৩:৩৩ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৭, ২০২২ ৯:১৩ পূর্বাহ্ন
কলা চাষে এগিয়ে কুড়িগ্রামের কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

বন্যা আক্রান্ত কুড়িগ্রামে কৃষিকাজের ক্ষতি পুষিয়ে নিতেকলা চাষে স্বপ্ন বুনছেন কৃষকরা। অনান্য ফসলের তুলনায় কলা চাষে খরচ কম, লাভ বেশি হওয়ায় পতিত ও অনাবাদী জমিতে কলা চাষাবাদে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।

কৃষি শ্রমিক বেশি লাগে না বলে কৃষকদের কলা চাষে আগ্রহ বেড়েছে বলে জানিয়েছে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, জেলায় ২৯০ হেক্টর জমিতে কলা চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে চরাঞ্চলে কলা চাষের জমির পরিমাণ প্রায় ১০৫ হেক্টর। নদীর তীরবর্তী চরাঞ্চলে কলা চাষের চাহিদা বাড়ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবার কলার বাম্পার ফলন হবে জানিয়েছেন সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা।

কুড়িগ্রামের ধরলা ও দুধ কুমর নদের অববাহিকার বেশ কিছু চরাঞ্চলে এবার কলার চাষ ভালো হয়েছে। সবুজ পাতায় ছেয়ে গেছে চরাঞ্চলে মাঠ। উত্তরীয় হাওয়ায় দুলছে কলার পাতা। কিছু কলা গাছের মুচি চোখে পড়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় কৃষকরা লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন।

মাস্টারের হাট গ্রামের কলা চাষি সাইফুল ইসলাম বলেন, আমি তিন বিঘা জমিতে সবরি জাতের কলা চাষ করেছি। এ পর্যন্ত কলা চাষে আমার ৯০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। আশা করি ৩ বিঘা জমিতে থেকে এ মৌসুমে ৩ লাখ টাকার কলা বিক্রি করতে পারব।

কুড়িগ্রাম কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক মো. শামসুদ্দিন মিঞা জানান, এ বছরে কুড়িগ্রাম জেলায় সমতল চরাঞ্চল ও পতিত জমিতে ৩১০ হেক্টর জমিতে কলা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। অর্জিত হয়েছে ২৯০ হেক্টর। গত বছরের তুলনায় এ বছর ১২০ হেক্টর বেশি জমিতে বিভিন্ন জাতের কলা চাষ হচ্ছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে কৃষকরা লাভবান হবেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৫, ২০২২ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
নাটোর চিনিকলের আখরোপণ কর্মসূচী উদ্বোধন
কৃষি বিভাগ

জেলায় নাটোর চিনিকলে ২০২২-২৩ অর্থবছরের আখ রোপন কর্মসূচী উদ্বোধন করা হয়েছে। রোববার বিকালে শহরের হুগোলবাড়িয়াতে নাটোর চিনিকল আয়োজিত এ কর্মসূচি উদ্বোধন করেন, বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান মো. আরিফুর রহমান অপু।

বাংলাদেশ আখ চাষী ফেডারেশনের সিনিয়র সহ-সভাপতি মোসলেম উদ্দিন প্রামানিকের সভাপতিতে এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন নাটোর চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক মো. ফরিদ উদ্দিন ভুঁইয়া।

অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ চিনি ও খাদ্য শিল্প কর্পোরেশনের চেয়ারম্যান বলেন, চিনি শিল্পকে লাভজনক করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এ লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহন করেছে।

তিনি বলেন, সরকার ইতোমধ্যে চিনিকলগুলোতে আখের ক্রয়মূল্য বৃদ্ধি করে ১৪০ টাকা থেকে ১৮০ টাকা মণ দর নির্ধারণ করেছে। আখের ফলন বৃদ্ধির লক্ষ্যে কৃষকদের উন্নত বীজ ও প্রযুক্তি সরবরাহ করা হচ্ছে। চিনিকলগুলোতে চিনি উৎপাদনের পাশাপাশি উৎপাদন বহুমুখীকরণের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। চলতি বছরে কেরু এন্ড কোম্পানী লিমিটেডে সম্পূর্ণ অর্গাণিক ব্রাউন সুগার তৈরীর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। পর্যায়ক্রমে নাটোর চিনিকলে ‘ব্রাউন সুগার’ উৎপাদন করা হবে। নর্থ বেঙ্গল চিনিকলে আখ আহরণের অপচয় রোধে হারভেস্টার সরবরাহ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৪, ২০২২ ৩:০৫ অপরাহ্ন
ফুলবাড়ীতে সেচ দিয়ে আমনের চাষ,লোকসানের শঙ্কা কৃষকরা
কৃষি বিভাগ

দিনাজপুরের ফুলবাড়ীতে বৈরী আবহাওয়ায় কৃষকেরা অনেকটা বাধ্য হয়ে জমিতে সেচ দিয়ে আমনের চাষ শুরু করেছেন। ইতোমধ্যে উপজেলার প্রায় সব এলাকায় শেষ হয়েছে জমিতে আমনের চারা রোপণ কাজ। এ সময় সার-ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধিতে লোকসানের শঙ্কা কৃষকদের। 

আমনের খেত পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষক। কেউ জমিতে সার দিচ্ছেন, কেউবা নিড়ানি। খরার কারণে অনেকেই ডিজেলচালিত শ্যালো মেশিন চালু করে ধানের খেতে সেচ দিচ্ছেন।

উপজেলার উত্তর রঘুনাথপুর গ্রামের মহিদুল ইসলাম তালুকদার জানান, সাত বিঘা জমিতে আমন ধানের চারা রোপণ করেছেন। বর্তমানে খেতের যে অবস্থা তাতে ভালো মনে হচ্ছে। অন্যবারের তুলনায় এবার আমন ধান চাষাবাদে অনেক বেশি খরচ করতে হচ্ছে। ভালো ফলন হলেও চাষের খরচের টাকা তুলতে পারব কি না, সে শঙ্কায় আছি আর যদি ফলন ভালো না হয় তাহলে তো মহাবিপদ!

আলাদিপুর গ্রামের কৃষক তারাপদ রায় জানান, এবারের আমন চাষাবাদের সময় হঠাৎ করে ডিজেলের মূল্যবৃদ্ধির ফলে পাওয়ার টিলার মালিকেরা জমি চাষের দাম বাড়িয়েছেন। চারা রোপণের জন্য বিঘাপ্রতি শ্রমিকদের ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা দিতে হয়েছে।

এখন জমিতে সার প্রয়োগের সময় হয়েছে। বাজারে সবধরনের সারের দাম বেশি হওয়ায় কিনতে হিমশিম খেতে হচ্ছে। লাভের আশায় চাষাবাদ শুরু করে এখন লোকসানের শঙ্কায় আছি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রুম্মান আক্তার বলেন, ‘উপজেলায় এ বছর ১৮ হাজার ১৯০ হেক্টর জমিতে আমন আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বর্তমানে লক্ষ্যমাত্রার শতভাগ জমিতে আমন চারা রোপণের কাজ শেষ হয়েছে। আমনের ভরা মৌসুমে যাতে কেউ সারের কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি করতে না পারে সে জন্য আমরা বাজার মনিটরিংসহ মজুত জারির বিরুদ্ধে তৎপর আছি। পাশাপাশি বাজারে সারের সরকারের নির্ধারিত মূল্য বজায় রাখতে উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি বিভাগ মিলে উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হচ্ছে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২ ৩:২৭ অপরাহ্ন
নীলফামারীতে নতুন প্রযুক্তি, ‘কঞ্চি কলম পদ্ধতিতে’ বাঁশ চাষ
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীতে নতুন প্রযুক্তি ‘কঞ্চি কলম পদ্ধতিতে’ বাঁশ চাষকে ব্যাপক আকারে চাষিদের মাঝে বিস্তারে আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা কেন্দ্র কাজ করছে।

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের অধীনে বাংলাদেশ বন গবেষণা ইনস্টিটিউট ২০২০ সালে ১৭ কোটি ২২ লাখ টাকা ব্যয়ে আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা কেন্দ্র চালু করা হয় ডোমারে।

মাটি ও আবহাওয়া ভালো হওয়ায় নীলফামারীর ডোমারে বাণ্যিজিকভাবে বাঁশ চাষ শুরু করেন স্থানীয়রা। এর মাধ্যমে নানা পণ্য তৈরি করে কয়েক হাজার পরিবার জীবিকা নির্বাহ করছেন। এরই মধ্যে রংপুরের বিভিন্ন অঞ্চলে ৬টি গবেষণা কেন্দ্রিক প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছে।

নতুন উদ্ভাবিত ‘কঞ্চি কলম পদ্ধতিতে’ কম সময়ে, স্বল্প খরচে বাঁশ উৎপাদন করা যায়। প্রচলন বাড়াতে প্রায় ১৫শ’ জন সুবিধাভোগীকে দেয়া হয়েছে প্রশিক্ষণ।

গবেষণা কেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জানান, বুদুম, বরাক, মাকলা, বাইদ্দা ও বান্দিসিসহ ২০টিরও অধিক প্রজাতির বাঁশ রয়েছে এ কেন্দ্রে।

নীলফামারী ডোমার আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা কেন্দ্রের গবেষণা কর্মকর্তা মো. আসাদুজ্জামান সরকার জানান, নতুন প্রযুক্তি ‘কঞ্চি কলম পদ্ধতিতে’ বাঁশ চাষের প্রচলনসহ বাঁশের বহুমাত্রিক ব্যবহার বৃদ্ধি পাবে। এছাড়া এ অঞ্চলের মানুষজন সামগ্রিকভাবে লাভবান হবে।

আঞ্চলিক বাঁশ গবেষণা কেন্দ্রে দুইটি ল্যাবরেটরি, একটি ওয়ার্কশপ, একটি ট্রিটমেন্ট প্লান্ট ও নার্সারি সেড এবং বেড রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২ ৯:২৫ পূর্বাহ্ন
ইউটিউব দেখে বারোমাসি আম চাষে উৎসাহী বুলবুল
কৃষি বিভাগ

আমচাষের রাজধানী হিসেবে পরিচিত চাঁপাইনবাবগঞ্জ। আর সুস্বাদু আমের জেলা মেহেরপুর। মেহেরপুরের হিমসাগর, ল্যাংড়া, বোম্বাই আম স্বাদের দিক দিয়ে দেশের বাইরে ইউরোপীয় অঞ্চলে সুনাম কুড়িয়েছে। এবার মেহেরপুর জেলায় এক নতুন জাতের বারমাসি আমের চাষ শুরু হয়েছে। বারোমাসি থাই জাতের এ আমটির নাম ‘কাটিমন’।

ইউটিউব দেখে উৎসাহী হয় মেহেরপুর সদর উপজেলার আমঝুপি গ্রামের সমাজকর্মী মঈন-উল-আলম ওরফে বুলবুল। আমঝুপি বিএডিসি বীজ উৎপাদন খামারের পাশেই ২৪০টি আম গাছের বাগান গড়েন ২০২১ সালে। সেসব গাছে এখন মুকুল আর ডালে ডালে ঝুলছে থোকা থোকা আম। তার বাগানের গাছের আম কোনটি পরিপক্ক হয়েছে। কোনটি গুটি , আবার কোন ডালে মুকুল। পরিপক্ক আমের রং দেখলেই জিভে পানি আসবে। অসময়ের এ আমচাষ সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে সারাবছরই আমের স্বাদ পাবে মানুষ। তখন বছরজুড়ে হবে আমের মৌসুম।

কৃষিবিদরা আশা করছেন- আগামী একদশকে এ আম দেশের বিভিন্ন জেলায় ছড়িয়ে দেয়া সম্ভব হবে। আমচাষি মঈন-উল-আলম ওরফে বুলবুল জানান, তার বাগানের আম দেখতে এখন প্রতিদিনই আসছে জেলার বিভিন্ন গ্রামের উৎসাহী মানুষ। এ সময় অন্য জাতের আম গাছে মুকুল বা আম না থাকলেও তার গাছে আম ধরছে থোকায় থোকায়। আম পাড়তে না পাড়তেই আবারো গাছে আসছে মুকুল। গাছগুলোর এ বৈশিষ্ট্য স্থায়ী হলে দেশে আম উৎপাদনে বিপ্লব ঘটবে বলে আশা করছেন সংশ্লিষ্টরা। এ আম গাছকে বারমাসি আমগাছ বলে বর্ণনা করেছেন স্থানীয় আমচাষিরা। আমগুলোর ওজন ১ মাসেই ৩শ গ্রাম পর্যন্ত। আটি ছোট এবং আঁশবিহীন। এ আম খেতে অনেকটা হিমসাগর আমের মতো।

একই গাছে কোনটি পরিপক্ক, কোনটি কাঁচা আবার কোন ডালে দেখা যাচ্ছে মুকুল। চলতি মাসে প্রায় ৫০ হাজার টাকার আম বাজারজাত হয়েছে জানান বুলবুল। প্রতি কেজি আম পাইকারি ২শ টাকা কেজি দরে বিক্রি করেছেন। আরও ২০-২৫ মণ আম বিক্রি হবে বলে আশা করছেন।

বুলবুলের বাগানে বরোমাসি আমচাষে সফলতা দেখে আমঝুপি গ্রামের রফিকুল আলমও উৎসাহী হয়েছেন এ আমচাষে। তিনি জানান, ইতোমধ্যে তিনবিঘা জমি তৈরি করছেন আমের বাগান গড়তে। বুলবুলের সাথে চুক্তিবদ্ধও হয়েছেন আমের কলম নেবার জন্য।

মঈন-উল-আলম ওরফে বুলবুল বলেন- তিনি পরীক্ষামূলক ভাবে ২ বিঘা জমিতে ২৪০ টি থাই কাটিমনের চারা রোপণ করছিলেন ২০২১ সালের শুরুতে। গাছ গুলোর বর্তমান বয়স মাত্র দেড় বছর। চুয়াডাঙ্গার দর্শনা থেকে তিনি চারা সংগ্রহ করে রোপণ করেন। বর্তমানে তিনিও এ বাগান থেকে চারা বিক্রি করছেন। আমের ফলন ভালো হওয়ায় তিনি বাগান সম্প্রসারণের আশা করছেন।

মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানান, ইউটিউবে দেখে উদ্বুদ্ধ হয়ে পরীক্ষামূলক ভাবে ২ বিঘা জমিতে কাটিমন জাতের হাইব্রিড থাই বারোমাসি আম চাষে সাফল্য দেখিয়েছেন বুলবুল।

এ প্রসঙ্গে সদর উপজেলা কৃষি অফিসার নাসরিন পারভিন জানান- এটি গবেষণার মাধ্যমে চাষি পর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। আগামী এক দশকে সারাদেশে ছড়িয়ে দিতে পারলে দেশে সারাবছর আম পাওয়া যাবে। আমটি সুস্বাদু এবং বারোমাসে তিনবার আম পাওয়াতে মানুষ উদ্বুদ্ধ হচ্ছে এ বারোমাসি আমচাষে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ৩, ২০২২ ৯:১৩ পূর্বাহ্ন
সাতক্ষীরায় মাছের ঘের আইলে বিষমুক্ত সবজি
কৃষি বিভাগ

পদ্মা সেতু চালুর পর সাতক্ষীরায় উৎপাদিত সবজির একটি অংশ ক্ষেত থেকে এখন সরাসরি ঢাকায় যাচ্ছে। সদর, তালা ও কলারোয়া উপজেলার বেশ কয়েকজন কৃষক ইতোমধ্যে ক্ষেত থেকে সবজি উঠিয়ে সরাসরি রাজধানীতে পাঠাচ্ছেন।

জেলায় চলতি মৌসুমে চিংড়ি ঘেরের আইলের ৮৭৫ হেক্টর জমিতে সবজি চাষ হয়েছে। নিচে মাছের চাষ হওয়ায় এই সবজির ক্ষেতে কোন রকম বিষ প্রয়োগ করা হয় না। ফলে সম্পূর্ণ বিষমুক্ত সবজি বাজারে তোলা সম্ভব হচ্ছে।

সাতক্ষীরার কৃষিসম্প্রসারণ অধিদপ্তর জানায়, বিগত কয়েক বছর ধরে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মাছের ঘেরের পাড়ে সবজি চাষ। ‘সাথী ফসল’ হিসেবে শুরু হলেও এখন মূল ফসলের সঙ্গে পাল্লা দিচ্ছে সমানে সমান। মাচায় বা ঘেরের আইলে সবজি আর নিচের পানিতে মাছ চাষ হচ্ছে।

জেলায় প্রতি বছর যে পরিমাণ সবজি উৎপাদন হয়ে থাকে তার ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ উৎপাদিত হয় ঘেরের আইলে মাচা পদ্ধতিতে। ঘেরের আইলে সবজি চাষ লাভজনক হওয়ায় জেলার অধিকাংশ মৎস্য ঘেরে সবজির চাষাবাদ দিন-দিন বাড়ছে। ফলে জেলার চাহিদা
মিটিয়ে দেশের অন্যান্য জেলায়ও পাঠানো হচ্ছে সাতক্ষীরার সবজি।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (খামারবাড়ি) সূত্রে জানা যায়, চলতি বছর জেলার ৮৭৫ হেক্টর জমির (মৎস্য ঘেরের বেড়ি) আইলে বিভিন্ন প্রকারের সবজি চাষ হয়েছে। এরমধ্যে সাতক্ষীরা সদর উপজেলায় ৩৪০ হেক্টর, তালায় ১৬৫ হেক্টর, কলারোয়ার ৫৫ হেক্টর, আশাশুনি ৮০ হেক্টর, কালিগঞ্জে ১৩৫ হেক্টর,
দেবহাটায় ২০ হেক্টর, ও শ্যামনগর উপজেলায় ৮০ হেক্টর জমির আইলে সবজির চাষ হয়েছে। এসব জমি থেকে হেক্টর প্রতি গড় ১৯ মেট্রিকটন হারে মোট ১৬ হাজার ৬২৫ টন সবজি উৎপাদনের লক্ষমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

জানা যায়, অধিকাংশ মৎস্য ঘেরে যতদূর চোখ যায় সবুজের হাতছানি। ঘেরের আইলে ও ঘেরের আইলের উপরে নির্মিত সারি-সারি মাচায় ঝুলছে করলা, ঢেঁড়শ, পুঁইশাক, কুমড়া আর শসা। বর্ষাকালীন সবজির পাশাপাশি আগাম শীতকালীন সবজি চাষও শুরু করেছেন অনেকে।
সাতক্ষীরা-খুলনা মহাসড়ক সংলগ্ন তালা উপজেলার নগরঘাটা ইউনিয়নের মিঠাবাড়ি বিলে শত-শত বিঘা জমির মৎস্য ঘেরে মাচা পদ্ধতিতে লাউ, কুমড়া ও করলার চাষাবাদ করা হয়েছে। মাচায় ঝুলছে হাজার-হাজার করলা, শতশত লাউ ও কুমড়া। একই সাথে ঘেরের পাড়ে লাগানো হয়েছে পুঁইশাক ও ঢেঁড়স।

সাতক্ষীরা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নুরুল ইসলাম জানান, জেলার অধিকাংশ ঘেরের পাড়ে এখন সবজি চাষ হচ্ছে। এর মধ্যে- লাউ, উচ্ছে, শসা, পটল, ঢেঁড়স ও বরবটি বাজারে উঠেছে। কৃষকেরাও ভালো দাম পাচ্ছেন। তিনি আরো বলেন, পদ্মা সেতু চালুর পর এখন সাতক্ষীরা থেকে ৪/৫ ঘন্টায় ঢাকায় যাওয়া যাচ্ছে। সাতক্ষীরা সদর, তালা ও কলারোয়া উপজেলার বেশ কয়েকজন কৃষক।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ১, ২০২২ ১:১৫ অপরাহ্ন
জয়পুরহাটে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা
কৃষি বিভাগ

দেশের বৃহত্তম চিনি উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান জয়পুরহাট চিনিকলে ২০২২-২০২৩ মৌসুমে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন আখ মাড়াইয়ের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। আগামী ডিসেম্বর মাসে আখ মাড়াই কার্যক্রম শুরু হবে।

চিনিকল সূত্র জানায়, ২০২২-২০২৩ আখ মাড়াই মৌসুমের জন্য আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬ হাজার ৫০০ একর জমি। অর্জিত হয়েছে ২ হাজার ২৪ একর। এতে আখ উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৩ হাজার মেট্রিক টন আখ। চিনি আহরনের শতকরা হার ধরা হয়েছে ৬ দশমিক ৪ ভাগ । এতে চিনি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ২ হাজার ১১৮ মেট্রিক টন চিনি। অন্যান্য ফসলের দামের সঙ্গে সঙ্গতি রেখে আখের মূল্যও বাড়িয়েছে সরকার।

বর্তমানে মিলগেটে আখের মূল্য নির্ধারণ করা হয়েছে পার মেট্রিক টন ৪ হাজার ৪৫০ টাকা এবং বাইরের ক্রয় কেন্দ্রের জন্য ৪ হাজার ৪৪০ টাকা। আখের মূল্য বাড়ানোর ফলে আখ চাষে কৃষকরা আগ্রহী হয়ে উঠছেন বলে জানান, জয়পুরহাট চিনিকলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখলাছুর রহমান।

চিনিকল সূত্র জানায়, আখ চাষে কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করতে সরকারি সহায়তা হিসেবে এক কোটি ৯০ লাখ টাকা ঋণ সুবিধা প্রদান করা হয়েছে। ঋণ প্রাপ্ত আখ চাষির সংখ্যা হচ্ছে ২ হাজার ৭শ জন। এর মধ্যে রয়েছে সার ও উন্নত মানের আখ বীজসহ অন্যান্য উপকরণ। আখ মিলে সরবরাহ করার পর ঋণের টাকা পরিশোধ করতে হয় কৃষকদের। ফলে ঋণ পরিশোধ করার কোন বাড়তি চাপ থাকে না।

২০২৩-২০২৪ মাড়াই মৌসুমের জন্যও ৬ হাজার ৫০০ একর জমিতে আখ রোপণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে বলেও জানান, ব্যবস্থাপনা পরিচালক আখলাছুর রহমান। গত ২০২১-২০২২ মাড়াই মৌসুমে ২১ হাজার ৪৪৯ মেট্রিক টন আখ মাড়াই করে এক হাজার ১৬২ মেট্রিক টন চিনি উৎপাদন করা হয়েছিল বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩১, ২০২২ ৯:১৭ পূর্বাহ্ন
পাটের বাম্পার ফলনে বগুড়ার কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

গত বছরের তুলনায় এবছর পাটের দাম বেশি পেয়ে ‍খুশি বগুড়ার পাট চাষিরা।গত বছরের থেকে এবছর বগুড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলায় পাটের ব্যাপক আবাদ হয়েছে। প্রচণ্ড খরার কারণে চাষিরা পাট জাগ দেয় নিয়ে সঙ্কায় থাকলেও পরে বৃষ্টি হওয়াতে স্বস্তি ফিরেছিল কৃষকের মনে।

জানা যায়, গত বছর বগুড়ায় ১২ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে পাট চাষ হয়েছিল। এ বছর বগুড়ায় ১৩ হাজার ৫০ হেক্টর জমিতে পাটের চাষ হয়েছে। বিগত বছরে পাটের দাম ভালো থাকায় এবছর পাট চাষে চাষিদের আগ্রহ বেড়েছে। তাই এবছর এজেলায় ৪ হাজার ১১০ হেক্টর বেশি জমিতে পাট চাষ হয়েছে।

পাট কল বগুড়া ভাণ্ডারের মালিক তোফাজ্জাল হোসেন জানান, চাষিরা তাদের পাট রোদে শুকিয়ে হাটে নিয়ে আসছেন। এবার পাটের বাজার কৃষকদের অনুকূলে। এবার জেলার সারিয়াকান্দি উপজেলার গত মঙ্গলবার হাটে ৩ হাজার টাকা মণ দরে পাট বিক্রি হয়েছে।

তিনি আরো বলেন, পাবনা জেলায় উত্তরাঞ্চলের সবচেয়ে বড় পাটের হাট বসে। পাবনার হাটে বগুড়ার প্রায় ১৭ টি পাটকল মালিক পাট কিনতে ভিড় করেছেন। বগুড়ার সারিয়াকন্দির পাট বিখ্যাত এখনো প্রতিমণ পাট ২৭০০-২৮০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। আর পাবনার কাশিনাথপুর, সাঁথিয়ার হাটে প্রতিমণ পাট বিক্রি হচ্ছে ২৭০০ থেকে ৩২০০ টাকায়।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত উপ-পরিচলাক এনামুল হক জানান, বিঘাপ্রতি পাট উৎপাদন হয় ৮-১০ মণ। এতে চাষিদের ১০-১২ টাকা খরচ হয়। এবছর আবহাওয়া ভালো থাকায় প্রতি বিঘায় গড়ে ৯ মণ পাট উৎপাদন হয়। বাজারে পাটের দাম ভালো থাকায় খুশি চাষিরা। পাটের এমন দাম থাকলে প্রতি বছর এ অঞ্চলে পাট চাষের জমির পরিমাণ বৃদ্ধি পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩০, ২০২২ ৫:৫৯ অপরাহ্ন
সারের কৃত্রিম সংকট রোধে ৩৮৩ ডিলার-ব্যবসায়ীকে ৫৭ লাখ টাকা জরিমানা: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, সারের কৃত্রিম সংকট ও কারসাজি রোধে সারা দেশে আগস্ট মাসে ৩৮৩টি ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এর মাধ্যমে বিভিন্ন অনিয়মে জড়িত ৩৮৩জন ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীকে ৫৭ লাখ ৬৮ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার বিকালে সচিবালয়ে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত পাম ভিয়েট চিয়েন (Pham Viet Chien) এর সাথে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের সাথে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। এসময় কৃষিসচিব মো. সায়েদুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

মন্ত্রী বলেন, শুধু জরিমানা নয়, সার কারসাজিতে জড়িত ডিলারদের লাইসেন্স বাতিল করা হবে। লাইসেন্স দিয়েছে শিল্প মন্ত্রণালয়। সেজন্য, লাইসেন্স বাতিলের জন্য তাদের নাম শিল্প মন্ত্রণালয়ে প্রেরণের কাজ চলছে।

মন্ত্রী বলেন, আগামী ডিসেম্বর পর্যন্ত সারের মজুতে কোন সমস্যা নেই। গুদামে পর্যাপ্ত সার রয়েছে। একইসাথে, গত বছরের তুলনায় এ বছর বরাদ্দও বেশি দেয়া হয়েছে। তারপরও কোথাও কোথাও সারের সংকটের কথা শুনা যাচ্ছে। এটি হতে পারে না। ডিলার ও খুচরা ব্যবসায়ীদের পাশাপাশি মাঠ প্রশাসন বা মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের কারো গাফিলতি পাওয়া গেলে-তাদেরকেও শাস্তির আওতায় আনা হবে।

এমওপি সার প্রসঙ্গে মন্ত্রী জানান,আগস্ট মাসে আজকে পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারিভাবে আমদানিকৃত ১ লাখ ৮০ হাজার টন এমওপি সার দেশে পৌঁছেছে। আগামী সেপ্টেম্বর মাসে ১ লাখ ১৬ হাজার টন সার দেশে পৌঁছবে। অন্যদিকে, সেপ্টেম্বরে ৫১ হাজার টন ও অক্টোবরে ৭০ হাজার টন এমওপি সারের চাহিদা রয়েছে। ফলে চাহিদার চেয়ে মজুত অনেক বেশি থাকবে।

উল্লেখ্য, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। বর্তমানে (২৫ আগস্ট) ইউরিয়া সারের মজুত ৬ লাখ ৫৬ হাজার মেট্রিক টন, টিএসপি ৩ লাখ ৯৪ হাজার টন, ডিএপি ৮ লাখ ২৩ হাজার টন, এমওপি ২ লাখ ৭৩ হাজার টন। সারের বর্তমান মজুতের বিপরীতে আমন মৌসুমে (আগস্ট থেকে অক্টোবর মাস পর্যন্ত) সারের চাহিদা হলো ইউরিয়া ৬ লাখ ১৯ হাজার টন, টিএসপি ১ লাখ ১৯ হাজার টন, ডিএপি ২ লাখ ২৫ হাজার টন, এমওপি ১ লাখ ৩৭ হাজার টন। বিগত বছরের একই সময়ের তুলনায়ও সারের বর্তমান মজুত বেশি।

চালের দাম শিগগিরই কমবে উল্লেখ করে মন্ত্রী আরও বলেন, ভিয়েতনাম থেকে ২ লাখ ৩০ হাজার টন চাল আনা হচ্ছে। জিটুজি ভিত্তিতে এ চাল আনা হচ্ছে। চাল আসতে ১৫-২০ দিন লাগতে পারে। এছাড়া, রাশিয়া থেকে ৩ লাখ টন গম আনা হচ্ছে। অন্যদিকে, দেশে প্রায় ১৮ লাখ টন খাদ্য মজুত আছে। খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির আওতায় ৫০ লাখ পরিবারকে ১৫ টাকা কেজিতে চাল দেয়া হবে। এছাড়া, টিসিবির মাধ্যমে ১ কোটি পরিবারকে ৩০ টাকা কেজিতে চাল বিতরণ করা হবে। ওএমএসেও চাল বিক্রি করা হবে। সব মিলিয়ে চালের দাম শিগগিরই কমবে।

এর আগে ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূতের সাথে বৈঠকে দুদেশের কৃষি সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আলোচনা হয়। ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত পাম ভিয়েট চিয়েন বাংলাদেশ, ভিয়েতনাম ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে কৃষি সহযোগিতার জন্য ত্রিপক্ষীয় চুক্তি করার প্রস্তাব প্রদান করেন। তিনি বলেন, ভিয়েতনাম ও নেদারল্যান্ডসের মধ্যে কৃষি সহযোগিতা রয়েছে। নেদারল্যান্ডসের সহযোগিতার ফলে ভিয়েতনামের কৃষি উন্নত হয়েছে। যেহেতু তিনটি দেশই ডেল্টা, কাজেই তাদের পারস্পরিক সহযোগিতায় সবপক্ষই উপকৃত হবে।

ভিয়েতনামের রাষ্ট্রদূত জানান, কাজুবাদাম রপ্তানিতে ভিয়েতনাম বর্তমানে প্রথম এবং কফি রপ্তানিতে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে। কাজুবাদাম-কফি রপ্তানির ৫০% সে দেশে উৎপাদিত হয়, বাকীটা ভারত ও আফ্রিকার দেশসমূহ থেকে এনে প্রক্রিয়াজাত করা হয়।

বাংলাদেশে কাজুবাদাম ও কফির চাষ সম্প্রসারণে গুরুত্ব দেয়া হচ্ছে জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী এক্ষেত্রে ভিয়েতনামের সহযোগিতা কামনা করেন। তিনি বলেন,গত ২ বছরে আমরা ২০ লাখ কাজুবাদামের চারা কৃষকদেরকে দিয়েছি। ইতোমধ্যে এসব গাছে কাজুবাদামের ফলন শুরু হয়েছে। আশা করছি, কাজুবাদাম উৎপাদনে বাংলাদেশও ভাল করবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২৯, ২০২২ ১১:৪৮ পূর্বাহ্ন
বেবি তরমুজ চাষে ঘুরে দাঁড়ালেন বর্গাচাষি ভাওয়াল
কৃষি বিভাগ

ভোলার বোরহানউদ্দিন উপজেলার সাচড়া গ্রামের বর্গাচাষি শাহজল ভাওয়াল বারোমাসি ফল বেবি তরমুজের চাষে সফল হয়েছেন। কীটপতঙ্গের আক্রমণ না থাকার পাশাপাশি স্বল্প সময়ে ভালো ফলন হওয়ায় খুশি তিনি। মাটি থেকে ১৫-২০ সেন্টিমিটার উঁচু লম্বা বেড তৈরি করে মালচিং পেপার দিয়ে শক্ত করে ঢেকে দেওয়া হয়েছে। ৪ হাত অন্তর একটি বেড। ১৬ শতাংশ জমির সবটা জাল দিয়ে নিখুঁতভাবে বেড়া দেওয়া। উপরে ছাউনির মতো ঘুরিয়ে মাচা দেওয়া হয়েছে। সেই মাচায় লাউয়ের মতো ঝুলে আছে ছোট-বড় কালো তরমুজ। এই যেন সফলতার এক হাতছানি।

শাহজল ভাওয়াল জানান, গ্রামীণ জন-উন্নয়ন সংস্থার (জিজেইউএস) কৃষিবিদের সহযোগিতা ও পরামর্শে এবার নিয়ে তৃতীয়বার বেবি তরমুজের আবাদ করেছি। এখানে শারীরিক পরিশ্রম ছাড়া তেমন খরচ হয়নি। বাড়িতে বসেই ৬০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করি। বর্তমানে ৪র্থ বার সুইট ব্ল্যাক’ বা কালো জাত ও নতুন ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ বা হলুদ তরমুজ লাগানোর কথা ভাবছি। কারণ, এটি বেশ লাভজনক। ইতোমধ্যে ৬০ টাকা দরে ৪ মণ তরমুজ বিক্রি করা হয়েছে। ক্ষেতে আরও ৫ মণের মতো হবে।

উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মো. এএইচএম শামীম বলেন, জলাবদ্ধতা হয় না, এমন ধরনের উঁচু জমি এই বারোমাসি তরমুজ চাষের উপযোগী। ‘সুইট ব্ল্যাক’ বা কালো জাত ও নতুন ‘গোল্ডেন ক্রাউন’ বা হলুদ জাতের বারোমাসি বেবি তরমুজের আবাদ এখানকার কৃষকদের মধ্যে আগ্রহ সৃষ্টি করছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop