৬:৪৫ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৪ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১২, ২০২২ ৫:৩৮ অপরাহ্ন
এক সপ্তাহে ১০ গরুর মৃত্যু, আক্রান্ত অর্ধশত
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের উলিপুরে গত এক সপ্তাহে ১০টি গরু মারা গেছে। ল্যাম্পি স্কিন ডিজিজে এসব গরুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন খামারিরা। বর্তমানে আরো অর্ধশত গরু এই রোগ আক্রান্ত বলে জানা গেছে।

খামারি ও কৃষকরা জানিয়েছেন, প্রাণিসম্পদ বিভাগের চিকিৎসক না পেয়ে বাধ্য হয়ে তাঁরা গ্রাম্য চিকিৎসক, কবিরাজ ও হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের শরণাপন্ন হচ্ছেন।

খামারি ও কৃষক সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দলদলিয়া ইউনিয়নের কল্যাপাড়া, বজরা ইউনিয়নের খামার বজরা ও দুর্গাপুর ইউনিয়নের কামাল খামার গ্রামে এ রোগের প্রাদুর্ভাব বেশি।

গতকাল রবিবার দুপুরে দলদলিয়া ইউনিয়নের কল্যাপাড়া ও ঝাকুয়াপাড়া গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, প্রায় ২৫টি ছোট ও মাঝারি খামারের গরু এই রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

ওই গ্রামের বাসিন্দা শিক্ষক মহির উদ্দিন জানান, তাঁর দেড় লাখ টাকা দামের একটি গাভি এ রোগে আক্রান্ত হয়ে শরীরে দুর্গন্ধ দেখা দেওয়ায় সেটি জবাই করে মাটিতে পুঁতে ফেলা হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, যোগাযোগ করা হলেও প্রাণিসম্পদ বিভাগের কোনো লোক এলাকায় আসেননি।

খামারিরা জানান, গত সাত দিনে কল্যাপাড়া গ্রামের মহির উদ্দিনের একটি, দেলওয়ার হোসেনের একটি এবং আয়শা বেগমের একটি, খামার বজরা গ্রামের দুলাল মিয়ার একটি, আবুল কালামের একটি এবং মাঝবিল গ্রামের দেলওয়ার মিয়ার একটিসহ ১০টি গরু মারা গেছে।

এ ছাড়া কল্যাপাড়া ও ঝাকুয়াপাড়া গ্রামের আ. মান্নানের তিনটি, আ. বাতেনের তিনটি, আ. গফ্ফারের তিনটি, আ. ছামাদের চারটি, জয়নাল আবেদীনের তিনটি, গোলজার হোসেনের তিনটিসহ প্রায় ৫০টি গরু ল্যাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে। তাঁদের অনেকের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ অফিসে যোগাযোগ করেও কোনো প্রতিকার পাওয়া যায়নি। তাই তাঁরা পল্লী চিকিৎসক, কবিরাজ ও হোমিওপ্যাথি চিকিৎসকের দ্বারস্থ হচ্ছেন, কিন্তু তাঁদের দেওয়া ওষুধে তেমন কাজ হচ্ছে না।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগ জানায়, উপজেলার প্রায় ১৩ ইউনিয়ন ও পৌর এলাকায় ওই রোগ দেখা দিয়েছে। এ রোগ প্রতিরোধে সোডা, প্যারাসিটামল এবং টিকা দিতে হবে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. রেজওয়ানুল হক জানান, তিনি এ রোগ সম্পর্কে অবগত আছি। এরই মধ্যে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। হতাশ হওয়ার কিছু নেই, বৃষ্টি অথবা শীত পড়লে এ রোগ কমে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১১, ২০২২ ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
হাঁস পালন করে স্বাবলম্বী আদরী
প্রাণিসম্পদ

আটঘরিয়া উপজেলার দেবোত্তর ইউনিয়নের আদরী খাতুন হাঁস পালন করে সফলতার মুখ দেখেছেন। নিজের স্বপ্ন বাস্তবায়ন করতে দিন রাত কঠোর পরিশ্রম করে সফলতা অর্জন তার। তার এই প্রচেষ্টা দেখে বাড়তি আয়ের আশায় এলাকার অনেকেই হাঁস পালনে আগ্রহী হচ্ছেন।

জানা যায়, স্বামীর দেওয়া টাকা ও নিজের জমানো টাকা দিয়ে আদরী খাতুন খাটি ক্যামবেল জাতের ৬০০টি হাঁসের বাচ্চা ৩ লাখ টাকা দিয়ে কিনে বাণিজ্যিক ভাবে হাঁস পালনের যাত্রা শুরু করেন। হাঁসগুলো প্রতিনিয়ত ডিম দিতে শুরু করেছে। তার স্বামী ও ছেলে খামার দেখাশোনা করেন। অন্যান্য কাজের তারা আদুরী খাতুনকে সাহায্য করেন।

আদরী খাতুনের স্বামী ইয়াকুব প্রামানিক বলেন, তার ইচ্ছে ছিল নিজে কিছু করবে। আমি তাকে তার নিজের পায়ে দাঁড়াতে অনুপ্রেরণা যুগিয়েছি। সংসার দেখাশোনার পাশাপাশি সে হাঁস পালনে কঠোর পরিশ্রম করে সফল হয়েছে এটা আমার কাছে খুব আনন্দের।

খামারী আদরী খাতুন বলেন, স্বামীর টাকা ও আমার টাকা মিলিয়ে ৬০০ হাঁসের বাচ্চা কিনে খামার শুরু করি। আমার ইচ্চা ছিল নিজের পায়ের দাঁড়ানোর। তাই খামার প্রতিষ্ঠা করতে আমার স্বামী আমাকে সাহায্য করেছেন। বর্তমানে আমার খামারের সব হাঁস বড় হয়েছে এবং ডিম দেওয়া শুরু করেছে। আশা করছি ডিম ও হাঁস বিক্রি করে ৩-৪ লক্ষ টাকা আয় করতে পারবো।

তিনি আরো বলেন, আয়ের টাকা দিয়ে গরু-ছাগল, মাছ, পোল্ট্রি ও কবুতর পালন করার জন্য চিন্তা ভাবনা মাথায় নিয়েছি। সরকারি আর্থিক সহযোগীতা পেলে খামার আরো বড় করে করতে পারবো।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৯, ২০২২ ১০:৫৯ পূর্বাহ্ন
ডেইরি ফার্ম শুরু করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

ডেইরি ফার্ম করার দিকে এখন অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে শুরুটা শুরু করতে গিয়ে অনেকে হিমশিম খাচ্ছেন। কোথায় থেকে, কিভাবে করবেন এটা নিয়ে শুরু হয় দুশ্চিন্তা। কত টাকা লাগবে, কয়দিন লাগবে। সব মিলিয়ে থাকে নানান চিন্তা। তবে কিছু বিষয় জেনে রাখলে ডেইরি ফার্ম নিয়ে এতটা বেগ পেতে হবে না আগ্রহীদের।

একটি পরিকল্পনা
বাজেট ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কমপক্ষে ১৫ লিটার দুধের গরু বাছুরসহ ২টি। মনে রাখতে হবে গাভি সব সময় সমপরিমাণ দুধ দেবে না। কম-বেশি হতে পারে। তবে গড়ে ১০ লিটার ধরে নিতে পারেন। গোয়াল ঘর করতে হবে ৩০ ফিট বাই ১৫ ফিট। তাতে ইলেক্ট্রিক আর পানির ব্যবস্থা অবশ্যই থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, ফ্লর যেন পাকা হয়। উপরে টিনের চাল থাকলেই হবে। চারদিকে আলো-বাতাস ঢোকে এমন বেড়া দিতে হবে।

এককালীন খরচ: ২টি দুধের গরুর দাম ৩ লাখ টাকা। গোয়াল ঘর খরচ ৬০ হাজার টাকা। ইলেক্ট্রিক ও পানি খরচ ২০ হাজার টাকা।
দুধ থেকে আয়: ২০ লিটার দুধ ৫০ টাকা করে ১ হাজার টাকা প্রতিদিনের আয়। তাহলে মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা। ‪

‎মাসিক ব্যয়: কর্মচারীর মাসিক বেতন ৭ হাজার টাকা। গরুর খাবার খরচ ১৫০ টাকা প্রতিদিন। তাহলে মাসিক খরচ ৯ হাজার টাকা। ওষুধ এবং অন্যান্য ২ হাজার টাকা।

মাসিক লাভ: আয় ও ব্যয় বাদ দিলে মাসে লাভ হবে ১২ হাজার টাকা। এককালীন খরচের ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা উঠে আসতে সময় লাগবে ২ বছর ৭ মাস।

পদক্ষেপ: এভাবে মাসিক আয় ধরে রাখতে ৮ মাস পর আবার ২টা দুধের গরু কিনতে হবে। তাহলে একটি সার্কেলের মধ্যে পড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কখনোই পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হবে না।

দুর্যোগ: বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা অসুখ-বিসুখ আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই এখানে তার হিসাব দেখানো হয়নি।

ব্যবসা: ২-৫ বছর পর লাভের পরিমাণ কেমন হবে? সম্পদের পরিমাণ কত হবে? এটি বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি তা বের করা যায়, তাহলেই বোঝা যাবে ডেইরি ব্যবসা কেমন হবে। সূত্র: জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৮, ২০২২ ৫:০৭ অপরাহ্ন
কিশোরগঞ্জে পাঁচ শতাধিক গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত
প্রাণিসম্পদ

নীলফামারীর কিশোরগঞ্জ উপজেলায় লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত প্রায় পাঁচ শতাধিক গরু। এ রোগ দ্রুত এক গরু থেকে অন্য গরুতে ছড়িয়ে পড়ায় কৃষকরা দিশেহারা হয়ে পড়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতর থেকে এ ব্যাপারে মাঠ পর্যায়ে জোড়ালো কোনো তৎপরতা না থাকায় অনেক কৃষক টোটকা চিকিৎসা এবং পল্লী চিকিৎসকের দ্বারস্থ হতে বাধ্য হচ্ছে।

জানা গেছে, বাহাগিলি ইউনিয়নের উত্তর দুরাকুটি গ্রামের আমিনুর রহমান, আনারারুল ইসলাম, ফয়জুল মিয়ার গরু লাম্পি স্কিন রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

কৃষকরা জানান, আক্রান্ত গরুর দেহে বিভিন্ন জায়গা প্রথমে ফুলে ওঠে। এরপর জল বসন্তের মতো গুটির সৃষ্টি হয়। দু-একদিনের মধ্যে গরুর পুরো শরীরে থাকা গুটিগুলো ক্ষতের সৃষ্টি হয়ে চামড়া খুলে পড়ে। এ সময় গরুর শরীর তীব্র জ্বর দেখা দেয়। অনেক সময় পা ফুলে যাওয়াসহ গরুর বুকের নিচে পানি জমে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। ক্ষত স্থান পচে গিয়ে সেখান থেকে মাংস খুলে পড়ে। মুখ দিয়ে সবসময় লালা পড়েতে থাকে। মাগুড়া ইউনিয়নের আকালি বেচা পাড়ার এনামুল হক, আব্দুস সালাম এবং ধনী পাড়ায় মাজেদুল হকের গরুসহ আরো অন্য কৃষকের প্রায় পাঁচ শতাধিক গরু এ রোগে আক্রন্ত হয়েছে।

কৃষকরা অভিযোগ করেন, গরুর আক্রান্ত স্থানে গরম পানি, পটাশ গুলানো পানি দিয়ে ক্ষতস্থান পরিষ্কার করা হচ্ছে এবং পল্লী চিকিৎসকের চিকিৎসা নেয়া হচ্ছে। মাঠ পর্যায়ে উপজেলা প্রাণি সম্পদ দফতরের কোনো প্রকার সহায়তা পাওয়া যাচ্ছে না। এদিকে পল্লী চিকিৎসকরা কৃষকদের এক একটি গরু সারিয়ে তুলতে তিন থেকে চার হাজার টাকা আদায় করছে বলে তারা অভিযোগ করেন। কৃষকরা চিকিৎসার ব্যয়ভার মেটাতে গিয়ে অনেক সময় হিমশিম খাচ্ছে।

উপজেলা ভেটেরিনারি সার্জন নাহিদ সুলতান বলেন, আমাদের গ্রাম পর্যায়ে চিকিৎসা দেয়ার কোনো ব্যবস্থা নেই। চিকিৎসা নিতে হলে আমাদের অফিসে আসতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২ ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
কবুতর রোগাক্রান্ত হলে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

গ্রামের পাশাপাশি এখন শহরেও অনেকেই কবুতর পালন করে। শখের সাথে সাথে এটি এখন বাণিজ্যিকভাবে লালন করছেন অনেকে। তবে কবুতর পালন করতে গিয়ে শুরুতেই অনেকে ভুল করে ফেলেন। যার ফলে প্রত্যাশিত সফলতা লাভ করতে পারেন না। তাই কবুতর পালনের প্রাথমিক বিষয়গুলো জেনে নিতে হবে।

একটা বিষয় লক্ষ্য করে দেখা গেছে যারা কবুতর পালন করেন তারা প্রাথমিক অবস্থায় এর রোগ এবং তার প্রতিকার সম্পর্কে খুব একটা জ্ঞান রাখেন না। অথচ সামান্য একটু বিচক্ষণতার পরিচয় দিলে আপনি নিজের প্রিয় কবুতরটিকে রোগে আক্রান্ত হওয়ার সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা দিয়ে সারিয়ে তুলতে পারেন।

কবুতর রোগাক্রান্ত হলে সঙ্গে সঙ্গে স্যালাইন (ইলেক্ট্রোমিন) এবং রাইস স্যালাইন (কলেরা রোগের চিকিৎসায় ব্যবহারযোগ্য যেকোন রাইস স্যালাইন) এই দুটি ওষুধ খাওয়াতে হবে। এগুলো খুবই স্বল্প মূল্যের সাধারণ ঔষধ। এতে কবুতর দ্রুত সেরে উঠবে। কবুতর পালনের প্রথম দিন থেকেই, কবুতরের সঙ্গী হিসেবে এই দুটি জিনিস বাড়িতে নিয়ে আসা উচিত।

কবুতরের ড্রপিংস পাতলা হলে, খাবার হজম না হলে, কবুতর না খেলে, বা খাবারের পর বমি করে খাবার ফেলে দিলে এবং এর সঙ্গে যখন তার মাঝে ঝিমুনির ভাব দেখা দেবে তখন রোগ সনাক্ত করে চিকিৎসার জন্য চেষ্টার শুরুতে কবুতরকে রাইস স্যালাইন খাইয়ে দিয়ে হবে।
অসুস্থতা দেখা দিলেই আগে আপনার কবুতরকে খাবার দিতে হবে। কবুতরের পানি শূন্যতা যেন না হয় সেদিকে খেয়াল রাখতে হবে। খাবার পেলে কবুতর রোগের বিরুদ্ধে টিকে থাকবার জন্য হলেও শক্তি পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২ ৪:৪৮ অপরাহ্ন
চারঘাটে গরুর শরীরে দেখা দিয়েছে ল্যম্পিংস্কীন রোগ
প্রাণিসম্পদ

বেশ কিছুদিন থেকে চারঘাট উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় গরুর শরীরে ল্যম্পিংস্কীন ডিজিজ নামে রোগ দেওয়ায় এলাকাবাসী ও গরু খামারিদের মধ্যে আতঙ্ক বিরাজ করছে।

সূত্র মতে, উপজেলার শলুয়া ও নিমপাড়া ইউনিয়নে গরুর শরীরে এ রোগটি বেশি দেখা দিয়েছে।

হলিদাগাছী জাগিরপাড়া গ্রামের নজরুল ইসলাম জানান, প্রায় দুই সপ্তাহ আগে তার গৃহপালিত প্রায় দেড় লক্ষ টাকা মূল্যের একটি ষাড় গরুর শরীরে প্রথমে গুটি বসন্তের মত ক্ষত দেখা দেয়। এরপর সে পশু ডাক্তারের পরামর্শ মোতাবেক চিকিৎসা চালিয়ে যাচ্ছে তবে তেমন কোন উন্নতি হয়নি বলে জানান।

হলিদাগাছী এলাকার ইসমাইল হোসেনের একটি লক্ষাধিক টাকা মূল্যের গরু, দৌলতপুর গ্রামের মুন্তাজ সোনারের একটি গরু, জাগিরপাড়া গ্রামের বাবলুর একটি গরু, চারঘাট মেরামতপুর গ্রামের মাহবুব আলমের একটি গরু অনুরূপ একই রোগে আক্রান্ত হয়েছে বলে জানান তারা।

এ ব্যাপারে জানতে চাইলে চারঘাট উপজেলা (ভারপ্রাপ্ত) প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা নাজনিন নাহার জানান, উপজেলার সর্বত্রই গরুর শরীরে ল্যাম্পিংস্কীন ডিজিজ নামক রোগটি দেখা দিয়েছে। এ রোগের জন্য সরকারিভাবে কোন ভ্যাকসিন এখনো পাওয়া যায়নি। তবে আমি নিজে প্রত্যেকটি এলাকায় গিয়ে গরু খামারিদের সতর্কতামূলক পরামর্শ দিচ্ছি। যেমন গরুর খামার বা ঘর পরিষ্কার রাখতে হবে, গরুকে নিয়মিত গোছল করাতে হবে এবং গরুকে মশা মাছির হাত থেকে রক্ষা করতে হবে । তাছাড়া গরুর শরীরে যেন রোদ লাগে, দিনের বেলায় এমন জায়গায় রাখতে হবে।

তিনি জানান, চারঘাট উপজেলায় মোট গাভী খামার ৩১২টি ও ষাঁড় গরুর খামার ৬৫০টি রয়েছে। উপজেলায় মোট ৫৮ হাজার ৫শ গরু রয়েছে বলে তিনি জানান।

তিনি আরও জানান, চলতি মৌসুমে বর্ষণ কম হওয়ায় এ রোগটি দেখা দিয়েছে। তবে আতঙ্কিত না হয়ে গরুর যত্ন নেয়ার পরামর্শ দিয়েছেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৬, ২০২২ ৪:৩৪ অপরাহ্ন
দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীবাহী বাসের লকারে রাখা ছিল ৪টি গরু
প্রাণিসম্পদ

রংপুরের তারাগঞ্জে দুর্ঘটনাকবলিত যাত্রীবাহী বাসের লকারে রাখা ছিল ৪টি গরু।

এর মধ্যে ৭ ঘণ্টা পর দুটি গরু জীবিত উদ্ধার করা হলেও বাকী দুটি মারা গেছে।

সোমবার (৫ সেপ্টেম্বর) সকাল ৮টার দিকে রেকার দিয়ে বাস দুটি টেনে দুই কিলোমিটার দূরে বালুবাড়ি হাইওয়ে থানার সামনে রাখা হয়। এরপর ইসলাম এন্টারপ্রাইজের বাসটি থেকে ওই দুটি গরু উদ্ধার করা হয় বলে জানান স্থানীয়রা।

প্রত্যক্ষদর্শী রহিম জানান, সকাল ৮টার দিকে উৎসুক কিছু মানুষ বাস দুটির ভেতরে, সামনে পেছনে গিয়ে দেখছিলেন। এসময় ইসলাম এন্টারপ্রাইজের বাসটির লকার থেকে শব্দ শুনতে পেয়ে লকার ভেঙে সেখান থেকে গুরুতর অবস্থায় দুটি গরু বের করে আনেন স্থানীয়রা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ ৬:২৪ অপরাহ্ন
সিনিল ফার্মা’র সহযোগিতায় ইন্টার্ন ডাক্তারদের নিয়ে সায়েন্টিফিক সেমিনার অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

সিনিল ফার্মা’র সহযোগিতায় নবাগত ইন্টার্ণ ডাক্তারদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হলো সায়েন্টিফিক সেমিনার।

রোববার (৪ আগস্ট) উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, ত্রিশালে বাকৃবি থেকে আগত একঝাঁক ইন্টার্ণ ডাক্তারদের নিয়ে এই সায়েন্টিক সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

সেমিনারে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, ভেটেরিনারি সার্জন ডা. তানজিলা ফেরদৌসী।

এ সময় ডা. আনোয়ার পারভেজ ভেটেরিনারিয়ানদের বর্তমান ফিল্ড প্র্যাকটিস, মানসম্মত প্রোডাক্ট প্রেসক্রিপশন ও কোম্পানির প্রোডাক্ট পরিচিতি নিয়ে মাল্টিমিডিয়া প্রেজেন্টেশন করেন।

সর্বশেষ, ভেটেরিনারি সার্জন কোম্পানির প্রোডাক্টের গুনগতমান, কার্যকারিতা নিয়ে প্রশংসা করে সেমিনারের সমাপ্ত করেন।

সেমিনারে আরও উপস্থিত ছিলেন, রিজিওনাল সেলস ম্যানেজার শামসুল আলম, এরিয়া ম্যানেজার বাবুল ইসলাম, মার্কেটিং অফিসার সুফিয়ান হাসান ও ডাক্তারগণ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ ৮:৪৬ পূর্বাহ্ন
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

অনেক অসাধু গরু ব্যবসায়িকরা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, ইনজেকশন ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে এসব পশুকে মোটাতাজা করে থাকেন তারা, যা পুরোপুরি স্বাস্থ্যের জন ভয়ানক ক্ষতিকর। এমন গরুর মাংসতেও তেমন স্বাধ থাকে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর মাংস খেলে মানুষের শরীরে পানি জমে যাওয়া, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মূত্রনালি ও যকৃত-কিডনির বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এসব পশু কেনা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে। মোটাতাজাকরণ গবাদিপশু চেনার কিছু উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই ইনজেকশন দেওয়া কোরবানির পশু চিনবেন যেভাবে।

দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ

কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়। ইনজেকশন দেয়া গরুর রানের মাংস নরম হয়। স্বাভাবিকভাবে যেসব গরু মোটা হয় সেগুলোর রানের মাংস শক্ত হয়।

লালা বা ফেনা
যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

খুব শান্ত
স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ানো বা ইনজেকশন দেওয়া গরু হবে খুব শান্ত। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারবে না। পশুর ঊরুতে অনেক মাংস মনে হবে।

আঙুলের চাপ
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মোটা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে দ্রুতই মাংস স্বাভাবিক হয়।

শরীরে পানি জমে
অতিরিক্ত হরমোনের কারণে পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখাবে। আঙুল দিয়ে গরুর শরীরে চাপ দিলে সেখানে দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে থাকবে।

খাবার
গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।

নাকের ওপরটা ভেজা
সুস্থ গরুর নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে। সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।

পা ও মুখ ফোলা
বিশেষ করে গরুর পা ও মুখ ফোলা, শরীর থলথল করবে, অধিকাংশ সময় গরু ঝিমাবে, সহজে নড়াচড়া করবে না। এসব গরু অসুস্থতার কারণে সব সময় নিরব থাকে। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না। খাবারও খেতে চায় না।

অসুস্থ গরুর শরীরে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর তাপমাত্রা থাকবে। দেখা যাবে পাতলা পায়খানা হচ্ছে। মুখ দিয়ে লালা ঝরছে। সামনে খাবার থাকলেও খাচ্ছে না, এমনকি জাবরও কাটছে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২ ৩:১৮ অপরাহ্ন
আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক কৃষক ও একটি গরুর প্রাণহানি
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর আত্রাইয়ে বজ্রপাতে এক কৃষক ও একটি গরু মারা গেছে।

শুক্রবার দুপুরে উপজেলার হাটকালুপাড়া মাঠে ঘটনাটি ঘটেছে।

জানা যায়, ওই গ্রামের নাছের উদ্দিনের ছেলে আলাউদ্দিন (৪৫) প্রতিদিনের ন্যায় গতকাল শুক্রবারও ঘাস খাওয়ানোর জন্য তার গরু ছাগল মাছে ছেড়ে দিয়ে আসেন। দুপুরে বৃষ্টি শুরু হলে তিনি গরু ছাগল নেয়ার জন্য মাঠে যান।

এ সময় বিকট শব্দে বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান। পরে পবিারের লোকজন তার লাশ উদ্ধার করে বাড়িতে নিয়ে যান।

এদিকে একই সময় ওই মাঠে ঘনুকালুপাড়া গ্রামের আকবর আলীর প্রায় লাখ টাকার একটি গরু বজ্রপাতে মারা যায়।

আত্রাই থানা ওসি তারেকুর রহমান বলেন, বজ্রপাতে নিহতের ঘটনাটি সঠিক। লাশ পরিবারের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop