৭:০৮ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ২৫ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২৩ ৯:৪৪ পূর্বাহ্ন
ময়মনসিংহে এনাম হ্যাচারী এন্ড ফিডস এর ৪র্থ ডিপো উদ্ধোধন
প্রাণিসম্পদ

ময়মনসিংহের উদ্বোধন হলো এনাম হ্যাচারী এন্ড ফিডস লিমিটেড এর ৪র্থ আঞ্চলিক ডিপোর। শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি-২০২৩) শহরের শম্ভুগঞ্জ গোলচত্বর হালুয়াঘাট রোডে এই শুভ উদ্বোধনী অনুষ্ঠান সম্পন্ন হয় । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন এনাম হ্যাচারী এন্ড ফিডস্ লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক আলহাজ্ব মোঃ এনামুল হক মোল্লা । বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাঃ কাজিম উদ্দিন (অবসর প্রাপ্ত সৈনিক, বাংলাদেশ সেনাবাহিনী) এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ওয়াজেদ আহম্মেদ অনিক – পরিচালক, এনাম হ্যাচারী এন্ড ফিডস্ লিমিটেড; ওয়াকিল আহম্মেদ অপু – পরিচালক, এনাম হ্যাচারী এন্ড ফিডস্ লিমিটেড । এছাড়া উপস্থিত ছিলেন এনাম হ্যাচারি এন্ড লিমিটেডের কর্মকর্তা কর্মচারীবৃন্দ।
 
প্রধান অতিথির বক্তব্যে এনাম হ্যাচারি এন্ড ফিডস লিমিটেড এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব আলহাজ্ব মোঃ এনামুল হক মোল্লা বলেন, “এনাম হ্যাচারী এন্ড ফিডস্ লিমিটেড, অল্প খরচে মুনাফা বেশি, এনাম ফিডে খামারী খুশি, করব খামার গর্ব দেশ , এনাম ফিডে বাংলাদেশ ,সুষম ফিডের ন্যায্য দাম, এনাম ফিডের অনেক সুনাম। এই ফিডস্ খাওয়ালে ডিম ও মাংস বৃদ্ধি পাবে, তাই আশা করছি আপনারা সবাই এই ফিড খাওয়াবেন ।”
প্রতিষ্ঠানটির এজিএম (সেলস ও টেকনিক্যাল) ডাঃ মোঃ শাহজামাল হোসাইন সবুজ বলেন, “২রা জানুয়ারি ২০০৯ সালে আমাদের কোম্পানী যাত্রা শুরু করে, বর্ণাঢ্য আয়োজনে সফলতার ১ যুগ পূর্তি উদযাপন এবনং পাশাপাশি ২য় প্লান্টের উদ্বোধন হয় ২রা জানুয়ারি ২০২১ এ।  আজ আমরা ১৪ তম বছরে পোল্ট্রি শিল্পের ক্রান্তি লগ্নে প্রান্তিক খামারি-ডিলারদের আরো কাছে আসতে সারা দেশে অঞ্চল ভিত্তিক ডিপো স্থাপনের কাজ অব্যাহত রেখেছি, যার অংশ হিসেবে ৪র্থ ডিপো হিসেবে- ময়মনসিংহ ডিপো উদ্ধোধনের আজ মাহেন্দ্র ক্ষন। আপনাদের উপস্থিতি এ অনুষ্ঠান কে সত্যিকার অর্থে প্রানবন্ত করেছে। আপনাদের সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করছি এবং আগামী দিনগুলোতে আপনাদের পাশে থেকে কাজ করতে আশাবাদী ।”
অন্যান্যের মাঝে বক্তব্য প্রদান করেন আব্দুল মান্নান (ডিজিএম), আমির হুসাইন, এজিএম (সেলস ও মার্কেটিং) ও মোঃ শরীফুল হাসান ভূঁইয়া ।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২৩ ৮:৩৭ অপরাহ্ন
আজ থেকে শুরু প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ উপলক্ষে রাজধানীর আগারগাঁওয়ের পুরাতন বাণিজ্যমেলা মাঠে শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) থেকে শুরু হলো দুই দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী। ‘স্মার্ট লাইভস্টক, স্মার্ট বাংলাদেশ’ এ শিরোনামে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উদ্যোগে ঢাকাসহ সারা দেশে এ সপ্তাহ শেষ হবে আগামী ১ মার্চ।

আকর্ষণীয় এ প্রদর্শনীর সার্বিক ব্যবস্থাপনায় রয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদফতর। আর সার্বিক সহযোগিতায় রয়েছে বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশন (বিডিএফএ) ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)

জানা গেছে, দর্শনার্থীরা বিনা ফিতে প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত এ প্রদর্শনীতে অংশ নিতে পারবেন। দেশের বিভিন্ন উন্নত জাতের গরু, মহিষ, ছাগল-ভেড়া, দুম্বা, ঘোড়া, কবুতর, খরগোশ, কুকুর, বিড়াল, হাঁস-মুরগিসহ গৃহপালিত নানা ধরনের প্রাণির দেখা মিলবে এ প্রদর্শনীতে। প্রদর্শনীতে বরাবরের মতোই দেশের সবচেয়ে সুন্দর ও বড় সাইজের গরু-মহিষ, ছাগল-ভেড়ার র‌্যাম্প শো থাকছে দর্শনার্থীদের উপভোগ্য। এছাড়া প্রদর্শনী চত্ত্বরে থাকছে নানা রকম সুস্বাদু মাংস এবং দুগ্ধজাত পণ্য ও খাবার।

শনিবার সকালে প্রদর্শনীর উদ্বোধন করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। রোববার সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি হিসেবেও থাকার কথা মন্ত্রীর। এছাড়া আগামী ১ মার্চ কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ (কেআইবি) মিলনায়তনে প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহের সমাপনী অনুষ্ঠানেও প্রধান অতিথি থাকবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী।

আরও পড়ুন : প্রাণিসম্পদের বিস্তৃতির মাধ্যমে সুস্বাদু মাংস বিদেশে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী

এ বিষয়ে বাংলাদেশ ডেইরি ফারমার্স অ্যাসোসিয়েশনের (বিডিএফএ) সভাপতি মো. ইমরান হোসেন জানান, সারা দেশের বড় বড় গরু, ছাগল, মহিষ, হাস-মুরগি এবং পোষা প্রাণির প্রায় ২৫০ জন খামারি অংশ নিচ্ছেন এ প্রদর্শনীতে। এতে স্টল থাকছে ৩০০টি। খামারিরা তাদের খামারের সবচেয়ে আকর্ষণীয় ও বড় সাইজের ষাড় গরু নিয়ে অংশ নেবেন এ প্রদর্শনীতে। দেশের সবচেয়ে বড় দুধের গাভী, যেগুলো ৪০-৫৫ লিটার পর্যন্ত দিনে দুধ দেয়-এসব গাভী-বাছুরও থাকবে প্রদর্শনীতে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২৩ ৭:৫৯ অপরাহ্ন
খামার মালিক কলেজছাত্রী দিলরুবা
পোলট্রি

দিলরুবার বাড়ি কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার সিদলা ইউনিয়নের রামেশ্বরপুর গ্রামে। পিতা হেলাল উদ্দিন পেশায় একজন কৃষক। গৃহিণী মা ও দুই বোন এক ভাইকে নিয়ে দিলরুবাদের সংসার। নিজে কাঁধে মাটি তুলে টিন সেট ঘরে মাটি ভরাট করেন। নির্মাণ ও মুরগির সেট তৈরিসহ যাবতীয় কাজে মিস্ত্রিদের সহযোগিতা করেছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি মেধা ও পরিশ্রম দিয়ে তিল তিল করে করে গড়ে তুলেছেন হাঁস ও মুরগির খামার।

২০২১ সালের শুরুর দিকে এক হাজার ব্রয়লার মুরগি নিয়ে খামারের যাত্রা করেন দিলরুবা। এরই পাশাপাশি ২০০ হাঁস পালন শুরু করেন। খামারে হাঁস-মুরগির দেখাশোনা, খাওয়ানো, ওষুধপত্র সবই নিজ হাতে করেন। আবার লেখাপড়ায়ও পিছিয়ে নেই দিলরুবা। ২০২০ সালে হোসেনপুর উপজেলার মেছেড়া উচ্চবিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে মানবিক বিভাগে জিপিএ ৩.১৫ পেয়ে উর্ত্তীণ হয়েছেন। এখন হোসেনপুর সরকারি মডেল পাইলট স্কুল অ্যান্ড কলেজের দ্বাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ বছর উচ্চমাধ্যমিক (এইচএসসি) পরীক্ষা দেবেন তিনি। তাই পড়ার চাপ বেশি। তবু থেমে নেই তার পথচলা।

দিলরুবা জানান, প্রথমে এক দিন বয়সি পোলট্রি মুরগির বাচ্চা ২৫-৩০ টাকায় কিনে শেডে তুলি। পোলট্রিতে ৪৫ গ্রামের এক দিন বয়সি একটি বাচ্চাকে প্রতিদিন ১৫ গ্রাম খাবার খাওয়াতে হয়। তিন থেকে পাঁচ ও বিশ থেকে বাইশ দিনের বাচ্চাকে রানীক্ষেত ও ব্রংকাইটিস এবং সাত থেকে দশ ও চৌদ্দ থেকে সতেরো দিনের ভেতরের গাম্বুরু ভ্যাকসিন দিতে হয়। এই কাজগুলো আমি নিজেই করি। মুরগিকে বিক্রির উপযোগী করতে প্রতিদিন খাবারের পরিমাণ বাড়াতে হয়। ত্রিশ থেকে পঁয়ত্রিশ দিন মুরগির ১৮০ গ্রাম খাবারের প্রয়োজন হয় এবং ওজন হয় ২ কেজির মতো। তখন মুরগিগুলোকে ওজন করে ডিলারের কাছে পাইকারি বিক্রি করে দেই।

দিলরুবাা জানান, এক হাজার মুরগিকে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করতে খাবার, ওষুধ, তুস, বিদুৎ বিলসহ বর্তমান বাজারদর অনুযায়ী মোট খরচ হয় ২ লাখ ২০ হাজার টাকা। আর ১ হাজার মুরগির বর্তমান বাজারদরে বিক্রি করতে পারলে আমার ৫০ থেকে ৬০ হাজার টাকা লাভ হবে বলে আশা করছি। এখন প্রতি মাসের আনুষঙ্গিক ব্যয় মিটিয়েও বাড়তি উপার্জন হচ্ছে। এ দিয়ে সংসার খরচ, আমার ও ভাইবোনদের লেখাপড়ার খরচ চালিয়ে যাচ্ছি।

দিলরুবা জানান, মহামারি করোনায় কলেজ বন্ধ থাকা অবস্থায় ইউটিউব দেখে মুরগির খামার গড়ে তোলার ইচ্ছা পোষণ করি। কৃষিকাজ ও হাঁস-মুরগি পালন করা আমার ভালো লাগে। এত কাজের চাপেও আমার লেখাপড়ার কোনো ক্ষতি হচ্ছে না। আমার আর্থিক অবস্থা এবং পোলট্রি খামার দেখে এলাকার অনেক বেকার ছেলে পোলট্রি ও গবাদিপশুর খামার করছেন। তিনি বলেন, সহজ শর্তে কোনো ব্যাংক-বিমা কিংবা সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ঋণ প্রদান করলে আগামীতে একটি বড়মাপের গবাদিপশুর খামার স্থাপন এবং মুরগির খামারটি আরো বেশি প্রসারিত করার ইচ্ছে আছে। একই সঙ্গে এলাকার বেকার ছেলেদের আত্মকর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করারও ইচ্ছে রয়েছে। চাকরি নামের সোনার হরিণের পেছনে না ঘুরে একটু বুদ্ধি খাটালে স্বাবলম্বী হওয়া সম্ভব। এতে বেকারত্ব ঘুচবে এবং আর্থিকভাবে লাভবানও হওয়া যায়।

দিলরুবা একজন নারী উদ্যোক্তা হিসেবে এলাকাতে অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। লেখাপড়ার পাশাপাশি নিজেকে স্বাবলম্বী করে গড়ে তুলতে তিনি যে অক্লান্ত পরিশ্রম করছেন, তার জন্য এলাকায় তার সুনাম ও সুখ্যাতি ছড়িয়ে পড়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২৩ ৩:২৭ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদের বিস্তৃতির মাধ্যমে সুস্বাদু মাংস বিদেশে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে: প্রাণিসম্পদমন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সারাদেশে প্রাণিসম্পদের বিস্তৃতির মাধ্যমে সুস্বাদু মাংস বিদেশে রপ্তানির পরিকল্পনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

আজ শনিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে রাজধানীর আগারগাঁওয়ে বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্র সংলগ্ন পুরাতন বাণিজ্য মেলা মাঠে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে আয়োজিত প্রাণিসম্পদ সেবা সপ্তাহ ও প্রদর্শনী ২০২৩ এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, বর্তমানে বিদেশে বাংলাদেশের মাংসের ব্যাপক চাহিদা রয়েছে। আমাদের পরিকল্পনা রয়েছে সারাদেশে প্রাণিসম্পদকে বিস্তৃত করে সুস্বাদু মাংস আমরা বিদেশে রপ্তানি করবো। এ জন্য প্রস্তুতি হিসাবে রোগমুক্ত গবাদিপশু উৎপাদনে জোর দেওয়া হচ্ছে। প্রাণিসম্পদের উন্নয়নে প্রতিটি উপজেলায় ভ্রাম্যমান ক্লিনিক করে দেওয়া হয়েছে। প্রাণীর কাছে হাসপাতাল পৌঁছে যাবে, প্রাণীকে হাসপাতালে আসতে হবে না।

দেশে উৎপাদিত মাংস নিরাপদ উল্লেখ করে এসময় মন্ত্রী বলেন, হঠাৎ করে কিছু লোক বলল ফার্মের মুরগি ক্ষতিকর। এগুলো খাওয়া যাবে না। কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের মাধ্যমে আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরিতে পরীক্ষা করে দেখা গেছে ব্রয়লার মুরগি কোনভাবেই মানব দেহের জন্য ক্ষতিকর নয়। গবেষণা মাধ্যমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সুবর্ণ মুরগি উদ্ভাবন করেছে, যার স্বাদ, গন্ধ, রং দেশি মুরগির মতো। দেশে উৎপাদিত দুধ, ডিম, মাংস ক্ষতিকর কিনা তা পরীক্ষার জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশনায় আন্তর্জাতিক মানের ল্যাবরেটরি স্থাপন করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত বিকশিত হওয়ায় বেকারত্ব লাঘব হয়েছে। পাশাপাশি উদ্যোক্তা তৈরি হয়েছে। এছাড়া গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হয়েছে। এ খাতে বিনিয়োগকারীরা উদ্যোক্তা হয়ে গর্বের সাথে বলেন, আমি বেকার না, আমি উদ্যোক্তা, আমার খামার আছে। এভাবে আমরা পোল্ট্রি, ডেইরি তথা লাইভস্টক খাতকে সামনের দিকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছি। যার সূচনা করেছিলেন বঙ্গবন্ধু। তার নেতৃত্বেই সর্বপ্রথম উন্নত প্রজাতির গবাদিপশু দেশে আনা হয়।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী আরও বলেন , একটা সময় কোরবানির আগে দুশ্চিন্তায় থাকতে হতো, ভারত-মিয়ানমার থেকে গবাদিপশু না আসলে কোরবানি করা সম্ভব হবে না। রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় এবং প্রধানত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সরাসরি নির্দেশনায় এবং তার সরকারের পরিকল্পনা, সহযোগিতা ও পৃষ্ঠপোষকতায় প্রাণিসম্পদ খাত আজ বিকশিত হয়েছে। এখন আর বিদেশ নির্ভর নয় বরং কোরবানির সময় বাজারে এক দশমাংশ পশু অবিক্রিত থাকে। এ সাফল্য হঠাৎ করে আসেনি। এক্ষেত্রে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের উদ্বুদ্ধ করা, অনুপ্রাণিত করা ও সহায়তা করায় রাষ্ট্রের ভূমিকা ছিল।

মানুষের মৌলিক চাহিদার একটা অংশ খাবারের নিশ্চয়তা প্রাণিসম্পদ খাত থেকে আসছে। করোনা পরিস্থিতিতে সরকার মানুষের খাবারের চাহিদা মিটিয়েছে, উৎপাদনকারীদের সহায়তা করেছে, বিপণন প্রক্রিয়ায় সহায়তা করেছে। করোনার মধ্যে ভ্রাম্যমান বিক্রয়ে অভাবনীয় সাফল্য ছিল। মানুষের দোরগোড়ায় দুধ, ডিম, মাছ, মাংস বিক্রয় করা হয়েছে। রমজানে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, মাংস ব্যবস্থা বিক্রির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে- জানান মন্ত্রী।

তিনি আরো জানান পোল্ট্রি ফিড, অ্যানিমেল ফিডসহ এ খাতে যারা অন্য কারখানা করতে চায়, বিদেশ থেকে তাদের যে উপাদান আনতে হয় তার উপর কর রেয়াত দেওয়া হয়েছে। প্রাণিসম্পদ খাতে যারা দেশে কারখানা স্থাপন করতে চায় তাদের মেশিনারিজ আমদানির উপর শুল্ক ছাড় দেওয়া হয়েছে। স্বল্প সুদে ও দ্রুততম সময়ের মধ্যে খামারিদের কৃষি ঋণের ব্যবস্থা করে দেওয়া হচ্ছে। এ খাতে যেখানে যে সহযোগিতা দরকার, শেখ হাসিনা সরকার পাশে রয়েছে।

সরকারি-বেসরকারি খাত সম্মিলিতভাবে কাজ করছে উল্লেখ করে মন্ত্রী এ সময় আরো বলেন, সরকার প্রাণিসম্পদ খাতের খামারি ও উদ্যোক্তাদের পাশে আছে।
প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ঘুরলে বোঝা যাবে এ খাতে কত বিস্ময়কর বিপ্লব হয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. এমদাদুল হক তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য প্রদান করেন মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. আব্দুল কাইয়ূম, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, পরিপ্রেক্ষিতের নির্বাহী পরিচালক সৈয়দ বোরহান কবীর, বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়শনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন প্রমুখ।

এর আগে মন্ত্রী বেলুন ও পায়রা উড়িয়ে ঢাকায় আয়োজিত দুই দিনব্যাপী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ২০২৩ এর উদ্বোধন করেন।

উদ্বোধন অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রী প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী ঘুরে দেখেন এবং খামারিদের সাথে মতবিনিময় করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৩, ২০২৩ ৯:২৮ পূর্বাহ্ন
সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণ ও এর যথাযথ ব্যবহারে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে সরকার – মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণ ও এর যথাযথ ব্যবহারে বর্তমান সরকার সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম। বুধবার (২২ ফেব্রুয়ারি) কক্সবাজারে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই)-এর সামুদ্রিক মৎস্য ও প্রযুক্তি কেন্দ্রের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন শেষে সুনীল অর্থনীতিতে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ: গবেষণা অর্জন ও সম্ভাবনা শীর্ষক কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, সমুদ্রে অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭৪ সালে আইন করেছিলেন। সেই আইনের উপর ভিত্তি করে বঙ্গবন্ধু কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সমুদ্রসীমায় অধিকার অর্জনের কাজ শুরু করেন। সমুদ্রসীমায় অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্য বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনা সরকার ছাড়া আর কোন সরকার কোন পদক্ষেপ নেয় নি।

তিনি আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সেরা কুটনৈতিক নেতৃত্বে বাংলাদেশের প্রায় সমপরিমাণ আয়তনের সমুদ্রসীমা আমরা অর্জন করেছি। সে সমুদ্রসীমায় সম্পদ আহরণ ও তার গুণগত ব্যবহারের মাধ্যমে কিভাবে দেশের অর্থনীতি সমৃদ্ধ হবে এ বিষয় নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তর-সংস্থা কাজ করছে। সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদ আহরণ ও এর যথাযথ ব্যবহার নিয়ে কাজ করছে বিএফআরআই।

মন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার গবেষণায় সর্বোচ্চ বরাদ্দ দিচ্ছেন, সুযোগ-সুবিধা দিচ্ছে। দেশের সর্বত্র গবেষণা ছড়িয়ে দিচ্ছে। ফলে মৎস্যসম্পদে আমূল পরিবর্তন এসেছে। মৎস্য উৎপাদনে অতীতের সব রেকর্ড ভঙ্গ করা সম্ভব হয়েছে। সরকারের সময়োপযোগী ও সুচিন্তিত পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত ও পৃষ্ঠপোষকতায় এটা সম্ভব হয়েছে। পৃথিবীর প্রায় ৫২ টি দেশে আমাদের মৎস্য রপ্তানি হয়। স্বাধীনতার পর বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন, মাছ হবে দ্বিতীয় প্রধান বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী সম্পদ। মৎস্য রপ্তানি বৃদ্ধির মাধ্যমে আমরা ক্রমান্বয়ে সেদিকে এগিয়ে যাচ্ছি।

শ ম রেজাউল করিম যোগ করেন, সরকার চায় সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের উন্নয়নে সরকারি-বেসরকারি খাত সমন্বিতভাবে সামনের দিকে এগিয়ে যাক। বেসরকারি খাতকে সহায়তা করার জন্য সরকার বিভিন্নভাবে চেষ্টা করছে। সেই প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে মৎস্য খাতে বিএফআরআইয়ের গবেষণা সাফল্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে।

মন্ত্রী বলেন, মৎস্যসম্পদের উন্নয়নে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় নতুন নতুন কার্যক্রম সংযোজন করছে। সমুদ্রে মাছের মজুদ নিরূপণে গবেষণা জাহাজ আরভি মীন সন্ধানী জরিপ পরিচালনা করছে। প্রচলিত ও অপ্রচলিত সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের উন্নয়ন ও সংরক্ষণে বিএফআরআই গবেষণা অব্যাহত রেখেছে। গভীর সমুদ্রে টুনা মাছ আহরণের সরকারের উদ্যোগে জাহাজ আনা হচ্ছে। এভাবে সামুদ্রিক মৎস্যসম্পদের উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকার যে পর্যায়ে যা কিছু সহযোগিতা দরকার তা সম্প্রসারণ করছে।

প্রধান অতিথি আরও যোগ করেন, সমুদ্রসম্পদ আহরণে সরকারের সব প্রতিষ্ঠান ও বেসরকারি খাতের কাজের মধ্যে সুসমন্বয় থাকা দরকার। পাশাপাশি এ খাতে গবেষণা ফলাফল ব্যবহারে গুরুত্ব দিতে হবে। প্রান্তিক পর্যায়ে গবেষণার সাফল্য ছড়িয়ে দিতে হবে। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধিই শুধু নয়, বরং গুণগতমানের মৎস্য উৎপাদন নিশ্চিত করতে হবে।

তিনি আরও জানান, আমাদের সমুদ্রে সীউইডসহ যে অপ্রচলিত মৎস্যসম্পদ রয়েছে তার আন্তর্জাতিক চাহিদা রয়েছে। এর ব্যবহার ও বিপণন কিভাবে করা যায় সেটাকে গবেষণার অংশে পরিণত করতে হবে। গবেষণার অর্জন মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দিতে হবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. নাহিদ রশীদের সভাপতিত্বে কর্মশালায় বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কক্সবাজার-৩ আসনের সংসদ সদস্য সাইমুম সরওয়ার কমল, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তোফাজ্জেল হোসেন, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক মুহম্মদ শাহীন ইমরান, কক্সবাজারের পুলিশ সুপার মো. মাহফুজুল ইসলাম। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন বিএফআরআই-এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ। কর্মশালায় প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বিএফআরআই-এর ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. এহসানুল করিম।

এদিন বিকালে কক্সবাজার ফিশারি ঘাটে বাংলাদেশ মৎস্য উন্নয়ন কর্পোরেশন কর্তৃক কক্সবাজার জেলায় বাস্তবায়নাধীন শুটকি প্রক্রিয়াকরণ শিল্প স্থাপন প্রকল্পের নবনির্মিত ভবন উদ্বোধন করেন মন্ত্রী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২১, ২০২৩ ১:২১ অপরাহ্ন
গোয়ালঘরে আগুন, তিন বিদেশি গরু পুড়ে ছাই!
প্রাণিসম্পদ

গোয়ালঘরে তিনটি বিদেশি উন্নত জাতের গরু ছিল। আগুনে তা পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এসব গরুর দুধ বিক্রি করেই আমার সংসার চলত। কিন্তু এক আগুনেই সব শেষ হয়ে গেল। আগুন লাগার পর ফায়ার সার্ভিসকে খবর দিলেও তারা সময়মত না আসায় এতো ক্ষতি হলো আমার। ’

কথাগুলো বলছিলেন চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলার মোবারকপুর ইউনিয়নের বাগবাড়ি গ্রামের মো. খাইরুল ইসলাম।

সোমবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ভোর ৫টার দিকে বাগবাড়ি গ্রামের মো. খাইরুল ইসলামের বসতবাড়ির গোয়ালঘরে আগুন লেগে বাড়ির সব গৃহপালিত পশু পুড়ে ছাই হয়ে গেছে।

জানা যায়, আগুনে পুড়ে তিনটি উন্নত জাতের গরু, তিনটি ছাগল ও সাতটি হাঁস এবং বাড়ির বিভিন্ন আসবাবপত্রসহ প্রায় ৫ লাখ টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

স্থানীয় বাসিন্দা, প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিস সূত্রে জানা যায়, ভোরে গোয়ালঘরে আগুন দেখে মসজিদের মাইকে জানালে স্থানীয়দের সহযোগিতায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। কিন্তু তার আগেই আগুনে বাড়ির সব গবাদিপশুসহ বিভিন্ন আসবাবপত্র পুড়ে ছাই হয়ে যায়। ধারণা করা হচ্ছে, কয়েল থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্সের স্টেশন কর্মকর্তা কাদেরী কিবরিয়া ঢাকা পোস্টকে বলেন, অগ্নিকাণ্ডের সংবাদ যে সময় পেয়েছিলাম, সে সময় তাৎক্ষণিকভাবে আমরা তাতে সাড়া দিতে পারিনি। কারণ আমাদের ইউনিট অন্য আরেকটি জায়গায় আগুন নেভানোর কাজে ব্যস্ত ছিল।

এ বিষয়ে শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. আবুল হায়াত ঢাকা পোস্টকে বলেন, আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের বিষয়ে খোঁজখবর নেওয়া হচ্ছে। উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে তাদেরকে আর্থিক সহায়তা দেয়া হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২০, ২০২৩ ২:৫২ অপরাহ্ন
বরিশালে খাদ্যে বিষ মিশিয়ে তিন গরু হত্যার অভিযোগ
প্রাণিসম্পদ

বরিশালের গৌরনদীতে খাদ্যে বিষ মিশিয়ে তিনটি গরু হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। শনিবার বেলা ১১টার দিকে নিজের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে বলে পশুগুলোর মালিক ও স্থানীয় ইউপি সদস্য রাজু খান জানান।

এ ঘটনায় গৌরনদী মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। অভিযোগকারী রাজু খান উপজেলার শরিকল ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের সদস্য ও উত্তর শরিকল গ্রামের নুরে আলম খানের ছেলে।

তিনি জানান, “শনিবার সকালে গরুগুলোকে গোয়াল ঘর থেকে বের করে পাশের খোলা জায়গায় চাড়ির (গরুকে খাবার দেওয়ার কনক্রিটের বড় পাত্র) সামনে বেঁধে খাবার দেওয়া হয়। চাড়িতে আগেই কিছু পানি ছিল। আমার বাবা সেই পানির সঙ্গে খৈল, ভূসি ও কুড়া মিশিয়ে গরুকে খেতে দেন।”

রাজু খান আরও বলেন, ওই খাবার খেয়ে বেলা ১১টার দিকে চারটি গরু অসুস্থ হয়ে পড়ে। প্রথমে একটি গর্ভবতী গাভি মারা গেলে প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাকে খবর দেওয়া হয়। তিনি এসে চিকিৎসা দেওয়ার পরও একটি গর্ভবতী গাভি ও একটি বাছুর মারা যায়।

তার অভিযোগ, রাতের আঁধারে কে বা কারা শত্রুতা করে গরুর চাড়িতে বিষ ঢেলে রেখেছে। যা খেয়ে গরু তিনটি মারা গেছে। এতে তার প্রায় ৩ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

গৌরনদী উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. মিজানুর রহমান জানান, তিনি ঘটনাস্থলে যাওয়ার আগেই একটি গাভি মারা যায়। পরে একটি বাছুর ও অপর গাভিটি মারা যায়।

একটি বাছুরকে চিকিৎসা দিয়ে সুস্থ করা হয়েছে দাবি করে তিনি বলেন, “খাদ্যে বিষক্রিয়ায় গরু তিনটি মারা গেছে। বিষের ধরন জানতে নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে; ঢাকায় পাঠানো হবে। প্রতিবেদন এলে বলতে পারবো।”

গৌরনদী মডেল থানার ওসি মো. আফজাল হোসেন জানান, “এ ঘটনায় ইউপি সদস্য রাজু খান থানায় জিডি করেছেন। জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৮, ২০২৩ ৯:৪৩ অপরাহ্ন
রাজধানীতে বিএসএসএফ এর আর্ন্তজাতিক সায়েন্টিফিক কনফারেন্স অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

রাজধানীতে বাংলাদেশ সোসইটি ফর সেইফ ফুড (বিএসএসএফ) এর ৫ম আর্ন্তজাতিক সায়েন্টিফিক কনফারেন্স ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে । শনিবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) নিরাপদ খাদ্য সম্পর্কিত জাতীয় সংগঠন বাংলাদেশ সোসইটি ফর সেইফ ফুড (বিএসএসএফ), এফএও বাংলাদেশ ও নিউট্রিশন ইউনিট, বিএআরসি’র সহযোগীতায় দিনব্যাপী এই সায়েন্টিফিক কনফারেন্সটি অনুষ্ঠিত হয় । বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি) এর মিলনায়তনে এই কনফেরেন্স এর আয়োজন করা হয় । কনফারেন্সের প্রতিপাদ্য ছিল “Safe and Nutritious Foods through One Health Approach” ।

উক্ত কনফারেন্সে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মাননীয় খাদ্য মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদার এমপি। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষিবিদ বাদল চন্দ্র বিশ্বাস, মহাপরিচালক, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, এবং ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার, মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। এছাড়াও অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব মশিউর রহমান, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ড্রাস্ট্রিস সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি)। কনফারেন্সে মুল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ড. এরিক ব্রাম, কান্ট্রি টিম লিডার, একটাড, এফএও বাংলাদেশ। উক্ত কনফারেন্সে সঞ্চালনায় ছিলেন ড. কেএইচএম নাজমুল হোসাইন নাজির, জেনারেল সেক্রেটারী এবং সভাপতিত্ব করেন ড. মো. রফিকুল ইসলাম, প্রেসিডেন্ট, বাংলাদেশ সোসাইটি ফর সেফ ফুড।


উক্ত কনফারেন্সে ভারত, চীন, ফিলিপাইনসহ দেশী বিদেশী গবেষকগন ৩টি প্লেনারি, ১৫ টি ওরাল ও ৩৬ টি পোস্টার উপস্থাপিত হয়। কনফারেন্সে দেশী-বিদেশী বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়, গবেষণা প্রতিষ্ঠান, এনজিও ও প্রাইভেট কোম্পানি হতে দুইশতাধিক গবেষক অংশগ্রহন করেন। গবেষকগন বাংলাদেশে নিরাপদ খাদ্য উৎপাদন, সংরক্ষন, বিপনন, বাজারজাতকরণ ইত্যাদি সম্পর্কিত বিষয়াদি নিয়ে আলোচনা করেন। আয়োজকগন মনে করেন কনফারেন্সে উপস্থাপিত গবেষণালব্দ ফলাফল বাংলাদেশের জনগনের সুস্বাস্থ্য রক্ষায় যথেষ্ঠ ভূমিকা রাখবে। কনফারেন্সে শেষে দুই ক্যাটাগরিতে মোট ছয়জন গবেষককে পুরষ্কৃত করা হয়। সবশেষে সোসাইটির এজিএম অনুষ্ঠিত হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৩ ১০:২০ পূর্বাহ্ন
ছোট আকারের ছাগলের খামার থেকে লাভ করার উপায়
প্রাণিসম্পদ

ছোট আকারের ছাগলের খামার হওয়ার কারণে দিন দিন আমাদের দেশে ছাগল পালনকারীর সংখ্যা বৃদ্ধি পাচ্ছে। কেউ কেউ ছাগলের খামার গড়ে তুলছেন।

ছোট আকারের ছাগলের খামার থেকে লাভবান হওয়ার উপায়:
সঠিক পদ্ধতি জেনে ছাগল পালন করলে ছোট খামার থেকেও সহজেই লাভবান হওয়ার যায়। নিচে এ নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হল-

ছাগলের খামার থেকে লাভবান হওয়ার জন্য প্রথমেই উচ্চমানের ও ভালো জাতের ছাগল নির্বাচন করতে হবে। এজন্য খামারের ছাগল কেনার সময় জাত সম্পর্কে ভালোভাবে জানতে হবে। ছোট খামারে ছাগল পালন করা হলে প্রত্যেকটি খরচের হিসাব রাখতে হবে। খেয়াল রাখতে হবে খামারে আয়ের তুলনায় যাতে ব্যয় বেশি না হয়। খামারে কোন কারণে ব্যয় বৃদ্ধি পেলে খরচ কমিয়ে আনতে হবে। খামারে ছাগল পালন করে লাভবান হওয়ার জন্য ভালো খাদ্য ব্যবস্থাপনার দিকে নজর দিতে হবে। ছাগলকে দৈনন্দিন সুষম ও পুষ্টিকর খাদ্য প্রদান করতে হবে। প্রয়োজনে খামারের আশপাশে পতিত জমিতে ঘাসের চাষ করতে হবে।

ছাগলের খামার ছোট হলেও নিয়মিত খামারকে পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে। পালন করা ছাগলকে রোগমুক্ত রাখতে হবে প্রয়োজনে খামারে জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করে দিতে হবে। লাভবান হওয়ার জন্য ছাগলের বাজার দর সম্পর্কে খোঁজ-খবর নিতে। দাম কমার সময়ে ছাগল কিনতে হবে আর দাম বৃদ্ধি পেলে ছাগল বিক্রি করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ১৪, ২০২৩ ১০:০১ পূর্বাহ্ন
ড্রীম স্কয়ার রিসোর্টে ফার্মা এন্ড ফার্ম এর “বাৎসরিক পিকনিক ২০২৩” অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

সিনিল গ্রুপের সহযোগী প্রতিষ্ঠান এবং দেশের ভেটেরিনারি মেডিসিন জগতের অন্যতম স্বনামধন্য ও শীর্ষস্থানীয় প্রতিষ্ঠান ফার্মা এন্ড ফার্ম কর্তৃক বাৎসরিক পিকনিক ২০২৩ অনুষ্ঠিত হয়েছে । সোমবার (১৩ ফেব্রুয়ারি) গাজিপুরের ড্রীম স্কয়ার রিসোর্টে এই পিকিনিকিটি অনুষ্ঠিত হয় । উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সিনিল গ্রুপের চেয়ারম্যান নিহারুন নাহার বিলকিস। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ফার্মা এণ্ড ফার্ম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হাসান আনসারী। অন্যান্যদের মাঝে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির চিফ অপারেটিং অফিসার ডাঃ খন্দকার হেলাল উদ্দীন, জেনারেল ম্যানেজার (সেলস এন্ড মার্কেটিং) ডাঃ তাপস কুমার ঘোষ, রুপালী ব্যাংকের জিএম ও প্রতিষ্ঠানটির বিভিন্ন ডিপার্টমেন্ট এর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ ।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে সিনিল গ্রুপের চেয়ারম্যান জনাব নিহারুন নাহার বিলকিস বলেন, দেশের প্রাণীসম্পদ সেক্টরের উত্তরোত্তর অগ্রগতিতে ফার্মা এণ্ড ফার্ম খামারিদের জন্য গুণগত মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাত করছে আর প্রতিষ্ঠানটির সুদক্ষ টেকনিক্যাল ও সেলস টিমের মাধ্যমে খামারীদের লাভবান করতে নিরলস প্রচেষ্টা চালাচ্ছে; সবাইকে নিয়ে আজকের এই পিকনিকটি বিগত দিনের সাফল্যের স্বীকৃতি এবং আমাদের আগামী দিনে কর্মস্পৃহা জোগাবে ।

ফার্মা এণ্ড ফার্ম এর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ইমরান হাসান আনসারী বলেন, প্রান্তিক খামারিদের কাছে আমাদের পণ্যের ব্যাপক জনপ্রিয়তা রয়েছে। সর্বোচ্চ গুনগতমান বজায় রেখে আগামী দিনেও খামারীদের সাফল্যে অংশীদার হতে পারবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দিনব্যাপী এই আয়োজনে ভলিবল, দড়ি টানা, বেলুন ফাটানোসহ বিভিন্ন ইভেন্ট অনুষ্ঠিত হয় । মূল আকর্ষণ ছিল র‍্যাফেল ড্র ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop