৫:৫২ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২১ ৩:৫৯ অপরাহ্ন
দু‘জোড়া কবুতর দিয়ে এখন ২২০ জোড়া কবুতরের মালিক তিনি!
প্রাণিসম্পদ

মাঝেমধ্যে সব কটি খোপ খুলে দিলে আকাশে উড়াল দেয় ৪৪০টি কবুতর। মাথার ওপর চক্কর দেয়, ডিগবাজি খায়। এ দৃশ্য দেখে তাঁর প্রাণ ভরে যায় ইব্রাহীমের। এই কবুতরপ্রেমীর বাড়ি টাঙ্গাইলের ভূঞাপুর উপজেলার গোবিন্দাসী ইউনিয়নের ভালকুটিয়া গ্রামে। তিনি শমসের ফকির ডিগ্রি কলেজের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের প্রভাষক।

প্রায় ২৬ বছর আগে কবুতর পালন শুরু করেন ইব্রাহীম। তখন ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্র। নানার কাছ থেকে টাকা নিয়ে হাট থেকে চার জোড়া কবুতর কিনেছিলেন। আস্তে আস্তে কবুতরের সংখ্যা বাড়ে। কিন্তু পরে শিয়াল ও গুইসাপের আক্রমণে তাঁর স্বপ্ন ভেঙে যায়। তবে ২০১৪ সালে নতুন করে নিজের বাড়ির পাশে খোলা জায়গায় ঢেউটিনের ছাউনি দিয়ে শুরু করেন খামার। মাত্র দুই জোড়া কবুতরে যাত্রা শুরু। এখন তাঁর আছে ২২০ জোড়া কবুতর।

ইব্রাহীম জানান, ‘ছোটবেলা থেকেই কবুতর পোষার স্বপ্ন ছিল। উড়ন্ত কবুতর দেখতে আমার খুব ভালো লাগত। তাই প্রাণিবিদ্যায় পড়াশোনা করেছি; যাতে সঠিকভাবে পশুপাখি লালন-পালন করতে পারি। পড়াশোনা শেষ করে এই খামার গড়ে তুলেছি। কোনো কারণে কবুতর মারা গেলে চোখে পানি এসে যায়। মনে হয় যেন আমার একজন সন্তান দুনিয়া থেকে বিদায় নিয়েছে। আমি কখনো খামার থেকে ডিম বা কবুতর নিই না। ওরা ওদের মতো ভালো থাকুক, সুস্থ থাকুক এটাই আমার প্রত্যাশা।’

শুরুতে দুই হাজার টাকা বিনিয়োগ করলেও, এখন তাঁর খামারের মূলধনের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে সাত থেকে আট লাখ টাকা। ইব্রাহীমের মতে, কেউ চাইলে বাণিজ্যিকভাবে কবুতরের খামার করে মাসে ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা আয় করতে পারেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২১ ৮:৪৯ অপরাহ্ন
দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে ইলিশের স্বাদ পৌঁছে দিতে চাই: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধির মাধ্যমে দেশের প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষের কাছে ইলিশের স্বাদ পৌঁছে দিতে চান বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (২৪ অক্টোবর) রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান ২০২১ বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মূল্যায়ন এবং ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী কথা জানান।

এ সময় তিনি বলেন “আমাদের সবচেয়ে সুস্বাদু ও ভালো মাছ হচ্ছে ইলিশ। ইলিশ মাছ সংরক্ষণ, উৎপাদন বৃদ্ধি, এর নিরাপদ আশ্রয় ও নিরাপদ প্রজননের জন্য সরকার নানা কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। মা ইলিশ রক্ষা, ইলিশের অভয়াশ্রম সৃষ্টি করা, ইলিশ গবেষণা, জাটকা সংরক্ষণসহ বিভিন্ন ভাবে আমরা কাজ করছি। ইলিশের পরিসর বৃদ্ধির জন্য রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে সকল প্রকার আগ্রহ রয়েছে, পরিকল্পনা রয়েছে। এ পরিকল্পনা বাস্তবায়নে স্থানীয় প্রশাসন, আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরের কর্মকর্তারা সকলে মিলে ভূমিকা পালন করতে হবে”।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “সম্মিলিত প্রচেষ্টায় অন্যান্য বছরের চেয়ে এবার ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধি পেয়েছে। আমরা চাইব আগামীতে ইলিশ উৎপাদন আরো বৃদ্ধি পাবে। ইলিশের উৎপাদন এমন একটা জায়গায় আসুক যাতে গ্রাম-গঞ্জে, প্রত্যন্ত অঞ্চলের সব মানুষ সুস্বাদু ইলিশের স্বাদ নিতে পারেন। পরিপূর্ণতার সাথে পরিবার-পরিজন নিয়ে ইলিশ খেতে পারেন”।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “সারা বিশ্বে সবচেয়ে সুস্বাদু ও সর্বোচ্চ ইলিশ মাছ আহরণে আমাদের স্বত্বাধিকার রয়েছে। সে জন্য ইলিশ রক্ষার জন্য বিভিন্ন পর্যায়ে আমরা কর্মসূচি গ্রহণ করি। বাণিজ্যিক ভিত্তিতে ব্যাপকহারে যাতে ইলিশ রপ্তানি না হয় সে পদক্ষেপও আমরা নিয়েছি”।

“সাম্প্রতিক সময়ে কিছু প্রতিকূলতা লক্ষ্য করেছি। কিছু দুষ্ট লোক তাদের অসাধু পরিকল্পনা ও চিন্তা-চেতনা বাস্তবায়ন করার জন্য দরিদ্র-অসহায় জেলেদের নিষেধাজ্ঞার সময় নদীতে নামাচ্ছে। যারা নিষেধাজ্ঞার সময় মৎস্য আহরণে যায় তাদের বিশাল অংশ অন্যের দ্বারা ব্যবহৃত হয়”-যোগ করেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান শতভাগ সফল করতে নতুন নতুন সৃজনশীল কর্মপন্থা নির্ধারণ করতে হবে। জনসচেতনতা বৃদ্ধি করতে হবে। মৎস্যজীবী বিভিন্ন সংগঠনের ভূমিকা আরো বেশি কিভাবে রাখা যায়, সেজন্য নীতি নির্ধারণ করতে হবে। মা ইলিশ সংরক্ষণে এবারের অভিযানের সাফল্যের ধারাবাহিকতা রক্ষা করে আরো ভালোভাবে ভবিষ্যতে অভিযান পরিচালনা করতে হবে”।

মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানে এবছর যারা ভূমিকা রেখেছেন তাদের মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকে এ সময় ধন্যবাদ জানান মন্ত্রী।

মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, সুবোল বোস মনি, মোঃ তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলমসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং মৎস্য অধিদপ্তরের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় দেশের ৮ বিভাগের বিভাগীয় মৎস্য দপ্তরের উপপরিচালকগণ সংশ্লিষ্ট বিভাগের মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের কার্যক্রম তুলে ধরেন। কর্মশালায় জানানো হয় এ বছর মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযানের অংশ হিসেবে ৪ অক্টোবর থেকে ২৩ অক্টোবর পর্যন্ত ১ হাজার ৮৯২টি মোবাইল কোর্ট ও ১৫ হাজার ৩৮৮টি অভিযান পরিচালনা করা হয় এবং প্রায় ৮৮৪ লাখ মিটার অবৈধ জাল আটক করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২১ ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
মুরগি পালনে যা জানা থাকা জরুরী
পোলট্রি

বর্তমান সময়ে মুরগি পালন বেশ লাভজনক পেশা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। খামারে মুরগি পালনে বেশ কিছু ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হয়। মুরগি পালনে যে ব্যবস্থাগুলো অবশ্যই থাকতে হবে সেগুলো খামারিদের জেনে রাখতে হবে।

মুরগি পালনে যে ব্যবস্থাগুলো অবশ্যই জানা থাকতে হবে:
মুরগির খামারে প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানি সরবরাহের ব্যবস্থা থাকতে হবে। খামারে বিশুদ্ধ পানি না থাকলে মুরগিগুলো অসুস্থ হতে পারে। সেজন্য মুরগির খামারে লাভবান হওয়ার জন্য প্রয়োজনীয় বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা রাখতে হবে। মুরগির খামার অবশ্যই উঁচু স্থানে হতে হবে। তা না হলে বন্যার পানি উঠে খামারের মুরগি মারাও যেতে পারে। এছাড়াও খামার স্যাঁতস্যাঁতে কিংবা খামারে বিভিন্ন ধরণের রোগ দেখা দিতে পারে।

মুরগির খামারে পর্যাপ্ত পরিমাণে আলো ও বাতাস চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। খামারের চারদিকে খোলামেলা পরিবেশ হতে হবে। খামারে পর্যাপ্ত আলো ও বাতাসের ব্যবস্থা করতে না পারলে মুরগিতে বিভিন্ন রোগ-জীবাণু আক্রমণ হতে পারে। যা খামারের জন্য বেশ ক্ষতিকর। মুরগির খামার যে জায়গায় স্থাপন করতে হবে সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা থাকতে হবে। বিদ্যুতের ব্যবস্থা থাকলে খামারে মুরগি পালন সহজতর হবে এবং নানা জটিলতা কাটিয়ে ওঠা যায়।

মুরগির খামারে যাতায়াতের সুবিধা হয় এমন স্থানে খামার স্থাপন করতে হবে। এতে মুরগির খাদ্য পরিবহণ ও মুরগি বাজারজাত করা সুবিধাজনক হবে। এছাড়াও খামারে কোন সমস্যায় দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করা যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২১ ৫:৫৩ অপরাহ্ন
যারা বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

যারা বাংলাদেশকে সাম্প্রদায়িক রাষ্ট্রে পরিণত করতে চায় তাদের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শনিবার (২৩ অক্টোবর) ময়মনসিংহে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) মিলনায়তনে ইনস্টিটিউটের বার্ষিক গবেষণা পরিকল্পনা প্রণয়ন ২০২১-২২ শীর্ষক কর্মশালার সমাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় তিনি আরো বলেন, “বাংলাদেশ অসাম্প্রদায়িক রাষ্ট্র। এখানে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান প্রত্যেক নাগরিকের সাংবিধানিকভাবে সমঅধিকার রয়েছে। এই সমঅধিকারের রাম-রহিমের বাংলাদেশকে যারা বিভাজনের অপচেষ্টা করে, তারা জাতির শত্রু, রাষ্ট্রের শত্রু, মানবতার শত্রু। এ দেশের মানুষ কখনোই সাম্প্রদায়িকতা প্রশ্রয় দেয়নি। ১৯৭১ সালের স্বাধীনতা যুদ্ধকে ইসলামের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অভিহিত করে যারা আমাদের স্বাধীনতাকে ঠেকানোর চেষ্টা করেছিল, তারা ব্যর্থ হয়েছে। ১৯৭৫ সালে বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করে যারা আবার পূর্ব-পাকিস্তান কায়েম করতে চেয়েছিল, তারা ব্যর্থ হয়েছে। আবার নতুন করে যদি কেউ দেশের শান্তিপূর্ণ পরিবেশ আর উন্নয়নের অগ্রযাত্রা ব্যাহত করতে চায়, তাদেরকে সরকার কঠোর হাতে দমন করবে”।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “রাষ্ট্র গবেষণায় অনেক সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। বিএফআরআই সংশ্লিষ্টরা তাদের গবেষণার মাধ্যমে সর্বোচ্চ যোগ্যতার বিকাশ ঘটাতে হবে। গবেষণায় নতুন নতুন বিষয় ও তথ্য-উপাত্ত সংযোজন করতে হবে। আর শুধু গবেষণা করলেই হবে না, সে গবেষণার ক্ষেত্রকে সম্প্রসারণ করতে হবে। গবেষণালব্ধ সবকিছু ব্যবহারের ক্ষেত্র উন্মুক্ত করতে হবে”।

এ সময় বিএফআরআই-এর গবেষণার পরিসর ও কাজের গতি আরও ব্যাপক আকারে বাড়ানোর তাগিদ দেন মন্ত্রী।

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “গবেষণাকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশেষভাবে উৎসাহিত করতে চান, পৃষ্ঠপোষকতা দিতে চান, প্রণোদনা দিতে চান। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন গতানুগতিকতার মধ্য দিয়ে কোনো কিছু আবিষ্কার করা সম্ভব নয়। আবিষ্কার করতে হলে গবেষণা দরকার। গবেষণার জন্য যে তথ্য দরকার, লজিস্টিক সাপোর্ট দরকার, অবকাঠামো সাপোর্ট দরকার সবকিছুই সরকার প্রদান করবে”।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন দপ্তরের কর্মকর্তারা অধিকাংশই মেধাবী উল্লেখ করে মন্ত্রী রোগ করেন, “রাষ্ট্র বিভিন্ন সুযোগ-সুবিধা দিয়ে জাতির জন্য মেধাবী সন্তান তৈরি করে। তারাই গবেষক হয়ে বিভিন্ন আঙ্গিকে বিভিন্ন পর্যায়ে কাজ করছেন। সে মানুষগুলোকে দেশ ও জাতির জন্য অবদান রাখতে হবে। সে অবদান রাখতে হবে তাদের গবেষণার মাধ্যমে”।

বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও এস এম ফেরদৌস আলমসহ অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, বিএফআরআই এর প্রাক্তন মহাপরিচালক ড. এম এ মজিদ, বিএফআরআই এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীগণ, স্থানীয় মৎস্য দপ্তরের কর্মকর্তাগণ এবং বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় উপস্থাপিত মোট ৬৫টি গবেষণা প্রস্তাবের মধ্যে তিনজন সেরা গবেষণা প্রস্তাব উপস্থাপনকারী বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তাকে সমাপন অনুষ্ঠানে পুরস্কৃত করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ৫:২১ অপরাহ্ন
মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের দেশের অ্যাম্বাসেডর হতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হওয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২২ অক্টোবর) চট্টগ্রামের মেরিন ফিশারিজ একাডেমি অডিটোরিয়ামে একাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ প্রয়াত ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের নামে একাডেমির অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “স্বাধীন বাংলাদেশের স্থপতি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের হাতে মেরিন ফিশারিজ একাডেমি প্রতিষ্ঠিত। এ একাডেমির কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ক্যাডেটদের মনে রাখতে হবে, স্বাধীন বাংলাদেশে এ ধরনের প্রতিষ্ঠান প্রথম বঙ্গবন্ধু তৈরি করেছেন। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলা গড়ে তোলার লক্ষ্যে এ প্রতিষ্ঠানের ক্যাডেটদের বাংলাদেশের অ্যাম্বাসেডর হিসেবে তৈরি হতে হবে। তাদের আচরণ, গুণগত মান, উৎকর্ষ, কর্তব্য, দায়িত্বশীলতা, সততা, সৃজনশীলতা দেশে ও দেশের বাইরে যেন বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উজ্জ্বল করে, সে লক্ষ্যে কাজ করতে হবে। বিদেশের একটা জাহাজে একজন ক্যাডেট যখন কাজ করবেন, তার আচরণ, প্রজ্ঞা, কর্মদক্ষতা দিয়ে পরিস্ফুট হবে যে, এই হচ্ছে বাংলাদেশ। ক্যাডেটদের প্রত্যেককে বাংলাদেশের একজন অ্যাম্বাসেডর হিসেবে কাজ করতে হবে। বাংলাদেশ সরকার এটা প্রত্যাশা করে”।

একাডেমির ক্যাডেটদের উদ্দেশে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, “দায়িত্বের প্রতি সবসময় পবিত্রতার সাথে মনোযোগী থাকবেন। দায়িত্বের কোন সীমারেখা টানবেন না। কাজের মধ্যে যেন নিষ্ঠা থাকে, ঐকান্তিক ইচ্ছা থাকে। দায়িত্বকে নিজের মধ্যে ধারণ করতে হবে। তা নাহলে নিজের মেধার বিকাশ ও উৎকর্ষ সাধন করা সম্ভব হবে না। আপনারা অধ্যাবসায়ী হবেন, যাতে জীবনে ব্যর্থতা গ্রাস করতে না পারে”।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির উন্নয়নে সম্প্রতি করোনায় আক্রান্ত হয়ে মৃত্যুবরণ করা একাডেমির প্রাক্তন অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদের অবদানের কথা এ সময় স্মরণ করেন মন্ত্রী।

মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অধ্যক্ষ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ওয়াসিম মকসুদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, যুগ্মসচিব ড. মো. মশিউর রহমানসহ মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ, চট্টগ্রামের বিভাগীয় ও জেলা মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের কর্মকর্তাগণ, চট্টগ্রামের কর্ণফুলী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শাহিনা সুলতানা, মেরিন ফিশারিজ একাডেমির কর্মকর্তাগণ এবং প্রাক্তন ও বর্তমান ক্যাডেটগণ অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে ‘ক্যাপ্টেন মাসুক হাসান আহমেদ অডিটোরিয়াম’ নামে মেরিন ফিশারিজ একাডেমির অডিটোরিয়ামের নামকরণের ফলক উন্মোচন এবং ফিতা কেটে নতুন নামকরণকৃত অডিটোরিয়ামের উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ১১:৪৩ পূর্বাহ্ন
মাংসের বাজারে মিলবে উটপাখিও!
পোলট্রি

গরু, খাসি ও মুরগির মাংসের মতো এবার বাজারে মিলবে উটপাখির মাংসও। এ বিষয়ে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে ঢাকার সাভারের বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআইএ)। প্রাণিবিজ্ঞানীরা বলছেন, গবেষণার মাধ্যমে বাণিজ্যিক খামারে উটপাখি পালনে সম্ভাবনাময় ও ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। এখন মাঠ পর্যায়ে উটপাখি পালন সম্প্রসারণের অপেক্ষা। ধর্মীয় দৃষ্টিকোণ থেকেও হালাল উটপাখির মাংস। এ কারণে আমিষের চাহিদা পূরণে এ পাখি পালন সারা দেশে ছড়িয়ে দিতে চান তারা।

ইনস্টিটিউটের কর্মকর্তারা জানান, বছরখানেক আগে দক্ষিণ আফ্রিকা থেকে কিছু উটপাখি আনে বিএলআরআইএ। পরে এখানে প্রাথমিকভাবে পালন শুরু হয়।

তারা বলছেন, উটপাখির অবাধ প্রজনন, ডিম ফোটানো থেকে শুরু করে খাবার, লালন-পালন এবং এর মাংসের গুণাগুণ নিয়ে সবই ইতিবাচক ফলাফল পাওয়া গেছে। পাখিগুলো দেশের বিভিন্ন খামারিদের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার চেষ্টা করছেন তারা।

বিএলআরআইয়ের এ প্রকল্প পরিচালক ও প্রধান বৈজ্ঞানিক ড. মো. সাজেদুল করিম সরকারজানান, এ পাখির মাংস বেশ সুস্বাদু। স্বাদ অনেকটা মুরগির মাংসের মতোই। তবে মুরগির মাংসের চেয়ে উটপাখির মাংসে কোলেস্টেরলের পরিমাণ অনেক কম। তাই এর মাংসের কদরও বেশ।এতদিন অনেকেই সৌন্দর্যবর্ধন ও শখে উটপাখি পালন করেছেন। তবে অনেকে জানতেনই না যে উটপাখির মাংস শতভাগ হালাল। এর লালন-পালন সহজলভ্য এবং এর মাংসকে জনপ্রিয় করার জন্য আমরা কাজ করছি। গুণাগুণ বিচারে উটপাখির মাংসের তুলনা হয় না।

পাখিদের মধ্যে সবচেয়ে বড় উটপাখি। তবে এরা উড়তে পারে না। এদের উচ্চতা হয় সাত থেকে আট ফুট পর্যন্ত। ওজন ১৫০ থেকে ১৮০ কেজি পর্যন্ত হতে পারে। উচ্চতার মতোই বড় উটপাখির ডিমও। একেকটি ডিমের গড় ওজন প্রায় দেড় কেজি।

বছরে একেকটি পাখি ডিম দেয় প্রায় ১০০টির মতো। মরুভূমির এ পাখি তৃণভোজী অর্থাৎ শুধু ঘাস ও লতাপাতা খেয়ে বেঁচে থাকে। ফলে চাষির পকেটের জন্যও হুমকি হবে না এ পাখি।

বিএলআরআইয়ের মহাপরিচালক ড. আব্দুল জলিল জানান, বাংলাদেশে উটপাখির মাংসের চাহিদা রয়েছে। একটা সময় মানুষ ব্রয়লার মুরগি খেতে চাইতো না। এখন ব্রয়লার মুরগি দিয়েই আমিষের চাহিদা পূরণ হচ্ছে। তেমনিভাবে অদূর ভবিষ্যতে দেশে আমিষের চাহিদা পূরণে বেশ ভূমিকা রাখবে উটপাখির মাংস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ১০:০৮ পূর্বাহ্ন
এক রাতে ৪ গরু চুরি, যা বললেন ওসি!
প্রাণিসম্পদ

মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলার গোয়ালবাড়ী ইউনিয়নের হালগরা এলাকা থেকে একরাতে তিন পরিবারের চারটি গরু চুরি হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২১ অক্টোবর) ভোরে এ ঘটনা ঘটে। চুরির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন গোয়ালবাড়িয়া ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমেদ লেমন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, এলাকার গফুর মিয়ার দুটি, মারুফ আহমেদের একটি ও নুনই মিয়ার একটি গরু চুরি হয়েছে।

চুরি হওয়া গরুর মালিক গফুর মিয়া বলেন, রাত ১০টার দিকে গোয়ালঘরে তালা দিয়ে ঘুমাতে যাই। সকালে উঠে দেখি গোয়ালঘর খোলা। আমার গরু নেই। পাশের বাড়ির মারুফ আহমেদের ক্ষেত্রেও একই ঘটনা ঘটেছে। উনারও একটি গাভি চুরি হয়।

স্থানীয়দের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সম্প্রতি গরু চোরদের উপদ্রব বেড়েছে। গোয়ালঘরে তালা দিয়েও গরু রক্ষা করা যাচ্ছে না। চুরি বেড়ে যাওয়ায় অনেকেই গরু-মহিষ পালন বাদ দিয়েছেন। বিষয়টি স্থানীয় চেয়ারম্যান ও পুলিশকে জানানো হয়েছে।

গোয়ালবাড়িয়া ইউপি চেয়ারম্যান শাহাব উদ্দিন আহমেদ লেমন বলেন, খবর পেয়ে আমি সকালে তাদের বাড়িতে গিয়েছি। যাদের নাম সন্দেহ তাদের নাম থানায় জানাতে বলেছি।আমরা আগেও অনেক চোর ধরেছি। তাদের থানায় দিয়েছি। তবে পরবর্তী সময়ে দেখা যায় তারা জামিনে বেরিয়ে এসে আবার গরু চুরি করছেন।

জুড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সঞ্জয় চক্রবর্তী বলেন, আমাদের কাছে এখনো কেউ এ বিষয়ে অভিযোগ করেনি। আমরা তৎপর রয়েছি। অনেকদিন পর চুরি হইছে। একটা গরু চুরি হইলে যদি এতো হুলুস্থুল শুরু হয়ে যায়! চুরি-ডাকাতি কোন জায়গায় হচ্ছে না?

অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (কুলাউড়া সার্কেল) সাদেক কাউসার দস্তগীর বলেন, গত কয়েক মাসে ২৬ চোরকে ধরে আমরা আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠিয়েছি। আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ২:২০ অপরাহ্ন
বোয়ালমারীতে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি এক সাথে’-এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে ফরিদপুরের বোয়ালমারীতে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের শুভ উদ্বোধন করা হয়েছে। এ উপলক্ষে উপজেলা পরিষদ হলরুমে মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) সাড়ে ১২টায় এক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা কৃষি অফিসার প্রীতম কুমার হোড়। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান সৈয়দ রাসেল রেজা।

এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা প্রকৌশলী মো. রফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. নারায়ন চন্দ্র সরকার, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার মো. শরিফুল ইসলাম, উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মৃণাল বিশ্বাস, উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা স্বপন কুমার বিশ্বাস প্রমুখ। উল্লেখ্য, এই জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৮, ২০২১ ৬:০৮ অপরাহ্ন
বিএলআরআই’তে শেখ রাসেল দিবস পালিত
প্রাণিসম্পদ

“শেখ রাসেলঃ দীপ্ত জয়োল্লাস, অদম্য আত্মবিশ্বাস” প্রতিপাদ্যকে ধারণ করে যথাযোগ্য মর্যাদার মধ্য দিয়ে বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএলআরআই)-এ পালিত হলো শেখ রাসেল দিবস। জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কনিষ্ঠ পুত্র এবং প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার কনিষ্ঠ ভ্রাতা শহীদ শেখ রাসেলের জন্মদিন উপলক্ষ্যে এবারই প্রথম জাতীয় দিবস হিসেবে দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে দিবসটি।
সকাল সাড়ে ৯.৩০ ঘটিকায় বিএলআরআই-এর প্রশাসনিক ভবনের সামনে অস্থায়ী বেদিতে স্থাপিত শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে দিবসটি উদযাপনের কার্যক্রম শুরু হয়। ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়ের নেতৃত্বে বিএলআরআই-এর সর্বস্তরের কর্মকর্তা ও কর্মচারীগণ এসময় শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।
এরপর সকাল ১০.০০ ঘটিকায় বিএলআরআই-এর চতুর্থ তলার সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত হয় আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল। অনুষ্ঠানটিতে সভাপতিত্ব ও সঞ্চালনা করেন ইনস্টিটিউটের অতিরিক্ত পরিচালক জনাব মোঃ আজহারুল আমিন।
প্রধান অতিথির বক্তব্যে মহাপরিচালক বলেন, শেখ রাসেলের মধ্যে ছোটবেলা থেকেই ছিলো নেতৃত্ব প্রদানের অসাধারণ গুণ। তিনি বেঁচে থাকলে তাঁর সেই গুণাবলী আরও বিকশিত হতো এবং দেশ একজন শক্তিশালী ও সমৃদ্ধ নেতা পেতাম। তিনি এসময় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর সাথে শেখ রাসেলের হৃদ্যতাপূর্ণ সম্পর্কের কথাও স্মরণ করেন। একই সাথে তিনি কর্মকর্তা-কর্মচারীগণকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বাঙালি হিসেবে সব সময় আমাদের সবাইকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ধারণ করতে হবে, যার যার জায়গা থেকে দেশের উন্নয়নের জন্য নিজ নিজ ভূমিকা সুষ্ঠুভাবে পালন করে যেতে হবে। নিজেদের মধ্যে সামষ্টিক ঐক্য ধরে রেখে আমাদের নেতিবাচক প্রতিযোগিতার প্রবণতা পরিহার করতে হবে। কেবলমাত্র অর্থনৈতিকভাবে নয়, মানবতার উন্নয়ন ঘটাতে হবে, মানবিকভাবে আমাদের উন্নত হতে হবে। তাহলেই জাতীয় প্রতিষ্ঠান হিসেবে বিএলআরআই নিরাপদ প্রাণিজ আমিষ পূরণে জাতির জন্য ভূমিকা রাখতে পারবে।
আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য রাখেন ইনস্টিটিউটের বিভিন্ন স্তরের কর্মচারী, কর্মকর্তা ও বিজ্ঞানীগণ। এসময় বক্তারা তাদের বক্তব্যে শেখ রাসেলের জীবনের নানা ঘটনাপ্রবাহ তুলে ধরার সাথে সাথে বর্তমান সময়ে শেখ রাসেল দিবস আয়োজনের গুরুত্ব নিয়ে আলোচনা করেন। শেখ রাসেলসহ জাতির পিতার পরিবারের সকল সদস্যকে হত্যার ঘটনা স্মরণ করে এসময় বক্তারা বঙ্গবন্ধুর আত্মস্বীকৃত খুনিদের বিচার নিশ্চিত করার পাশাপাশি প্রতিহিংসার ঘৃণ্য রাজনীতি পরিহার করার আহ্বান জানান। একই সাথে বক্তারা বঙ্গবন্ধু পরিবারের নিহত সকল সদস্যের আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন এবং জীবিত সদস্যদের দীর্ঘায়ু কামনা করেন। বক্তারা এসময় সকল শিশুর জন্য নিরাপদ ভবিষ্যত নিশ্চিত করার দাবি করেন এবং সকল সুবিধা বঞ্চিত শিশুর পুনর্বাসনের ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য দায়িত্বশীলদের অনুরোধ জানান।
আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে জাতির পিতার পরিবারের সকল সদস্যের এবং সকল শহীদের স্মরণে দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। দোয়া পাঠ করেন বিএলআরআই-এর কেন্দ্রীয় মসজিদের পেশ ইমাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৭, ২০২১ ৯:৪৯ অপরাহ্ন
রংপুরে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন উন্নয়নে প্রশিক্ষণ
প্রাণিসম্পদ

ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালন ও উন্নয়ন, উন্নত প্রযুক্তি এবং প্রাণিসম্পদ মাঠ স্কুল (এলএফএস) বাস্তবায়নে ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ রংপুর বুড়িরহাট হর্টিকালচার সেন্টারে উদ্বোধন করা হয়।

রোববার দুপুরে প্রাণি সম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এস এম ফেরদৌস আলম।

প্রাণি সম্পদ দপ্তর রংপুর বিভাগীয় পরিচালক ড. মোহাঃ ইসমাইল হকের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মোঃ শরিফুল হক, উপপরিচালক মোজাম্মেল হক, জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডাঃ মোঃ সেরাজুল হক, গঙ্গাচড়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার নুরুল আজিজ। উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে অতিরিক্ত সচিব গঙ্গাচড়া ইউনিয়নের নিলকচন্ডী গ্রামে বেঙ্গল জাতের ছাগলের প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

এছাড়া অতিরিক্ত সচিব গঙ্গাচড়া উপজেলার গজঘণ্টা ইউনিয়নের তালুকহাবু কুটিপাড়ায় ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল উন্নয়ন ও সম্প্রসারণ প্রকল্পের আয়োজনে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের বাস্তবায়নে সিজিএফ ও বাক কীপার খামারীদের মাঝে টিকাদান, কৃমিনাশক ক্যাম্পেইন ও উপকরণ বিতরণ কার্যক্রমের উদ্বোধন ও প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop