৬:৪৫ অপরাহ্ন

শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৫, ২০২২ ৭:৫৫ অপরাহ্ন
শুক্রবার থেকে ২২ দিন বন্ধ থাকবে ইলিশ আহরণ
মৎস্য

উৎপাদন বাড়াতে ও ডিম ছাড়ার সুযোগ দিতে আগামী ৭ অক্টোবর (শুক্রবার) থেকে ২৮ অক্টোবর পর্যন্ত ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ বন্ধ থাকবে।

এসময় দেশব্যাপী ইলিশ আহরণ, বিপণন, ক্রয়-বিক্রয়, পরিবহন, মজুত ও বিনিময় নিষিদ্ধ থাকবে। ইলিশ আহরণে বিরত থাকা জেলেদের খাদ্য সহায়তা দেবে ভিজিএফ।

গত ১৫ সেপ্টেম্বর রাজধানীর মৎস্য ভবনে মৎস্য অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিমের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন সংক্রান্ত জাতীয় টাস্কফোর্স কমিটির সভায় এসব সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়।

বাংলাদেশে ২০০৩-০৪ সাল থেকেই জাটকা রক্ষার কর্মসূচি শুরু করা হয়। তখন থেকেই ধীরে ধীরে ইলিশের উৎপাদন বাড়ছে। ২০০৮ সাল থেকে প্রথম আশ্বিন মাসে পূর্ণিমার আগে ও পরে মিলিয়ে ১১ দিন মা-ইলিশ ধরায় নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়। তখন থেকেই এর সুফল দেখতে শুরু করেন বিজ্ঞানীরা। তখন তারা গবেষণায় দেখতে পান, শুধু পূর্ণিমায় নয়, এ সময়ের অমাবস্যাতেও ইলিশ ডিম ছাড়ে।

ইলিশ সম্পদ সংরক্ষণে ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ অ্যাক্ট, ১৯৫০’ এর অধীন প্রণীত ‘প্রটেকশন অ্যান্ড কনজারভেশন অব ফিশ রুলস, ১৯৮৫’ অনুযায়ী এই ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় নিষিদ্ধ করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

এই ২২ দিন সারাদেশে ইলিশ আহরণ, পরিবহন, মজুত, বাজারজাতকরণ, ক্রয়-বিক্রয় ও বিনিময় দণ্ডনীয় অপরাধ। আইন অমান্যকারী কমপক্ষে এক থেকে সর্বোচ্চ দুই বছর সশ্রম কারাদণ্ড অথবা পাঁচ হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা অথবা উভয় দণ্ডে দণ্ডিত হবে।

এ বিষয়ে মৎস ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেন, নিষিদ্ধ সময়ে যারা মাছ ধরতে নামে তারা সবাই মৎস্যজীবী নয়। তাদের নেপথ্যে অনেক ধনী ও ক্ষমতাবান ব্যক্তি থাকেন। ইলিশ সম্পদ রক্ষায় অতীতের মতো এবারও এসব অসাধু ব্যক্তিদের ছাড় দেওয়া হবে না। ইলিশ সম্পদ ধ্বংসকারী দুর্বৃত্তদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। দিনে অভিযানের পাশাপাশি এবার রাতেও অভিযান জোরদার করা হবে।

তিনি বলেন, সংশ্লিষ্ট জেলা-উপজেলায় বরফ কল বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। গত বছরের ন্যায় এবারও অবৈধ জাল উৎপাদনস্থলে অভিযান পরিচালনা করা হবে। অবৈধ পথে ইলিশ পাচার রোধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। ইলিশ সম্পৃক্ত জেলা-উপজেলায় নদীতে ড্রেজিং বন্ধে স্থানীয় প্রশাসন ব্যবস্থা নেবে। ইলিশের নিরাপদ প্রজননের মাধ্যমে ইলিশ সম্পদ উন্নয়নে যা যা করা দরকার তা করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২২ ৮:৪৮ পূর্বাহ্ন
হালদায় মিলল ইলিশ!
মৎস্য

দেশের অন্যতম মিঠাপানির কার্প জাতীয় মা-মাছের প্রাকৃতিক প্রজনন কেন্দ্র বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ চট্টগ্রামের হালদা নদীতে মিলল ছোট্ট একটি ইলিশ মাছ। এটির দৈর্ঘ্য প্রায় ১১.৫ ইঞ্চি, প্রস্থ ২ ইঞ্চি এবং ওজন ২৬৫ গ্রামের মতো।

গতকাল বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে হালদা নদী মোহনার নিকটবর্তী চাঁদগাঁও অংশে অবৈধভাবে পাতানো একটি জালে আটকা পড়ে ইলিশ মাছটি।

পরে মাছটিকে জীবিত উদ্ধার করে ফের নদীতে অবমুক্ত করেন বলে জানান হাটহাজারীর সিনিয়র উপজেলা মৎস্য অফিসার নাজমুল হুদা।

তিনি আরও জানান, বিকালে হালদা নদীর হাটহাজারী অংশের গড়দুয়ারা নয়াহাট থেকে মোহনা এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে অবৈধভাবে পাতানো অবস্থায় দুটি কারেন্ট জাল ও একটি চর ঘেরা জাল এবং মাছ ধরার ৫টি বড়শিও জব্দ করা হয়। জব্দকৃত এসব জালের দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার ৫০০ মিটার।

এছাড়া অভিযান পরিচালনাকালে নদীর মোহনার নিকটবর্তী চাঁদগাও অংশে অবৈধভাবে পাতানো একটি কারেন্ট জালে একটি ছোট্ট ইলিশ মাছ আটকা পড়েছিল। পরে মাছটি জীবিত উদ্ধার করে নদীতে অবমুক্ত করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২২ ৩:২৭ অপরাহ্ন
কুমিল্লায় দুর্বৃত্তের দেওয়া বিষে মারা গেলো ১২ লাখ টাকার মাছ
মৎস্য

কুমিল্লা জেলার বুড়িচং উপজেলার রাজাপুর পশ্চিমপাড়ার একটি ফিশারিতে বিষ প্রয়োগ করে ১২ লাখ টাকার মাছ মেরে ফেলেছে দুর্বৃত্তরা। শুক্রবার দিবাগত রাতে মাছচাষি মো. জুয়েল রানার ফিশারিতে এ ঘটনা ঘটে।

বুড়িচং পূর্বপাড়ার মরহুম সহিদ মিয়ার ছেলে মাছচাষী মো. জুয়েল মিয়া জানান, রাজাপুর পশ্চিমপাড়া ৩২০ শতক ফিশারিতে প্রায় ১২ লাখ টাকার বিভিন্ন জাতের দেশীয় মাছ রাতের আঁধারে বিষ প্রয়োগ করে মেরে ফেলেছে। বিষ প্রয়োগের ফলে মাছগুলো মরে ভেসে উঠেছে। কিছু দিনের মধ্যেই মাছগুলো বাজারে বিক্রির উপযোগী হয়ে উঠত। এর আগেই দুর্বৃত্তরা মাছগুলো মেরে ফেলেছে। মাছচাষি জুয়েল রানা এখন সর্বস্বান্ত হয়ে পড়েছেন। তিনি প্রশাসনের কাছে সুষ্ঠু বিচার চান।

এ বিষয়ে বুড়িচং থানার ওসি মো. মারুফ রহমান জানান, ঘটনাটি আমি শুনেছি এবং থানার পুলিশ ফোর্স পরিদর্শন করে এসেছে। অভিযোগ পরিপ্রেক্ষিতে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২২ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
মাছ চাষে ভাগ্য বদল দুই শতাধিক পরিবারের
মৎস্য

মাছ চাষ করে ভাগ্য বদলে গেছে সাতক্ষীরার তালা উপজেলার প্রায় দুই শতাধিক পরিবার। এখান থেকে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সরবরাহ হচ্ছে রাজধানীসহ বিভিন্ন স্থানে। চাষিরা লাভের মুখ দেখায় বর্তমানে মাছের এই চাষ ছড়িয়ে পড়েছে আশেপাশের এলাকাগুলোতেও।

ফরমালিন আতঙ্কে অনেকেই যখন মাছ কিনতে ভয় পাচ্ছেন। তখন সাতক্ষীরার বিভিন্ন উপজেলার ব্যবসায়ীরা ঢাকাসহ বিভিন্ন জেলায় পৌঁছে দিচ্ছেন তাদের উৎপাদিত তাজা মাছ। এসব গ্রামে যেদিকে চোখ যায়, সেদিকেই পুকুর আর পুকুর।

এসব পুকুরে চাষ হচ্ছে- রুই, কাতলা, মৃগেল, সিলভারকার্প, তেলাপিয়া, পাংগাসসহ বিভিন্ন মাছ। পুকুর থেকে মাছ ধরার পর পানি ভর্তি ড্রামে করে তোলা হয় ট্রাকে। সেই ট্রাক চলে যাচ্ছে সাতক্ষীরার বিনোরপোতা, ডুমুরিয়ার আঠারোমাইলসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়।

তালার কলাগাছি গ্রামের আদিত্য রায় বলেন, তিনি এবার ১০ বিঘা পুকুরে বিভিন্ন জাতের মাছের আবাদ করেছেন। মাত্র এক বিঘা পুকুর থেকে বর্তমানে তার ১০ বিঘা পুকুরে মাছ চাষ হয়। অল্প দিনের ব্যবধানে তিনি বর্তমানে স্বাবলম্বী। তার মতো জেলার অনেক চাষিই স্বাবলম্বী হয়েছেন মাছ চাষ করে।

কলাগাছি গ্রামের অনিল সরকার, তপন সরকার, অমিত সরকারসহ কয়েকজন মাছ চাষি বলেন, মাছ চাষে ব্যাপক লাভ হয়। তবে জেলা উপজেলাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে তাজা মাছের ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে। অন্যান্য চাষের চেয়ে মাছ চাষে বেশ লাভবান হওয়া যায়।

তালার সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা স্নিগ্ধা খাঁ বাবলী বলেন, ইতোমধ্যে মাছ চাষিদের তালিকা করা হয়েছে এবং তাদের বিভিন্ন সময়ে আধুনিক পদ্ধতিতে মাছ চাষের প্রশিক্ষণসহ ঋণ সহায়তাও প্রদান করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৯, ২০২২ ৫:২৭ অপরাহ্ন
দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় বড় যোগান দেয় মাছ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

দেশের মানুষের খাদ্য ও পুষ্টি চাহিদায় মাছ বড় যোগান দেয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ সেপ্টেম্বর) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবন মিলনায়তনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের রজতজয়ন্তী উদযাপনের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশের মৎস্যসম্পদকে গুরুত্ব দিয়ে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বলেছিলেন মাছ হবে বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের দ্বিতীয় বৃহত্তম খাত। যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশ পুনর্গঠনে মাছ ও প্রাণিসম্পদের গুরুত্ব আন্তর্জাতিক গণমাধ্যমে সে সময় তুলে ধরেছিলেন বঙ্গবন্ধু। মৎস্যসম্পদ আহরণের জন্য তার সময়ে বিদেশ থেকে মাছ ধরার ট্রলার আনা হয়। বঙ্গবন্ধু ১৯৭৪ সালে সমুদ্র সংক্রান্ত আইন তৈরি করেছেন। এ আইনের উপর ভিত্তি করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ আয়তনের সমুদ্র সীমায় আমাদের সার্বভৌমত্ব প্রতিষ্ঠা করেছেন। সেই সমুদ্রসীমা আমাদের সুনীল অর্থনীতির সবচেয়ে বড় ক্ষেত্র হিসেবে কাজ করছে। সুনীল অর্থনীতির গুরুত্বপূর্ণ উপাদান প্রচলিত ও অপ্রচলিত মাছ, সামুদ্রিক শৈবালসহ অন্যান্য সম্পদ।

মৎস্যবিজ্ঞানের ক্ষেত্র উন্মুক্ত উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, দেশে ও দেশের বাইরে মৎস্যবিজ্ঞানের ব্যপ্তি ও কাজ করার সুযোগ অনেক বেশি। এ বিষয়ে দেশে গবেষণার প্রচুর সুযোগ ও বরাদ্দ রয়েছে। মৎস্যবিজ্ঞানীরা গবেষণার মাধ্যমে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ সারাদেশে ছড়িয়ে দিচ্ছেন। মৎস্য খাতের উন্নয়নের মাধ্যমে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য মৎস্যবিজ্ঞানের শিক্ষার্থীরা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছেন। মৎস্য খাত উদ্যোক্তা তৈরি করছে। বেকারত্ব দূর করতে এ খাত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। গ্রামীণ অর্থনীতি সচলে ভূমিকা রাখছে।

দেশে মাছের উৎপাদন ৫ দশমিক ৬৫ লাখ মেট্রিক টন উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও যোগ করেন, এক সময় বলা হত ভাতে-মাছে বাঙালি। তারপর একটা সময় বলা হত মাছের আকাল। বর্তমানে মাছের উৎপাদন অনেক গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে মৎস্য খাতে উদ্যোক্তা তৈরি হচ্ছে। সরকার এ খাতে স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ দিচ্ছে, উদ্যোক্তাদের বিশেষ প্রশিক্ষণ দেওয়া হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, দেশীয় প্রজাতির অনেক মাছ বিলুপ্ত হয়ে গিয়েছিল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে ৩৭ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় মাছ ফিরিয়ে এনেছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণে লাইভ জিন ব্যাংক করা হয়েছে। কোন অঞ্চলে মাছের শূন্যতা দেখা দিলে জিন ব্যাংক থেকে মাছের পোনা সে অঞ্চলে অবমুক্ত করা হবে। ফলে দেশের কোথাও আর মাছের আকাল হবে না। এখন গ্রাম থেকে শহরে সর্বত্র পুষ্টিসম্মত পর্যাপ্ত মাছ পাওয়া যাচ্ছে। রাষ্ট্রীয় প্রণোদনা ও পৃষ্ঠপোষকতা বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উদ্যোগ ও সংশ্লিষ্ট অন্যান্যরা এগিয়ে আসায় এটা সম্ভব হয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রো-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্যবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. মো. মনিরুল ইসলাম। অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিশারিজ অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি মো. আনোয়ার হোসেন মনির।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৮, ২০২২ ৩:৪৬ অপরাহ্ন
এক রাতেই মরে গেল প্রায় ৮ লাখ টাকার মাছ!
মৎস্য

পুকুরে ভেসে উঠল অসংখ্য মরা মাছ। এক রাতেই মরে গেল ৮ লাখের বেশি টাকার মাছ।

নওগাঁর মহাদেবপুর উপজেলার রাইগাঁর ইউনিয়নের দাউল (করজবাড়ী) গ্রামে পুকুরে বিষ প্রয়োগ করে এ কাণ্ড ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

এ ঘটনায় পুকুরের মালিক মো. গোলাম কিবরিয়া বাদী হয়ে মঙ্গলবার রাতে মহাদেবপুর থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন।

কী কারণে এমনটি ঘটিয়েছে দুর্বৃত্তরা তা পরিষ্কার নয় এখনও। তবে ভুক্তোভোগী গোলাম কিবরিয়া জানিয়েছেন, পূর্ব শত্রুতার জেরে এমনটি ঘটানো হয়েছে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ওই গ্রামের মৃত কছিমুদ্দিনের ছেলে গোলাম কিবরিয়া কৃষি কাজের পাশাপাশি তার গ্রামেই নিজস্ব ৮৪ শতাংশ একটি পুকুরে মাছ চাষ করছেন। গত রোববার তিনি পরিবারসহ অন্যত্র বেড়াতে যাওয়ার সুযোগে রাতের কোন এক সময় কে বা কাহারা তার পুকুরে কীটনাশক বিষ প্রয়োগ করে।

সোমবার সকালে স্থানীয়দের মাধ্যমে খবর পেয়ে পুকুরে এসে দেখতে পান, পুকুরের মাছ মরে ভেসে উঠেছে। বিষ প্রয়োগের ফলে পুকুরে থাকা ১১০ থেকে ১২০ মণ মাছ মারা যায়। এতে তার ৮ লাখের বেশি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।

মৎস্যচাষী কৃষক গোলাম কিবরিয়া আরও জানান, পুকুরে পাঙ্গাসসহ বিভিন্ন প্রজাতির প্রায় ১২ হাজার মাছ ছিল। প্রতিটি মাছের ওজন হয়েছিল প্রায় ১ কেজি। কিন্তুপূর্ব শত্রুতার জেরে রোববার রাতের কোন এক সময় কে বা কাহারা আমার ক্ষতি করার লক্ষ্যে বিষ প্রয়োগ করে এ মাছগুলো নিধন করে।

মাতাজীহাট ফাঁড়ি ইনচার্জ এস আই আব্দুল মতিন বলেন, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পুকুরে বিষ প্রয়োগের প্রাথমিক সত্যতা পাওয়া গেছে।

মহাদেবপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আজম উদ্দিন মাহমুদ বলেন, বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৭, ২০২২ ১২:২৭ অপরাহ্ন
কালকিনিতে ১৫ জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্তকরণ
মৎস্য

“জল আছে যেখানে, মাছ চাষ সেখানে” এই শ্লোগানকে সামনে রেখে মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলা মৎস্য অধিদপ্তরের উদ্যোগে উপজেলার নির্বাচিত ১৫টি জলাশয়ে মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

সোমবার সকালে দেশীয় প্রজাতির ছোটমাছ ও কার্প জাতীয় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

এসময় উপস্থিত ছিলেন সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য তাহমিনা বেগম, উপজেলা চেয়ারম্যান মীর গোলাম ফারুক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার পিংকি সাহা, উপজেলা সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা সন্দীপন মজুমদান, উপজেলা সহকারি কমিশন ভূমি মো. ইমরান খান, সদ্য যোগদানকারী উপজেলা সহকারি কমিশন ভূমি মো. কায়েসুর রহমান ও কালকিনি থানার ওসি মো. শামীম হোসেন প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৬, ২০২২ ২:১৫ অপরাহ্ন
মাছ চাষে মুখে হাসি পাবনার চাষিদের
মৎস্য

পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলার দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মারমী গ্রামে দুই বিলে মাছ চাষ করে ভাগ্য বদলেছেন গ্রামবাসীরা। বিলের পার্শ্ববর্তী পাঁচ গ্রামের বেশির ভাগ মানুষ এক সময় দারিদ্র্য সীমার নিচে বসবাস করতো। বর্তমানে মাছ চাষে ফিরতে শুরু করেছে সুদিন।

জানা যায়, দুটি বিলের একটির নাম চামগড়া অপরটি পদ্ম। দুটি বিল প্রায় চার কিলোমিটার দীর্ঘ ও তিন কিলোমিটার প্রস্ত। এ দুই বিলজুড়ে ছড়িয়ে ছিটিয়ে রয়েছে প্রায় ৪৫০টি পুকুর। প্রায় ১৫ বছর আগে এই বিলের জমির মালিকরা পুকুর খনন করে। প্রতি বছরই পুকুরের সংখ্যা বেড়ে চলেছে।

মাছ চাষিরা বলেন, এই দুই বিল মারমী গ্রামের বৃহৎ অংশ জুড়েই রয়েছে। পাশাপাশি সুলতানপুর, হাতিগড়া, বয়রা, শ্যামপুর গ্রামেও রয়েছে এ দুই বিলের সীমানা। বর্তমানে সেখানে মাছ চাষ করে প্রায় ৩ হাজার মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি হয়েছে।

লাডুলি গ্রামের মাছচাষি শরিফুল ইসলাম মণ্ডল জানান, ৩৭ বিঘার বড় পুকুর সহ আরো ৮টি পুকুরে মাছ চাছ করি। আমার মতো অনেকেই এখানে মাছ চাষ করে নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তন করেছেন। সকল খরচ বাদ দিয়ে বছরে প্রায় ১৫-২০ লাখ টাকা আয় হয়। তবে বর্তমানে মাছের খাদ্যের দাম বাড়ায় মাছ চাষিদের লাভের পরিমান কমেছে।

উপজেলা মৎস্য সম্প্রসারণ কর্মকর্তা জাকিয়া সুলতানা জানান, ঈশ্বরদীতে মোট ২৪৭৬ পুকুর রয়েছে। দাশুড়িয়া ইউনিয়নের মারমী ও সুলতানপুরসহ পার্শ্ববর্তী গ্রামে মাছের ব্যাপক চাষ হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২ ১১:২৪ পূর্বাহ্ন
মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে জমজমাট বাংলাদেশি মাছ
মৎস্য

সামুদ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থা উন্নত হলে মাছ রফতানি করে বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সুযোগ রয়েছে বাংলাদেশের। ইতোমধ্যে বাংলাদেশের মাছ মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে ব্যাপক সাড়া ফেলেছে।

সংযুক্ত আরব আমিরাতের ফ্রোজেন ব্যবসায়ীদের মধ্যে শ্রেষ্ঠত্ব বজায় রেখেছে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীরা। কিন্তু সামুদ্রিক যোগাযোগ ব্যবস্থার অসুবিধাসহ বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে তারা এ ব্যবসা পরিচালনায় বাংলাদেশি পণ্যের শ্রেষ্ঠত্ব ধরে রাখতে পারছেন না। মধ্যপ্রাচ্যের বাজারে তাদের এই ব্যবসা সম্প্রসারণে প্রতিবছর কয়েক মিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করা হয় এশিয়ার বিভিন্ন দেশে। বাংলাদেশে বিনিয়োগ করা হলেও নানা প্রতিবন্ধকতার কারণে সেখানে আশানুরূপ ব্যবসা করা সম্ভব হচ্ছে না।

বাংলাদেশের কনসাল জেনারেল বি এম জামাল হোসেন জানান, বর্তমানে বাংলাদেশি ব্যবসায়ীদের জন্য একটি ব্যবসায়িক হাবে পরিণত হয়েছে। এখানে প্রচুর সাধারণ কর্মী বসবাস করেন এবং বড় ব্যবসায়িক কমিটি এখানে প্রসার করেছে। এখানে রয়েছে তাদের প্রচুর চাহিদা তবে এটির সঙ্গে তাল মিলিয়ে যেখানে চাহিদা আছে সেখানে আমাদের জোগান নিশ্চিত করতে হয়।

সংযুক্ত আরব আমিরাতসহ মধ্যপ্রাচ্যে বর্তমানে বাংলাদেশের ব্যাপক চাহিদাসম্পন্ন ফ্রোজেন পণ্যের মধ্যে রয়েছে ইলিশ, ইলিশের ডিম, পাবদা, কই, পাঙ্গাশ, মলা, কাচকি, শিং, লইট্টা, মৃগাল, গলদা ও বাগদা চিংড়িসহ আরও কয়েক জাতের মাছ। ব্যবসায়ীরা জানান, ইউরোপে বাংলাদেশের চিংড়ির ব্যাপক চাহিদা থাকায় মধ্যপ্রাচ্যে নিয়ে আসা তা দুরূহ হয়ে উঠেছে। পাশাপাশি দেশীয় শিমের বিচি, কচুর লতির চাহিদা সত্ত্বেও পর্যাপ্ত জোগান দেয়া সম্ভব হচ্ছে না আমিরাতের বাজারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ ৩:৩০ অপরাহ্ন
ভোলার লালমোহনপ মাছের পোনা অবমুক্তকরণ
মৎস্য

জেলার লালমোহন উপজেলায় মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়েছে।

আজ বুধবার বেলা ১২ টায় উপজেলা মৎস্য অফিসের উদ্যোগে ২০২২-২৩ অর্থবছরের রাজস্ব খাতের আওতায় উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুকুরে রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন কার্প জাতীয় পোনা অবমুক্ত করা হয়।

এসময় উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ গিয়াসউদ্দিন আহমেদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা পল্লব কুমার হাজরা, উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) মাসুমা বেগম, উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো: রুহুল কুদ্দুস, উপজেলা এলজিইডি’র উপসহকারী প্রকৌশলী মো: বখতিয়ার হোসেনসহ অন্যরা উপস্থিত ছিলেন।
উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা জানান, আজ উপজেলার পুকুরসহ মোট ২৬ টি পুকুর-জলাশয়ে ৩৫৭ কেজি মাছের পোনা অবমুক্ত করা হয়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop