১:৫৫ অপরাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ৪, ২০২১ ৯:৪০ পূর্বাহ্ন
বাণিজ্যিকভাবে বয়ার জাতের ছাগল উৎপাদন শুরু
প্রাণিসম্পদ

সম্প্রতি দেশে বাণিজ্যিকভাবে শুরু হয়েছে বয়ার জাতের ছাগলের খামার। মাংস উৎপাদনে বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে এই জাতের ছাগল। প্রতিদিন গড়ে এর ওজন বাড়ে আড়াইশো থেকে ৩শ’ গ্রাম।

দক্ষিণ আফ্রিকার ছাগলের জাত বয়ার ২০১৮ সালে বিমান যোগে অস্টেলিয়া থেকে আনা হয় দেশে। আর এখন তা মুন্সিগঞ্জে ডাচ ডেইরির আধুনিক শেডে শতভাগ জৈব-নিরাপত্তায় করা হচ্ছে লালন পালন।

প্রতিকূল পরিবেশেও এরা খাপ খাইয়ে দ্রুত বৃদ্ধি পেয়ে হয় মাংসল। আর অল্পদিনেই প্রাপ্ত বয়স্ক হয়ে করে দ্রুত বংশ বিস্তার।

পুষ্টিবিদরা বলছেন এই প্রজাতির ছাগলের মাংসে ক্ষতিকর ফ্যাটি অ্যাসিডের পরিমাণ কম থাকায় বিশ্বব্যাপী তা জনপ্রিয়। তবে পশুরোগ বিশেষজ্ঞরা জানান খামারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখার পাশাপাশি রোগ-বালাই নিয়ন্ত্রণে নিতে হবে চিকিৎসকের পরামর্শ।

সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন দেশে এই জাতের ছাগলের সম্প্রসারণ প্রোটিনের চাহিদা মেটাতে উন্মোচন করবে সম্ভাবনার নতুন দ্বার।

এদিকে খামারিদের প্রযুক্তিগত সহায়তার পাশাপাশি দেশি জাত রক্ষায় সতর্ক বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২, ২০২১ ১০:৩৮ অপরাহ্ন
হিলিতে ভারতীয় ৫০ হাজার গরু মোটাতাজাকরণ ট্যাবলেট উদ্ধার
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের হিলি সীমান্তে ভারতীয় ৫০ হাজার পিস গরু মোটাতাজাকরণ ট্যাবলেট বিশেষ অভিযান চালিয়ে উদ্ধার করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)।

সোমবার (১ মার্চ) রাত সাড়ে ৩টায় হিলি রেলওয়ে স্টেশন এলাকা থেকে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ট্যাবলেটগুলো উদ্ধার করে বিজিবি। তবে এর সঙ্গে জড়িত কাউকে আটক করা যায়নি।

জয়পুরহাট-২০ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল রফিকুল ইসলাম জানান, ভারত থেকে ট্যাবলেটের একটি চালান দেশে ঢুকছে করছে এমন খবর পেয়ে বিজিবির হিলি সিপি ক্যাম্পের সদস্যরা রাত সাড়ে ৩টায় হিলি রেলওয়ে স্টেশন এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় চোরাকারবারী দল প্রবেশ করতে লাগলে বিজিবি সদস্যরা তাদের ধাওয়া দেয়।

তিনি আরও জানান, বিজিবির ধাওয়া খেয়ে চোরাকারবারীরা দুটি প্লাস্টিকের বস্তা ফেলে পালিয়ে যায়। পরে বস্তা দুটি উদ্ধার করা হলে তার ভেতর ২৬ হাজার ভারতীয় ডেক্সিন ট্যাবলেট এবং ২৪ হাজার পিস সিপ্রোহেপ্টাডিন ট্যাবলেট পাওয়া যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২, ২০২১ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
শিবচরে গোয়াল ঘরে আগুন লেগে কৃষকের গরু-ছাগলের মৃত্যু!
প্রাণিসম্পদ

মাদারীপুর জেলার শিবচরে আলাউদ্দিন জমাদ্দারের গোয়াল ঘরে আগুন লেগে দুটি গরু ও একটি ছাগল মারা গেছে। এছাড়াও আরো একটি গরু দগ্ধ হয়েছে।

সোমবার (১ মার্চ) দিবাগত রাত ৩টার দিকে উপজেলার দত্তপাড়া ইউনিয়নের তাজপুর গ্রামে কয়েলের আগুন থেকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

স্থানীয়দের মাধ্যমে জানা গেছে, সোমবার শেষ রাতে হঠাৎ করেই আদেলউদ্দিন জমাদ্দারের গোয়াল ঘরে আগুন দেখতে পায় বাড়ির লোকজন। এসময় তাদের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এসে প্রায় ঘণ্টাখানেক চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। তবে ততক্ষণে গোয়ালঘরসহ দুটি ঘর ও বসত ঘরের একটি অংশ পুড়ে যায়। আগুন চারপাশে ছড়িয়ে পড়ায় ঘরে বাধা তিনটি গরু ও একটি ছাগল আগুনে পুড়ে যায়। এর মধ্যে দুটি গরু ও একটি ছাগল তখনই মারা গেছে। অপর একটি গরুর অবস্থা সংকটাপন্ন।

ক্ষতিগ্রস্ত আদেল উদ্দিন জমাদ্দার জানান, আগুনে তার কমপক্ষে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। মারা যাওয়া দুটি গরুর আনুমানিক মূল্য হবে আড়াই থেকে তিন লাখ টাকা। গোয়াল ঘরে জ্বালানো কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে বলে ধারণা তার।

প্রত্যক্ষদর্শী লিক্সন হাওলাদার বলেন, রাত ৩টার দিকে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। স্থানীয় লোকজন মিলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। তবে আগুনে পুড়ে সেসময়ই তিনটি গরু-ছাগল মারা গেছে।

এ ব্যাপারে স্থানীয়ভাবে কেউ জানায়নি, তবে খোঁজ নেওয়া হচ্ছে বলে জানান দত্তপাড়া পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা এমদাদুল হক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১, ২০২১ ৭:৫২ অপরাহ্ন
দিনাজপুরে কুকুরের আক্রমণে প্রাণ গেল শিশুর
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের কাহারোলে একদল কুকুরের কামড়ে ক্ষতবিক্ষত হয়ে তৃতীয় শ্রেণির এক ছাত্রের মৃত্যু হয়েছে।

রোববার (২৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে উপজেলার ৩ নম্বর মুকুন্দপুর ইউনিয়নের পৌরিয়া মামির মোড়ে এই ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাঠে কাজ করে শিশু হরিদেব শীল বাড়ি ফিরছিল। এ সময় ৮-১০টি কুকুর দল বেঁধে তার ওপর হামলা চালায়। কুকুরগুলো তার শরীরের বিভিন্ন স্থানে কামড়াতে থাকে। এক পর্যায়ে কামড়ে তার গলার রগ ছিঁড়ে যায় এবং পুরো শরীর ক্ষতবিক্ষত হয়ে যায়।

স্থানীয়রা দেখতে পেয়ে শিশু হরিদেব শীলকে উদ্ধার করে কাহারোল উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স নিয়ে যায়। হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাবাসুম তাজরুবা তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

৩ নম্বর মুকুন্দপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান একেএম ফারুক এর সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ১, ২০২১ ১২:৩৫ অপরাহ্ন
বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের মাঝে ক্রসব্রীড বকনা গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের মাঝে ক্রসব্রীড বকনা গরু ও উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২ টায় বদলগাছী উপজেলার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের আয়োজনে সমতল ভূমিতে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থসামাজিক ও জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মো. জিয়াউর রহমান বলেন, সমতল ভূমিতে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থসামাজিক ও জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১২৬ জন সুফলভোগির মধ্যে ১ টি করে ক্রসব্রীড বকনা গরু ও উপকরণ বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে ২ হাজার ৮শ জনের মাঝে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও উপকরণ বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহা. আবু তাহির এর সভাপতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল আলম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু খালেদ বুলু, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান ইমামুল আল হাসান তিতু, নওগাঁ জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার মো. মহির উদ্দীন, ডিটিএলপি’র প্রকল্প পরিচালক ড. অসীম কুমার দাস প্রমুখ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বদলগাছী উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মো. জিয়াউর রহমান সহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ১১:৪৪ অপরাহ্ন
রুপগঞ্জে অভিনব কায়দায় দুই বছরে ৩‘শ গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল এলাকায় হচ্ছে অভিনব কায়দায় চুরি। সেখানে গত দুই বছরে গরু চুরি হয়েছে অন্তত ৩০০ টি। অভিনব কায়দায় গরু চুরির শিকার এলাকার খামারিরা।

থানায় অভিযোগ করেও, মিলছেনা সমাধান। একমাত্র আয়ের উৎস বন্ধ হওয়ায় সর্বশান্ত বেশিরভাগ খামারি।

অভিনব কায়দায় গরু চুরি করা হয় নারয়নগঞ্জের রুপগঞ্জের। এই ঘটনায় সর্বশান্ত অনেক খামারি। গত কয়েক মাস আগে এক রাতেই ৭টি গরু চুরি হয় এক খামারির। ক্ষতিগ্রস্ত খামারির অভিযোগ, থানায় জানিয়েও মেলেনি কোন সুরাহা।

স্থানীয়রা জানায়, গত ২ বছরে রূপগঞ্জ এলাকা থেকে গরু চুরি হয়েছে অন্তত ৩০০ টি।

খামারিদের দুরবস্থা ঠেকাতে প্রশাসনিক সহায়তার কথা জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। আর রূপগঞ্জের এই এলাকাটা বেশ ফাঁকা থাকার কারণে চুরির প্রবণতা বেশি বলে মনে করছে পুলিশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ৩:১০ অপরাহ্ন
হাঁস পালনে স্বাবলম্বী অনোক
প্রাণিসম্পদ

অনোক কুমার পাল একজন বেকারি ব্যবসায়ী ছিলেন। করোনা মহামারীতে তার ব্যবসাতে ধ্বস নামায় বিকল্প আয়ের উৎস হিসাবে শুরু করেন হাঁস পালন। যা উপর ভিত্তি করেই বদল হয় তার ভাগ্য। মাত্র দুই লক্ষ টাকার পূজিতে ৮ মাস না যেতেই মাসিক আয় পৌছেছে অর্ধলক্ষ টাকায়।

জানা যায়, অনোক কুমার পাল বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের একজন বেকারির ব্যবসায়ী।যিনি বছর পাঁচেক আগে রং মিস্ত্রির কাজ ছেড়ে দিয়ে শুরু করেন বেকারির ব্যবসা।চানাচুর, বিস্কিট, চিড়া, বুট, ছোলাসহ বিভিন্ন খাবার পন্য তৈরি ও সরবরাহ করে ভালই চলছিল তার।কিন্তু করোনা মহামারিতে এবছর জুন মাসের দিকে ব্যবসা একদম শুন্যের কোঠায় চলে আসে। দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়ে অনোকের।চিন্তায় পড়ে যান, খুজতে থাকেন বিকল্প আয়ের পথ। ইউটিউবে বিভিন্ন হাসের খামারের ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত নেন খামার করার।বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন।সিদ্ধান্ত নেন নিজের সখের মৎস্য ঘেরেই হাস পালন শুরু করবেন।নিজের জামানো টাকা দিয়ে ঘেরের পাশে হাঁসের জন্য গোলপাতার ছাউনিতে কাঠের শেড তৈরি করেন।

তিনি বাগেরহাট আঞ্চলিক হাস প্রজনন খামার থেকে ২০ টাকা দরে এক হাজার ৫০টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে শুরু করেন হাসের খামার। অন্তর-অয়ন হাস খামার নামে শুরু করেন স্বপ্ন যাত্রা।মাত্র ৩ মাস ২৬ দিনে হাস থেকে ডিম পায় অনোক কুমার পাল।

কিন্তু বাধঁ সাধে খামারে থাকা পুরুষ হাস।এক হাজার ৫০ পিস হাসের মধ্যে প্রায় ৫‘শ হাস পুরুষ হয়ে যায়। ৪০ হাজার টাকা লোকসানে পুরুষ হাসগুলোকে বিক্রি করে দেন তিনি। তবে লোকসান পুষিয়ে নিতে প্রাণপন চেষ্টা করে যান অনোক।সফলতাও পেয়ে যান অনোক।

খামার থেকে এখন প্রতিদিন ৪‘শ থেকে সাড়ে চারশ ডিম সংগ্রহ করেন অনোক।খাবারের দাম ও একজন কর্মচারীর বেতনসহ সব খরচ দিয়ে প্রতিমাসে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার লাকা লাভ করেন তিনি।হাস খামারের আয়ে খুশি অনোক।

অনোক বলেন, ‘মাত্র ৩৩ শতাংশ জমির উপর আমার মৎস্য ঘের ও হাঁসের খামার। বাচ্চা উঠানোর মাত্র তিন মাস ২৬ দিনে আমার খামারে হাঁস ডিম দেওয়া শুরু করে। এটা ছিল আমার জন্য খুবই আনন্দের। বর্তমানে খামার থেকে ভালই আয় হচ্ছে।শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ অফিস ও আঞ্চলিক হাস খামারের লোকজন আমাকে খুব সহযোগিতা করেছেন।

তিনি জানান, আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এই আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজারে পৌছাবে আশা করি। এভাবে মাস ছয়েক চলতে পারলে আর একটি খামার করার ইচ্ছা রয়েছে আমার’।

বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান বলেন, ‘অনোক একজন ভাল খামারি। তিনি খামার করার আগে আমার কাছে এসেছেন। আমি তাকে সব ধরণের কারিগরি পরামর্শ দিয়েছি। তাকে একজন সফল হাঁস খামারি বলা যায়’।

তিনি আরও বলেণ, হাসপালন খুবই লাভ জনক। হাঁসের মর্টালিটি হার খুবই কম। রোগ ব্যাধিও কম। তাই নিয়ম মেনে হাঁস পালন করতে পারলে খুব সহজে স্বচ্ছলতা আনা যায় বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তা।শেখ সাইফুল ইসলাম কবির।

আর সবকিছু এভাবে ঠিকঠাক থাকলে খামার থেকে অনোকের মাসিক আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজারে পৌছাবে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
চাঁদপুরে আজ রাত থেকে ২ মাস ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে
প্রাণিসম্পদ

ইলিশ রক্ষায় আজ রোববার রাত ১২টা থেকে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনায় দুই মাস (মার্চ ও এপ্রিল) মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। অভয়াশ্রম ও জাটকা রক্ষা কার্যক্রম উপলক্ষে জেলেদের জন্য ওই দুই মাস ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী বলেন, আগামী দুই মাস নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধসহ জাটকা ধরা, পরিবহন, বাজারজাত ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে। এই আইন অমান্য করলে নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ, কোস্টগার্ড ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। ইতিমধ্যে এ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, পোস্টারিং ও ব্যানার লাগানো হয়েছে।

এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা প্রথম কিস্তিতে ৪০ হাজার ৫টি মৎস্যজীবী পরিবারের জন্য দুই মাসের প্রতি মাসে ৪০ কেজি হিসাবে মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৪০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছি। গত বছর এই বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৩৮ হাজার ৫টি মৎস্যজীবী পরিবারের জন্য ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪০ মেট্রিক টন। এই চাল চাঁদপুর, হাইমচর, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় প্রশাসনের মাধ্যমে পৌঁছানো হয়েছে।’

প্রথম আলো

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ ১১:০২ পূর্বাহ্ন
ছাগল বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ সেই নারীর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের রাউজানে ছাগল বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ হওয়া জোসনা আরা বেগম তোতা (৫৫) নামে সেই নারীর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বিকেল ৫টায় ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে তিনি মারা যান।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন।

নিহত জোসনা আরা বেগম ওই এলাকার ফজল কাদেরের স্ত্রী। এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টায় রাউজান পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের রাউজান ফায়ার সার্ভিসের পেছনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনি দগ্ধ হন।

জানা যায়, ছাগলকে তাপ দেওয়ার জন্য হাড়িতে করে কয়লা রাখেন। কয়লার হাড়িটি ছাগল ফেলে দিলে সকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ছাগল বাঁচাতে ছুটে যান জোসনা আরা বেগম। সে সময় তার শাড়িতে আগুন ধরে তিনি দগ্ধ হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১ ৫:১৮ অপরাহ্ন
নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকাস্থ খুলনার সাবেক ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের বনভোজন ও মিলনমেলা ২০২১-এ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এসময় মন্ত্রী বলেন, “সন্তানদের শেখাতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কাকে বলে। কোমলমতি বাচ্চাদের শেখাতে হবে অসাম্প্রদায়িকতা কাকে বলে। তাদেরকে শেখাতে হবে বঙ্গবন্ধু একটা প্রতিষ্ঠান ছিল। তাঁর জীবনালেখ্য পড়াতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মৃত্যুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা ঊনিশ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও কীভাবে অদম্য গতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেটাও এ প্রজন্মকে শেখাতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, ‘৭১ এ পাকিস্তানিদের নৃশংসতার কথা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। একদিন বাংলাদেশে আমরা ক্ষমতায় নাও থাকতে পারি, কিন্তু আমাদের সন্তানরা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে উঠে।”

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে স্মরণ করে শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “৭ মার্চ প্রকৃতপক্ষে বাঙালির স্বাধীনতা ঘোষণার দিন। বঙ্গবন্ধু ‘৭১ এর ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন।

কিন্তু ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এদিন তিনি যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। তার মানে ৭ মার্চে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। এটাই বাস্তবতা।”

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop