১২:৫৮ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ৪, ২০২১ ৬:১৯ অপরাহ্ন
কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার সমঝোতা স্মারক সই করবে নেদারল্যান্ড
কৃষি বিভাগ

কৃষিপণ্য রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতে নেদারল্যান্ডের সহযোগিতা চায় বাংলাদেশ। এ ছাড়া কৃষিখাতে পারস্পরিক সহযোগিতার জন্য সমঝোতা স্মারক সই করতে চায় বাংলাদেশ।

আজ সোমবার বিকালে সচিবালয়ে কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক, এমপির সাথে ঢাকায় নিযুক্ত নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান জিরার্ড ভ্যান লিউভেন (Anne Gerard van Leeuwen) এর সাক্ষাৎকালে কৃষিমন্ত্রী এ আগ্রহ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশের কৃষি উৎপাদনের অভাবনীয় সাফল্য তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতে বাংলাদেশ পিছিয়ে আছে। দেশের আম,আনারস, কলা, টমেটো, আলু ও শাকসবজি প্রভৃতি রপ্তানি ও প্রক্রিয়াজাতের সম্ভাবনা অনেক। এক্ষেত্রে নেদারল্যান্ডের প্রযুক্তিগত সহযোগিতা প্রয়োজন। উত্তম কৃষিচর্চা (জিএপি) মেনে উৎপাদনেও নেদারল্যান্ডের সহযোগিতা দরকার।

এছাড়া, পূর্বাচলের ২ একর জমিতে আধুনিক প্যাকিং হাউজ নির্মাণ ও আধুনিক টেস্টিং ল্যাব স্থাপনে সহযোগিতা এবং কৃষিখাতে নেদারল্যান্ডের বিনিয়োগ কামনা করেন মন্ত্রী।

নেদারল্যান্ডের রাষ্ট্রদূত অ্যান জিরার্ড ভ্যান লিউভেন কৃষিখাতে বাংলাদেশকে সহযোগিতার আশ্বাস প্রদান করেন। তিনি বলেন, কৃষিতে সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য শীঘ্রই বাংলাদেশের সাথে সমঝোতা স্মারক সই করা হবে। নেদারল্যান্ডের প্রাইভেট সেক্টরকে সম্পৃক্ত করার বিষয়েও উদ্যোগ গ্রহণ করা হবে।

প্ল্যান্ট ভ্যারাইটি প্রটেকশন, এগ্রিকালচারাল ট্রান্সফর্মেশন প্রোগ্রাম (এটিপি), ফাইটোস্যানিটারি সার্টিফিকেট, টেস্টিং ল্যাব ও বেসরকারি খাতের মধ্যে সংযোগ স্থাপন প্রভৃতি বিষয়ে দুদেশ একসাথে কাজ করবে । এছাড়া, কৃষিখাতে সহযোগিতার ক্ষেত্র চিহ্নিত করতে নেদারল্যান্ড থেকে ট্রেড মিশন আসা ও বাংলাদেশ থেকে একটি এক্সপার্ট মিশন যাওয়ার ব্যাপারে দুদেশ সম্মত হয়।

সাক্ষাৎকালে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব মো: রুহুল আমিন তালুকদার, উপসচিব ফারহানা আইরিছ, নেদারল্যান্ডের ঢাকা দূতাবাসের প্রথম সচিব ফোলকার্ট ডি জেগার, পানি ও কৃষি বিষয়ে নিযুক্ত প্রতিনিধি মার্টজিন ভ্যান ডি গ্রুয়েপ, সিনিয়র পলিসি এডভাইজর ওসমান হারুনি উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৪, ২০২১ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন
ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ফলন
কৃষি বিভাগ

জেলার কেশবপুর উপজেলার বিল খুকশিয়ায় মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের ভালো ফলনে কৃষকের মুখে হাসি ফুটেছে।চাষিরা গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে সফলতা পেয়েছেন।এখানে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে ভাগ্য বদল হয়েছে অনেক কৃষকের।মাছ চাষের পাশাপাশি তরমুজ চাষ করে অর্থনৈতিকভাবে অনেক চাষি লাভবান হয়েছেন বলে জানান কৃষি কর্মকর্তা।

কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, প্রথমবারের মত মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের আবাদে ভালো ফলন পেয়ে বেশ লাভবান হচ্ছেন চাষিরা। এলাকার চাহিদা মিটিয়ে দেশের বিভিন্ন এলাকায় পৌঁছে যাচ্ছে গ্রীষ্মকালীন এ তরমুজ।

গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষে লাভবান হওয়ায় অনেক কৃষক নতুন করে এ আবাদে ঝুঁকছেন। কৃষি কর্মকর্তারা তরমুজ আবাদ পরিদর্শন করে চাষিদের এ আবাদে উদ্বুদ্ধ করছেন।কেশবপুর উপজেলা সদর থেকে প্রায় ১৪ কিলোমিটার দূরে শ্রীহরি নদীর তীরে অবস্থিত বিল খুকশিয়া। এ বিলের ৬ হাজার ৩৭৫ বিঘা ফসলি জমি দীর্ঘ প্রায় ২০ বছর যাবত জলাবদ্ধ থাকায় কৃষকেরা ঠিকমত ফসল ফলাতে পারতেন না। বিলের জলাবদ্ধতা নিরসন করে ফসল উৎপাদনের লক্ষ্যে ২০০৫ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড শ্রীহরি নদীতে নাব্যতা ফিরিয়ে আনতে এবং বিল খুকশিয়ার তলদেশ উঁচু করার জন্য জোয়ার-আঁধার টিআরএম প্রকল্প গ্রহণ করে। কৃষকরা বিলটিতে মাছের ঘের তৈরি করেন এবং মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ শুরু করেন।চলতি গ্রীষ্ম মৌসুমে তরমুজ চাষ করে কৃষকরা ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন।

সূত্রে জানা গেছে, বিল খুকশিয়ায় বেশির ভাগ ঘেরের বেড়িতে তরমুজ চাষ করা হয়েছে।এ বিলে তরমুজ চাষ করা কৃষক আব্দুল কুদ্দুস জানান, তিনি ৭বিঘা জমির ঘেরের পাড়ে মান্দা তৈরি করে গ্রীষ্মকালীন তরমুজ চাষ করে ভালো ফলন পেয়েছেন।

চাষি মহসিন উদ্দিন বলেন, তিনি ১৩ বিঘা মাছের ঘেরের বেড়িতে ১ হাজার ৪০০টি তরমুজের মান্দা তৈরি করে ইতোমধ্যে ফলন পেয়েছেন ২৭৫ মণ।তিনি প্রতি মণ তরমুজ ১ হাজার ২০০ টাকা করে বিক্রি করছেন। সর্বোচ্চ ১২ কেজি ওজনের তরমুজ পেয়েছেন তিনি। কাকবাঁধাল গ্রামের আব্দুল হালিম বলেন, তিনি ১২০টি মান্দা তৈরি করে তরমুজের চাষ করেছেন।উৎপাদিত তরমুজ ট্রাকে করে নিয়ে সাভারের আশুলিয়ায় পাইকারি বিক্রি করে থাকি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ঋতুরাজ সরকার বলেন, বিল খুকশিয়ায় মাছের ঘেরের বেড়িতে তরমুজ চাষ এ এলাকার কৃষকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী করছে।কানাইডাঙ্গা,কাকবাঁধাল ও ডহুরী গ্রামের এ বিলে এবছর প্রায় ২শ’ চাষি তরমুজ চাষ করেছেন।এখানে সর্বোচ্চ ১৪ কেজি ওজনের তরমুজ উৎপাদিত হয়েছে।তরমুজ চাষিদের তরমুজ ন্যায্যমূল্যে বিক্রির জন্য সভারের আশুলিয়ায় মার্কেটিংয়ের ব্যাপারে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। এশিয়ান-১, পাকিজা সুপার, ব্লাক কিং, ব্লাক কুইং জাতের তরমুজ এখানে বেশি আবাদ করা হয়েছে। তরমুজ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে বলে তিনি জানান।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর যশোরের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, কেশবপুরের বিল খুকশিয়ায় মাছের ঘেরের বেড়িতে গ্রীষ্মকালীন তরমুজের দৃষ্টি নন্দন চাষ হচ্ছে।এখানকার তরমুজ চাষিরা বর্তমান সময়ে ভালো দাম পেয়ে খুশি।উৎপাদিত গ্রীষ্মকালীন তরমুজ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে যশোর জেলা শহরসহ আশপাশের বিভিন্ন জেলায় পাইকারি বিক্রি হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
২১০ হেক্টর জমিতে হলুদের আবাদ
কৃষি বিভাগ

মুনাফা বেশি হওয়ায় কুমিল্লার সদর দক্ষিণ উপজেলার নোয়াপাড়া বেশিরভাগ কৃষক হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে ওঠেছেন। এখানকার মাটিও হলুদ চাষের জন্য বেশ উপযোগী। এটি এখন মসলা জাতীয় অর্থকরী ফসল হলুদের গ্রাম নামেই পরিচিতি পেয়েছে। নোয়াপাড়া গ্রাম ছাড়াও কুমিল্লার লালমাই, বুড়িচং ও ব্রাহ্মণপাড়ায় হলুদ চাষ হয়ে থাকে। এবছর এসব এলাকায় প্রায় ২১০ হেক্টর জমিতে হলুদ চাষ হয়েছে।

নোয়াপাড়া গ্রামের হলুদ চাষিরা জানান, ডিমলা, বারী ও স্থানীয় উন্নত জাতের হলুদের চাষ করে থাকেন তারা। মাস তিনেক আগ থেকেই জমিতে হুলুদ রোপণ করা হয়েছে। ছয় থেকে সাত মাস পরিচর্যা করতে হয়। এরপর পুরো ফলন মিলবে। হলুদ চাষি খালেদ হোসনে বাসসকে জানান, অন্য ফসলের চেয়ে হলুদ চাষে খরচ কম। তবে মুনাফা ভালো হয়। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে হলুদ চাষ করে লোকসান গুনতে হয়না। চাষি মনোয়ার হোসেন বলেন হলুদ চাষে খরচ কম লাভ বেশি হওয়ার কারণে কুমিল্লায় হলুদ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠেছেন।

কুমিল্লা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক মিজানুর রহমান জানান, কৃষি বিভাগ চাষিদের সবসময় সহযোগিতা, পরামর্শ দিয়ে থাকে। এমনকি মসলা জাতীয় ফসল উৎপাদনে কৃষি ঋণ সহযোগিতা কোন চাষি চাইলে আমরা যথাযথ নিয়মে তার ব্যবস্থা করে দিতে প্রস্তুুত আছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৩, ২০২১ ৯:২৯ পূর্বাহ্ন
পরিচালক,সরেজমিন উইং মহোদয়ের আরডিএডিপির ভার্মি কম্পোস্ট পরিদর্শন
কৃষি বিভাগ

সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় আধুনিক প্রযুক্তি সম্প্রসারণের মাধ্যমে রাজশাহী বিভাগের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ভার্মি কম্পোস্ট প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন কৃষিবিদ এ কে এম ম‌নিরুল আলম,প‌রিচালক,স‌রেজ‌মিন উইং, কৃ‌ষি সম্প্রসারণ অ‌ধিদপ্তর, খামারবা‌ড়ি,ঢাকা।

শনিবার (২অক্টোবর) সয়দাবাদ ইউনিয়নের সদানন্দপুর গ্রামে স্থাপিত ভার্মি কম্পোষ্ট প্রদর্শনী পরিদর্শন করেন।

তিনি ভার্মি কম্পোষ্ট প্রদর্শনীর সফল বাস্তবায়ন দেখে সন্তুষ্ঠি প্রকাশ করেন এবং মাটির স্বাস্থ্য সুরক্ষায ভার্মি কম্পোষ্ট উৎপাদন উপজেলায় কৃষকের মাঝে সম্প্রসারণের আহবান জানান।

বাগানটি পরিদর্শনে আরো উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ মোঃ ইউসুফ রানা মন্ডল, অ‌তি‌রিক্ত প‌রিচালক, ডিএই, বগুড়া অঞ্চল, বগুড়া,কৃষিবিদ মোঃ আবু হানিফ, উপ প‌রিচালক, ডিএই, সিরাজগঞ্জ , কৃষিবিদ জনাব মোঃ রোস্তম আলী,উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা,সিরাজগঞ্জ সদর।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জানান মাটির স্বাস্থ্য রক্ষা ও জৈব সারের ব্যবহার বাড়াতে সিরাজগঞ্জ সদর উপজেলায় অত্র প্রকল্পের আওতায় ৪ টি ভার্মি কম্পোষ্ট প্রদর্শনী স্থাপন করা হয়েছে এবং সফলভাবে বাস্তবায়ন ও সম্প্রসারণ হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ৬:২৬ অপরাহ্ন
বরিশালে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বীজ প্রত্যয়ন কার্যক্রম জোরদারকরণ প্রকল্প আয়োজিত এক আঞ্চলিক রিভিউ সেমিনার ১ অক্টোবর বরিশাল নগরীর এসসিএ হলরুমে অনুষ্ঠিত হয়। এতে প্রধান অতিথি ছিলেন বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সির (এসসিএ) পরিচালক আব্দুর রাজ্জাক।

আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার চিন্ময় রায়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের অধ্যক্ষ হৃদয়েশ্বর দত্ত এবং বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো.আলমগীর হোসেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই পিরোজপুরের উপপরিচালক ড. নজরুল ইসলাম সিকদার, ডিএই পটুয়াখালী জেলা প্রশিক্ষণ অফিসার মো. খায়রুল ইসলাম মল্লিক, আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান, তেল জাতীয় ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের মনিটরিং অফিসার (বরিশাল অঞ্চল) রথীন্দ্রনাথ বিশ্বাস, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের আলু বীজ হিমাগারের উপপরিচালক কে এম আখতার হোসেন, ভোলা সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন, নেছারাবাদের উপজেলা কৃষি অফিসার চপল কৃষ্ণ নাথ, পিরোজপুরের বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ইসরাত জাহান শিলু প্রমুখ।

প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি বলেন, শস্য উৎপাদনে বীজের গুরুত্ব অপরিসীম। তাই ফসলের আশানুরূপ ফলন পেতে মানসম্পন্ন বীজ ব্যবহার করতে হবে। আর ভালো বীজের গুণাগুণ অক্ষন্ন রাখতে যা যা করণী তা অবশ্যই পালন করা চাই। তাহলেই কৃষকরা লাভবান হবেন।

অনুষ্ঠানে কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা, বীজ ডিলার ও কৃষকসহ ৫০ জন অংশগ্রহণকারী উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ৩:২৪ অপরাহ্ন
৪০ একর ধান ক্ষেতে হাতির তাণ্ডব
কৃষি বিভাগ

ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট উপজেলার সীমান্তবর্তী এলাকার প্রায় ৪০ একর ধান ক্ষেতে তাণ্ডব চালিয়েছে ভারতের গারো পাহাড় থেকে নেমে আসা বন্যহাতির পাল। এতে কৃষকদের ব‍্যাপক ক্ষতি হয়েছে। প্রতিদিন সন্ধ‍্যা নামতেই শত শত কৃষক রাত জেগে পাহারা বসিয়ে পটকা ফাটিয়ে মশাল জ্বালিয়ে লাঠি হাতে সরব থাকলেও বন্ধ করা যাচ্ছে না হাতির তাণ্ডব। প্রায় রাতেই উপজেলার ভূবনকুড়া ইউনিয়নের সীমান্তবর্তী ধানক্ষেতগুলোতে হাতির পাল নামে।

উপজেলার ভূবনকুড়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. সুরুজ মিয়া জানান, বিগত কয়েকদিনে স্থানীয় জামগড়া মহিষলেটি, ধোপাঝুড়ি, কোচপাড়া, রঙ্গমপাড়া এবং কড়ইতলী এলাকায় হাতির তাণ্ডবে কৃষকদের অন্তত ৪০ একর জমির রোপা আমন ধানের গাছ খেয়ে এবং পা দিয়ে পিষ্ট করে নষ্ট করে ফেলেছে হাতির পাল। ফসল রক্ষায় ইউনিয়ন পরিষদের তহবিল থেকে কৃষকদের কেরোসিন, টর্চলাইট ও পটকা সরবরাহ করে সহযোগিতা করা হচ্ছে।

এছাড়া স্থানীয়দের নিয়ে হাতি তাড়াতে গ্রামে গ্রামে কৃষকদের টিম করে দেওয়া হয়েছে। কিন্তু এর স্থায়ী সমাধান প্রয়োজন। কৃষকরা যেন আর ক্ষতিগ্রস্ত না হন, যোগ করেন চেয়ারম্যান।

স্থানীয় কৃষি বিভাগ জানায়, পাহাড়ি বন্যহাতির তাণ্ডবে সীমান্তবর্তী ভূবনকুড়া ইউনিয়নের কয়েকটি গ্রামের ৩২ জন কৃষকের প্রায় ৪০ একরের বেশি জমির ফসল নষ্ট হয়েছে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মাসুদুর রহমান জানান, হাতির তাণ্ডবে অন্তত ৪০ একর জমির ফসল নষ্ট হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে।

হালুয়াঘাট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. রেজাউল করিম বলেন, অবস্থা উত্তরণে স্থানীয় যু্বকদের নিয়ে হাতি প্রতিরোধ টিম গঠন করা হয়েছে। সেই সঙ্গে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের তালিকা করে সরকারিভাবে সহযোগিতার চেষ্টা চলছে। বাংলাদেশের সীমান্তের কিছু এলাকায় কাঁটাতারের বেড়া না থাকায় অবাধে হাতির পাল নেমে এসে কৃষকের ফসল নষ্ট করছে। এ ব্যাপারে ব্যবস্থা নিতে বিষয়টি বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) এবং বনবিভাগকে জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২, ২০২১ ১:০৪ অপরাহ্ন
আমন ধানে স্বপ্ন বুনছেন চিরিরবন্দরের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

ধান চাষে খ্যাত দিনাজপুরের মাঠে মাঠে এখন আমনের হলদে রঙের সমারোহ। আমন ধান ক্ষেতে বাতাসে দুলছে কৃষকের সবুজ স্বপ্ন। দিনাজপুরের চিরিরবন্দরে এবার আমন ধানের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা দেখছেন কৃষকরা। ভালো আবহাওয়া ও পর্যাপ্ত বর্ষার পানি পাওয়ায় আমন ধানের ক্ষেত যেন এবার হাসছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানিয়েছেন, এ মৌসুমে উপজেলায় ২৩ হাজার ৪৩৫ হেক্টর জমিতে আমনের চাষ হয়েছে। এর মধ্যে ২২ হাজার ৭৩৫ হেক্টর জমিতে উফসি, ৩৫৫ হেক্টর জমিতে স্থানীয় ও ৩৪৫ হেক্টর জমিতে হাইব্রিড জাতের রোপা আমন ধান চাষ করা হয়েছে। আর এক মাসের মধ্যেই কৃষক তাদের কাঙ্খিত আমন ধান কেটে ঘরে তুলতে পারবেন।

জানা গেছে, করোনার সময় থেকে কৃষকদের নিরবিচ্ছিন্ন সেবা দিতে ছুটির দিনসহ কৃষি বিভাগের সব কর্মকর্তা-কর্মচারী আমন ধান নির্বিঘ্নে ঘরে তুলতে কৃষকদের মাঝে লিফলেট বিতরণ, ভ্রাম্যমাণ ফসল ক্লিনিক সেবা , আলোক ফাঁদ, সন্ধ্যকালীন ভিডিও প্রর্দশন, উঠান বৈঠক, দলীয় আলোচনা, সচেতনামূলক আলোচনা সভাসহ বিভিন্ন কার্যক্রমের মাধ্যমে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করছেন।

এছাড়া পিপি স্কোয়াড গঠন করে মাঠের সার্বিক পরিস্থিতি পর্যাবেক্ষণ পরামর্শ ও অতন্দ্র জরিপ ব্লকের মাধ্যমে নিয়মিতভাবে রোগ ও পোকার আক্রমণ সংক্রান্ত পূর্বাভাস জরিপ করছেন কৃষি কর্মকর্তারা। তাছাড়া উপজেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাসহ উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সার্বক্ষণিক কৃষকের জমিতে গিয়ে ফসলের তদারকিসহ নিয়মিত পরামর্শ দিচ্ছেন।

উপজেলার সাতনালা গ্রামের ধানচাষি ছপির উদ্দীন বলেন, আমার ২১ বিঘা জমি আছে। গতবার বোরো মৌসুমে ১৪ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছিলাম। এবার পুরো ২১ বিঘা জমিতে আমন চাষ করেছি।উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পরামর্শে এ ফসল ফলিয়েছি। এই ফসলের সবুজ ঢেউ এখন আমাকে স্বপ্ন দেখায় ভালো ফলন ও ভালো দামের।

পশ্চিম সাইতাড়া গ্রামের কৃষক রশিদুল ইসলাম জানান, আমি গরিব মানুষ, চার বিঘা জমি বর্গা নিয়ে চাষ করেছি। এই মাঠে সবার চেয়ে আমার জমিতে আমন চাষ ভালো হয়েছে। প্রতিদিন ধান ক্ষেতে আসি আর স্বপ্ন দেখি, ধান কেটে ছেলে-মেয়েদের নিয়ে সুখে দিন কাটাব।

চিরিরবন্দর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা জোহরা সুলতানা জানান, গত কয়েক বছর ধরে স্থানীয় জাতের ধানের আবাদ কমে উফশী জাতের আবাদ বেড়েছে। বেশি ফলন হওয়ায় কৃষকদের হাইব্রিড ও উফশীতে আগ্রহ বেশি। আশা করছি, এসব ধানে এবারও বাম্পার ফলন হবে। কৃষকের স্বপ্ন পূরণ হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ৯:১২ অপরাহ্ন
দেশে আর কোন দিন মঙ্গা ফিরে আসবে না : কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, বর্তমান সরকারের নানা পদক্ষেপের ফলে ইতোমধ্যে দেশ থেকে মঙ্গা দূর হয়েছে। মানুষ মঙ্গার কথা ভুলে গেছে। এ অবস্থায়, আমাদের বিজ্ঞানীদের উদ্ভাবিত আগাম জাতের আমন ধানের চাষ রংপুর, নীলফামারীসহ উত্তরাঞ্চলে ব্যাপকভাবে সম্প্রসারিত করতে পারলে দেশে ভবিষ্যতে আর কোনো দিন মঙ্গা ফিরে আসবে না।

শুক্রবার রংপুরের তারাগঞ্জে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিনা) আয়োজিত বিনা-১৬ ও বিনা-১৭ জাতের ধানের নমুনা কর্তন ও মাঠ দিবসে ভার্চুয়ালি প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

ড. রাজ্জাক বলেন, বছরের এই সময়ে আশ্বিন- কার্তিক মাস আসলেই আগে উত্তরাঞ্চলে মঙ্গা বা আধা দুর্ভিক্ষ দেখা দিতো। বেশির ভাগ মানুষের ঘরে খাবার থাকতো না। আমন ধান ঘরে তোলার আগ পর্যন্ত খাবার জুটত না। তিনি বলেন, সারা দেশে আমনের ফসল আসতে যেখানে আরও ১-২ মাস সময় লাগবে, সেখানে এই মুহূর্তে আমন ধান পেকেছে। বিনার উদ্ভাবিত এ জাতগুলোর অপার সম্ভাবনা রয়েছে। মন্ত্রী এ জাতগুলোকে দ্রুত কৃষকের কাছে ছড়িয়ে দিতে নির্দেশ প্রদান করেন।

অনুষ্ঠানস্থল রংপুরের তারাগঞ্জে মাঠ দিবসে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব কমলারঞ্জন দাশ, বিনার ডিজি মির্জা মো: মোফাজ্জল ইসলাম, রংপুরের জেলা প্রশাসক ও স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা বিজ্ঞানীরা উপস্থিত ছিলেন।সূত্র : বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ১০:৪৭ পূর্বাহ্ন
পরিত্যক্ত দ্বীপে মিশ্র ফল বাগান করে তাক লাগিয়েছেন সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা
কৃষি বিভাগ

কাপ্তাই হ্রদের পাশে রাঙ্গাপানি এলাকায় পরিত্যক্ত দ্বীপের ১০ একর জমিতে মিশ্র বাগান করে সফল হয়েছেন রাঙ্গামাটির কৃষি উদ্যোক্তা সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা।

রাঙ্গামাটির এ সফল কৃষি উদ্যোক্তা জানান, ২০১৬ সালে ব্যক্তিগত উদ্যোগে কাপ্তাই হ্রদ ঘেষে থাকা রাঙ্গামাটির সদরের মগবান ইউনিয়নের সোনারাম কার্বারী পাড়া এলাকায় সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা তার পরিত্যক্ত দ্বীপে গড়ে তোলেন মিশ্র ফলজ বাগান। মিশ্র ফলজ বাগান করার পর তাকে আর পিছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। এ বাগানই তাকে এনে দিয়েছে ব্যাপক সফলতা।

পরিত্যক্ত পাহাড়ী জমিতে মিশ্র ফল বাগান করে সুশান্ত বর্তমানে রাঙ্গামাটির সফল কৃষি উদ্যোক্তা হিসেবে পরিচিতি পেয়েছে। তার বাগানে কাজ করছে আরো অনেক বেকার যুবক। মিশ্র বাগানের পাশাপাশি গাছের চারাও বিক্রি করছেন তিনি।

তার বাগানে বল সুন্দরি বড়ই, বিদেশী রেড লেডি পেঁপে, বিলাতি ধনিয়া পাতা, লিচু, লটকন, মাল্টা, কলা, তেতুল, সুপারি, বেল, জাম্বুরা, কাঠাল, রাম্বুটান, পেয়ারা, আলু বোখরা, দারু চিনিসহ বিভিন্ন ধরনের মিশ্র ফল বাগান রয়েছে।

বর্তমানে তার বাগানে বিদেশী জাতের রেড লেডি পেঁপে, জাম্বুরা, বেলসহ বেশ কয়েকটি ফল বিক্রির উপযোগী হয়েছে। ফুল এসেছে বল সুন্দরি বড়ই গাছে। আরো কয়েক মাস পর আরো কিছু ফল বিক্রির উপযোগী হবে বলে জানিয়েছেন এ কৃষি উদ্যোক্তা। তবে সরকারী সহায়তা পেলে শহর থেকে যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন থাকা কাপ্তাই হ্রদ বেষ্টিত এসব পরিত্যক্ত দ্বীপ এলাকায় আরো মিশ্র ফলজ বাগান করা সম্ভব বলে জানান সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যা।

সুশান্ত তঞ্চঙ্গ্যার বাগানে কাজ করে সফল স্বাবলম্বী হওয়া যুবক সুকুমার চাকমা জানান, আমিসহ আরো ১০ থেকে ১২ জন বেকার যুবক এ বাগানে কাজ করে পরিবারের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি নিজেরা অনেকটাই স্বাবলম্বী। ভবিষ্যতে তারা ও সম্মিলিতভাবে মিশ্র ফলজ বাগান করার পরিকল্পনা করছেন বলে জানান।

রাঙ্গামাটি কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষ্ণ প্রসাদ মল্লিক জানান, পাহাড়ের বিভিন্ন পরিত্যক্ত জমিতে ব্যক্তিগত ও সম্মিলিতভাবে মিশ্র ফল বাগান পাহাড়ের ফলের চাহিদা মিটানোর পাশাপাশি দেশের অন্যান্য জেলাগুলোতে ও কৃষকরা সরবরাহ করছে। এতে পার্বত্য এলাকায় কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি মিশ্র ফলজ বাগান কৃষি ক্ষেত্রে ভালো একটি পরিবর্তন এনেছে। তিনি জানান, মিশ্র ফলজ বাগান নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের আওতায় কোন প্রকল্প না থাকলে ও মাঠ পর্যায়ে কৃষকদের সব ধরনের সহায়তা করা হচ্ছে।

মিশ্র ফলজ বাগানের বিষয়ে প্রকল্প গ্রহণে ভবিষ্যত উদ্যোগ নেয়ার পরিকল্পনা রয়েছে জানিয়ে এ কৃষি কর্মকর্তা জানান, বর্তমানে সরকারীভাবে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আগামী ৫বছরের জন্য কাজু বাদাম ও কফি চাষের একটি প্রকল্প চালু হবে। এসব প্রকল্পে পাহাড়ের পরিত্যক্ত জমিকে কাজে লাগানোর পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানান তিনি।

পাহাড়ে পরিত্যক্তভাবে পড়ে থাকা জমিগুলো মিশ্র বাগান চাষের আওতায় আনতে পারলে ফল উৎপাদনে দেশের অনেক অনেক চাহিদা পূরণ করা সম্ভব বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১, ২০২১ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
বেগুনি জাতের ধান চাষ করছেন মিন্টু
কৃষি বিভাগ

ভিটামিন-ই এবং ফাইবারসমৃদ্ধ উচ্চফলনশীল ও চায়না অরিজিন বেগুনি জাতের ধান চাষ করেছেন রংপুরের পীরগাছা উপজেলার কৃষক মো. মোজাফফর আহমেদ মিন্টু। তিনি দুই শতক জমিতে প্রথমবারের মতো এ ধান চাষ করছেন। মো. মোজাফফর আহমেদ মিন্টু উপজেলার অন্নদানগর ইউনিয়নের জগজীবন (গোবরাপাড়া) গ্রামের মৃত ইসমাইল হোসেনের ছেলে। তিনি তার এক বন্ধুর কাছ থেকে পরীক্ষামূলক চাষ করতে এক কেজি ধান নিয়ে চাষাবাদ করেন।

কৃষক মো. মোজাফফর আহমেদ মিন্টু জানান, এ ধানের ধান একরপ্রতি উৎপাদন প্রায় ৫০-৫৫ মণ, ধানগাছে শীষের সংখ্যা অনেক বেশি, প্রতিটি শীষে প্রায় ২০০-৩১৩ দানা হয়, অনেক পুষ্টিগুণের পাশাপাশি দীর্ঘদিন এ ধানের ভাত খেলে ডায়াবেটিস, ক্যান্সার, হৃদরোগের মতো আরও অনেক রোগ প্রতিরোধ ঝুঁকি কমায়।

সাধারণত অন্য জাতের ধান চাষ থেকে এ ধানে রাসায়নিক-কীটনাশক পরিমাণে কম লাগে। তুলনামূলকভাবে অন্য জাতের ধান থেকে এ জাতের ধান চাষে খরচ অনেক কম। এ জাতের ধান কৃষকের ঘরে তুলতে প্রায় ৯০ দিন সময় লাগে।

উপজেলা কৃষি অফিসসূত্র জানায়, এ ধানকে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ নাম দিয়েছেন পারপল লিফ রাইচ। চালের রঙও বেগুনি হয়। চাল মোটা হয়ে থাকে। বোরো ও আমন দুই মৌসুমে চাষাবাদ করা যায়। বোরো ৫০-৫৫ মণ ও আমনে ১২-১৩ মণ ধান হয়ে থাকে। এই ধানের জাতকে অনেকে দুলালী সুন্দরী বলে থাকেন।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. আশরাফুজ্জামান ও উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা মো. আব্দুল লতিফ বলেন, ওই কৃষকের রোপণকৃত বেগুনি জাতের ধান আমরা সবসময় মনিটরিং ও অবজারভার করছি। যদি এর ফল ভালো হয়, তা হলে আমরা অন্য কৃষকদের চাষাবাদ করতে উৎসাহিত করব। যেহেতু পীরগাছায় এই প্রথম বেগুনি ধানের চাষ হচ্ছে, তাই আমরা আরও অবজারভার করে বিস্তারিত জানাতে পারব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. সাইফুল আলম জানান, বেগুনি জাতের ধান চাষ পীরগাছায় এই প্রথম। ফলন যদিও একটু কম, খেতে সুস্বাদু। ধান ও চালের মধ্যে উল্লেখযোগ্য কোনো প্রভাব না রাখলেও এটার ধান ও চাল দেখতে অনেক সুন্দর। এটি পরিবেশের ওপর ভালো একটি প্রভাব রাখবে।

যদি এর ফলন ভালো হয়; তা হলে আমরা কৃষকদের চাষাবাদ করতে উদ্বুদ্ধ করব।

ওই গ্রামের সমাজসেবক মো. রেজাউল করিম রেজা জানান, মিন্টু একজন কীটনাশক ব্যবসায়ী। তার কৃষি সেবা কেন্দ্র নামে মমিনবাজারে একটি কীটনাশক ব্যবসা আছে। তিনি এই প্রথম আমাদের এলাকায় বেগুনি জাতের ধান এনেছেন, তা দেখে আমার ভালো লাগছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop