৩:৫৯ পূর্বাহ্ন

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২৭, ২০২২ ৭:৩৯ অপরাহ্ন
বরিশালের বাকেরগঞ্জে বারি মুগ-৬’র উৎপাদন বিষয়ক কৃষক সমাবেশ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালের বাকেরগঞ্জে ডাল ফসলের উন্নত জাত বারি মুগ-৬’র আধুনিক উৎপাদন কৌশল বিষয়ক কৃষক সমাবেশ ও মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ উপজেলার মধুকাঠি গ্রামে বিএআরআই’র সরেজমিন গবেষণা বিভাগের উদ্যোগে এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মাদারীপুরের সক্ষমতা বৃদ্ধি এবং বৃহত্তর বরিশাল-ফরিদপুর অঞ্চলে ডাল ফসলের উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. ছালেহ উদ্দিন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন পটুয়াখালীর বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএআরআই) সরেজমিন গবেষণা বিভাগের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. সহিদুল ইসলাম খান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা নন্দ দুলাল কুন্ডুর সঞ্চালনায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন মাদারীপুরের আঞ্চলিক ডাল গবেষণা কেন্দ্রের বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা শাহিন মাহমুদ, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, অবসরপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক মো. শাহ আলম, কৃষক ফারুক খান, মো. হাবিবুর রহমান, কিশান্তী রাণী প্রমুখ।

প্রধান অতিথি বলেন,বিশ্বস্বাস্থ্য সংস্থার মতে-একজন পূর্ণবয়স্ক লোকের দৈনিক ৪৫ গ্রাম ডাল খাওয়া দরকার। আমরা খাই ১৩-১৭ গ্রাম। তাই এর চাহিদা পূরণে অন্যান্য ডালের পাশাপাশি মুগের আবাদ বাড়াতে হবে। এজন্য প্রয়োজন উন্নত জাত ব্যবহার। এর অংশ হিসেবে বারিমুগ-৬ অন্যন্য।

তিনি আরো বলেন, ডাল আবাদে ভালো লাভ। একদিকে মানবদেহের পুষ্টি সরবরাহ করে। অন্যদিকে মাটির উর্বরতা শক্তি বৃদ্ধি পায়। সেই সাথে এর উচ্ছিষ্টাংশ মাছ ও প্রাণিসম্পদের খাদ্য সরবরাহে রাখে বিশেষ ভূমিকা।

দিনব্যাপী এ কৃষক সমাবেশে ৮০ জন ডালচাষি অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৭, ২০২২ ৩:৩৭ অপরাহ্ন
ক্ষমতায় যেতে চাইলে আন্দোলন নয়, গরীব দুঃখী মানুষের পাশে দাঁড়ান: বিএনপিকে কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বিএনপির উদ্দেশে বলেছেন, আপনাদের জনসমর্থন নেই। রাজনীতির নামে, গণতন্ত্রের নামে আন্দোলন করে, জ্বালাও-পোড়াও আর হরতাল করে আপনারা ক্ষমতায় যেতে পারবেন না। ক্ষমতায় যেতে চাইলে আপনাদেরকে গরীব দুঃখী মানুষের পাশে থাকতে হবে, তাদেরকে সহযোগিতা করতে হবে। জনগণের সমর্থন না পেলে কোনদিন ক্ষমতায় যেতে পারবেন না।

আজ বুধবার সকালে টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী পৌরসভা প্রাঙ্গণে পবিত্র ঈদুল ফিতর উপলক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার উপহার হিসাবে অতিদরিদ্র ও অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ অনুষ্ঠানে মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

বিএনপিকে গঠনমূলক সমালোচনা করার আহ্বান জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আপনারা জনগণের জন্য রাজনীতি ও গঠনমূলক সমালোচনা করেন। কিন্তু রাজনীতির নামে, আন্দোলনের নামে গাড়িতে আগুন দিবেন, মানুষকে পুড়িয়ে মারবেন, হরতাল করবেন, রেললাইন উপড়ে ফেলবেন, সেটি আমরা করতে দিব না। এটি গণতন্ত্র না, রাজনীতি না। আন্দোলন করে অতীতে আপনারা সফল হন নাই, ভবিষ্যতেও কখনও সফল হবেন না।

মন্ত্রী বলেন, বিএনপির আমলে দেশে সার পাওয়া যেতো না। চালের দাম বেশি ছিল, মানুষ চাল কিনতে পারত না। প্রতিবছর উত্তরবঙ্গে মঙ্গা হতো, মানুষ ৩-৪ দিন পর্যন্ত না খেয়ে থাকতো, না খেয়ে অনেক মানুষ মারাও যেতো। সেখানে আজকে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকারের কৃষি উন্নয়ন ও ব্যাপক খাদ্য সহায়তার ফলে দেশে খাওয়ার কোন কষ্ট নেই, মঙ্গা নাই; বরং সব মানুষ খাবার পায়। তারপরও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ঈদ উপলক্ষ্যে গরীব ও দুঃস্থ মানুষকে চাল দিচ্ছেন, যাতে করে কোনক্রমেই একটি মানুষও যেন খাদ্যের কষ্ট না করে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের মানুষকে ভালবাসেন, মানুষের কল্যাণে নিয়োজিত আছেন।

অনুষ্ঠানে ধনবাড়ী উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান হারুনার রশিদ হীরা, উপজেলা নির্বাহী অফিসার আসলাম হোসাইন, পৌর মেয়র মনিরুজ্জামান বকলসহ স্থানীয় নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে দুপুরে কৃষিমন্ত্রী মধুপুর পৌর ভবনে মধুপুর উপজেলার অতিদরিদ্র ও অসহায় দুঃস্থ পরিবারের মাঝে ভিজিএফ চাল বিতরণ করেন।

এসময় উপজেলা চেয়ারম্যান ছরোয়ার আলম খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার শামীমা ইয়াসমিন, পৌর মেয়র সিদ্দিক হোসেন খান, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি খন্দকার শফিউদ্দিন মনি প্রমুখ বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৭, ২০২২ ২:৪০ অপরাহ্ন
চৈত্রের বৃষ্টিতে কুড়িগ্রামের আলুচাষিদের সর্বনাশ
কৃষি বিভাগ

কুড়িগ্রামে চৈত্র মাসের ভারী বৃষ্টিতে আলুর ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। পানি জমায় জেলার প্রায় ২৪৫ হেক্টর জমির আলু পঁচে গেছে। শ্যালো মেশিন দিয়ে পানি সরিয়েও জমির আলু বাঁচাতে পারেনি তারা। হতাশায় সময় কাটছে কৃষকের।

জেলা কৃষি বিভাগ জানিয়েছে, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা করে প্রণোদনার আওতায় আনা হবে।

চলতি মৌসুমে কুড়িগ্রাম জেলায় ৫ হাজার ৬শ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হলেও চাষ হয়েছে ৫ হাজার ৭শ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে সদর উপজেলায় হয়েছে ১হাজার ৩৪৫ হেক্টর জমিতে।

কুড়িগ্রাম সদর উপজেলাতেই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে ২৪৫ হেক্টর জমির আলু। বিপাকে পড়েছেন কৃষক। ধারদেনা করে আলু চাষ করে দিশেহারা তারা।

দীর্ঘদিন ধরে বাজারে আলুর দাম বেশি থাকায় অনেকে অন্যান্য আবাদ বাদ দিয়ে ঝুঁকে পড়েছিলেন আলু চাষে। বেশির ভাগ কৃষক জমি থেকে আলু তুলে ফেললেও কিছু বাকী ছিলো। কিন্তু বৃষ্টিতে জমিতে পানি জমায় নষ্ট হয়ে গেছে সেসব আলু।

কৃষকরা জানালেন, প্রথম দফায় আলু চাষিরা লাভবান হলেও দ্বিতীয় দফায় যারা আলু চাষ করেছেন তার বেশি লোকসানের শিকার হয়েছেন।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ পরিচালক কৃষিবিদ মো. আব্দুর রশীদ বলেন, ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের তালিকা প্রস্তুত করতে কাজ করেছে কৃষি বিভাগ। তাদেরকে আউশ মৌসুমে সরকারি প্রণোদনায় অন্তর্ভুক্ত করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৭, ২০২২ ১২:৫০ অপরাহ্ন
একুশে পদকপ্রাপ্ত ৫জন অ্যালামনাইকে সংবর্ধনা দিয়েছে বাকৃবি অ্যালামনাই
কৃষি বিভাগ

দেশের অর্জনকে কেউ যাতে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে ও চক্রান্ত করে ম্লান না করতে পারে এ ব্যাপারে কৃষিবিদদের সচেতন ও সজাগ থাকার আহ্বান জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, দেশবিরোধী ও স্বাধীনতাবিরোধী শক্তি দেশের অর্জনকে ম্লান ও দুর্বল করতে নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত। কৃষিবিদদেরকে পেশাজীবী, কৃষিবিদ ও বুদ্ধিজীবী হিসেবে সচেতন থাকতে হবে যাতে কোনক্রমেই কেউ দেশের অর্জনকে ছোটো করতে না পারে।

মঙ্গলবার বিকালে ঢাকায় বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল মিলনায়তনে সংবর্ধনা সভা ও ইফতার মাহফিলে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অ্যালামনাই এসোসিয়েশন বাকৃবির ৫জন অ্যালামনাই এ বছর একুশে পদক পাওয়ায় এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

অনুষ্ঠানে এ বছর একুশে পদকপ্রাপ্ত বাকৃবির ইমেরিটাস অধ্যাপক আব্দুস সাত্তার মণ্ডল, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড অ্যানিমেল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক গৌতম বুদ্ধ দাশ, ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানী এনামুল হক, সাহানাজ সুলতানা এবং জান্নাতুল ফেরদৌসিকে সংবর্ধনা প্রদান করা হয়।

কৃষিমন্ত্রী ও বাকৃবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের সভাপতি ড. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ৫ জন কৃষিবিদ এ বছর রাষ্ট্রীয় পুরস্কার একুশে পদক পেয়েছেন, এটি আমাদের সকল কৃষিবিদের জন্য অহংকারের, গর্বের। এ পুরস্কার সকল কৃষিবিদেরকে প্রেরণা যোগাবে।

মন্ত্রী বলেন, গত দুই বছর ধরে করোনার অভিঘাতে এবং সাম্প্রতিক রাশিয়া- ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সারা পৃথিবীতেই অর্থনীতিতে ও খাদ্য দ্রব্যের দামে অস্থিরতা চলছে। এ পরিস্থিতির মধ্যেও বাংলাদেশের অর্থনীতি ভেঙে পড়ে নি, রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয় নি; বরং সারা পৃথিবীতে দেশের অর্থনীতি শক্তিশালী অবস্থানে আছে। এই সাফল্যের পিছনে রয়েছে দেশের গার্মেন্টস শিল্প, রেমিট্যান্স ও কৃষি- এই তিনটি খাত। কৃষির এই সাফল্যকে আরও এগিয়ে নিতে কৃষিবিদের আরো জোরাল ভূমিকা রাখতে হবে।

অনুষ্ঠানে কৃষিসচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, অতিরিক্ত সচিব হাসানুজ্জামান কল্লোল, বিএআরসির নির্বাহী চেয়ারম্যান শেখ মো. বখতিয়ার, বাকৃবি অ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নির্বাহী সভাপতি হামিদুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো. আওলাদ হোসেন প্রমুখ বক্তব্য রাখেন। এসময় বিভিন্ন সংস্থা প্রধান, বিজ্ঞানীসহ পাঁচ শতাধিক বাকৃবি অ্যালামনাই উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৫, ২০২২ ৪:৪২ অপরাহ্ন
বরিশালে লেবুজাতীয় ফসল উৎপাদন প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে লেবুজাতীয় ফসলের সম্প্রসারণ ব্যবস্থাপনা ও উৎপাদন বৃদ্ধি প্রকল্পের আঞ্চলিক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নগরীর ব্রির সম্মেলনকক্ষে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উদ্যোগে এই কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

এ উপলক্ষে এক আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন ডিএই’র পরিচালক ( প্রশাসন ও অর্থ উইং) বশির আহম্মদ সরকার।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন এবং প্রকল্প পরিচালক ফারুক আহমদ।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত) মো. হারুন-অর-রশীদ।

প্রধান অতিথি বলেন, লেবু ভিটামিন সিসমৃদ্ধ ফল। এ জাতীয় ফসল দেশের আভ্যন্তরিণ চাহিদা মিটিয়ের বিদেশে রফতানির রয়েছে বিশাল সুযোগ। পাশাপাশি মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা মোতাবেক প্রতি ইঞ্চি জমি ব্যবহার নিশ্চিতকরণেও ভূমিকা রাখতে পারবে। এজন্য দরকার উন্নত জাতের চারা-কলম সরবরাহ। এ বিষয়ে কৃষকদের হাতে-কলমে শেখাতে হবে। আর তা মাঠে প্রয়োগ করলে প্রকল্পের উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হবে। কৃষকরাও হবেন লাভবান।

দিনব্যাপী এ কর্মশালায় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ডিএই পটুয়াখালী উপ-পরিচালক ড. মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম শিকদার, ডিএই ঝালকাঠির উপ-পরিচালক মো. মনিরুল ইসলাম, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রফেসর ড. মো. আসাদুল হক, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, হর্টিকালচার সেন্টারের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ নজরুল ইসলাম, ডিএই বরগুনার অতিরিক্ত পরিচালক এস. এম. বদরুল আলম, ডিএই বরিশালের অতিরিক্ত পরিচালক মোসামৎ মরিয়ম, ডিএই পটুয়াখালীর অতিরিক্ত পরিচালক মো. জাকির হোসেন তালুকদার, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মীর মনিরুজ্জামান কবীর, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ছয়েমা খাতুন, নাজিরপুরের উপজেলা কৃষি অফিসার দিগবিজয় হাজরা, মেহেন্দিগঞ্জের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. হারুন-অর-রশিদ, গৌরনদীর উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মামুনুর রহমান, নেছারাবাদের উপজেলা কৃষি অফিসার চপল কৃষ্ণ দেবনাথ, মঠবাড়িয়ার উপজেলা কৃষি অফিসার মো. মনিরুজ্জামান, নলছিটির কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার আলী আহম্মদ, উজিরপুরের মাল্টাচাষি জুবায়েদ, বানারীপাড়ার কৃষক টিটু খন্দকার প্রমুখ।

কর্মশালায় কৃষি সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের ১ শ’ কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৫, ২০২২ ১২:০২ অপরাহ্ন
কৃষিতে বৈরি আবহাওয়া সফলভাবে মোকাবেলা করছে সরকার: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, কৃষিক্ষেত্রে বৈরি আবহাওয়া সারা বিশ্বের জন্যই চ্যালেঞ্জ। বাংলাদেশ প্রাকৃতিক দুর্যোগপ্রবণ দেশ, এখানে চ্যালেঞ্জ আরও বেশি। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরকার অনেক সফলভাবে এ চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করে যাচ্ছে। ভবিষ্যতে বৈরি আবহাওয়া মোকাবেলার জন্যও গবেষণায় পর্যাপ্ত বরাদ্দের পাশাপাশি কৃষিকে আধুনিক ও যান্ত্রিকীকরণে কাজ করছে। কাজেই, বৈরি আবহাওয়া আমরা মোকাবেলা করতে পারব।

রবিবার বিকালে রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) অডিটোরিয়ামে ‘বৈরি আবহাওয়ায় কৃষিজ উৎপাদন: অস্থিতিশীল বৈশ্বিক কৃষিপণ্যের বাণিজ্য, শীর্ষক সংলাপে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ কৃষি সাংবাদিক ফোরাম (বিএজেএফ) এ সংলাপের আয়োজন করে।

ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার দেয়ায় হাওরে দ্রুততার সাথে ধান কাটা সম্ভব হচ্ছে বলে জানান মন্ত্রী। তিনি বলেন, বৈরি পরিবেশ মোকাবেলায় ৫০-৭০% ভর্তুকিতে ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র কৃষকদের দেয়া হচ্ছে। এই মুহূর্তে শুধু সুনামগঞ্জ জেলায় ৫৭৭টি কম্বাইন হারভেস্টার ধান কাটায় ব্যবহার হচ্ছে। এর ফলেই বৈরি পরিবেশের মধ্যেও সুনামগঞ্জে এখন পর্যন্ত ৭৭% বোরো ধান কাটা সম্ভব হয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, নানান কর্মসূচি গ্রহণের মাধ্যমে বর্তমান সরকার মঙ্গাকে চিরতরে দূর করেছে। গত ১৪ বছরে মঙ্গাপীড়িত এলাকা, উপকূলীয় এলাকা ও চরাঞ্চলসহ দেশের কোথাও কোন খাদ্য সংকট হয় নি, মঙ্গা হয় নি।অথচ বিএনপি ক্ষমতায় থাকাকালে বাংলাদেশের বৈরি আবহাওয়াকে নিয়তি বলেই ধরে নিয়েছিল; দেশে প্রতিবছর খাদ্য সংকট হবে, মঙ্গা হবে, দুর্ভিক্ষ হবে- এটি তারা মেনে নিয়েছিল। ২০০১-০৬ পর্যন্ত তাদের শাসনামলে প্রতিবছর দেশে মঙ্গা হয়েছে, মানুষ না খেয়ে থেকেছে এবং  না খেয়ে মারাও গেছে।

কৃষিক্ষেত্রে গবেষণার জন্য বর্তমান সরকার পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিচ্ছে বলে উল্লেখ করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, আগে কৃষি গবেষণার জন্য আমরা বিদেশের উপর নির্ভরশীল ছিলাম। বিদেশী বা আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থার টাকা না পেলে গবেষণা করা যেতো না। কিন্তু বর্তমানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কৃষিখাতে গবেষণার জন্য পর্যাপ্ত বরাদ্দ দিচ্ছেন। কাজেই, গবেষণার জন্য ফান্ডের কোন কমতি নেই।

শ্রীলংকার সাথে বাংলাদেশকে তুলনা করে বাংলাদেশের অর্জনকে খাটো করা হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন মন্ত্রী। তিনি বলেন, একটি জাতি তার আত্মশক্তি ও আত্মবিশ্বাসের উপর ভর করে সামনের দিকে এগিয়ে যায়। অহেতুক ও ভিত্তিহীনভাবে শ্রীলংকার সাথে তুলনা করে আমাদের আত্মবিশ্বাস ও অর্জনকে ছোটো করা হচ্ছে। এটি মোটেই ঠিক হচ্ছে না। আমরা যখন সামনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছি, তখন এরকম ভিত্তিহীন তুলনায় আমাদের উদ্যোক্তারা হতাশ হয়ে পড়বে।

এতে বিশেষ অতিথি হিসাবে বক্তব্য রাখেন পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নান এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বিএজেএফের সভাপতি গোলাম ইফতেখার মাহমুদের সভাপতিত্বে ও  সাধারণ সম্পাদক সাহানোয়ার সাইদ শাহীনের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের  অধ্যাপক  মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম।

প্যানেল আলোচনায় সভাপতিত্ব করেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ইমেরিটাস অধ্যাপক ড. এম এ সাত্তার মন্ডল। এছাড়া আলোচক হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সেন্টার ফর পলিসি ডায়ালগের (সিপিডি) ফেলো অধ্যাপক ড. মোস্তাফিজুর রহমান, ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন এফবিসিসিআইর সভাপতি মোঃ জসিম উদ্দিন, এসিআই এগ্রিবিজনেসের প্রেসিডেন্ট ড. এফ এইচ আনসারী, দি সিটি ব্যাংক লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও মাসরুর আরেফিন, গ্রীন ডেল্টা ইস্যুরেন্স কোম্পানি লিমিটেডের অতিরিক্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক (ভারপ্রাপ্ত ব্যবস্থাপনা পরিচালক) সৈয়দ মঈনউদ্দিন আহমেদ প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৪, ২০২২ ১:৩১ অপরাহ্ন
উজানের ঢলে মাদারীপুরে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

উজানের ঢলে পদ্মা নদীর পানি অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় মাদারীপুরের শিবচর উপজেলার পদ্মা তীরবর্তী চরাঞ্চলের শত শত বিঘা জমির ধানক্ষেত প্লাবিত হয়েছে।

কয়েকদিন ধরে পদ্মায় অস্বাভাবিক হারে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে। উপজেলার চরজানাজাত, কাঁঠালবাড়ি, বন্দরখোলা ইউনিয়নের চরাঞ্চলের কয়েকশ’ বিঘা জমির ধান ও অন্যান্য ফসল তলিয়ে গেছে।

একদিকে, ঋণের বোঝা; অন্যদিকে, তলিয়ে যাওয়া ফসল ঘরে তুলতে মজুরি পরিশোধের জন্য নেই পকেটে টাকা। ফলে নিজেরা মিলে যে যতটুকু পারছেন, পানির মধ্য থেকে পাকা ও আধপাকা ধান কেটে ঘরে তুলতে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। যদিও এরই মধ্যে অনেক ক্ষতি হয়ে গেছে, বলছেন তাঁরা।

কৃষি বিভাগ থেকে এসকল এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা হয়েছে। কৃষি বিভাগের মতে ১ হাজার ৫ শ বিঘা ধান তলিয়ে যাওয়ার কথা বলা হলেও কৃষকদের দাবী আরও অনেক বেশি।

এক কৃষক জানান, তিনি দশ বিঘা জমিতে ধান চাষ করেছেন। এর মধ্যে ছয় বিঘা জমির ধান ঘরে তুলতে পেরেছেন। আর সবই তলিয়ে আছে পানির মধ্যে। টাকা নেই। তাই সেগুলো কাটারও লোক নেই। শেষ পর্যন্ত হয় তো পানিতেই পচে যাবে আধা পাকা সে সব ধান।

শিবচর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ অনুপম রায় বলেন, পদ্মা নদীর পানি অস্বাভাবিক ভাবে বৃদ্ধির কারণে নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের প্রায় ১৫ শ বিঘার ধান পানিতে তলিয়ে গেছে। কৃষকরা পাকা ধান কেটে ঘরে তুলছেন। কৃষকদের ক্ষতি পুষিয়ে নিতে আগামীতে তাদের জন্য প্রণোদনার ব্যবস্থা করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৪, ২০২২ ১১:৩২ পূর্বাহ্ন
কানাইঘাটে কৃষি অফিসের উদ্যোগে মাঠ দিবস অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

মোঃ আবুল হারিসঃ সিলেটের কানাইঘাট উপজেলার সাতবাঁক ইউনিয়নের চাতল হাওরে বোরো ধান কর্তন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (২৩ এপ্রিল) দুপুরে সাতবাঁক ইউনিয়ন এর উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মোঃআবুল হারিছ এর পরিচালনায় উক্ত অনুষ্ঠানটি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সাতবাঁক ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবু তাইয়িব শামিম।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট অঞ্চলের কৃষি সম্প্রসারন অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মোশাররফ হোসেন খান।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিলেট জেলার কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ মোহাম্মদ কাজী মজিবুর রহমান,মনিটরিং অফিসার কৃষিবিদ মোঃ ফরহাদ মিয়া,উপজেলা কৃষি অফিসার কৃষিবিদ মোঃ এমদাদুল হক ও ৩ নং দিঘির পার পূর্ব ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আব্দুল মুমিন চৌধুরী মুহিন।

অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তা চিন্ময় কুমার চন্দ,নজরুল ইসলাম,আজাদ মিয়া,আরজু মিয়া,কৃষক প্রতিনিধি হাজি আব্দুল মন্নান, হুমায়ুন কবির সুহেব,ইজ্জাদুর রহমান সহ প্রায় ৫০ জন কৃষক।

পরে অতিথি বৃন্দ ৩ নং দিঘির পার ইউনিয়নের ধনমাইর মাটি গ্রামে অনুরূপ একটি অনুষ্ঠানে যোগ দেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৩, ২০২২ ৪:৩০ অপরাহ্ন
পদ্মার পাড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে জাপানি মিষ্টি আলুর চাষ
কৃষি বিভাগ

বৈচিত্র্যময় ফসলের ভান্ডার খ্যাত শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলায় চাষ হচ্ছে রপ্তানিযোগ্য নতুন জাতের জাপানি মিষ্টি আলুর। নতুন এই জাতের মিষ্টি আলুর ফলন অনেক বেশি, এছাড়া আকারে বড়, খেতেও সুস্বাদু।

জাজিরার পদ্মা নদীর তীরবর্তী পালেরচর, কুন্ডেরচর, পূর্বনাওডোবা ও নাওডোবা ইউনিয়নের বিভিন্ন মাঠে বর্তমানে দেখা মিলছে ওকিয়ানা, কোকেই১৪ এবং মুরাসাকি নামের মিষ্টি আলুর প্রদর্শনী। কিছুদিন পরেই খেত থেকে তোলা হবে এসব আলু।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে নতুন জাতের আলুর চাষ শুরু হয়েছে। এগুলো জাপানে রফতানির উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

পুষ্টি মানে সমৃদ্ধ মিষ্টি আলুতে প্রচুর পরিমাণ বিটা ক্যারটিন, ভিটামিন সি, ভিটামিন বি ৬, ফাইবার রয়েছে। মিষ্টি আলু সাধারণত সাদা ও লাল চামড়ার হয়ে থাকে।

এর মধ্যে রঙিন আবরণের মিষ্টি আলুর পুষ্টি মানে অপেক্ষাকৃত বেশি। একটি মাঝারি মানের আলুতে আছে ১০০ ক্যালরি শক্তি , ২ গ্রাম প্রোটিন, ২২ গ্রাম শ্বেতসার, ৩ গ্রাম আঁশ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের তত্ত্বাবধানে জাজিরাতে পরীক্ষামূলক ভাবে ৩০০ শতাংশ জমিতে নতুন জাতের আলুর চাষ শুরু হয়েছে। প্রথম চাষাবাদেই সফলতা পাওয়া গেছে। এগুলো জাপানে রফতানির উদ্যোগ নিয়েছে স্থানীয় কৃষি বিভাগ।

পালের চর ইউনিয়নের কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমাগো দ্যাশে তো আগে এই কালারের মিষ্টি আলু দে নাই। তয় কৃষি অফিস থেকে এই মিষ্টি আলু দিছি। আশাবাদী ভালো ফল পামু। আমাগো দেইখা এলাকায় অনেক কৃষক ভিনদেশি এই আলু চাষ করতে চাইতাছে।’

জাজিরা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. জামাল হোসেন বলেন, ‘মিষ্টি আলু অত্যন্ত পুষ্টি মান সমৃদ্ধ একটি কন্দাল ফসল। কিন্তু আমাদের দেশে এটি খাওয়ার খুব বেশি প্রচলন নেই। কৃষকদের উপকরণ, প্রয়োজনীয় পরামর্শ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা দেওয়ার পাশাপাশি মাঠ প্রদর্শনী এবং কৃষকদের সচেতন করতে মাঠ দিবস করা হচ্ছে।’

তিনি আরও জানান, পদ্মা সেতু কেন্দ্রিক যে অর্থনৈতিক কর্ম চাঞ্চল্য শুরু হবে এতে নতুন সংযোজন হতে পারে আমাদের এই মুরাসাকি, ওকিয়ানা এবং কোকেই ১৪ জাতের মিষ্টি আলু। ফলে একদিকে কৃষক লাভবান হবেন, অন্য দিকে খাদ্যতালিকায় এর অন্তর্ভুক্ত আমাদের পুষ্টি মান বাড়াতে সহায়তা করবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৩, ২০২২ ২:২২ অপরাহ্ন
ফরিদপুরে গাছ থেকে ফল না আসায় বিপাকে তরমুজ চাষীরা
কৃষি বিভাগ

মৌসুমী ফল তরমুজের চাষ করে বিপাকে পড়েছেন ফরিদপুরের চাষিরা। বীজ থেকে ভালো গাছ হলেও গাছে কোনো ফল ধরেনি। ফলে আবাদের পুরো অর্থই লোকসান তাদের। চাষিদের দাবি, খারাপ বীজ দেয়ার কারণেই এই অবস্থার সম্মুখীন হতে হয়েছে।

চাষীরা জানান, ডিলারের কাছ থেকে বীজ নেয়ার সময় কথা ছিল ৬০ দিনে ফলন আসবে। কিন্তু ৩ মাস পার হলেও গাছে কোনো ফল না আসায় এখন জমি থেকে গাছ তুলে ফেলছেন তারা।

ফরিদপুর সদর উপজেলার কৃষ্ণনগর ইউনিয়নের চাষি মো. তুহিন বলেন, লাভের আশায় তিন একর জমিতে তরমুজের আবাদ করেছিলাম। তরমুজ গাছ হলেও কোনো ফল আসেনি তার জমিতে। এখন দেনা শোধ করব কীভাবে সেই চিন্তায় আছি। একই এলাকার চাষি কামাল মোল্যা, শহীদ মোল্যা, মোশাররফ মোল্যাসহ অন্যান্য তরমুজ চাষিরও একই অবস্থা।

তারা জানান, প্রতি বিঘা তরমুজ চাষ করতে তাদের খরচ হয়েছে ৫০ হাজার টাকা। এই টাকা ধার করে তারা তরমুজ আবাদ করেছেন। কিন্তু এখন দেনা শোধ তো দূরে থাক, পরবর্তী ফসল আবাদের জন্য কোনো টাকাই তাদের হাতে নেই।

দত্ত বীজ ভান্ডারের স্বত্বাধিকারী তাপস কুমার দত্ত জানান, কোম্পানি যেভাবে প্যাকেট করে পাঠিয়েছে আমরা সেভাবে বিক্রি করেছি। আমরা তো আর ভাল মন্দ জানি না। তবে ঘটনাটি তিনি কোম্পানিকে জানিয়েছেন বলে জানান।

ফরিদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ হযরত আলী জানান, কৃষি বিভাগ খোঁজ খবর নিয়ে ক্ষতিগ্রস্থ চাষীদের কিভাবে সাহায্য করা যায় তা দেখবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop