১০:৪২ পূর্বাহ্ন

সোমবার, ২২ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ১৫, ২০২২ ১১:৩৯ পূর্বাহ্ন
গরু খাদ্য ঠিকমতো না খেলে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

অনেক সময় পালন করা গরু ঠিকমতো খাদ্য খেতে চায় না। তখন খামারিরা বেশ দুশ্চিন্তায় পড়ে যায়।গরু খাদ্য ঠিকমতো না খেলে যেসব ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে সেগুলো ডেইরি খামারিদের ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে।

খাদ্য না খাওয়ার কারণ:
হজম করা কঠিন এরূপ খাবার খেলে। পশু যে খাদ্য খেয়ে অভ্যস্ত হঠাৎ তার ব্যতিক্রম হলে।
নিম্নমানের খাদ্য, বিনষ্ট খাদ্য এবং শস্য জাতীয় খাদ্য অধিক গ্রহণে পশুর এমন হতে পারে।
অত্যধিক খাবার খেলে।

লক্ষণসমূহ:
দেহের ওজন কমে যায় ও পশু দুর্বল হয়ে পড়ে। খাদ্যের প্রতি পশুর আকষ্মিক অরুচি হয়।রক্ত স্বল্পতা উপসর্গ দেখা দিতে পারে।

প্রাকৃতিক উপায়ে চিকিৎসা:
গরুকে আদা বাঁটা, বিট লবণ, খাওয়ার সোডা ইত্যাদি একসাথে মিশিয়ে একটি কলাপাতায় মুড়ে দিনে দুইবার খাইয়ে দেয়া যেতে পারে।এভাবে ৩/৪ দিন খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।এ ক্ষেত্রে প্রতি ১০০-১৮০ কেজি দৈহিক ওজনের একটি গরুকে আদা বাটা দিতে হবে ৫০ গ্রাম, সোডা গুড়া ২০ গ্রাম, বিট লবণের গুড়া ২০ গ্রাম।

প্রতিরোধ করণীয়ঃ
গরুকে খারাপ মানের, হজম করা কঠিন এরূপ খাবার বা নষ্ট খাদ্য খাওয়ানো থেকে বিরত রাখতে হবে।নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ প্রদান করতে হবে। এছাড়াও গরুর খাদ্যে বিভিন্ন এনজাইমের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৪, ২০২২ ১২:০৬ অপরাহ্ন
হাঁসের প্লেগ রোগ হলে প্রতিকারে যা করণীয়
পোলট্রি

আমাদের দেশে বেশ আগে থেকেই বাণিজ্যিকভাবে হাঁস পালন করা হচ্ছে। তবে বিভিন্ন রোগে আক্রান্ত হয়ে হাঁস মারা যাচ্ছে। হাঁসের এসব রোগের অন্যতম হচ্ছে প্লেগ। এটি হাঁসের একটি মারাত্মক সংক্রামক রোগ। এ রোগকে ডাক ভাইরাস এন্টারাইটিসও বলা হয়।

১৯২৩ সালে বাউডেট নামে এক বিজ্ঞানী নেদারল্যান্ডে হাঁসের মড়ক হিসেবে চিহ্নিত রোগটি প্রথম আবিষ্কার করেন। বর্তমানে পৃথিবীর প্রায় সব দেশেই হাঁসের প্লেগ রোগ দেখা যায়। প্রাকৃতিক নিয়মেই সব বয়সী গৃহপালিত ও বন্যহাঁস, রাজহংসী এই ভাইরাসের প্রতি সংবেদনশীল।

আক্রান্ত পাখির সংস্পর্শে, দূষিত খাদ্যদ্রব্য ও পানির সাহায্যে সুস্থ পাখিতে এ রোগের ভাইরাস সংক্রমিত হয়। আমাদের দেশে হাট-বাজারে রুগ্ন হাঁস কেনা-বেচার মাধ্যমে এক এলাকা থেকে অন্য এলাকায় এ রোগটি ছড়ায়। আবার কীট-পতঙ্গের মাধ্যমেও এ রোগের জীবাণু সংক্রমিত হতে পারে। তবে ডিমের মাধ্যমে রোগের সংক্রমই হয় না।

প্লেগ রোগের লক্ষণ বোঝার অনেক উপায়:

.আক্রান্ত হাঁসের ক্ষুধা কমে যায়,কিন্তু বারবার পানি পান করে।

.চোখ ও নাক দিয়ে তরল পদার্থ নিঃসৃত হয়।

.আলো দেখলে ভয় পায়।

.চোখের ঝিল্লির প্রদাহের কারণে চোখ বন্ধ করে রাখে।

.ডিম পাড়া হাঁসের ডিম দেয়া কমে যায়। মাথা নিচু করে রাখে।

.চলাফেরায় অসামঞ্জস্যতা দেখা দেয়।

.আক্রান্ত পাখিতে ডায়রিয়া হয়,পাতলা পায়খানা লেজের আশেপাশে লেগে থাকে।

এ রোগে আক্রান্ত হাঁসের হঠাৎ করে মৃত্যু হয়। এ রোগে ভালো স্বাস্থ্যের অধিকারী বয়স্ক হাঁসেরও মৃত্যু ঘটে। মৃত্যুহার ৫ থেকে ১০০% হয়ে থাকে।

চিকিৎসা: চিকিৎসা হিসেবে রোগাক্রান্ত হাঁসের ক্ষেত্রে দ্বিতীয় পর্যায়ের ব্যাকটিরিয়ার সংক্রামণ থেকে রক্ষা করার জন্য উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন এন্টিবায়োটিক যেমন- এনরোফ্লক্সাসিন, নরফ্লক্সাসিন, সিপ্রোফ্লক্সাসিন ইত্যাদির যেকোনো একটি দিয়ে চিকিৎসা করা যেতে পারে।

ভাইরাসজনিত রোগের কোনো সুনির্দিষ্ট চিকিৎসা নেই। তাই রোগ যাতে না হয় সেজন্য হাঁসকে টিকা দেয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। তাহলে ফার্মের হাঁস প্লেগ রোগ থেকে রক্ষা পাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২২ ৪:৫৬ অপরাহ্ন
কৃষির উৎপাদন এমন পর্যায়ে নিতে হবে যাতে বিদেশ নির্ভর হতে না হয়- মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম বলেছেন, কৃষির উৎপাদন এমন পর্যায়ে নিতে হবে যাতে বিদেশ নির্ভর হতে না হয়। করোনা পরিস্থিতিতে বিশ্বের অনেক জায়গায় খাদ্যাভাব দেখা দিচ্ছে। কিন্তু আমরা বাংলাদেশে কোনভাবেই খাদ্যাভাব হতে দেব না। এ জন্য দেশের অভ্যন্তরে পর্যাপ্ত খাদ্য উৎপাদন করতে হবে। উৎপাদিত খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়ে প্রয়োজনে বিদেশে রপ্তানির বিষয়টিও আমাদের মাথায় রাখতে হবে।

বুধবার (১৩ এপ্রিল) পিরোজপুরের নাজিরপুরে ২০২১-২২ অর্থবছরে কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচি এবং বোরো মৌসুমে উন্নয়ন সহায়তার আওতায় বীজ, রাসায়নিক সার এবং কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে রাজধানীর সচিবালয়ের নিজ দপ্তর কক্ষ থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব কথা বলেন। নাজিরপুর উপজেলা প্রশাসন ও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, নাজিরপুর এ অনুষ্ঠান আয়োজন করে।

এ সময় মন্ত্রী আরো বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার কৃষকবান্ধব সরকার। ৩০ হাজার কোটি টাকা ভর্তুকি দিয়ে কৃষকদের মাঝে সার বিতরণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। এ ধরনের সিদ্ধান্ত অতীতে বাংলাদেশের কোনো সরকার গ্রহণ করেনি। শেখ হাসিনা বিশ্বাস করেন কৃষিনির্ভর বাংলাদেশ বাঁচাতে হলে কৃষককে বাঁচাতে হবে। কৃষককে বাঁচাতে হলে সব কৃষি উপকরণ তার কাছে পৌঁছে দিতে হবে।

তিনি আরো বলেন, বিশ্বব্যাপী নানা প্রতিকূলতা সত্ত্বেও কৃষিজীবী, কৃষক ও খামারিরা যাতে কোনভাবে ক্ষতিগ্রস্ত না হয়, সে জন্য সরকার সার আমদানি পূর্বের মতো অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। কৃষকদের স্বার্থে যেখানে যে প্রণোদনা দরকার, কৃষি উপকরণ দরকার সরকার সেটা সরবরাহ করবে।

শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে উন্নত-সমৃদ্ধ বাংলাদেশ বিনির্মাণ। সে বাংলাদেশ বিনির্মাণে কৃষি অন্যতম প্রধান খাত। কৃষির বাণিজ্যিকীকরণ ও যান্ত্রিকীকরণ এবং কৃষকের উৎপাদিত সামগ্রী যাতে দেশের চাহিদা মিটিয়ে বিদেশে রপ্তানি করা যায় সে লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।

নাজিরপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ আব্দুল্লাহ সাদীদের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অমূল্য রঞ্জন হালদার। নাজিরপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা দিগবিজয় হাজরা, পিরোজপুর জেলা পরিষদ সদস্য সুলতান মাহমুদ খান, নাজিরপুর উপজেলা পরিষদের ভাইস চেয়ারম্যান মোস্তাফিজুর রহমান রঞ্জু, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান শাহরিয়ার ফেরদৌস রুনা, উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার শেখ আব্দুল লতিফ, উপজেলা প্রেসক্লাবের সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান তুহিন, উপজেলার সেখমাটিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান চৌধুরী নান্নু প্রমুখ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১৩, ২০২২ ১২:৪০ অপরাহ্ন
ঝালকাঠিতে বাড়ছে ডিমের উৎপাদন
পোলট্রি

ঝালকাঠি জেলায় প্রতিবছর বাড়ছে ডিমের উৎপাদন। বিগত বছরের লক্ষ্যমাত্রা থেকেও ৭৩ লাখেরও বেশি ডিম উৎপাদন হয়েছে। জেলায় ডিমের চাহিদা মিটিয়েও উদ্বৃত্ত ডিম দেশের বিভিন্ন স্থানে সরবরাহ করা হচ্ছে। ঝালকাঠি জেলায় ডিমের চাহিদা বৃদ্ধি পাওয়ায় পোল্ট্রি শিল্পে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকে।

জেলা প্রাণি সম্পদ বিভাগ জানিয়েছে ডিমের উৎপাদন ও চাহিদা যাতে আরো বাড়ে, সে ব্যাপারে তারা প্রচেষ্টা চালিয়ে যাবেন।

ঝালকাঠি জেলায় বিগত বছরে ডিমের ডিমের চাহিদা ছিলো ৭ কোটি ২০ লাখ আর উৎপাদন হয়েছে ৭ কোটি ৯৩ লাখ। যা লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে বেশি উৎপাদন হয়েছে ৭৩ লাখ ডিম। জেলায় বর্তমানে ৫২টি লেয়ার, ৫৩টি সোঁনালী ও ১২২টি হাঁসের খামার রয়েছে। তবে এখানে ডিমের মূল চাহিদা পূরণ হয় লেয়ার মুরগী এবং হাঁসের খামার থেকে।

পাইকারি বিক্রেতারা সেলিম জানান, ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধি পাওয়ায় ও দাম সহনীয় থাকায় এ বছর তাদের বিক্রি ভালো হচ্ছে।

খামার মালিকরা জানান, মুরগী খাদ্যের দাম অত্যাধিক বৃদ্ধি পাওয়ায় তারা লোকসানের সম্মুখীন হচ্ছেন। ডিমের উৎপাদন বাড়াতে ও দাম সহনীয় রাখতে মুরগীর ফিডের দাম কমানোর দাবি জানান তাঁরা।

ঝালকাঠি প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মোহাম্মদ ছাহেব আলী জানালেন, ডিম একটি প্রাণিজ প্রোটিন হওয়ায় এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। ডিমের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য আমরা খামারিদের উদ্বুদ্ধ করছি

জেলায় ডিমের উৎপাদন ভালো হওয়ায় সহজেই তা সংগ্রহ করতে পারছেন বিক্রেতারা। এক্ষেত্রে পরিবহন খরচও কম লাগছে। ভবিষ্যতে জেলায় ডিমের উৎপাদন আরো বাড়ার প্রত্যাশা স্থানীয়দের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৮, ২০২২ ৩:২৭ অপরাহ্ন
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনে যা করতে হবে
প্রাণিসম্পদ

দেশের মাংস ও দুধের চাহিদা পূরণ করার জন্য বর্তমানে ব্যাপকহারে গরু পালন করা হচ্ছে। গরু পালনে লাভবান হওয়ার জন্য স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালন করতে হবে। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনে যা করতে হবে সেগুলো আমাদের দেশের গরু পালনকারী বা খামারিদের জেনে রাখা দরকার।

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনে যা করতে হবে:
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালন করার জন্য গরুর ঘর বা খামার স্থাপনের সময় এমনভাবে পরিকল্পনা করে ঘর বা খামার স্থাপন করতে হবে যাতে গরুর খাদ্য প্রদানের স্থান থেকে শুরু করে শোয়ার স্থান ও অন্যান্য সবকিছু আলাদা আলাদা থাকে। এতে গরুর ঘর পরিষ্কার ও যত্ন নেওয়া সুবিধা হবে। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরু পালনের জন্য গরুর ঘর বা থাকার স্থান নিয়মিত জীবাণুনাশক দিয়ে স্প্রে করে দিয়ে হবে। এছাড়াও গরুর গোবর ও মুত্র নিয়মিত পরিষ্কার করতে হবে। তা না হলে গরুর রোগসহ বিভিন্ন জটিল সমস্যা দেখা দিতে পারে।

গরুকে নিয়মিত সতেজ, স্বাস্থ্যকর ও পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য প্রদান করতে হবে। এছাড়াও গরুকে খাদ্য প্রদানের পূর্বে খাদ্য প্রদানের পাত্র ভালোভাবে পরিষ্কার করতে হবে।গরুর থাকার স্থান বা এর আশপাশে স্যাঁতস্যাঁতে পরিবেশের সৃষ্টি যাতে না হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে। কারণ এমন পরিবেশ থেকে গরুর রোগ ছড়াতে পারে। সেজন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।

গরুর খামার বা ঘরে যাতে আলো ও বাতাস সব সময় চলাচল করতে পারে সেজন্য গরুর থাকার স্থানের আশপাশ খোলামেলা রাখতে হবে। আলো ও বাতাস চলাচল ঠিকভাবে করতে না পারলে গরুর স্বাস্থ্যগত নানা সমস্যা দেখা দিতে পারে। এছাড়াও নিয়মিত গরুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করাতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২২ ১১:৩৫ পূর্বাহ্ন
গরু পালনে খামার ও বর্জ্য ব্যবস্থাপনায় যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে গরু পালন করা হয়ে থাকে। গরু পালনের মাধ্যমে অনেকেই হয়েছেন স্বাবলম্বী। একটি খামার মানসম্মত ভাবে, সঠিক উপায়ে, লাভজনক ভাবে এবং সফলতার সঙ্গে পরিচালনা করার নামই খামার ব্যাবস্থাপনা। গরু পালনে লাভবান হওয়ার জন্য যথাযতভাবে খামার ব্যবস্থাপনা খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

খামারের জন্য স্থান নির্বাচনঃ
আমরা পরিবার ভিত্তিক ক্ষুদ্র খামার স্থাপনের জন্য আমাদের বাড়ির অ-ব্যবহারিত স্থান বেছে নিতে পারি। এ স্থানটি সাধারনতঃ বাড়ীর পুর্ব অথ বা পশ্চিম দিকে হলে ভাল হয়। সর্ব মোট ১০ টি গরুর জন্য ৩০০ বর্গ ফুট জায়গার প্রয়োজন। গরুর ঘর থেকে ২০/২৫ ফুট দূরে একটি ছোট ডোবা থাকবে যাতে সেখানে গরুর মল-মূত্র ফেলা যায়। এ ছাড়া মল মুত্র থেকে জৈব সার ও বায়ো গ্যাস উৎপাদনের জন্য বায়ো গ্যাস প্লান্ট স্থাপন করে লাভজনক ভাবে খামারের বর্জ ব্যবস্থাপনা করা যায়।

গরুর শেড নির্মানঃ
একটি পুর্ন বয়স্ক গরুর জন্য সর্ব সাকুল্যে ২৮-৩০ বর্গ ফুট জায়গার প্রয়োজন হয়। এ হিসেবেই প্রয়োজনীয় সংখ্যক গরুর জন্য শেড নির্মান করতে হবে। গরুর শেড পূর্ব – পশ্চিমে লম্বা হলে ভাল হয়। শেডের ফ্লোর, খাবার পাত্র, পানিরপাত্র ইত্যাদি পাকা হওয়া প্রয়োজন। উপরে টিন অথবা ছনের ছাউনি দেওয়া যেতে পারে। শেডের নিকটস্থ গাছ ও ডালপালা কেটে ফেলে পর্যাপ্ত আলো বাতাসের ব্যবস্থা করতে হবে। শেডে পানীয় জলের সরবরাহ ও পয়ঃনিস্কাশনের ব্যাবস্থা থাকতে হবে। খামারের চারপাশে উচু মজবুত বেষ্টনী তৈরী করতে হবে যাতে চোরের হাত থেকে খামারের গরু ও অন্যান্য মূল্যবান জিনিষ-পত্র রক্ষা করা যায়।

খামারের বর্জ্য ব্যবস্থাপনাঃ
গোবর গবাদি পশু থেকে পাওয়া একটি অর্থকরী সম্পদ। গোবর থেকে আমরা বায়ো গ্যাস ও জৈব সার উৎপাদন করতে পারি যা থেকে জ্বালানী ও ফসলি জমির উৎকৃ্ষ্ট সারের চাহিদা পুরন করা সম্ভব। এ ছাড়া , মাছের জলজ খাদ্য উৎপাদনে পুকুরে গোবর ব্যবহার করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২২ ৯:০৫ অপরাহ্ন
ঢাকায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি
প্রাণিসম্পদ

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে রাজধানীতে পরিচালিত সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রমে জনসাধারণের ব্যাপক সাড়া পাওয়া যাচ্ছে। একইসাথে বেড়েছে এ সব পণ্যের চাহিদাও। এ বিষয়গুলো বিবেচনা করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রমের পরিধি বৃদ্ধি করেছে মন্ত্রণালয়।

বুধবার (৬ এপ্রিল) ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রমের স্থান বাড়ানোর পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পণ্যের সরবরাহও বৃদ্ধি করা হয়েছে।

পূর্বনির্ধারিত সচিবালয় সংলগ্ন আব্দুল গণি রোড, খামারবাড়ি গোল চত্বর, মোহাম্মদপুরের জাপান গার্ডেন সিটি, মিরপুর ৬০ ফুট রাস্তা, আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার, আরামবাগ, নতুন বাজার, কালশী এবং যাত্রাবাড়ির পাশাপাশি আজ থেকে খিলগাঁও, নাখালপাড়ার লুকাস মোড়, সেগুনবাগিচা ও উত্তরার দিয়াবাড়িতে এ কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে।

স্থান বৃদ্ধির পাশাপাশি প্রতিটি ভ্রাম্যমান গাড়িতে দুধ, ডিম ও মাংসের সরবরাহ বৃদ্ধি করা হয়েছে। আজ (৬ এপ্রিল) মোট ১ হাজার ৫০০ কেজি গরুর মাংস, ১৫০ কেজি খাসির মাংস, ৫০০ কেজি ড্রেসড্ ব্রয়লার, ৩ হাজার লিটার দুধ ও ২০ হাজার ডিম বিক্রির জন্য সরবরাহ করা হয়েছে। ৩ হাজার ২৩০ জন ক্রেতা আজ ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র থেকে পণ্য ক্রয় করেছেন।

অপরদিকে এ ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম তদারকি ও সমন্বয়ের জন্য প্রতিটি স্থানে একজন উপসচিবকে দায়িত্ব প্রদান করেছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়। গতকাল মঙ্গলবার এ সংক্রান্ত এক অফিস আদেশে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের দৈনন্দিন প্রতিবেদন দাখিলেরও নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এছাড়া প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারাও এ কার্যক্রম তদারকি করছেন।

উল্লেখ্য, রাজধানীতে ১ রমজান থেকে শুরু হওয়া এ কার্যক্রম চলবে ২৮ রমজান পর্যন্ত। প্রতিটি ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পাস্তুরিত তরল দুধ প্রতি লিটার ৬০ টাকা, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, ড্রেসড ব্রয়লার প্রতি কেজি ২০০ টাকা এবং ডিম প্রতি হালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প ভ্রাম্যমাণ এ কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে। এছাড়াও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল এ কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২২ ৪:৩৫ অপরাহ্ন
রাজধানীতে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম শুরু
প্রাণিসম্পদ

রমজান মাসে বাজার মূল্য স্থিতিশীল রাখতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের বিশেষ উদ্যোগ নিয়েছে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রবিবার (৩ এপ্রিল) রাজধানীর ফার্মগেটে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর চত্বরে রমজান মাসে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রমের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

তিনি আরো বলেন, “১ রমজান আজ থেকে ২৮ রমজান পর্যন্ত রাজধানী ঢাকার ১০টি স্থানে ভ্রাম্যমাণ এ বিপণন কার্যক্রম চালু থাকবে। প্রাথমিকভাবে সচিবালয় সংলগ্ন আব্দুল গণি রোড, খামারবাড়ি গোল চত্বর, জাপান গার্ডন সিটি, মিরপুর ৬০ ফুট রাস্তা, আজিমপুর মাতৃসদন, নয়াবাজার, আরামবাগ, নতুন বাজার, কালশী এবং যাত্রাবাড়ি ভ্রাম্যমাণ বিপণন ব্যবস্থা চালু করা হবে। মাংস, দুধ এবং ডিমের সরবরাহ বৃদ্ধি ও সাপ্লাই চেইন সচল রেখে রমজান মাসে বাজারমূল্য স্থিতিশীল রাখা আমাদের লক্ষ্য। চাহিদা ও দ্রব্যের সরবরাহ বিবেচনা করে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের পরিসর বৃদ্ধির পরিকল্পনাও আমাদের রয়েছে”।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী আরো বলেন, “প্রতিটি ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে পাস্তুরিত তরল দুধ প্রতি লিটার ৬০ টাকা, গরুর মাংস প্রতি কেজি ৫৫০ টাকা, খাসির মাংস প্রতি কেজি ৮০০ টাকা, ড্রেসড ব্রয়লার প্রতি কেজি ২০০ টাকা এবং ডিম প্রতি হালি ৩০ টাকা দরে বিক্রি করা হবে। ভ্রাম্যমাণ বিপণনে ব্যবহৃত পরিবহনগুলোতে স্বাস্থ্যকর পরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে। কারণ মানুষকে নিরাপদ খাবার পৌঁছে দেয়া সাংবিধানিক দায়িত্ব। কোনভাবেই যাতে খাবারে ভেজাল না আসে, খাবার যাতে মেয়াদোত্তীর্ণ, অস্বাস্থ্যকর বা জীবাণুযুক্ত না হয় এই বিষয়টিতে খামারিদের বিশেষ দৃষ্টি দিতে হবে। খাবার যাতে অস্বাস্থ্যকর পরিবেশে বিক্রি না হয় সে বিষয়টি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের লক্ষ্য রাখতে হবে”।

মন্ত্রী আরো জানান, “গত বছর রমজান মাসে মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে এবং ডেইরি ও পোল্ট্রি অ্যাসোসিয়েশনের সহযোগিতায় সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় ব্যবস্থায় ৩৪ কোটি ৮৫ লক্ষ ৮৬ হাজার ৪৭ টাকার পণ্য বিক্রয় হয়েছে। এর মাধ্যমে ৪৭ লক্ষ ৩১ হাজার ৩১০ জন ভোক্তা এবং ৮১ হাজার ৩৭৭ জন খামারি সরাসরি উপকৃত হয়েছেন”।

মন্ত্রণালয় থেকে এ ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের সব কার্যক্রম নিয়মিত মনিটর করা হবে বলে এ সময় জানান মন্ত্রী। কম মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংসের ভ্রাম্যমাণ বিক্রির পদক্ষেপ এর আগে কেউ নেয়নি বলেও জানান মন্ত্রী। রমজান মাসে একজন লোকও যাতে কোনভাবে কষ্ট না পায় সেটা সরকারের লক্ষ্য উল্লেখ করে এ সময় অধিক মুনাফা লাভ থেকে বিরত থাকার জন্য সংশ্লিষ্টদের অনুরোধ জানান মন্ত্রী।

করোনায় প্রাণিসম্পদ খাতের খামারি ও উদ্যোক্তাদের সব ধরনের সহযোগিতা দেয়া হয়েছে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, “কোন কোন ক্ষেত্রে রাষ্ট্রীয়ভাবে ভ্যাট-ট্র্যাক্স মওকুফের পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। এতে সরকার কোটি কোটি ছাড় দিলেও উৎপাদন প্রক্রিয়ায় জড়িতরা লাভবান হয়েছেন। প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহন, বিপণন সবকিছু স্বাভাবিক রাখতে আমরা সক্ষম হয়েছি। করোনায় দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রার গতি কোনভাবেই যাতে স্থবির না হয়ে পড়ে সে লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দিনরাত পরিশ্রম করে চলেছেন”।

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডা. মনজুর মোহাম্মদ শাহজাদার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব ড. মুহাম্মদ ইয়ামিন চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য প্রদান করেন প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর কর্তৃক বাস্তবায়নাধীন প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্পের পরিচালক মো. আব্দুর রহিম। এছাড়া বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোহাম্মদ ইমরান হোসেন ও বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিলের সভাপতি মশিউর রহমান অনুষ্ঠানে বক্তব্য প্রদান করেন।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. তৌফিকুল আরিফ ও এস এম ফেরদৌস আলমসহ মন্ত্রণালয় ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

প্রাণিসম্পদ ও ডেইরী উন্নয়ন প্রকল্প ভ্রাম্যমাণ এ বিক্রয় কার্যক্রমে সার্বিক সহযোগিতা প্রদান করছে। এছাড়াও বাংলাদেশ ডেইরি ফার্মারস অ্যাসোসিয়েশন এবং বাংলাদেশ পোল্ট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ সেন্ট্রাল কাউন্সিল কার্যক্রমে সম্পৃক্ত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২২ ৬:১১ অপরাহ্ন
ঢাকায় ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, ও মাংস বিক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
প্রাণিসম্পদ

রমজান মাস উপলক্ষ্যে আগামীকাল (০৩ এপ্রিল) থেকে রাজধানীতে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম ও মাংস ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়।

গরুর মাংস, খাসির মাংস, দুধ ও ডিমের সরবরাহ বৃদ্ধি ও সাপ্লাই চেইন সচল রেখে মূল্য স্থিতিশীল রাখার লক্ষ্যে রমজান মাসে জনসাধারণ যেন সহজেই প্রাণিজ আমিষ ও পুষ্টির চাহিদা মেটাতে পারে সে লক্ষ্যে ব্যবসায়ী, উৎপাদনকারী ও সাপ্লাই চেইন সংশ্লিষ্ট সকলকে সাথে নিয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এ ভ্রাম্যমাণ বিপণন ব্যবস্থা বাস্তবায়ন করছে।

আগামীকাল রবিবার (৩ এপ্রিল) সকালে রাজধানীর কৃষি খামার সড়কের প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর প্রাঙ্গণে এক অনুষ্ঠানে এ কার্যক্রম উদ্বোধন করবেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

Continue reading “ঢাকায় ভ্রাম্যমাণ গাড়িতে সুলভ মূল্যে দুধ, ডিম, ও মাংস বিক্রয়ের উদ্যোগ নিয়েছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২২ ৩:৪১ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজা করতে খামারিরা যা করবেন
ডেইরী

গরু পালন লাভজনক হওয়াতে এখন আমাদের দেশের অনেকেই গরুর খামার করার প্রতি ঝুঁকছেন। তবে, এই গরু যদি হয় আরেকটু মোটাতাজা তাহলে আর কথা ই নাই। আর এর জন্য দরকার গরুর সুষম খাদ্য। আর সুষম খাদ্য প্রয়োগে আপনি আরো লাভবান হতে পারেন গরু পালনে।

খামারে গরু মোটাতাজাকরণে যেসকল আমিষ খাবার আপনার গরুকে খাওয়াবেন:

শুকনা খড়: ২ বছর বয়সের গরুর জন্য দৈহিক ওজনের শতকরা ৩ ভাগ এবং এর অধিক বয়সের গরুর জন্য শতকরা ২ ভাগ শুকনা খড় ২ থেকে ৩ ইঞ্চি করে কেটে এক রাত লালীগুড়-চিটাগুড় মিশ্রিত পানিতে ভিজিয়ে সরবরাহ করতে হবে।

কাঁচা ঘাস: গরুকে প্রতিদিন ৬ থেকে ৮ কেজি কাঁচা ঘাস বা শস্য জাতীয় তাজা উদ্ভিদের উপজাত দ্রব্য যেমন- নেপিয়ার, পারা, জার্মান, দেশজ মাটি কলাই, খেসারি, দুর্বা ইত্যাদি খাওয়াতে হবে।

দানাদার খাদ্য: গরুকে প্রত্যেক দিন কমপক্ষে ১ থেকে ২ কেজি দানাদার খাদ্য সরবরাহ করতে হবে। নিচে ১০০ কেজি দানাদার খাদ্যের তালিকা দেয়া হলো- গম ভাঙা-গমের ভুসি ৪০ কেজি চালের কুঁড়া ২৩.৫ কেজি খেসারি বা যে কোনো ডালের ভুসি ১৫ কেজি তিলের খৈল-সরিষার খৈল ২০ কেজি লবণ ১.৫ কেজি। উল্লিখিত তালিকা ছাড়াও বাজারে প্রাপ্ত ভিটামিন মিনারেল মিশ্রণ ১% হারে খাওয়াতে হবে।

১৫০ কেজি ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: খড় = ৩ কেজি কাঁচা ঘাস = ৫-৬ কেজি দানাদার খাদ্যের মিশ্রন = ১.৫-২ কেজি চিটাগুড় = ৫০০ গ্রাম ইউরিয়া = ৪৫ গ্রাম (নিয়মানুয়ায়ী) লবন = ৩৫ গ্রাম।

১০০ কেজি দৈহিক ওজনের গবাদিপশুর খাদ্য তালিকা: ধানের খড় = ২ কেজি সবুজ ঘাস = ২ কেজি (ঘাস না থাকলে খড় ব্যবহার করতে হবে দানদার খাদ্যে মিশ্রন = ১.২-২.৫ কেজি ইউরিয়া = ৩৫ গ্রাম (নিয়মানুযায়ী) চিটাগুড়া = ২০০-৪০০ গ্রাম লবণ = ২৫ গ্রাম দানাদার খাদ্যের সাথে লবন, ইউরিয়া, চিটাগুড় এক সাথে মিশিয়ে দিনে ২ বার দিতে হবে। ধানের খড় এবং কাঁচা ঘাস ছোট ছোট করে কেটে এক সঙ্গে মিশিয়ে খাওয়ালে ভালো ফল পাওয়া যায়।

কৃমিমুক্তকরণ ও টিকা প্রদান: গরুকে ডাক্তারের নির্দেশনা মত কৃমির ওষুধ খাওয়াতে হবে। নতুন গরু সংগ্রহের পর পরই পালের সব গরুকে একসঙ্গে কৃমিমুক্ত করা উচিত। এক্ষেত্রে প্রতি ৭৫ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি করে এনডেক্স বা এন্টিওয়ার্ম ট্যাবলেট ব্যবহার করা যেতে পারে।

পূর্ব থেকে টিকা না দেয়া থাকলে খামারে আনার পর পরই সব গরুকে তড়কা, বাদলা ও ক্ষুরা রোগের টিকা দিতে হবে। এ ব্যাপারে নিকটস্থ পশু হাসপাতালে যোগাযোগ করতে হবে।

ঘর তৈরি ও আবাসন ব্যবস্থাপনা: আমদের দেশের অধিকাংশ খামারী ২/৩ টি পশু মোটাতাজা করে থাকে, যার জন্য সাধারণত আধুনিক শেড করার প্রয়োজন পড়ে না। তবে যে ধরনের ঘরেই গরু রাখা হোক, ঘরের মধ্যে পর্যন্ত আলো ও বায়ু চলাচলের ব্যবস্থা থাকতে হবে। ঘরের মল- মূত্র ও অন্যান্য আবর্জনা যাতে সহজেই পরিষ্কার করা যায়, সে দিকে খেয়াল রেখে ঘরে তৈরি করতে হবে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop