১:৪১ অপরাহ্ন

সোমবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ১, ২০২২ ৪:২২ অপরাহ্ন
নাটোরে বজ্রপাতে কৃষকের প্রাণহানি
কৃষি বিভাগ

নাটোরের বড়াইগ্রামে বজ্রপাতে ছলিম উদ্দিন (৪২) নামের একজনের প্রাণহানি হয়েছে।

সোমবার (১ আগস্ট) সকাল সাড়ে ৯টার দিকে উপজেলার নটাবাড়িয়া গ্রামের মাঠে এ দুর্ঘটনা ঘটে।

ছলিম উদ্দিন একই গ্রামের লইমুদ্দিনের ছেলে।

বড়াইগ্রাম থানার পরিদর্শক (তদন্ত) আব্দুর রহিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।

তিনি জানান, বাড়ির পাশের মাঠে কাজ করছিলেন কৃষক ছলিম উদ্দিন। হঠাৎ বৃষ্টি ও বাতাসের সঙ্গে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তিনি মারা যান।

বজ্রপাতে তার মুখমণ্ডলসহ শরীরের বিভিন্ন অংশ ঝলসে যায়। পরে এলাকাবাসী মরদেহটি উদ্ধার করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১, ২০২২ ৯:০৪ পূর্বাহ্ন
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজা করা গরু চিনবেন যেভাবে
কৃষি বিভাগ

অনেক অসাধু গরু ব্যবসায়িকরা রয়েছেন, যারা বিভিন্ন ধরনের ওষুধ, ইনজেকশন ও রাসায়নিক দ্রব্য ব্যবহার করে এসব পশুকে মোটাতাজা করে থাকেন তারা, যা পুরোপুরি স্বাস্থ্যের জন ভয়ানক ক্ষতিকর। এমন গরুর মাংসতেও তেমন স্বাধ থাকে না।

বিশেষজ্ঞদের মতে, কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর মাংস খেলে মানুষের শরীরে পানি জমে যাওয়া, রোগপ্রতিরোধ ক্ষমতা কমে যাওয়া, মূত্রনালি ও যকৃত-কিডনির বিভিন্ন রকম সমস্যা দেখা দিতে পারে। তাই এসব পশু কেনা থেকে অবশ্যই বিরত থাকতে হবে।
মোটাতাজাকরণ গবাদিপশু চেনার কিছু উপায় রয়েছে। আসুন জেনে নেই ইনজেকশন দেওয়া কোরবানির পশু চিনবেন যেভাবে।

দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ

কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরু দ্রুত শ্বাস-প্রশ্বাস গ্রহণ করে। একটু হাঁটলেই হাঁপায়। খুবই ক্লান্ত দেখায়। ইনজেকশন দেয়া গরুর রানের মাংস নরম হয়। স্বাভাবিকভাবে যেসব গরু মোটা হয় সেগুলোর রানের মাংস শক্ত হয়।

লালা বা ফেনা
যেসব গরুর মুখে কম লালা বা ফেনা থাকে সেই গরু কেনার চেষ্টা করুন। এগুলো কৃত্রিম উপায়ে মোটা করা পশু নয়।

খুব শান্ত
স্টেরয়েড ট্যাবলেট খাওয়ানো বা ইনজেকশন দেওয়া গরু হবে খুব শান্ত। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারবে না। পশুর ঊরুতে অনেক মাংস মনে হবে।

আঙুলের চাপ
কৃত্রিম উপায়ে মোটাতাজাকরণ গরুর গায়ে আঙুল দিয়ে চাপ দিলে ওই স্থানের মাংস স্বাভাবিক হতে অনেক সময় লাগে। কিন্তু স্বাভাবিকভাবে মোটা গবাদিপশুর ক্ষেত্রে দ্রুতই মাংস স্বাভাবিক হয়।

শরীরে পানি জমে
অতিরিক্ত হরমোনের কারণে পুরো শরীরে পানি জমে মোটা দেখাবে। আঙুল দিয়ে গরুর শরীরে চাপ দিলে সেখানে দেবে গিয়ে গর্ত হয়ে থাকবে।

খাবার
গরুর মুখের সামনে খাবার ধরলে যদি নিজ থেকে জিব দিয়ে খাবার টেনে নিয়ে খেতে থাকে তবে বোঝা যাবে গরুটি সুস্থ। যদি অসুস্থ হয়, তবে সে খাবার খেতে চায় না।

নাকের ওপরটা ভেজা
সুস্থ গরুর নাকের ওপরটা ভেজা ভেজা থাকে। সুস্থ গরুর পিঠের কুঁজ মোটা ও টান টান হয়।

পা ও মুখ ফোলা
বিশেষ করে গরুর পা ও মুখ ফোলা, শরীর থলথল করবে, অধিকাংশ সময় গরু ঝিমাবে, সহজে নড়াচড়া করবে না। এসব গরু অসুস্থতার কারণে সব সময় নিরব থাকে। ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারে না। খাবারও খেতে চায় না।

অসুস্থ গরুর শরীরে ১০৩ ডিগ্রি ফারেনহাইটের ওপর তাপমাত্রা থাকবে। দেখা যাবে পাতলা পায়খানা হচ্ছে। মুখ দিয়ে লালা ঝরছে। সামনে খাবার থাকলেও খাচ্ছে না, এমনকি জাবরও কাটছে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২২ ৫:৪৭ অপরাহ্ন
নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার ইলেকট্রনিক ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ সরকার ইলেকট্রনিক ওয়ার্কিং গ্রুপ গঠন করেছে যার মাধ্যমে সঠিক গবেষণায় খাদ্যের মান, নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। যেকোন প্রয়োজনে ৩৩৩ নম্বওে ফোন কওে ভোক্তগণ অভিযোগ জানাতে পারবেন।

বাকৃবিতে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর আইন বিধি ও প্রবিধিমালার প্রয়োগ শীর্ষক সেমিনারে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর চেয়ারম্যান জনাব মোঃ আব্দুল কাইউম সরকার এসব কথা বলেছেন। বাকৃবি গবেষকগণ যেভাবে কৃষি বিপ্লব এনে দিয়েছেন, নিরাপদ খাদ্য নিশ্চিতকরণেও তারা বিভিন্ন গবেষণার মাধ্যমে সরকারের পাশে থাকবেন বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ফুড টেকনোলজি ও গ্রামীণ শিল্প বিভাগ এবং খাদ্য মন্ত্রণালয়ের বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর যৌথ আয়োজনে রবিবার (৩১ জুলাই) সকাল ১০টায় বাকৃবি শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে এ সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়।

কৃষি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি অনুষদের ডিন প্রফেসর ড. মোঃ নজরুল ইসলাম এর সভাপতিত্বে সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-চ্যান্সেলর প্রফেসর ড. লুৎফুল হাসান বলেন, উন্নত ও মেধা শক্তিসম্পন্ন জাতি গঠনে সুষম ও নিরাপদ খাদ্যের বিকল্প নাই। নিরাপদ খাদ্য বিষয়ক গবেষণালব্ধ ফলাফল সবপর্যায়ে ছড়িয়ে দেওয়া বাকৃবি গবেষকদের দায়িত্ব।
এছাড়াও সেমিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ভেটেরিনারি অনুষদেও ডিন প্রফেসর ড. মোঃ মকবুল হোসেন।

সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ এর সদস্য প্রফেসর ড. মোঃ আব্দুল আলীম এবং স্বাগত বক্তব্য রাখেন ফুড টেকনোলজি ও গ্রামীণ শিল্প বিভাগের প্রফেসর ড. মোহাম্মদ গোলজারুল আজিজ।

অনুষ্ঠানের মুক্ত আলোচনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের সাবেক ও বর্তমান শিক্ষক, আমন্ত্রিত অতিথি বিভিন্ন দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদীয় ডিন, বিভাগীয় প্রধান, শিক্ষক-শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা ও আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩১, ২০২২ ১০:২৪ পূর্বাহ্ন
কৃষিঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা প্রায় ৩১ হাজার কোটি টাকা
কৃষি বিভাগ

টাকার কৃষি ও পল্লি ঋণ বিতরণের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

গত অর্থবছরের চেয়ে যা ৮ দশমিক ৮ শতাংশ বেশি। গত অর্থবছরে এ খাতে মোট ২৮ হাজার ৮৩৪ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করা হয়; যা লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি।

গত বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ ব্যাংক এক সার্কুলারের মাধ্যমে চলতি অর্থবছরের কৃষি ও পল্লি ঋণ নীতিমালা ও কর্মসূচি প্রকাশ করে। এতে বলা হয়, রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাংকগুলো ১১ হাজার ৭৫৮ কোটি এবং বেসরকারি ব্যাংকগুলো ১৯ হাজার ১৫৩ কোটি টাকা বিতরণ করবে। তবে কোন ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান কত বিতরণ করবে, তার বিস্তারিত আগামী ৩১ আগস্টের মধ্যে জানাতে হবে।

নীতিমালায় বলা হয়েছে, শস্য, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে ঋণ বিতরণে অগ্রাধিকার দিতে হবে। শস্য খাতে বিতরণ করতে হবে মোট লক্ষ্যমাত্রার ৬০ শতাংশ। এ ছাড়া মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতে লক্ষ্যমাত্রার কমপক্ষে ১০ শতাংশ করে ঋণ বিতরণ করতে হবে।

বেসরকারি বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোকে ক্ষুদ্রঋণ প্রতিষ্ঠানের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে নিজস্ব নেটওয়ার্কের মাধ্যমে বিতরণে গুরুত্ব দিতে হবে।

যে এলাকায় যে ফসল ভালো উৎপাদন হয়, সে এলাকায় সেই ফসলে গুরুত্ব দিয়ে বাস্তবভিত্তিক ঋণ বিতরণ করতে হবে। প্রকৃত ক্ষুদ্র, প্রান্তিক কৃষক, ভূমিহীন ও বর্গাচাষিদের সহজ পদ্ধতিতে কৃষিঋণ দিতে বলা হয়েছে নীতিমালায়। কৃষিতে ৪ ও ৮ শতাংশ পর্যন্ত সুদে ঋণ দেওয়া হয়।
অতি খরা বা বৃষ্টির মতো পরিবেশগত কারণে উৎপাদন কমে যাওয়া, করোনা-পরবর্তী বাড়তি চাহিদা, রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের কারণে সরবরাহে জটিলতা দেখা দেওয়ায় বিশ্বব্যাপী কৃষিপণ্যের দাম বেড়েছে।

এ রকম পরিস্থিতিতে অভ্যন্তরীণ উৎপাদন বাড়াতে কৃষিঋণ নীতিমালায় পরিবেশবান্ধব ও টেকসই কৃষি ব্যবস্থা গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

শিল্প ও সেবা খাতে সর্বশেষ প্রণোদনা ঋণের বরাদ্দ ৩০ হাজার কোটি টাকা: এদিকে একই দিনে অপর এক সার্কুলারে করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে সম্ভাব্য অর্থনৈতিক প্রভাব মোকাবিলায় নেওয়া আর্থিক প্রণোদনার তৃতীয় ও সর্বশেষ প্যাকেজ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

এ প্যাকেজে শিল্প ও সেবা খাতের (সিএমএসএমই বাদে) প্রতিষ্ঠানের জন্য ২৭ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।

এ ছাড়া বেজা, বেপজা, বাংলাদেশ হাই-টেক কর্তৃপক্ষে অবস্থিত এ, বি, সি টাইপ শিল্পপ্রতিষ্ঠান এবং এসব এলাকার বাইরে অবস্থিত শতভাগ বিদেশি বা যৌথ মালিকানাধীন প্রতিষ্ঠানের জন্য ৩ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২২ ৭:২৬ অপরাহ্ন
শিম জাতীয় সবজির উৎপাদন বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

অর্ঘ্য চন্দ, সিকৃবি প্রতিনিধি : সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের উদ্যোগে ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সহযোগীতায় শিম জাতীয় সবজির উন্নয়ন ও উৎপাদন কলাকৌশল নিয়ে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

শনিবার (৩০ জুলাই) সিলেটের ধোপাদিঘীর পাড় এলাকায় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে সকাল ১০ টা থেকে দুপুর পর্যন্ত এই প্রশিক্ষণ চলে। এতে অর্থায়ন করেছে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশন।

এই উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ মোশাররফ হোসেন খান। সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. বিশ্বজিৎ দেবনাথের সঞ্চালনায় ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক মোহাম্মদ কাজী মজিবুর রহমানের সভাপতিত্বে সূচনা বক্তব্য দেন সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম।

প্রশিক্ষণ কর্মশালায় উপজেলা পর্যায়ের কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ ও প্রশিক্ষকবৃন্দ অংশ নেন যারা পরবর্তীতে মাঠপর্যায়ে চাষীদের এবিষয়ে প্রশিক্ষিত করবেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, ‘শিম বাংলাদেশের একটি জনপ্রিয় সবজি ফসল যা প্রধানত শীতকালে চাষ হয়ে থাকে। বাংলাদেশে ইতিমধ্যে গ্রীষ্মকালীন শিমের বেশ কয়েকটি জাত জনপ্রিয় হয়েছে। যেহেতু শিম একটি আমিষ ও পুষ্টি সমৃদ্ধ সবজি তাই গ্রীষ্মকালীন সময়ে এ ফসলটি চাষ করতে পারলে আপামত জনগোষ্ঠির পুষ্টির উন্নয়ন ও অর্থনৈতিক অবস্থার পরিবর্তন আনয়ন সম্ভব’।

অধ্যাপক ড. মোঃ শহীদুল ইসলাম শিম উৎপাদনের নানা কলাকৌশল নিয়ে প্রশিক্ষকদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন। উল্লেখ্য, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্যানতত্ত্ব বিভাগের প্রফেসর ড. মো: শহীদুল ইসলাম সিকৃবি শিম-১ (সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় শিম-১) ও সিকৃবি শিম-২ জাত আবিষ্কার করে আলোড়ন সৃষ্টি করেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৩০, ২০২২ ১২:৫১ অপরাহ্ন
রোপা আমনের চারা রোপনে ব্যস্ত ঈশ্বর্দীর চাষিরা
কৃষি বিভাগ

চলতি বছরে পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলায় আষাঢ় মাসে ঠিক তেমন একটা বৃষ্টির দেখা মেলেনি। প্রচণ্ড খরা পার করে শ্রাবণের মাঝামাঝি সময়ে আবহাওয়া কিছুটা অনুকুলে আসে।

কয়েকদিন বৃষ্টির পানি পেয়েই খরিপ-২ মৌসুমে রোপা আমনের বিভিন্ন জাতের ধান গাছের চারা রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা।
শুক্রবার (২৯ জু্লাই) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নে ঘুরে দেখা যায় কৃষকদের কর্মচাঞ্চল্যের এমন চিত্র।

জানা যায়, দিনের আলো ফোটার সঙ্গে সঙ্গেই অনেকে মহিষ দিয়ে জমি চাষ করা শুরু করেছেন। কেউ জমি প্রস্তুত করতে, কেউ বীজতলা থেকে ধানের চারা তুলতে আবার কেউ ভাটিয়ালি গানের সুরে সুরে জমিতে চারা রোপণ করতে ব্যাস্ত সময় কাটাচ্ছেন।

বিভিন্ন জেলা থেকে শ্রমিকরা চুক্তি ভিত্তিতে এসেও কাজ করছেন। বিঘা প্রতি জমিতে ধানের চারা বপণের কাজে তাদের মজুরি মেলে এক হাজার ৭০০ টাকা। এভাবে এক একটি গ্রুপে ১০ জন করে শ্রমিক একসঙ্গে কামলা দিয়ে থাকেন।

পাবনার ভাঙ্গুড়া উপজেলার খানমরিচ ইউনিয়ন ময়দানদীঘী গ্রামের বাসিন্দা সাবু প্রমানিক জানান, আমাদের গোটা গ্রাম পানিতে ডুবে গেছে। প্রতি বছরের আষাঢ়-শ্রাবণ মাসে আমরা দল বেঁধে ধান লাগাই। সারাদিনে পাঁচ বিঘা জমিতে ধান বপন করা সম্ভব হয়। জমি থেকে ধানের চারা তুলে বপন করে বিঘা প্রতি মজুরি পাই এক হাজার ৭০০ টাকা। সেখান থেকে খাওয়া খরচ বাদ দিলে সারাদিনে আয় থাকে ৭০০ থেকে ৮০০ টাকা।

ঈশ্বরদীর পাকশী ইউনিয়নের বাঘইল কলপাড়া গ্রামের কৃষক নজরুল ইসলাম জানান, আষাঢ় মাসে বর্ষায় রোপা আমনের চারা রোপণ করার সময়। এ বছর আষাঢ়ে বৃষ্টি অনেক কম হয়েছে। শ্রাবণ মাসের শুরুতে রোপা আমনের চারা বপনের উপযুক্ত সময়। কিন্তু এ বছরে পর্যাপ্ত বৃষ্টি না হওয়ার কারণে একটু দেরিই হয়ে গেল। সঠিক সময়ে বৃষ্টি না হওয়ার কারণে অনেক শ্রমিকরা অন্য পেশায় চলে গেছেন। তাছাড়া কম হাজিরায় কাজ করতে চাই না। তাই বাহিরের জেলা থেকে শ্রমিকরা চুক্তিতে কাজ করছেন।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি অফিসের অতিরিক্ত কৃষি কর্মকর্তা মাহমুদা ইন্না জানান, ঈশ্বরদী পৌর এলাকাসহ উপজেলার সাতটি ইউনিয়নে চলতি বছর খরিপ-২ রোপা আমন উফশী জাতের ধান আবাদ হচ্ছে। আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে তিন হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে। শ্রাবণের শুরুতে এ জাতের ধান রোপণের মৌসুম। ঈশ্বরদী পৌর এলাকাসহ উপজেলায় ২০১ হেক্টর জমিতে চারা রোপণ করেছেন চাষিরা।

তিনি আরও জানান, উপজেলার সাত ইউনিয়নে ১৮১ হেক্টর জমি চাষের উপযোগী করতে ব্যাস্ত সময় পার করছেন কৃষকরা। এখানে রোপা আমনের ব্রি-ধান জাতের আবাদ করেন এ এলাকার কৃষকরা। বড় ধরনের প্রাকৃতিক দূর্যোগ বা ধান গাছের রোগবালাই কম হলে এবারে বাম্পার ফলন ঘরে তুলবেন কুষকরা।

ঈশ্বরদী আবহাওয়া অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. হেলাল উদ্দিন জানান, চলতি বছরে আষাঢ় মাসে প্রয়োজনের তুলনায় বৃষ্টিপাত কম হয়েছে। তাপমাত্রা ৩৫ থেকে ৩৬ ডিগ্রী সেলসিয়াসে উঠানামা করেছে। তবে শ্রাবণের মাঝামাঝি সময়ে বৃষ্টি হওয়ার বেশ ভালো সম্ভাবনা আছে।

ঈশ্বরদী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা ও কৃষিবিদ মিতা সরকার জানান, ঈশ্বরদী পৌর এবং উপজেলার সাত ইউনিয়নে সরকারিভাবে কৃষি প্রণোদনা হিসেবে ৭০০ প্রান্তিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে রোপা আমন ধানের বীজ ও সার বিতরণ করা হয়েছে।

তিনি আরও জানান, তাদের দেওয়া ধানের জাতগুলো হচ্ছে- উপসী রোপা আমন ব্রি-ধাণ-৮৭, ৮০, ৭৫ ও ১৭। এসব আধুনিক আমন ধান চাষ করে সেচ ছাড়া ও কম সার ব্যবহার করে বাম্পার ফলন পাওয়া সম্ভব। এছাড়া কৃষকদের পরামর্শ দিতে আমাদের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে কাজ করছেন। আর সঠিকভাবে পরিচর্যা করতে পারলে বিঘা প্রতি ৩০ মন পর্যন্ত ধানের ফলন পাওয়া সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৯, ২০২২ ৮:৩১ পূর্বাহ্ন
ঘুরে দাঁড়াচ্ছে গমের বাজার
কৃষি বিভাগ

সর্বনিম্ন নামার পর এবার ঘুরে দাঁড়াচ্ছে গমের বাজার। ইতোমধ্যে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে (সিবিওটি) বেড়েছে গমের ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য। এমনই খবর প্রকাশ করেছে বিজনেস রেকর্ডার। রাশিয়ান প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানায়, ইউক্রেনের গম রফতানি ফের চালু করতে সহায়তার প্রস্তাব দিয়েছে রাশিয়া। কিছুদিন আগে ইস্তানবুলে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে বিষয়টি আরো গতি পায়। এ-সংক্রান্ত একটি চুক্তিও শিগগিরই স্বাক্ষর করা হবে। তবে রফতানিতে এখনো কোনো অগ্রগতি দেখছেন না সংশ্লিষ্টরা। এদিকে গমের পাশাপাশি ভুট্টা ও সয়াবিনের দামও বেড়েছে।

সংশ্লিষ্টরা বলছেন, সম্প্রতি ইউক্রেনের গম রফতানি বাড়ার সম্ভাবনা দেখা দিয়েছিল। কিন্তু প্রত্যাশা অনুযায়ী রফতানি বাড়েনি। ফলে গমের দাম আরো বাড়তে পারে।

সর্বশেষ কার্যদিবসে শিকাগো বোর্ড অব ট্রেডে গমের ভবিষ্যৎ সরবরাহ মূল্য ২ শতাংশ বেড়েছে। প্রতি বুশেলের মূল্য স্থির হয়েছে ৭ ডলার ৯২ সেন্ট। এর আগে শস্যটির দাম ৭ ডলার ৬৬ সেন্টে নেমে গিয়েছিল, যা ১০ ফেব্রুয়ারির পর সর্বনিম্ন।

সিডনিভিত্তিক কৃষি ব্রোকারেজ ইকন কমোডিটিজের পরামর্শক পরিষেবা বিভাগের পরিচালক ওলে হো বলেন, কৃষ্ণ সাগরীয় অঞ্চলে প্রত্যাশা অনুযায়ী গম রফতানি না বাড়ার খবরে ঊর্ধ্বমুখী হয়েছে গমের ফিউচারস মার্কেট।

এদিকে গম উৎপাদন কমে যাওয়ার আশঙ্কা করছে ইউরোপীয় ইউনিয়ন। ২০২২-২৩ মৌসুমে ইইউতে সব ধরনের গম উৎপাদন ১২ কোটি ৫০ লাখ টনে নামতে পারে বলে জানিয়েছে ইউরোপিয়ান কমিশন।

সরবরাহ ও চাহিদাসংক্রান্ত প্রতিবেদনে ইউরোপিয়ান কমিশন জানায়, তবে শস্যটির রফতানি রেকর্ড সর্বোচ্চে পৌঁছতে পারে। কিন্তু এর আগের পূর্বাভাসে ১৩ কোটি ৪ লাখ টন উৎপাদনের পূর্বাভাস দেয়া হয়েছিল। শুধু তাই নয়, এ পূর্বাভাস সত্য হলে উৎপাদন ২০২১-২২ মৌসুমের চেয়েও কমবে। ওই মৌসুমে ১৩ কোটি ১ লাখ টন গম উৎপাদন হয়েছিল।

এক প্রতিবেদনে কমিশন জানায়, ফ্রান্স, পোল্যান্ড, রোমানিয়া, স্পেনসহ ইউরোপের বিভিন্ন দেশে আবাদ কমে গিয়েছে। সারসহ উৎপাদন উপকরণের মূল্যবৃদ্ধি ও সংকট কৃষকদের আবাদে নিরুৎসাহিত করছে। এছাড়া খরা ও দাবদাহের প্রভাবও উৎপাদন পূর্বাভাস কমাতে বাধ্য করেছে।

তবে কমিশন ইউরোপীয় ইউনিয়নের গম রফতানি পূর্বাভাস অপরিবর্তিত রেখেছে। পূর্বাভাস অনুযায়ী, ২০২২-২৩ মৌসুমে রফতানি ৩ কোটি ৮০ লাখ টনে উন্নীত হতে পারে। এর মধ্য দিয়ে রফতানি রেকর্ড সর্বোচ্চে উন্নীত হবে। ২০২১-২২ বিপণন মৌসুমে রফতানি প্রাক্কলন ছিল তিন কোটি টন।

চলতি মাসেই ২০২২-২৩ বিপণন মৌসুম শুরু হয়েছে। ব্যবসায়ী ও বিশ্লেষকদের প্রত্যাশা, এ মৌসুমে আন্তর্জাতিক বাজারে ইইউর গমের ব্যাপক চাহিদা তৈরি হবে। কারণ রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধের পর থেকেই বিশ্ববাজারে শস্যটির তীব্র সংকট দেখা দিয়েছে। এক্ষেত্রে দায়ী করা হচ্ছে কৃষ্ণ সাগরীয় অঞ্চলের নিম্নমুখী সরবরাহকে।

রুশ সেনারা ইউক্রেনের কৃষ্ণ সাগরীয় বন্দর অবরুদ্ধ করে রেখেছে। বন্দরে মাইন পুঁতে রাখার অভিযোগও পাওয়া গিয়েছে। ফলে দেশটি পশ্চিম সীমান্তের স্থল, রেল ও নদীবন্দর দিয়ে অত্যন্ত স্বল্প পরিমাণ গম রফতানিতে বাধ্য হচ্ছে।

তথ্য বলছে, প্রতি মাসে ইউক্রেন ৬০ লাখ টন গম রফতানি করলেও যুদ্ধের পর তা ১০ লাখ টনে নেমেছে। অন্যদিকে পশ্চিমা দেশগুলোর নিষেধাজ্ঞার কারণে রাশিয়ার রফতানি প্রবাহও বাধাগ্রস্ত হচ্ছে। এ কারণে আমদানিনির্ভর দেশগুলো ইউরোপসহ বিকল্প উৎস থেকে গম ক্রয়ের দিকে ঝুঁকছে।

এদিকে নিম্নমুখী উৎপাদন ও বাড়তি রফতানির কারণে মজুদ পূর্বাভাস কমিয়েছে কমিশন। পূর্বাভাস অনুযায়ী, নতুন মৌসুমে অঞ্চলটিতে গমের মজুদ ১ কোটি ৩২ লাখ টনে নামতে পারে। আগের মৌসুমের তুলনায় মজুদ ৪০ লাখ টন কমবে। এদিকে গমের পাশাপাশি ভুট্টা, যব ও সরিষা তেলবীজ উৎপাদন পূর্বাভাসও কমিয়েছে ইউরোপিয়ান কমিশন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২২ ১০:০০ পূর্বাহ্ন
গবাদি পশুকে কৃমির আক্রমণ থেকে রক্ষার উপায়
কৃষি বিভাগ

কৃমির আক্রমণের শিকার কেবল মানুষ হয় এমন না। কৃমির আক্রমণ মানুষের ন্যায় প্রাণির উপরও হয়ে থাকে বেশ। আর তাতে করে খামারির চরম ভোগান্তিতে পড়েন, হোন লসের চরম সম্মুখিন। আজকের লেখায় কৃমি থেকে কিভাবে গবাদিপশুকে রক্ষা করবেন সে সম্পর্কে আলোকপাত করা হলো । যা প্রতিটা খামারিদের জন্য খুব প্রয়োজন।

জেনে রাখবেন কৃমি এক ধরনের পরজীবি। যা পশুর ওপর নির্ভর করে জীবন ধারণ করে। এসব পরজীবি পশুর ফুসফুসে, লিভারে, চোখে, চামড়ায় বাস করে ও পশুর হজমকৃত খাবারে বসে থাকে। অনেক কৃমি পশুর রক্ত চুষে দুর্বল করে ফেলে।

গবাদি পশুর বাসস্থানের জন্য নির্ধারিত স্থানের মাটি শুষ্ক ও আশপাশের জমি থেকে উঁচু হওয়া প্রয়োজন। সম্ভব হলে নদীনালা, খালবিল, হাওর-বাওড় থেকে দূরে করতে হবে। গবাদি পশুর খামারের আশপাশে যেন বৃষ্টির পানি এবং অন্যান্য বর্জ্য জমে না থাকে। খামারের জন্য নির্ধারিত স্থানের মাটিতে বালির ভাগ বেশি হওয়া প্রয়োজন যেন বর্ষাকালে খামারের মেঝে কর্দমাক্ত না হয়।

পশুর মলমূত্র ও আবর্জনা অল্প সময় পরপর পরিষ্কার করতে হবে। লক্ষ্য রাখতে হবে যেন ঘরে মলমূত্র ও আবর্জনা জমা না থাকে। গবাদিপশুর বাসস্থান প্রতিদিন আদর্শ ডিটারজেন্ট দিয়ে ধুয়ে এবং জীবাণুনাশক মেশানো পানি দিয়ে জীবাণুমুক্ত করতে হবে। প্রতি চার মাস পর পর কৃমির ওষুধ নিয়মিত খাওয়াতে হবে। সকালে খালি পেটে কৃমির ওষুধ খাওয়ালে সবচেয়ে ভালো হয়। সকালে কৃমির ওষুধ খাওয়ালে বেশি কার্যকর হয়।

গরুকে কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর সময় কিছু নিয়ম জানা খুবই জরুরি। গরুর কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ানোর সময় ট্যাবলেটটি গুঁড়া করে চিটাগুড়ের সঙ্গে মাখিয়ে অথবা কলা পাতাতে করে খাওয়ানো যায়। গরুকে কৃমির ট্যাবলেট খাওয়ানোর পর কমপক্ষে এক ঘণ্টা কোনো ধরনের খাদ্য দেওয়া যাবে না।

কোনোভাবেই দানাদার খাদ্যের সঙ্গে কৃমির ওষুধ খাওয়ানো যাবে না। গরুকে দানাদার খাদ্যের সঙ্গে মিশালে কীটনাশক ট্যাবলেটে তেমন কোনো কাজ করে না।

গর্ভবতী গাভীর ঔষধ প্রদানের কমপক্ষে ৪৫ দিন পর কীটনাশক ট্যাবলেট খাওয়াতে হবে। তবে গর্ভবতী গাভীকে খাওয়ালে সমস্যা নেই। কোনোভাবে মাত্রার চেয়ে কম পরিমাণে খাওয়ানো যাবে না। মাত্রার চেয়ে কম খাওয়ালে কৃমি না মরে গিয়ে আরও বেশি আক্রমণ করবে। গর্ভবতী গাভীকে ট্যাবলেট খাওয়ানোর সময় অবশ্যই সর্তকতা অবলম্বন করতে হবে।

গরু যখন ঘাস খায় তখন মুখের মাধ্যমে একটা গরু থেকে অন্য গরুতে কৃমি ছড়াতে পারে। গরুর কৃমি রোগের আক্রান্তের লক্ষণ বেশ কিছু লক্ষণ রয়েছে। যেমন গরুর খাবারে অরুচি হয়ে দেখা দেয়। পাশাপশি ঘনঘন পেট ফাঁপা দেখা দিবে। শক্ত না হয়ে নরম পায়খানা বের হবে, গরুর শরীরে রক্ত কমে গরু দুর্বল হয়ে পড়বে। গরুর স্বাস্থ্যের উন্নতি হবে না। লোম বিবর্ণ হয়ে যায়। দুর্গন্ধযুক্ত পাতলা পায়খানা হয়। মাঝে মাঝে কোষ্ঠকাঠিন্য দেখা দেয়। কোনো কোনো সময় গলার নিচে পানি জমে ফুলে ওঠে রক্তস্বল্পতা দেখা যায়।

কৃমি হলে গবাদি পশুকে অ্যালবেনডাজল বা প্যারাজল অথবা ফেনভিক ঔষধ খাওয়াতে হবে। এছাড়া ইঞ্জেকশন নাইট্রোকসিনিল আইভারমেকটিন সঙ্গে লিভার মিসল। এগুলো গরম পানির সঙ্গে খাওয়ানো যায়। এগুলো ৪ মাস পর পর দিতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৮, ২০২২ ৯:৫১ পূর্বাহ্ন
ধান গাছের শিকড়ে গিঁট রোগ দূর করার উপায়
কৃষি বিভাগ

ধান আমাদের দেশের প্রধান খাদ্য শস্য। এখন আধুনিক পদ্ধতিতে ধান চাষ করে কৃষকরা আগের চেয়ে অনেক বেশি পরিমাণ ফসল উৎপাদন করছেন। তবে ধান চাষের সময় কিছু কিছু রোগবালাই এ ফসলের ব্যাপক ক্ষতি করে। এর মধ্যে ধান গাছের শিকড় গিঁট রোগ ধানের মারাত্নক ক্ষতিক র। ফলে ধানের শিকড় গিঁট রোগ দমনসহ বিভিন্ন রোগ ও দমন সম্পর্কে আমাদের জানতে হবে।

ধানের শিকড় গিঁট রোগ সাধারণত বীজতলায় এবং বোনা আউশ ক্ষেতে চারা অবস্থায় দেখা যায়। এই কৃমি ধান গাছের প্রাথমিক অবস্থায় শুকনো মাটিতে গাছের শিকড়ে আক্রমণ করে।

আক্রান্ত গাছ বেঁটে, পাতা হলদে এবং শুকিয়ে যেতে থাকে। আক্রান্ত গাছের শিকড়ের মধ্যে গিঁট দেখা যায়। গাছ বাড়তে পারে না এবং দুর্বল হয়।

শিকড় গিঁট রোগ দমন করতে হলে আক্রান্ত বীজতলা বা জমি পানিতে ডুবিয়ে রাখলে আক্রমণের প্রকোপ কমানো যায়। চাষাবাদে শস্যক্রমে পরিবর্তন আনতে হবে। বীজতলা বা আউশ ক্ষেতে বিঘা প্রতি ২.৫-৩.০০ কেজি ফুরাডান অথবা কুরাটার ছিটিয়ে দিতে হবে।

তথ্য সূত্র: কৃষি তথ্য সার্ভিস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ২৭, ২০২২ ৪:১৪ অপরাহ্ন
বাকৃবিতে “সুনীল অর্থনীতি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক একটি নতুন দিগন্ত” সেমিনার অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

কৃষিবিদ দীন মোহাম্মদ দীনু: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালর প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের আয়োজনে “সুনীল অর্থনীতি বাংলাদেশের আর্থ-সামাজিক একটি নতুন দিগন্ত” সেমিনার ২৭ জুলাই ২০২২ বুধবার বেলা ১১.৪৫ মিনিটে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের কনফারেন্স রুমে অনুষ্ঠিত হয়। প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের প্রধান প্রফেসর ড. চয়ন গোস্বামী এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাকৃবির উচ্চ শিক্ষা ও গবেষণা কমিটির কো-অর্ডিনেটর প্রফেসর ড. মোঃ রফিকুল ইসলাম। বিশেষ অতিথি ছিলেন পরিকল্পনা ও উন্নয়ন শাখা ভারপ্রাপ্ত পরিচালক, প্রফেসর ড. মোঃ আবু হাদী নূর আলী খান। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন ইউজিসি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব ফেলো ২০২১ প্রফেসর ড. এম আফজাল হোসাইন। আরো বক্তব্য রাখেন মৎস্য বিজ্ঞান অনুষদের ফিশারিজ টেকনোলজি বিভাগের প্রফেসর ড. নওশাদ আলম এবং প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের প্রফেসর ড. মোঃ গোলাম মর্তুজা। সেমিনারে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থী,আমন্ত্রিত অতিথিগণ উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠানে সঞ্চালনায় ছিলেন সহকারী প্রফেসর শায়লা শারমিন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop