১০:০০ অপরাহ্ন

মঙ্গলবার, ১৭ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ৪:৫৩ অপরাহ্ন
শিবগঞ্জে আগ্নিকাণ্ডে গরু-ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ উপজেলা দাইপুখুরিয়ায় আগ্নিকাণ্ডে ৩টি গরু ও ১টি ছাগল পুড়ে ছাই।

আজ মঙ্গলবার ভোররাত সাড়ে চারটার দিকে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দাইপুখুরিয়ার মির্জাপুর কর্ণখালি এলাকায় রান্নাঘরের আগুন থেকে এ অগ্নিকান্ডের সূত্রপাত হয়। এসময় ঐ এলাকার সালাউদ্দিন, সুমন আহমেদ ও আলালের বাড়ির কয়টি ঘর পুড়ে যায়। একইসাথে পুড়ে যায় গোয়ালঘরে থাকা ৩টি গরু ও ১টি ছাগল।

তারা আরও জানান, আগ্নিকান্ডে এসময় কয়েক লক্ষাধিক টাকার ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে।

শিবগঞ্জ ফায়ার সার্ভিস স্টেশনের ফায়ার ফাইটার হাসদা শঙ্কর জানান, আগুনের খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে যাবার পথে কানসাটের ধুপপুকুর এলাকায় গিয়ে যানতে পারি এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। পরে আমরা ফিরে আসি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১০:৩৬ পূর্বাহ্ন
শিবপুরে ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প (এল ডি ডি পি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় দেশব্যাপী করোনা (কোভিড-১৯) পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় শিবপুর, নরসিংদী উপজেলায় ভ্রাম্যমাণ দুধ, ডিম ও মাংস বিক্রয় কেন্দ্র উদ্বোধন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতালের ব্যবস্থাপনায় এবং উপজেলা পোল্ট্রি ফার্মারস এসোসিয়েশন এবং উপজেলা ডেইরি ফার্মাস এসোসিয়েশনের বাস্তবায়নে এটি উদ্বোধন করা হয়।

উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন আলহাজ্ব মো. হারুনুর রশিদ খান, চেয়ারম্যান, উপজেলা পরিষদ, মো. কাবিরুল ইসলাম খান, উপজেলা নির্বাহী অফিসার, জনাব শামসুল আলম ভূঁইয়া রাখিল, সাধারণ সম্পাদক, বাংলাদেশ আওয়ামীলীগ, শিবপুর উপজেলা শাখা, আমি ডা. মো. আব্দুল্লাহ আল শামীম, উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ডা. সজল কুমার দাশ, ভেটেরিনারি সার্জন, ডা. ফারজানা ইয়াসমিন, প্রাণিসম্পদ সম্প্রসারণ কর্মকর্তা, হারুন মোল্লা, সাধারণ সম্পাদক, পোল্ট্রি এসোসিয়েশন, নরসিংদী, পোল্ট্রি খামারী বৃন্দ, উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল, শিবপুরের অন্যান্য কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্ধ।

এখন থেকে প্রতিদিন সকাল ৮ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়কেন্দ্রের মাধ্যমে উপজেলার দূরবর্তী খামার থেকে সংগ্রহ করে ন্যায্য মূল্যে ডিম, দুধ এবং মাংস বিক্রি করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২১ ১০:১০ পূর্বাহ্ন
পটুয়াখালীতে গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ৪০
প্রাণিসম্পদ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ার বালিয়াতলী ইউনিয়নের দিঘর বালিয়াতলী গ্রামে বিরোধপূর্ণ জমিতে গরুর ঘাস খাওয়ায় বাধা দেওয়াকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে ৪০ জন আহত হয়েছে। গুরুতর আহত চার জনকে বরিশাল শের-ই বাংলা চিকিৎসা মহাবিদ্যালয় (শেবাচিম) হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে।

সোমবার (১২ এপ্রিল) বিকালে এই ঘটনা ঘটে। কলাপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার মোস্তাফিজুর রহমান সংঘর্ষের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আহতদের স্থানীয়রা উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নেওয়া হয়। পরে তাদের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় মোহাম্মদ ভুঁইয়া, মো. নুর আলম, মো. সবুজ, মো. নাজেম ও সোহাগকে বরিশাল শেবাচিম হাসপাতালে পাঠিয়ে দেওয়া হয়েছে বলে কর্তব্যরত চিকিৎসকরা নিশ্চিত করেছেন।

আহতদের সূত্রে জানা গেছে, দিঘর বালিয়াতলী গ্রামের প্রায় এক একর ৩২ শতাংশ জমি নিয়ে মোসা. রাহিমা বেগম এবং মোহাম্মদ ভুঁইয়ার দীর্ঘ আট মাস ধরে বিরোধ চলে আসছিল। ওই জমিতে সোমবার বিকালে রাহিমার নিকটাত্মীয় মো. নাসির দফাদার গরু চড়াতে গেলে মোহাম্মদ ভুঁইয়াসহ অন্যদের বাকবিতণ্ডা হয়। এক পর্যায়ে উভয় পক্ষ রক্তক্ষয়ী সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।

‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত থানায় কোনও অভিযোগ আসেনি। অভিযোগ পেলে জড়িত বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান কলাপাড়া থানার ওসি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৭:১১ অপরাহ্ন
এক সপ্তাহে ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ টাকার ভ্রাম্যমাণ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম বিক্রি
প্রাণিসম্পদ

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গত এক সপ্তাহে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে সারাদেশে খামারিগণ তাদের উৎপাদিত ৭৭ কোটি ৭৭ লক্ষ ৫ হাজার ২১৫ টাকার দুধ, ডিম, মাংস, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন দুগ্ধজাত পণ্য এবং ২ কোটি ৯৪ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৬২ টাকার মাছ বিক্রয় করেছে।

করোনা পরিস্থিতিতে জনসাধারণের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে গত বছরের মতো এ বছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্রের মাধ্যমে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত এই পণ্য বিক্রয় শুরু হয়েছে।

গত ৭ এপ্রিল থেকে সারাদেশে এটি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হলেও গত ৫ এপ্রিল থেকে এ ব্যবস্থায় সারাদেশে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় চলছে। এর মাধ্যমে দেশের ৮টি বিভাগের ৬৪ জেলায় গত এক সপ্তাহে মোট ৮০ কোটি ৭১ লক্ষ ২৮ হাজার ৭৭৭ টাকা মূল্যের মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, পোল্ট্রি ও বিভিন্ন প্রাণিজাত পণ্য বিক্রয় হয়েছে।

এ বছর জেলা প্রশাসনকে সম্পৃক্ত করে সংশ্লিষ্ট জেলার মৎস্য দপ্তর ও প্রাণিসম্পদ দপ্তরের ব্যবস্থাপনায় স্থানীয় ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের মাধ্যমে এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। এ কার্যক্রমে খামারিগণ নিজেদের উৎপাদিত পণ্য সরাসরি ন্যায্যমূলো ভোক্তাদের নিকট বিক্রয় করতে পারছেন।

উল্লেখ্য, করোনা পরিস্থিতিতে গতবছরও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে বাজারজাতকরণ সংকটে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত উৎপাদক, খামারি ও উদ্যোক্তাদের কথা মাথায় রেখে এবং ভোক্তাদের প্রাণিজ পুষ্টি নিশ্চিতকরণে করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থা চালু করা হয়। গতবছর করোনা সংকটে প্রায় ৯ হাজার কোটি টাকা মূল্যের খামারিদের উৎপাদিত মাছ, মাংস, দুধ ও ডিম ভ্রাম্যমান ব্যবস্থায় বিক্রয় করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৬:২৩ অপরাহ্ন
বিশ্বের সবচেয়ে ছোট জাতের গরু ‘পুঙ্গানুর’ বিলুপ্তির পথে
প্রাণিসম্পদ

বর্তমানে সারা বিশ্বে পুঙ্গানুর জাতের গরু আছে মাত্র ৬০-৭০টি।আর এটি বিশ্বের সবচেয়ে ছোট জাতের গরু বলে পরিচিত। কালে প্রবাহে এটি এখন বিলপ্তির পথে।

জানা যায়, একসময় ভারতের অন্ধ্রপ্রদেশের বাড়িতে বাড়িতে এ গরুর দেখা মিলতো। এ রাজ্যের পুঙ্গানুর শহরের নামেই গরুটির নামকরণ করা হয়। এ জাতের পূর্ণবয়স্ক গরুর উচ্চতা হয় মাত্র আড়াই ফুটের মতো। কম খাদ্য প্রয়োজন বলে একসময় অন্ধ্রপ্রদেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীতে খুব জনপ্রিয় ছিলো এ গরু। এখন কেবল সরকারি কিছু খামারে এর দেখা মেলে।

ভারতের কৃষি মন্ত্রণালয় বলছে, কৃষকরা বেশি লাভজনক বড় গরুর দিকে ঝোঁকায় হারিয়ে যাচ্ছে স্থানীয় জাতের পুঙ্গানুর গরু। অবশ্য ছোট আকৃতির কারণে অনেক ধনী পরিবারে কুকুর-বিড়ালের বদলে গৃহপালিত প্রাণী হিসেবে এর চাহিদা বাড়ছে বলেও তারা জানায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৬:০৭ অপরাহ্ন
“মামুনুল হকের মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের হাতে ইসলাম নিরাপদ নয়”
প্রাণিসম্পদ

মামুনুল হকসহ স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের হাতে ইসলাম নিরাপদ নয় বলে মন্তব্য করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

সোমবার (১২ এপ্রিল) পিরোজপুরের নেছারাবাদ উপজেলা প্রশাসন আয়োজিত স্থানীয় ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের মধ্যে বিনামূল্যে কৃষি প্রণোদনা (সার ও বীজ) বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর বেইলী রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, “ভয়াবহ করোনা সংকটে বাংলাদেশ যখন বিশ্বের অন্যান্য দেশের চেয়ে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় ভালোভাবে করোনা পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে তার মধ্যে দেশকে অস্থিতিশীল করার জন্য মামুনুল হকসহ স্বাধীনতাবিরোধী উগ্র সাম্প্রদায়িক একটি গোষ্ঠী অনাকাঙ্ক্ষিত পরিস্থিতি সৃষ্টির অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। তার মতো অনৈতিক কর্মকাণ্ডে জড়িতদের হাতে ইসলাম নিরাপদ নয়।

আরো বলেন, প্রতিটা মসজিদে ও মাদ্রাসায় এ বার্তা পৌঁছে দিতে হবে যে, এ সরকার ইসলামের জন্য যা করেছে দেশের ইতিহাসে কেউ তা করে নি। তারপরও সরকারের শান্তিপূর্ণ রাষ্ট্র পরিচালনার সময়, ইসলামের উন্নয়নের সময় কেন বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দেশেকে ধ্বংসের চেষ্টা চালানো হচ্ছে? যারা এটা করছে তারা রাষ্ট্রের শত্রু, ইসলামের শত্রু। তারা উন্নয়নের শত্রু, আমাদের স্বপ্নের বাংলাদেশের শত্রু। তারা যেন কোথাও সহিংসতা সৃষ্টির সুযোগ নিতে না পারে। তারা যেখানে অপচেষ্টা চালাবে সেখানে প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।”

তিনি আরো বালেন, “এ বাংলাদেশে যারা উগ্রতা সৃষ্টি করতে চেয়েছে আমরা মহান মুক্তিযুদ্ধে তাদের মোকাবিলা করেছি। সেদিন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়েছে এ বাংলাদেশ উগ্র সাম্প্রদায়িক অপশক্তির নয়, অসাম্প্রদায়িক মানুষদের। একাত্তরে সালে যারা পরাজিত, তারা কোনদিন এই বাংলাদেশে মাথাচাড়া দিয়ে উঠতে পারবে না। কেউ যদি নতুন করে স্বপ্নে বিভোর হয় যে বাংলাদেশে অস্থিতিশীলতা সৃষ্টি করবে, তাদের শেখ হাসিনাকে চেনা উচিত। অপরাধ করলে তিনি কাউকে ছাড় দেন না। সময় থাকতে সবাইকে সংযত হতে হবে।”-যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।

মন্ত্রী আরো বলেন, “শেখ হাসিনা সরকার কৃষিবান্ধব সরকার। ধান, চাল, ভুট্টার সঙ্গে মাছ, মাংস, দুধ, ডিমকে সম্মিলিতভাবে কৃষি বোঝায়। কৃষির উন্নয়নে শেখ হাসিনা সরকারের চেয়ে বৈপ্লবিক পদক্ষেপ এই ৫০ বছরের বাংলাদেশে আর কেউ নিতে পারে নি। দেশ স্বাধীন হওয়ার পর কৃষকদের বঙ্গবন্ধু যেভাবে ভর্তুকি দিয়ে বিনামূল্যে পাওয়ার পাম্প, কীটনাশক সরবরাহ করতেন, সে ধারা ১৯৯৬ সালে সরকার পরিচালনায় এসে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা শুরু করেছিলেন।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালে আবার সরকারে এসে সে ধারা অব্যাহত রেখেছেন। বর্তমানে কৃষকের চাষাবাদের জন্য কৃষি উপকরণ, কীটনাশক, সার, বীজ এমনকি কৃষি যন্ত্রপাতি ভর্তুকি দিয়ে কোন কোন ক্ষেত্রে বিনামূল্যে সরবরাহ করা হচ্ছে। কারণ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন কৃষক বাঁচলে কৃষি বাঁচবে। আর কৃষি বাঁচলে বাংলাদেশ উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির পথে এগিয়ে যাবে। এ কারণে আজ আমাদের মাছ, মাংস, দুধ ডিম তথা খাদ্যের অভাব নেই। এ পরিবর্তনের মূলে রাষ্ট্রের পৃষ্ঠপোষকতা, প্রণোদণা ও নীতি-নির্ধারণ কাজ করেছে।”

কৃষি উপকরণ গ্রহণকারী কৃষকদের উদ্দেশে এসময় মন্ত্রী বলেন, “এক ইঞ্চি জমিও যেন পতিত না থাকে। একটা জমিতে তিনটি ফসল ফলানো গেলে সেখানে তিনটা ফসলই ফলাতে হবে। বে। দেশের কোন উর্বর জমি যেন পতিত না থাকে। এভাবে অমরা কৃষিকে এগিয়ে নিয়ে যাবো। করোনাকালে আমাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে শরীরে পুষ্টির সরবরাহ প্রয়োজন। সে পুষ্টি শাক-সবজি, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসবে। আপনারা যত বেশি কৃষি উৎপাদন বাড়াবেন তত বেশি খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণতার চ্যালেঞ্জ আরো দৃঢ়তার সঙ্গে আমরা মোকাবিলা করতে পারবো।”

নেছারাবাদ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ মোশারেফ হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে নেছারাবাদ উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান আব্দুল হক, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হামিদ, স্বরূপকাঠি পৌরসভার মেয়র গোলাম কবির, উপজেলা কৃষক লীগের সভাপতি শশাঙ্ক রঞ্জন সমাদ্দার, সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ বশির গাজী, নেছারাবাদ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আবির মোহাম্মদ হোসেন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা চপল কৃষ্ণ নাথ, নেছারাবাদ প্রেস ক্লাবের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা মোঃ নজরুল ইসলামসহ স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যানগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৩:০০ অপরাহ্ন
এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি উৎপাদনে উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত আব্দুর রাজ্জাক সাইফ
পোলট্রি

দেশের অধিকাংশ পোল্ট্রি খামারি মনে করে এন্টিবায়োটিক ছাড়া খামার করা সম্ভব নয়। খামারিগণ নিজেদের অজ্ঞতা কিংবা অন্ধ অনুসরণে বিনা প্রয়োজনে এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে থাকেন । অধিকাংশ খামারি রুটিন অনুসরণ করে এন্টিবায়োটিক প্রয়োগ করে থাকেন । অহেতুক এন্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ব্যবহার করে অর্থনৈতিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন।

গতানুগতিক এই ধারার বাহিরে গিয়ে এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগী পালনে সফলতা দেখিয়েছেন ঢাকার ডেমরার পোল্ট্রি খামারি আব্দুর রাজ্জাক সাইফ । গত ৯ বছর ধরে এন্টিবায়োটিক মুক্ত ব মুরগি পালন করে অনেক খামারির কাছেই অনুকরণীয় হয়ে উঠেছেন । এগ্রিভিউ২৪.কম এর সাথে একান্ত সাক্ষাৎকারে এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি উৎপাদন সম্পর্কে আব্দুর রাজ্জাক সাইফের সফলতার কথাগুলি পাঠকদের মাঝে তুলে ধরা হলো-

এগ্রিভিউ২৪: কেন পোল্ট্রি ব্যবসায় আসলেন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ : ছোটবেলা থেকে ইচ্ছে ছিলো নিজে কিছু করার। সবাই তো চাকরির পিছনে ছুটে, তাই আমি ভিন্ন কিছু একটা করতে চেয়েছিলাম।আশে পাশের অনেকের সফলতায় অনুপ্রানিত হয়ে এই সেক্টরে আসলাম ।

এগ্রিভিউ২৪: কবে থেকে এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি পালন শুরু করলেন ও কেন ?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: ১১ বছর আগে যখন খামার শুরু করি তখন না জেনে রুটিন মাফিক এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করতাম। খামার শুরুর প্রথম দিকেই এন্টিবায়োটিক ব্যবহার করে একদিকে অর্থ অন্য দিকে খামাররের মুরগী দুই দিকেই ক্ষতিগ্রস্থ হতে হয়েছে। প্রথম ২ বছর খামারে ভালো করতে পারি নি। একদিন এক বন্ধুর মাধ্যমে জানতে পারলাম এন্টিবায়োটিক ছাড়া মুরগি পালন করা সম্ভব। পরে ইন্টারনেট ঘাটাঘাটি করে জানতে পারলাম ইউরোপে এন্টিবায়োটিক ছাড়া মুরগি পালন করে ভালো ফল পাচ্ছে।তারপর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার সহায়তায় এন্টিবায়োটিক মুক্ত খামার শুরু করি।

এগ্রিভিউ২৪: এন্টিবায়োটিক মুক্ত মুরগি পালনে কি কি সুবিধা পেয়েছেন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ : এন্টিবায়োটিক ব্যবহার না করায় মুরগির গ্রোথ ও মাংস উৎপাদন আগে থেকে ভালো পেয়েছি । ৩০ দিনে গড়ে ১.৭ – ২.০ কেজি পর্যন্ত ওজন পাচ্ছি নিয়োমিত। অহেতুক এন্টিবায়োটিক জাতীয় ওষুধ ব্যবহার না করায় এখন প্রতি হাজার মুরগিতে ৫ হাজার টাকার ওষুধ খরচ বেচে যাচ্ছে । প্রতি মাসে ৭০০০ মুরগির জন্য অনেক টাকার ওষুধ কিনতে হচ্ছে না , যার ফলে আমার উৎপাদন খরচ কমে এসেছে।আমাদের লাভ হচ্ছে, খরচও কমেছে, স্বাস্থ্যসম্মত নিরাপদ মাংস ও উৎপাদন করতে পারছি ।

এগ্রিভিউ২৪ : আপনার খামারে মুরগির মর্টালিটি কেমন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফঃ অন্যান্য খামারের তুলনায় আমার এখানে মুরগির মৃত্যুরহার কম। হাজারে সর্বোচ্চ ৩০ টি মুরগি মারা যায় ।

এগ্রিভিউ২৪ : পোল্ট্রি খামার শুরু করার আগে আপনি কি কোন প্রশিক্ষণ নিয়েছেন?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমি সরকারি ও বেসরকারি ভাবে ৫/৬ টার মত কোর্স করেছি । যা আমাকে মুরগি পালনে সহায়তা করেছে। তাছাড়া সরকারি যুব উন্নয়ন প্রশিক্ষণ কেন্দ্র থেকে স্বল্পমেয়াদী ও দীর্ঘ মেয়াদী অনেক কোর্স করেছি। এগ্রিভিউ২৪: এন্টিবায়োটিক পরিবর্তে আপনি খামারে কি ব্যবহার করেন? আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমি বিভিন্ন ধরনের ভিটামিন, প্রিবায়োটিক ও প্রোবায়োটিক ব্যবহার করে আসছি খামারে।

এগ্রিভিউ২৪ : আপনার খামারের বায়োসিকিউরিটি সম্পর্কে যদি বলতেন।

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমার খামার লোকালয় থেকে অনেক দূরে । খামারে ডাক্তার ব্যতীত বাহিরের কোন মানুষ প্রবেশ করতে দেই না । মুরগি কেনাবেচা বা বাজারজাতের জন্য নিজস্ব গাড়ি রয়েছে । তাছাড়া খামার নিয়মিত পরিষ্কার রাখার চেষ্টা করি। সব সময় উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার পরামর্শ নিতাম।

এগ্রিভিউ২৪ : মুরগির খাদ্য সম্পর্কে যদি বলতেন।

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আমার খামারের ৫০ ভাগ খাদ্য নিজে তৈরি করি আর বাকি ৫০ ভাগ খাদ্য বাজার থেকে কিনি।সব সময় উৎপাদন খরচ কমিয়ে আনার চেষ্টা করতাম। প্রতিনিয়ত খাদ্যের দাম বৃদ্ধিতে মাঝেমাঝে সমস্যায় পড়তে হত ।তাই নিজে খাদ্য তৈরি করার চেষ্টা করতাম ।

এগ্রিভিউ২৪: নতুন খামারিদের জন্য আপনার পরামর্শ কি?

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: বেশিরভাগ খামারি বিশ্বাস করতে চায় না, এন্টিবায়োটিক ছাড়া খামার করা সম্ভব। আমি ভালো ফল পেয়েছি আশা করি আপনিও পাবেন। খামারের বায়োসিকিউরিটি ঠিক রাখলে ইনশাল্লাহ ভালো ফল পাবেন

এগ্রিভিউ২৪: আপনাকে ধন্যবাদ।

আব্দুর রাজ্জাক সাইফ: আপনাকেও ধন্যবাদ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১২, ২০২১ ৯:৪৩ পূর্বাহ্ন
অজ্ঞাত রোগে মারা যাচ্ছে মুরগি, বিপাকে খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

আটঘরিয়া উপজেলায় মুরগির খামারে দেখা দেয়া অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে অর্ধশতাধিক খামারে কয়েক হাজার মুরগি মারা গিয়েছে। এতে উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছেন খামারিরা।

খামারিদের অভিযোগ, প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তারা কোনো খামারেই খোঁজখবর নেন না। খামারিরা কোম্পানির যে চিকিৎসকরা থাকেন, তারা যে ব্যবস্থাপত্র দেন, সে ওষুধের কোনো কার্যকারিতা নেই।

জানা গেছে, বেকারত্ব ঘোচাতে আয়ের মাধ্যম হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে মুরগির খামার। অল্প খরচ আর কম সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় অনেকেই ঝুঁকছেন এই ব্যবসায়। দেশের অন্যান্য জেলার মতো পাবনার আটঘরিয়াতেও গড়ে উঠেছে অসংখ্য মুরগির খামার। কিন্তু হঠাৎই আটঘরিয়া পৌর এলাকাসহ উপজেলার দেবোত্তর, চাঁদভা ও মাজপাড়া ইউনিয়নের খামারগুলোতে দেখা দিয়েছে অজ্ঞাত রোগ। এই উপজেলায় এরই মধ্যে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে অর্ধশতাধিক খামারে কয়েক হাজার মুরগি। প্রথমে ঝিমুনি এরপর খাওয়া বন্ধ করে দেওয়ার দুই-তিন দিনের মধ্যে মারা যাচ্ছে আক্রান্ত মুরগি।

আটঘরিয়া পৌর এলাকার কিরানীর ঢালু মহল্লার মো. গোলজার হোসেনে জানান, তিনি চারটি সেটে মুরগির খামার গড়েছিলেন। কিন্তু হঠাৎ অজ্ঞাত রোগে তিনটি সেটের প্রায় ৪ হাজার মুরগি মারা গেছে।

দেবোত্তর ইউনিয়নের শ্রীকান্তপুর গ্রামের ফয়সাল হোসেন জানান, আমার খামারে ৪২০ মুরগি ছিল। অজ্ঞাত রোগে ইতোমধ্যে প্রায় ৩০০ মুরগি মারা গেছে। কোনো উপায় না পেয়ে ডিম দেওয়া মুরগি বিক্রি করে দিতে বাধ্য হয়েছি।

আটঘরিয়া উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. আনিছুর রহমান জানান, এতে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আবহাওয়া পরিবর্তনের কারণেই দেখা দিয়েছে এই রোগ।

তিনি আরও জানান, মারা যাচ্ছে সাধারণত কিছু ভাইরাসজনিত রোগে। যেমন—রাণীক্ষেত রোগ, গামবোরো এই রোগগুলো সারা বছরই হয়। ঋতু পরিবর্তনের সময় কক্সিডিওসিস বেশি হয়। এই রোগগুলোতেই বেশি মারা যাচ্ছে। খামারিদের উচিত আমাদের সঙ্গে যোগাযোগ করা ও পরামর্শ গ্রহণ করা। তারা যদি আমাদের অফিসে যোগাযোগ করে তাহলে ময়নাতদন্ত করে বা ল্যাবরেটরিতে নমুনা পাঠিয়ে রোগ নির্ণয় করে আমরা ব্যবস্থা নিবেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ৯:০৯ অপরাহ্ন
নবাবগঞ্জে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১২৭পরিবারের মাঝে গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

আর্থ-সামাজিক ও জীবনমান উন্নয়নের সমন্বিত প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় দিনাজপুরের নবাবগঞ্জে সমতল ভূমিতে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ১২৭টি পরিবারের মাঝে সরকারি বরাদ্দের গরু, খাদ্য ও ঘর নির্মাণের সরঞ্জামাদি বিতরণ করা হয়েছে।

রোববার উপজেলা প্রাণীসম্পদ কার্যালয়ের আয়োজনে দাউদপুর ডিগ্রি কলেজ মাঠে এটি বিতরণ করা হয়।অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক।

গরু ও বিভিন্ন উপকরণ বিতরণ অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মো: আতাউর রহমান। অতিথিরা সুফলভোগীদের হাতে গরু ও খাদ্য সামগ্রীসহ গররাখার ঘর স্থাপনের জন্য সরঞ্জামাদি তুলে দেন।

জানা গেছে, গরুর যথাযথভাবে লালন পালনের জন্য প্রত্যেক পরিবারকে ১২৫ কেজি দানাদার গো-খাদ্য, গরুর আবাস নির্মাণে চারটি টিন, চারটি সিমেন্টের পিলার ও ১৯০টি ইট দেয়া হয়।

এ সময় উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছা: নাজমুন নাহার, উপজেলা প্রাণীসম্পদ কর্মকর্তা মো: আসাদুজ্জামান, ভেটেনারি সার্জন মো: শফিউল ইসলাম, ইউপি চেয়ারম্যান মো: সায়েম সবুজ, উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মো: জিয়াউর রহমান মানিক, সাংগঠনিক সম্পাদক মো: শাহ আলমগীর প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১১, ২০২১ ৪:৩৫ অপরাহ্ন
ভালুকায় ক্ষেতের ধান নষ্ট করায় গরুকে কুড়াল দিয়ে কুপাল কৃষক!
প্রাণিসম্পদ

ভালুকায় কৃষকের ক্ষেতের ধান নষ্ট করায় এক কৃষক কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে মারাত্মকভাবে দু‘টি গরুকে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার সকালে উপজেলার হবিারবাড়ি ইউনিয়নের জামিরদিয়া গ্রামে ঘটনাটি ঘটেছে ।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার জামিরদিয়া গ্রামের ওয়াইজ উদ্দিনের ছেলে কৃষক নবী হোসেন তার ৮ কাঠা জমিতে বোরো ধানের চাষ করেন। শনিবার সকালে প্রতিবেশি মৃত সোহরাব হোসেনের বিধবা স্ত্রী রোকেয়া খাতুনের গরু নবী হোসেনের ক্ষেতের ধান খেয়ে ফেলে। ঘটনাটি টের পেয়ে জমির মালিক নবী হোসেন কুড়াল দিয়ে দুটি গরুকে কুপিয়ে জখম করে। পরে স্থানীয় লোকজন টের পেয়ে একটি গরু জবাই করে। ঘটনাটি থানায় জানানোর পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।

গরুর মালিক রোকেয়া খাতুন জানান, ‘তিনি এক আত্মীয়ের বাড়ি বেড়াতে গিয়েছিলেন। সকালে বাড়ি এসে জানতে পারেন নবী হোসেন কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে তার দু’টি গরু মারাত্মকভাবে আহত করেন। গরু দু’টির দাম দেড় লাখ টাকা হতে পারে বলে তিনি জানান।’
অভিযুক্ত নবী হোসেন গরুকে কুপানোর কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘আমার ৮ কাঠা জমিতে বোরো ধান রোপন করি। ওই গরু দুটি আমার সবটুকু ক্ষেতের ধানই নষ্ট করে ফেলেছে। কষ্টের ফসল নষ্ট করে ফেলেছে দেখে মাথা ঠিক ছিলো না।’

‘ঘটনাটি অমানবিক, খবর পাওয়ার পর ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। অভিযোগ পেলে দেশের প্রচলিত আইন অনুযায়ী তদন্ত মাফিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে জানান ভালুকা মডেল থানার ওসি মাহমুদুল ইসলাম।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop