১১:৪৯ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২৭ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অগাস্ট ৬, ২০২২ ১২:২৭ অপরাহ্ন
পতিত জমিতে যেভাবে ফেলনের চাষ করবেন
কৃষি বিভাগ

ফেলন একটি ডাল জাতীয় ফসল। পর্যাপ্ত সূর্যের আলোযুক্ত পতিত জমিতে এ ডাল জাতীয় ফসল চাষ করতে পারেন।

এটি খুব সহজে সেচ ছাড়াই চাষ করা যায়। বাজারে এটির বেশ চাহিদা রয়েছে।

বেলে দো-আঁশ থেকে এঁটেল দো-আঁশ মাটিতে ফেলন চাষ করা যায়। জমি উঁচু ও মাঝারি উঁচু নিকাশযুক্ত হওয়া আবশ্যক।

জমিতে পানি জমলে ফেলন গাছ মারা যায়। এটি জলাবদ্ধতা সহ্য করতে পারে না।

প্রথমে ৩ থেকে ৪টি চাষ ও মই দিয়ে জমি ঝুরঝুরা করতে হবে। তেমন ঝুরঝুরা না হলেও সমস্যা নেই। বীজ মাটির মধ্যে প্রবেশ করালেই গাছ গজিয়ে যায়। বীজ প্রধানত ছিটিয়ে বপন করা হয়। সারিতে বপন করলে সারি থেকে সারির দূরত্ব ৩০ থেকে ৪০ সেন্টিমিটার এবং গাছ থেকে গাছ ১০ সেন্টিমিটার রাখতে হবে।

সাধারণত সারিতে না করলেও সমস্যা নেই। সময় স্বল্পতা থাকলে ছিটিয়ে বীজ রোপণ করা যায়।

অগ্রহায়ণ মাস অর্থাৎ মধ্য-নভেম্বর থেকে মধ্য-ডিসেম্বর মাস পর্যন্ত এটি বপনের উপযুক্ত সময়। প্রতি হেক্টরে ৪০ থেকে ৫০ কেজি বীজ বপন করতে হবে। ভালো ফলনের জন্য জমিতে সার দিতে হবে। ইউরিয়া সার প্রতি হেক্টরে ২০ থেকে ৩০ কেজি, টিএসপি ৪০ থেকে ৪৫ কেজি প্রতি হেক্টরে, এমপি সার ২০ থেকে ৩০ কেজি প্রতি হেক্টরে, অণুজীব সার ৪ থেকে ৫ কেজি সার প্রয়োগ করতে হবে।

শেষ চাষের সময় সব সার এক সঙ্গে জমিতে প্রয়োগ করতে হবে। বপনের ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে একবার

আগাছা দমন করা প্রয়োজন। সাধারণত ফেলনের জমিতে সেচের প্রয়োজন হয় না। তবে গাছে ফলন আসার সময় একটি সেচ দিতে পারলে ভালো ফলন হয়। মধ্য-চৈত্র থেকে চৈত্রের শেষ সপ্তাহ এর ফসল সংগ্রহ করা যায়।

সূত্র :জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২২ ৫:৫১ অপরাহ্ন
সারাদেশে ট্যুরিস্ট পুলিশের বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি
কৃষি বিভাগ

সারাদেশে একযোগে ট্যুরিস্ট পুলিশের স্থাপনায় সকল পতিত ও পরিত্যক্ত জমিতে মাসব্যাপী সবজি চাষ এবং বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি উদ্বোধন করেছে ট্যুরিস্ট পুলিশ। 

ট্যুরিস্ট পুলিশ প্রধান অতিরিক্ত আইজিপি রাজধানীতে তাঁর সরকারি অফিস প্রাঙ্গণ থেকে ভার্চুয়ালি একটি অনুষ্ঠানের মাধ্যমে এই কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। ট্যুরিস্ট পুলিশের প্রশাসন ও মিডিয়া শাখা এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

উদ্বোধনের পর, অতিরিক্ত আইজিপি অফিসের জন্য বরাদ্দকৃত জমিতে বিভিন্ন সবজির বিজ বপন ও কাঠাল গাছের চারা রোপন করেন। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন মোঃ ইলিয়াস শরীফ বিপিএম (বার), পিপিএম ডিআইজি ট্যুরিষ্ট পুলিশ সহ অতিরিক্ত ডিআইজি, পুলিশ সুপার প্রশাসন, পুলিশ সুপার অপ্স, পুলিশ সুপার লিগ্যাল মিডিয়া, পুলিশ সুপার লজিস্টিক, পুলিশ সুপার ট্রেনিং এবং অন্যান্য উর্ধ্বতন কর্মকর্তা সহ সকল স্তরের পুলিশ সদস্যগন উপস্থিত ছিলেন।

এই সময় সারাদেশের ট্যুরিস্ট পুলিশের রিজিয়ন ও জোনের কর্মকর্তা ও সদস্যরা এক সাথে সকাল ১১ টায় অতিরিক্ত আইজিপি এর সাথে পতিত জমিতে বিভিন্ন সবজি চাষ ও বৃক্ষ রোপণে অংশগ্রহণ করে।

অতিরিক্ত আইজিপি মোহাম্মদ আলী মিয়া বলেন, বৈশ্বিক প্রেক্ষাপট বিবেচনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশনা অনুযায়ী বাংলাদেশ পুলিশের সকল পতিত ও পরিত্যক্ত জমিতে সবজি চাষ এবং বৃক্ষ রোপণ করছি। এই কর্মসূচী এক মাস যাবৎ চলমান থাকবে। আমি ইতিমধ্যে সারা দেশের সকল রিজিয়ন পুলিশ সুপার ও জোন ইনচার্জদের সকল পতিত ও পরিত্যক্ত জমিতে সবজি চাষ এবং বৃক্ষ রোপণ নির্দেশনা প্রদান করেছি।

তিনি বলেন, জনসচেতনার লক্ষ্যে এই প্রথম আমরাই দেশে একযোগে এই ধরণের কর্মসূচি হাতে নিয়েছি।

মিডিয়া শাখার পুলিশ সুপার মোহাম্মদ আব্দুল হালিম বলেন, অতিরিক্ত আইজিপি স্যারের নির্দেশে সকল রিজিয়ন ও জোনের পতিত ও পরিত্যক্ত স্থানে বিভিন্ন ধরণের শাক-সবজি, ফ্লজ বৃক্ষ রোপণ এবং পরিচর্চার বিষয়টি ফলো আপ নেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২২ ৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
খরচ কম আর লাভ বেশি হওয়ায় কচুর মুখি চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা
কৃষি বিভাগ

উৎপাদন খরচ কম আর লাভ বেশি হওয়ায় যশোরের চৌগাছায় বাড়ছে কচুর মুখির চাষ। কোনো রকম ঝুঁকি ছাড়াই মুখি চাষ করা যায়। কম খরচে অধিক ফলন করা যায় বলে চাষিরা কচুর মুখি চাষ করে লাভবান হচ্ছেন।

উপজেলার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের চাষি ফজলুর রহমান বলেন, ১ বিঘা জমিতে লিজ, সার, কীটণাশক সহ ৩০-৪০ হাজার টাকা খরচ হয়। যাতে প্রায় ৫০-৬০ মণ কচুর মুখি উৎপাদন হয়। ৫০-৬০ মণ কচুর মুখির বর্তমান বাজার মূ্ল্য ১ লাখ টাকার বেশি।

চাষিরা জানায়, ধান চাষ করলে বছরে দুটি ফসল হয়। আর ধান চাষে খরচও বেশি। কচুর মুখি চাষ করলে এক জমিতে ৩ বার ফসল উৎপাদন সম্ভব। এতে লাভও বেশি।

উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, গত বছরের তুলনায় এবছর ৫০ হেক্টর বেশি জমিতে কচুর মুখি চাষ হয়েছে। ন্যায্য দাম পেলে কচুর মুখি চাষ আরো বৃদ্ধি পাবে বলে জানান তারা।

উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা চাঁদ আলী বলেন, ধান চাষে লাভ কম কিন্তু ঝুঁকি বেশি। তাই চাষিরা কচুর মুখি চাষে বেশি আগ্রহী। ইরি-বোরো ও আগাম মুখি একই সময়ে চাষ হয়ে থাকে। জানুয়ারিতে কচুর কন্দ জমিতে রোপনের পর মে মাসের শুরুতেই তা বাজারজাত করা যায়। তাই ইরি ধানের চাষ কমিয়ে চাষিদের কচুর মুখি চাষের পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ।

চৌগাছা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা রইচ উদ্দীন বলেন, কচুর মুখি কোনো রকম রাসায়নিক সার ছাড়া শুধু জৈব সার(গোবর) দিয়েই চাষ করা যায়। এতে কম সময়ে কম ঝুঁকিতে কচুর মুখি উৎপাদন করা সম্ভব। তাই চাষিরা কচুর মুখি চাষে ঝুঁকছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৫, ২০২২ ৮:২৮ পূর্বাহ্ন
কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হওয়ায় নওগাঁয় রোপা আমন রোপণের উৎসব
কৃষি বিভাগ

কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হওয়ার সাথে সাথে নওগাঁ জেলার অবারিত মাঠ জুড়ে রোপা আমন ধানের চারা রোপণের উৎসব পরিলক্ষিত হচ্ছে। দীর্ঘদিন বৃষ্টি না থাকায় আমন ধান রোপণ নিয়ে কৃষকদের মধ্যে যে হতাশা দেখা দিয়েছিল, তা এখন আশায় পরিণত হয়েছে।

মাঠে মাঠে জমিতে হাল চাষ, সেচ দেয়া, বীজতলা থেকে চারা উত্তোলন আর সে চারা জমিতে রোপণে ব্যস্ত সময় পার করছেন এ জেলার কৃষকরা। ক্ষেতের পানিতে কলের লাঙ্গল আর দেশীয় জাতের লাঙ্গলের শব্দ, দূর থেকে ভেসে আসা কৃষকদের নানা হাঁকডাকে মুখরিত এখন দিগন্ত জোড়া মাঠ।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক মঞ্জুরে মওলা জানেিয়ছেন, নওগাঁ জেলায় জমিতে খরিপ-২/ রোপা আমন ধানের চারা রোপণের ভরা মৌসুম হচ্ছে জুলাই মাসের মাঝামাঝি থেকে সেপ্টেম্বর মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত। কাঙ্ক্ষিত বৃষ্টি হওয়ায় এ জেলার কৃষকরা তাদের জমিতে পুরোদমে ধান লাগাতে শুরু করেছেন।

সূত্রমতে এ বছর জেলায় ১ লাখ ৯৭ হাজার ১১০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ১ হাজার হেক্টর, উন্নত ফলনশীল (উফশী) জাতের ১ লাখ ৭১ হাজার হেক্টর এবং স্থানীয় জাতের ২৫ হাজার ১১০ হেক্টর।

উপজেলা ভিত্তিক ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা হচ্ছে নওগাঁ সদর উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ২৫০ হেক্টর, উফশী জাতের ৮ হাজার ৭২০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১ হাজার ১৫ হেক্টরসহ মোট ৯ হাজার ৯৮৫ হেক্টর।

রানীনগর উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ৩০ হেক্টর, উফশী জাতের ১৭,৪৪০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১২২০ হেক্টরসহ মোট ১৮ হাজার ৬৯০ হেক্টর।

আত্রাই উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ১০০ হেক্টর, উফশী জাতের ৫,৩০০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১২৯৫ হেক্টরসহ মোট ৬ হাজার ৬৯৫ হেক্টর।

বদলগাছি উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ৫ হেক্টর, উফশী জাতের ১২,৭৯০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১৫৩০ হেক্টরসহ মোট ১৪ হাজার ৩২৫ হেক্টর। মহাদেবপুর উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ৩১০ হেক্টর, উফশী জাতের ১৮,৬২০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৯৬৮৫ হেক্টরসহ মোট ২৮ হাজার ৬১০ হেক্টর। পতœীতলা উপজেলায় হাইবিড জাতের ৭০ হেক্টর, উফশী জাতের ২৩,০৭০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৪০১০ হেক্টরসহ মোট ২৭ হাজার ১৫০ হেক্টর। ধামইরহাট উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ২১০ হেক্টর, উফশী জাতের ১৯,৬৫৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৫৯০ হেক্টরসহ মোট ২০,৪৫৫ হেক্টর। সাপাহার উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ৫ হেক্টর, উফশী জাতের ৮৫৪৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১২৪০ হেক্টরসহ মোট ৯,৭৯০ হেক্টর। পোরশা উপজেলায় হাইবিড জাতের ৫ হেক্টর, উফশী জাতের ১৪,৪৭৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ১১০০ হেক্টরসহ মোট ১৫,৫৮০ হেক্টর, মান্দা উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ১০ হেক্টর, উফশী জাতের ১৫,৬৩০ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ২৮৫ হেক্টরসহ মোট ১৫,৯২৫ হেক্টর এবং নিয়ামতপুর উপজেলায় হাইব্রিড জাতের ৫ হেক্টর, উফশী জাতের ২৬,৭৫৫ হেক্টর ও স্থানীয় জাতের ৩১৪০ হেক্টরসহ মোট ২৯,৯০০ হেক্টর।

চলতি আমন মৌসুমে চাষকৃত জমির ধান থেকে মোট ৬ লক্ষ ২১ হাজার ৪৭৭ মেট্রিকটন চাল উৎপাদিত হবে বলে প্রত্যাশা কৃষি বিভাগের। এর মধ্যে হাইব্রিড ধান থেকে ৪২৯০ মেট্রিকটন, উফশী জাতের ধান থেকে ৫ লক্ষ ৬৭ হাজার ৭২০ মেট্রিক টন এবং স্থানীয় জাতের ধান থেকে ৪৯ হাজার ৪৬৭ মেট্রিক টন চাল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৪, ২০২২ ৬:৪৬ অপরাহ্ন
সারের দাম নিয়ে কেউ সংকট তৈরি করলে কঠোর ব্যবস্থা: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন, ইউরিয়া সারের দাম বাড়ানোকে কেন্দ্র করে কেউ সংকট তৈরি করলে কঠোর শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। বৃহস্পতিবার (৪ আগস্ট) সচিবালয়ে সারের দাম বৃদ্ধি, মজুতসহ সার্বিক বিষয় নিয়ে সংবাদ সম্মেলনে কৃষিমন্ত্রী এ কথা বলেন।

সারের দাম বাড়ার পরও কৃষকের উৎপাদন খরচ বাড়বে না বলে দাবি করে কৃষিমন্ত্রী বলেন, ইউরিয়ার দাম বৃদ্ধি ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাবে পড়বে না।

তিনি বলেন, ইউরিয়া সারের ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে এবং চলমান বৈশ্বিক পরিস্থিতিতে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম অস্বাভাবিক বৃদ্ধি পাওয়ায় দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২২ টাকা পূর্ননির্ধারণ করেছে সরকার।

বর্তমানে দেশে সব ধরণের সারের পর্যাপ্ত মজুত আছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, সারের দাম বৃদ্ধিকে কেন্দ্র করে দেশের কোথাও যাতে কেউ কৃত্রিম সংকট তৈরি করতে না পারে- সেই ব্যাপারে আমরা নিবিড়ভাবে মনিটর করছি। কৃত্রিম সংকট তৈরির মাধ্যমে দাম বেশি নিলে সংশ্লিষ্টদের কঠোর শাস্তির আওতায় আনা হবে।

ফসলের জমিতে সুষম সার প্রয়োগ খুবই গুরুত্বপূর্ণ জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা ইউরিয়া সারের বর্তমান ব্যবহার কমপক্ষে ২০ শতাংশ কমিয়ে ইউরিয়ার ব্যবহার যৌক্তিক পর্যায়ে রাখতে পারি। এতে ফসল উৎপাদনে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে না, বরং উৎপাদন আরও বৃদ্ধি পাবে। একই সঙ্গে কৃষকের খরচও কমবে। এটি করতে হলে আমাদের কৃষক ভাইসহ সবার সচেতনতা প্রয়োজন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৪, ২০২২ ৬:৩৮ অপরাহ্ন
ঘেরের পানিতে মাছ, পাড়ে সবজি
কৃষি বিভাগ

ঘেরের পানিতে নানা প্রজাতির মাছ, পাড়ে কৃষক বহুস্তর ভিত্তিক সবজির চাষ করেছেন। ফলছে সোনালী ফসল। লাভবান হচ্ছেন কৃষক। এতে তারা অর্থনৈতিকভাবে ঘুরে দাঁড়িয়েছে।

সূত্র জানিয়েছেন, এই প্রযুক্তিতে মাটি ও সার ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে ঘেরের পাড়ে বিভিন্ন প্রকার সবজি উৎপাদন করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাধ্যমে কৃষক পর্যায়ে ছড়িয়েছে গোপালগঞ্জ, খুলনা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা ও পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প এর জিকেবিএসপি প্রকল্প। এই প্রকল্পের মাধ্যমে ঘেরের পাড়ে বহুস্তর ভিত্তিক সবজি চাষের গবেষণা বাস্তবায়িত হয়েছে।

কৃষক একই সাথে ঘেরের পাড়ে লাউ, বরবটি, চালকুমড়া, মিষ্টি কুমড়া ও মরিচসহ নানা রকমের সবজি চাষ করেছেন। আবাদ ও ফলনও ভালো হচ্ছে। এই বহু মাত্রিক সবজি চাষে কৃষকরা অধিক লাভবান হচ্ছেন।

গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর এই ৫ জেলায় প্রকল্পের আওতায় ৬৫টি ঘেরের পাড়ে ২৫০বিঘা ঘের রয়েছে। ৬৫জন কৃষক মধ্য মার্চ থেকে চাষ করছেন। প্রান্তিক পর্যায়ে কৃষকরা অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হচ্ছেন।

গোপালগঞ্জ জেলার টুঙ্গিপাড়ায় গোপালপুর ও সদর উপজেলার রঘুনাথপুর, বাগেরহাটের যাত্রাপুর এলাকার মোর্শেদপুর, খুলনার ডুমুরিয়ার কুলবাড়িয়া এবং সাতক্ষীরার সদরে ঘেরের পাড়ে চাষ করা হয়েছে এই সবজি। বর্ষাকালে সেচের সংকট নেই।

সম্ভাবনাময় মৎস্য ঘেরের পাড়ে মাচায় ঝুলছে নানা রকম সবজি। উন্নত প্রযুক্তিতে চাষ করলে ফলন ভালো হয়। এ বছর বৃষ্টির অভাবে সবজির ক্ষতি হলেও বর্ষায় ক্ষতি পুষিয়ে নিচ্ছেন কৃষক। নিয়মিত সার ও কীটনাশক প্রয়োগ করতে হয়। আগাছা দমন করতে হবে। এই প্রকল্প থেকে কৃষকদের বিনামূল্যে প্রশিক্ষণ, বীজ, সার, কীটনাশক এবং শ্রমিকদের শ্রম মজুরি প্রদান করা হয়েছে।

সরকার দক্ষিণ পশ্চিম অঞ্চলে কৃষি বিপ্লব ঘটানোর জন্য নানা উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। কৃষক ঘেরের পাড়ে সবজি চাষে উৎসাহিত হচ্ছেন। স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে অধিক দামে সবজি বিক্রি করছেন।

বটিয়াঘাটা উপজেলার বয়ারভাঙ্গা গ্রামের কৃষক দিবাংশু মন্ডল বলেন, বেশ ভালো দামে সবজি বিক্রি করা হচ্ছে। আগের তুলনায় অর্থনৈতিক লাভবান হয়েছি।

ডুমুরিয়া উপজেলার কুলবাড়িয়া গ্রামের অরিন্দম গাইন বলেন, প্রশিক্ষণ, বীজ, সার ও শ্রমিকের মজুরিসহ সব কিছু এই প্রকল্প থেকে বিনামূল্যে দেয়া হয়েছে। তাদের উদ্ভাবিত প্রযুক্তি ব্যবহার করায় ফলন ভালো হয়েছে। বিক্রিও বেশ ভালো।

গোপালগঞ্জ-খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা-পিরোজপুর কৃষি উন্নয়ন প্রকল্প (জিকেবিএসপি প্রকল্প) কর্মকর্তা অমরেন্দ্রনাথ বিশ্বাস বলেন, কৃষককে দিয়ে প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছে। আবাদ ভালো হয়েছে। নানা প্রকার সবজি চাষে অর্থনৈতিকভাবে কৃষকদের ভাগ্যের চাকা ঘুরছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ৩, ২০২২ ৭:১৫ অপরাহ্ন
আন্তর্জাতিক বাজারে কমলে দেশেও সারের দাম কমবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ৬ টাকা বাড়ানোর ফলে উৎপাদনে প্রভাব পড়বে না বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগের প্রেসিডিয়াম সদস্য ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম কমলে দেশেও সারের দাম কমানো হবে।’

বুধবার (৩ আগস্ট) বরিশাল শহরের শিল্পকলা অ্যাকাডেমি মিলনায়তনে বরিশাল বিভাগসহ উপকূলীয় অঞ্চলে তেল ফসল ও ধানের উৎপাদন বৃদ্ধি শীর্ষক কর্মশালা শুরুর আগে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ব্রি) ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর (ডিএই) এ কর্মশালার আয়োজন করে।

কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এ সময় কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘সরকার ইউরিয়া সারের সুষম ব্যবহারের ওপর গুরুত্বারোপ করে আসছে। কৃষকদের মধ্যে ইউরিয়া সার বেশি ব্যবহার করার প্রবণতা রয়েছে। ডিএপি সারে শতকরা ১৮ ভাগ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সেজন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য প্রতিকেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে প্রথমে ২৫ টাকা (২০০৯ সালে) এবং পরে ২০১৯ সালে ২৫ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘ডিএপির ব্যবহার বৃদ্ধির ফলে ভেবেছিলাম ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমবে, কিন্তু কমেনি।’ দাম বৃদ্ধির ফলে ইউরিয়ার ব্যবহার কমবে বলে আশা প্রকাশ করেন মন্ত্রী।

উল্লেখ্য, ১ আগস্ট থেকে সরকার ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে ৬ টাকা বৃদ্ধি করে ডিলার পর্যায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতি কেজি ১৪ টাকা থেকে বাড়িয়ে ২০ টাকা এবং কৃষক পর্যায়ে প্রতি কেজি ১৬ টাকা থেকে বাড়িয়ে প্রতি কেজি ২২ টাকা পুনর্নির্ধারণ করেছে। আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতি কেজি ইউরিয়া সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২, ২০২২ ৫:১৮ অপরাহ্ন
মাদককারবারির বাড়ি থেকে ৬ চোরাই গরু উদ্ধার
কৃষি বিভাগ

বগুড়ার সোনাতলায় বহুল আলোচিত মাদক কারবারি ছবি আক্তারের বাড়ি থেকে ৬টি চোরাই গরু উদ্ধার করেছে থানা পুলিশ।

এ সময় ছবি আক্তার পালিয়ে গেলেও তার স্বামী শহিদুল ইসলাম ও ছেলে সিয়ামকে (১৯) আটক করা হয়েছে।

শনিবার রাতে তার বসতবাড়িতে অভিযান চালিয়ে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়।

সোনাতলা থানার সাব ইন্সপেক্টর আমিনুল ইসলাম জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে সোনাতলা পৌর এলাকার ভূমি অফিসের পাশে তার নিজ বাড়ি থেকে ৬টি গরু উদ্ধার করা হয়। এ সময় তার ছেলে সিয়াম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য থানায় আটক করা হয় এবং রোববার তার স্বামীকেও আটক করা হয়।

এ ব্যাপারে সোনাতলা থানার অফিসার ইনচার্জ মো: জালাল উদ্দীন বলেন, চোরাই গরু রাখার সংবাদের ভিত্তিতে ছবি নামের এক নারীর বাড়ি থেকে গরুগুলো উদ্ধার করা হয়েছে এবং একটি মামলা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ২, ২০২২ ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
নিরাপদ সবজি চাষ করছেন খানসামার চাষিরা
কৃষি বিভাগ

কৃষি ক্ষেত্রে সবজি চাষে মাত্রাতিরিক্ত রাসায়নিক সার ও নানা ধরনের কীটনাশক ব্যবহারে মানুষের স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে। কিন্তু সার ও কীটনাশকমুক্ত সবজি খাওয়ার কথা শুধু ভাবাই যায়, কিন্তু পাওয়া যায় না। এর মধ্যেই নিরাপদ সবজি চাষ করছেন খানসামা উপজেলার বাসুলীসহ বিভিন্ন গ্রামের কৃষক।

এ সবজি চাষে ব্যাপক সফলতা পাওয়ায় তা কৃষক ও কৃষাণিদের কাছে ক্রমেই জনপ্রিয় হয়ে উঠছে। চলতি মৌসুমেও বিষমুক্ত সবজি চাষ করছেন তারা। সম্পূর্ণ পরিবেশবান্ধব, রাসায়নিক সার ও বালাইনাশক ছাড়াই এসব সবজি চাষ করা হচ্ছে।

তবে এসব সবজির দাম অন্য সবজির তুলনায় কিছুটা বেশি বলে জানান কৃষকরা।

উপজেলা কৃষি বিভাগ জানায়, উপজেলায় মোট ৪ দশমিক ৮ একর জমিতে নিরাপদ সবজি চাষ হয়েছে। এতে সার্বক্ষণিক কৃষকদের সহায়তা ও পরামর্শ দিচ্ছে কৃষি বিভাগ। উপজেলার বাসুলী, শুশুলী ও ফরিদাবাদসহ বিভিন্ন গ্রামে চাষ হচ্ছে বিষমুক্ত চালকুমড়া, করলা, পটোল, শসা, বেগুন ও পানিকুমড়া।

সরেজমিনে দেখা যায়, খেতের মধ্যে স্থাপন করা হয়েছে সেক্সফেরোমন ফাঁদ। পুরুষ পোকাকে আকৃষ্ট করতে এ ফাঁদে স্ত্রী পোকার শরীর থেকে নিঃসৃত এক ধরনের রাসায়নিক পদার্থ বা স্ত্রী পোকার গন্ধ ব্যবহার করা হয়। এর ফলে পুরুষ পোকা ফাঁদের দিকে ধেয়ে আসে এবং ফাঁদে পড়ে মারা যায়। এতে জমির ফসল পোকামাকড় থেকে রক্ষা পায়। অতীতে এসব কীট দমনে ব্যবহার হতো বিষাক্ত রাসায়নিক সার ও কীটনাশক। এছাড়াও রাসায়নিক সারের পরিবর্তে জমিতে ব্যবহার করা হচ্ছে জৈব সার ও কেঁচো সার।

বাসুলী গ্রামের কৃষক আহমদ আলী বলেন, কয়েক বছর আগে আমরা জমিতে কীটনাশক স্প্রে করে বিভিন্ন জাতের শাকসবজি আবাদ করেছি। তবে আমরা জানতাম না এতে ফসল বিষাক্ত হয় এবং এসব খেয়ে মানুষ নানা রোগব্যাধিতে আক্রান্ত হতেন। কৃষি বিভাগের কাছ থেকে জানার পর আমরা সিদ্ধান্ত নিয়েছি মানুষকে আর বিষ খাওয়াব না। বর্তমানে আমাদের গ্রামের সবাই নিরাপদ সবজি চাষ করছে।

একই এলাকার কৃষানি সুমি আক্তার বলেন, বাজারে বিষমুক্ত সবজির দাম বেশি হওয়ায় অল্প খরচে ভালো টাকা উপার্জন সম্ভব হয়। বাজারে এই সবজির চাহিদাও বেশি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা বাসুদেব রায় বলেন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের নির্দেশনায় উপজেলায় নিরাপদ সবজি চাষ করতে বাসুলী, শুশুলী ও ফরিদাবাদ গ্রামের কৃষকদের সংগঠিত করে জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করে স্বাস্থ্যসম্মত সবজি চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অগাস্ট ১, ২০২২ ৪:৫২ অপরাহ্ন
ইউরিয়া সারের দাম কেজিতে বাড়লো ৬ টাকা
কৃষি বিভাগ

ইউরিয়া সারের ব্যবহার ‘যৌক্তিক পর্যায়ে’ রাখতে এবং বিশ্ব বাজারে অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ার কারণ দেখিয়ে দেশে ডিলার পর্যায়ে ইউরিয়া সারের সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য প্রতিকেজি ২০ টাকা করার কথা জানিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়। এই দাম আগে ১৪ টাকা ছিল।

সোমবার (১ আগস্ট) থেকে নতুন এ দাম কার্যকর হবে। কৃষি মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

পুননির্ধারিত এ মূল্য সোমবার থেকেই কার্যকর হবে।
মন্ত্রণালয়ের বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘আন্তর্জাতিক বাজারে প্রতিকেজি ইউরিয়া সারের বর্তমান দাম ৮১ টাকা। এর ফলে ৬ টাকা দাম বৃদ্ধির পরও সরকারকে প্রতিকেজিতে ৫৯ টাকা ভর্তুকি দিতে হবে।

২০০৫-০৬ অর্থবছরে প্রতিকেজি ইউরিয়া সারের ভর্তুকি ছিল মাত্র ১৫ টাকা।’

মন্ত্রণালয় বলছে, ‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার ২০০৯ সাল থেকে এখন পর্যন্ত সারের মূল্য চার দফা কমিয়ে অত্যন্ত স্বল্প দামে পর্যাপ্ত সার কৃষকের দোরগোড়ায় পৌঁছে দিচ্ছে। ডিএপি সারে শতকরা ১৮ ভাগ নাইট্রোজেন বা ইউরিয়া সারের উপাদান রয়েছে। সেজন্য ডিএপির ব্যবহার বাড়িয়ে ইউরিয়া সারের অপ্রয়োজনীয় ও মাত্রাতিরিক্ত ব্যবহার কমিয়ে আনার জন্য সরকার ডিএপি সারের মূল্য প্রতিকেজি ৯০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৬ টাকা করে কৃষকদের দিয়ে যাচ্ছে। এ উদ্যোগের ফলে বিগত কয়েক বছরে ডিএপি সারের ব্যবহার দ্বিগুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ২০১৯ সালে ডিএপি ব্যবহার হতো ৮ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ১৬ লাখ টন।’
ডিএপি সারের ব্যবহার বাড়ার ফলে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমার কথা। কিন্তু বাস্তবে ইউরিয়া সারের ব্যবহার কমেনি; বরং বেড়েছে। ২০১৯ সালে ইউরিয়া ব্যবহার হতো ২৫ লাখ টন, বর্তমানে ব্যবহার হচ্ছে ২৬ লাখ ৫০ হাজার টন।

অন্যদিকে গত এক বছরে আন্তর্জাতিক বাজারে সারের দাম প্রায় ৩-৪ গুণ বৃদ্ধি পেয়েছে। ফলে দেশে সারে প্রদত্ত সরকারের ভর্তুকিও বেড়েছে প্রায় চার গুণ।

২০২০-২১ অর্থবছরে যেখানে ভর্তুকিতে লেগেছিল সাত হাজার ৭১৭ কোটি টাকা; সেখানে ২০২১-২২ অর্থবছরে লেগেছে ২৮ হাজার কোটি টাকা।

সরকারি তথ্য বলছে, চাহিদার বিপরীতে দেশে সব রকমের সারের পর্যাপ্ত মজুত রয়েছে। আমন মৌসুম (জুলাই-সেপ্টেম্বর) পর্যন্ত দেশে ইউরিয়া সারের চাহিদা ৬ লাখ ১৯ হাজার মেট্রিক টন, বিপরীতে বর্তমানে মজুত রয়েছে ৭ লাখ ২৭ হাজার মেট্রিক টন, যা প্রয়োজনের চেয়ে প্রায় ১ লাখ টন বেশি।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop