২:১৩ অপরাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২১ ৬:৩০ অপরাহ্ন
কৃষি উদ্যোক্তাদের জন্য হচ্ছে মন্ত্রণালয়ের পৃথক সেল
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘দেশে এখন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি ও তাদের উৎসাহিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দেশে কৃষি উদ্যোক্তারা কে কী ফসল চাষ করবে, কোন ধরনের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করবে, তাদের কী সহযোগিতা দরকার- এসব বিষয়ে দেখভাল, সহযোগিতা এবং যোগাযোগ রক্ষা করবে এই সেল।’

কৃষি উদ্যোক্তাদের উৎসাহ দিতে এবং নতুন উদ্যোক্তা তৈরি করতে একটি পৃথক সেল গঠন করছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

রাজধানীর ফার্মগেটে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) মিলনায়তনে শনিবার কৃষি উদ্যোক্তা সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এ কথা জানান কৃষিমন্ত্রী মো. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘দেশে এখন কৃষি উদ্যোক্তা তৈরি ও তাদের উৎসাহিত করা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সারা দেশে কৃষি উদ্যোক্তারা কে কী ফসল চাষ করবে, কোন ধরনের কৃষিপণ্য প্রক্রিয়াজাত করবে, তাদের কী সহযোগিতা দরকার- এসব বিষয়ে দেখভাল, সহযোগিতা এবং যোগাযোগ রক্ষা করবে এই সেল।’

কৃষিমন্ত্রী জানান, এ বছরের মধ্যে সারা দেশে ২৮ হাজার কোটি টাকারও বেশি কৃষি ঋণ বিতরণের খোঁজ খবর রাখতে মাঠ কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘কৃষকেরা সঠিকভাবে ঋণ পাচ্ছে কিনা, ঋণ পেতে কি কি সমস্যার সম্মুখীন হচ্ছেন এবং অতিরিক্ত খরচ হচ্ছে কিনা, কোন জেলায় কী পরিমাণ ঋণ বিতরণ হচ্ছে-এসব বিষয়ে খোঁজখবর রাখতে ইতোমধ্যে কঠোর নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।’

অনুষ্ঠানে সাম্প্রতিক সাম্প্রদায়িক সহিংসতা নিয়েও কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘এবারের দুর্গাপূজায় যে সহিংসতা হয়েছে, হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ওপর যে আক্রমণ হয়েছে তা জাতির জন্য লজ্জাজনক। এটি আমাদের গায়ে কালিমা লেপন করেছে। এ ধরনের ঘটনা কোনোক্রমেই কাম্য নয়।

‘ধর্মের নামে অপপ্রচার চালিয়ে যারা রংপুরের জেলেপল্লিতে মানুষের ঘরবাড়ি ভাঙচুর করেছে, আগুনে পুড়িয়েছে তারা অমানুষ, পশুতুল্য এবং বর্বর। এ ধর্মান্ধ বর্বরদের শিকড় সমূলে উৎপাটন করতে হবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২১ ১২:৫৯ অপরাহ্ন
ছাদে যেভাবে চাষ করবেন জামরুল
কৃষি বিভাগ

বিষমুক্ত ফল ও সবজি পেতে দেশের মানুষ ছাদ বাগানের দিকে ঝুঁকছে। ছাদে লাগানোর জন্য ফুল ও বাহারি গাছের চেয়ে ফল ও সবজি লাগানো ভালো। ফল হিসেবে জামরুল আমাদের দেশে জনপ্রিয়। খুব সহজে ছাদে জামরুল চাষ করা যায়। তাই জেনে নিন এ চাষ পদ্ধতি।কাঁচা-পাকা সব অবস্থাতেই জামরুল খাওয়া যায়। মৌসুমে জামরুল গাছে কয়েক দফায় জামরুল ধরে। ফলের গড়ন অনেকটা নাশপাতির মতো, সাদা মোমের মতো।

সম্প্রতি দেশে এসেছে নতুন কিছু জামরুলের জাত। যেগুলো আকারে বড়, স্বাদেও মিষ্টি। থাইল্যান্ড থেকে এসব জাতের জামরুল এসেছে বলে একে সবাই বলছে থাই জামরুল।

আধুনিক জাতের জামরুলের গাছ হয় ঝোঁপালো ও খাটো। তাই এসব জাতের গাছ ছাদে হাফ ড্রামে লাগানো যেতে পারে। তবে বাড়ির আঙিনায় জায়গা থাকলে টব বা ড্রামের চেয়ে মাটিতে লাগানো ভালো। হাফ ড্রামে মে মাসের মধ্যেই দো-আঁশ মাটি অর্ধেক ও অর্ধেক গোবর বা জৈব সার মিশিয়ে ভরতে হবে।

সাথে প্রতিটি হাফ ড্রামে ১ কেজি কাঠের ছাই ও ৫০০ গ্রাম হাঁড়ের গুঁড়া, ২৫০ গ্রাম টিএসপি, ১৫০ গ্রাম এমওপি এবং ৫০ গ্রাম বোরণ সার মিশিয়ে দেবেন। তবে ড্রামের ওপরের কানা থেকে অন্তত দু ইঞ্চি খালি রেখে সারও মাটি ভরবেন।

মাটিতে লাগানো গাছ বাড়ে বেশি। একাধিক কলম লাগালে একটি কলম থেকে অন্য কলমের দূরত্ব দিতে হবে ৩-৪ মিটার। তবে বাগান করতে চাইলে সব দিকে সমান দূরত্ব দিয়ে কলম লাগাতে হবে। জুন-জুলাই মাস কলম রোপণের উপযুক্ত সময়। তবে বছরের যেকোনো সময় জামরুল গাছ লাগানো যায়। নির্দিষ্ট জায়গায় সব দিকে আধা মিটার মাপ দিয়ে গর্ত করতে হবে।

গর্তের মাটির সাথে মিশাতে হবে গর্ত প্রতি ১৫ কেজি গোবর সার, ১ কেজি কাঠের ছাই ও ৫০০ গ্রাম হাঁড়ের গুঁড়া। গর্তের মাঝখানে কলম লাগিয়ে গোড়ার মাটি চেপে দিতে হবে। কাঠি পুঁতে ঠেস দিতে হবে। লাগানোর পর হালকা সেচ ও শুকানোর সময় সেচ দিতে হবে। ছোট গাছে ও ফলবান গাছে প্রতি বর্ষার আগে রাসায়নিক সার দিলে উপকার পাওয়া যায়।

ফলবান প্রতিটি গাছে বছরে ১০ কেজি গোবর সারের সাথে ৫০০ গ্রাম সরিষার খৈল, ১ কেজি ইউরিয়া, ৫০০ গ্রাম এমওপি ও ৫০০ গ্রাম টিএসপি সার গোড়া থেকে একটু দূরে চার দিকের মাটি নিড়িয়ে মাটির সাথে মিশিয়ে দিতে হবে। এসব ঝামেলা মনে হলে ছাদ বাগানে ড্রামের গাছে গাছ প্রতি ৪-৮টি ট্যাবলেট সার গাছের গোড়ার মাটিতে পুঁতে দিয়ে বছর ভর উপকার পেতে পারেন। জামরুল গাছ ছাদে লাগানোর পরে নিয়মিত যত্ন নিতে হবে। নিয়তিম পরিমাণ মতো পানি দিতে হবে। তাইলে আশানুরূপ ফলন পাওয়া যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২১ ১১:৪৯ পূর্বাহ্ন
লাউ চাষে বছরে ৭০ হাজার টাকা আয় করেন দুলাল
কৃষি বিভাগ

কুড়িগ্রামের রাজারহাট উপজেলার ছিনাই ইউনিয়নের মীরের বাড়ি গ্রামের বাসিন্দা দুলাল খন্দকার (৬৫)। তিনি ২০ বছর ধরে লাউ চাষ করে সফল হয়েছেন। চলমান খরিপ-২ মৌসুমে বসত বাড়ির পাশেই চল্লিশ শতক জমিতে লাউয়ের আবাদ করে আসছেন তিনি। তার ক্ষেতের উৎপাদিত লাউ জেলা থেকে শুরু উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলায় যাচ্ছে।

লাউ চাষি দুলাল খন্দকার জানান, বিশ বছর আগে অনান্য সবজির পাশাপাশি লাউয়ের আবাদ শুরু করি। তবে অনান্য সবজিতে তেমন লাভের মুখ না দেখলেও লাউ চাষে যথেষ্ট লাভবান হতে শুরু করি। তখন থেকেই লাউ চাষে ঝুঁকে পড়ি। লাউ চাষে আয়ের টাকা দিয়ে পরিবারের সকল সদস্যদের ভরণ-পোষণসহ সংসারের যাবতীয় খরচ বহন করে আসছি।

এছাড়াও লাউ চাষে আয়ের টাকা দিয়ে আমার তিন ছেলেকে লেখাপড়া করিয়েছি। বড় ছেলে ইন্টারমিডিয়েট পাস করে পুলিশে চাকরি করছে। দ্বিতীয় ছেলে ডিগ্রি পাস করে এনজিওতে চাকরি করছে এবং তৃতীয় ছেলে মাস্টার্সে পড়ছে। লাউ চাষে কখনো ক্ষতিগ্রস্ত হইনি। বিশ ধরে লাউ চাষে যথেষ্ট লাভবান হয়েছি। এবারও ৪০ শতক জমিতে লাউ চাষ করেছি।

৪০ শতকে জমি তৈরি, সার, সেচ, কীটনাশক, মাচা তৈরিসহ পরিচর্যা খাতে আমার ব্যয় হয়েছে ১০ হাজার টাকা। তাতে প্রতি শতকে ব্যয় হয়েছে ২৫০ টাকা করে। ফলন ভালো হয়েছে। এবার মৌসুমের শুরুতেই আট হাজার টাকার লাউ বিক্রি করেছি। ৪শ টি লাউয়ের প্রতিটি ২০-২৫ টাকা দরে বিক্রি করেছি। আশা রাখি এবার লাউ বিক্রি করে এক লাখ টাকা আয় করবো। যদি আবহাওয়া অনুকূলে থাকে এবং বাজার দর ভালো থাকে তাহলে লাউ বিক্রি করে ব্যাপক লাভবান হবো।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, চলমান মৌসুমে জেলার নয়টি উপজেলার ১ হাজার ১শ ৪৮ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত ছিল। তবে সে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গিয়ে ১ হাজার ১শ ৯৫ হেক্টর জমিতে শাকসবজির চাষ হয়েছে। এতে শাক-সবজির ভালো ফলন হয়েছে।

রাজারহাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সম্পা আক্তার জানান, উপজেলায় এ মৌসুমে ৭শ হেক্টর জমিতে শাক-সবজি চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারিত হয়েছে। তবে এখনও অনেক জমিতে। শাক-সবজি চাষ না করায় লক্ষ্যমাত্রা এখনও পুরোপুরি অর্জিত হয়নি। কিন্তু খরিপ-২ এ চল্লিশ হেক্টর জমিতে লাউয়ের চাষ হওয়ায় লাউয়ের ফলন ভালো হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২১ ১১:০০ পূর্বাহ্ন
টানা বৃষ্টিতে নুয়ে পড়েছে ধান ও আলু গাছ
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ী উপজেলায় ধান, আগাম জাতের আলু, রবি শস্যসহ কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতেবিভিন্ন ফসলের ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টি ও ঝড়োহাওয়ায় ধান গাছ নুয়ে পড়েছে মাটিতে। জমে থাকা পানিতে ফসল পচে যাওয়ার আশঙ্কা দুশ্চিন্তায় পড়েছে কৃষকরা। মৌসুমের শুরুতে আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা থাকলেও চলমান বৃষ্টিতে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে বলে জানিয়েছে কৃষকরা।

শিবনগর ইউনিয়নের রবিউল হক জানান, আগাম জাতের আলু ও ধানের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। টানা বৃষ্টি ও মৃদু বাতাসে অধিকাংশ জমির ধান মাটিতে নুয়ে পড়েছে। বেতদীঘি ইউনিয়নের কৃষক আব্দুল হামিদ, সামিউল ইসলামসহ অনেক কৃষক জানায়, আসছে শীত মৌসুমে আগাম জাতের রবিশস্য উৎপাদনের আশায় আলুসহ শীতকালীন সবজির মাঠে পানি জমে থাকায় চরম দুশ্চিন্তার দিন কাটছে তাদের।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কার্যালয় জানায়, এবছর এ উপজেলায় ১৮ হাজার ১৮১ হেক্টর জমিতে আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। চাষ হয়েছে ১৮ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে, যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি। সম্ভাব্য (চাল) উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ৫০ হাজার ২০২ মেট্রিকটন। ৫০ হেক্টর জমিতে হয়েছে আগাম আলু চাষ।

এবার উফশী জাতের ধান ব্রি-৩৪, ব্রি-৩৯ ব্রি-৫১, ব্রি-৫২, বিনা-১৭, সম্পা কাটারি, স্বার্ণা-৫, গুটিস্বর্ণা, রঞ্জিত, সোনামুখী এবং হাইব্রিট জাতের টিয়া, ধানিগোল্ড, হীরা, এজেড-৭০০৬ জাতের ধান চাষ হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুম্মান আক্তার জানান, হাইব্রিট ও সোনামুখী আগাম জাতের কিছু ধান কাটা শুরু হয়েছে। বাকি ধান কার্তিকের শেষ থেকে কাটা শুরু হবে। ফলন যাতে ভালো হয় সেদিক লক্ষ রেখে মাঠে নিয়মিত কৃষকদের পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। বৃষ্টি প্রাকৃতিক ব্যাপার, তবে এ বিষয়ে কৃষকদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ দেয়া হচ্ছে। আশা করি খুব একটা ক্ষতি হবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ৪:৫৩ অপরাহ্ন
ছাদ বাগানে ঝিঙে চাষ করে কৃষক আবু সাঈদের চমক
কৃষি বিভাগ

ইউরোপের মত দেশে থেকেও কৃষির নেশা ছাড়তে পারেনি সৌখিন কৃষক আবু সাঈদ। তাই সুযোগ পেলেই ছুটে আসেন দেশে। বাড়ির ছাদে নানা সবজির চাষ করে ব্যাপক বিনোদন পান তিনি। এবার ছাদে বাক্স পদ্ধতিতে ঝিঙে চাষ করে তাক লাগিয়ে দেন সবাইকে। মাচায় ঝুলে আছে ঝিঙে।এমন দৃশ্য দেখা যায়, কুমিল্লা সদর দক্ষিণ উপজেলার কুন্দরঘোড়া গ্রামে।

ইউরোপ প্রবাসী আবু সাঈদ জানান, তারা তিন ভাই ইউরোপের ইস্তাম্বুল, বেলারুশ ও স্পেনে থাকেন। তবে ইউরোপে থাকলেও কৃষির প্রতি তাদের দুর্বলতা রয়েছে। তিন ভাই বছরের বিভিন্ন সময় পালা করে দেশে আসেন। কৃষি ক্ষেত পরিচর্যা করেন। আবু সাঈদ জানান, গত দুই বছর আগে বাসার ছাদে কাঠ দিয়ে বাক্স বানিয়েছি। সেখানে মিষ্টি কুমড়ো চাষ করেছিলাম। প্রচুর মিষ্টি কুমড়ো হয়। আমার উৎসাহ বাড়ে। পরে ইস্তাম্বুল ও স্পেন থেকে আমার বড় ও ছোট ভাই আসে। তারাও কাজ শুরু করে।

আবু সাঈদ বলেন, গত মাসখানেক আগে বাসার ছাদে কাঠের বাক্স তৈরি করে ছাদ থেকে অন্তত দেড় ফুট উঁচুতে। জৈব সার দিয়ে মাটি প্রস্তুত করি। সেখানে ৩৫ টি ঝিঙে বীজ রোপণ করেছি। মাত্র এক মাসেই ছাদ বাগান থেকে দেড় মণ ঝিঙে পেয়েছি। দেড় মণ ঝিঙে থেকে ৩০ কেজি আত্মীয়-স্বজন ও প্রতিবেশীদের মধ্যে বিলিয়েছি। বাকি ৩০ কেজি ৩০ টাকা দরে বিক্রি করেছি। মূলত শখের বসেই শাক সবজি চাষ করেন।

আবু সাঈদ জানান, গত দুই বছর আগে চিন্তা করেছি বাসার খালি ছাদটাকে কীভাবে কাজে লাগানো যায়। সেই চিন্তা থেকে কাজ শুরু করি। কাঠ দিয়ে বাক্স তৈরি করে নানান জাতের সবজির চাষ করি। এ কাজে বীজ ও পরামর্শ দিয়ে সহযোগিতা করে কৃষি কর্মকর্তারা।

এ বিষয়ে সদর দক্ষিণ উপজেলার উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা সাহিদা খাতুন বাসসকে জানান, প্রবাসী আবু সাঈদ একজন কৃষি উদ্যোক্তা। তার উৎসাহের কারনে উন্নত জাতের ঝিঙের বীজ দেই।

তিনি আমাদের পরামর্শ গ্রহণ করেন। ঝিঙের চমৎকার ফলন হয়। এই এলাকায় যাদের বাসায় ছাদ রয়েছে তারা এখন বাক্স পদ্ধতিতে সবজি চাষে উৎসাহিত হচ্ছে। এতে করে পরিবারের ভিটামিনের চাহিদা মিটিয়ে উদ্বৃত্ত বাজারে বিক্রি করে অর্থসংস্থানও হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ৪:০৭ অপরাহ্ন
লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে আমন ধানে কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলায় আগাম আমন ধান কাটতে শুরু করেছেন এলাকার কৃষকেরা। ফসল ভরা মাঠ থেকে ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন তারা। চলতি মাসেই চিরিরবন্দরে বিভিন্ন এলাকায় আগাম জাতের আমন ধান কাটা ও মাড়াই শুরু হয়েছে।

উপজেলার কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এবার উপজেলায় ২৩ হাজার ২৭৫ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। যা অর্জিত হয়েছে ২৩ হাজার ৩১০ হেক্টর জমি। যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে গত বছরের তুলনায় অনেক বেশি ফলন হয়েছে। তবে এবার পার্চিং পদ্ধতি ব্যাপকহারে ব্যবহারের ফলে রোপা আমন ধানের ভালো ফলন আশা করছে কৃষি বিভাগ।

এবারের আমন আবাদের শুরুটা মোটেও ভালো ছিল না। প্রথম থেকেই কৃষকের মধ্যে ছিল শঙ্কা। প্রথমত পর্যাপ্ত বৃষ্টিপাত না হওয়া, দ্বিতীয়ত অনাবৃষ্টি। ক্ষুদ্র ও মাঝারি কৃষকের মাথায় হাত পড়ে। আমনের যে টার্গেট তারা করেছিল, তা পূরণ না হওয়ার শঙ্কা দেখা দেয়। বর্ষাকাল পেরিয়ে যাওয়ার পরেও আকাশে কালো মেঘের আনাগোনা দেখা মেলেনি। কাঙ্কিত বৃষ্টিপাত না হলেও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের নিয়মিত পরামর্শে সবকিছু মোকাবিলা শেষে মাঠ ঘুরে দেখা যায় আমনের ফলন এবার ভালোই হয়েছে।

স্থানীয় কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা যায়, বাংলা সনের কার্তিক শুরু হতে না হতেই চারিদিকে আগাম জাতের আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। তবে যেসব মাঠ উঁচু এবং আগাম জাতের আলু রোপন করার মতো জমি- সেসব জমিতে আগাম জাতের আমন ধান কাটতে ব্যস্ত সময় পার করছেন এলাকার কৃষকেরা। সেই সাথে গৃহিনীরাও বাড়ির আঙ্গিনা ও উঠান তৈরির কাজে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ জোহরা সুলতানা জানান, কৃষকেরা গত বছরের চেয়ে সঠিক সময়ে ধান চাষ করায় বর্তমান আশানুরূপ ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এবার চিরিরবন্দরে আমন ধান চাষ বেশি হয়েছে। আবহাওয়া অনুকূল থাকায় এবার ফলন বেশ ভাল হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২১ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
কমতে শুরু করেছে পেঁয়াজের দাম
কৃষি বিভাগ

খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পেঁয়াজ ৮০ টাকার বেশি বিক্রি হয়েছে কয়েকদিন আগেও। এখন তা মিলছে মানভেদে ৫৫ থেকে ৬০ টাকায়। অর্থাৎ উর্ধ্বমুখী পেঁয়াজের দাম কমতে শুরু করেছে।

গতকাল রাজধানীর কয়েকটি বাজার ঘুরে এমন চিত্র দেখা গেছে।

ব্যবসায়ীরা বলছেন, ভারত থেকে প্রচুর পেঁয়াজ আসায় বাজারে দাম কমেছে। সরবরাহ স্বাভাবিক থাকলে আগামীতে আর পেঁয়াজের বাজার অস্থিতিশীল হওয়ার আশঙ্কা নেই।

খুচরা বাজার ঘুরে দেখা গেছে, ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজ প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৫ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে। এতে দেশি পেঁয়াজের দামও কমে ৬০ টাকায় মিলছে। কিছু দোকানে বাছাই করা ভালো মানের দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৬৫-৭০ টাকায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২১, ২০২১ ১১:৫৭ পূর্বাহ্ন
অধিক লাভে আখ চাষের দিকে ঝুঁকছেন গাজীপুরের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জে আখ চাষে বাম্পার ফলন হয়েছে। এতে ওই এলাকার কৃষকরা খুবই খুশি। তারা বাজারে ন্যায্য মূল্যও পাচ্ছেন ভালো। এতে কৃষকদের আখ চাষে আগ্রহ বাড়ছে।

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের তথ্য মতে, গতবছর ৬০ হেক্টর জমিতে ৩ হাজার ৬১৪ টন আখের আবাদ হয়েছে। এ বছর তা বেড়ে ৬২ হেক্টর জমিতে ৩ হাজার ৭৩৫ টন আখের আবাদ হয়েছে।

উপজেলার প্রতিটি ইউনিয়নেই কমবেশি আখের চাষ হয়। তবে বাহাদুরসাদী, জামালপুর, মোক্তারপুর ও কালীগঞ্জ পৌরসভায় একটু বেশি চাষ হয়ে থাকে। এ উপজেলায় বিভিন্ন জাতের আখ চাষ হলেও ঈশ্বরদী ১৬ ও ৩৬, টেনাই, বিএসআরআই ৪১ ও ৪২ জাতের আখ বেশি চাষ হচ্ছে। দিন দিন আখ চাষে স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে যে আগ্রহ লক্ষ্য করা গেছে, এ ধারা অব্যাহত থাকলে ভবিষ্যতে লক্ষ্যমাত্রা অতিক্রম করবে।

এখন আখের ভরা মৌসুম। গরম কিংবা শীত যে কোনো ঋতূতেই পাওয়া যায় আখ। আর এই আখ বাংলাদেশে চিনি উৎপাদনের প্রধান কাঁচামাল। আখের রস হালকা থেকে গাঢ় সবুজ বর্ণের মিষ্টি তরল পানীয়। আখ বা আখের রস হলো প্রাকৃতিক মিনারেল ওয়াটার, যা আমাদের শুধু তৃষ্ণা নিবারণ করে না, বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধেও কার্যকরী ভূমিকা রাখে। আখ চাষে ৭/৮ মাসের মধ্যে বাজারজাত করা যায় এবং ফলনও পাওয়া যায় বলে এ ফসল চাষ করে অনেক কৃষক স্বাবলম্বী হচ্ছেন।

বাহাদুরসাদী ইউনিয়নের বাশাইর গ্রামের আখ চাষি আব্দুর রহমান জানান, তিনি গত বছর ১০ শতাংশ জমিতে আখের চাষ করেছেন। ওই পরিমাণ জমিতে চাষ করতে খরচ হয়েছিল ৩৪ হাজার টাকা। তিনি পাইকারী ৪০ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন। এবছর একই পরিমাণ জমিতে আখের চাষ করে ৪৪ হাজার টাকা খরচ করে তিনি ৫৫ হাজার টাকা বিক্রি করেছেন।

একই ইউনিয়নের খলাপাড়া গ্রামের আরেক আখ চাষি ইসলাম সরকার বলেন, ‘আমি নিজেই সব কাজ করি। এজন্য খরচ খুব একটা হয় না। তবে ৯ শতাংশ জমিতে আমার মাত্র ১০/১৫ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। গত বছর একই পরিমাণ জমিতে একই খরচে ৮০ হাজার টাকা বিক্রি করলেও এ বছর ওই জমির আখ ১ লাখ ২০ হাজার টাকা বিক্রি করেছি।’ একই গ্রামের আব্দুল বাতেন জানান, তিনি মাত্র ৫ শতাংশ জমিতে আখ চাষ করেছেন। গত বছরও তিনি একই পরিমাণ জমিতে আখ চাষ করেছেন। তবে ৩২ হাজার টাকা বিক্রি করলেও এ বছর বিক্রি করেছেন ৪০ হাজার টাকা।

উপজেলার বক্তারপুর ইউনিয়নে দেউলিয়া গ্রামের আখ চাষি আবেদ আলী জানান, এবার প্রথম তিনি ৪ বিঘা জমিতে আখের চাষ করেছেন। গত বছর প্রতিবেশীকে দেখে আখ চাষে তিনি উদ্বুদ্ধ হন। ফলন এবং ন্যায্য মূল্যে খুশি বলেও জানান ওই আখ চাষি।
কালীগঞ্জ পৌর এলাকার ঘোনাপড়া গ্রামের আক্তার হোসেন বলেন, ‘প্রতিবেশী দুলাল হোসেন, মাজু মিয়া, পনির হোসেন, আকরাম হোসেন মিলে স্থানীয় একজনের কাছ থেকে ৪ বিঘা জমি বর্গা হিসেবে নিয়ে আমরা ৫ জন মিলে আখের চাষ করছি। তবে ফলন এবং ন্যায্য মূল্যে আমরা সবাই খুশি।’

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. সাইফুল ইসলাম জানান, আখের রসে ক্লান্তি দূর করার পাশাপাশি ত্বকের জন্যও এটি সমান কার্যকরী। এছাড়াও আখের রসকে প্রাকৃতিক এনার্জি ড্রিংকসও বলা হয়। আখের রস গর্ভবতী নারীদের খাদ্য তালিকায় যুক্ত করলে উপকার লাভ করা যায়। এটি গর্ভধারণে সাহায্য ও নিরাপদ গর্ভাবস্থা নিশ্চিত করে। আখের রসে প্রচুর ফলিক এসিড বা ভিটামিন বি ৯ থাকে, যা স্পিনা বিফিডার মতো জন্মগত ত্রুটি থেকে সুরক্ষা দেয়।

এছাড়াও নারীর ডিম্বস্ফোটনের সমস্যা কমায় এবং গর্ভধারণের সম্ভাবনা বৃদ্ধি করে। দাঁত ক্ষয়ের পাশাপাশি নিঃশ্বাসের দুর্গন্ধের সমস্যাও আখের রস পান করার মাধ্যমে পূরণ করা যায়। রসে ক্যালসিয়াম ও ফসফরাসের মতো খনিজ উপাদান থাকে, যা দাঁতের এনামেল গঠনে সাহায্য করে। শিশুরা যদি আখ চিবিয়ে রস পান করে, তাহলে দাঁতের সমস্যা কম হয়। আখের রসে ক্যালসিয়াম থাকে, যা দাঁত ও হাড়ের শক্তি বৃদ্ধিতে সাহায্য করে। পেটের সমস্যায় আখ খুব উপকারী।

কালীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ ফারজানা তাসলিম বলেন, ‘উপজেলার যেসব এলাকায় আখ চাষ বেশি হচ্ছে, স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ওই এলাকার আখ চাষিদের প্রশিক্ষণ ও প্রদর্শনী দেয়াসহ আখ মাড়াই যন্ত্র দেয়া হয়েছে। পাশাপাশি আখ লাগানো থেকে শুরু করে উঠানো পর্যন্ত বিভিন্ন ধাপে-ধাপে সার প্রয়োগ ও রোগ-বালাই নিয়ে পরামর্শ দিচ্ছে মাঠ পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা।’ বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২১, ২০২১ ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
কৃষকের মাঝে সাড়া ফেলেছে বিনা ধান ১৭
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর ধামইরহাটে গতবছর রোপা আমন মৌসুমে বিনা ধান ১৭ চাষ করে ভালো ফলন ও দাম পাওয়ায় এবারও আগেভাগেই কোমর বেঁধে মাঠে নেমেছেন কৃষাণ-কৃষাণী।

বিনা ধান ১৭ মূলত রোপা আমন মৌসুমের জাত। খরা সহিঞ্চু ও উচ্চ ফলনশীল। দেখতে অনেকটা জিরাশাইল চাল এর মত সরু। এ চালের ভাত খেতে অনেকাই সুস্বাদু। তাছাড়া এধানের চাল চিকন হওয়াই বাজারে দাম ভালো পাওয়া যায়।

শুধু তাই নয় বিনা ধান ১৭ কাটা শেষে কৃষক ওই জমিতে হালচাষ করে তিন ফসলী রবি শস্য সরিষা, সূর্যমুখী (তেল জাতীয় ফসল) আলু লাগানো সম্ভব। ফলে একটি পরিবারের চাহিদা অনেকাংশেই পূরণ করা সম্ভব হয়েছে।

উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে জানা যায়, বিনা ধান ১৭ দেশীয়ভাবে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল ও খরা সহিঞ্চু জাত। এ জাতের ধান চাষে সার বীজ ও পানির খরচ অন্যান্য ধানের চাইতে অর্ধেকেরও কম হয়। তাছাড়া রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেক বেশি ও উচ্চফলনশীল হওয়ায় কৃষকরা খুব সহজেই অধিক ফলন ঘরে তুলতে পারেন। এ জাতের ধান সাধারণত আশ্বিন মাসের শেষে পাকতে শুরু করাই ওই সময় ধান কাটতে পর্যাপ্ত শ্রমিকও পাওয়া যায়। ফলে কৃষক আর্থিকভাবে লাভবান হন।

আরও জানা গেছে ২০১৭ সাল থেকে উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে কৃষকদের মাঝে বিভিন্নভাবে প্রণোদনা, প্রশিক্ষণ দেওয়া, উঠান বৈঠক, লিফলেট বিতরণ, কৃষকদের মাঝে উৎসাহ প্রদানের মাধ্যমে বর্তমানে বিনা ধান ১৭ চাষে কৃষকদের মাঝে ব্যাপকভাবে সাড়া পড়েছে।

আলমপুর ইউনিয়ন চৌঘাট এলাকার ধান চাষী রফিকুল ইসলাম বলেন, এক ফসলী জমিতে তিনটি ফসল চাষ করা সম্ভব তা আগে আমার জানা ছিল না। এবার কৃষি অফিসের পরামর্শে ২৪ শতাংশ জমিতে বিনা ধান ১৭ লাগিয়ে আমি লাভবান হয়েছি। এখন আমার ধান কাটা শেষ। ভাবছি আলু, সরিষা লাগাবো।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মোছা. শাপলা খাতুন বলেন, বিনা ধান ১৭ দেশীয়ভাবে উদ্ভাবিত উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের ধান। ফলে কৃষক খুব সহজেই একটি জমি থেকে তিনবার ফসল চাষ করতে পারেন।

তিনি এও বলেন, বিনা ধান ১৭ আগাম জাতের ধান হওয়ায় অনেক আগেই পেকে যায়। মাত্র ১১০ থেকে ১১৫ দিনের মধ্যে ধান কেটে কৃষক ঘরে তুলতে পারেন। আবহাওয়া ও ধানের ফলন ভালো হওয়ায় এবছর উপজেলায় বিশ হাজার আশি হেক্টর মেট্রিকটন ধানের লক্ষ্যমাত্রা অর্জন করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২১, ২০২১ ৯:৪৭ পূর্বাহ্ন
তিস্তার পানির স্রোতে নিখোঁজ কৃষক
কৃষি বিভাগ

বুধবার (২০ অক্টোবর) দুপুর আড়াইটার দিকে থেতরাই ইউ‌নিয়‌নের চর জুয়ান সাতরা এলাকা দিয়ে নদী পার হওয়ার সময় এ ঘটনা ঘ‌টে। রাত ৯টা পর্যন্ত বদিউজ্জামানের কোনো হদিস পাওয়া যায়‌নি বলে নিশ্চিত করেছেন উলিপুর থানার অফিসার ইনচার্জ মো. ইমতিয়াজ কবির।

থে‌তরাই ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম‌্যান আইয়ুব আলী সরকার জানান, সকা‌লের দিকে ঘাস কাটার জন্য ব‌দিউজ্জামান, শ‌হিদুল ইসলাম, সাজু মিয়া, গোলজার হো‌সেন, ম‌শিউর রহমানসহ ৭ জন তিস্তা নদী পা‌রি দি‌য়ে জুয়ান সাতরা চরগ্রামে গরুর খাবারের জন্য ঘাস কাট‌তে যান। তখন নদীতে কোথাও হাঁটু সমান কোথাও একটু বেশি পরিমাণ পানি ছিল। এরপর দুপু‌রে দিকে ঘাস কেটে নিয়ে নদী পারে এসে দেখেন পানি বেড়েছে। এ অবস্থায় তারা নদী সাঁত‌রে পার হয়ে বাড়ি ফেরার প‌থে ব‌দিউজ্জামান নদীর তীব্র স্রোতে ডু‌বে যান এবং নিখোঁজ হন।

ইউপি চেয়ারম্যান আরও জানান,স্থানীয় অধিবাসীরা দু’টি নৌকা নিয়ে অনেক খোঁজাখুঁজি করেও তার হদিস পায়নি।

উলিপুর ফায়ার সার্ভিস ষ্টেশনের সাব অফিসার আব্বাস আলী বলেন, তারা সন্ধ্যা ৬টার দিকে খবর পেয়েছেন। তাদের এখানে কোনো ডুবুরি নেই। রংপুর থেকে ডুবুরি আনতে হয়। সাধারণত রাতে ডুবুরি নামানো হয় না। এজন্য নিখোঁজ হওয়া কৃষকের সন্ধানে কোনো সহযোগিতা করতে পারেন নি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop