১০:৩৭ অপরাহ্ন

শুক্রবার, ১৩ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ১১:০০ পূর্বাহ্ন
উন্নত পদ্ধতিতে যেভাবে তৈরি করবেন গোবর সার
প্রাণিসম্পদ

জৈব সার তৈরী ও সংরক্ষণের ব্যাপারে প্রত্যেক কৃষক ভাইয়ের যত্নবান হওয়া উচিত। কেবল উদ্যোগ নিয়েই নিজস্ব সম্পদ কাজে লাগিয়ে প্রায় বিনা খরচে জৈব সার তৈরী করা সম্ভব। আজকে জানবো কিভাবে আপনি তৈরি করবেন গোবর সার।

উন্নত পদ্ধতিতে যেভাবে তৈরি করবেন গোবর সার:

গোয়াল ঘরের কাছাকাছি সামান্য উঁচু স্থান বেছে নিয়ে ১.৫মিটার চওড়া, ৩ মিটার লম্বা ও ১মিটার গভীর গর্ত তৈরী করুন।গোবরের পরিমাণ বুঝেগর্ত ছোট, বড় বা একাধিক গর্ত করতে পারেন।

গর্তের তলা ভালোভাবে পিটিয়ে সেখানে খড়/কাঁকর/বালি বিছিয়েনিন যাতে পানি সহজে শুষে নিতে পারে অথবা গর্তের তলা এবং চারপাশে গোবর দিয়ে ভালভাবেলেপে নিতে পারেন।গর্তের চারিদিকেই তলদেশের দিকে একটু ঢালু রাখতে হবে এবংগর্তের উপরে চারপাশে আইল দিয়ে উঁচু করে রাখতে হবে যেন বর্ষার পানি গর্তে যেতে নাপারে।

গর্তের পাশ থেকেগোবর ফেলে গর্তটি ভরতে থাকুন অথবা গর্তটিকে কয়েকটি ভাগেভাগ করে কয়েক দিনে এক একটিঅংশ ভরে পুরো গর্ত ভরাট করা ভালো।

গর্তে গোবর ফলারফাঁকে ফাঁকে পুকুর বা ডোবার তলার মিহি মাটি ফেলুন, এতে স্তর আঁটসাট হয়এবং সার গ্যাস হয়ে উবে যাওয়ার আশঙ্কা থাকে না। প্রায় দেড় মাস পর সারের গাদা ওলটপালট করে দিতেহবে।যদিগাদা শুকিয়ে যায় তবে গো-চনা দিয়ে ভিজিয়ে দিন কারণ, গো-চনাও একটিউৎকৃষ্টসার।

গোবরের সাথে টিআসপি (ঞঝচ) ব্যবহার করলে জৈব সারের মান ভালো হয়।গোবরের গাদার প্রতি টনের জন্য ১৫-২০ কেজিটিএসপি ব্যবহার করতে পারেন।

কড়া রোদে গোবর যেনশুকিয়ে না যায় আবার বৃষ্টিতে ধুয়ে না যায় সে জন্য গাদার ওপরে চালা দিয়েদিন।খড়, খেজুর পাতা কিংবা তালপাতা দিয়ে কম খরচে এই চালা তৈরী করতেপারেন।

এমনিভাবে সংরক্ষণের ২ মাসের মধ্যেইগোবর পচে উত্তম মানের সার তৈরী হয় যা পরবর্তীতে জমিতে ব্যবহার করার উপযোগীহয়।জৈবসার ব্যবহার করে রাসায়নিক সারের ওপর নির্ভশীলতা কমিয়ে আনুন এবং পরিবেশ সংরক্ষণেসচেষ্ট হন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২১ ৯:৩৬ পূর্বাহ্ন
গাজীপুরে গরু ব্যবসায়ীদের ১৩ লাখ টাকা লুট, গ্রেপ্তার ৪
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরে গরু ব্যবসায়ীদের ১৩ লাখ টাকা লুটের ঘটনায় মামলা হলে পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে ১৫ দিন পর চারজনকে গ্রেফতার করেছে ।

বৃহস্পতিবার (৫ আগস্ট) বিকেলে গাজীপুর পুলিশ সুপার এস এম শফিউল্লাহ সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতাররা হলেন- নাটোরের সিংরাই থানার বনপুরী গ্রামের রজব আলী (৩০), একই গ্রামের জাহাঙ্গীর আলম (২৩), নাটোর সদর থানার লক্ষ্মীপুর খোলাবাজার এলাকার আবুল বাশার ওরফে বাদশা (৪৫) ও রাজশাহীর বেলপুকুর থানার মহেলদা গ্রামের মাইনুল ইসলাম (৩০)।

সংবাদ সম্মেলনে পুলিশ বলেন, ঈদের আগের দিন গত ২০ জুলাই (মঙ্গলবার) মনজুরুল হকসহ ছয় ব্যবসায়ী ময়মনসিংহের গফরগাঁও থেকে ১৪ টি গরু নিয়ে ঢাকায় যাত্রা করেন। সেখানে ১৩ লাখ টাকায় গরুগুলো বিক্রির পর ট্রাকে করে বাড়িতে রওনা দেন। গাজীপুরের সালনা ব্রিজের কাছে পৌঁছালে ডাকাতরা তাদের মারধর করে টাকাসহ মোবাইল লুট করে নিয়ে যান।

এ ঘটনায় জয়দেবপুর থানায় একটি মামলা হয়। পুলিশ অভিযান চালিয়ে নাটোর, সিরাজগঞ্জ, টাঙ্গাইল ও সাভারের বিভিন্ন এলাকা থেকে চারজন গ্রেফতার করে। এ সময় তাদের কাছ থেকে এক লাখ টাকা ও ডাকাতির কাজে ব্যবহৃত ট্রাকটি জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আনোয়ার হোসেন, গাজীপুর গোয়েন্দা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আমির হোসেন প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২১ ৬:২৮ অপরাহ্ন
আদর্শ ও জনকল্যাণে অবদানই হওয়া উচিত রাজনীতির মূলমন্ত্র: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি বলেছেন, “আদর্শ ও জনকল্যাণে অবদানই রাজনীতির মূলমন্ত্র হওয়া উচিত। নীতির রাজাই হচ্ছে রাজনীতি, শ্রেষ্ঠ নীতির নাম রাজনীতি। দুষ্টদের লালন-পালন ও পৃষ্ঠপোষকতা দেওয়া রাজনীতি নয়। রাজনীতি হতে হবে পরিশীলিত, পরিমার্জিত। রাজনীতির প্রতিপক্ষকে কখনো শত্রু ভাবা ঠিক নয়। শত্রুকে নিধন করতে হবে, সশরীরে মেরে ফেলতে হবে, এটা রাজনীতি হতে পারে না। রাজনৈতিক প্রতিপক্ষকে রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করতে হবে। রাজনীতির মৌলিক সত্তার জায়গায় দল-মত নির্বিশেষে আমাদের এক হতে হবে।”

বৃহস্পতিবার (০৫ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যেষ্ঠ পুত্র বীর মুক্তিযোদ্ধা শহিদ ক্যাপ্টেন শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরো বলেন, “একটি পরিশীলিত, পরিমার্জিত, রূচিবান ও সম্ভাবনাময় ব্যক্তিত্ব ছিলেন শেখ কামাল। যিনি এ দেশের ক্রীড়াঙ্গন, সাংস্কৃতিক অঙ্গন ও রাজনীতিতে অনন্য-আসাধারণ অবদান রাখতে পারতেন। অথচ ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট পরিবারের সদস্যদের সাথে তাকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা হয়। তিনি ছিলেন বাংলাদেশে আধুনিক ক্রীড়ার জনক। অপরদিকে বাঙালি সংস্কৃতিকে পূর্ণতা দেওয়ার জন্য সংস্কৃতির বিভিন্ন ধারা তিনি লালন করতেন, চর্চা করতেন। অন্যদিকে রাজনীতি ছিল তার জন্মসূত্রে পাওয়া। রাজনীতিতে তিনি নিজের জায়গা দখলের জন্য কখনো ক্ষমতার অপব্যবহারের মানসিকতা দেখান নি। বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর শেখ কামাল সম্পর্কে বিরূপ কথা প্রচার করে বঙ্গবন্ধু পরিবারকে বিতর্কিত করার অপচেষ্টা করা হয়েছে। এটা ছিল জঘন্য মিথ্যাচার।”

এ সময় শ ম রেজাউল করিম আরো যোগ করেন, “বঙ্গবন্ধু বলেছেন, নিজের যা কিছু সামর্থ্য, যা কিছু ভালো তা উৎসর্গ করে দিয়ে দেশের কল্যাণে ও মানুষের উন্নয়নে নিজেকে নিবেদন করার নাম রাজনীতি। বঙ্গবন্ধু জীবনে কখনোই অনৈতিক কর্মকান্ডে সম্পৃক্তদের, কালো টাকার মালিকদের রাজনীতিতে এনে পৃষ্ঠপোষকতা দেন নি। বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য কন্যা শেখ হাসিনা বলেন, নিজের বিত্ত-বৈভবের জন্য, প্রাচুর্যের জন্য রাজনীতি নয়। মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তার দুঃখ-কষ্টের সাথী হওয়া, গোটা জাতির স্বপ্ন পূরণের মাধ্যমে দারিদ্র্য, অসহায়ত্ব ও বৈষম্য দূর করার নাম রাজনীতি।”

পিরোজপুরের ভারপ্রাপ্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলামের সভাপতিত্বে আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে সংযুক্ত ছিলেন পিরোজপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ সাঈদুর রহমান ও পিরোজপুর জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম এ হাকিম হাওলাদার। পিরোজপুর জেলা যুবলীগের সভাপতি আক্তারুজ্জামান ফুলু, জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার গৌতম নারায়ণ চৌধুরীসহ পিরোজপুরের বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের কর্মকতা এবং স্থানীয় আওয়ামী লীগ ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃবৃন্দ আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে সফল ক্ষুদ্র খামারী শাকিল
পোলট্রি

মো. শাকিল আহমেদ এইচএসসি পরীক্ষার্থী একজন তরুণ উদ্যোক্তা। তিনি কুমিল্লা জেলার তিতাশ থানার গাবতলি গ্রামের মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে। এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে তাক লাগিয়ে দিচ্ছেন নিয়মিত। শুরুতে এন্টিবায়োটিক দিয়ে খামার করে লস দেয়ার পর এন্টিবায়োটিকমুক্ত খামার করে সফল হয়েছেন এই ক্ষুদ্র খামারী শাকিল। এগ্রিভিউ২৪.কম এর সাথে একান্ত সাক্ষাতকারে উঠে আসে শাকিলের খামারের গল্প।

এত অল্প বয়সে ব্রয়লার খামারের দিকে ঝুঁকার কারণ জানতে চাইলে শাকিল বলেন, চারদিকে বর্তমানে চাকরির অবস্থা দেখে নিজ থেকে কিছু করার আশায় খামারের দিকে মনোযোগ। এর মাধ্যমে একদিকে নিজে স্বাবলম্বী হতে ‍পারবো আর অন্যদিকে মাংসের চাহিদাও পূরণ হবে এবং কয়েকজন লোকের কর্মসংস্থানেও ব্যবস্থা হবে। সেই চিন্তা থেকে কয়েকজন বন্ধু মিলে খামার করার চিন্তা করলে বাকিরা আর সাথে থাকেনি। অবশেষে আমি একাই এই খামার শুরু করি। ইনশাআল্লাহ এখন পর্যন্ত ভালোই চলছে।

শাকিল বলেন, আমি ২০১৯ সালের শেষের দিকে খামার শুরু করি। প্রায় ৯০ হাজার টাকা দিয়ে ঘর বানাই। প্রথমে ২৬ হাজার টাকায় এক হাজার ৫০ মুরগির সেড করি। সেখান থেকে আমার প্রায় ৮ হাজার টাকার মত লাভ আসে। আবার ২০২০ সালের শুরুর সেডে ২৯ হাজার টাকা আবার ১ হাজার মুরগি তুললে সেখানে আমার ১৫ হাজার টাকা লাভ হলেও তারপরের সেডে ৬০ হাজার টাকার মুরগি তুললে সেখানে আমার প্রায় ৪৬ হাজার টাকা লস হয়। যার কারণে আমি মাঝখানে খামার বন্ধ রাখি।

বর্তমানে খামারের অবস্থা জানতে চাইলে শাকিল এগ্রিভিউকে বলেন, দীর্ঘ দিন খামার বন্ধ রেখে ‍আবার ২০২১ সালে এসে ডাক্তারের পরামর্শে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করা ছাড়া আবার সেড শুরু করি। বর্তমানে খামারে ১ হাজার মুরগি আছে। আগের সেডগুলোতে আমার প্রতিদিন গড়ে ১৫টা করে মুরগি মারা যেতো। দিনে ৩০-৩৫টাও মারা গিয়েছে। এখন আমার খামারে মুরগির মৃতের সংখ্যা একেবারেই কম এবং মুরগির ওজনও অনেক। বর্তমান সেডের ২৬ দিন বয়সী মুরগির ওজন প্রায় ২ কেজির মত বলে জানান শাকিল।

এন্টিবায়োটিক না খাওয়ালে কি খাওয়াচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমার মুরগিতে সামান্য আমাশয় দেখা দিলে আমি ডাক্তারের পরামর্শে মেডিসিন খাওয়ায়। এছাড়া বর্তমানে গরমের কারণে কিছু মুরগি মারা গেলেও অসুস্থ মুরগি দেখা যাচ্ছে না। তাছাড়া আমার খামার আলো বাতাস দিয়ে ভরপুর। একেবারে নিরিবিলি পরিবেশ আমার খামারে। খামার সব সময় আমি পরিষ্কার রাখি। খামারে বাইরের লোকজন ঢুকতে দেই না, বায়োসিকিউরিটি যথাযথভাবে পালন করি। এ জন্য খামারে রোগ বালাই কম হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৪, ২০২১ ৮:২৯ অপরাহ্ন
পঁচাত্তরের শত্রুরা এদেশে এখনো সক্রিয়: মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট জাতির পিতা ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের নির্মমভাবে হত্যার সাথে জড়িত শত্রুরা এখনো সক্রিয় বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

বুধবার (০৪ আগস্ট) জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জ্যোষ্ঠ পুত্র শহিদ শেখ কামালের ৭২তম জন্মবার্ষিকী উপলক্ষ্যে বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোট আয়োজিত এক ভার্চুয়াল আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ বিষয়ে তিনি আরো বলেন, “১৫ আগস্টের হত্যাকান্ডের প্লট যারা রচনা করেছিল, তারা নিঃশেষ হয়ে যায়নি। তারা এদেশ থেকে এখনো বিনাশ হয়ে যায়নি। কখনো ক্ষমতাসীনদের আশ্রয়ে কখেনো তারা স্বাধীন ফোরাম করে এদেশে থাকে। পঁচাত্তরের শত্রু যারা, তারা একাত্তরের শত্রু, তারা ২১ আগস্টের গ্রেনেড হামলাকারী এবং তারাই ১৯ বার শেখ হাসিনাকে হত্যার চেষ্টা করেছে। তারাই শেখ কামালকে হত্যা করেছে। আমরা সে মানুষগুলোকে এখনো আইনের আওতায় আনতে পারি নি।”

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা ছিলেন বিধায় এতো প্রতিকূলতার ভেতরও বঙ্গবন্ধু হত্যার বিচার হয়েছে। শেখ হাসিনা না থাকলে এ জাতীয় হত্যাকান্ডের বা ঘটনার বিচার কোনদিন হবে না। জিয়াউর রহমান বঙ্গবন্ধুর খুনিদের ‘গো অ্যাহেড’ বলে প্রমাণ করেছেন তিনি বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডের শুধু ষড়যন্ত্রকারীই নন, হুকুমদাতা। এজন্য বঙ্গবন্ধু হত্যাকান্ডে জিয়াউর রহমানের সম্পৃক্ততা নিয়ে নতুন করে একটি সম্পূরক তদন্ত করে সে রিপোর্ট রেকর্ডে রাখা উচিত। এ বিষয়ে উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন বিচার বিভাগীয় তদন্ত হওয়া দরকার, যে তদন্ত কমিশন বঙ্গবন্ধু হত্যা ও ষড়যন্ত্রে কারা কারা জড়িত ছিল তাদের নাম প্রকাশ করবে”।

তিনি আরো বলেন, “শহিদ শেখ কামাল বাংলাদেশ ও বাঙালি জাতির জন্য সম্পদ ছিলেন। তাঁকে নিষ্ঠুরভাবে হত্যা করা না হলে এ দেশের রাজনীতি, সংস্কৃতি ও ক্রীড়ায় তিনি বিশাল অবদান রাখতে পারতেন। শেখ কামালকে হত্যার মধ্য দিয়ে গোটা জাতিকে ক্ষতিগ্রস্ত করা হয়েছে।”

তিনি আরো যোগ করেন, “১৯৭৫ সালের খুনিদের টার্গেট ছিল বঙ্গবন্ধু, তাঁর পরিবার ও স্বজনরা। কারণ তারাই হচ্ছেন মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশের প্রতিচ্ছবি। খুনিরা ভেবেছিল তাদের মেরে ফেলতে পারলে বাংলাদেশ থেকে মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ ও চেতনাকে মেরে ফেলা যাবে। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্টের মতো হত্যাকান্ডেরে নজির পৃথিবীর কোথাও নেই”।

বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের কার্যকরী সভাপতি রফিকুল আলমের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক সুজন হালদারের সঞ্চালনায় ভার্চুয়াল আলোচনায় প্রধান বক্তা হিসেবে অংশগ্রহণ করেন তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী ডা. মোঃ মুরাদ হাসান এমপি। এছাড়া আরো অংশগ্রহণ করেন বাংলাদেশ ছাত্রলীগের সাবেক সহসভাপতি বলরাম পোদ্দার, বঙ্গবন্ধু সাংস্কৃতিক জোটের সাধারণ সম্পাদক অরুন সরকার রানা, সহসভাপতি অরুণা বিশ্বাস, যুগ্ম সম্পাদক তারিন জাহান, শিল্পী দিনাত জাহান মুন্নী প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২, ২০২১ ১০:১০ পূর্বাহ্ন
গবাদিপশুকে সুষম খাবার যেকারণে  খাওয়াবেন
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু পালন করে অধিক লাভ করতে সুষম খাদ্যের কোন বিকল্প নাই। সুষম খাদ্য গবাদিপশুতে আরো লাভ নিয়ে আসে।কারণ সুষম খাদ্য ছাড়া গবাদিপশু বেশি বৃদ্ধি পায় না। গবাদিপশুর সুষম খাদ্য বলতে বুঝায় যে খাদ্যে আমিষ, শর্করা, স্নেহ বা চর্বি, খনিজ লবণ, ভিটামিন বা খাদ্যপ্রাণ ও পানি সঠিক অনুপাতে থাকে।  আমিষ বা প্রোটিন জাতীয় খাদ্য অন্ত্রে পরিপাক হয়ে অ্যামিনো অ্যাসিডে পরিণত হয়। পরে তা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে এবং দেহের ক্ষয়পূরণ ও বৃদ্ধি সাধন করে।

আমিষের সহায়তায় দেহের ভেতরে জৈব অনুঘটক এনজাইম তৈরি হয়। যেমন, পেপসিন, ট্রিপসিন ইত্যাদি। এসব এনজাইম খাদ্যের প্রোটিন, লিপিড ও শর্করাকে ভেঙে সহজপাচ্য পুষ্টিতে রূপান্তরিত করে যা কোষ সহজেই শোষণ ও সদ্ব্যবহার করতে পারে। পশুর দেহের রক্ত, পেশী ও সংযোজক কলার প্রধান অংশই প্রোটিনে গঠিত। খাদ্যে প্রয়োজনের অতিরিক্ত প্রোটিন পশু দেহের শক্তি ও চর্বির উৎস হিসেবে কাজে লাগে।

শর্করা পশু দেহে কর্মশক্তি যোগায়। শর্করা খাদ্যান্ত্রে ভেঙে গ্লুকোজে পরিণত হয় যা অন্ত্রে শোষিত হয়ে রক্তে মিশে কার্যসম্পাদন করে। অতিরিক্ত শর্করা দেহে গ্লাইকোজেনরূপে জমা থাকে এবং খাদ্যে শর্করার অভাব হলে প্রয়োজনে সেই গ্লাইকোজেন কর্মশক্তি যোগায়।

স্নেহ প্রাণী দেহের টিস্যুর একটি গুরুত্বপূর্ণ উপাদান। গবাদিপশুর প্রধানত তাপ ও শক্তির উৎস হিসেবে সঞ্চিত থাকে। সাধারণত গবাদিপশুর দানাদার খাদ্যে শতকরা ৪ ভাগ চর্বি জাতীয় পদার্থ থাকা প্রয়োজন।

খনিজ পদার্থ বাড়ন্ত পশুর নতুন অস্থি ও টিস্যু সৃষ্টিতে খুবই গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এই উপাদান কঙ্কালের আকৃতি ও দৃঢ়তা বজায় রাখে। পশুর লোম, ক্ষুর ও শিং গঠনে খনিজ পদার্থ প্রয়োজন। খনিজ পদার্থ যেমন- লৌহ রক্তে অক্সিজেন ও কার্বনডাইঅক্সাইড বহন করতে সহায়তা করে। আবার পটাসিয়াম পশুর দেহের তরল পদার্থের অ্যাসিড বেসের সমতা রক্ষা করে।

যেসব জৈব যৌগ খাদ্য উপাদান হিসেবে অল্প পরিমাণ দেহের স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য জরুরি তাদের ভিটামিন বলা হয়। প্রাণী দেহের জন্য পর্যাপ্ত আমিষ, শর্করা, স্নেহ ও খনিজ পদার্থ খাদ্যের সাথে সরবরাহ করেও ভিটামিন ছাড়া জীবন চালনা সম্ভব হয় না।

স্বাভাবিক টিস্যুর বৃদ্ধি, দৈহিক বৃদ্ধি ও স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য ভিটামিন অত্যাবশ্যক। পশুখাদ্যে যদি ভিটামিন না থাকে অথবা সুষ্ঠভাবে ভিটামিন শোষিত না হয় কিংবা দেহে ভিটামিন সদ্ব্যবহার না হয় তবে সুনির্দিষ্ট রোগ হয়। যেমন, ভিটামিন ‘এ’ -এর অভাবে রাতকানা, জনন কর্মক্ষমতা হারানো, ভিটামিন ‘কে’ -এর অভাবে রক্ত জমাট বাঁধতে সমস্যা হয় এবং ভিটামিন ‘ই’ -এর অভাবে জনন অকৃতকার্যতা পরিলক্ষিত হয়।

পশুদেহের শতকরা ৭০ থেকে ৯০ ভাগ পানি। সাধারণত দানাদার খাদ্যে শতকরা ১০ ভাগ ও খড় জাতীয় খাদ্যে শতকরা ১৫ ভাগ পানি থাকে। আবার সবুজ ঘাসে পানির পরিমাণ শতকরা ৯০ ভাগ। পশুখাদ্যে প্রচুর পরিমাণ পানি থাকা সত্ত্বেও পশুকে পৃথকভাবে পানি সরবরাহ করতে হয়। কারণ পানি দেহের কোষের কাঠিন্য ও স্থিতিস্থাপকতা বজায় রাখে। এতে প্রাণিদেহের কাঠামো ঠিক থাকে।

পানি ছাড়া দেহে যেকোনো ধরনের রাসায়নিক বিক্রিয়া ঘটা সম্ভব নয়। পানি দেহের এক অঙ্গ থেকে অন্য অঙ্গে বিভিন্ন পুষ্টিকারক পদার্থ সরবরাহ করে। তাছাড়া পানি দেহের অতিরিক্ত তাপ শোষণ করে। আবার পানি একটি গুরুত্বপূর্ণ বাফার হিসেবেও কাজ করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ছাগল ও দুম্বা কেনাবেচা হচ্ছে ইব্রাহিমের খামারে
প্রাণিসম্পদ

দুম্বা পালনে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিম এলাকায় ইব্রাহিম হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার। বর্তমানে তার খামারে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ছাগল ও দুম্বা কেনাবেচা হচ্ছে বলে জানান খামারি।

জানা যায়, ২০১৬ সালে সাড়ে চার লাখ টাকায় ৩ টি দুম্বা দিয়ে শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় সেই খামারে এখন রয়েছে ২৭ টি দুম্বা। দুম্বার পাশাপাশি তিনি পালন করছেন ছাগলও। খামার শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৪০টি ছাগল ও ৯০ টি দুম্বা বিক্রি করেছেন বলে জানান খামারি।

সোহেল বলেন, চ্যালেঞ্জ নিয়েই মূলত নিজের ৩ কাঠা জমির উপর দুম্বার খামার গড়ে তুলি। ৩ টি দিয়ে শুরু করলেও এখন অবধি ৯০ টি দুম্বা বিক্রি করেছি। এছাড়াও বর্তমানে খামারে ২৭ টি দুম্বা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দুম্বা বছরে দু’টি করে বাচ্চা দেয়। তিন মাসে একটি বাচ্চার ওজন হয় ৩৫ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা। একটি দুম্বার গোশত হয়ে থাকে দেড়শ’ থেকে দু’শ কেজি। এছাড়াও এটি পালনে খরচ খুবই কম। দুম্বা প্রতি দৈনিক ৪০ থেকে ৪৫ টাকার খাবারই যথেষ্ট। সময়মতো ভ্যাকসিন দিলে ঠিকমতো বেড়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আল মামুন হোসেন মন্ডল বলেন, দুম্বা মরু অঞ্চলের প্রাণী। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বেশ মানিয়ে নিতে পারছে। বেকার শিক্ষিত তরুণ- যুবকরা দুম্বা পালনে আগ্রহী হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ১২:১৬ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু দিয়ে লাভবান হওয়ার আশায় অনেকে খামার গড়ে তুলেছেন। গবাদিপশু তথা গরু পালনে লাভবান হওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দুধ উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদনে যা জানা জরুরী তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই।

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে:
যথাসম্ভব কম লোক দিয়ে খামারের সকল গরুর দুধ দোহন করতে হবে। খামারের প্রবেশদ্বারে জীবানু নাশক সহ ফুটবাথ রাখতে হবে।
দুধ দোহনের পরে গাভীকে খাবার দিতে হবে, ফলে ওলান ফুলা রোগ বা ম্যাসটাইটিস হবার সম্ভবনা থাকবে না।

ম্যাসটাইটিস প্রতিরোধে নিয়মিত সিএমটি পরীক্ষা করা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজনন গুরুত্ব দেয়ার সাথে সাথে খামার ব্যবস্থাপনায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

বছরে ২-৩ বার সঠিক পরিমানে কৃমি নাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সঠিক মাত্রায় টিকা প্রদান করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
মৌসুমী ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে খামারিদের বেহাল দশা
প্রাণিসম্পদ

করোনা আর মৌসুমী ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে এবার হাটে বিক্রি হয়নি খামারিদের গরু।রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট থেকে তাই ফেরত এসেছে মেহেরপুর জেলার হাজার হাজার গরু। এতে করে চরম বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। এমন পরিস্থিতে আগামীতে গবাদিপশু পালন নিয়েও দেশে দেখা শঙ্কা।

জানা যায়, মেহেরপুর জেলার চাহিদা মিটিয়ে ৩০ হাজারেও বেশি কোরবানি উপযুক্ত গরু এবার তোলা হয় রাজধানী ঢাকার কোরবানির পশুর হাটে। গেল বছর কোরবানির পশু বেশি দরে বিক্রি হওয়ায় এবার আশায় বুক বেঁধেছিলেন অনেকে। এবার সে আশার গুড়ে বালি ঢেলে অবিক্রিত রয়ে যায় কয়েক হাজার গরু।

স্থানীয় গরু ব্যাপারীরা জানিয়েছেন, মৌসুমী গরুর ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে জেলার গরুর বাজার ছিল চড়া। বেশি লাভের আশায় চড়া দরে গরু কেনা শুরু করেন মৌসুমী ব্যাপারীরা। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে মৌসুমী ব্যাপারীদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামেন দীর্ঘদিন ধরে গরুর ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যাপারীরা।

ভুক্তভোগী ব্যাপারী পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের হাজিজুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন পেশার মানুষ যাদের হাতে টাকা আছে তারা এবার গরু কেনা শুরু করেন। গরুর ওজন, দর ও বাজারে কত টাকায় বিক্রি হবে এসব বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা ছিল না। লাখ টাকার গরু তারা দাম দিয়েছে দেড় লাখ টাকা। ফলে খামারীদের কাছ থেকে আমরা প্রকৃত দামে গরু কিনতে পারিনি। তাই বাজারে তুলেও বিক্রি হয়নি।

গরু ব্যাপারী পূর্বমালসাদহ গ্রামের এখলাছ উদ্দীন জানান, রাজধানীর কোরবানির পশুর বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় আমরা চরম বিপাকে থাকতে হয়েছে। দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে অনেক গরু ফেরত নিয়ে এসেছি। ছোট আকারের কিছু গরু বিক্রি হয়েছে কিন্তু তাতেও লোকসান হয়েছে।

খামারিরা জানান, কোরবানির আগে গরু বিক্রি করে পরবর্তী বছরে মোটাতাজা করার জন্য ছোট গরু কেনা হয়। এবার খামারি ও গরু পালনকারীদের বেশিরভাগের হাতে টাকা না থাকায় গরু কিনতে পারছেন না তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২১ ৭:৪০ অপরাহ্ন
এসিআই লিঃ এর পরিচালক নাজমা দৌলার মৃত্যুতে বিপিআইসিসি গভীরভাবে শোকাহত
প্রাণিসম্পদ

এসিআই লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব এম. আনিস উদ্ দৌলা’র স্ত্রী, এসিআই ও এর বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব ডিরেক্টর মিসেস নাজমা দৌলা গত ২৮ জুলাই, বুধবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি তাঁর স্বামী জনাব এম. আনিস উদ্ দৌলা, মেয়ে জনাবা সুস্মিতা আনিস, ছেলে ড. আরিফ দৌলা, নাতি-নাতনিসহ বহু গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জানাজার পর মরহুমাকে গাজীপুরের কান্ট্রি হাউজের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মিসেস নাজমা দৌলা’র মৃত্যুতে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) ও তার সকল সদস্য গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে। আমরা মরহুমা’র আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমার পরিবারের সদস্যবৃন্দকে এ শোক সংবরণ করার তৌফিক দান করুন এবং মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমিন!

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop