৮:২৬ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২৬, ২০২১ ১২:৪৮ পূর্বাহ্ন
“ত্রিশ লক্ষ শহিদের দেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না”
প্রাণিসম্পদ

ত্রিশ লক্ষ শহিদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) ২৫ মার্চ গণহত্যা দিবস উপলক্ষ্যে পিরোজপুর জেলা প্রশাসন আয়োজিত আলোচনা সভায় রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

১৯৭১ ও তার পূর্ববর্তী সময়ে সাম্প্রদায়িকতার বিষবাষ্প ছড়ানো প্রেতাত্মাদের বাংলাদেশে কোনভাবেই মাথা চাড়া দিয়ে উঠতে দেয়া হবে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, “বাংলাদেশে হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টান সবাই একটা চমৎকার সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির মধ্যে আছে। এর মধ্যেও সুনামগঞ্জের শাল্লায় হিন্দু অধ্যুষিত এলাকায় আক্রমণ হয়েছে। সাম্প্রদায়িক শক্তি এবং এদের পৃষ্ঠপোষক রাজনৈতিক দল ও জোট এর পেছনে জড়িত থাকতে পারে। তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। কোনভাবেই বঙ্গবন্ধুর বাংলাদেশে, রাম-রহিমের বাংলাদেশে, ত্রিশ লক্ষ শহিদের বাংলাদেশে সাম্প্রদায়িক শক্তিকে মাথা তুলে দাঁড়াতে দেয়া হবে না। যে ব্যবস্থা গ্রহণ করা দরকার, সে ব্যবস্থাই গ্রহণ করা হবে। কঠোরভাবে তাদের দমন করা হবে।”

মন্ত্রী আরো বলেন, “১৯৭১ সালের ২৫ মার্চ বর্বর পাকিস্তানী এবং এদেশীয় দোসররা নিরস্ত্র বাঙালির উপর ঝাপিয়ে পড়েছিল। রাজারবাগ পুলিশ লাইনসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে নির্মম হত্যাযজ্ঞ চালায় তারা। সেজন্য ইতিহাসে ২৫ মার্চ একটা বর্বরোচিত কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে আছে। এ নির্মম ঘটনা যারা সংগঠিত করেছিল তাদের দোসর এদেশীয় একটি শ্রেণি ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বঙ্গবন্ধুকে হত্যার পর পুনর্বাসিত হয়েছিল। বাংলাদেশের রাজনীতিতে সুপ্রতিষ্ঠা পেয়েছিল। এমনকি বঙ্গবন্ধুর খুনীদের রাজনীতিতে ও সরকারে প্রতিষ্ঠিত করা হয়েছিল। এভাবেই পঁচাত্তর পরবর্তী সরকারগুলো বাংলাদেশকে কার্যত পূর্ব পাকিস্তানে পরিণত করার ব্যবস্থা করেছিল।”

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “২৫ মার্চ নতুন নয়। অথচ ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিতে হয়েছে ২০১৭ সালে। ২০১৭ সালের ১১ মার্চ শেখ হাসিনা সরকার আমলে ২৫ মার্চকে গণহত্যা দিবস হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। অতীতে কেউ এটি করেনি। কারণ ২৫ মার্চের গণহত্যার সাথে যারা জড়িত তাদের উত্তরসূরিরা বাংলাদেশের প্রশাসনে, রাষ্ট্র ক্ষমতায়, রাজনীতিতে রয়ে গেছে। এজন্য ২৫ মার্চকে আনুষ্ঠানিকভাবে অতীতের সরকারগুলো পালন করেনি।

কিন্তু দৃঢ়চেতা বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা বাংলাদেশ প্রসঙ্গ আসলেই মনে করেন মুক্তিযুদ্ধ, মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও বঙ্গবন্ধু অবিচ্ছেদ্য। কারণ বঙ্গবন্ধু চেয়েছিলেন হিন্দু, মুসলিম, বৌদ্ধ, খ্রিস্টানের একটি অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ যেখানে প্রত্যেকের অধিকার থাকবে সম পর্যায়ে, ধর্মের ভিত্তিতে কাউকে ছোট করে দেখা হবে না। কেউ বঞ্চনার শিকার হবেন না। এরকম বাংলাদেশ যারা চায়নি তারা বাংলাদেশকে ধ্বংস করার জন্য বঙ্গবন্ধুকে হত্যা করেছিল।”

মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “এ মূহুর্তেও দেশে ষড়যন্ত্র চলছে। স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী ও বঙ্গবন্ধুর জন্মশতবার্ষিকীতে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর আগমন নিয়ে বিএনপির পক্ষ থেকে বিষোদগার করা হচ্ছে। আবার এক শ্রেণির মৌলবাদিরা ভারতের প্রধানমন্ত্রী না আসার জন্য বিক্ষোভ করার ঔদ্ধত্য দেখাচ্ছে। বাংলাদেশের সুবর্ণজয়ন্তীতে বিদেশি অতিথিরা এসে বাংলাদেশকে সম্মানিত করবেন, সেক্ষেত্রেও বিএনপি বাধা দিচ্ছে। ভারতবিরোধী রাজনীতির একটা ট্রাম্পকার্ড ছুঁড়ে দেয়ার জন্য অনেকেই চেষ্টা করছেন। তারা ভুলে গেছেন বাংলাদেশে এ রাজনীতির ট্রাম্পকার্ড এখন চলে না। এ জাতীয় রাজনীতির ভন্ডামিতে মানুষ এখন বিভ্রান্ত হয় না।”

“ঐক্যবদ্ধভাবে দল-মতের ঊর্ধ্বে উঠে দেশকে সুন্দরভাবে আমাদের বিনির্মাণ করতে হবে। এ ক্ষেত্রে আমাদের সকলের প্রচেষ্টা আবশ্যক। কারণ বাংলাদেশ অস্থিতিশীল থাকলে আমরা কেউ ভালো থাকবো না। এজন্য স্বাধীনতাবিরোধী ও এদের পৃষ্ঠপোষকদের বিপক্ষে অবস্থান নিতে হবে।” যোগ করেন শ ম রেজাউল করিম।

পিরোজপুরের জেলা প্রশাসক আবু আলী মোঃ সাজ্জাদ হোসেনের সভাপতিত্বে পিরোজপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোল্লা আজাদ, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক চৌধুরী রওশন ইসলাম, সিভিল সার্জন হাসনাত ইউসুফ জাকি, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা বশির আহমেদ, জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক জিয়াউল আহসান গাজী, সাবেক মুক্তিযোদ্ধা কমান্ডার গৌতম নারায়ণ রায় চৌধুরী, জেলা পূজা উদযাপন পরিষদের সাধারণ সম্পাদক গোপাল বসু, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি জাহিদ খান টিটু প্রমুখ সভায় উপস্থিত ছিলেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ৭:০৮ অপরাহ্ন
বাঘায় পূর্ব শত্রুতার জেরে আগুন, পুড়ল ৯ ছাগল!
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহীর বাঘায় পূর্ব শত্রুতায় দ্বীন মোহাম্মদ দুখু নামে এক ব্যক্তির দেশি ছাগলের খামারে আগুন দেয়ার অভিযোগ উঠেছে।
আগুনে পুড়ে মারা গেছে ৯টি ছাগল। ভুক্তভোগী দ্বীন মোহাম্মদ দুখু একই এলাকার মৃত এতিম আলীর ছেলে।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) গভীর রাতে উপজেলার কলিগ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

বাঘা পৌরসভার সাবেক মেয়র ও কলিগ্রামের আক্কাছ আলী বলেন, আগুনে পুড়ে ছাগল মারা যাওয়ার খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়েছিলাম। দুখু খুব কষ্ট করে বাড়ির পাশে ঘর তুলে দেশি ছাগলের একটি খামার দিয়েছে। এই ঘরে আগুন লেগে ৯টি ছাগল মারা গেছে।

খামারি দুখু জানান, আমার খামারে রাতের আঁধারে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে কে বা কারা আগুন ধরিয়ে দেয়। ছাগলগুলোর মধ্যে তিনটি ছাগল দুই/এক সপ্তাহের মধ্যে বাচ্চা প্রসব করবে। এতে আমার প্রায় দুই লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

বাঘা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল বারি বলেন, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়েছিলাম। পুলিশ খোঁজ-খবর নিয়েছে। এ বিষয়ে দুখু মিয়াকে থানায় অভিযোগ দিতে বলা হয়েছে। অভিযোগ পেলে আইনী ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ৫:৩৬ অপরাহ্ন
বগুড়ায় কয়েলের আগুনে কৃষ‌কের ঘরসহ ১৩ গরু-ছাগল পুড়ে ছাই!
প্রাণিসম্পদ

বগুড়ার শিবগঞ্জে মশার কয়েল থেকে অগ্নিকা‌ণ্ডের ঘটনায় সাইদ জামান মণ্ডল (৫৫) নামক এক কৃষকের ৩টি ঘর, নগদ টাকা ও আসবাবপত্রসহ ১৩টি গরু-ছাগল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। তিনি নিজেও অগ্নিদগ্ধ হয়েছেন।

বৃহস্পতিবার (২৫ মার্চ) ভোর রাতে উপজেলার মোকামতলা ইউনিয়নের মুরাদপুর মধ্যপাড়া গ্রামে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিশ্চিত ক‌রে‌ছেন শিবগঞ্জ ফায়ার সা‌র্ভিসের সাব অ‌ফিসার মো‌মিনুল ইসলাম।

সাব অ‌ফিসার মো‌মিনুল ইসলাম জানান, মশার কয়েল থেকে বৈদ্যুতিক তারে আগুন লেগে যায়। পরে পুরো বাড়ি আগুনে ছেয়ে গেলে ফায়ার সার্ভিসে খবর দেওয়া হয়। ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা পৌঁছানোর আগেই ৩টি টিনের ঘর, ৩টি গরু,১০টি ছাগল,আসবাবপত্র ও টাকা পয়সা পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

মোকামতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মোখলেছার রহমান খলিফা জানান, কৃষক সাইদ জামানের বাড়িতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাস্থল পরিদর্শন করা হয়েছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারকে ব্যক্তিগত তহবিল থেকে সহযোগিতা করা হয়েছে। অগ্নিদগ্ধ কৃষককে হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ১:২৪ অপরাহ্ন
বাণিজ্যিক কবুতরের ঘর তৈরিতে যা জানা জরুরী
পোলট্রি

সাধারণত কাঠ বা অন্য কোনো উপাদান দিয়ে ছোট ছোট ঘর বা খোপ তৈরি করে কবুতর পালন করা হয়ে থাকে। মজার ব্যাপার হলে, কয়েক জোড়া কবুতরের ঘর করে এক জোড়া কবুতর পালন করলে কয়েক দিনের মধ্যে বাকী ঘরগুলোতে নতুন জোড়া কবুতর এসে বাসা বাঁধে। কবুতর পোষা খুব সহজ এবং লাভজনক তা বলাই বাহুল্য। অল্প-পরিসরে যা বাণিজ্যিকভিত্তিতে কবুতর পালনের জন্য অবশ্যই সুপরিকল্পিত ব্যবস্থা থাকা বাঞ্ছনীয়। নিম্নে কবুতরের ঘর বা খোপ তৈরির বিশেষ ব্যবস্থাসমূহ আলোচনা করা হলো।

স্থান নির্বাচনঃ
কবুতরের খামারের জন্য উঁচু ও শুষ্ক সমতল ভূমি থাকা প্রয়োজন।

ঘরের উচ্চতাঃ
কুকুর, বিড়াল, ইঁদুর, বেজী ইত্যাদি যেন কবুতরের ঘর নাগালে না পায় সেদিকে লক্ষ্য রেখে ঘর উঁচু করতে হয়। এ উদ্দেশ্যে কাঠ বা বাঁশের খুঁটি পুঁতে তার উপর ঘর নির্মাণ করা যেতে পারে।

ঘরের পরিসরঃ
প্রতি এক জোড়া কবুতরের জন্য একটি ঘর থাকা প্রয়োজন। এক জোড়া কবুতর যাতে ঘরের ভিতর স্বাচ্ছন্দ্যে ঘুরতে ফিরতে পারে তা লক্ষ্য রেখে ঘর নির্মাণ করতে হবে।

স্বাস্থ্য সম্মত ব্যবস্থাঃ
কবুতরের ঘর বা খোপ এমনভাবে নির্মাণ করতে হবে যেন সেখানে পোকা-মাকড়, কৃমি, জীবাণু ইত্যাদির উপদ্রব কম থাকে এবং ঘর সহজেই পরিষ্কার ও জীবাণুমুক্ত করা যায়।

সূর্যালোকঃ
ঘরে যাতে সূর্যের পর্যাপ্ত আলো প্রবেশ করে সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ সূর্যের আলো যেমন পাখির দেহে ভিটামিন-ডি সৃষ্টিতে সাহায্যে করে তেমনি পরিবেশও জীবাণুমুক্ত রাখে।

বায়ু চলাচলঃ
কবুতরের ঘরে পর্যাপ্ত বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা রাখতে হবে। কারণ দূষিত বাতাস বা পর্যাপ্ত আলো বাতাসের অভাবে পাখির স্বাস্থ্যহানি ঘটতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ১১:৫১ পূর্বাহ্ন
লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল
পোলট্রি

লেয়ার মুরগি হলো ডিম উৎপাদনের জন্য বিশেষ ধরনের মুরগি যাদেরকে একদিন বয়স থেকে পালন করা হয়, যারা ১৮ থেকে ১৯ সপ্তাহ বয়সে ডিম দিতে শুরু করে এবং উৎপাদনকাল ৭২ থেকে ৭৮ সপ্তাহ বয়স পর্যন্ত স্হায়ী হয়। ডিম উৎপাদনকালীন সময়ে এরা গড়ে প্রায় সোয়া দু’কেজি খাবার খেয়ে এক কেজি ডিম উৎপাদন করে।

খামারকে ভাইরাস জনিত রোগ থেকে মুক্ত রাখতে হলে যথাযথভাবে টিকা প্রাদান করার বিকল্প নেই। মুরগির টিকাপ্রাদন তালিকা প্রনয়নে, অনেকগুলি বিষয় বিবেচনা করা প্রয়োজন। যেমন, লেয়ারের জাত, প্রাপ্ত ইমিউনিটি, এলাকা, আবহাওয়া, মুরগির স্বাস্থ ইত্যাদি।

যদিও বিভিন্ন ভ্যাকসিন প্রস্তুতকারক কোম্পানি বিভিন্ন টিকাদান কর্মসূচি প্রস্তাবন করে থাকে। তবে আমাদের দেশে সর্বাধিক প্রচলিত টিকাদান কর্মসূচি নিচে উল্লেখ করা হলো।

বাণিজ্যিক লেয়ার মুরগির প্রস্তাবিত টিকাদান কর্মসূচি

 

বয়স রোগের নাম ভ্যাকসিনের নাম প্রকৃতি প্রয়োগ পদ্ধতি
১-৩ দিন ম্যারেক্স
রাণীক্ষেত+ ব্রংকাইটিস
ম্যারেক্স,
আইবি+ এনডি
লাইভ ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
চোখে ফোঁটা
৭-৯ দিন গামবোরো আই বি ডি লাইভ ফুখে ফোঁটা
১০-১২ দিন রাণীক্ষেত+ গামবোরো জি + এনডি কিল্ড ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
১৬-১৭ দিন রাণীক্ষেত ল্যাসোটা লাইভ চোখে ড্রপ
১৮-২০ দিন গামবোরো আই বি ডি লাইভ খাবার পানিতে
২৪-২৮ দিন এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা
(বার্ড ফ্লু)
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5N1) কিল্ড চামড়ার নিচে ইনজেকশন
৩০-৩৫ দিন ফাউল পক্স ফাউল পক্স ডি এন এ লাইভ ডানায়সূচ ফুটানো
৪০-৪৫ দিন মাইকোপ্লাজমা মাইকোপ্লাজমা কিল্ড ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
৬-৭ সপ্তাহ রাণীক্ষেত এনডি কিল্ড ঘাড়ের চামড়ার নিচে ইনজেকশন
৮ সপ্তাহ ফাউল কলেরা ফাউল কলেরা কিল্ড নির্দেশনা মোতাবেক
৯ সপ্তাহ ইনফেকশাস করাইজা, সালমোনেলা করাইজা + সালমোনেলা কিল্ড
লাইভ
নির্দেশনা মোতাবেক
১০ সপ্তাহ ব্রংকাইটিস (ভ্যারিয়ান্ট) আইবি ভ্যারিয়ান্ট লাইভ খাবার পানিতে
১২ সপ্তাহ ফাউল কলেরা ফাউল কলেরা কিল্ড নির্দেশনা মোতাবেক
১৫-১৬ সপ্তাহ এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা
(বার্ড ফ্লু)
এভিয়ান ইনফ্লুয়েঞ্জা (H5N1) কিল্ড চামড়ার নিচে ইনজেকশন
১৬ সপ্তাহ করাইজা, সালমোনেলা, রাণীক্ষেত, ব্রংকাইটিস
ও এগ ড্রপ সিন্ড্রোম
জি + এনডি +আইবি + ইডিএস কিল্ড নির্দেশনা মোতাবেক

 

প্রতি ৬ মাস অন্তর রানীক্ষেত কিল্ড ভ্যাকসিন দিতে হবে। ভ্যাকসিন টাইটার কমে গেলে লাইভ ভ্যাকসিন করা যেতে পারে। সালমোনেলা রোগের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করার পূর্বে মুরগি সালমোনেলা মুক্ত কিনা পরীক্ষা করে নিলে ভ্যাকসিন কার্যকর হয়ে থাকে।উল্লেখ্য বিভিন্ন কোম্পানি বিভিন্ন নামে ভ্যাকসিন বাজারজাত করে থাকে। এক্ষেত্রে রোগের নাম অনুযায়ী ভ্যাকসিন নির্বাচন করতে হবে।

এলাকা আবাহাওয়া, মুরগির স্বাস্থ ইত্যাদি বিবেচনায় উল্লেখিত লেয়ার মুরগির ভ্যাকসিন সিডিউল পরিবর্তন করা যেতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২১ ৮:১৪ পূর্বাহ্ন
হিলিতে একটি ট্রাক ও তিনটি চোরাই গরু সহ আটক ৯
প্রাণিসম্পদ

দিনাজপুরের হাকিমপুর উপজেলার হিলিতে একটি ট্রাক ও তিনটি চোরাই গরু সহ পালিয়ে যাওয়ার সময় ৯ ব্যক্তিকে আটক করেছে সেখানকার স্থানীয় জনতা। পরে আটককৃত ব্যক্তিদের পুলিশের হাতে সোর্পদ করা হয়।

মঙ্গলবার (২৩ মার্চ) সকালে উপজেলার আলীহাট ইউনিয়নের কাশিয়াডাঙ্গা এলাকা থেকে তাদেরকে আটক করে হাকিমপুর থানা পুলিশের কাছে সোর্পদ করেন স্থানীয় জনতা।

বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হাকিমপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) ফেরদৌস ওয়াহিদ।

ওসি জানান, জেলার বোচাগঞ্জ উপজেলা থেকে গরুগুলো চুরি করা হয়। পরে ট্রাকে করে নিয়ে সকালের দিকে হিলির কাশিডাঙ্গা এলাকা দিয়ে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন আটকরা। এসময় স্থানীয় জনতা তাদেরকে একই এলাকার বিভিন্ন জায়গা থেকে আটক করেন।

ওসি ফেরদৌস ওয়াহিদ জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে চোরাইকৃত তিনটি গরু ও একটি ট্রাক জব্দ এবং ৯ চোরকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়। এ ব্যাপারে হাকিমপুর থানায় আটকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে।

আটকরা হলেন-দিনাজপুরের বিরামপুর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের তোশারফ হোসেনের ছেলে মুসফিকুর রহমান, বীরগঞ্জ উপজেলার ভোগডোবা গ্রামের মৃত হরেণ দাসের ছেলে তাপস দাস, কোতোয়ালি উপজেলার বোদাবাড়ী গ্রামের মৃত সুন্দর দাসের ছেলে কৃষ্ণ দাস ও যলীবাড়ি গ্রামের মঞ্জুর ছেলে আরিফ হোসেন, বোচাগঞ্জ উপজেলার শ্রীমন্দপুর গ্রামের বিজয় দাসের ছেলে সুজল দাস, খানসামা উপজেলার নবেশ দাসের ছেলে সাধু চন্দ্র দাস, রংপুর জেলার পীরগঞ্জ থানার চকপাড়া জামালপুর গ্রামের মুনসুর আলীর ছেলে আব্দুল মনিম, নীলফামারী সদর উপজেলার বেলাডাঙ্গা গ্রামের রবি চন্দ্রের ছেলে লিটন চন্দ্র ও একই উপজেলার বাগানবাড়ি গ্রামের মৃত জহিমুদ্দিনের ছেলে হযরত আলী।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ১১:৩০ অপরাহ্ন
বরিশালে গরুর খাদ্য হিসেবে ভুট্টার আবাদ
প্রাণিসম্পদ

বরিশারে গরুর জন্য আবাদ করা হচ্ছে ভুট্টা। এটি স্বল্পমূল্যের উন্নত গো-খাদ্য হওয়ায় কৃষকরা তাদের গরুর জন্য এটি আবাদ করে ব্যাপকা সাড়া জাগিয়েছে। প্রাকৃতিকভাবে ভুট্টা উৎপাদন যেমন স্বল্প খরচের, তেমন পরিশ্রমও কম। আর ভুট্টার মতো উন্নতমানের গো-খাদ্যের দাম প্রায় দ্বিগুণ, সেই সঙ্গে ফিডের থেকে ভুট্টা খাওয়ানো গরু অনেকটাই সতেজ ও তরতাজা থাকে।

বরিশাল সদর উপজেলার কৃষকরা জানান, ভুট্টা এমন একটি শস্য যা শুধু মানুষের জন্য উপকারী এমনটা নয়। এটি গবাদি পশুর জন্যও উপকারী। আবার ভুট্টা, ফিডের চেয়ে দামেও অনেকটাই সাশ্রয়ী। তাই যে অঞ্চলে মানুষ বেশি গরু লালন-পালন অর্থাৎ গো খামারি রয়েছেন সেখানে ভুট্টার আবাদ বেশি করতে দেখা যায়।

তারা আরো জানান, ভুট্টা আবাদে বেশি শ্রম যেমন প্রয়োজন হয় না, তেমনি জাতভেদে সময় অনুযায়ী পরিমাণ মতো ফসফেট, ড্যাপ, ইউরিয়া ও জিপসাম সার ব্যবহার করলেই হয়। আর এতে বীজ ও সারসহ ভুট্টা উৎপাদনে তেমন একটা খরচও হয় না। আবার এ অঞ্চলে তেমন একটা রোগবালাই ও দেখা যায় না ভুট্টা ক্ষেতে।

তারা জানান, ভুট্টা যেমন সহজে সংরক্ষণ করা যায়, তেমনি গবাদি পশু (গরু) খেয়েও স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করে। ফিডের থেকে ভুট্টা খেয়ে বড় হওয়া গরুর শারীরিক শক্তি ও গঠন বেশি ও ভালো হয়ে থাকে উল্লেখ করে একজন খামারি বলেন, ভুট্টা খাওয়ানো গরু সহসা নিস্তেজ হতেও দেখা যায় না, রোগ বালাইও কম হয়। আর ফিডের থেকে খরচ প্রায় অর্ধেক হওয়ায় যারা বেশি সংখ্যক গরু লালন-পালন করেন তারা নিজেরাই জমিতে ভুট্টা উৎপাদন করেন।

বরিশাল সদর উপজেলার কৃষি কর্মকর্তা ফাহিমা হক জানান, ধান ও গমের থেকে ভুট্টাতে পুষ্টিমান অনেক বেশি। এটি মানুষের জন্য বেশ উপকারী। এছাড়া ভুট্টার বহুমুখী ব্যবহার থাকলেও দেশে পোল্ট্রি ও মাছের খাবার হিসেবে এর ব্যবহার বেশি হয়ে থাকে। সেই সঙ্গে বর্তমানে গো-খাদ্য হিসেবেও ভুট্টা ব্যবহার বেড়েছে। বরিশালেও গো-খাদ্য হিসেবে অনেকেই ভুট্টার আবাদ করছেন। ফলে এ অঞ্চলেও ভুট্টা চাষ বাড়ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ১০:২১ অপরাহ্ন
এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স`র “Gift Handover Ceremony” অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

“বদলে যাবে সারাদেশ , দুধে মাংসে বাংলাদেশ” এই স্লোগানকে সামনে রেখে ও মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজন অনুযায়ী আগামীতে গবাদী পশুর আধুনিক প্রজনন কার্যক্রম আরও সম্প্রসারিত করার লক্ষ্যে এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স বিদেশ থেকে বিভিন্ন উন্নত জাতের ষাঁড় আমদানি করাসহ নতুন নতুন প্রযুক্তি খামারিদের মাঝে হস্তান্তর করবে।

এরই ধারাবাহিকতায় ঢাকার পুলিশ প্লাজায় বছরের বেস্ট ডিসবিউটার এওয়ার্ড হিসাবে এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স এর “Gift Handover Ceremony” প্রোগ্রামের আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন ডঃ ফা হ আনসারি ( এমডি এন্ড সিইও, এসিআই এগ্রিবিজনেস ) ,মোহাঃ শাহিন শাহ ( ডেপুটি এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর, এসিআই এনিম্যাল হেলথ),ডাঃ অরবিন্দ কুমার শাহা ( চিফ এডভাইজার, এসিআই এনিমেল জেনেটিক্স ) ,ডাঃ হিরেস রঞ্জন ভৌমিক ( চিফ এডভাইজার, এসিআই এনিমেল হেলথ ) ,ডাঃ এম এ সালেক ( চিফ টেকনিক্যাল এডভাইজার, এসিআই এনিমেল হেলথ) প্রমুখ।

বক্তারা বলেন, সময়ের সাথে এগিয়ে চলছে বাংলাদেশ। প্রযুক্তির হাত ধরে বিস্তৃত হচ্ছে কৃষি অর্থনীতি। শহর থেকে প্রান্তিক জনপদে সৃষ্টি হয়েছে অধিক উৎপাদনশীল গবাদি পশুর খামার। পরিবর্তনের সেই অগ্রযাত্রায় কৃষকের বিশ্বস্ত সহযাত্রী এসিআই এনিমেল জেনেটিকস্।

গাজীপুরের রাজাবাড়িতে বিস্তৃত পরিসরে গড়ে উঠেছে এসিআই-এর বিশেষায়িত জেনেটিক্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টার। যেখানে গরুর প্রজনন, জাত উন্নয়ন, দুধ ও মাংসের উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি নিয়ে বৃদ্ধি নিয়ে চলছে গবেষণা ও প্রযুক্তি হস্তান্তর।

এছাড়া এসিআই-এর বিশেষায়িত জেনেটিক্স রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট সেন্টারে রয়েছে দেশ-বিদেশ থেকে সংগৃহিত বিভিন্ন উন্নত জাতের ষাঁড়। কৃত্রিম প্রনজনের জন্য এসব ষাঁড় থেকে সর্বাধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে সিমেন সংগ্রহ ও প্রসেজিং করা হয় যা এসিআই সিমেন নামে দেশব্যাপী পৌঁছে যাচ্ছে খামারির কাছে। এসিআই নিবিড় গবেষণার মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে গাভীর উচ্চ গর্ভধারণ হার যা বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি।

মূলত, মাংস ও দুধ বৃদ্ধির মাধ্যমে খামারির মুখে হাসি ফুটানোই এসিআই-এর ব্রত। এখানকার কৃত্রিম প্রজননের প্রশিক্ষণ নিয়ে স্বাবলম্বী হচ্ছে গ্রাম বাংলার অসংখ্য বেকার যুবকরা, সম্পৃক্ত হচ্ছে দেশকে এগিয়ে নেওয়ার মূল ধারার সাথে। ইতোমধ্যে এসিআই সিমেন ব্যবহার করে ভালো ফলাফল পাচ্ছে খামারিগণ এবং দারুণভাবে প্রশংসিত হচ্ছে বলে তারা উল্লেখ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ৭:৫৩ অপরাহ্ন
জনকণ্ঠের সম্পাদকের মৃত্যুতে প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর শোক
প্রাণিসম্পদ

দৈনিক জনকণ্ঠ পত্রিকার সম্পাদক ও প্রকাশক আতিকউল্লাহ খান মাসুদের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি।

আজ সোমবার মন্ত্রী এক শোকবার্তায় মরহুমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তাঁর শোকসন্তপ্ত পরিবারের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

শোকবার্তায় মন্ত্রী আরো জানান, আতিকউল্লাহ খান মাসুদ দীর্ঘ সময় সাহসিকতার সাথে সম্পাদনার দায়িত্ব পালন করে গেছেন। তার মতো বরেণ্য সাংবাদিকের মৃত্যু এক অপূরণীয় ক্ষতি বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
চাঁদপুরে কয়েলের আগুনে ৪ গরুর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

চাঁদপুরের মতলব উত্তরে এক কৃষকের গোয়ালঘরে কয়েলের আগুনে পুড়ে চারটি গরুর মৃত্যু হয়েছে।

সোমবার গভীর রাতে উপজেলার ফতেপুর পশ্চিম ইউনিয়নের লুধুয়া গ্রামের কৃষক লতিফ বেপারিবাড়ির গোয়াল ঘরে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে

কৃষক লতিফ বেপারির ছেলে আমির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো মশা থেকে গরুকে রক্ষা করতে গোয়ালঘরে কয়েল জ্বালিয়ে পাঁচটি গরু রশি দিয়ে বেঁধে ঘুমাতে যাই। রাত ১২টার কিছু সময় পর গোয়ালে আগুনের লেলিহান শিখা দেখে আমাদের ঘুম ভাঙে।

পরে এলাকাবাসীর সহায়তায় আগুন নিয়ন্ত্রণে আনি। এ সময় আমাদের একটি গোয়ালঘর পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। এতে চারটি মারা যায়। অপর গরুটির অবস্থাও আশঙ্কাজনক বলে জানা যায়।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop