১১:৫৭ অপরাহ্ন

শনিবার, ৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৯, ২০২২ ১০:২০ পূর্বাহ্ন
কিশোরগঞ্জে মৎস্য খামারে বিষ প্রয়োগে আড়াই লাখ টাকার মাছ নিধন!
মৎস্য

কিশোরগঞ্জের হোসেনপুরে বিষ প্রয়োগে একটি মৎস্য খামারের আড়াই লাখ টাকার মাছ নিধনের অভিযোগ পাওয়া গেছে। পূর্ব শত্রুতার জের ধরে শনিবার রাতে ঘটনাটি ঘটে। 

অভিযোগে জানা যায়, জালার হোসেনপুর উপজেলার গোবিন্দপুর ইউনিয়নের দক্ষিণ মাধখলা গ্রামের মৃত হাসেন আলীর ছেলে মো. গোলাপ মিয়া নিজস্ব অর্থায়নে ৮ বছর যাবৎ ১ একর ১০ শতক জমিতে মৎস্য খামার তৈরি করে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ চাষ করে আসছেন। শনিবার রাতে দূর্বৃত্তরা পানিতে বিষ প্রয়োগ করে প্রায় ১১০০ কেজি মাছ নিধন করে।

রোববার সকালে মৎস্য খামারে শত শত মাছ পানির ওপর ভাসতে দেখে খামারের মালিক গোলাপ মিয়া কান্নায় ভেঙ্গে পড়েন। এতে আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।

এ ব্যাপারে প্রতিকার চেয়ে উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তার বরাবরে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন তিনি।

উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. নজরুল ইসলাম অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করেছেন। তিনি জানান, এ ঘটনায় প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২ ৫:৫০ অপরাহ্ন
শেকৃবি’তে মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ
ক্যাম্পাস

‘নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই স্লোগানকে সামনে রেখে মৎস্য অধিদপ্তরের সহযোগিতায় ও শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ, একোয়াকালচার এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের আয়োজনে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

শনিবার (১৭ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টায় শেকৃবি’র বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হল সংলগ্ন পুকুরসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পুকুরে রুই জাতীয় ১১০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া।

এসময় অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি’র মাননীয় ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম, মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক শামীম আরা বেগম, ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান, ঢাকা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা বি এম মোস্তফা কামাল, পোস্ট গ্রাজুয়েট স্টাডিজ এর ডিন প্রফেসর ড. অলোক কুমার পাল, কৃষি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. পরিমল কান্তি বিশ্বাস, শেকৃবি’র ফিশারিজ, একোয়াকালচার এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এম শাহাবুদ্দিন, গবেষণা পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুর রাজ্জাক, ছাত্র পরামর্শ ও নির্দেশনা পরিচালক প্রফেসর ড. মোঃ ফরহাদ হোসেন, ফিশারিজ, একোয়াকালচার এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের অন্যান্য শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা, প্রধান খামার তত্ত্বাবধায়ক আল শামসুল হক ও মৎস্য অধিদপ্তরের অন্যান্য কর্মকর্তাবৃন্দ।

মাছের পোনা অবমুক্তির পর সকাল ১১টা ৩০ মিনিটে শেখ কামাল ভবনে অবস্থিত ফিশারিজ, একোয়াকালচার এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের সভাকক্ষে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ ২০২২ উপলক্ষে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা সভার সভাপতিত্ব করেন ফিশারিজ, একোয়াকালচার এন্ড মেরিন সায়েন্স অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. এ এম শাহাবুদ্দিন।

আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি’র ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. মোঃ শহীদুর রশীদ ভূঁইয়া। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শেকৃবি’র ট্রেজারার প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম ও মৎস্য অধিদপ্তরের পরিচালক শামীম আরা বেগম।

আলোচনা সভায় শেকৃবি’র মাননীয় ভাইস-চ্যান্সেলর বলেন, মৎস্যবিজ্ঞানী, গবেষণা প্রতিষ্ঠান ও সম্প্রসারণ কর্মীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের কারনেই মাছ উৎপাদনে আজ বিপ্লব সাধিত হয়েছে। তিনি আরো বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সর্বোচ্চ গুরুত্ব ও পৃষ্ঠপোষকতা দিচ্ছেন বলেই মাছ চাষে বাংলাদেশ বিশ্বে তৃতীয় স্থানে উঠে এসেছে। আমরা বর্তমানে দৈনিক চাহিদার (৬০ গ্রাম) এর স্থলে (৬২ গ্রাম) অতিরিক্ত মাছ খেতে পাচ্ছি। এখন আমাদের নিরাপদ মাছ উৎপাদনের দিকে মনোনিবেশ করতে হবে, মাছ উৎপাদানে যেন মানবদেহের জন্য কোন ক্ষতিকর হরমোন বা মেডিসিন ব্যবহার না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। তিনি বলেন আমরা রপ্তানীর জন্য মাছ উৎপাদনে যেভাবে সতর্ক হবো একইভাবে দেশের মানুষের জন্য মাছ সরবরাহ নিশ্চিত করবো।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২ ১:১৮ অপরাহ্ন
গলায় কই মাছ আটকে কৃষকের মৃত্যু
মৎস্য

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে গলায় কই মাছ আটকে হাফিজার রহমান (৪৫) নামের এক কৃষকের মৃত্যু হয়েছে। হাফিজার রহমান ওই গ্রামের মৃত আব্দুল জলিল খেওনীর ছেলে।

শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) রাতে উপজেলার চন্ডিপুর ইউনিয়নের উজান বোচাগারী গ্রামে কারেন্ট জালে আটকা মাছ মুখ দিয়ে খুলতে গিয়ে অসাবধানতাবশত গলায় মাছ আটকে এ ঘটনা ঘটে।

চন্ডিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. ফুল মিয়া বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয়রা জানায়, হাফিজার রহমান সন্ধ্যায় মাছ ধরার জন্য কারেন্ট জাল নিয়ে বাড়ির পাশের ডোবা জমিতে যায়। জালে কই মাছ আটকা পড়লে হাফিজার ওই মাছ হাত দিয়ে খুলতে না পেরে মুখ দিয়ে ছাড়ানোর চেষ্টা করেন।

এ সময় অসাবধানতাবশত একটি কই মাছ তার গলার ভেতরে গিয়ে আটকে যায়। এতে তৎক্ষণাৎ গুরুতর অসুস্থ হন হাফিজার। পরে অসুস্থ হাফিজারকে পাঁচপীর বাজারের স্থানীয় এক চিকিৎসকের কাছে নিয়ে গেলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৭, ২০২২ ১১:৩৩ পূর্বাহ্ন
বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত
মৎস্য

নিরাপদ মাছে ভরবো দেশ, বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশ’ এই প্রাতিপাদ্যকে সামনে রেখে জাতীয় মৎস্য সপ্তাহ উদযাপন উপলক্ষে বরিশালের আগৈলঝাড়ায় শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে। 

পার্বত্য শান্তি চুক্তি বাস্তবায়ন ও পরীবিক্ষণ কমিটির আহ্বায়ক আলহাজ্ব আবুল হাসানাত আবদুল্লাহ-এমপি’র প্রতিষ্ঠিত শহীদ আব্দুর রব সেরনিয়াবাত বৃদ্ধাশ্রমের পুকুরে শুক্রবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১০টায় ২০০ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

উপজেলা প্রশাসন ও মৎস্য দপ্তরের আয়োজনে উপস্থিত ছিলেন দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় মাছের পোনা অবমুক্ত করেন আগৈলঝাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুর রইচ সেরনিয়াবাত, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাখাওয়াত হোসেন।

আরও উপস্থিত ছিলেন দেশীয় প্রজাতির মাছ এবং শামুক সংরক্ষণ ও উন্নয়ন প্রকল্প পরিচালক মো. আশিকুর রহমান, জেলা মৎস্য অফিসার মো. আসাদুজ্জামান, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য অফিসার মোহম্মদ আলম বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তারা ও আওয়ামী লীগের নেতারা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২ ১:৫৭ অপরাহ্ন
হাতিয়ায় ট্রলারে ধরা পড়ল ৫৯ মণ ইলিশ
মৎস্য

নোয়াখালীর বিচ্ছিন্ন দ্বীপ উপজেলা হাতিয়ার বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে তিন দিনে ৫৯ মণ মাছ ধরেছেন ভোলার মনপুরার জেলেরা।

বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ৯টার দিকে হাতিয়ার চেয়ারম্যানঘাটে নিলামে বিক্রি হয়েছে ১৩ লাখ ৩ হাজার ৯০০ টাকায়। মাত্র তিন দিনে বিপুল পরিমাণ মাছ ধরা পড়ায় বোটের মালিক, সারেংসহ জেলেরা মহাখুশি। এসব মাছ কিনেন মেঘনা ফিশিং এজেন্সি।

ট্রলারের মালিক উৎফুল জানান, ‘তিন দিন আগে ১২ জেলে ভোলার মনপুরা থেকে মাছ ধরতে সাগরে যাই। বিভিন্ন সাইজের ৫৯ মণ ইলিশ পেয়েছি। এর মধ্যে বড় সাইজের মাছের সংখ্যা বেশি। মেঘনা ফিশিংয়ে মাছ গুলো বিক্রি হয়েছে। নিলামে শেষ পর্যন্ত ২২ হাজার ১০০ টাকা করে ৫৯ মণ ইলিশের দাম হয়েছে ১৩ লাখ তিন হাজার ৯০০ টাকা।’

হাতিয়া চেয়ারম্যান ঘাটের মেঘনা শিফিং এজেন্সির ম্যানেজার মো: হাবিব ভূঁইয়া জানান, মনপুরা উজ্জল মাঝির একটি মাছধরা ট্রলারে ছোট বড় ও মাঝারি সাইজের ৫৯ মণ ইলিশ ধরা পড়ার কথা নিশ্চিত করে বলেন মাছ গুলোর মধ্যে বেশির ভাগ বড় সাইজের মাছ ছিল।
চেয়ারম্যান ঘাটের একাধিক জেলের সাথে কথা বলে জানা গেছে, আগামী কিছুদিন সাগরে জেলেদের জালে বেশি পরিমাণ ইলিশ মাছ ধরা পড়বে। এখন নদীতেও মাছ মিলছে।

নিষেধাজ্ঞা শুরু হবে ৭ অক্টোবর থেকে। এর আগে, গত ২০ মে থেকে ২৩ জুলাই পর্যন্ত ৬৫ দিন গভীর সমুদ্রে মাছ ধরা নিষিদ্ধ ছিল। এর সুফল হিসেবে এখন সাগরে মাছ ধরতে গিয়ে জেলেরা বেশি পরিমাণ মাছ ধরতে পারছেন। সরকারি নিষেধাজ্ঞা মেনে চললে ভবিষ্যতে জেলেদের জালে আরো বেশি বেশি ইলিশসহ বিভিন্ন মাছ ধরা পড়বে বলে আশা করছেন জেলেরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৬, ২০২২ ৯:২৪ পূর্বাহ্ন
সারাদেশে ইলিশ আহরণের উপর ২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা
মৎস্য

প্রধান প্রজনন মৌসুমে ইলিশের নিরাপদ প্রজননের লক্ষ্যে আগামী ৭ থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত মোট ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধ থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম আজ বৃহস্পতিবার রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে অনুষ্ঠিত এক সভায় এটি জানান।

সভার সিদ্ধান্ত মোতাবেক, ইলিশ আহরণ নিষিদ্ধকালে দেশব্যাপী ইলিশ পরিবহণ, ক্রয়-বিক্রয়, মজুদ ও বিনিময়ও নিষিদ্ধ থাকবে। নিষিদ্ধকালে মা ইলিশ সংরক্ষণ অভিযান বাস্তবায়ন করা হবে। এ সময় ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের সরকার ভিজিএফ খাদ্য সহায়তা দেবে।

মন্ত্রী সভাপতির বক্তব্যে বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে যারা মাছ ধরতে নামে তারা সবাই মৎস্যজীবী নয়। তাদের নেপথ্যে অনেক ধনী ব্যক্তি থাকে, ক্ষমতাবান ব্যক্তি থাকে। ইলিশ সম্পদ রক্ষায় অতীতের মত এবারও এসব অসাধু ব্যক্তিদের ছাড় দেয়া হবে না। ইলিশ সম্পদ ধ্বংসকারী দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়ার কথাও বলেন মন্ত্রী।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন, জেলা-উপজেলায় বরফ কল বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। গত বছরের ন্যায় এবারও অবৈধ জাল উৎপাদনস্থলে অভিযান পরিচালনা করা হবে। অবৈধ পথে ইলিশ পাচার রোধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ইলিশ সম্পৃক্ত জেলা উপজেলায় নদীতে ড্রেজিং বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে।

অতীতে এত ইলিশ উৎপাদন হয়নি উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, সরকারের নানাবিধ উদ্যোগে ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধির ফলে গ্রাম-গঞ্জে এখন ইলিশ পাওয়া যাচ্ছে। দেশের মানুষ ইলিশ খেতে পারছে। ইলিশ রপ্তানিও করা যাচ্ছে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার, মো. তৌফিকুল আরিফ, এ টি এম মোস্তফা কামাল ও মো. আব্দূল কাইয়ূম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের পরিচালক মো. মনজুর হাসান ভুঁইয়াসহ সংশ্লিষ্টরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৫, ২০২২ ২:২৫ অপরাহ্ন
৩৩ কেজি ওজনের একটি পোপা মাছের দাম ৭ লাখ টাকা!
মৎস্য

কক্সবাজারের টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপের মোহাম্মদ ইসমাঈলের মালিকাধীন ফিশিং ট্রলারের জালে ধরা পড়েছে ৩৩ কেজি ওজনের একটি পোপা মাছ। এ পোপা মাছের দাম হাঁকানো হচ্ছে সাড়ে ৭ লাখ টাকা।

বুধবার (১৪ সেপ্টেম্বর) ভোরে ফিশিং ট্রলারে মাছটি ধরা পড়ে। এরপর দুপুর ২টার দিকে ট্রলারটি টেকনাফের শাহপরীরদ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাটে ভিড়ানো হয়।

ফিশিং ট্রলারের মালিক মোহাম্মদ ইসমাঈল বলেন, গত সোমবার মাছ ধরার জন্য শাহপরীরদ্বীপ মিস্ত্রিপাড়া ঘাট থেকে ১০জন মাঝি নিয়ে ট্রলারটি বঙ্গোপসাগরের উদ্দেশে রওনা দেয় এবং সেন্টমার্টিনের পশ্চিমে সাগরে জাল ফেলেন।

এরমধ্যে ভোরে জেলেরা জাল ওঠাতে গিয়ে দেখেন, জালে কয়েকটি লাল কোরালসহ বড় একটি পোপা মাছ আটকা পড়েছে। মাছটি ট্রলারে তোলার পর মাঝি আমিন উল্লাহ মাছ ধরা পড়ার বিষয়টি তাকে জানালে সে ট্রলারটি শাহপরীর দ্বীপে নিয়ে আসতে বলেন।

স্থানীয় মাছ ব্যবসায়ী আমির আহমদ বলেন, চলতি বছর এখানকার ফিশিং ট্রলারে আরও দুটি কালো পোপা মাছ ধরা পড়েছিল। এই মাছের পটকা থাইল্যান্ড ও সিঙ্গাপুরে রপ্তানি হয়। তাই এ মাছের এত দাম চাওয়া হয়। এছাড়া মাছটি কেটে বিক্রি করলে প্রতি কেজি ৫৫০-৬৫০ টাকায় বিক্রি করা সম্ভব।

তবে ট্রলার মালিক মোহাম্মদ ইসমাঈল বলেন, স্থানীয় এক মাছ ব্যবসায়ী মাছটি ৩ লাখ টাকা দিয়ে কিনতে চেয়েছেন। তবে ন্যায্যমূল্য না পাওয়ায় তিনি মাছটি কক্সবাজারে পাঠিয়েছেন। বিদেশে মাছের পটকা রপ্তানি করেন এমন ব্যবসায়ীদের সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করছেন।

এ বিষয়ে টেকনাফ উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. দেলোয়ার হোসেন বলেন, সাধারণত এত বড় পোপা মাছ ধরা পড়েনা। এই মাছের বৈজ্ঞানিক নাম মিকটেরোপারকা বোনাসি। পোপা মাছের বায়ুথলি বেশ মূল্যবান। এই মাছের বায়ুথলি দিয়ে বিশেষ ধরনের সার্জিক্যাল সুতা তৈরি করা যায় বলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশে এই মাছের চাহিদা রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২ ৫:০৬ অপরাহ্ন
পটকা মাছ খেয়ে মা-ছেলের মৃত্যু
মৎস্য

খুলনার বটিয়াঘাটায় রান্না করা পটকা মাছ খেয়ে মা-ছেলের মৃত্যুর খবর পাওয়া গেছে।

এ ঘটনায় আরও একজন অসুস্থ হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ (খুমেক) হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিহত ব্যক্তিরা হলেন বটিয়াঘাটা উপজেলার জলমা ইউনিয়নের মাথাভাঙ্গা গ্রামের পরী বেগম (৬০) ও তার বড় ছেলে জাহাঙ্গীর (৩৬)।

সোমবার (১২ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় তারা মারা যান।

এ ঘটনায় জাহাঙ্গীরের খালাতো ভাই সাইদুলকে (৩৫) অসুস্থ অবস্থায় খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

প্রতিবেশী জহিরুল ইসলাম ও আবুুল কালাম আজাদ জানান, পরি বেগমের পরিবারটি দরিদ্র। তারা রূপসা ও কাজীবাছা নদীতে মাছ ধরে জীবিকা নির্বাহ করতেন। দুপুরে পরী বেগম রূপসা নদী থেকে পটকা মাছ ধরে রান্না করেন। পরে ছেলে জাহাঙ্গীর ও বোনের ছেলে (ভাগনে) সাইদুলকে নিয়ে রান্না করা মাছ খান। এর কিছুক্ষণ পর পরী বেগম অসুস্থ হয়ে পড়লে প্রথমে তাকে স্থানীয় চিকিৎসক ডেকে দেখানো হয়।

চিকিৎসক ওষুধ দেওয়ার পর পরী বেগম বমি করেন। তা খেয়ে মারা যায় বাড়ির কয়েকটি হাঁস ও মুরগি। পরে অবস্থার অবনতি হলে তাকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে পরি বেগম মারা যান। এর কিছুক্ষণ পর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছেলে জাহাঙ্গীরও মারা যান। সাইদুল এখনো হাসপাতালে ভর্তি।

লবণচরা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনামুল হক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২২ ১১:১০ পূর্বাহ্ন
মাছ চাষে লাভবান হতে পুকুরে যেসব যত্ন নেওয়া জরুরী
মৎস্য

বর্তমানে অনেকেই মাছ চাষের দিকে ঝুঁকছেন। তবে এখন আর আগের মত কেউ মাছ চাষ করে না। আধুনিক পদ্ধতিতে দেশের বিভিন্ন স্থানে মাছ চাষ হচ্ছে। আরও বেশি সফলতা লাভ করতে হলে প্রতি মাসে পুকুরের কয়েকটি যত্ন করা আবশ্যক। কারণ মাছ চাষ করতে গিয়ে অনেকেই বিভিন্ন ধরনের সমস্যায় পড়েন। মনে রাখতে হবে মাছ চাষে সফলতা পেতে নিবিড় পরিচর্যার বিশেষ প্রয়োজন। বিশেষ করে নিয়ম মেনে পরিচর্যা করে মাছ চাষ করতে হবে। তবেই সফলতা লাভ করা যাবে।

শুধু পুকুর খনন করে মাছ চাষের দিকে না ঝুঁকে বরং পুকুর বেশি গভীর করে বেশি মাছ চাষ করা যায় সেদিকে নজর দিতে হবে। যাকে বলা হয় ভার্টিক্যাল বিস্তার। মাছ চাষে সফলতা পেতে প্রতি মাসে যে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ কাজ করতে হবে তা জেনে নেওয়া যাক।

মাছ চাষের জন্য পুকুর তৈরি করতে গেলে গভীর করে এটি খনন করুন। হুবার বা ভ্যাকুয়াম ক্লিনার দিয়ে পুকুরের তলায় জমে থাকা কাদা উঠিয়ে নিতে হবে। প্যাডেল হুইলার ব্যবহার করে পানিতে দ্রবীভূত অক্সিজেনের পরিমাণ ঠিক রাখতে হবে। প্রতি ১০ দিন অন্তর অন্তর পানি অর্ধেক বদল করবেন।

অন্যদিকে মাসের ৫ তারিখ শতাংশে ৫০০ গ্রাম হারে পাথুরে চুন ভিজিয়ে ঠান্ডা করে সারা পুকুরে ছিটিয়ে দিতে হবে। মাসের ১৫ তারিখ শতাংশে ২৫০ গ্রাম হারে লবণ গুলিয়ে প্রয়োগ করতে হবে। মাসের ২৫ তারিখ শতাংশে ১০ গ্রাম হারে পটাশিয়াম পারম্যাঙ্গানেট গুলিয়ে সারা পুকুরে ছিটিয়ে দেওয়া জরুরি।

বিভিন্ন ধরনের খাদ্য তৈরি করে ১-৫ শতাংশ হারে প্রতিদিন দিতে হবে। সাত দিন পরপর হররা (ভারী লোহার চেইন) টানা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২ ৫:৫৮ অপরাহ্ন
মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদের নির্দেশ মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী’র
মৎস্য

মৎস্যজীবীদের তালিকা হালনাগাদের নির্দেশ দিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (৭ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত মৎস্য উপখাতের প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতির বক্তব্যে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের এ নির্দেশ দেন মন্ত্রী।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মৎস্যজীবীদের তথ্য সব সময় হালনাগাদ থাকতে হবে। প্রতিবছর এ তথ্য হালনাগাদ করতে হবে। প্রয়োজন অনুযায়ী মৎস্যজীবী তালিকায় অন্তর্ভুক্তদের সংযোজন-বিয়োজন করতে হবে। যারা পূর্বে মৎস্যজীবী ছিল কিন্তু এখন এ পেশায় সম্পৃক্ত নেই তাদের নাম তালিকা থেকে বাদ দিতে হবে। প্রকৃত মৎস্যজীবীদের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করতে হবে। একইসাথে তাদের নিবন্ধনের আওতায় আনতে হবে। অনেক সময় সঠিক তালিকা না থাকায় প্রকৃত মৎস্যজীবীরা সরকারি সুযোগ-সুবিধা পাচ্ছেন না। এজন্য মৎস্যজীবীদের সহায়তা প্রদানের সময় তাদের নামের সাথে রেজিস্ট্রেশন নম্বর যুক্ত করে দিতে হবে।

মন্ত্রী আরও বলেন, অর্থনীতির সংকটময় পরিস্থিতিতে সম্মিলিতভাবে দেশের প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য খাত এমনভাবে সামনে এগিয়ে নিতে হবে যেন এ খাত করোনায় সৃষ্ট বেকারত্ব দূর করতে ভূমিকা রাখতে পারে, উদ্যোক্তা তৈরিতে ভূমিকা রাখতে পারে, অর্থনীতি সচলে ভূমিকা রাখতে পারে, আমাদের উৎপাদিত সামগ্রী রপ্তানি করে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনে ভূমিকা রাখতে পারে এবং যাতে কর্মসংস্থানের খাত সৃষ্টি করতে পারে। এ খাতের সাথে যারা তৃণমূল পর্যায়ে সম্পৃক্তদের কিভাবে কর্মক্ষম করে তোলা যায় সে বিষয়ে মন্ত্রণালয় কাজ করছে। এ ব্যাপারে প্রকল্প পরিচালকসহ সংশ্লিষ্ট অন্যান্য কর্মকর্তাদের আরও আন্তরিকভাবে কাজ করতে হবে। করোনা পরিস্থিতিতে অর্থনীতির যে ধাক্কা তা কাটিয়ে উঠতে এ খাত আরও অবদান রাখতে হবে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, এ বছর জাতিসংঘের খাদ্য ও কৃষি সংস্থার রিপোর্ট অনুযায়ী পৃথিবীর যে তিনটি দেশ মৎস্য খাতে ভয়াবহ বিপর্যয় শঙ্কার বাইরে ছিল, তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম। এটি অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ একটা অর্জন। সংকট সময়ের এ অর্জন ধরে রাখতে হবে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, প্রকল্প বাস্তবায়নে অপব্যয় রোধ করতে হবে। অনেক ক্ষেত্রে অপ্রয়োজনীয় ব্যয় করে অর্থের অপচয় করা হয়। এ বিষয়ে সতর্ক থাকতে হবে। প্রকল্পের কাজের গুণগতমান নিশ্চিত করতে হবে।

শ ম রেজাউল করিম আরও জানান, পৃথিবীর অনেক দেশে বাংলাদেশের মাছের চাহিদা রয়েছে। বিশ্বের বিভিন্ন দেশের মৎস্য খাত বিশেষজ্ঞদের দেশে এনে যৌথভাবে কাজ করার জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা রয়েছে। এক্ষেত্রে মৎস্য অধিদপ্তরের কর্মকর্তাদের এগিয়ে আসতে হবে, দায়িত্ব নিয়ে কাজ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা বাস্তবায়ন করতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ ও মো. আব্দুল কাইয়ূম, বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান কাজী আশরাফ উদ্দীন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদসহ মন্ত্রণালয় ও মৎস্য অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে মন্ত্রণালয়ের বার্ষিক উন্নয়ন কর্মসূচিতে অন্তর্ভুক্ত প্রাণিসম্পদ উপখাতের প্রকল্পসমূহের বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop