও হুমকির মুখে রয়েছেন ক্ষতিগ্রস্তরা।

বুধবার (১০ মার্চ) দুপুরে লক্ষ্মীপুর সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালতে (রামগতি অঞ্চল) মামলা করা হয়। মামলায় পার্শ্ববর্তী ভোলার তজমুদ্দিনের চাঁদপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফকরুল আলম জাহাঙ্গীরসহ ৪৬ জনকে আসামি করা হয়।

আদালতের বিচারক মামলাটি আমলে নিয়ে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেসটিগেশন (পিবিআই) নোয়াখালীকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, ভোলার চাঁদপুরের ইউপি চেয়ারম্যান ফকরুল আলম জাহাঙ্গীরসহ আসামিরা দেশীয় অস্ত্রসহ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় রামগতির চর আবদুল্লাহর দক্ষিণ মাথায় তেলির চরের জমি দখলে নিতে আসে। এসময় তাদের বাধা দিলে মহিউদ্দিন মাঝিসহ অন্তত ১০ বাড়িতে হামলা ও ভাঙচুর চালিয়ে স্বর্ণসহ দুই লাখ টাকার মালামাল লুটে নেয়া হয়।

এছাড়া এসময় মারধর করা হয় গৃহবধূ নুরজাহান ও জোসনাকে। একপর্যায়ে স্থানীয় লোকজন সংগঠিত হলে আসামিরা ফাঁকা গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টি করে। যাওয়ার সময় তারা বিভিন্ন আকারের ২২টি গরু, চারটি মহিষ ও দুইটি খাসি নিয়ে যায়।

চর আবদুল্লাহর ইউনিয়ন পরিষদের তিনজন সদস্য জানান, রামগতির তেলির চর ও চর মুজাম পাশাপাশি অবস্থিত। তজমুদ্দিনের চাঁদপুরের ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর একটি লাঠিয়াল বাহিনী গঠন করে দীর্ঘদিন ধরে ওই চরগুলো দখল করে ভোগ করছেন।

তারা আরও জানান, প্রায়ই এই লাঠিয়াল বাহিনী তেলিরচর এলাকা দখল করতে অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে হামলা চালায়। ব্যর্থ হয়ে প্রত্যেকবারেই চরের বাসিন্দাদের ক্ষতি করে। বহিরাগত লাঠিয়াল বাহিনীর হুমকির মুখে সবসময় আতঙ্কে থাকতে হয় তাদের।

মামলার বাদী চর আবদুল্লাহ ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য (মেম্বার) মো. টিপু বলেন, জাহাঙ্গীরসহ আসামিরা চরের জমি দখলে নিতে এসে আমার ওয়ার্ডের বাসিন্দাদের ওপর হামলা করেছে। তারা গরু-মহিষ লুট ও ঘরবাড়ি ভাঙচুর করে অন্তত ২৩ লাখ টাকার ক্ষতি করেছে। নদী বেষ্টিত হওয়ায় ওই লাঠিয়ালরা চর আবদুল্লাহ ইউনিয়নের অংশে প্রায়ই হামলা চালায়। তাদের ভয়ে কেউ মামলা করারও সাহস পান না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৯:২৮ পূর্বাহ্ন
কয়েলের আগুনে কৃষকের ৪ গরু ৬ ভেড়ার মৃত্যু, ১২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি!
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে কৃষকের দুটি বসত ঘরসহ গোয়াল ঘরে থাকা চারটি গরু ও ছয়টি ভেড়া পুড়ে মারা গেছে। এছাড়া আরো অগ্নিদগ্ধ হয়েছে আরও ১১টি গরু ও ১৪টি ভেড়া। এতে আনুমানিক ১২ লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের।মশার কয়েল থেকেই এমন অগ্নিদগ্ধের ঘটনা ঘটেছে জানা যায়।

বুধবার (১০ মার্চ) ভোর ৪টার দিকে উপজেলার সাহেবের আলগা ইউনিয়নের চর বাগুয়া হকের চর গ্রামের আব্দুস সালামের বাড়িতে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সাহেবের আলগা ইউনিয়নের সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান ও জেলা পরিষদ সদস্য আব্দুল বাতেন।

তিনি জানান, রাতে আব্দুস সালাম ও তার পরিবার গোয়াল ঘরে কয়েল লাগিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। পরে ভোর ৪টার দিকে গোয়াল ঘরে আগুন দেখে পরিবারের লোকজন চিৎকার শুরু করলে স্থানীয়রা ছুটে আসে। আগুন তাৎক্ষণিক চারিদিকে ছড়িয়ে পড়লে গোয়াল ঘরসহ পার্শ্ববর্তী আরও দুটি ঘর পুড়ে ছাই হয়।

সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান আরও জানান, কয়েক ঘণ্টার চেষ্টায় স্থানীয়রা আগুন নেভাতে সক্ষম হলেও ততক্ষণে কৃষক আব্দুস সালামের গোয়াল ঘরে থাকা চারটি গরু ও ছয়টি ভেড়া পুড়ে মারা যায়। অগ্নিদগ্ধ অবস্থায় আরও ১১টি গরু ও ১৪টি ভেড়া উদ্ধার করা হয়। এছাড়া আসবাবপত্রসহ তার দুটি ঘর আগুনে পুড়ে ভস্মীভূত হয়ে গেছে।

‘ঘটনাস্থলে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে পাঠিয়েছি বলে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) নুর-ই-জান্নাত রুমি জানান, অগ্নিদগ্ধ গরু ও ভেড়াগুলোকে চিকিৎসা দিয়েছেন। উপজেলা প্রশাসন থেকে যেসব সহায়তার ব্যবস্থা আছে আমরা ক্ষতিগ্রস্ত ওই পরিবারকে সেসব সহায়তা দেব বলে জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১১, ২০২১ ৯:০৩ পূর্বাহ্ন
ব্রাহমা জাতের গরু আমদানি ‍নিষিদ্ধের কারণ
প্রাণিসম্পদ

সম্প্রতি ঢাকার বিমানবন্দরে ত্রিশটির মতো আমদানি করা গরু বাজেয়াপ্ত করার পর জানা যাচ্ছে, আমদানি নিষিদ্ধ এই ব্রাহমা জাতের গরুগুলো মিথ্যা তথ্য দিয়ে আনা হচ্ছিল।

ব্রাহমা জাতের গরু বাংলাদেশে উৎপাদন ও পালন নিষিদ্ধ না হলেও ২০১৬ সালে এক নীতিমালা দিয়ে এই জাতটিকে আমদানি নিষিদ্ধের তালিকায় ঢোকানো হয়েছে।

ফলে ফেব্রুয়ারি মাসে ঢাকার শাহজালাল বিমানবন্দরে আটক করা ব্রাহমা গরুগুলিকে আনা হচ্ছিলো ফ্রিজিয়ান জাত বলে ঘোষণা দিয়ে।

আইন বহির্ভূতভাবে আমদানি করায় গরুগুলোকে বাজেয়াপ্ত করে সাভারের কেন্দ্রীয় গো-প্রজনন ও দুগ্ধ খামারে পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে। যদিও এই ব্রাহমা জাতের উৎপাদন বাড়ার কারণে বাংলাদেশে মাংসের উৎপাদন বেড়েছে এবং চাহিদা মেটানো সহজ হয়েছে।

এই জাতের গরু পালন সহজ ও লাভজনক, আর রোগ বালাইও অন্যান্য জাতের চেয়ে কম হওয়ায় স্থানীয় অনেক খামারি এই গরু আমদানি করতে চান।

ব্রাহমা জাতের গরুর পরিচয় ও বৈশিষ্ট্য
এই মূহুর্তে বাংলাদেশে যেসব ব্রাহমা জাতের গরু রয়েছে তার প্রায় সবই কৃত্রিম পদ্ধতিতে প্রজনন করা গরু।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কৃত্রিম প্রজনন বিভাগের উপ-পরিচালক ডা. ভবতোষ কান্তি সরকার বিবিসিকে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্র থেকে ব্রাহমা জাতের গরুর সিমেন বা বীজ বা শুক্রাণু এনে সরকার কয়েকটি জেলায় স্থানীয় খামারিদের মাধ্যমে কৃত্রিমভাবে এই জাতের গরু উৎপাদন শুরু করে।

বাংলাদেশে ২০০৮ সালে প্রথম প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর ‘বিফ ক্যাটল ডেভেলপমেন্ট’ নামে একটি প্রকল্পের মাধ্যমে পরীক্ষামূলকভাবে ব্রাহমা উৎপাদন কর্মসূচি শুরু করে। শুরুতে ১১টি উপজেলায় তিন বছরের জন্য এ কর্মসূচি চালু হলেও এখন প্রায় ৫০টির মত জেলায় চলছে এ কর্মসূচি।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সরকার বলেছেন, ব্রাহমা গরু মূলত মাংসের জাত বলে পরিচিত। দুধের জন্য এই গরুর তেমন খ্যাতি নেই।

ব্রাহমা গরু দেখতে অনেকটাই দেশি গরুর মতো, কিন্তু আকৃতিতে বেশ বড় হয়। এই গরুর মাংসের স্বাদ দেশি গরুর মতো। এর গায়ে চর্বি কম হয়, যে কারণে পুষ্টিগুণ বেশি।

প্রাণী পুষ্টি ও জেনেটিক্স বিশেষজ্ঞরা বলছেন, ব্রাহমা গরুর আদি নিবাস ছিল ভারতে। কিন্তু বর্তমানে যেসব ব্রাহমা গরু বাংলাদেশ, ভারত কিংবা অস্ট্রেলিয়ায় দেখা যায় সেগুলো মূলত ব্রাহমার সিমেন বা শুক্রাণু দিয়ে কৃত্রিম পদ্ধতিতে জন্ম নেয়া শংকর জাতের গরু।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যানিম্যাল নিউট্রিশন, জেনেটিক্স অ্যান্ড ব্রিডিং বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আল-নূর মোহাম্মদ ইফতেখার রহমান বলেছেন, ব্রাহমা জাতের গরু নিয়ে এখনো গবেষণা চলছে, যে কারণে এই জাতের গরুর বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে এখনো চূড়ান্ত কথা বলা যায় না।

তবে সাধারণভাবে ব্রাহমা গরুর জনপ্রিয়তার প্রধান কারণের মধ্যে তিনটি বৈশিষ্ট্যকে গুরুত্ব দেয়া হয়—এর উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীলতা, দীর্ঘ জীবন এবং ক্রস-ব্রিডিংয়ে উচ্চফলন।

সাধারণত একটি পূর্ণবয়স্ক ব্রাহমা জাতের ষাঁড়ের ওজন ৮০০ কেজি থেকে ১০০০ কেজির বেশি হতে পারে, আর একটি পূর্ণবয়স্ক ব্রাহমা জাতের গরুর ওজন হবে ৫০০কেজি থেকে ১০০০ কেজি।

তীব্র গরমে ৪০ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত তাপমাত্রায় ব্রাহমা গরু সুস্থ-স্বাভাবিক থাকতে পারে।

সাধারণত একটি ব্রাহমা গরু ১৫ থেকে ২০ বছর পর্যন্ত বাঁচে। তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে আরো দীর্ঘ জীবন পাওয়ার নজির আছে।

এছাড়া উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল হবার কারণে ব্রাহমা জাতের গরুর রোগবালাই অনেক কম হয়।

শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী অধ্যাপক মি. রহমান বলেছেন, মাংস বেশি হবার কারণে বাংলাদেশে দ্রুতই জনপ্রিয়তা পেয়েছে এই জাতের গরু।

কোরবানির সময় বাজারে অস্বাভাবিক দাম হাঁকানো গরুগুলো মূলত এই ব্রাহমা জাতেরই গরু।

বাংলাদেশের কয়েকটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন ব্রাহমা জাতের গরু নিয়ে গবেষণা করা হচ্ছে। সেগুলোর ফলাফল জানা গেলে আগামী দিনে এ জাতের গরুর উৎপাদন দেশে আরো বাড়বে।

কেন নিষিদ্ধ করা হলো ব্রাহমা গরুর আমদানি?
বাংলাদেশে যত পশু কোরবানি হয়, এক সময় তার একটা বড় অংশ আসতো ভারত থেকে।

কিন্তু ২০১৪ সালে ভারতে বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর বাংলাদেশে গরু আসা বন্ধে সীমান্তে কড়াকড়ি দেয়। যে কারণে এক পর্যায়ে দেশীয় পর্যায়ে মাংসের চাহিদা পূরণ নিয়ে সংশয় তৈরি হয়।

ব্রাহমা জাতের বাছুরও সাধারণ দেশি গরুর চেয়ে বেশি ওজনের হয়

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ডা. সরকার বলেছেন, সেসময় দেশীয় মাংসের চাহিদা পূরণে সরকার ব্যাপকভাবে ব্রাহমা গরু উৎপাদনের দিকে যায়।

তিনি বলেন, ব্রাহমা জাতের গরু পালন খামারিদের জন্য সহজ এবং লাভজনক হওয়ায়, আর রোগ বালাইও অন্যান্য জাতের গরুর চেয়ে কম হওয়ায় স্থানীয় খামারিদের কাছে এই গরু অল্প সময়েই জনপ্রিয় হয়ে ওঠে।

এই মূহুর্তে বাংলাদেশে গরুর মাংসের চাহিদা একটি বড় অংশ আসছে ব্রাহমা জাতের গরুর মাংস থেকেই।

কিন্তু ২০১৬ সালে সরকারের কৃত্রিম প্রজনন নীতিমালার অধীনে বেসরকারিভাবে এবং ব্যক্তি উদ্যোগে খামারিদের মাধ্যমে ব্রাহমা গরু আমদানি নিষিদ্ধ করে।

কারণ ব্যাখ্যা করে ডা. সরকার বলেছেন, এখন খামারিরা সরকারের কাছ থেকে সিমেন নিয়ে প্রজনন ঘটাচ্ছে, কিন্তু আমদানির অনুমতি পেলে খামারিরা ব্যাপক হারে এই গরু উৎপাদন করবে।

তিনি বলেন, “কিন্তু এই জাতের গাভী তার আকৃতি অনুযায়ী অনেক দুধ দেয় না। এখন খামারিরা যদি ব্যাপক হারে ব্রাহমা উৎপাদন করে তাহলে দেশে গরুর দুধের উৎপাদন একেবারেই কমে যাবে। মূলত সেই জন্যই বেসরকারি পর্যায়ে ব্রাহমা গরু আমদানি নিষিদ্ধ করা হয়েছে।”

সরকারের আশংকা ব্যাপক হারে ব্রাহমা গরু উৎপাদন হলে হোলস্টেইন জাতের বা ফ্রিজিয়ান জাতের গরুর উৎপাদনে আগ্রহ হারাবে খামারিরা। এই জাতের গরু দুধের উৎপাদনের জন্য খ্যাত।

বাংলাদেশে দুগ্ধ উৎপাদন খাতকে সুরক্ষা দেবার জন্যই মূলত নিষিদ্ধ করা হয়েছে ব্রাহমা জাতের গরুর আমদানি। বিবিসি বাংলা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১০, ২০২১ ৬:৪৭ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার (১০ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
কৃষি বিভাগ

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:১০/০৩/২০২১ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.২০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
সাদা ডিম=৫.৪০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৪৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৬৫/কেজি
কালবার্ড সাদা=১৩০/কেজি
সোনালী মুরগী=৩০০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=৪৫-৫০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৮
লেয়ার সাদা=৪০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৪.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৩-৫৫
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২২/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী=২৯০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪০
ব্রয়লার মুরগী=১৩২/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৬১
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
ব্রয়লার =৫৫
সোনালী হাইব্রিড =৩৫
সোনালী রেগুলার =৩০
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৮৫/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/১২২কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/৩০০কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৪২
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৬
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৫/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী =২৯০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৭০
সাদা ডিম=৫.৫০
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৯, ২০২১ ৭:৫৩ অপরাহ্ন
পোল্ট্রির ডিম, মুরগি ও বাচ্চার (০৯ মার্চ) সর্বশেষ পাইকারি দাম
পোলট্রি

পোল্ট্রি পণ্য (ডিম ও মুরগীর) আজকের পাইকারী মূল্য(টাকা) নিন্মরুপ:-
তারিখ:০৯/০৩/২০২১ ইং
★এখানে বর্ণিত পোল্ট্রি পণ্যের মূল্য মূলত : পোল্ট্রি খামারিদের প্রাপ্ত মূল্য।
ইউনাইটেড এগ(সেল পয়েন্ট)
লাল ডিম=৬.৮০
সাদা ডিম=৬.০০
ডাম্পিং মার্কেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
সাদা ডিম=৫.৪০
গাজীপুর:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
সাদা ডিম=৫.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৬/কেজি
কালবার্ড লাল=১৫০/কেজি
কালবার্ড সাদা=১২০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি
প্যারেন্টস=/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৬
লেয়ার সাদা=৪৫-৫০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
চট্টগ্রাম:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২০
ব্রয়লার মুরগী=১৪৩/১৪৭কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৭০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫-৩৮
লেয়ার সাদা=৪০
ব্রয়লার=৫৫-৫৬
রাজশাহী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৪.৯০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
সোনালী =/কেজি
খুলনা:-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩০
সাদা ডিম=৬.১০
বরিশাল:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬০/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৫
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৩-৫৫
ময়মনসিংহ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=১২৪/১২৬কেজি
সোনালী মুরগী=২৮০/কেজি
সিলেট=
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৩৫
ব্রয়লার মুরগী=১৩০/কেজি
কাজী(সিলেট) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫৫
রংপুর:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
কাজী(রংপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৩৮
ব্রয়লার =৫৫
সোনালী হাইব্রিড =৩৫
সোনালী রেগুলার =৩০
বগুড়া :
লাল(বাদামী)ডিম=৬.৩০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
সোনালী মুরগী =২৮০/কেজি
টাংগাইল :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯৫
ব্রয়লার মুরগী=১২৪/১২৫কেজি
সোনালী মুরগী =২৭০/২৮০কেজি
কিশোরগঞ্জ:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
নরসিংদী :-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৯০
সিরাজগঞ্জ :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১২৫/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=/কেজি
ফরিদপুর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.০৫
কাজী(ফরিদপুর) :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.২৫
ব্রয়লার মুরগী=১২০/কেজি
লেয়ার মুরগী=১৭৫/কেজি
সোনালী মুরগী=২৬৫/কেজি
পাবনা :-
লাল(বাদামী)ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
নোয়াখালী:-
লাল(বাদামী)ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৪০/কেজি
কালবার্ড লাল=১৮০/কেজি
সোনালী মুরগী=২৮৫/কেজি
বাচ্চার দর:-
লেয়ার লাল =৪২
লেয়ার সাদা =
ব্রয়লার=৫৬
পিরোজপুর (স্বরুপকাঠী:-
লাল(বাদামী) ডিম=৫.৮০
সাদা ডিম=৫.৬০
ব্রয়লার মুরগী =/কেজি
যশোর :-
লাল(বাদামী) ডিম=৬.৫০
ব্রয়লার মুরগী=/কেজি
সোনালী মুরগী =/কেজি
কুমিল্লা:-
লাল (বাদামী) ডিম=৬.০০
ব্রয়লার মুরগী=১৩৪/ কেজি
কালবার্ড লাল=১৭০/কেজি
সোনালী মুরগী =৩০০/কেজি
কক্সবাজার :-
লাল (বাদামী) ডিম=৫.৭০
সাদা ডিম=৫.৫০
একটি যৌথ উদ্যোগ: বাংলাদেশ পোল্ট্রি খামার রক্ষা জাতীয় পরিষদ (বি.পি.কে.আর.জে.পি) এবং পোল্ট্রি প্রফেশনাল’স বাংলাদেশ(পিপিবি)।
ধন্যবাদান্তে
মো:শিমুল হক রানা
যোগাযোগ:০১৮৫৫৯৪৪২৭০
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৯, ২০২১ ১০:২০ পূর্বাহ্ন
২৫টি হাঁস দিয়ে শুরু, এখন মাসে মুনাফা অর্ধলক্ষাধিক টাকা
কৃষি বিভাগ

আগের মতো কঠোর পরিশ্রম করতে পারছিলেন না। ছেলের লেখাপড়ার খরচ ও সংসার চালাতে হিমশিম খাচ্ছিলেন। তিন মেয়ের বিয়ে দিতে জমি বন্ধক রাখতে হয়েছিল, করতে হয়েছিল ধারদেনা। এখন সেসব অতীত। নিজের চেষ্টায় ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি, পেয়েছেন অর্থনৈতিক সচ্ছলতা। হয়েছেন সফল উদ্যোক্তা ও খামারি।

এই গল্পের যিনি নায়ক, তাঁর নাম সিরাজুল ইসলাম। বয়স ৭০ বছর ছুঁইছুঁই। মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার কশবা গ্রামে তাঁর বাড়ি। রোববার বেলা ১১টার দিকে গ্রামের ওপর দিয়ে বয়ে যাওয়া ছেউটিয়া নদীর পাশে বসে কথা হচ্ছিল তাঁর সফলতা ও ঘুরে দাঁড়ানোর গল্প নিয়ে।

দুই বছর আগে মাত্র ২৫টি পাতিহাঁস লালন-পালন শুরু করেন সিরাজুল ইসলাম। তা থেকে এখন ৭০০ হাঁসের খামারে পরিণত হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিদিন গড়ে ৩০০টি হাঁস ডিম পাড়ে। এসব ডিম পাইকারি দরে প্রতিটি ৭ থেকে ৮ টাকায় বিক্রি করে নগদ টাকা পাচ্ছেন তিনি। দুই কর্মচারীর বেতন ও অন্যান্য খরচ বাদ দিয়ে তাঁর মাসিক মুনাফা এখন অর্ধলক্ষাধিক টাকা।

সিরাজুল ইসলাম বলেন, প্রথমে ২৫টি হাঁসের দল নিয়ে পাশের ছেউটিয়া নদীতে ছেড়ে দিয়ে আসেন। সারা দিন হাঁসগুলো নদীর শামুকসহ বিভিন্ন খাবার খেয়ে কাটিয়ে দেয়। দিনে দিনে হাঁসের সংখ্যা বাড়তে থাকে। কিছুদিন যাওয়ার পর নদীর দুই পাশে নেট জাল দিয়ে হাঁসগুলো একটি নির্দিষ্ট স্থানে আটকানোর ব্যবস্থা করেন। সন্ধ্যা হলেই হাঁসগুলো তুলে এনে খামারে ঢোকানো হয়। একসঙ্গে ২৫০ থেকে ৩০০টি ডিম দিতে থাকে। এসব ডিম অনেকে বাড়ি থেকে নগদ টাকা দিয়ে কিনে নিয়ে যান।

রোববার সিরাজুলের খামারে গিয়ে দেখা যায়, ছেউটিয়ার বিস্তীর্ণ জলাভূমিতে ভেসে বেড়াচ্ছে হাঁসের দল। হাঁস দেখাশোনার জন্য আছেন দুই কর্মচারী। পানিতে ডিঙি ভাসিয়ে হাঁসের দলগুলোর নজরদারি করছেন তাঁরা।

ডিম দেওয়ার পর থেকেই লাভের টাকা দিয়ে খামারে নতুন হাঁস কেনা হয় বলে জানালেন খামারি সিরাজুল। বলেন, কিছু ডিম রাখা হয় বাচ্চা ফোটানোর জন্য। এতে হাঁসের সংখ্যার পাশাপাশি আয়ও বাড়তে থাকে। বর্তমানে ৭০০ হাঁস আছে খামারে। গত শীতে হাঁসের ডিমের চাহিদা ও দামও বেশি ছিল। বর্তমানে কর্মচারীসহ সব খরচ বাদ দিয়ে মাসে প্রায় ৬০ হাজার টাকা লাভ হয়।

দুই কর্মচারী সন্ধ্যায় খামারে হাঁস নিয়ে ফেরার পর রাতে সিরাজুল নিজেই দেখাশোনা করেন। রোগবালাইয়ের হাত থেকে বাঁচাতে প্রতিষেধক ওষুধ মেশানো খাবার নিজেই তৈরি করেন। কোথাও থেকে প্রশিক্ষণ না নিলেও এই কাজগুলো শিখেছেন অন্যদের দেখাদেখি। সিরাজুল বলেন, ‘দিনের বেশির ভাগ সময় হাঁসের সঙ্গে কাটানোয় পরিবারের মতো হয়ে গেছে। এখন তাদের গতি-প্রকৃতি দেখেই বুঝতে পারি কখন কী করতে হবে।’

খামারের ডিম বিক্রি করে অর্জিত মুনাফা দিয়ে সিরাজুল ইসলামের বাড়ির চেহারাও পরিবর্তন হয়েছে। ভিটেমাটিতে তিনি একটি পাকা বাড়ি নির্মাণ করেছেন। ছেলের পড়াশোনা ও থাকা–খাওয়া বাবদ মাসিক টাকা মাস শেষ হওয়ার আগেই পাঠাতে পারেন। তিন মেয়ের জামাইদের ভালো করে দেখাশোনাও করতে পারেন। চার বিঘা কৃষিজমি বন্দক নিয়ে ইজারা দিয়েছেন। সড়কের পাশে একটি গুদামসহ জায়গা কেনার পরিকল্পনা করছেন তিনি।

গ্রামের বাসিন্দা হজরত আলী বলেন, মানুষের ইচ্ছাশক্তি মানুষকে অনেক দূরে নিয়ে যেতে পারে। এর উজ্জ্বল নিদর্শন সিরাজুল ইসলাম। বৃদ্ধ বয়সেও তিনি অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হয়েছেন। দেশের প্রতিটি মানুষের এই ধরনের উদ্যম ও ইচ্ছাশক্তি থাকা দরকার।

কশবা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম স্বনির্ভরশীল একজন উদ্যমী মানুষ বলে জানান ধানখোলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আখেরুজ্জামান। বলেন, বয়স কোনো বাধা হতে পারেনি। তাঁর এই দৃষ্টান্ত সমাজের সবার দৃষ্টিভঙ্গি বদলাতে সক্ষম হবে।

সুত্রঃ প্রথম আলো
শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop