৪:১১ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ২৬ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২২ ৭:২৮ পূর্বাহ্ন
রাঙ্গুনিয়ায় ডেইরি ফার্মে আগুন,মারা গেল ১৮ গরু!
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের রাঙ্গুনিয়ায় একটি ডেইরি ফার্মে (গরুর খামার) অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় আগুনে পুড়ে ১৮টি গরু মারা গেছে এবং দগ্ধ হয়েছে আরও ১টি গরু।

শুক্রবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে উপজেলার সরফভাটা ইউনিয়নের সিপাহি পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টা চেষ্টা চালিয়ে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে।

সরফভাটা ইউপি চেয়ারম্যান শেখ ফরিদ উদ্দিন চৌধুরী জানান, সিপাহী পাড়া সমাজ কল্যাণ সমিতির মালিকানাধীন এই খামারটিতে সন্ধ্যার দিকে আগুন লাগে। আগুনে খামারটি সম্পূর্ণ পুড়ে যায়। এতে খামারে থাকা ১৮টি গরু পুড়ে মারা গেছে।

সমিতির সদস্য জামাল উদ্দিন জানান, এলাকার ২০ জন যুবক মিলে এই সমিতি গঠন করে খামারটি গড়ে তুলেছেন। হঠাৎ আগুনে তাদের দীর্ঘদিনের সব পরিশ্রম শেষ হয়ে গেছে। পুড়ে যাওয়া গরুর মধ্যে ৬টি বাছুর ছিল।

ফায়ার সার্ভিসের রাঙ্গুনিয়া স্টেশন কর্মকর্তা মো. কামরুজ্জামান সুমন জানান, বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে বলে আমরা ধারণা করছি। আগুনে একটি ৭০ ফুট লম্বা ও ৩০ ফুট প্রস্থের একটি গরুর খামার পুড়ে গিয়ে খামারের ১৮টি গরু পুড়ে যায়। খবর পেয়ে আমরা ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রায় দেড় ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনতে পারি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২২ ৬:০১ অপরাহ্ন
হাঁসের খোঁয়াড়ে পাওয়া গেল কালো ডিম, এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য
প্রাণিসম্পদ

গতকাল সকালে হাঁসের খোঁয়াড়ে যান গৃহকর্ত্রী তাসলিমা বেগম। কয়েকটি ডিমের মধ্যে চোখে পড়ে ডিম আকৃতির কালো বস্তু। প্রথমে ভয় পেয়ে গেলেও কাছে গিয়ে দেখেন কালো বস্তুটা সত্যি ডিম। প্রথমে এলাকাবাসীর অনেকে বিশ্বাস না করলেও খবর দেওয়া হয়েছিল উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তাকে।

আজ বৃহস্পতিবার সকালেও খামারে আরো একটি কালো ডিমের সন্ধান পেয়েছেন তাসলিমা। ডিমটি একই হাঁসের বলে দাবি তার। তাসলিমার দাবি, হাঁসটির বয়স আট মাস। সাদা রঙের এই হাঁসটির প্রথম ডিম এটাই।

ভোলার চরফ্যাশন উপজেলায় জিন্নাগড় ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের আব্দুল মতিনের বাড়িতে পাওয়া যায় এই কালো ডিম। তাসলিমা আব্দুল মতিনের স্ত্রী।

আব্দুল মতিন দাবি করেন, তার স্ত্রী ১১টি দেশি হাঁস পালন করেন। এর মধ্যে আট মাস বয়সী একটি হাঁস এই প্রথম ডিম পাড়ে। সকালে বাড়ির খোঁয়াড় থেকে হাঁস ছাড়তে গেলে কালো রঙের একটি ডিম দেখতে পান। একই অবস্থা বৃহস্পতিবারও ঘটে। বিষয়টি নিয়ে তারাও বেশ চিন্তিত।

চরফ্যাশন উপজেলা উপসহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মিজানুর রহমান বলেন, ‘বুধবার হাঁসের কালো ডিম দেওয়ার বিষয়টি জানার পর আমরা ওই বাড়িতে গিয়ে এর সত্যতা পেয়েছি। আজও (বৃহস্পতিবার) আরো একটি কালো ডিম দিয়েছে হাঁসটি। তবে সেটি প্রথম দিনের তুলনায় কিছুটা কম কালো। এ ছাড়া ডিমগুলো কিছু দিয়ে আঁচড় দিলে ভেতর থেকে সাধারণ ডিমের কালার বেরিয়ে আসে। তার পরও আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রেখেছি। আরো এক সপ্তাহ দেখার পর এ ডিমগুলো ঢাকায় প্রাণিসম্পদের পরীক্ষাগারে পাঠানো হবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২২ ৪:৩৯ অপরাহ্ন
গত একযুগে চাষের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন বেড়েছে ৪ গুণ: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

গত একযুগে চাষের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বুধবার (২১ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট (বিএফআরআই) এর বোর্ড অব গভর্নরস এর ৪১তম সভায় সভাপতির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট গবেষণার মাধ্যমে এ পর্যন্ত ৩৭ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছের প্রজনন কৌশল ও চাষাবাদ প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেছে। যার মধ্যে গত এক বছরে ১১ প্রজাতির বিলুপ্তপ্রায় দেশীয় মাছ ফিরিয়ে আনা হয়েছে। দেশীয় মাছ সংরক্ষণে প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে লাইভ জিন ব্যাংক। মাছের উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবেষণা কার্যক্রম অতীতের তুলনায় জোরদার করা হয়েছে। গত ১২ বছরে চাষের মাধ্যমে দেশীয় মাছের উৎপাদন ৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়ে ৬৭ হাজার মেট্রিক টন থেকে ২ দশমিক ৬ লাখ মেট্রিক টনে উন্নীত হয়েছে।

মন্ত্রী আরও বলেন, মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের গবেষণালব্ধ ফলাফলের ভিত্তিতে মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রম বাস্তবায়ন ও সরকারের বাস্তবমুখী কার্যক্রম গ্রহণের কারণে দেশে ইলিশের বিস্তৃতি ও উৎপাদন বেড়েছে। গত ১২ বছরে ইলিশের উৎপাদন বেড়েছে ৮৫ শতাংশ । পাশাপাশি বড় আকারের ইলিশের প্রাপ্যতা আগের তুলনায় ২৫ শতাংশ বৃদ্ধি পেয়েছে। ইলিশ সংরক্ষণ ও সহনশীল আহরণ নিয়েও গবেষণা চলমান রয়েছে।

মন্ত্রী বলেন, বাংলাদেশের মৎস্য উৎপাদনে অভাবনীয় সাফল্যের মূলে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট। দেশের স্বার্থে এ ইনস্টিটিউটের সাথে সম্পৃক্তদের অর্পিত দায়িত্ব যথাযথভাবে পালন করতে হবে। এ দেশ অনেক উন্নয়নের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। এ উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ খাত মৎস্য খাত। এ খাতের সমৃদ্ধির জন্য প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অবিরাম প্রচেষ্টা ও আন্তরিকতা রয়েছে। এ খাতে সরকারের বিভিন্ন রকম অনুদান ও বরাদ্দ রয়েছে।

বিএফআরআই এর বোর্ড অব গভর্নরস এর সদস্য ও সংসদ সদস্য মুহিবুর রহমান মানিক, বোর্ডের ভাইস চেয়ারম্যান ও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী, বোর্ড সদস্য ও পরিকল্পনা কমিশনের কৃষি, পানি সম্পদ ও পল্লী প্রতিষ্ঠান বিভাগের সদস্য এ কে এম ফজলুল হক, বোর্ড সদস্য সচিব ও বিএফআরআই এর মহাপরিচালক ড. ইয়াহিয়া মাহমুদ, বোর্ড সদস্য ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক খ. মাহবুবুল হক, বোর্ড সদস্য ও বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের ভারপ্রাপ্ত নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. মিয়া সাঈদ হাসান, বিএফআরআই এর পরিচালক (গবেষণা ও পরিকল্পনা) ড. মো. খলিলুর রহমান এবং পরিচালক (প্রশাসন ও অর্থ) ড. মো. আনিছুর রহমান সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২২ ৮:৫১ অপরাহ্ন
সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (২০ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যায় রাজধানীর বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির জাতীয় সংগীত ও নৃত্যকলা মিলনায়তনে জাতীয় নৃত‌্য প্রতিযোগিতা ২০২২ উপলক্ষ্যে নৃত্যাঙ্গণ আয়োজিত আলোচনা সভা, পুরস্কার বিতরণ ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, পুঁথিগত বিদ্যা দিয়ে একটি পরিপূর্ণ জীবনসত্তা প্রতিষ্ঠিত করা যায় না, যদি না তার মধ্যে বাঙালির নিজস্ব সংস্কৃতি, কৃষ্টি, ইতিহাস, ঐতিহ্য আমরা প্রবেশ করাতে না পারি। বাঙালির নিজস্ব একটা জায়গা আছে। যার মধ্যে জারি, সারি, ভাটিয়ালি, লালনগীতি, কবি গান, পট গান, ভাওয়াইয়া গান, নৃত্য, যাত্রা এগুলো আমাদের সংস্কৃতির অবিচ্ছেদ্য অংশ। বাঙালির সংস্কৃতি, ইতিহাস, ঐতিহ্য চমৎকারভাবে তুলে ধরার অন্যতম মাধ্যম নৃত্য। নৃত্যের মাধ্যমে জাতির ইতিহাস, ঐতিহ্য, মুক্তিযুদ্ধ তুলে ধরতে হবে, সাম্প্রদায়িকতার বিরুদ্ধে কঠোর অবস্থান নিতে হবে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে বাংলাদেশের সংস্কৃতি চর্চা আজকের অবস্থানে থাকতো না। এ দেশ কট্টর কোন রাষ্ট্র থাকতো। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সংস্কৃতি চর্চাকে সর্বোচ্চ পৃষ্ঠপোষকতা দিয়ে আজকের পর্যায়ে নিয়ে এসেছেন।

প্রধান অতিথি আরও যোগ করেন, সংস্কৃতির বিকশিত রূপ দিয়ে আমাদের সামনে এগিয়ে যেতে হবে। সমাজের অবক্ষয়ের বল্গাহীন স্রোত থেকে সন্তানদের রক্ষার জন্য রক্ষণশীলতা থেকে বের হয়ে এসে সংস্কৃতি চর্চার মাধ্যমে মননশীলতা ও সুকুমারবৃত্তির বিকাশ ঘটাতে হবে। সংস্কৃতি চর্চার পাশাপাশি সন্তানদের নৈতিকতা ও মূল্যবোধের শিক্ষা দিতে হবে। এজন্য সম্মিলিতভাবে কাজ করতে হবে।

নৃত্যাঙ্গণের সভাপতি বিপুল চন্দ্র বিশ্বাসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক নেহাল আহমেদ, বাংলাদেশ শিশু একাডেমির মহাপরিচালক মো. শরিফুল ইসলাম, মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা অধিদপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক শাহেদুল কবির চৌধুরী, বাংলাদেশ নৃত্যশিল্পী সংস্থার সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা মিনু হক ও নৃত্যশিল্পী মুনমুন আহমেদ। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন নৃত্যাঙ্গণের সাধারণ সম্পাদক আতিকুর রহমান উজ্জল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৮, ২০২২ ৮:১১ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা সম্প্রসারণে স্বল্প সময়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা সম্প্রসারণে স্বল্প সময়ে নীতিমালা প্রণয়ন করা হবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেলে রাজধানীর একটি হোটেলে প্রাণিসম্পদ খাতে আর্থিক অন্তর্ভুক্তি বৃদ্ধি ও প্রাণিবীমা সম্প্রসারণে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রযুক্তির ভূমিকা শীর্ষক সেমিনারে প্রাণিবীমা সম্প্রসারণে চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রযুক্তির ভূমিকা: আমাদের অবস্থান ও করণীয় বিষয়ক অধিবেশনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান। আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেড এ সেমিনার আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা সম্প্রসারণে একটি যৌথ কার্যকরী কমিটি গঠন করা দরকার। প্রাণিবীমার জন্য নীতিমালা কিভাবে করা যায়, এক্ষেত্রে কী কী প্রতিবন্ধকতা আছে, কী সুযোগ আছে এটা আগে নির্ধারণ করতে হবে। প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা প্রক্রিয়া এগিয়ে নেয়ার জন্য আমাদের সম্মিলিত উদ্যোগ দরকার।

প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা ধারণার সাথে একমত পোষণ করে এ সময় মন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাতকে বীমার আওতায় নিয়ে আসা দরকার। বীমা একটি প্রচলিত ব্যবস্থা। এ প্রচলিত ব্যবস্থায় প্রাণীকে অন্তর্ভুক্ত করা সম্ভব। গবাদিপ্রাণী আমৃত্যু অবদান রেখে যাচ্ছে। মানুষের উপকারের দিক থেকে গবাদিপ্রাণী কোন অংশেই কম নয়। মৃত্যু পর্যন্ত তার উপযোগিতা ও উপকারিতা ভোগ করার সুযোগ আমাদের রয়েছে। এ প্রাণী যারা লালন-পালন করবেন, সেক্ষেত্রে একটি ব্যবস্থাপনার নিয়ে আসা প্রয়োজন। এ বিষয়টি নিয়ে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় কার্যক্রম চলমান আছে।

মন্ত্রী আরও যোগ করেন, প্রাণিবীমা সম্প্রসারণে একটি কমিটি গঠন করে নীতি নির্ধারণ করতে হবে। এ বিষয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সংশ্লিষ্টদের সাথে নিয়ে কাজ করবে। সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে এ পলিসি নির্ধারণে কাজ শুরু করা হবে, পরিকল্পনা প্রণয়ন করা হবে।

সেমিনারের এ অধিবেশনে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী ড. শামসুল আলম। সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বীমা উন্নয়ন ও নিয়ন্ত্রণ কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ জয়নুল বারী, বাংলাদেশ ইন্স্যুরেন্স অ্যাসোসিয়েশনের নির্বাহী কমিটির সদস্য মোজাফফর হোসেন পল্টু, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব এ টি এম মোস্তফা কামাল ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন আদর্শ প্রাণিসেবা লিমিটেডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও সিইও ফিদা হক। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সাধারণ বীমা কর্পোরেশনের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সৈয়দ শাহরিয়ার আহসান।

বিশেষ অতিথির বক্তব্যে পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রাণিসম্পদ খাত কর্মসংস্থানের বড় উৎস। এ খাত বাণিজ্যিক খাতে পরিণত হয়েছে। এ খাতে ৩ দশমিক ৫ শতাংশ প্রবৃদ্ধি অত্যন্ত উৎসাহব্যঞ্জক। বীমা থাকলে সম্পদের সর্বোচ্চ ব্যবহার করা যায়। বীমা ব্যবস্থা উৎপাদন ত্বরান্বিত করতে অপরিহার্য। এজন্য প্রাণিসম্পদ খাতে বীমা জনপ্রিয় করতে হবে, প্রচারণায় গুরুত্ব দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১৩, ২০২২ ১১:৩৬ পূর্বাহ্ন
বাংলাদেশ থেকে কৃষকের গরু নিয়ে গেল বিএসএফ!
প্রাণিসম্পদ

ভারতীয় সীমান্ত রক্ষী বাহিনী (বিএসএফ) বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ঢুকে এক কৃষকের তিনটি গরু ধরে নিয়ে গেছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। মৌলভীবাজারের বড়লেখার কুমারশাইল সীমান্তে শুক্রবার বিকালে এ ঘটনা ঘটে।

দেড় মাস আগেও একই এলাকায় অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে আরেক কৃষকের একটি গরু ধরে নিয়ে যান ভারতীয় নাগরিকরা।

এলাকাবাসীর অভিযোগ, শুক্রবার বিকালে উপজেলার কুমারশাইল গ্রামের কৃষক আব্দুল করিম কুমারশাইল চা বাগানের নম্বরে গরু চরাচ্ছিলেন। চা গাছের ফাঁকে ফাঁকে গরুগুলো ঘাস খাচ্ছিল। সন্ধ্যা নামার আগেই হঠাৎ কয়েকজন অস্ত্রধারী বিএসএফ সদস্য সীমান্ত অতিক্রম করে চা বাগানে ঢুকে তিনটি গরু ধরে নিয়ে যায়। গরুগুলো সামনের দিকে এগোতে না চাইলেও তারা মেরে এগিয়ে নেন। গরুর মালিক কৃষক আব্দুল করিম দূরে আড়াল থেকে তা দেখেও ভয়ে প্রতিবাদ করেননি।

কৃষক আব্দুল করিম জানান, বাগানের ভেতর তিনি গরুগুলোকে ঘাস খাওয়াচ্ছিলেন। হঠাৎ কয়েকজন বিএসএফ সদস্য আমাদের এরিয়ায় ঢুকে পড়ে। আমি ভয়ে আড়ালে চলে যাই। তারা আমার তিনটি বড় গরু ধরে নিয়ে যায়। কী কারণে বিএসএফ আমার গরুগুলো নিয়ে গেল তা বুঝতে পারছি না। ঘটনাটি আমি ইউপি চেয়ারম্যানকে জানালে তিনি বিজিবিকে জানান।

এর আগে গত ২৫ জুলাই সীমান্তের একই এলাকার কাঁটাতারের বেড়া ডিঙিয়ে বাংলাদেশের অভ্যন্তরে ৫-৬ জন ভারতীয় নাগরিক অবৈধভাবে অনুপ্রবেশ করে আব্দুল কাইয়ুমের নামের এক কৃষকের একটি বড় ষাঁড় ধরে নিয়ে যায়। এ সময় বাধা দিতে গেলে আব্দুল কাইযুমকে তারা পিটিয়ে আহত করে।

উত্তর শাহবাজপুর ইউপি চেয়ারম্যান রফিক উদ্দিন আহমদ জানান, কৃষক আব্দুল করিম তার তিনটি গরু বিএসএফ ধরে নিয়ে যাওয়ার কথা তাকে বলেন। তিনি তাৎক্ষণিক লাতু বিজিবি ক্যাম্পের ইনচার্জকে ঘটনাটি জানান। প্রায় দেড় মাস আগে একই এলাকার আব্দুল কাইয়ুম নামে এক ব্যক্তির একটি বড় ষাঁড় ভারতীয়রা সীমান্ত অতিক্রম করে আমাদের দেশে ঢুকে জোরপূর্বক ধরে নিয়ে যায়। বাধা দিতে গিয়ে ষাড়ের মালিক আহত হন। এ ষাঁড়টিও বিজিবি এখনো উদ্ধার করে দিতে পারেনি।

বিজিবি ৫২ ব্যাটালিয়নের লাতু ক্যাম্প কমান্ডার নায়েক সুবেদার আব্দুল খালেক জানান, স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যানের মাধ্যমে বিএসএফ কর্তৃক তিনটি গরু ধরে নিয়ে যাওয়ার খবর পেয়েছেন। তিনি বিএসএফের কাছে নোট পাঠিয়ে গরুগুলো ফেরত দেওয়ার ব্যবস্থা নেওয়ার অনুরোধ করেন। কিন্তু তারা তা অস্বীকার করছে। বিষয়টি এখন রাষ্ট্রীয় পর্যায়ে দেখা হচ্ছে। এর আগে ভারতীয় নাগরিকরা জোরপূর্বক বাংলাদেশি নাগরিকের গরু ধরে নেওয়ার বিষয়টিও বিএসএফ অস্বীকার করেছে।

সূত্র :যুগান্তর

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২ ৫:৩৮ অপরাহ্ন
এক সপ্তাহে ১০ গরুর মৃত্যু, আক্রান্ত অর্ধশত
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে গত এক সপ্তাহে ১০টি গরু মারা গেছে। ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজে এসব গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন খামারিরা। বর্তমানে আরো অর্ধশত গরু এই রোগ আক্রান্ত বলে জানা গেছে।

খামারি ও কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের চিকিৎসক না পেয়ে বাধ্য হয়ে তাঁরা গ্রাম্য চিকিৎসক, কবিরাজ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

খামারি ও কৃষক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কল্যাপাড়া, বজরা ইউনিয়নের খামার বজরা ও দুর্গাপুর ইউনিয়নের কামাল খামার গ্রামে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি।

গতকাল রবিবার দুপুরে দলদলিয়া ইউনিয়নের কল্যাপাড়া ও ঝাকুয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২৫টি ছোট ও মাঝারি খামারের গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

ওই গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক মহির উদ্দিন জানান, তাঁর দেড় লাখ টাকা দামের একটি গাভি এ রোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরে দুর্গন্ধ দেখা দেওয়ায় সেটি জবাই করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, যোগাযোগ করা হলেও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কোনো লোক এলাকায় আসেননি।

খামারিরা জানান, গত সাত দিনে কল্যাপাড়া গ্রামের মহির উদ্দিনের একটি, দেলওয়ার হোসেনের একটি এবং আয়শা বেগমের একটি, খামার বজরা গ্রামের দুলাল মিয়ার একটি, আবুল কালামের একটি এবং মাঝবিল গ্রামের দেলওয়ার মিয়ার একটিসহ ১০টি গরু মারা গেছে।

এ ছাড়া কল্যাপাড়া ও ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের আ. মান্নানের তিনটি, আ. বাতেনের তিনটি, আ. গফ্ফারের তিনটি, আ. ছামাদের চারটি, জয়নাল আবেদীনের তিনটি, গোলজার হোসেনের তিনটিসহ প্রায় ৫০টি গরু ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তাঁদের অনেকের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তাই তাঁরা পল্লী চিকিৎসক, কবিরাজ ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হচ্ছেন, কিন্তু তাঁদের দেওয়া ওষুধে তেমন কাজ হচ্ছে না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, উপজেলার প্রায় ১৩ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ওই রোগ দেখা দিয়েছে। এ রোগ প্রতিরোধে সোডা, প্যারাসিটামল এবং টিকা দিতে হবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানুল হক জানান, তিনি এ রোগ সম্পর্কে অবগত আছি। এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হতাশ হওয়ার কিছু নেই, বৃষ্টি অথবা শীত পড়লে এ রোগ কমে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২ ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী আদরী
প্রাণিসম্পদ

আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের আদরী খাতুন হাঁস পালন করে সফলতার মুখ দেখেছেন। নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দিন রাত কঠোর পরিশ্রম করে সফলতা অর্জন তার। তার এই প্রচেষ্টা দেখে বাড়তি আয়ের আশায় এলাকার অনেকেই হাঁস পালনে আগ্রহী হচ্ছেন।

জানা যায়, স্বামীর দেওয়া টাকা ও নিজের জমানো টাকা দিয়ে আদরী খাতুন খাটি ক্যামবেল জাতের ৬০০টি হাঁসের বাচ্চা ৩ লাখ টাকা দিয়ে কিনে বাণিজ্যিক ভাবে হাঁস পালনের যাত্রা শুরু করেন। হাঁসগুলো প্রতিনিয়ত ডিম দিতে শুরু করেছে। তার স্বামী ও ছেলে খামার দেখাশোনা করেন। অন্যান্য কাজের তারা আদুরী খাতুনকে সাহায্য করেন।

আদরী খাতুনের স্বামী ইয়াকুব প্রামানিক বলেন, তার ইচ্ছে ছিল নিজে কিছু করবে। আমি তাকে তার নিজের পায়ে দাঁড়াতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছি। সংসার দেখাশোনার পাশাপাশি সে হাঁস পালনে কঠোর পরিশ্রম করে সফল হয়েছে এটা আমার কাছে খুব আনন্দের।

খামারী আদরী খাতুন বলেন, স্বামীর টাকা ও আমার টাকা মিলিয়ে ৬০০ হাঁসের বাচ্চা কিনে খামার শুরু করি। আমার ইচ্চা ছিল নিজের পায়ের দাঁড়ানোর। তাই খামার প্রতিষ্ঠা করতে আমার স্বামী আমাকে সাহায্য করেছেন। বর্তমানে আমার খামারের সব হাঁস বড় হয়েছে এবং ডিম দেওয়া শুরু করেছে। আশা করছি ডিম ও হাঁস বিক্রি করে ৩-৪ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, আয়ের টাকা দিয়ে গরু-ছাগল, মাছ, পোল্ট্রি ও কবুতর পালন করার জন্য চিন্তা ভাবনা মাথায় নিয়েছি। সরকারি আর্থিক সহযোগীতা পেলে খামার আরো বড় করে করতে পারবো।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২২ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
ডেইরি ফার্ম শুরু করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

ডেইরি ফার্ম করার দিকে এখন অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে শুরুটা শুরু করতে গিয়ে অনেকে হিমশিম খাচ্ছেন। কোথায় থেকে, কিভাবে করবেন এটা নিয়ে শুরু হয় দুশ্চিন্তা। কত টাকা লাগবে, কয়দিন লাগবে। সব মিলিয়ে থাকে নানান চিন্তা। তবে কিছু বিষয় জেনে রাখলে ডেইরি ফার্ম নিয়ে এতটা বেগ পেতে হবে না আগ্রহীদের।

একটি পরিকল্পনা
বাজেট ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কমপক্ষে ১৫ লিটার দুধের গরু বাছুরসহ ২টি। মনে রাখতে হবে গাভি সব সময় সমপরিমাণ দুধ দেবে না। কম-বেশি হতে পারে। তবে গড়ে ১০ লিটার ধরে নিতে পারেন। গোয়াল ঘর করতে হবে ৩০ ফিট বাই ১৫ ফিট। তাতে ইলেক্ট্রিক আর পানির ব্যবস্থা অবশ্যই থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, ফ্লর যেন পাকা হয়। উপরে টিনের চাল থাকলেই হবে। চারদিকে আলো-বাতাস ঢোকে এমন বেড়া দিতে হবে।

এককালীন খরচ: ২টি দুধের গরুর দাম ৩ লাখ টাকা। গোয়াল ঘর খরচ ৬০ হাজার টাকা। ইলেক্ট্রিক ও পানি খরচ ২০ হাজার টাকা।
দুধ থেকে আয়: ২০ লিটার দুধ ৫০ টাকা করে ১ হাজার টাকা প্রতিদিনের আয়। তাহলে মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা। ‪

‎মাসিক ব্যয়: কর্মচারীর মাসিক বেতন ৭ হাজার টাকা। গরুর খাবার খরচ ১৫০ টাকা প্রতিদিন। তাহলে মাসিক খরচ ৯ হাজার টাকা। ওষুধ এবং অন্যান্য ২ হাজার টাকা।

মাসিক লাভ: আয় ও ব্যয় বাদ দিলে মাসে লাভ হবে ১২ হাজার টাকা। এককালীন খরচের ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা উঠে আসতে সময় লাগবে ২ বছর ৭ মাস।

পদক্ষেপ: এভাবে মাসিক আয় ধরে রাখতে ৮ মাস পর আবার ২টা দুধের গরু কিনতে হবে। তাহলে একটি সার্কেলের মধ্যে পড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কখনোই পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হবে না।

দুর্যোগ: বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা অসুখ-বিসুখ আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই এখানে তার হিসাব দেখানো হয়নি।

ব্যবসা: ২-৫ বছর পর লাভের পরিমাণ কেমন হবে? সম্পদের পরিমাণ কত হবে? এটি বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি তা বের করা যায়, তাহলেই বোঝা যাবে ডেইরি ব্যবসা কেমন হবে। সূত্র: জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২২ ৫:০৭ অপরাহ্ন
কিশোরগঞ্জে পাঁচ শতাধিক গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত
প্রাণিসম্পদ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক গরু। এ রোগ দ্রুত এক গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর থেকে এ ব্যাপারে মাঠ পর্যায়ে জোড়ালো কোনো তৎপরতা না থাকায় অনেক কৃষক টোটকা চিকিৎসা এবং পল্লী চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হচ্ছে।

জানা গেছে, বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামের আমিনুর রহমান, আনারারুল ইসলাম, ফয়জুল মিয়ার গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

কৃষকরা জানান, আক্রান্ত গরুর দেহে বিভিন্ন জায়গা প্রথমে ফুলে ওঠে। এরপর জল বসন্তের মতো গুটির সৃষ্টি হয়। দু-একদিনের মধ্যে গরুর পুরো শরীরে থাকা গুটিগুলো ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে চামড়া খুলে পড়ে। এ সময় গরুর শরীর তীব্র জ্বর দেখা দেয়। অনেক সময় পা ফুলে যাওয়াসহ গরুর বুকের নিচে পানি জমে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ক্ষত স্থান পচে গিয়ে সেখান থেকে মাংস খুলে পড়ে। মুখ দিয়ে সবসময় লালা পড়েতে থাকে। মাগুড়া ইউনিয়নের আকালি বেচা পাড়ার এনামুল হক, আব্দুস সালাম এবং ধনী পাড়ায় মাজেদুল হকের গরুসহ আরো অন্য কৃষকের প্রায় পাঁচ শতাধিক গরু এ রোগে আক্রন্ত হয়েছে।

কৃষকরা অভিযোগ করেন, গরুর আক্রান্ত স্থানে গরম পানি, পটাশ গুলানো পানি দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা হচ্ছে এবং পল্লী চিকিৎসকের চিকিৎসা নেয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ দফতরের কোনো প্রকার সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে পল্লী চিকিৎসকরা কৃষকদের এক একটি গরু সারিয়ে তুলতে তিন থেকে চার হাজার টাকা আদায় করছে বলে তারা অভিযোগ করেন। কৃষকরা চিকিৎসার ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে অনেক সময় হিমশিম খাচ্ছে।

উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন নাহিদ সুলতান বলেন, আমাদের গ্রাম পর্যায়ে চিকিৎসা দেয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। চিকিৎসা নিতে হলে আমাদের অফিসে আসতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop