৯:০০ অপরাহ্ন

শনিবার, ২৫ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২২ ২:৫৯ অপরাহ্ন
গাভীর একাধিক ভ্রুণ উৎপাদন ও প্রতিস্থাপনে সফলতা পেয়েছে বাকৃবির গবেষক দল 
ক্যাম্পাস

সাধারণত মাংস, দুধ উৎপাদন, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসহ বিভিন্ন বৈশিষ্ট্য উন্নয়নের লক্ষ্যে গবাদি পশুর জাত উন্নয়ন করা হয়। বাংলাদেশে গাভীর কৃত্রিম প্রজননে সাধারণত উন্নত গাভীর শুক্রানু ডিম্বানুর সঙ্গে নিষিক্ত করে জাত উন্নয়ন করা হয়।

কিন্তু এ প্রক্রিয়ায় একটি সমস্যা হলো শুক্রাণু দিয়ে গাভীর গর্ভে শুধু একটি বাচ্চা জন্ম দেয়া সম্ভব। এ সমস্যা সমাধানে গাভীর গর্ভে একাধিক ভ্রুণ উৎপাদন এবং তা সংরক্ষণ করে একাধিক গাভীর গর্ভে প্রতিস্থাপনে সফলতা পেয়েছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।

গবেষণাটির গবেষক দলের প্রধান হিসেবে ছিলেন বাকৃবির সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা। এছাড়াও গবেষণা প্রকল্পটির সহকারী গবেষক হিসেবে যুক্ত রয়েছেন বাকৃবির মাইক্রোবায়োলজি ও হাইজিন বিভাগের অধ্যাপক ড. মারজিয়া রহমান এবং সদস্য হিসেবে রয়েছেন অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুল আলম। এছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ে অধ্যাপক ড. ফরিদা ইয়াসমীন বারি, অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মোশাররফ উদ্দীন ভূঁইয়া, ড. জয়ন্ত ভট্টাচার্য, ডা. জান্নাতুল মাওয়া, ডা. সংগীতা সাহা, ডা. মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মামুন গবেষণা কার্যক্রমের সাথে যুক্ত রয়েছেন।

দ্য অর্গানাইজেশন ফর উইমেন ইন সায়েন্স ফর দ্যা ডেভেলপিং ওয়ার্ল্ড (ওডব্লিউএসডি) এবং ইউনেস্কোর অর্থায়নে ‘বাংলাদেশের দেশি গাভীতে ভ্রুণ স্থানান্তরের পরে প্রাপকের গ্রহণযোগ্যতা এবং গর্ভধারণকে অনুকূল করা’ শীর্ষক সাব-প্রকল্পের অধীনে এ গবেষণাটি পরিচালিত হয়।

গবেষণার প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা বলেন, স্বল্পতম সময়ে উচ্চ গুণসম্পন্ন অধিক সংখ্যক গবাদি পশুর বাচ্চা উৎপাদন এবং উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করে জাত উন্নয়নের মাধ্যমে দ্রুত দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ গবেষণা করা হয়। সাধারণত গাভী বছরে ১টির মতো বাচ্চা প্রসব করতে পারে।

কিন্তু প্রযুক্তির উৎকর্ষতায় একটি নির্বাচিত উন্নত জাতের গাভী থেকে প্রজননের মাধ্যমে বছরে ২৫ থেকে ৩০টি উচ্চগুণসম্পন্ন ভ্রুণ উৎপাদন করা সম্ভব এবং যার মাধ্যমে প্রথমবারেই ভ্রুণ প্রতিস্থাপন করে সাধারণ গাভী থেকে উন্নত জাতের বাছুর উৎপাদন করা যেতে পারে। এতে করে একজন খামারি অতি অল্প সময়ে গবাদিপশুর জাত উন্নয়ন করতে পারবেন।

তিনি আরও বলেন, শুক্রানুর তুলনায় ভ্রুণ দীর্ঘদিন পর্যন্ত সংরক্ষণ করা যায়। এই পদ্ধতিতে উৎপাদন খরচ তুলনামূলক বেশি হলেও বাড়তি উৎপাদনে অধিক লাভবান হওয়ার সুযোগ থাকবে। প্রান্তিক পর্যায়ে খামারিদের কাছে এই প্রযুক্তিটি পৌঁছে দিলে অধিক মাংস ও দুধ উৎপাদন করে লাভবান হবেন তারা। এছাড়া জৈব নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনা, পশুর জাত উন্নয়ন ও প্রজননে অক্ষম গাভীর জন্য এই প্রক্রিয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তবে প্রতিস্থাপন পদ্ধতির সীমাবদ্ধতা নিয়ে তিনি বলেন, বাংলাদেশে এই পদ্ধতিতে যে সকল গবেষণা যন্ত্রাংশ প্রয়োজন তা দেশে অপ্রতুল। এছাড়া মাঠ পর্যায়ে প্রযুক্তিগত জ্ঞানের অভাবও রয়েছে। এসব সীমাবদ্ধতা পূরণ করে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব বৃদ্ধিতে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তরের সহযোগিতা চান তিনি।

গবেষণা কার্যক্রমটি নিয়ে শুক্রবার (২৮ অক্টোবর) সকালে ঢাকায় প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের সম্মেলন কক্ষে ‘বাংলাদেশে গবাদি পশুর ভ্রুণ উৎপাদন ও স্থানান্তরের সম্ভাবনা’ শীর্ষক একটি সেমিনার অনুষ্ঠিত হয়। সেমিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন কালে এসব কথা বলেন বাকৃবির সার্জারি ও অবস্টেট্রিক্স বিভাগের অধ্যাপক ড. নাছরীন সুলতানা জুয়েনা।

সেমিনারে বাকৃবির ভেটেরিনারি অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মকবুল হোসেনের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা। বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ ভেটেরিনারি এসোসিয়েশনের (বিভিএ) মহাসচিব ডা. মো. হাবিবুর রহমান মোল্লা, বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল (বিপিআইসিসি) সভাপতি মশিউর রহমান, দ্যা অর্গানাইজেশন ফর উইমেন ইন সায়েন্স ফর দ্যা ডেভেলপিং ওয়ার্ল্ড (ওডব্লিউএসডি) এর বাংলাদেশ জাতীয় পর্যায়ের সভাপতি ডা. মোছা. মাহবুবা বেগম, বাংলাদেশ ভেটেরিনারি কাউন্সিলের (বিভিসি) সভাপতি ডা. মো. মনজুর কাদির এবং বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএলআরআই) মহাপরিচালক ডা. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন।

সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা বলেন, ভ্রুণ স্থানান্তর নিয়ে গবেষণাটি বর্তমান সময়ের প্রেক্ষিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপযোগী গবেষণা। এ প্রযুক্তি যেন দ্রুতই মাঠ পর্যায়ে ছড়িয়ে দেয়া যায় এ বিষয়ে প্রাণীসম্পদ অধিদপ্তর সবসময় সহযোগিতা করবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৯, ২০২২ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
গরুর খামারে চাঙা বিদেশ ফেরত জাকারিয়া!
প্রাণিসম্পদ

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার ধোয়াইল গ্রামের মো. জাকারিয়া হাসান চুন্নু,তিনি  দীর্ঘদিন সৌদি আরবে কাটানোর পর বাড়িতে ফিরে দেন গরুর খামার। এরপর আর পেছনে তাকাতে হয়নি তাঁকে। তিন বছরে প্রায় আড়াই শ গরু বিক্রি করেছেন। এ সময় লাভ হয়েছে ১০ লাখ টাকার মতো।

বর্তমানে গো-খাদ্যের দাম বেড়ে যাওয়ায় কিছুটা সমস্যায় পড়েছেন চুন্নু। তিনি জানান, ২০১৯ সালে ৪ লাখ টাকা বিনিয়োগ করে গরুর খামার দেন তিনি। খামারে এখন তাঁর সম্পদের পরিমাণ প্রায় ৪০ লাখ টাকা।

জানা গেছে, ভাগ্য ফেরাতে ২০০৫ সালে সৌদি যান চুন্নু। ২০১৯ সালে দেশে ফিরে আসেন। দেশে এসে বসে না থেকে শুরু করেন গরুর খামার। বর্তমানে তাঁর খামারে ১২টি এঁড়ে গরু ও দুটি গাভি রয়েছে। এর মধ্যে দুটি এঁড়ে গরু আগামী ঈদে বিক্রি হবে, যার দাম এখনই ৫ লাখ টাকা হয়েছে বলে জানান চুন্নু।

জানা যায়, খামারি চুন্নু গরুকে খাবার দিচ্ছেন। গরুর পাশাপাশি খামারে মুরগি ও ছাগল পালন শুরু করেছেন তিনি। ফাঁকা জায়গায় বিভিন্ন শাকসবজি ও ফলমূলের গাছ লাগিয়েছেন।

চুন্নু জানান, স্বপ্নের এই খামারবাড়ি থেকে আর্থিকভাবে বছরে বেশ আয় হয় তাঁর। তাঁকে দেখে এলাকার তরুণ প্রজন্ম গরু মোটাতাজাকরণ পদ্ধতিতে গরু পালনে ঝুঁকছেন।

মহম্মদপুর উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ডা. বিপুল কুমার চক্রবর্তী জানান, জাকারিয়া যুব সমাজের জন্যও আদর্শ হতে পারেন। তিনি খামারে নিত্যনতুন প্রযুক্তির ব্যবহার করে ব্যবসার উন্নতি করছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৮, ২০২২ ৯:৫৯ পূর্বাহ্ন
গরু নিয়ে দুশ্চিন্তায় ঠাকুরগাঁওয়ের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

ঠাকুরগাঁওয়ে প্রায় দুই শতাধিক খামারে গরু পালন করেন বিভিন্ন পর্যায়ের খামারিরা। সম্প্রতি জেলায় গরুর লাম্পি স্কিন রোগ দেখা দিয়েছে। এতে গরু নিয়ে চরম দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা।

জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সদর উপজেলার নারগুন, সালান্দরসহ বিভিন্ন এলাকায় গরুর শরীরে ভাইরাসজনিত লাম্পি স্কিন রোগ দেখা দিয়েছে। এই রোগে আক্রান্ত গরুর শরীর হঠাৎ গরম হয়ে যায়। প্রথমে শরীরের বিভিন্ন স্থানে ছোট আঁচিলের মতো ফুলে ওঠে। একপর্যায়ে চামড়া উঠে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। এ রোগে আক্রান্ত গরু খাওয়া-দাওয়া ছেড়ে দেয়। আক্রান্ত পশুর চামড়ায় প্রথমে ফোসকা পড়ে। একপর্যায়ে সেই স্থানে ক্ষতের সৃষ্টি হয়। চিকিৎসা করেও তেমন প্রতিকার পাচ্ছেন না খামারিরা। অনেক সময় মৃত্যু ঘটছে আক্রান্ত গরুর। এতে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন খামারিরা।

জেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্য মতে, জেলায় ২০৩টি খামারে ২১০০টি গরু লালন-পালন করা হয়। এর মধ্যে সদর উপজেলায় গরুর খামার রয়েছে ৩৭টি, বালিয়াডাঙ্গীতে ১১টি, পীরগঞ্জে ৪৫টি, রাণীশংকৈলে ৯০টি ও হরিপুর উপজেলায় ২০টি গরুর খামার রয়েছে।

সদরের আঁকচা ইউনিয়নের মুন্সিপাড়া গ্রামের খামারি প্রফুল্ল বর্মন জানান, আমার একটা গরু এ রোগে মারা গেছে। আমি আগে জানতাম না এটা কী রোগ। গ্রামের চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে প্রথমে চিকিৎসা দেই। পরে রোগ সম্পর্কে জানার পর পশু হাসপাতালে নিয়ে যাই। আমার একটা গরু এখন সুস্থতার পথে।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আবুল কালাম আজাদ জানান, লাম্পি স্কিন একটি ভাইরাসজনিত রোগ। এ রোগ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কোনো কারণ নেই। এটি মারাত্মক কোনো রোগ নয়। মশা-মাছিবাহিত এই রোগটি নিয়মিত ওষুধ খাওয়ালে কয়েক সপ্তাহের মধ্যে সেরে যায়। এ বিষয়ে খামারিদের পরামর্শ দেওয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৭, ২০২২ ১০:০০ পূর্বাহ্ন
মিয়ানমার থেকে আনা ৯ গরু-৩ মহিষ জব্দ
প্রাণিসম্পদ

বান্দরবানের পৃথক অভিযান পরিচালনা করে নয়টি গরু ও তিনটি মহিষ জব্দ করেছে লামা থানা পুলিশ।

বুধবার (২৬ অক্টোবর) সকাল ৮টায় লামা উপজেলার শিলেরতুয়া এলাকা থেকে ওয়ারিশবিহীন তিনটি গরু ও তিনটি মহিষ জব্দ করা হয়।

পরে সকাল ১০টার দিকে আবার বেশ কিছু গরু মহিষ মিয়ানমার থেকে আলীকদম হয়ে অবৈধভাবে পাচার হচ্ছে এমন খবরে লামার মুখ এলাকা থেকে আরও ছয়টি গরু জব্দ করা হয়।

লামা সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্র্তা (ওসি) মো. শহীদুল ইসলাম চৌধুরী বাংলানিউজকে বলেন, আলীকদম উপজেলা থেকে সড়ক ও নৌ-পথে বিভিন্নভাবে চোরা কারবারীরা গরু ও মহিষ দেশের বিভিন্ন স্থানে পাচার করা হচ্ছে এমন খবর পাই।

এ তথ্যের ভিত্তিতে আমরা গত কয়েকদিন ধরে অভিযান পরিচালনা করছি। বুধবার সকাল থেকে এ পর্যন্ত পৃথক দুইটি অভিযানে নয়টি গরু এবং তিনটি মহিষ জব্দ করতে সক্ষম হয়েছি।

ওসি আরো জানান, আমাদের অভিযান অব্যাহত রয়েছে। আশাকরি আরও গরু ও মহিষ জব্দ করা সম্ভব হবে।

বান্দরবানের পুলিশ সুপার মো. তারিকুর ইসলাম জানান, মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে কয়েকদিন ধরে বান্দরবানের আলীকদমসহ বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে গরু-মহিষ দেশে এনে পাচারের চেষ্টা করছে চোরা কারবারীরা। এসব অবৈধ কার্যক্রম বন্ধে পুলিশ সজাগ রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৬, ২০২২ ২:৩১ অপরাহ্ন
ঢাকায় অনুষ্ঠিত হচ্ছে তৃতীয় ইউকেআরআই জিসিআরএফ ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব অ্যানুয়েল কনফারেন্স, ২০২২
প্রাণিসম্পদ

রেডিসন ব্লু, ঢাকা, ওয়াটার গার্ডেনে অনুষ্ঠিত হচ্ছে তৃতীয় ইউকেআরআই জিসিআরএফ ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব অ্যানুয়েল কনফারেন্স, ২০২২ । ২৫ অক্টোবর শুরু হওয়া এই কনফারেন্স শেষ হবে আগামীকাল ২৭শে অক্টোবর ।

ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব (OHPH) পাঁচ বছর মেয়াদী একটি প্রয়োগিক প্রকল্প যা গ্লোবাল চ্যালেঞ্জ রিসার্চ ফান্ড এর মাধ্যমে ইউকে (যুক্তরাজ্য) রিসার্চ এন্ড ইনোভেশন এর অর্থায়নে ২০১৯ সালে চালু হয়। জনসাধারণের পাশাপাশি প্রাণী স্বাস্থ্য নিশ্চিত করার জন্য, আন্তঃক্ষেত্রসমূহের সহযোগিতা এবং যোগাযোগমূলক পদক্ষেপের মাধ্যমে ওয়ান হেলথ্ বিষয়ক কার্যক্রম প্রসার লাভ করেছে।এতে অবদানের লক্ষ্যে, সারা বিশ্বে বিভিন্ন সংস্থা এবং প্রতিষ্ঠানের সাথে কাজ করে, যেখানে ওয়ান হেলথ্  বাংলাদেশ হাব টিম এর কার্যকরী সহযোগী সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি এবং অ্যানিমেল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি (সিভাসু), বাংলাদেশ লাইভস্টক রিসার্চ ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই) এবং ইন্সটিটিউট অব ইপিডেমিওলজি ডিজিজ কন্ট্রোল এন্ড রিসার্চ (আইইডিসিআর)

ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যা, মুরগির মাংস এবং ডিম উত্পাদনের চাহিদাকে বৃদ্ধি করছে।দ্রুততার সাথে বাড়তে থাকা পোল্ট্রি শিল্প, জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকির বিভিন্ন কারণ যেমন নতুন রোগের উদ্ভব ও তা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে পড়া সহ বিভিন্ন ধরনের মহামারী এবং অতিরিক্ত এন্টিবায়োটিক ব্যবহারের কারণে এন্টিমাইক্রোবিয়াল রেজিস্ট্যান্স এর মতো সমস্যাগুলো তৈরি করছে।

দক্ষিণ এবং দক্ষিণপূর্ব এশিয়ায় বিপদমুক্ত এবং টেকসই পোল্ট্রি উত্পাদন খুবই জরুরি এবং ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব এর গবেষকবৃন্দ বাংলাদেশ, ভারত, শ্রীলংকা এবং ভিয়েতনামের প্রতিবন্ধকতাসমূহকে চিহ্নিত এবং নতুন কোনো সম্ভাবনাময় উপায়ের পরামর্শ দেয়ার জন্যে কাজ করছেন। যেখানে নেতৃত্ব দিচ্ছেন রয়্যাল ভেটেরিনারি কলেজ (আরভিসি), যুক্তরাজ্য এবং এশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ইউরোপ ও যুক্তরাজ্যে এর সহযোগী সদস্যবৃন্দ।

হাব প্রকল্প ল্যাবরেটরি, ক্লিনিক্যাল, ভেটেরিনারি এবং গবেষকদের একত্রে নিয়ে বিপদমুক্ত খাদ্য উত্পাদনের লক্ষ্যে ওয়ান হেলথ্ এর ভূমিকায় কাজ করছে ।এর গবেষণায় কিভাবে এবং কেনো ক্রমপ্রসারিত পোল্ট্রি উত্পাদন সংক্রামক রোগ বাড়াচ্ছে এবং এর সাথে সংশ্লিষ্ট অতিরিক্ত ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহার, পদ্ধতি এবং পরিবেশ সমূহের বিষয়ে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সম্মানিত সচিব ড নাহিদ রশিদ, বাংলাদেশ মত্স্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ।ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব এর পরিচালক প্রফেসর ফিওনা টমলে’র হাব প্রজেক্টের সার্বিক অবস্থার উপস্থাপন এবং নারিশ পোল্ট্রি এবং হ্যাচারি লিমিটেড ব্যবস্থাপনা পরিচালক জনাব শামসুল আরেফিন খালেদ এরদক্ষিণ এশিয়ায় পোল্ট্রি উত্পাদন শিল্পের অগ্রগতি, সম্ভাবনা এবং চ্যালেঞ্জ বিষয়ক প্রধান বক্তব্যের  মাধ্যমে অনুষ্ঠানটি শুরু হয়।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জনাব. ম্যাট ক্যানেল (উন্নয়ন পরিচালক, ব্রিটিশ হাই কমিশান বাংলাদেশ), ড. রশিদ জামান (স্বাস্থ্য সচিব, ব্রিটিশ হাই কমিশান বাংলাদেশ), অধ্যাপক ড. গৌতম বুদ্ধ দাশ (উপাচার্য, সিভাসু), অধ্যাপক ড. নিতীশ চন্দ্র দেবনাথ (সাবেক উপাচার্য, সিভাসু), ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদা (মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর), মেজর জেনারেল মোহাম্মদ ইউসুফ (মহাপরিচালক, ওষুধ প্রশাসন), ডা. এস এম জাহাঙ্গীর হোসেন (মহাপরিচালক, বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইনস্টিটিউট), অধ্যাপক ডা. আহমেদুল কবির (অতিরিক্ত সচিব, স্বাস্থ্য অধিদপ্তর), এবং মো. জাহিদুল কবির (উপ-প্রধান বন সংরক্ষক)।

দেশি ও বিদেশির গবেষকদের মধ্যে অধ্যাপক ফিওনা টমলে (পরিচালক, ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব), ড. ড্যান ভিংক (প্রোগ্রাম ম্যানেজার, ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব), প্রফেসর মোঃ আহসানুল হক (জাতীয় সমন্বায়ক, বাংলাদেশ, ইউকেআরআই জিসিআরএফ, ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব), অধ্যাপক পরিতোষ কুমার বিশ্বাস (সিভাসু)।

৩০ মাস ভার্চুয়াল যোগাযোগের পর সরাসরিভাবে যোগাযোগের জন্যে আয়োজিত এই সম্মেলনটি আয়োজন করা হয়েছে পোল্ট্রির উপর চলমান গবেষণাসমূহ, আসন্ন গবেষণাসমূহের বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণ, হাব গবেষকদের সক্ষমতাবৃদ্ধি, এবং হাব প্রকল্পের অর্জিত প্রভাব বিষয়ে যৌক্তিক এবং গভীর আলোচনা পর্ব নিয়ে আয়োজন করা হয়েছে।

উল্লেখ্য, ইউকেআরআই জিসিআরএফ ওয়ান হেলথ্ পোল্ট্রি হাব এর প্রথম অ্যানুয়েল কনফারেন্স অনুষ্ঠিত হয়েছিল ভারতের গুজরাট শহরে তবে কোভিড মহামারীর কারণে দ্বিতীয় কনফারেন্সটি অনলাইনেই সম্পন্ন করা হয়

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২২ ৪:০৪ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে ৫২ জনের চাকরির সুযোগ
চাকুরির খবর

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের অধীন ‘একটি এপিডিমিওলজি সেল ও ২৪টি কোয়ারেন্টিন স্টেশন’–এর জন্য অস্থায়ী রাজস্ব খাতে সৃজনকৃত একাধিক পদে জনবল নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ হয়েছে । এই প্রতিষ্ঠানে ৫২ জন কর্মী নিয়োগ দেওয়া হবে। আগ্রহী প্রার্থীদের অনলাইনে ফরম পূরণের মাধ্যমে আবেদন করতে হবে।

১. পদের নাম: ল্যাবরেটরি টেকনিশিয়ান
পদসংখ্যা: ২৪
যোগ্যতা: বিজ্ঞান বিভাগে এইচএসসি বা সমমান পাস।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

২. পদের নাম: অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক
পদসংখ্যা: ২৩
যোগ্যতা: এইচএসসি বা সমমান পাস। কম্পিউটার ব্যবহারসংক্রান্ত ওয়ার্ড প্রসেসিং, ডেটা এন্ট্রি ও টাইপিং ইত্যাদির সর্বনিম্ন গতি বাংলায় প্রতি মিনিটে সর্বনিম্ন ২০ শব্দ ও ইংরেজিতে সর্বনিম্ন ২০ শব্দ থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৯,৩০০-২২,৪৯০ টাকা (গ্রেড-১৬)

৩. পদের নাম: ল্যাবরেটরি অ্যাটেনডেন্ট
পদসংখ্যা: ৫
যোগ্যতা: অস্টম শ্রেণি পাসসহ দুই বছরের বাস্তব অভিজ্ঞতা থাকতে হবে।
বেতন স্কেল: ৮,২৫০-২০,০১০ টাকা (গ্রেড-২০)

বয়সসীমা

প্রার্থীর বয়স ২০২০ সালের ২৫ মার্চ ১৮ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে হতে হবে। তবে এতিম, শারীরিক প্রতিবন্ধী ও বীর মুক্তিযোদ্ধা/শহীদ বীর মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য। বীর মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনিদের ক্ষেত্রে বয়সসীমা সর্বোচ্চ ৩০ বছর।

আবেদন যেভাবে

আগ্রহী প্রার্থীদের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চাকরিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটের এই লিংকে গিয়ে আবেদন করতে হবে। আবেদনপদ্ধতি, ফি জমাদান, শর্তাবলি ও নিয়োগসংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য এই লিংকে পাওয়া যাবে।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ০৮/০৯/২০১৯ তারিখের নম্বর–৩৩.০১.০০০০.১০১.১১.৮৭৫.১৯-২২৬২ সংখ্যক স্মারকে জারিকৃত নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী যেসব প্রার্থী আবেদন করেছেন, তাঁদের নতুন করে আবেদন করার প্রয়োজন নেই ।

আবেদন ফি

পরীক্ষার ফি বাবদ বাংলাদেশ ব্যাংক/সোনালী ব্যাংক লিমিটেড থেকে ১ ও ২ নম্বর পদের জন্য ২০০ টাকা এবং ৩ নম্বর পদের জন্য ১০০ টাকা অফেরতযোগ্য মূল্যমানের ট্রেজারি চালান মহাপরিচালক, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, বাংলাদেশ, ঢাকা বরাবরে ১-৪৪৪১-০০০০-২০৩১ কোডে জমা দিতে হবে। ট্রেজারি চালানের নম্বর, তারিখ, ব্যাংকের নাম ও ঠিকানা অনলাইনে পূরণ করে ট্রেজারি চালানের স্ক্যান কপি আবেদনে সংযুক্ত করতে হবে।

আবেদনের সময়সীমা: আবেদন চলছে। ২৮ অক্টোবর ২০২২, বেলা তিনটা পর্যন্ত আবেদন করতে পারবেন আগ্রহীরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৫, ২০২২ ১০:২৯ পূর্বাহ্ন
তিন গরু ব্যবসায়ীকে হত্যা, ১০ জনের ফাঁসির রায়
প্রাণিসম্পদ

বান্দরবানে তিন গরু ব্যবসায়ীকে হত্যার ঘটনায় করা মামলায় ১০ জনের ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন জেলা ও দায়রা জজ আদালত। একই সঙ্গে অপহরণসহ বিভিন্ন ধারায় প্রত্যেক আসামিকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড এবং অর্থদণ্ডের আদেশ দেয়া হয়েছে।

সোমবার (২৪ অক্টোবর) দুপুরে বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের দায়রা জজ মো. ফজলে এলাহী ভূঁইয়া এ রায় দেন।

বান্দরবান জেলা ও দায়রা জজ আদালতের প্রশাসনিক কর্মকর্তা কামরুল ইসলাম সময় সংবাদকে রায়ের বিষয়টি নিশ্চিত করেন।

মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন: যোহন ত্রিপুরা, ক্যহিম ত্রিপুরা, জসিন ত্রিপুরা, জীবন ত্রিপুরা, জর্জ ত্রিপুরা, সানি ত্রিপুরা, সালাউ ত্রিপুরা, সেনেদ্র ত্রিপুরা, যোসেফ ত্রিপুরা ও শিগরাম ত্রিপুরা।

মামলা সূত্রে জানা গেছে, ২০১৬ সালের ১৫ এপ্রিল যোহন ত্রিপুরা নামে এক ব্যক্তি তার কাছে বেশ কয়েকটি ভালো গরু আছে বলে ব্যবসায়ী আবু নাঈমকে ফোন করে আলীকদম থেকে নয়টি গরু নিয়ে আসার আহ্বান জানান। পরে গরু কেনার জন্য তিন লাখ টাকা নিয়ে থানচি থেকে আলীকদমের ২৮ কিলোমিটার নামক স্থানে যান ব্যবসায়ী আবু বক্কর এবং তার দুই সহযোগী নুরুল আফসার ও সাহাবুদ্দিন। ঘটনাস্থলে গিয়ে ব্যবসায়ী আবু বক্কর তার ছোট ভাইকে ফোন করে তাদের গরু পছন্দ হয়েছে বলে আরও ৫০ হাজার টাকা গরুর মালিকের বিকাশ নম্বরে পাঠাতে বলেন। এ ঘটনার এক ঘণ্টা পর তাদের সবার মোবাইল ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।

এদিকে দীর্ঘক্ষণ চেষ্টা করে ভাইসহ কারো কোনো হদিস না পাওয়ায় ১৬ এপ্রিল দুপুরে আবু নাঈম থানচি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। এর পরপরই রাতে থানচি থানার পুলিশ ও বিজিবির সদস্যরা যৌথ অভিযান পরিচালনা করে আসামি যোহন ত্রিপুরাকে গ্রেফতার করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। জিজ্ঞাসাবাদে তিনি জানান, তারা ১০ জন মিলে ব্যবসায়ী আবু বক্কর এবং তার দুই সহযোগী নুরুল আফসার ও সাহাবুদ্দিনকে অপহরণ করেছিলেন। পরে টাকা, মোবাইল ফোন এবং মোটরসাইকেল নিয়ে তাদের হত্যা করা হয়।

পরে যোহন ত্রিপুরাকে গ্রেফতার করে পুলিশ। কিন্তু তিনি আবার আদালতের কাছে জামিন নিয়ে পালিয়ে যান। আর অন্য আসামিদের গ্রেফতার করা সম্ভব হয়নি। ফলে ১০ আসামিই পলাতক রয়েছেন।

দীর্ঘ বিচার প্রক্রিয়া শেষে সোমবার পলাতক ১০ আসামির প্রত্যেককে মৃত্যুদণ্ডের আদেশ দেন আদালত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৪, ২০২২ ৭:৩১ অপরাহ্ন
ঘূর্ণিঝড়-বন্যায় প্রাণিসম্পদ রক্ষায় যা করবেন
প্রাণ ও প্রকৃতি

প্রতি বছর বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে আমাদের দেশে অসংখ্য গবাদিপশু, পাখি মারা যায়। যার ফলে বিপুল পরিমাণ অর্থনৈতিক ক্ষতির সম্মুখীন হন খামারিরা। এবারের ঘূর্ণিঝড় সিত্রাংয়েও ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতির আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই প্রাণিসম্পদ রক্ষায় উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা খুব জরুরী।

প্রাণিসম্পদ রক্ষার জন্য সারাবছরই প্রস্তুত থাকা উচিত। তাই পশু-পাখির খামারের চাল মজবুত করে রাখতে হবে। দুর্যোগকালীন প্রচণ্ড বাতাস যাতে খামারের চাল উড়িয়ে নিতে না পারে সেজন্য খামার এবং খামারের চাল শক্ত করে বাঁধতে হবে। পরে মাটিতে শক্ত করে খুঁটি পুঁতে শক্ত দড়ি দিয়ে খামারের চাল বেঁধে দিতে হবে। বর্ষাকালে বৃষ্টি বা বন্যার পানি যাতে জমে না থাকে সেজন্য পানি চলাচলের জন্য বিকল্প নালা তৈরি করে রাখতে হবে। কারণ হঠাৎ করে পানি বাড়তে শুরু করলে নালা তৈরি করার সময় পাবেন না। বৃষ্টির পানি শুষে নেওয়ার জন্য খামারের চারপাশে সবজি চাষ করা যায়।

খামার যদি নদী, হ্রদ বা জলাশয়ের নিকটবর্তী হয় তা হলে যেদিক থেকে পানি খামারকে প্লাবিত করতে পারে সেদিকে উঁচু করে বাঁধ তৈরি করতে হবে যাতে বন্যার সময় খামার বন্যার ঝুঁকি থেকে মুক্ত থাকে। প্রতি বছর খামার সংস্কার করতে হবে। খামারের দরজা, জানালা দেওয়াল সময় থাকতে ঠিক করে নিতে হবে। আবাসন, খাবার পাত্র, পথ বা রাস্তা, স্টোর এসব ঠিকমতো সুরক্ষা করতে হবে।

খামারের ক্ষতিকর রাসায়নিক অপসারণ করতে হবে। খামারের আশপাশে কোথাও কোনো ক্ষতিকারক রাসায়নিক পদার্থ কীটনাশক, জীবাণুনাশক, ইঁদুর মারার ওষুধ থাকলে তা সরিয়ে ফেলতে হবে। পুকুর বা অন্য জলাশয়ে এসব রাসায়নিক পদার্থ মিশ্রিত পানি প্রবেশের সম্ভাবনা আছে তা চারপাশে উঁচু করে দিতে হবে। যাতে বৃষ্টি বা বন্যার পানি সেখানে ঢুকতে না পারে। এসব পদার্থ গবাদি পশুর মারাত্মক ক্ষতি, এমন কি মৃত্যু কারণও হতে পারে।

দুর্যোগকালীন বা দুর্যোগ পরবর্তী যেসব জিনিস প্রয়োজন হতে পারে তার একটি তালিকা তৈরি করে দুর্যোগের আগেই সংগ্রহ করে রাখতে হবে। কারণ বিপদের সময় এসব জিনিস নাও পাওয়া যেতে পারে অথবা পাওয়া গেলেও বেশি অর্থ খরচ হতে পারে। প্রয়োজনীয় ব্যক্তিদের নাম ও মোবাইল নম্বর সংগ্রহ করে রাখতে হবে।

সময় মতো গবাদি পশু, পাখিকে প্রয়োজনীয় সব টিকা দিয়ে রাখতে হবে। কারণ দুর্যোগের পরে গবাদি পশুর বিভিন্ন ছোঁয়াছে রোগ মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়তে পারে। কিন্তু টিকা পশু, পাখিকে এ বিপদ থেকে রক্ষা করবে।

বিপদকালীন স্থানান্তরের ক্ষেত্রে, কোন পশুগুলোকে অগ্রাধিকার দেওয়া হবে তার একটি তালিকা তৈরি করে রাখতে হবে। তাছাড়া পশুগুলো চিহ্নিত করে রাখতে হবে। যাতে দুর্যোগ পরবর্তী পশু হারিয়ে গেলে সহজে খুঁজে পাওয়া যায়। গরুর জন্য প্রয়োজনীয় দড়ি, খামার এবং পানি প্রস্তুত রাখতে হবে এবং যদি সম্ভব হয় গাভী স্থানান্তরের সময় সেসব প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র সরবরাহ করতে হবে।

দুর্যোগকালীন গবাদি পশু আশ্রয়ণ কেন্দ্রে স্থানান্তর করবে নাকি বাইরে ছেড়ে দিতে হবে সেটা আশ্রয়ণ কেন্দ্রের দূরত্ব ও অবস্থার ওপর নির্ভর করবে। যদি পর্যাপ্ত জায়গা থাকে তাহলে আশ্রয় কেন্দ্রে নেওয়া যেতে পারে। অন্যথায়, বাইরে ছেড়ে দিতে হবে। পোষা কুকুর-বিড়াল থাকলে সেগুলো নিজের কাছে রাখাই উত্তম।

কখনো কখনো এমন সময় আসে যখন নিজের প্রাণের তাগিদে পোষা পশুপাখিগুলোকে ছেড়ে যেতে হয়। সেক্ষেত্রে পশুপাখিগুলোর জন্য পর্যাপ্ত খাবার এবং পানি সরবরাহ রেখে যেতে হবে। কম পক্ষে দুই দিনের খাবার-পানি রাখতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২৩, ২০২২ ১০:০৭ অপরাহ্ন
পলাশপুর বিজিবি’র অভিযানে ৮ ভারতীয় গরু আটক
প্রাণিসম্পদ

খাগড়াছড়ির মাটিরাঙ্গা পলাশপুর বিজিবি জোনের অভিযানে ৮টি ভারতীয় গরু আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (৪০ বিজিবি)।

আজ রবিবার (২৩ অক্টোবর) ভোরের দিকে মাটিরাঙ্গা উপজেলাধীন বেলছড়ি ইউনিয়নের দক্ষিণ শান্তিপুর হাজীপাড়া নামক স্থান থেকে মালিকহীন ভারতীয় গরু আটক করা হয়।

বিজিবি সূত্র জানায়, অবৈধ পথে ভারত থেকে গরু সীমান্ত পথে বাংলাদেশে আনা হচ্ছে এমন তথ্যের ভিত্তিতে বেলছড়ি বিওপি’র টহল কমান্ডার নায়েব সুবেদার শহিদুর রহমান এর নেতৃত্বে অভিযান পরিচালনা করে বিজিবি।

পরে একই এলাকায় বিজিবির উপস্থিতি টের পেয়ে চোরাকারবারীরা গরু রেখে পালিয়ে যান। পরে ওই এলাকায় তল্লাশি চালিয়ে গরুগুলো আটক করে বিজিবি। আটককৃত ৮টি গরুর আনুমানিক মূল্য ৪ লাখ পাঁচ হাজার টাকা।

খেদাছড়া ব্যাটালিয়ন (৪০ বিজিবি), পলাশপুর জোন অধিনায়ক লে.কর্নেল সোহেল আহমেদ চোরাকারবারীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে জানিয়ে বলেন, আটক করা ভারতীয় গরুগুলো সীতাকুণ্ড কাস্টমস অফিসের মাধ্যমে যথাযথ কার্যক্রম গ্রহণ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ২২, ২০২২ ৪:৩২ অপরাহ্ন
ঈদগাঁওয়ে গরু চুরি,আটক-২
প্রাণিসম্পদ

কক্সবাজারের ঈদগাঁওয়ে কসাইখানা থেকে চুরি হওয়া গরু উদ্ধার ও এতে জড়িত ২ জনকে আটক করেছে পুলিশ। ২০ অক্টোবর রাতে এ চুরি সংঘটিত হয়। এর পরদিন গতকাল শুক্রবার গরুটি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় এলাকায় তোলপাড় সৃষ্টি হয়েছে। আপোষ মিমাংসা, ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে উঠেছে একটি চক্র। স্থানীয়রা চুরির সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।

জানা গেছে, ঈদগাঁও ইউনিয়নের পালপাড়ার মৃত অরবিন্দ পালের ছেলে কাজল পালের গোয়ালঘর থেকে ২০ অক্টোবর রাতে একটি গাভী চুরি হয়। পরদিন সকালে ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হালিমের নির্দেশে এএসআই গিয়াস উদ্দিনের নেতৃত্বে পুলিশ ঐ এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় ইউনিয়নের দরগাহপাড়া রোডের ব্রিজ সংলগ্ন নুর মঞ্জিল থেকে চোরাই গরুটি উদ্ধার করে এবং জড়িত সন্দেহে ২ জনকে আটক করে। তারা হলেন নুর মঞ্জিলের মালিক ছৈয়দ আহমদ ও দরগাহ পাড়ার মতলবের ছেলে নুর হোসেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, নুর মঞ্জিলে ডেইরি ফার্মের সাইনবোর্ড থাকলেও ভেতরে রয়েছে কসাইখানা। পানির পাইপ লাইন দেয়া আছে ব্রিজের নিচ দিয়ে খালে। তারা মনে করেন চোরাইকৃত গরু সেখানে জবাই করে বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ দেয়া হচ্ছে। স্থানীয় একটি চক্র এ অপকর্মের সাথে জড়িত। ঐ চক্র ঘটনা ধামাচাপা দিতে মরিয়া হয়ে ওঠেছে।

গরুর মালিক কাজল পাল জানান, গরু উদ্ধার ও চোর আটকের পর বিষয়টি আপোষ মিমাংসার জন্য চাপ সৃষ্টি করতে থাকে স্থানীয় একটি মহল। যার কারণে তিনি অসহায় হয়ে পড়েন। তিনি জড়িতদের আইনের আওতায় আনতে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করে থানায় এজাহার দায়ের করেন।

স্থানীয়দের দাবি, চক্রটি দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকা থেকে গরু চুরি করে আসছে। এ কসাইখানার সূত্র ধরে তদন্ত করলে প্রকৃত অপরাধীরা বেরিয়ে আসবে।
ঈদগাঁও থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল হালিম ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, মামলার প্রক্রিয়া চলছে এবং অপরাধ দমনে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop