১১:৫০ পূর্বাহ্ন

বুধবার, ২৯ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ছাগল ও দুম্বা কেনাবেচা হচ্ছে ইব্রাহিমের খামারে
প্রাণিসম্পদ

দুম্বা পালনে ব্যাপক সফলতা পেয়েছেন পাবনা জেলার ঈশ্বরদী উপজেলার পশ্চিম এলাকায় ইব্রাহিম হাওলাদারের ছেলে সোহেল হাওলাদার। বর্তমানে তার খামারে প্রতি মাসে প্রায় ৫০ লাখ টাকার ছাগল ও দুম্বা কেনাবেচা হচ্ছে বলে জানান খামারি।

জানা যায়, ২০১৬ সালে সাড়ে চার লাখ টাকায় ৩ টি দুম্বা দিয়ে শুরু করলেও সময়ের পরিক্রমায় সেই খামারে এখন রয়েছে ২৭ টি দুম্বা। দুম্বার পাশাপাশি তিনি পালন করছেন ছাগলও। খামার শুরুর পর থেকে এখন পর্যন্ত ২৪০টি ছাগল ও ৯০ টি দুম্বা বিক্রি করেছেন বলে জানান খামারি।

সোহেল বলেন, চ্যালেঞ্জ নিয়েই মূলত নিজের ৩ কাঠা জমির উপর দুম্বার খামার গড়ে তুলি। ৩ টি দিয়ে শুরু করলেও এখন অবধি ৯০ টি দুম্বা বিক্রি করেছি। এছাড়াও বর্তমানে খামারে ২৭ টি দুম্বা রয়েছে।

তিনি আরও বলেন, দুম্বা বছরে দু’টি করে বাচ্চা দেয়। তিন মাসে একটি বাচ্চার ওজন হয় ৩৫ থেকে ৪০ কেজি পর্যন্ত। যার বর্তমান বাজার মূল্য প্রায় ১ লাখ টাকা। একটি দুম্বার গোশত হয়ে থাকে দেড়শ’ থেকে দু’শ কেজি। এছাড়াও এটি পালনে খরচ খুবই কম। দুম্বা প্রতি দৈনিক ৪০ থেকে ৪৫ টাকার খাবারই যথেষ্ট। সময়মতো ভ্যাকসিন দিলে ঠিকমতো বেড়ে ওঠে।

এ প্রসঙ্গে জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা আল মামুন হোসেন মন্ডল বলেন, দুম্বা মরু অঞ্চলের প্রাণী। বাংলাদেশের আবহাওয়ায় বেশ মানিয়ে নিতে পারছে। বেকার শিক্ষিত তরুণ- যুবকরা দুম্বা পালনে আগ্রহী হবেন বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ১২:১৬ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু দিয়ে লাভবান হওয়ার আশায় অনেকে খামার গড়ে তুলেছেন। গবাদিপশু তথা গরু পালনে লাভবান হওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দুধ উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদনে যা জানা জরুরী তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই।

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে:
যথাসম্ভব কম লোক দিয়ে খামারের সকল গরুর দুধ দোহন করতে হবে। খামারের প্রবেশদ্বারে জীবানু নাশক সহ ফুটবাথ রাখতে হবে।
দুধ দোহনের পরে গাভীকে খাবার দিতে হবে, ফলে ওলান ফুলা রোগ বা ম্যাসটাইটিস হবার সম্ভবনা থাকবে না।

ম্যাসটাইটিস প্রতিরোধে নিয়মিত সিএমটি পরীক্ষা করা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজনন গুরুত্ব দেয়ার সাথে সাথে খামার ব্যবস্থাপনায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

বছরে ২-৩ বার সঠিক পরিমানে কৃমি নাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সঠিক মাত্রায় টিকা প্রদান করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২১ ১১:১৩ পূর্বাহ্ন
মৌসুমী ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে খামারিদের বেহাল দশা
প্রাণিসম্পদ

করোনা আর মৌসুমী ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে এবার হাটে বিক্রি হয়নি খামারিদের গরু।রাজধানীর কোরবানির পশুর হাট থেকে তাই ফেরত এসেছে মেহেরপুর জেলার হাজার হাজার গরু। এতে করে চরম বিপাকে পড়েছেন খামারিরা। এমন পরিস্থিতে আগামীতে গবাদিপশু পালন নিয়েও দেশে দেখা শঙ্কা।

জানা যায়, মেহেরপুর জেলার চাহিদা মিটিয়ে ৩০ হাজারেও বেশি কোরবানি উপযুক্ত গরু এবার তোলা হয় রাজধানী ঢাকার কোরবানির পশুর হাটে। গেল বছর কোরবানির পশু বেশি দরে বিক্রি হওয়ায় এবার আশায় বুক বেঁধেছিলেন অনেকে। এবার সে আশার গুড়ে বালি ঢেলে অবিক্রিত রয়ে যায় কয়েক হাজার গরু।

স্থানীয় গরু ব্যাপারীরা জানিয়েছেন, মৌসুমী গরুর ব্যাপারীদের দৌরাত্ম্যে জেলার গরুর বাজার ছিল চড়া। বেশি লাভের আশায় চড়া দরে গরু কেনা শুরু করেন মৌসুমী ব্যাপারীরা। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতে মৌসুমী ব্যাপারীদের সাথে প্রতিযোগিতায় নামেন দীর্ঘদিন ধরে গরুর ব্যবসার সাথে জড়িত ব্যাপারীরা।

ভুক্তভোগী ব্যাপারী পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের হাজিজুল ইসলাম জানান, বিভিন্ন পেশার মানুষ যাদের হাতে টাকা আছে তারা এবার গরু কেনা শুরু করেন। গরুর ওজন, দর ও বাজারে কত টাকায় বিক্রি হবে এসব বিষয়ে তাদের কোনো ধারণা ছিল না। লাখ টাকার গরু তারা দাম দিয়েছে দেড় লাখ টাকা। ফলে খামারীদের কাছ থেকে আমরা প্রকৃত দামে গরু কিনতে পারিনি। তাই বাজারে তুলেও বিক্রি হয়নি।

গরু ব্যাপারী পূর্বমালসাদহ গ্রামের এখলাছ উদ্দীন জানান, রাজধানীর কোরবানির পশুর বাজারে ক্রেতার উপস্থিতি কম থাকায় আমরা চরম বিপাকে থাকতে হয়েছে। দ্বিগুণ ভাড়া দিয়ে অনেক গরু ফেরত নিয়ে এসেছি। ছোট আকারের কিছু গরু বিক্রি হয়েছে কিন্তু তাতেও লোকসান হয়েছে।

খামারিরা জানান, কোরবানির আগে গরু বিক্রি করে পরবর্তী বছরে মোটাতাজা করার জন্য ছোট গরু কেনা হয়। এবার খামারি ও গরু পালনকারীদের বেশিরভাগের হাতে টাকা না থাকায় গরু কিনতে পারছেন না তারা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২১ ৭:৪০ অপরাহ্ন
এসিআই লিঃ এর পরিচালক নাজমা দৌলার মৃত্যুতে বিপিআইসিসি গভীরভাবে শোকাহত
প্রাণিসম্পদ

এসিআই লিমিটেডের চেয়ারম্যান জনাব এম. আনিস উদ্ দৌলা’র স্ত্রী, এসিআই ও এর বিভিন্ন অঙ্গ প্রতিষ্ঠানের বোর্ড অব ডিরেক্টর মিসেস নাজমা দৌলা গত ২৮ জুলাই, বুধবার রাতে রাজধানীর একটি হাসপাতালে শেষ নিঃস্বাস ত্যাগ করেছেন (ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন)। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৭৫ বছর। তিনি তাঁর স্বামী জনাব এম. আনিস উদ্ দৌলা, মেয়ে জনাবা সুস্মিতা আনিস, ছেলে ড. আরিফ দৌলা, নাতি-নাতনিসহ বহু গুণগ্রাহী ও আত্মীয়-স্বজন রেখে গেছেন।

গত বৃহস্পতিবার দুপুরে জানাজার পর মরহুমাকে গাজীপুরের কান্ট্রি হাউজের পারিবারিক কবরস্থানে দাফন করা হয়।

মিসেস নাজমা দৌলা’র মৃত্যুতে বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) ও তার সকল সদস্য গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করছে। আমরা মরহুমা’র আত্মার মাগফিরাত কামনা করছি এবং শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানাচ্ছি। মহান আল্লাহ তায়ালা মরহুমার পরিবারের সদস্যবৃন্দকে এ শোক সংবরণ করার তৌফিক দান করুন এবং মরহুমাকে জান্নাতুল ফেরদৌস নসীব করুন। আমিন!

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২১ ৫:৪৩ অপরাহ্ন
সংসদ সদস্য অধ্যাপক আলী আশরাফের মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লা-৭ আসনের সংসদ সদস্য ও সাবেক ডেপুটি স্পিকার অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

আজ এক শোকবার্তায় মন্ত্রী জানান, “অধ্যাপক মোঃ আলী আশরাফের মতো প্রবীণ ও অভিজ্ঞ রাজনীতিকের মৃত্যু এদেশের রাজনৈতিক অঙ্গনের জন্য অপূরণীয় ক্ষতি। তাঁর রাজনৈতিক আদর্শ ও প্রজ্ঞা এদেশের রাজনীতিকে সমৃদ্ধ করেছে। তিনি দীর্ঘকাল স্মরণীয় হয়ে থাকবেন”।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জ্ঞাপন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২১ ৩:১৯ অপরাহ্ন
গবাদিপশুর দানাদার খাদ্য ব্যবহারে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

আমরা গবাদিপশুর পুষ্টি চাহিদা মেটানোর জন্য দানাদার খাবারের সাথে বিভিন্ন প্রকার ভিটামিন ও মিনারেল ফুড সাপ্লিমেন্ট হিসেবে দিয়ে থাকি। এই গবাদিপশুর খাদ্য হিসেবে দানাদার খাদ্যের প্রচলন আমাদের দেশে ব্যাপক। তবে শুধুই দানাদার খাদ্য গবাদিপশুর প্রকৃত খাবার নয়।

দানাদার খাদ্য ব্যবহারের কৌশল:

শুরুতেই যে বীজগুলো(যেমন- গম, ভুট্টা ইত্যাদি) অঙ্কুরিত করবেন সেগুলো ভালভাবে পানিতে ধুয়ে নিন। এরপর একটি পাত্রে পরিস্কার পানিতে বীজ গুলোকে গমের ক্ষেত্রে ৮-১২ঘণ্টা এবং ভুট্টার ক্ষেত্রে ২০-২৪ ঘন্টা ভিজিয়ে রাখতে হবে।

এভাবে ভিজিয়ে রাখার পর বীজগুলোকে পুনরায় পানিতে কয়েকবার করে ধুয়ে নিন এবং শষ্যদানা থেকে পানি ছেঁকে নিন।
এবারে একটি পরিষ্কার কাপড় ভিজিয়ে নিন এবং এটি দিয়ে বীজসমৃদ্ধ পাত্রটি ঢেকে ফেলুন অথবা ভেজা কাপড় দিয়ে শষ্যদান পুটলি বেধে ছায়াযুক্ত এমন একটি স্থানে রেখে দিন যেখানে তাপমাত্রা খুব বেশি নয়।

এভাবে ২৪ ঘন্টার মধ্যেই আপনার শষ্যদানা অঙ্কুরিত হবে।এবার অঙ্কুরিত শস্যদানা ধুয়ে নিয়ে গবাদীপশুকে পরিবেশন করুন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২১ ১০:৪৩ পূর্বাহ্ন
বাছুর ছাড়াই প্রতিদিন ৪ লিটার দুধ দিচ্ছে বকনা গরু
প্রাণিসম্পদ

নেত্রকোনার পূর্বধলা উপজেলার খলিশাউড়া ইউনিয়নের লক্ষ্মীপুর গ্রামের কৃষক হায়দার আলীর দুই বছর বয়সী বকনা গরু বাছুর জন্ম না দিয়েই প্রতিদিন সকালে দুই লিটার বিকালে দুই লিটার করে দুধ দিচ্ছে ।

জানা যায়, কৃষক হায়দার আলী কয়েক বছর আগে সংসারের অভাব দূর করার জন্য একটি গাভি কেনেন। কিছুদিন পর গাভিটি একটি বাছুর জন্ম দেয়। বাছুর বড় না হতেই নিজের কাছে রেখে গাভিটি বিক্রি করে দেন হায়দার। দুই বছর না যেতেই বাছুরের শরীরে অস্বাভাবিক পরিবর্তন দেখতে পান হায়দার আলী। ওলান বড় দেখে দুই মাস আগে দুধ নেওয়ার চেষ্টা করেন তার স্ত্রী। প্রথমে এক লিটার পরে দুই লিটার- এখন দিনে চার লিটার করে দুধ পাচ্ছেন।

আর্থিক অবস্থা খারাপ হওয়ায় গরুকে ভালো খাবার দিতে পারছেন না বলে জানান হায়দার আলীর স্ত্রী। পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানো গেলে ১০-১২ লিটার দুধ পাওয়া যেতো বলে জানান তিনি।

হায়দার আলী জানান, এই গরুর দুধের অনেক চাহিদা। নেত্রকোনা ছাড়াও আশপাশের জেলার লোকজন এসে দুধ নিয়ে যাচ্ছেন। এই গরুর দুধ খেয়ে মানুষ উপকার পাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের ময়মনসিংহ বিভাগীয় পরিচালক ডা. সুশান্ত কুমার পাল বাংলা জানান, বডিতে হরমোনাল ইমব্যালেন্স হওয়ার মতো ঘটনা ঘটলে বাছুর জন্ম না দিয়েই গরু দুধ দিতে পারে, এটা সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মত। গরুটিকে পুষ্টিকর খাবার দেওয়া হলে ছয় মাসের মতো এভাবেই দুধ দেবে। তবে পর্যাপ্ত খাবার না পেলে দুধ কমে যাবে। এটি কোনও আশ্চর্যজনক ঘটনা নয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ৯:০৯ অপরাহ্ন
১২ লক্ষ টাকার জন্য খামারের মালিক-কর্মচারীকে হত্যার অভিযোগে মামলা
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লার লালমাইয়ে গরু বিক্রির প্রায় ১২ লক্ষ টাকার জন্য খামারের মালিক-কর্মচারীকে হত্যার অভিযোগে মামলা হয়েছে। মালিক নিহত শরীফের পিতা হাছান আহমেদ বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।

মামলায় উল্লেখ করা হয়, ঈদ উল আযহার ৪দিন আগে ৬টি গরু ১১ লক্ষ ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি করে শরীফ। সেই টাকার জন্য অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিরা দু’জনকে হত্যা করে।

নিহতদের পরিবারের সদস্য, স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও গ্রামবাসীর সূত্র জানায়, ইছাপুরা গ্রামের হাছান আহম্মদের একমাত্র ছেলে হায়াতের নবী শরীফ (২৮)। ছোটকাল থেকেই নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করতে বিভিন্ন উদ্যোগ নিতেন। পারিবারিকভাবে গরু পালন করতেন। প্রথম দিকে বেলঘর বাজারস্থ একটি মুদি দোকানে চাকরি করতেন। গত বছর থেকে বাড়িতে ছোট পরিসরে বাণিজ্যিকভাবে গরু পালন শুরু করেন। গ্রামে একটি মুদি দোকান প্রতিষ্ঠা করেন। ব্যবসায়ের সহায়তার জন্য কর্মচারী হিসেবে চাকরি দেন একই গ্রামের আবুল হাশেম এর ছেলে ফয়েজ আহমেদ পরানকে (১৮)। মালিক কর্মচারীর ব্যবধান কমিয়ে শরীফ যে কোন কাজে ফয়েজকে আপন ভাইয়ের মতো আদর করতেন।

ব্যক্তিগত, পারিবারিক ও ব্যবসায়িক সকল কাজে বিশ্বাস করতেন। নিজে যা খেতেন, ফয়েজকেও খাওয়াতেন। নিজে যেমন পোশাক পরতেন ফয়েজকেও তেমন পরাতেন। বেশির ভাগ ক্ষেত্রে দু’জনের পোশাক একই ডিজাইন ও একই রঙের হতো। প্রতিদিন ব্যবসায়ীক কাজ শেষে শরীফের নিজের কক্ষে একই খাটে দু’জন রাত্রিযাপন করতেন।

নিহত শরীফের পিতা হাছান আহমেদ জানান, পরিকল্পিতভাবেই দু’জনকে হত্যা করা হয়েছে। অজ্ঞাতনামাদের বিরুদ্ধে মঙ্গলবার রাতে লালমাই থানায় মামলা করেছি।

লালমাই থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ আইয়ুব জানান, প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে ফয়েজ আহমেদকে শ্বাসরোধে হত্যা করা হয়েছে। তার গলায় জখম ও খামচির দাগ রয়েছে। শরিফের লাশ ছিল ঝুলন্ত। ঘরের দরজা ভেতর থেকে বন্ধ ছিল। ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন এলে ও মরদেহের বিভিন্ন আলামত পর্যালোচনা করে মৃত্যুর মূল কারণ উদ্ঘাটন করা হবে।

এদিকে বুধবার বিকালে কুমিল্লার পুলিশ সুপার ফারুক আহমেদ ঘটনাস্থল পরিদর্শক শেষে সাংবাদিকদের বলেন, হত্যা মামলাটি বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে।

উল্লেখ্য- মঙ্গলবার শরীফের মরদেহ ঘরের দক্ষিণ পাশের কক্ষের সিলিংয়ের সাথে ঝুলন্ত ছিলো। ফয়েজের মরদেহ খাটে পড়ে ছিলো। ফয়েজের গলায় হালকা দাগ রয়েছে। নাক মুখ থেকে রক্তক্ষরণ হয়। সূত্র:বিডিপ্রতিদিন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ৫:৩৫ অপরাহ্ন
আট‘শ হাঁসের মৃত্যুতে ভেঙে গেছে তরুণ উদ্যোক্তার স্বপ্ন
প্রাণিসম্পদ

বেকারত্ব ঘুচিয়ে স্বাবলম্বী হওয়ার স্বপ্ন দেখে উপজেলার পলবান্ধা ইউনিয়নের উত্তর সিরাজাবাদ এলাকার আবুল হাসেম খানের ছেলে আব্দুল আওয়াল খান জিন্নাত (২৮)গত চার মাস আগে নেত্রকোনার সরকারি হাঁসের ফার্ম থেকে ১হাজার ২৫ টি বেইজিং জাতের হাঁসের বাচ্চা নিয়ে গড়ে তুলেন খামার। সম্প্রতি অজ্ঞাত মড়কে তার ৮‘শ হাসের মৃত্যুতে প্রায় ৪লাখ টাকার ক্ষতিতে স্বপ্ন ভেঙে যায় তার।

জিন্নাত জানান, রোববার রাতে ৩-৪টি হাঁস অসুস্থ হয়ে মারা যায়। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের ভেটেরিনারি সার্জন ডা. আব্দুল আলিমের পরামর্শে ঔষধ খাওয়ালেও কোন কাজ হয়নি। পরবর্তীতে মাত্র ১২ ঘণ্টার ব্যবধানে হাঁসগুলো একে একে মারা যেতে শুরু করে।

তিনি আরও জানান, অনেক স্বপ্ন আশা নিয়ে হাঁসের খামার শুরু করলেও হাঁসগুলো মারা যাওয়ায় আমার অনেক বড় ক্ষতি হয়ে গেল। হাঁসগুলোর মৃত্যুতে আমার চার লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান এই তরুণ খামারী।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের ভেটানারি সার্জন ডাক্তার আব্দুল আলিম বলেন, ‘মৃত একটি হাঁসকে পোষ্টমর্টেম করে ওষুধ লিখে প্রেসক্রিপশন করে দিয়েছি। লকডাউনের কারণে আমি লাইভ রিস্কস্ নিয়ে তার খামারে যেতে পারেনি বলে তিনি জানান।’

বিষয়ে উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. ছানোয়ার হোসেন বলেন, ‘এতো গুলো হাঁস মারা গেল বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। হাঁস গুলো কি কারণে মারা গেছে আমি জানি না। তবে আজ (মঙ্গলবার) ওই খামারির বাড়িতে গিয়ে আমি খোঁজখবর নিবো’।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২১ ৪:৪০ অপরাহ্ন
এক টন ওজনের আট লাখ টাকার ‘কালা মানিক’ আর নেই!
প্রাণিসম্পদ

এক টন ওজনের ব্রাহমা জাতের কালা মানিককে পালন করা হয়েছিলো কোরবানির জন্য। আট লাখ টাকা বিক্রির পর রোগ ধরা পড়লে ফেরত দেন ক্রেতা। অবশেষে নিজ বাড়িতেই মারা যান কালা মানিক। শোকে কাতর কৃষক দ্বীন মোহাম্মাদ। মানিকের মৃত্যুর খবরে আসেন শত শত মানুষ।

মঙ্গলবার (২৭ জুলাই) ভোরে কুমিল্লার চৌদ্দগ্রামের বসন্তপুর গ্রামে দরিদ্র কৃষক দ্বীন মোহাম্মদের বাড়িতে মারা যায়। পরে দুপুরে গর্ত খুড়ে কালা মানিককে পুঁতে ফেলা হয়েছে।

কৃষক দ্বীন মোহাম্মদ বলেন, ‘বাড়িতে শেড দিয়ে তৈরি খামারে ব্রাহমা জাতের গরুটি বড় করে তুলি। এটির ওজন প্রায় এক টন। আদর করেই তার নাম দিয়েছি ‘কালা মানিক’। ঈদের আগে ঢাকার এক ব্যবসায়ী গরুটি আট লাখ টাকায় ক্রয় করেছিলেন।

এরপর গরুর শরীরে রোগ ধরা পড়ার খবর ওই ব্যবসায়ীকে জানানো হয়। পরে ব্যবসায়ী আর গরুটি নেননি। নিয়মিত ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে ওষুধ খাওয়ালেও রোগ ভালো হয়নি। মঙ্গলবার সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি-গরুটি আর জীবিত নেই। এতে আমার আট লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।’

তিন আরও বলেন, ‘গরুর খাবার ও চিকিৎসা বাবদ মানুষের থেকে অনেক টাকা ঋণ করেছি। মনে করেছিলাম চিকিৎসায় রোগ ভালো হয়ে যাবে। আমি শেষ হয়ে গেছি ।’ এভাবেই আর্তনাদ করতে থাকেন কৃষক দ্বীন মোহাম্মাদ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop