৯:৫৮ অপরাহ্ন

শনিবার, ২ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২১ ১১:৫২ অপরাহ্ন
নন্দীগ্রামে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ক্রসব্রিড বকনা বকনা গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার নন্দীগ্রামে সমতল ভূমিতে বসবাসরত অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীর মাঝে ক্রসব্রিড বকনা গরু, গো-খাদ্য ও গোয়াল ঘরের উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

আজ বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর ১২ টায় উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর চত্বরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার শিফা নুসরাতের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান রেজাউল আশরাফ জিন্নাহ।

এ অনুষ্ঠানে ক্ষুদ্র নৃগোষ্ঠীদের মাঝে ২৪টি ক্রসব্রিড বকনা গরু, এক মাসের গো-খাদ্য ও একটি গোয়াল ঘরের জন্য উপকরণ বিতরণ করা হয়। উপকারভোগী প্রদীপ কুমার জানান, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সরকার আমাদের যা দিচ্ছে তা অন্যকোনো সরকার কখনোই দেয়নি। এজন্য আমরা খুশি। অনুষ্ঠানটি পরিচালনা করেন, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আবু তাহের।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য দেন, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অরুনাংশু মন্ডল। বিশেষ অতিথির বক্তব্য রাখেন, উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শ্রাবণী আকতার বানু ও উপজেলা আওয়ামীলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি রফিকুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২১ ৫:৪৭ অপরাহ্ন
ধুনটে গরু পেল ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১১ পরিবার
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ দপ্তরের আয়োজনে বগুড়ার ধুনট উপজেলায় ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর আর্থ সামাজিক ও জীবন মানোন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১১টি উন্নত জাতের ক্রসব্রিড গাভী বিতরণ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার (২৯ এপ্রিল) দুপুর পোনে ১২টার দিকে ধুনট পৌরসভা কার্যালয় প্রাঙ্গণে ১১টি ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী পরিবারের সদস্যদের হাতে এসব গাভী তুলে দেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বগুড়া-৫ (শেরপুর-ধুনট) আসনের সংসদ সদস্য ও বীর মুক্তিযোদ্ধা হাবিবর রহমান।

ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) সঞ্জয় কুমার মহন্তের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ধুনট পৌরসভার মেয়র এজিএম বাদশাহ্, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কমকর্তা ডা. সাইফুল ইসলাম, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মশিদুল হক, ধুনট থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) কৃপা সিন্ধু বালা, ধুনট উপজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি গোলাম সোবহান, শফিকুল ইসলাম, সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল ইসলাম খান, ধুনট পৌরসভার সচিব শাহীনূর ইসলাম, পৌর কাউন্সিলর বাবুল আকতার বাবু, রনজু মল্লিক, আলী আজগর মান্নান, রফিকুল ইসলাম, জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা যুবলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আতিকুর রহমান, উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাকারিয়া খন্দকার প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৯, ২০২১ ২:৩৯ অপরাহ্ন
সাতক্ষীরায় পারিবারিক বিরোধে বিষ প্রয়োগে ৫ ছাগল হত্যা
প্রাণিসম্পদ

পারিবারিক বিরোধের জেরে সাতক্ষীরার শ্যামনগরে ৫টি ছাগলকে খাদ্যের সাথে বিষ মিশিয়ে হত্যার অভিযোগ উঠেছে। যার মূল্য প্রায় ৭০ হাজার টাকা।

বুধবার (২৮ এপ্রিল) সকালে ছাগলগুলো বাবুরাম সরদারের ক্ষেতে ঘাস খেতে গেলে বাবুরাম ছাগলগুলোকে খাদ্যের সাথে বিষ মিশিয়ে খাওয়ায়। এরপর একটি ছাগল ক্ষেতের মধ্যে ও বাকিগুলো বাইরে এসে মারা যায় বরে জানা যায়।

শ্যামনগর উপজেলার বুড়িগোয়ালিনী এলাকার আব্দুল হালিম জানান, পোড়া কাটলা গ্রামের নুর ইসলাম ও আবিয়ার রহমানের সাথে পূর্বদুর্গাবাটি গ্রামের বাবুরাম সরদারের পারিবারিক বিরোধ চলে আসছে। সেই বিরোধের জের ধরে বাবুরাম সরদার বিষ প্রয়োগ করে ৫টি ছাগল হত্যা করেছেন বলে অভিযোগ করেন নুর ইসলাম ও আবিয়ার রহমান।

বিষয়টি স্থানীয়ভাবে মিমাংসার জন্য সাবেক ইউপি সদস্য মৃনাল কুমার চেষ্টা করছেন বলে জানান। ছাগলগুলোর মূল্য ৭০ হাজার টাকা।

এলাকাবাসী আরও জানান, এর আগে শিক্ষক বাবুরাম সরদার ও তার ভাই বিপ্লব আরেক প্রতিবেশির ছাগল তাদের ক্ষেতে গেলে নোনা পানিতে চুবিয়ে হত্যা করেছিল। সম্প্রতি একই গ্রামের ইসমাইল গাজী ও নুর হোসেনের ৩টি ছাগল পানিতে চুবিয়ে মেরেছে বলে অভিযোগ করেন তারা।

এব্যাপারে শ্যামনগর থানার অফিসার ইনচার্জ নাজমুল হুদা জানান, এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত কেউ অভিযোগ করেনি। তবে অভিযোগ করলে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২১ ৯:১৪ অপরাহ্ন
এশিয়ার শীর্ষ ১০০ বিজ্ঞানীর তালিকায় প্রাণী চিকিৎসক সালমা সুলতানা
প্রাণিসম্পদ

গবেষণায় বিভিন্ন ক্ষেত্রে উল্লেখযোগ্য অবদান রাখা এশিয়ার ১০০ জন শীর্ষ বিজ্ঞানীর তালিকা প্রকাশ করেছে সিঙ্গাপুরের বিজ্ঞান বিষয়ক সাময়িকী এশিয়ান সায়েন্টিস্ট। এই তালিকায় প্রথমবারের মতো স্থান করে নিয়েছেন তিন বাংলাদেশি নারী।

সম্প্রতি প্রকাশিত এই তালিকায় স্থান পেয়েছেন তিন বাংলাদেশী বিজ্ঞানী সালমা সুলতানা, ফেরদৌসী কাদরী ও সায়মা সাবরিনা।

তালিকায় স্থান পাওয়া  সালমা সুলতানা হলেন মডেল লাইভস্টক অ্যাডভান্সমেন্ট ফাউন্ডেশনের (এমএএলএফ) চেয়ারম্যান। বাংলাদেশে পশুচিকিৎসাবিষয়ক শিক্ষাবিস্তারে ভূমিকা রয়েছে তাঁর। তিনি পশুর রোগ নির্ণয়ের জন্য ল্যাবরেটরিসহ একটি ভেটেরিনারি হাসপাতালও গড়ে তুলেছেন, যেটা বেসরকারি পর্যায়ে বাংলাদেশে প্রথম। প্রান্তিক পর্যায়ের কৃষকদের পশুর চিকিৎসায় অগ্রণী ভূমিকা রাখার জন্য ২০২০ সালে নরম্যান ই বোরল্যাগ অ্যাওয়ার্ড এবং ওয়ার্ল্ড ফুড প্রাইজ ফাউন্ডেশনের স্বীকৃতি পেয়েছেন তিনি। সালমা সুলতানাকে পশু চিকিৎসা ও খামারিদের কৃষিশিক্ষা ও পশু লালন-পালনে ভূমিকা রাখায় এই স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে।

আইসিডিডিআরবি’র গবেষক ফেরদৌস কাদরী শিশুদের সংক্রামক রোগ প্রতিরোধের বিষয়ে গবেষণা ও টিকাদানে গণসচেতনতা বাড়াতে ভূমিকা রাখায় ইউনেস্কোর পুরস্কার লাভের কারণে তাকে এশিয়ার শীর্ষ বিজ্ঞানীর স্বীকৃতি দেওয়া হয়। এছাড়া বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) গবেষক সায়মা সাবরিনা ন্যানোম্যাটেরিয়াল নিয়ে গবেষণার জন্যে ওডব্লিউএসডি এলসিভিয়ার অ্যাওয়ার্ড লাভের স্বীকৃতিস্বরূপ এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন।

বাংলাদেশ ছাড়াও ভারত, শ্রীলঙ্কা, মালয়েশিয়া, চীন, জাপান, দক্ষিণ কোরিয়া, সিঙ্গাপুর, ফিলিপাইন, হংকং, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড ও ভিয়েতনামের বিজ্ঞানীরা এ তালিকায় স্থান পেয়েছেন। এশিয়ান সায়েন্টিস্টের ওয়েবসাইটে তাদের পরিচয় ও গবেষণার সাফল্য তুলে ধরা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ন
গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে কেশবপুরের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

যশোরের কেশবপুরে উপজেলার খামার ও বিভিন্ন বাড়িতে ৮২ হাজার গৃহপালিত পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। বর্তমানে পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকসহ খামার মালিকরা। গত বছর নদীর নাব্য হারিয়ে অধিকাংশ ঘেরে বোরো আবাদ না হওয়ায় বিচালির তীব্র সংকট দেখা দেয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, কেশবপুর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে ১৯২টি গরুর খামার রয়েছে। এসব খামার ও বিভিন্ন বাড়িতে ৮২ হাজার গৃহপালিত পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। প্রতি বছর কেশবপুরে প্রায় ১৯ হাজার ৫৭৯টি গরু, ছাগল, ভেড়া কোরবানি দেওয়া হয়। এ অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করে এসব পশুর কিছু অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়।

এছাড়া এখানে প্রতিদিন প্রায় ৬৫ হাজার লিটার গরুর দুধ উৎপাদন হয়। এ দুধ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এসব পশু পালনে ও ভালো মানের দুধ উৎপাদনে বিচালিসহ প্রচুর দানাদার পশুখাদ্যের প্রয়োজন হয় বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ।

জানা গেছে, গত বছর সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হলেও ধান সংগ্রহের শেষ মুহূর্তে বৃষ্টিপাত হওয়ায় অপেক্ষাকৃত নিচু জমির বিচালি পচে নষ্ট হয়। ফলে বিচালির তীব্র সংকট দেখা দেয় ও মূল্য বেড়ে যায়। বিচালির এ সংকটের সুযোগে যশোরের বারবাজার ও তার আশপাশের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ভোরে কেশবপুর পাইলট স্কুলের পাশে বিক্রি করতে বিচালি নিয়ে আসেন।

বেতীখোলা গ্রামের কৃষক বিমল রায় জানান, গত বছর জলাবদ্ধতার কারণে তাদের বিলে কোনো ফসল উৎপাদন হয়নি। বিচালির উচ্চমূল্যের কারণে তার এলাকার শত শত কৃষক ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের বুড়িভদ্রা নদী থেকে শেওলা সংগ্রহ করে গরুকে খাওয়াতেন। কিন্তু এখন এ নদীতে পানি না থাকায় শেওলাও সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে করোনার প্রভাবে গরুর শুকনো খাবারের দামও বেড়ে গেছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি খুদ ৪০, ভূষি ৩৫, ভূট্টার গুঁড়া ২৩, ক্যাটল ফিড ৩২ ও সরিষার খৈল ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন লকডাউনের কারণে গরুর দামও কমে গেছে। এতে কৃষকরা গরু বিক্রি করতে পারছেন না। আবার দাম বাড়ায় গরুর খাবারও কিনতে পারছেন না। ফলে তারা পড়েছেন বিপাকে। দোরমুটিয়া মোড়ের খামার মালিক ব্যবসায়ী বিষ্ণুপদ দাস জানান, তার খামারে ২২টি গরু রয়েছে। প্রতি কাউন বিচালি ৬ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বিচালির সংকটের কারণে গরুকে দানাদার খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। এতে গরুর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে খামার মালিকরা এ ব্যবসা থেকে সরে যাবেন বলে মনে করেন তিনি।

উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অলকেশ সরকার জানান, এ উপজেলায় প্রতিদিন খড়ের (বিচালি) চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার কেজি। প্রতি মৌসুমে যে ধান উৎপাদন হয় তাতে চাহিদা মিটে যায়। ধান ওঠার আগে কিছু বিচালির সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এখন ধান কাটা শুরু হয়েছে। ধান উঠে গেলে বিচালির উচ্চ দাম ও সংকট কেটে যাবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২১ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
রান্নাঘরের আগুনে কৃষকের ১৪টি ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে কৃষক সাইদুর রহমানের ১৪টি ছাগল ভস্মীভূত হয়েছে। এছাড়া ৩০ মণ ধান, ১০ মণ আলু ও ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, সদ্য গরু বিক্রির ৫৫ হাজার টাকাসহ ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার নতুন বাস্তপুর গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দামুড়হুদা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিভেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভান তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, সাইদুর রহমানের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই বসতঘর, গোয়ালঘর, বিচালির গাদায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় ঘর থেকে কোনো কিছু বের করার আগেই ৩০ মণ ধান, ১০ মণ আলু, ১৪টি ছাগল, ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, সদ্য গরু বিক্রির ৫৫ হাজার টাকাসহ ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুল হান্নান জানান, সাইদুর রহমানের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত। ১৪টি ছাগল, ধান, চালসহ ঘরের প্রায় সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন। ইউপির পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

কৃষক সাইদুর রহমান জানান, রান্নাঘর থেকে কোনোভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনে আমার সব পুড়ে গেছে। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি। পরিবার নিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করা ছাড়া উপায় নেই।

খবর পেয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলারা রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ৩০ হাজার টাকা তুলে দেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৭, ২০২১ ৪:০১ অপরাহ্ন
সুদ প্রদানে অপারগতায় গরু নিয়ে গেলো কারবারি
পাঁচমিশালি

আট-নয় বছর আগে ঋণ নিয়েছন ৫ হাজার টাকা। আর তাতে পরিশোধ করেছেন ৩০ হাজার টাকা। নতুন করে আবারও ৮৫ হাজার টাকা দাবি করেছেন এক সুদ কারবারি। অপারগতায় হতদরিদ্র দিন মজুরের গরু নিয়ে গেছে ওই কারবারি।

সোমবার চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের বেনীপুর মাঠপাড়ার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা খাতুন জানান, আমরা হতদরিদ্র মানুষ। আমাদের গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে সুদ কারবারী ফিরোজ হোসেনের (৩২) কাছ থেকে গত ৮-৯ বছর আগে সুদে পাঁচ হাজার টাকা নেই। এ পর্যন্ত তাকে আমরা ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। কিন্তু নতুন করে সে আমার কাছে ৮৫ হাজার টাকা দাবি করছে।

তিনি আরো জানান, আমার স্বামী ফরিদপুর জেলায় কাজে থাকায় আমি তাকে টাকা দিতে পারিনি। এতে ফিরোজ ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার সকালে আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে উঠানে বাঁধা বাছুরসহ গাভী গরু খুলে নিয়ে চলে যায়। তার বাড়িতে গরু আনতে গেলে সে আমাকে হুমকি ও গালাগালি করে তাড়িয়ে দেয়।

সীমান্ত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,পুলিশ ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় সন্ধ্যায় ফিরোজ গরু ফেরত দেয়।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার ব্যাপারে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাব-ইন্সপেক্টর সাহাজুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়ার পর তিনি গরুটি উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন। সুদ কারবারির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৬, ২০২১ ৭:১৭ অপরাহ্ন
রামগতি-কমলনগরে অজ্ঞাত রোগে ২ শতাধিক মহিষের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

অজ্ঞাত রোগে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরের চরে বাছুরসহ দুই শতাধিক মহিষের মৃত্যু হয়েছে। মহিষ মালিকের দাবি এতে তার অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। একের পর এক এভাবে মহিষ মরতে থাকায় খামারিরা হতাশায় পড়েছেন; বাড়ছে তাদের দুশ্চিন্তা।

রোগটি নতুন হওয়ায় অনুমানের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে রোগ শনাক্তের জন্য আক্রান্ত মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

খামারি ও রাখালরা জানান, চরে হঠাৎ করে মহিষের অজ্ঞাত রোগ দেখা দেয়। আক্রান্ত মহিষগুলো পায়ে ব্যথা হয়ে অবশ হয়ে দাঁড়াতে পারে না। খাবারে অনীহাসহ ধীরে ধীরে শরীর নিস্তেজ হয়ে ১০ থেকে ১২ দিন পর মারা যায়। অনুমান করে চিকিৎসা দিয়ে আক্রান্ত মহিষ সুস্থ করা যাচ্ছে না।

অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে কমলনগর উপজেলার চরফলকন এলাকার নুরনবী হাওলাদারের ৪০টি, আনোয়ার হোসেন মিয়ার ২৫, দুলালের ১৫, জসিম উদ্দিনের ১৫, চরজগবন্ধু এলাকার স্বপন মিয়ার ১৫, রামগতি উপজেলার শাহাদাত হোসেনের সাতটিসহ দুই শতাধিক মহিষ মারা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মহিষ মালিক শাহাদাত হোসেন ও আনোয়ার হোসেন জানান, মহিষে রোগ দেখা দিলে ব্যথানাশক ওষুধের মাধ্যমে রোগটি নিরাময়ের চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু এতে কোনো কাজ না হয়ে আক্রান্ত মহিষগুলোর মৃত্যু হয়। অজ্ঞাত এ রোগে আনোয়ার হোসেনের ২৫টি মহিষের মৃত্যু হয়েছে; তার ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা। এভাবে মহিষ মরতে থাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন মহিষ মালিকরা।

রামগতি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন ও কমলনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান জানান, সরেজিমন চরে গিয়ে রোগাক্রান্ত মহিষগুলো দেখেছেন। ইতোমধ্যে রোগ শনাক্তের জন্য আক্রান্ত মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৬, ২০২১ ৭:০১ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপপরিচালকের করোনায় মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপপরিচালক ডা. কাজী মো. তরিকুল আলম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার, নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গত ৮ এপ্রিল তিনি করোনায় আক্রান্ত হন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (লাইভস্টক) ক্যাডারের ১৯তম ব্যাচের কর্মকর্তা ও কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার, নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক ডা. কাজী মো. তরিকুল আলম গতকাল (রোববার) দিবাগত রাত ১টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও সচিব রওনক মাহমুদ শোক প্রকাশ করেছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মরহুম ডা. কাজী মো. তরিকুল আলমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তারা।

শোক বার্তায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানান, ডা. কাজী মো. তরিকুল আলম ছিলেন একজন মেধাবী কর্মকর্তা। কর্মক্ষেত্রে তিনি দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ শোক বার্তায় জানান, ডা. কাজী মো. তরিকুল আলমের মতো মেধাবী কর্মকর্তার মৃত্যু দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের বিরাট ক্ষতি। তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গভীরভাবে শোকাহত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৬, ২০২১ ১১:০০ পূর্বাহ্ন
কালীগঞ্জে গরু চুরি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ে নিহত ১, আহত ৫
পাঁচমিশালি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে গরু চোরের একটি চক্র গরু চুরি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে নাতে ধরা পড়ে। এসময় এলাকাবাসীর গণধোলাইয়ে এক গরু চোরের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। আহতের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন ৩ জন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার নাগরী ইউনিনের উলুখোলা এলাকার কালিকুঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. শহীদুল ইসলাম।

নিহতের (৪২) নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি। আহতরা হলেন— বগুড়ার সদর উপজেলার ক্ষেত্রদামা এলাকার বাবলার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), একই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা গেওনা ভিন্নত এলাকার আক্তারের ছেলে নাহিদ মিয়া (৩০), একই উপজেলার তাতভৈরা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে হাসান আলী (৩০), নওগাঁর তেজনন্দী পাতবাইন এলাকার মান্নানের ছেলে গাজী হোসেন (৩৫) ও টাঙ্গাইলের ফজর আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৬)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মো. শহীদুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে গরু চোরের একটি চক্র উপজেলার নাগরী ইউনিনের কালিকুঠি গ্রামে গরু চুরি করতে যায়। এ সময় গ্রামবাসী টের পেয়ে তাদের হাতে নাতে ধরে ফেলে। পরে তারা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর চিৎকারে শত শত লোক এসে তাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় তাদের গণধোলাইয়ে চল্লিশোর্ধ একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পয়ে নাগরী ইউপি চেয়ারম্যান অলিউল্লাহ, কালীগঞ্জ থানাধীন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম ঘটনাস্থলে যান এবং এলাবাসীকে শান্ত করেন। পরে পুলিশের সহায়তায় নিহতের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক লুবনা খানম জানান, হাসপতালে আনার আগেই একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর আহতদের চিকিৎসা চলছে। তবে আহতদের মধ্যে আলমগীর, নাহিদ ও গাজীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও তিনি জানান।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেম মিজানুল হক জানান, আহতদের চিকিৎসা চলছে। এছাড়া আহতের কাছ থেকে কয়েকটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আরো পড়ুন: গরু চুরির অভিযোগে রিকশাচালকের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop