৩:৪৭ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ৪ অগাস্ট , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ৬:৫৯ অপরাহ্ন
তেলাপিয়ার নতুন প্রজাতি, প্রতিটির ওজন ২.৫ কে‌জি
মৎস্য

সাধারণত বাজারে যে তেলাপিয়া মাছ পাওয়া যায়, সেগুলোর আকার খুব বড় হয় না। এক কেজি ওজনের তেলাপিয়াও তেমন চোখে পড়ে না। তবে নতুন এক তেলাপিয়ার প্রজাতি উদ্ভাবন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)। এ প্রজাতির তেলাপিয়া মাছ সর্বোচ্চ আড়াই কেজি ওজনও হয়ে থাকে। দেখতে যেমন বাহারি, তেমনি খেতেও অনেক সুস্বাদু।

বিএফআরআই দেশে মোট মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে যে গবেষণা চালিয়ে যাচ্ছে, তারই ফল হিসেবে উদ্ভাবিত হয়েছে এই নতুন প্রজাতি। ইনস্টিটিউটের সংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশে জনসংখ্যা বাড়ছে। কিন্তু জমির পরিমাণ বাড়ছে না।

এছাড়া জলবায়ু পরিবর্তন, অতি আহরণ, জলাশয় সংকোচনের কারণে মাছ উৎপাদনে ভাটা পড়ছে। এ সমস্যা মোকাবিলার জন্য মাছের নতুন নতুন জাত উদ্ভাবন করছে বিএফআরআই। যেন স্বল্প সময়ে ও স্বল্প জায়গা ব্যবহার করে অধিক মাছ উৎপাদন করা যায়।

বিএফআরআইয়ের তথ্য মতে, দেশে বছরে মাছের উৎপাদন ৪৫ লাখ মেট্রিক টন। এর মধ্যে তেলাপিয়া চাষ হয় তিন লাখ ৯০ হাজার মেট্রিক টন। মোট মাছের উৎপাদন দ্বিগুণ করে ২০৪১ সালে ৯০ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত করতে চায় বিএফআরআই। এ লক্ষ্যে বাজারে প্রচলিত ও চাহিদাসম্পন্ন কয়েকটি মাছের নতুন জাত উদ্ভাবন করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এরই অংশ হিসেবে তেলাপিয়ার এই ১৩তম প্রজাতি উদ্ভাবন করা হয়েছে।

গবেষণার বিষয়ে ইনস্টিটিউটের গবেষকরা বলছেন, ময়মনসিংহে বিএফআরআইয়ের পুকুরে মাছের নতুন প্রজাতি উদ্ভাবনের কার্যক্রম চলছে। তেলাপিয়ার জার্মপ্লাজমা সংরক্ষণ এবং জেনেটিক সিলেকশন পদ্ধতিতে আরও উন্নত প্রজাতি উদ্ভাবনের লক্ষ্যে গবেষণা পরিচালনা করা হয়। ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা জেনেটিক গবেষণায় ফ্যামিলি সিলেকশন প্রটোকল অনুসরণ করে উচ্চ ফলনশীল গিফট তেলাপিয়ার ১৩তম প্রজাতি উদ্ভাবন করেন, যা প্রচলিত তেলাপিয়ার চেয়ে দ্রুত বর্ধনশীল ও ৬২ শতাংশ বেশি উৎপাদনশীল। পুকুরে মাত্র ছয় মাসেই ৬০০ গ্রাম ওজন হয় এই জাতের। এই প্রজাতি প্রচলিত রঙের পাশাপাশি লাল-সাদাও হয়। খেতেও বেশ সুস্বাদু।

নতুন প্রজাতির তেলাপিয়ার রোগ প্রতিরোগ ক্ষমতা বেশি। বাঁচার হার মূল জাতের তেলাপিয়ার তুলনায় বেশি। উপকূলীয় জলাশয়েও চাষোপযোগী। প্রধান খাবার খইল, ভুসি ও গমের কুড়া। বর্তমানে মূল জাতের তেলাপিয়ার হেক্টরপ্রতি উৎপাদন ৯ হাজার কেজি। অন্যদিকে নতুন জাতের তেলাপিয়ার উৎপাদন হবে হেক্টরপ্রতি ১৩ হাজার কেজি।

অধিক ফলনশীল এ প্রজাতি চাষের মাধ্যমে তেলাপিয়া দুই লাখ ৪২ হাজার মেট্রিক টন বেশি উৎপাদন করা যাবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

কর্মকর্তাদের ভাষ্যে, বর্তমানে বিশ্বের ১০টি তেলাপিয়া উৎপাদনকারী দেশের মধ্যে বাংলাদেশের অবস্থান চতুর্থ। তেলাপিয়ার জাত আমদানি, উন্নত গবেষণা, উন্নত জাত উদ্ভাবন এবং বাংলাদেশে ৪০০টির বেশি তেলাপিয়া হ্যাচারি ও ১৫ হাজার ছোট-বড় আকারের বাণিজ্যিক খামার স্থাপনের ফলেই এ অর্জন। উন্নত চাষ ব্যবস্থাপনা সার্বিকভাবে তেলাপিয়া উৎপাদনকে আরও বেগবান করেছে। অবশ্য এই উৎপাদন বৃদ্ধির পেছনে দেশের দক্ষিণাঞ্চল বিশেষ করে খুলনা, বরিশাল এবং চট্টগ্রাম অঞ্চলের উপকূলীয় চিংড়ি চাষে রোগবালাইয়ের সংক্রমণও ভূমিকা রাখছে। কারণ রোগবালাইয়ের কারণে চাষিরা চিংড়ি চাষে নিরুৎসাহিত হয়ে পড়েছেন। তারা খামারগুলোতে বিকল্প হিসেবে তেলাপিয়া চাষে আগ্রহী হচ্ছেন।

দেশের ময়মনসিংহ, যশোর, নড়াইল, লক্ষ্মীপুর, বাগেরহাট ও বরগুনায় মোট সাতটি তেলাপিয়া ব্রিডিং নিউক্লিয়াস স্থাপন করা হয়েছে। ব্রিডিং এবং রোটেশনাল ব্রিডিং পদ্ধতির মাধ্যমে বিশেষ প্রক্রিয়ায় উন্নত জাতের তেলাপিয়ার উৎপাদন ও বিতরণের কাজ চলমান। তেলাপিয়ার বাণিজ্যিক হ্যাচারি স্থাপন এবং সব পুরুষ মনোসেক্স তেলাপিয়া পোনা উৎপাদন করা হয়েছে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চল বিশেষ করে ব্রাহ্মণবাড়িয়া, কক্সবাজার, কুমিল্লা, নোয়াখালী, লক্ষ্মীপুর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, বগুড়া, রাজশাহীতে তেলাপিয়া হ্যাচারি স্থাপনের উদ্যোগ ব্যাপক হারে লক্ষ্য করা গেছে। ইতোমধ্যে এসব এলাকায় মোট ৪০০টিরও বেশি হ্যাচারি স্থাপিত হয়েছে। এসব তেলাপিয়া হ্যাচারির ডিজাইনসহ সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে বিএফআরআই।

এদিকে স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীতে রুই মাছেরও নতুন একটি প্রজাতি উদ্ভাবন করেছেন মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা। জেনেটিক গবেষণার মাধ্যমে যমুনা, ব্রহ্মপুত্র ও হালদা নদীর প্রাকৃতিক উৎসের রুই মাছ ব্যবহার করা হয়েছে নতুন প্রজাতি উদ্ভাবনে। চতুর্থ এ প্রজাতির নাম দেওয়া হয়েছে ‘সুবর্ণ রুই’। এটিও দ্রুত বর্ধনশীল, মূল জাতের চেয়ে ২০ দশমিক ১২ শতাংশ অধিক উৎপাদনশীল। খেতে সুস্বাদু; দেখতে লালচে; অন্তঃপ্রজনন সমস্যামুক্ত।

সার্বিক বিষয়ে বিএফআরআই মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ  বলেন, চাষের মাছের উৎপাদন যদি বৃদ্ধি করতে চাই; তবে জাত উন্নয়ন একটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। সেই লক্ষ্যে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট মাছের জাত উদ্ভাবনে কাজ করছে। ২০৪১ সালে আমরা মাছের উৎপাদন ৯০ লাখে উন্নীত করবো। এই উৎপাদনে পৌঁছাতে হলে বিজ্ঞানভিত্তিক চাষাবাদের পাশাপাশি জাত উদ্ভাবন বিষয়টিকে আমাদের বিবেচনায় রাখতে হবে।

তিনি বলেন, আমরা সম্প্রতি রুই মাছের একটা জাত উদ্ভাবন করেছি। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তীর প্রাক্কালে এটি উদ্ভাবন করা হয়েছে বিধায় এর নাম দিয়েছি ‘সুবর্ণ রুই’। নতুন প্রজাতিটি চাষিদের কাছে বিতরণ করেছি। তারাও এর উৎপাদন কার্যক্রম শুরু করেছেন। এই প্রজাতির মাধ্যমে অতিরিক্ত এক লাখ মেট্রিক টন অতিরিক্ত রুই মাছ উৎপাদন করা সম্ভব হবে।

তেলাপিয়ার নতুন প্রজাতি উদ্ভাবন প্রসঙ্গে ড. ইয়াহিয়া বলেন, আমরা তেলাপিয়া, সাদা পাঙ্গাশ, সরপুঁটি নিয়েও গবেষণা করছি। তেলাপিয়ার ১৩তম প্রজাতি উদ্ভাবিত হয়েছে। মূল প্রজাতির চেয়ে যা ৬২ শতাংশ অধিক উৎপাদনশীল। তেলাপিয়া নিয়ে আমরা বিশ্বে গর্ব করতে পারি। তেলাপিয়া উৎপাদনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বে চতুর্থ। তেলাপিয়া উৎপাদন প্রায় চার লাখ মেট্রিক টন। এটা সাধারণ ভোক্তাদের মাছ। সাধারণ ভোক্তা এই মাছ খেতে পছন্দ করেন। স্বল্পমূল্যে এই মাছ বাজারে পাওয়া যায়। আমাদের কাছে এখন যে তেলাপিয়া আছে (নতুন প্রজাতি) প্রতিটার ওজন দুই থেকে আড়াই কেজি।

সুত্রঃ জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ২:৩০ অপরাহ্ন
২৮ কেজি বাঘাইড় বিক্রি সাড়ে ১৮ হাজারে
মৎস্য

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা শহরের কোর্ট চত্ত্বরে ২৮ কেজির ওজনের একটি বাঘাইড় মাছ বিক্রি করতে দেখা যায়। মাছটি ২৬ ভাগে ভাগ করা হয়।পরে ২৬ জন মিলে মাছটি কিনেন। মাছটি বিক্রি করা হয় ১৮ হাজার ৫৯০ টাকায়।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) সন্ধ‌্যায় মাছটি দেখতে ভিড় করেছিলেন উৎসুক জনতা। ওই চত্ত্বরে ক্রেতাদের ভিড় না থাকায় চাঁপাইনবাবগঞ্জ নিউ মার্কেটের মাছ পট্টিতে নিয়ে যাওয়া হয়। মাছটি ওই দিন রাতে বিক্রি হয় ৭১৫ টাকা কেজি দরে।

মাছ ব্যবসায়ী দাম হেঁকেছিলেন ২২ হাজার ৪০০ টাকা। রাত গড়াতে থাকলে বাজারে ক্রেতা কমতে থাকে। চাঁপাইনবাবগঞ্জের কয়েক বাসিন্দা মাছ কিনতে গেলে, বাঘাইড় মাছটি তাদের নজরে আসে। তারা ২৬ জনের একটি জোট হয়। পরে মাছটি কেটে ২৬ ভাগে ভাগ করা হয়।

রবিউল ইসলাম নামের এক মাছ ক্রেতা বলেন, ‘বাঘাইড় মাছটি আমাদের দেখতে ভালো লাগে। দাম দর করে ৭১৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি করতে রাজি হয় ওই মাছ বিক্রেতা। পরে মাছটি কেটে ২৬ ভাগে ভাগ করা হয়। ২৬ জন মিলে ওই মাছ ব্যবসায়ীকে ১৮ হাজার ৫৯০ টাকা দেওয়া হয়।’

ওই মাছ ব্যবসায়ী শামসুল ইসলাম বলেন, ‘বাঘাইড় মাছটি গাইবান্ধার যমুনা নদীর ফুলগাছির ঘাটে ধরা পড়ে। বেশি দাম পাবার আশায় চাঁপাইনবাবগঞ্জে বিক্রি করতে এসেছি। প্রায় ৫ ঘণ্টা পর সাড়ে ১৮ হাজার টাকায় বিক্রি করলাম।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৮, ২০২১ ১২:৩১ অপরাহ্ন
উৎপাদন বাড়লেও দামে হতাশ চিংড়ি চাষিরা
মৎস্য

করোনার ক্ষতি কাটিয়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টায় বাগেরহাটের চিংড়ি চাষিরা। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায়, এবার গলদা চিংড়ির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ার আশা করছে মৎস্য বিভাগ। তবে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত কমে গেছে কেজিপ্রতি চিংড়ির দাম। এতে হতাশ চাষিরা।

‘সাদা সোনা’ নামে খ্যাত গলদা চিংড়ি। এই চিংড়ি চাষের অন্যতম শীর্ষ জেলা বাগেরহাট। দীর্ঘদিন ধরেই জেলার হাজার হাজার চাষির একমাত্র আয়ের উৎস এই চিংড়ি চাষ। শুধু তাই নয়, দেশের অর্থনীতিকে চাঙ্গা করার অন্যতম পণ্য এটি। এ জেলায় উৎপাদিত গলদা চিংড়ি ইউরোপের বিভিন্ন দেশসহ বিশ্বের ৩২টি দেশে রফতানি হয়ে থাকে।

তবে প্রাণঘাতী করোনাভাইরাসের কারণে গত বছর এই শিল্পে কিছুটা বিপর্যয় ঘটলেও এবার বেড়েছে উৎপাদন। এতে চাষিদের খুশি হওয়ার কথা। কিন্তু চিংড়ির দাম কমে যাওয়ায় হতাশায় দিন পার করছেন তারা। কেজিপ্রতি চিংড়ির দাম কমেছে ২০০ থেকে ২৫০ টাকা পর্যন্ত। তার ওপর চিংড়ি চাষে যেসব উপাদান বা খাবার লাগে তার মূল্যও চড়া। এতে চরম বিপাকে চাষিরা।

চিংড়ির দাম কম নিয়ে চাষিরা বলেছেন, আমাদের সব আয়-উপার্জন চিংড়ি চাষের ওপর। মাছের দাম কম। বর্তমানে বাজারে নিত্যপণ্যের যে দাম, সে অনুযায়ী আমরা চাষিরা বাঁচতে পারব না। দাম কমায় আমরা ক্ষতির সম্মুখীন হচ্ছি। করোনাকালের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে চিংড়ির দাম স্বাভাবিক রাখার দাবি ব্যবসায়ীদের। এ বিষয়ে একজন ব্যবসায়ী বলেছেন, সব মিলিয়ে সারা বিশ্বের ৩২টি দেশে আমাদের চিংড়ি রফতানি হয়। শিপমেন্ট শুরু হলে চাষিরা আগের মতো দাম পাবেন।

বাগেরহাটে ৭০ হাজার গলদা চিংড়ি ঘেরে প্রায় ৩৫ হাজার চাষি যুক্ত রয়েছেন। এ বছর উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১৮ হাজার মেট্রিক টন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ২:৫৯ অপরাহ্ন
পদ্মায় জেলের জালে ৩২ কেজির দুটি কাতল
মৎস্য

পদ্মা নদীতে জেলের জালে ধরা পড়েছে ৩২ কেজি ওজনের বিশাল আকৃতির দুটি কাতল মাছ।

বুধবার (১৭ নভেম্বর) সকালে রাজবাড়ীর গোয়ালন্দ উপজেলার দৌলতদিয়ার ৫ নম্বর ফেরি ঘাট এলাকায় হজো চালাক নামের এক জেলের জালে মাছ দুটি ধরা পড়ে।

মাছগুলো বিক্রির জন্য ঘাটে আনলে ব্যবসায়ী সম্রাট শাজাহান শেখ একটু ১ হাজার ৩০০ টাকা কেজি দরে ৪১ হাজার ৬০০ টাকায় কিনে নেন।

এ মাছ ব্যবসায়ী বলেন, সকালে মাছ দুটি সরাসরি জেলের কাছ থেকে কিনে নেই। পরে ঢাকার এক বড় ব্যবসায়ীর কাছে ১ হাজার ৩৫০ টাকা কেজি দরে ৪৩ হাজার ২০০ টাকায় বিক্রি করি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ১২:৫৯ অপরাহ্ন
হালদায় সাড়াশি অভিযান,৮ হাজার মিটার জাল জব্দ
মৎস্য

প্রাকৃতিক মৎস্য প্রজনন ক্ষেত্র ও বঙ্গবন্ধু মৎস্য হেরিটেজ হালদা নদীতে সাড়াশি অভিযান চালিয়ে ৮ হাজার মিটার ঘেরা জাল জব্দ করেছে হাটহাজারী উপজেলা প্রশাসন। মঙ্গলবার বিকাল ৪ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করেন ইউএনও মোহাম্মদ শাহিদুল আলম।

ইউএনও বলেন, হালদা নদীর গড়দুয়ারার নয়াহাট থেকে কালুরঘাট ব্রীজ পর্যন্ত সাড়াশি অভিযান পরিচালনা করে ৮ হাজার মিটার ঘেরা জাল জব্দ করা হয়।

সুনির্দিষ্ট তথ্যের ভিত্তিতে পরিচালিত অভিযান সম্পর্কে অবৈধ মৎস্য শিকারী’রা আঁচ করতে পেরে জাল ফেলে পালিয়ে যায়। তাদের কাউকে আটক করা যায় নি। পরে সেচ্ছাসেবীদের সহযোগিতায় জালগুলো উত্তোলন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, হালদার মা মাছ, ডলফিন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় উপজেলা প্রশাসনের নিয়মিত কঠোর অভিযান চলবে। সংশ্লিষ্টদের তথ্য দিয়ে তিনি সহযোগিতা করার অনুরোধ জানান। অভিযানে সহযোগিতা করে আইডিএফ ও সেচ্ছাসেবী রোশনগীর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৭, ২০২১ ১২:১৩ অপরাহ্ন
নরসিংদীতে খাঁচায় মাছ চাষ,পরিদর্শনে আফ্রিকান দুই মন্ত্রী
মৎস্য

নরসিংদীর পলাশ উপজেলার শীতলক্ষ্যা নদীতে ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষের ঘের পরিদর্শন করেছেন আফ্রিকান দুই মন্ত্রীসহ একটি প্রতিনিধিদল। মঙ্গলবার বিকেলে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকার পলাশ বাজারের পাশ দিয়ে বয়ে চলা শীতলক্ষ্যায় খাঁচায় মাছ চাষের ঘের দেখতে যান তারা। 

প্রতিনিধি দলে ছিলেন ইউনাইটেড রিপাবলিক অব তানজানিয়ার প্রাণিসম্পদ ও মৎস্যমন্ত্রী মাশিম্বা নাদাকি (এমপি), জাঞ্জিবারের বিপ্লবী সরকারের নীল অর্থনীতি ও মৎস্যমন্ত্রী আবদুল্লাহ হুসেন কম্বো ও প্রাণিসম্পদ ও মৎস্য মন্ত্রণালয়ের সহকারী পরিচালক স্টিফেন অগাস্টিন লুকাঙ্গাসহ দলের সদস্যরা।

পলাশের শীতলক্ষ্যা নদীতে সোহরাব হোসেন নামের এক ব্যক্তি ওই ভাসমান খাঁচায় মাছ চাষ করেন।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) ফারহানা আফসানা চৌধুরী প্রতিনিধি দলের সদস্যদের ফুল দিয়ে অভ্যর্থনা জানান। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন নরসিংদী জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বেলাল হোসেন ও পলাশ উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা শফিকুল আলম প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ৩:৪৮ অপরাহ্ন
ইলিশ উৎপাদন বৃদ্ধিতে ২৪৬ কোটি টাকার প্রকল্প
মৎস্য

এক লাখ টন ইলিশ মাছের উৎপাদ বৃদ্ধি করতে সরকার ২৪৬ কোটি ২৭ লাখ টাকার একটি প্রকল্প গ্রহণ করেছে।

এই প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে চলতি বছরের উৎপাদন সাড়ে পাঁচ লাখ মেট্রিক টন থেকে বৃদ্ধি পেয়ে সাড়ে ছয় লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হবে। এমনটি জানালেন ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের পরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী।

মঙ্গলবার দুপুরে মানিকগঞ্জ জেলা পরিষদ মিলনায়তনে ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পএর আওতায় জেলা পযায়ে অবহিতকরণ কর্মশালায় সভায় তিনি এই তথ্য প্রদান করেছেন।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো.সাইফুর রহমানের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল লতিফ। এসময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) ছানোয়ারুল হক, মৎস্য অধিদপ্তরের ঢাকা বিভাগের উপ-পরিচালক জিল্লুর রহমান, সিনিয়র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার(ডিএসবি) নাসির উদ্দিন মল্লিক, সদরের সিনিয়র উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. জহিরুল ইসলাম আকন্দ। অনুষ্ঠানের মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন শিরিন শীলা।

ইলিশ সম্পদ উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনা প্রকল্পের ওই অবহিতকরণ সভায় বক্তারা জানিয়েছেন, সারা বিশ্বে যত ইলিশ পাওয়া যায় তার ৮০ ভাগই বাংলাদেশে উৎপাদন হয়ে থাকে।

বিশ্বের বাংলাদেশের অন্যতম পরিচয় বহন করে ইলিশের দেশ হিসেবে। সরকার এই ইলিশ মাছ উপহার স্বরূপ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে থাকেন।

প্রকল্প পরিচালক জিয়া হায়দার চৌধুরী তার বক্তব্যে বলেছেন, মা ইলিশ ও জাটকা সংরক্ষণে মৎস্য আইন বাস্তবায়ন এবং ইলিশ জেলেদের বিপল্প কর্মস্থানের সুযোগ সৃষ্টির মাধ্যমে ইলশের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে। সেইসঙ্গে অভয়াশ্রম ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেও ইলশের উৎপাদন বৃদ্ধি করতে হবে।

জাটকা ও মা ইলিশ আহরণকারী ৩০ হাজার জেলে পরিবারকে বিকল্প কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে বলেও ওই কর্মশালায় অবহিত করা হয়।

এদিকে অবহিতকরণ সভায় অংশগ্রহনকারীরা বলেছেন, কারেন্ট জাল উৎপাদন ও বিপণন বন্ধ না করতে পারলে সরকারের কাঙ্খিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন সম্ভব নয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৬, ২০২১ ১:১৫ অপরাহ্ন
বিপুল পরিমাণ জাটকা ইলিশ জব্দ
মৎস্য

ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কের গৌরনদী উপজেলার আশোকাঠী ফিলিং স্টেশন সংলগ্ন এলাকায় চেকপোষ্ট বসিয়ে বিভিন্ন পরিবহন ও মিনি ট্রাকে অভিযান চালিয়ে বিপুল পরিমাণ জাটকা জব্দ করা হয়েছে। 

সোমবার রাতে উপজেলা প্রশাসন, মৎস্য অফিস ও হাইওয়ে থানা পুলিশ এ অভিযান পরিচালনা করে।

এসময় জাটকা পরিবহনের দায়ে একটি মিনি ট্রাকের চালককে পাঁচ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন উপজেলা সহকারী কমিশনার ভূমি ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলাম প্রিন্স।

পরে জব্দকৃত জাটকাগুলো বিভিন্ন এতিমখানায় বিতরণ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৫, ২০২১ ১২:৩৮ অপরাহ্ন
চট্টগ্রামে হালদা নদীতে অভিযান, ঘেরা জাল জব্দ
মৎস্য

চট্টগ্রামে হাটহাজারী উপজেলা হালদা নদীতে প্রশাসনের অভিযানে ৪টি ঘেরা জাল জব্দ করা হয়েছে। জব্দকৃত জালের পরিমাণ ২ হাজার ৮০০ মিটার।

রোববার (১৪ নভেম্বর) সন্ধ্যা ৭টা থেকে রাত ২টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।

জানা গেছে, রাউজান সীমান্তের গুজরা ইউনিয়নের আজিমের ঘাট এলাকা থেকে ২টি, নাপিতের ঘাট এলাকা থেকে ১টি, আমতুয়া এলাকা থেকে ১টিসহ মোট ৪টি ঘেরা জাল জব্দ করা হয়। যার দৈর্ঘ্য প্রায় ২ হাজার মিটার। এছাড়াও হালদা নদীর ছিপাতলী এলাকায় আলম্মের কুম এলাকা থেকে ৮০০ মিটার জাল জব্দ করা হয়।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) শাহিদুল আলমের নেতৃত্বে অভিযানে সহযোগিতা করেন ছিপাতলী ইউনিয়ন পরিষদ সদস্য মো. মাহাবুবুল আলম মানিক, জুনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম ও স্থানীয় গ্রামপুলিশ সদস্যরা।

ইউএনও শাহিদুল আলম বলেন, হালদা নদীর মা মাছ, ডলফিন ও জীববৈচিত্র্য রক্ষায় নিয়মিত অভিযান চলবে। সংশ্লিষ্ট সবাইকে তথ্য দিয়ে সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করছি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ১৪, ২০২১ ১০:২৫ পূর্বাহ্ন
এক শাপলাপাতা মাছ তিন লাখ টাকায় বিক্রি
মৎস্য

বরগুনার তালতলীতে ১৫ মণ ওজনের একটি শাপলাপাতা মাছ তিন লাখ টাকায় বিক্রি হয়েছে। শনিবার (১৩ নভেম্বর) বিকেল সাড়ে ৩টার দিকে তালতলী মাছ বাজারে মাছটি বিক্রি হয়।

মৎস্যবাজার সূত্র জানায়, শুক্রবার (১২ নভেম্বর) দিনগত রাতে বঙ্গোপসাগরের কুয়াকাটা অংশে কয়েকজন জেলের জালে বিশালাকৃতির মাছটি ধরা পড়ে। শনিবার সকালে কুয়াকাটার মহিপুরের মেসার্স খান মৎস্য আড়তে মাছটি বিক্রি করেন জেলেরা। খবর পেয়ে তালতলীর মাছ বিক্রেতা খলিলুর রহমান দেড় লাখ টাকায় মাছটি কিনে তালতলী নিয়ে আসেন।

মাছটি বিক্রির জন্য স্থানীয় বাজারে মাইকিং করা হয়। পরে মাছটি কেটে বিক্রি করেন খলিলুর রহমান। প্রতি কেজি ৫০০ টাকা দরে বিক্রি করা হয়। বিশাল আকৃতির মাছটি দেখতে তালতলী বাজারে উৎসুক জনতা ভিড় করেন।

ক্রেতা সালেহ আহম্মেদ বলেন, বিশাল এক মাছ বাজারে এসেছে—এমন খবর পেয়ে চলে এসেছি। আমি এবং আমার পরিবারের সবাই সামুদ্রিক মাছ খুব পছন্দ করি। এর আগেও শাপলাপাতা মাছ খেয়েছি। এ মাছে প্রচুর ভিটামিন রয়েছে। আজ দুই হাজার টাকায় চার কেজি নিলাম।

বিক্রেতা খলিলুর রহমান বলেন, এর আগে অন্য এক বিক্রেতা তালতলীতে বড় সাইজের শাপলাপাতা মাছ এনেছিলেন। তখন সবাই খুব আগ্রহসহকারে মাছ কিনেছিলেন। তালতলীতে এ মাছের চাহিদা রয়েছে। তাই মহিপুর থেকে মাছটি কিনে আনি। মাছটি কেটে ৫০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করা হয়েছে। তবে অতদূর থেকে মাছটি তালতলী পর্যন্ত আনতে অনেক টাকা পরিবহন বাবদ খরচ হয়েছে বলে তিনি জানান।

বরগুনা মৎস্য কর্মকর্তা বিশ্বজিৎ কুমার দেব বলেন, প্রজননে বিঘ্ন ঘটায় শাপলাপাতা মাছ এখন বিলুপ্তির পথে। এরকম আরও কয়েক প্রজাতির মাছ রয়েছে, যা ধরতে জেলেদের আমরা নিরুৎসাহিত করি। এ মাছে প্রচুর পরিমাণ পুষ্টিগুণ রয়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop