৩:৫৩ অপরাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২১, ২০২১ ৯:৩৭ পূর্বাহ্ন
পোকার আক্রমণে মরে যাচ্ছে ধান গাছ, দিশেহারা কৃষক
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁওয়ের বালিয়াডাঙ্গীতে আগাম জাতের আমনখেতে নানান পোকার আক্রমণ দেখা দিয়েছে। বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক স্প্রে করেও দমন না হওয়ায় দিশেহারা হয়ে পড়েছেন কৃষকরা। বালিয়াডাঙ্গী উপজেলার ৮ ইউনিয়নের বিভিন্ন এলাকার আমন খেতে মাজরা, কারেন্ট, পাতামোড়ানো পোকার আক্রমণে অনেক খেতের চার ভাগের এক ভাগ নষ্ট হয়ে গেছে।

স্থানীয় কৃষকেরা বলছেন সপ্তাহে দুদিন কীটনাশক স্প্রে করেও কোনো ফল পাওয়া যাচ্ছে না। পোকার আক্রমণে খেত পাতা শূন্য হয়ে মরে যাচ্ছে।

স্থানীয় কৃষি স¤প্রসারণ অধিদপ্তর বলছে, খেতে পোকার আক্রমণের সঙ্গে সঙ্গে কীটনাশক প্রয়োগ করলে এ ধরনের পোকা দমন হবে।

উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চলতি রোপা আমন মৌসুমে উফশী ও হাইব্রিড জাতের ২৩ হাজার ১৮৮ হেক্টর জমিতে ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী ধান আবাদ হলে ৬৮ হাজার ২৮৬ মেট্রিক টন চাল উৎপাদন হবে। তবে পোকার আক্রমণের কারণে ফসল নষ্ট হওয়ায় লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে শঙ্কা করছে কৃষি কার্যালয়ের কর্মকর্তারা।

গত কয়েক দিনে উপজেলার বড়বাড়ী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া, ধনিবস্তী, গোয়ালকারী, মিস্ত্রিপাড়া এবং দুওসুও ইউনিয়নের লালাপুর, মহিষমারী, ছাগলডাঙ্গীসহ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা গেছে উচ্চফলনশীল হাইব্রিড জাতের আমন খেতে এসব পোকার আক্রমণ বেশি। অধিকাংশ ধানগাছের পাতা মরে হলুদ হয়ে গেছে। কোনো কোনো জমির ধানগাছ প্রায় পাতাশূন্য হয়ে মরে যাচ্ছে।
বড়বাড়ী ইউনিয়নের ডাঙ্গাপাড়া গ্রামের কৃষক আব্দুল জব্বার বলেন, গেল সপ্তাহে দুবার স্প্রে করার পরও দুবিঘা জমির আমন ধানের খেত কারেন্ট পোকার আক্রমণে ১০ শতকের ফসল নষ্ট হয়েছে। পোকার আক্রমণ হলে খেত রক্ষা করা সম্ভব হয় না।

দুওসুও ইউনিয়নের লালাপুর গ্রামের ধানচাষী আফজাল হোসেন জানান, আমন ধানের চারা রোপণের ১৫ দিন পরেই মাজরা পোকার উপদ্রব দেখা দিয়েছে। ধানের শিষ বের হওয়ার সময় ধানগাছে ঘাসফড়িং, পাতামোড়ানো ও কারেন্ট পোকার আক্রমণ দেখা যাচ্ছে। বিভিন্ন কোম্পানির কীটনাশক স্প্রে করেছেন। কিন্তু প্রতিকার হয়নি। একই অবস্থা অন্যান্য কৃষকদেরও।

বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম বলেন, চলতি বছরে বৃষ্টি কম হওয়ায় আগাম জাতের আমন খেতে পোকার আক্রমণ বেশি দেখা দিয়েছে। কারেন্ট পোকার আক্রমণের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে কীটনাশক প্রয়োগ করলে এ পোকা দমন করা সম্ভব। দেরি করলেই ফসল নষ্ট হচ্ছে। পোকা দমনে কৃষকদের নানা ভাবে পরামর্শ দিচ্ছেন বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২০, ২০২১ ৬:১১ অপরাহ্ন
বরিশালে পান-সুপারির নিরাপদ উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে পান-সুপারির নিরাপদ উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক কৃষক মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ বুধবার (২০ অক্টোবর) রহমতপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস) এই মাঠ দিবসের আয়োজন করা হয়। বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুপূর্ণ ফল, পান, সুপারি এবং ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূচির উদ্যোগে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (আইন অধিশাখা) মো. আলী আকবর।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ভাসমান প্রকল্পের (বারি অংগ) প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদার। বিশেষ অতিথি ছিলেন আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, উজিরপুরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. তৌহিদ এবং কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. মাহবুবুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. মাহবুবুর রহমান, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উজিরপুরের কৃষক ঝন্টু চন্দ্র দাস প্রমুখ।

প্রধান অতিথি কৃষকদের উদ্দেশ্যে বলেন, কৃষি বিজ্ঞানীরা আপনাদের জন্য কাজ করে যাচ্ছেন। তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তিগুলো নিজেদের মাঠে প্রয়োগ করবেন। অপরকেও করবেন উৎসাহিত। তিনি আরো বলেন, বিদেশে রফতানির জন্য আমাদের উন্নতমানের পান উৎপাদন করতে হবে। আর তা অবশ্যই নিরাপদ হওয়া চাই। তাহলেই আপনারা লাভবান হবেন। দেশও ভালো থাকবে।

পরে প্রধান অতিথি উজিরপুরের শিকারপুরে পানবরজ পরিদর্শন করেন। মাঠ দিবসে ৮০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২০, ২০২১ ২:২৩ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ে হঠাৎ ঝড়ো বাতাস, ক্ষতির মুখে আমন ধান
কৃষি বিভাগ

গত তিন দিনের বৃষ্টিপাত ও দমকা বাতাসে সদরের শতশত বিঘা আমন খেত মাটির সাথে নুয়ে পড়েছে। বিভিন্ন এলাকায় আমন চাষিদের পাশাপাশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে আগাম শীতকালীন সবজি ও আলু চাষিরা।

সোমবার বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই ঝড়ো বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে ঘরবাড়ি ও গাছপালার ক্ষয়ক্ষতি না হলেও প্রায় শতাধিক হেক্টর জমির আমন খেত মাটিতে নু‌য়ে গেছে। ১০ থেকে ১৫ দিন পরে যে ধান কৃষকের গোলায় উঠত কিন্তু হঠাৎ এই বৃষ্টিতে কৃষকের বুক ভরা স্বপ্ন এক নিমেশেই ভঙ্গ হয়ে গেছে।

এতে এবার আমন মৌসুমে বড় ধরনের লোকসানের মুখে পড়বেন বলে জানিয়েছেন কৃষকরা।

সদর উপজেলার রুহিয়া, রাজাগাঁও ও ঢোলারহাট ইউনিয়নসহ বিভিন্ন এলাকা ঘুরে দেখা যায়, ধানের গাছ ও সবজি খেত পানিতে ডুবে আছে। অনেক কৃষক তাদের ফসল বাঁচাতে খেতে জমে থাকা পানির কারণে ধানের শীষ নষ্ট হওয়ার আশঙ্কায় ধানগাছ তুলে দেয়ার চেষ্টা করছেন।

সদর উপজেলার রুহিয়া ইউনিয়নের কৃষক সাকিল ও রাজাগাঁও ইউনিয়নের কৃষক গণী বলেন, আর মাত্র ১০ থেকে ১৫ দিন পরই খেতের ধান পাকতে শুরু হতো। কিন্তু হঠাৎ এই বৃষ্টি ও দমকা বাতাসে আমাদের খেতের ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ জমির আমন ধানের গাছ মাটিতে হেলে পড়েছে।

ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার কৃষি অফিসার কৃষ্ণ রায় বলেন, প্রাথমিকভাবে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখন পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়নি। এই নিয়ে কাজ চলছে। তবে পাকা ধানের তেমন ক্ষতি হবে না। বৃষ্টি কমলে কৃষকরা ফসল কেটে ঘরে তুলতে পারবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২০, ২০২১ ১:৫৫ অপরাহ্ন
চান্দিনায় পটল চাষে ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছেন কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার চান্দিনার শ্রীমন্তপুর গ্রামের মানুষ পটল চাষ করে তাদের ভাগ্যের চাকা ঘুরিয়েছে। কয়েক বছর আগে ওই সব জমিগুলোতে কোন প্রকার চাষাবাদ হতো না এবং তাদের অভাব অনটন লেগে থাকতো। কিন্তু বর্তমানে উপজেলা কৃষি বিভাগ থেকে পটল চাষের উপর প্রশিক্ষণ নিয়ে ওইসব দরিদ্র সংসারে এসেছে স্বচ্ছলতা।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, চান্দিনা উপজেলায় ৭২ হেক্টর জমিতে পটলের আবাদ হচ্ছে। উপজেলা কৃষি অফিস হতে বীজ, সার দিয়ে কৃষকদের ধানের পাশাপাশি সবজি চাষে উদ্ভুদ্ধ করা হচ্ছে।

পটল চাষিরা জানান প্রতি শতাংশ জমিতে পটল চাষে শ্রেণীভেদে খরচ পড়ছে ৮শ’ থেকে ১ হাজার টাকা এবং উৎপাদিত পটল বিক্রি করে খরচ বাদ দিয়ে আয় হয় ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার টাকা। শ্রীমন্তপুর গ্রামের পটল চাষি কামরুল হোসেন বাসসকে জানান, এক সময় তাদের সংসারে অভাব-অনটন লেগেই থাকতো। কিন্তু বর্তমানে পটল চাষ করে তার সংসারে স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। তাদের ৬৬ শতক জমিতে পটল চাষ করে খরচ হয়েছে ৪০ হাজার টাকা। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে এ পটল বিক্রি করে প্রায় ৯৫ হাজার টাকা আয় করেছেন।

এ ব্যাপারে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. আফরিনা আক্তার বাসসকে বলেন, কৃষকদের অর্থনৈতিক ভাবে লাভবানে জন্য সরকারের পক্ষ হতে নিরাপদ সবজি চাষে কৃষকদের উদ্ভুন্ধ করা হচ্ছে। উপজেলায় অনেক জায়গাতে কৃষক পটল চাষ করে লাভের মুখ দেখছে। আগামিতে অত্র উপজেলায় পটলের আবাদ বেড়ে যাবে বলে আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২০, ২০২১ ১০:৩১ পূর্বাহ্ন
টানা বৃষ্টিতে মণিরামপুরে ফসলের ক্ষতির আংশঙ্কা
কৃষি বিভাগ

টানা চারদিনের বৃষ্টিতে যশোরের মণিরামপুরে ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করছে কৃষকেরা। গত শনিবার থেকে শুরু হয়েছে বৃষ্টিপাত। থেমে থেমে প্রবল বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকায় মণিরামপুরের রাজগঞ্জ অঞ্চলের চাষ হওয়া সবজি ও আমন ফসলের ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টৌবর) সকালে এ অঞ্চলের কয়েকজন কৃষকের সাথে কথা হয়। তারা জানান, আমনের ধান বের হয়েছে, এই মুহূর্তে ব্যাপক বৃষ্টি ও ঝড়ো বাতাসে কিছু কিছু ক্ষেতের আমন ধানের গাছ ভেঙে মাটিতে পড়ে গেছে।

এ নিয়ে কৃষকরা বেশ শঙ্কিত হয়ে পড়েছে। শীতকালীন সবজির বীজের জন্য তৈরিকৃত বীজতলা ব্যাপক ক্ষতির মুখে রয়েছে। ইতিমধ্যে রাজগঞ্জের রামপুর-শাহপুরের বিশাল মাঠে কৃষকেরা বপণ করেছেন বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপি, লালশাক, পালনশাক, মূলা, লাউ, শিমসহ বিভিন্ন রকমের সবজি। এসব জমির মাটি ভিজে কিংবা পানি জমে থাকায় ফসলের ব্যাপক ক্ষয়-ক্ষতির আশঙ্কা করছে তারা।

শাহপুর গ্রামের চাষি আবুল কালাম (৪৫) জানান, গত চারদিন ধরে অঝরে বৃষ্টির কারণে আমার প্রায় ৩ বিঘা জমিতে শীতকালিন সবজি চাষের জন্য তৈরি করা জমি একেবারে নষ্ট হয়ে গেছে। বাঁধাকপি, ফুলকপি, ওলকপি ও টমেটার বীজতলায় পচন রোগ দেখা দিয়েছে। এই বীজতলায় পচন রোগ ঠেকাতে এখন ছত্রাক কীটনাশক স্প্রে করা হচ্ছে। এছাড়া এই অঞ্চলে বেগুন, কাঁচা মরিচের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো. হাসানুজ্জামান বলেন, টানা বৃষ্টিতে সবজির বীজতলা ও রোপণকৃত শাক সবজির ক্ষতি আশঙ্কা করা হচ্ছে। এছাড়াও আমন ধান যা পেকে গেছে, সেই ধান পড়ে গেছে। এইগুলোর কিছু ক্ষতি হবে। আমরা মাঠে মাঠে যেয়ে কৃষকদের সাথে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা করছি এবং পরামর্শ দিচ্ছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ৭:০৭ অপরাহ্ন
সয়াবিন তেলের দাম বাড়ল লিটারে ৭ টাকা
কৃষি বিভাগ

সয়াবিন তেলের দাম আবারও বাড়ল। বিশ্ববাজারে দাম বাড়ার কারণ দেখিয়ে দেশে ভোজ্যতেলের দাম লিটারে এক লাফে ৭ টাকা বাড়ানো হয়েছে।

মঙ্গলবার (১৯ অক্টোবর) বাণিজ্য মন্ত্রণালয়কে এ কথা জানিয়েছে বাংলাদেশ ভোজ্যতেল পরিশোধনকারী ও বনস্পতি উৎপাদক সমিতি।

এখন থেকে খুচরায় বোতলজাত সয়াবিন তেল ১৬০ টাকায় বিক্রি হবে। আগের দর ছিল ১৫৩ টাকা।

আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত সয়াবিন ও অপরিশোধিত পাম তেলের দাম বাড়ায় বাংলাদেশ ট্রেড অ্যান্ড ট্যারিফ কমিশন ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে আলোচনা করে তেলের এই দাম নির্ধারণ করেছে সংগঠনটি।

এ ছাড়া পাঁচ লিটারের এক বোতল তেল পাওয়া যাবে ৭৬০ টাকায়, যা এত দিন ৭২৮ টাকা ছিল। এ ছাড়া খোলা সয়াবিন তেল লিটারপ্রতি ১৩৬ টাকা ও বোতলজাত পাম সুপার তেল ১১৮ টাকা দরে কিনতে পারবেন ক্রেতারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ৭:০২ অপরাহ্ন
বরিশালে নিরাপদ পান ও আমড়ার উৎপাদন প্রযুক্তি বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে পান ও আমড়া ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ উৎপাদন প্রযুক্তি শীর্ষক এক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রহমতপুরের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে (আরএআরএস’র) বাংলাদেশের দক্ষিণাঞ্চলে চাষকৃত গুরুত্বপূর্ণ ফল, পান, সুপারি ও ডাল ফসলের পোকামাকড় সনাক্তকরণ ও সমন্বিত বালাই ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ফসল উৎপাদন প্রযুক্তি উদ্ভাবন ও বিস্তার কর্মসূিচ’ এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে। এ উপলক্ষ্যে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (আইন অধিশাখা) মো. আলী আকবর।

ভাসমান কৃষি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া। অনুষ্ঠানের মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন কর্মসূচি পরিচালক ড. মো. মাহবুবুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাশেদুল ইসলাম সঞ্চালনায় অন্যাদের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রাজিউদ্দিন, এসও মো. মাহবুবুর রহমান, এসও স্মতি হাসনা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, উজিপুরের পান চাষি মো. ফারুক হোসেন, কৃষাণী শিল্পী রাণী প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, কৃষিতে এখন বানিজ্যিকীকরণ দরকার। সে সাথে প্রয়োজন নিরাপদ খাবারের উৎপাদন বাড়ানো। এ জন্য ফসলের রোগপোকা দমনে রাসায়নিক কীটনাশকের পরিবর্তে দিতে হবে জৈব বালাইনাশক। এতে কৃষকের যেমন উন্নয়ন হবে, পাশাপাশি হবে দেশেরও লাভ।

পরে প্রধান অতিথি কৃষকদের মাঝে পেয়ারা, আমড়া ও সুপারির ৬০০ টি চারা বিনামূল্যে বিতরণ করেন। প্রশিক্ষণে বাবুগঞ্জ, গৌরনদী, উজিরপুর ও ঝালকাঠি সদরের ৩০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ৪:৫৩ অপরাহ্ন
লেবু জাতীয় ফসল বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষক কৃষাণীর প্রশিক্ষণ
কৃষি বিভাগ

এম আই হোসেন, পোরশা (নওগাঁ) প্রতিনিধিঃ পোরশা উপজেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিসে কৃষক কৃষাণীদের লেবু জাতীয় ফসল উৎপাদনে উৎসাহিত করতে এক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

দীর্ঘদিন পোরশার বিভিন্ন জায়গায় লেবুজাতীয় ফসল উৎপাদনের পরীক্ষার পর জানা যায় এই মাটিতে উন্নত লেবুজাতীয় ফসল ভালো হবে।

এ লক্ষ্যে সোমবার(১৮ অক্টোবর) ৩ ইউনিয়নের কৃষক /কৃষাণীদের উক্ত ফসল উৎপাদনে উদ্বুদ্ধকরণে দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়।

এলাকার প্রদর্শনী থেকে লেবু জাতীয় ফসল পরীক্ষা করে দেখা যায় মালটা/ কমলা লেবু বাম্পার ফসল হচ্ছে এবং খেতেও মিষ্টি।

এর সুনাম ছড়িয়ে পড়ায় দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে এ ফলের চাহিদা বেড়েছে বলে পোরশা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার সঞ্জয় কুমার সরকার ও মোঃ জাহাঙ্গীর আলম প্রশিক্ষণ চলাকালে এ কথা বলেন।

প্রশিক্ষণ শেষে ৩০ জন কৃষকদের মাঝে মালটা কমলা লেবু চারা, কৃষি উপকরণ, সার, কীটনাশক সহ একটি করে সাইনবোর্ড বিতরণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ৩:০১ অপরাহ্ন
ঠাকুরগাঁওয়ে বেড়েছে আগাম শীতকালীন সবজির আবাদ
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁও জেলায় বেড়েছে আগাম শীতকালীন সবজির চাষ। এক মাসের মধ্যে কাঁচা বাজার সয়লাব হয়ে উঠবে সব ধরণের নতুন সবজিতে। শীতকালীন আগাম সবজি চাষের সাফল্য স্থানীয় পাচ্ছেন কৃষকেরা।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বেশি লাভ ও বাম্পার ফলন হবে এমন আশা চাষি ও কৃষি বিভাগের। এবারও ব্যাপক সবজির আবাদ হয়েছে এই জেলায়। নিবিড় পরিচর্যা ও রোগ-বালাই দমনে ব্যস্ত সময় পার করছে সবজি চাষিরা।

জানা যায়, জেলার সদর উপজেলার সবজি গ্রাম খ্যাত নারগুন, জগন্নাথপুর ও বেগুনবাড়ি এলাকায় এবারও কৃষকরা প্রচুর পরিমাণে সবজির আবাদ করেছেন।

শীতকালীন সবজি মুলা, ফুলকপি, বাঁধাকপি, সিম, লাউ, টমেটো, লাল শাকসহ বিভিন্ন জাতের সবজি চাষ হয়েছে জেলার আশপাশ এলাকায়।

দিগন্ত জুড়ে এখন সবুজ ফসলের সমারোহ বেশি লাভের আশায় নিরন্তর শ্রম দিচ্ছে কৃষকরা। বেকার যুবকরা চাকরির দিকে না ঝুঁকে নেমে পড়েছে সবজি চাষে। শীতকালের সবজির ভালো দাম পাওয়ায় এবারও এ জেলায় প্রচুর পরিমাণে আগাম সবজির চাষ হয়েছে। তবে শুধু সদর উপজেলা নয়, জেলার রুহিয়া, পীরগঞ্জ, বালিয়াডাঙ্গী, রাণীশংকৈল ও হরিপুর উপজেলায়ও প্রচুর আগাম সবজির আবাদ হয়েছে এবার।

ঠাকুরগাঁও জেলার কৃষি বিভাগের মতে, এবার চলতি মৌসুমে জেলায় ১২ হাজার ৮৫০ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজি চাষ হয়েছে। এতে উৎপাদন হবে ১লাখ ৮৭ হাজার টন শাক- সবজি। এর আগে এ জেলার গত শীতে ৯ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালীন সবজির আবাদ হয়েছিল। আর সবজি পাওয়া গিয়েছিল তাতে ১ লাখ ২৪ হাজার ৩২৯ টন সবজি। সেই হিসেবে বলা যায় এ জেলায় বিগত বছরের তুলনায় আগাম সবজির চাষ বেড়েছে অনেক গুণে। আগামীতে ও চাষ আরো বাড়বে বলে আশা কৃষি বিভাগ ও কৃষকদের।

ঠাকুরগাঁও কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আবু হোসেন জানান, এ অঞ্চলের সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে চলে যাচ্ছে ঢাকা, সিলেট, চট্টগ্রাম, বরিশালসহ মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন দেশগুলোতে। কৃষি বিভাগের মাঠ পর্যায়ের কর্মীরা কারিগরী সহায়তাসহ পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। তবে আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার আগাম শীতকালীন বাম্পার ফলন হবে।
আর বাজারে চাহিদা ও ভালো দাম থাকায় এবারও আগাম শীতকালীন সবজি চাষে লাভবান হবেন কৃষকরা এমন আশা এ কৃষি কর্মকর্তার।
কৃষি বিভাগ, কৃষক সংশ্লিষ্ট, ব্যবসায়ি দাবি সবজি সংরক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন করাসহ সহজ শর্তে ব্যাংক ঋণ পেলে আর্থ-সামাজিক উন্নয়নে এ অঞ্চলের কৃষকরা বিশেষ ভৃমিকা রাখবে এমন প্রত্যাশা সবার।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১৯, ২০২১ ১:১৭ পূর্বাহ্ন
‘ফাতেমা ধানে’ বিঘায় ৫০ মণ ফলন!
কৃষি বিভাগ

নওগাঁর মান্দা উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলের এক কৃষকের চাষ করা ‘ফাতেমা’ জাতের ধান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে। এর প্রতিটি শীষে পাওয়া গেছে প্রায় এক হাজারটি ধান। চলতি বছর নওগাঁয় দেড় বিঘা জমিতে প্রায় ৭৫ মণ ধান উৎপাদন হয়েছে যা দেশে প্রচলিত জাতের ফলনের চেয়ে তিনগুণ বেশি। লাভজনক হওয়ায় তার মতো এলাকার অনেকেই এখন নতুন এ জাতের ধান চাষের জন্য আগ্রহ দেখাচ্ছেন।

মান্দা উপজেলার গনেশপুর ইউনিয়নের দোশতীনা গ্রামের সৌখিন কৃষক আশরাফুল ইসলাম বশির ওই ধান চাষ শুরু করেন। তিনি পেশায় নওগাঁ জজ কোর্টের একজন আইনজীবি।

একই সঙ্গে আধুনিক চাষাবাদে রয়েছে তার ব্যাপক আগ্রহ। গতানুগতিক কৃষির পরিবর্তে নতুন জাতের এ ধান উৎপাদনে তিনি সাফল্য পেয়েছেন।

জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, এত অধিক ফলনশীল জাতের ধান দেশের আর কোথাও আছে বলে তাদের জানা নেই। ‘ফাতেমা’ জাতের এই ধান কোন জাতের এবং কোথা থেকে কিভাবে এলো এসব জানতে গবেষণার কাজ শুরু করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশন, মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউট।

দেখতে ব্রি-২৮ ধানের মতো এর জাতের বৈশিষ্ট্য উল্লেখ করে বশির জানান, অন্য ধানের মতোই এ ধানের চাষ পদ্ধতি। আউশ, আমন ও বোরো তিন মৌসুমেই এ ধানের চাষ করা যায়। তবে বোরো মৌসুমে এর উৎপাদন সবচেয়ে বেশি হয়ে থাকে। গাছের উচ্চতা প্রায় ৫ ফিট যা অন্য ধানের তুলনায় বেশি। গাছগুলো শক্ত হওয়ায় হেলে পড়ে না। আর এক একটি ধানের শীষে ৭৫০-১০০০টি করে ধান হয়। সাধারণ ধানের তুলনায় তিন থেকে চার গুণ বেশি। ফলে এর উৎপাদনও অনেক বেশি। চলতি মৌসুমে তিনি দেড় বিঘা জমিতে প্রায় ৭৫ মণ ধান পেয়েছেন। এ ধানে রোগ ও পোকামাকড়ের হার তুলনামূলক কম। এছাড়া চাল খুব চিকন ও ভাতও খেতে খুব সুস্বাদু।

তিনি জানান, বীজপাতা তৈরি করার পর ১৫০ থেকে ১৫৫ দিনের মধ্যে ধান কাটা যায়। এই ধান ঝড়, খড়া এবং লবণাক্ততা সহনীয়। ওই জাতের প্রতিটি ধানগাছের দৈর্ঘ্য ১১৫ থেকে ১৩০ সেন্টিমিটার, গুছি গড়ে আটটি, প্রতিটি ধানের ছড়ার দৈর্ঘ্য ৩৬ সেন্টিমিটার, গড়ে দানার সংখ্যা এক হাজারের ওপরে।

জানা গেছে, বাগেরহাট জেলার ফকিরহাট উপজেলার বেতাগা ইউনিয়নের চাকুলিয়া গ্রামে লেবুয়াত শেখ (৪০) নিজেদের জমিতে ২০১৬ সালে প্রথম ওই ধান চাষ করেন। ওই বছর বোরো মৌসুমে তার বাড়ির পাশে জমিতে হাইব্রিড আফতাব-৫ জাতের ধান কাটার সময় তিনটি ভিন্ন জাতের ধানের শীষ তিনি দেখতে পান। ওই তিনটি শীষ অন্যগুলোর চেয়ে অনেক বড় এবং শীষে ধানের দানার পরিমাণও অনেক বেশি ছিল। এরপর ওই ধানের শীষ তিনটি বাড়িতে এনে শুকিয়ে বীজ হিসেবে ব্যবহার করে এ ধান চাষ শুরু করেন। তিনি তার মায়ের নামানুসারে নাম না জানা এই ধানের নাম রাখেন ‘ফাতেমা ধান’।

বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা কৃষক লিটন, রঞ্জু, মামুন, আতাব আলী জানান, অনেক ফলন হচ্ছে শুনে তারা কৃষক বশিরের এ ধান দেখতে এসেছেন এবং তার কাছ থেকে বীজ সংগ্রহ করেছেন। আগামীতে তারা এ ধান চাষ করবেন।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক কৃষিবিদ সামসুল ওয়াদুদ বলেন, ওই ধানের ফলন শুধু দেশ নয়, গোটা বিশ্বকে তাক লাগাতে পারে। এত বেশি ফলন পাওয়া যায়, এমন কোনো জাতের ধান দেশে আছে বলে আমার জানা নেই।

তিনি আরও বলেন, এই ধান খড়া ও লবণ সহ্যকারী এবং সারাদেশে চাষের উপযোগী। মনে হচ্ছে, সারা দেশে ওই ধান চাষ করা যাবে। এই ধান যদি সারা দেশে চাষ করা যায় তাহলে বার্ষিক উৎপাদন পাঁচ কোটি টন ছাড়িয়ে যাবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop