৪:৪২ অপরাহ্ন

সোমবার, ২৯ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২১ ৩:৩৬ অপরাহ্ন
ধনবাড়িতে উচ্চ ফলনশীল বোরো ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে
কৃষি বিভাগ

স্বল্প আয়ুকালের উচ্চ ফলনশীল আগাম জাতের ধান চাষ করে বেশি ফলন পাওয়ায় আশায় কৃষকের মাঝে উচ্চ ফলনশীল বোরো চাষে আগ্রহ বেড়ে চলেছে। এতে করে ধানের উৎপাদন বেশি হওযায় লাভবান হচ্ছে কৃষকরা। ইতিমধ্যে পুরো দুমে শুরু হয়েছে আমন ধান কাট ও মাড়াই। বোরো আবাদকে সামনে রেখে বীজতলা তৈরিতে ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলার কৃষকরা। জমি তৈরি ও বীজ বপনে তাঁরা ব্যস্ত। দুই ফসলি জমিতে আবাদ করা যাচ্ছে তিন ফসল।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় দেখা যায়, উপজেলায় পুরো দমে চলছে ধান কাটা, মাড়াই ও সংগ্রহের কাজ। আমনে মৌসুমে স্বল্প আয়ূকালের উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান বেশি চাষ করা হয়েছে। এতে বেশি ফলন পাওয়ায় কৃষকরা বেজায় খুশি। বোরো আবাদকে সামনে রেখে আরও বেশি লাভবান হওয়ার জন্য বোরো ধান চাষে উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ বপন করছেন। বীজতলা তৈরির জন্য জমি প্রস্তুত করে বীজ বপন করছেন। উপজেলার বীজের দোকানগুলোতে বেড়েছে কৃষকদের উন্নত ফলনশীল জাতের বোরো ধানের বীজ কেনার হিড়িক।

উপজেলা কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা যায়, এবার আমন ধান চাষে উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে কৃষকরা লাভবান হয়েছে। ৯ হাজার ৫ শত হেক্টর জমির মধ্যে সাড়ে ৮ হাজার হেক্টর জমিতে বিভিন্ন জাতের উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ হয়। সামনে বোরো আবাদের জন্য উপজেলার কৃষকরা বেশি ফলনের আশায় উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান বীজ বপন করছে। বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে সাড়ে দশ হাজার হেক্টর। চাষিরা বলছেন, আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে বীজতলার তেমন কোন ক্ষতি হবে না। জানুয়ারির মধ্যে জমিতে বোরো ধানের চারা রোপণ শেষ হবে।

বলিভদ্র ইউনিয়নে কৃষক সুরুজ মিয়া ও ধোপাখালী ইউনিয়নের কৃষক নাসির হোসেন জানান, বোরো আবাদের জন্য বীজতলা তৈরি করেছি। বেশি ফলন পাবার জন্য উচ্চ ফলনশীল জাতের বীজ বপন করবো। এতে করে কম সময়ে বেশি ফলন পাওয়া যায়। দুই ফসলের জমিতে তিন ফসল আবাদ করা যায়। পাইস্কা

ইউনিয়নের কৃষক নূর নবী জানান, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে কৃষকরা বেশি লাভবান হচ্ছে। এজন্য ধান চাষে কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে। এছাড়াও উপজেলা কৃষি অফিস থেকে ধান চাষের জন্য কর্মরতরা বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছে। সরকারীভাবে কৃষকদের প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।

কৃষি উপসহকারী কর্মকর্তা দোলেয়ার হোসেন জানান, উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান চাষ করে কৃষক লাভবান হওয়ায় ধান চাষে কৃষকদের আগ্রহ বেড়েছে। আমরা মাঠে যেয়ে বীজতলা তৈরি ও ধান চাষের জন্য নানা পরামর্শ দিচ্ছি। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে এবং রোগ বালাই কম হলে ভালো ফসল পাবেন কৃষকরা।

ধনবাড়ী উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ মাজেদুল ইসলাম বলেন, বোরো ধান চাষের জন্য কৃষকরা বীজতলা তৈরি করছে। কৃষকদের আমরা নানাভাবে পরামর্শ প্রদান করছি। যদি কোনও ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয় তাহলে বোরো আবাদে বাম্পার ফলন হবে আশা করছি।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২১ ২:০৭ অপরাহ্ন
সুবর্ণচরের পতিত জমিতে পেঁপে চাষ করে কৃষকদের ভাগ্য বদল
কৃষি বিভাগ

নোয়াখালী জেলার সুবর্ণচর উপজেলা দিন-দিন কৃষি বিপ্লবের কেন্দ্র বিন্দু হতে চলেছে। নানা প্রতিকুলতায় বেড়ে উঠা এ অঞ্চলের জনবসতি এখন প্রতিকুল পরিবেশেও নিজেদের ভাগ্য পরিবর্তনে নিরলস পরিশ্রম করে যাচ্ছে। গতানুগতিকতা থেকে বেরিয়ে নিজেদের জীবনমান পরিবর্তনে রাত দিন চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে তারা। নিজেদের কঠোর পরিশ্রম, সরকারি সহযোগীতা আর একদল এনজিও কর্মকর্তাদের পরামর্শে বদলে যাচ্ছে এখানকার চাষীদের জীবনমান।

সুবর্ণচর উপজেলার পূর্ব চরবাটা ইউনিয়নের চরমজিদ গ্রামে সরে জমিনে গিয়ে দেখা হয় কৃষক আব্দুল কুদ্দুসের সাথে। মসজিদের পরিত্যাক্ত জমিতে সরকারি প্রণোদনায় পেঁপে চাষে ভাগ্য বদলেছেন এ কৃষক। সরকারি ভাবে পেঁপে চারা, সার, কিটনাশক ও সঠিক পরামর্শে এক একর জমিতে ২০০টি পেঁপে চাষ করেছেন তিনি। আনুমানিক ৩৫ টন পেঁপে বিক্রি করতে পারবেন তিনি। এতে মাত্র ২০ হাজার টাকা খরছে ২ লক্ষাধিক টাকা লাভের সম্ভাবনা রয়েছে তার। এছাড়া একই সময়ে, একই জমিতে মৌসুমে সবজি আবাদেও অর্ধলক্ষাধিক টাকা লাভবান হন তিনি। এক সময়ের এই পতিত জমিতে এখন নিজের বেকারত্ব দূর করে ভাগ্য বদলের স্বাক্ষর রেখেছেন এই চাষী।

আব্দুল কুদ্দুসের মতো গ্রীণ লেডি হাইব্রিড জাতের পেঁপে চাষ করেছেন একই এলাকার নারী চাষী বেগম ফজিলাতুনন্নেছা। ১একর জমিতে ৪০ হাজার টাকা খরছ গুণতে হয়েছে তার। বসত ঘরের পাশে অনাবাদি জমিতে পেপে চাষ করেছেন তিনি।অনুকুল পরিবেশ আর ভালো দাম পেলে ফজিলাতুনন্নেছাও লক্ষাধিক টাকার পেপে বিক্রি করতে পারবেন। প্রতি কেজি পেঁপের বাজার দর এখন ২০ টাকা। তবে পাকা পেঁপের দাম বেশি। প্রতি কেজি ৮০-৯০ টাকা।

স্থানীয় উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা (মাঠ কর্মী) ইকবাল হোসেনের পরামর্শে নিজ বাড়িতেই হালিমা বেগম পেপে চাষ করেছেন। হাজার দশেক টাকা খরচ করে তিনিও অর্ধলক্ষ টাকা লাভবান হবেন বলে জানান। কম জায়গায় স্বল্প খরছে, ভালো দর পাওয়ায় বাণিজ্যিক পেপে চাষে ঝুকছেন সুবর্ণচরের চাষীরা।

সুবর্ণচর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. হারুন অর রশীদ জানান, সুবর্ণচর একটি সম্ভাবনাময় অঞ্চল। এখানকার কৃষকরা আন্তরিকতার সাথে কাজ করে বলে প্রতিকুল এবং অনুকুল দুই পরিবেশেই ভালো ফলন তুলতে সক্ষম। তাছাড়া এখানকার কৃষকদের জন্য সরকারি সকল সুযোগ সুবিধা দ্রুত তাদের দোরগোড়ায় পৌঁছে দেয়া হয়।

কৃষকদের উদ্ভুদ্ধ করতে বিনা মুল্যে কৃষি যন্ত্রপাতি, বীজ, সার, কিটনাশক প্রদান করা হয়। পেপে চাষ সম্পর্কে তিনি বলেন, পেঁপে এক সময় সুবর্ণচরে বাণিজ্যিকভাবে চাষ হতো না। এবার সরকারি প্রণোদনায় বাণিজ্যিক চাষ হলেও আগামীতে অনেক চাষী পেঁপে চাষে আগ্রহী হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২১ ১১:৩৪ পূর্বাহ্ন
সিলেটের কানাইঘাটে তরমুজ চাষে সফল মাদ্রাসাছাত্র আশিক
কৃষি বিভাগ

কানাইঘাটে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন মাদ্রাসাছাত্র আশিকুর রহমান। তরমুজ চাষে তাঁর সফলতার খবর এখন এলাকার সবার মুখে।

স্থানীয়রা জানান, মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক সুইট তরমুজ চাষের খবর এর আগে এলাকার কেউ জানতেন না। আশিকুর ইউটিউব দেখে বাড়ির পাশে প্রায় ২৪ শতক জায়গা বর্গা নিয়ে মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক সুইট তরমুজ চাষ শুরু করেন।

কানাইঘাট উপজেলার দক্ষিণ বাণীগ্রাম ইউনিয়নের বাউরভাগ পশ্চিম গ্রামে কৃষক ইলিয়াছ আলীর ছেলে আশিকুর। গাছবাড়ি জামিউল উলুম কামিল মাদ্রাসার ফাজিল ১ম বর্ষের ছাত্র তিনি। লেখাপড়ার পাশাপাশি বিভিন্ন ধরনের সবজি চাষ করেন এ তরুণ। সম্প্রতি মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক সুইট তরমুজ ও কিরা চাষ করে ব্যাপক সাফল্য পেয়েছেন। এলাকার লোকজনের কাছে আশিক এখন সফল ও স্বাবলম্বী।

আশিকুর রহমান বলেন, আমি কৃষক পরিবারের সন্তান। লেখাপড়ার পাশাপাশি বাড়িতে না বসে বাবাকে কৃষি কাজে সহযোগিতা করতাম। করোনাকালে হঠাৎ ইউটিউবে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষের ভিডিও দেখে চাষে আগ্রহী হই। এরপর বগুড়া থেকে কুরিয়ার সার্ভিসের মাধ্যমে বীজ সংগ্রহ করে চাষ শুরু করি। এখন আমার তরমুজ চাষ দেখতে প্রতিদিন বিভিন্ন গ্রাম থেকে লোকজন আসছে।

আশিকের বাবা ইলিয়াছ আলী বলেন, প্রথমে ছেলের এই কাজ পছন্দ করিনি। এখন তাঁর এই চাষ পদ্ধতিতে তরমুজের ফলন দেখে আমি খুবই খুশি। কারণ মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষে ফলন খুবই ভালো হয়েছে।

এলাকার বাসিন্দা আরিফুর রহমান বলেন, আমি প্রথমে বিশ্বাস করতে পারিনি। মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক সুইট তরমুজের ফলন এত ভালো হবে। আমরা এবার আশিকের চাষ পদ্ধতি অনুসরণ করছি। ভবিষ্যতে আমরা এভাবে মালচিং পদ্ধতিতে তরমুজ চাষ করব।

এ বিষয়ে কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক বলেন, মালচিং পদ্ধতিতে ব্ল্যাক সুইট তরমুজ ও কিরা চাষে আশিকের সফলতার খবর শুনেছি। এ পদ্ধতি কানাইঘাটের জন্য নতুন একটি বিষয়। আমরা তাঁকে যতটুকু পারি সহযোগিতা করব। পাশাপাশি অন্যান্যে এ চাষ পদ্ধতিতে উৎসাহী করব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৬, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে মধু সংগ্রহ করছেন মৌচাষিরা
কৃষি বিভাগ

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতী উপজেলার গারো পাহাড়ের প্রায় ১৫টি স্থানে স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ মৌচাষিরা প্রায় চার হাজার কাঠের বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছেন।

উপজেলার গারো পাহাড়ের সারি সারি শাল, সেগুন, মহুয়া, গজারী, আকাশমনি, ইউকেলিপটাস, মিলজিয়ামসহ নানা প্রজাতির গাছ-গাছালিঘেরা উঁচু-নিচু টিলা বেষ্টিত অঞ্চলের ছোট গজনীতে সাতক্ষীরার সুজন, জসিম, নওকুচিতে দিনাজপুরের বিল্লাল, গজনী অবকাশে ঢাকার রতন, সন্ধ্যাকুরায় টাঙ্গাইলের কাউছার, দরবেশ তলায় স্থানীয় সাম্বুদা, পানবরের কানুদা কুচ, নওকুচি মহন কোচ, বাকাকুড়ায় মিজান, গুরুচরণ দুধনইতে স্থানীয় হালিম কাঠের বাক্স বসিয়ে মৌচাষ করছেন। এদের মধ্যে অনেক চাষি বাক্সের সামনে আগুনের ধোঁয়া দিয়ে মধু সংগ্রহ ও মৌমাছির পরিচর্যা করছেন।

উপজেলার গুরুচরণ দুধনই গ্রামের স্থানীয় মৌচাষি হালিম বলেন, ২০০৯ সালে বাংলাদেশ ক্ষুদ্র ও কুটির শিল্প করপোরেশনে (বিসিক) মৌমাছি প্রকল্পের ওপর প্রশিক্ষণ নিয়ে তিনি মৌচাষ শুরু করেন। তিনি মধু চাষ করে স্বাবলম্বী হয়েছেন। এ উপজেলায় বর্তমানে ১২ থেকে ১৫টি স্থানীয় ও ভ্রাম্যমাণ মৌচাষের দল ৪ হাজার কাঠের বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

ছোট গজনীতে ভ্রাম্যমাণ মৌচাষি সুজন আহমেদ বলেন, আমরা গত অক্টোবর মাসের প্রথমেই সময়ে এখানে এসেছি। এ সময়টুকু এ পাহাড়ে মৌচাষের উপযুক্ত সময় ছিল। আমি ২০০টি বাক্স থেকে একমাসে ৮মণ মধু সংগ্রহ করেছি। এ এলাকায় আর এক সপ্তাহ আছি, এর মধ্যেই আরও তিন থেকে চার মণ মধু সংগ্রহ করা যাবে। পরর্বতীতে সরিষা চাষ হচ্ছে এমন এলাকায় গিয়ে মৌচাষ করবেন বলে জানিয়েছেন এ মৌচাষি।

বন বিভাগের রাংটিয়া রেঞ্জ কর্মকর্তা মো. সুমন মিয়া বলেন, গারো পাহাড়ের বনাঞ্চলে বিভিন্ন প্রকারের ফুল জন্মে আর সেখান থেকেই মৌমাছি মধু সংগ্রহ করে। তাই বন মধু চাষের জন্য উপযুক্ত স্থান। বর্তমানে গারো পাহাড়ের বেশ কিছু স্থানে মৌচাষিরা কাঠের বাক্স বসিয়ে মধু সংগ্রহ করছেন।

এ ব্যাপারে কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক ড. মহিত কুমার দে জানান, কৃষিবিভাগের মাঠ কর্মীরা মৌ চাষিদের প্রয়োজনীয় পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছে। গারো পাহাড়ের মৌ চাষের উজ্জ্বল সম্ভাবনা রয়েছে। এজন্য কৃষি বিভাগ প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণ করেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ৪:৪০ অপরাহ্ন
নাটোরে ব্লাক রাইস চাষাবাদ
কৃষি বিভাগ

চীনের সপ্তদশ শতকের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাসম্পন্ন মহামূল্যবান ব্লাকরাইস বা কালো চাল নাটোরে চাষাবাদ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার সাড়ে এগারটার দিকে সদর উপজেলার লক্ষিপুর-খোলাবাড়িয়া গ্রামে এক বিঘা জমিতে ব্লাকরাইসের শস্য কর্তন করা হয়েছে।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিসের সহায়তায় স্থানীয় কৃষি উদ্যোক্তা প্রতিষ্ঠান অর্গানিক পল্লী এগ্রো ফার্মস এন্ড নার্সারী গাজিপুর এলাকায় চাষাবাদ করে সফলতা পেয়েছেন।

অর্গানিক পল্লী ও কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে, চীনে চতুর্দশ শতক থেকে সপ্তদশ শতকে কিং যুগে কালো ধানের চাষ হতো। কিন্তু রাজা বা রাজপরিবার ছাড়া কারও কালো চালের ভাত খাওয়ার অধিকার ছিল না। প্রজাদের জন্য এই চাল নিষিদ্ধ ছিল বলে এই চালকে বলা হয় নিষিদ্ধ চাল বা ফরবিডেন রাইস।

পরবর্তী সময়ে জাপান ও মিয়ানমারে এই চালের চাষ শুরু হয়। সেখান থেকে এই চাল আসে বাংলাদেশে। পার্বত্য এলাকায় এই চালকে বলা হয় পোড়া বিন্নি চাল। থাইল্যান্ডে একে বলে কাও নাইও ডাহম।

সদর উপজেলা কৃষি বিভাগ বলছে, অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ফ্লাভিনয়ের্ড বা এনথোসায়ানিন খুব বেশি পরিমাণে থাকায় এই চালের রঙ কালো হয়। এই উপাদানটির কারণে ক্যানসার, হৃদরোগ, স্নায়ুরোগ এবং ব্যাকটেরিয়া সংক্রমণে প্রতিহত করতে সহায়তা করে। কালো চাল ক্যানসার প্রতিরোধে অনন্য। এই চালে আয়রন বেশি, কিন্তু শর্করা কম। আর এই চালের ভাত অনেক বেশি পুষ্টি ও স্বাস্থ্যকর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ৪:১৪ অপরাহ্ন
চাষিদের গান মুগ্ধতা ছড়ালো ধান কাটার মাঠে
কৃষি বিভাগ

কুষ্টিয়ার মিরপুরে আমন ধান কাটার মাঠে মুগ্ধতা ছড়ালো চাষিদের গানের প্রতিযোগিতা। বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সকাল ৭টা থেকে বেলা ১২টা পর্যন্ত মিরপুর উপজেলার আমলা ইউনিয়নের অঞ্জনগাছী গ্রামের মাঠে ‘কৃষিবিডি’র উদ্যোগে এ প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত হয়।

প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ৫ কৃষক। এর মধ্যে তিনজন বিজয়ী হন। প্রতিযোগিতায় স্থানীয়, নিজেদের লেখাসহ মাঠে কাজ করার সময় গাওয়া বিভিন্ন ধরনের গান পরিবেশন করেন প্রতিযোগিরা।

অনুষ্ঠানে কৃষিবিডি’র পরিচালক জাহিদ হাসানের পরিচালনায় প্রধান অতিথি হিসাবে পুরস্কার বিতরণ করেন কুষ্টিয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির সচিব কাঞ্চন কুমার।

বিশেষ অতিথি ছিলেন আমলা প্রেসক্লাবের সভাপতি হাবিবুর রহমান ও সমাজসেবক কামরুল ইসলাম।

কৃষকদের বিনোদনে ব্যতিক্রমধর্মী এ প্রতিযোগিতায় প্রথম স্থান অধিকার করেন কৃষক ইউনুস আলী, কৃষি শ্রমিক লিংকন আলী দ্বিতীয় এবং কৃষক মিজানুর রহমান তৃতীয় স্থান অধিকার করেন।

পরে বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার হিসাবে বাঁশের তৈরি মাথাল, ধান কাটার কাস্তে এবং গামছা তুলে দেন আমন্ত্রিত অতিথিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ৩:২৭ অপরাহ্ন
বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে কৃষকদের মাঝে কৃষি যন্ত্র বিতরণ
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের মোরেলগঞ্জে ধানকাটা ও মাড়াইয়ের জন্য কৃষকদের মাঝে ২০টি আধুনিক যন্ত্র বিতরণ করা হয়েছে। খামার যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উপজেলা কৃষি দপ্তর বৃহস্পতিবার বেলা ১২টার দিকে ১০টি ধান কাটা ও ১০টি ধান মাড়াই মেশিন বিতরণ করে।

উপজেলা চেয়ারম্যানম্যান অ্যাড. শাহ্-ই-আলশ বাচ্চু, নির্বাহী কর্মকর্তা মো. জাহাঙ্গীর আলম ও কৃষি কর্মকর্তা সিফাত আল মারুফ আনুষ্ঠানিকভাবে মেশিনগুলো হস্তান্তর করেন। এছাড়াও এদিন সাড়ে ৫ মেট্রিক টন উচ্চ ফলনশীল জাতের ধান বীজ ও ১৬ মেট্রিক টন সার বিনামূল্যে কৃষকদের মাঝে বিতরণ করা হয়।

উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান মোজাম্মেল হক, ফাহিমা ছাবুল জেলা পরিষদ সদস্য অধ্যাপিকা আফরোজা আক্তার লিনা এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ২:২৯ অপরাহ্ন
হিলি স্থলবন্দরে বেড়েছে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম
কৃষি বিভাগ

আমদানি কমের অজুহাতে হিলি স্থলবন্দরের আড়তগুলোতে বেড়েছে ভারত থেকে আমদানি করা পেঁয়াজের দাম। দু’দিনের ব্যবধানে পেঁয়াজের প্রকারভেদে কেজিপ্রতি দাম বড়েছে ৪ থেকে ৬ টাকা।

সপ্তাহের শুরুতে যে পেঁয়াজ বন্দরের আড়তগুলোতে বিক্রি হয়েছিল ২০ থেকে ২৫ টাকা দরে, এখন তা বিক্রি হচ্ছে  ২৫-৩০ টাকা দরে। হঠাৎ দাম বেড়ে যাওয়ায় পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়ছেন পাইকাররা।

বন্দরের পেঁয়াজ আমদানিকারকরা জানান, দেশে পেঁয়াজের চাহিদা থাকায় তারা ভারতসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেন। প্রথমদিকে ভারত থেকে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম ভালো পেলেও হঠাৎ গত এক সপ্তাহ থেকে বন্দরে দেখা দেয় পাইকার সংকট। এতে বেশি দামে পেঁয়াজ আমদানি করে কম দামে বিক্রি করতে হয় তাদের। ফলে লোকসানের মুখে পড়েন তারা। এ কারণে পেঁয়াজের আমদানি কমিয়ে দিয়েছে তারা। এর ফলে বন্দরে বেড়েছে ভারতীয় পেঁয়াজের দাম।

বুধবার (২৪ নভেম্বর) হিলি স্থরবন্দরে ট্রাকসেল হিসেবে ইন্দ্রজাতের নতুন পেঁয়াজ ২৪ টাকা এবং পুরাতন পেঁয়াজ ২৬ টাকা দরে এবং সুলাপুর জাতের পেঁয়াজ ৩২ টাকা কেজিতে বিক্রি হয়েছে।

এদিকে পেঁয়াজ কিনতে সেলিম নামের এক পাইকার জানান, আমরা হিলি বন্দর থেকে প্রতিদিন দুই-চার ট্রাক পেঁয়াজ কিনে থাকি। সেগুলো ঢাকা সিলেটসহ বিভিন্ন মোকামে পাঠায়। কিন্তু বন্দরে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দামটা ওঠানামা করাই পেঁয়াজ কিনতে এসে বিপাকে পড়তে হচ্ছে।

বন্দরে পেঁয়াজ কিনতে আসা আরেক পাইকার মোজাম বলেন, হিলি বন্দরে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে পাইকাররা আসে পেঁয়াজ কিনতে, আমরা তাদের পেঁয়াজ কিনে দেই। কিন্তু গত কয়েক দিন থেকে বন্দরে পেঁয়াজের দাম বেশ ওঠানামা করছে, তাতে পেঁয়াজ কিনতে সমস্যাই পড়তে হচ্ছে আমাদের। দামটা যদি নিয়ন্ত্রণে থাকত তাহলে আমাদের সুবিধা হতো।

হিলি কাস্টমস সূত্রে জানা গেছে, চলতি সপ্তহের গেল ৫ কর্মদিবসে হিলি স্থলবন্দর দিয়ে ভারতীয় ১০০ ট্রাকে ২ হাজার ৯০৯ মেট্রিক টন পেঁয়াজ আমদানি হয়েছে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ১:৩০ অপরাহ্ন
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর বাজারে নতুন পেঁয়াজ, কেজি ২০ টাকা
কৃষি বিভাগ

কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীর হাটবাজারে আগাম জাতের নতুন পেঁয়াজ উঠতে শুরু করেছে। এতে কমতে শুরু করেছে পুরাতন দেশি পেঁয়াজের দামও। ফলে (টিসিবির) পেঁয়াজ খোলাবাজারে বিক্রির চাহিদাও কমে গেছে।

বৃহস্পতিবার (২৫ নভেম্বর) সকালে উপজেলার কৃষি সবজির বৃহৎ হাট জালালপুর নদীর বাঁধ হাটে গিয়ে দেখা যায়, প্রচুর নতুন পেঁয়াজ উঠেছে। তবে তা ছিল অপরিপক্ক। ভালো দামের আসায় আগেভাগেই হাটে নিয়ে এসেছেন কৃষকরা। নতুন পেঁয়াজের সাথে পাতাও বিক্রি হয় ভালো দামে। যার কারণে দুটি মিলিয়ে ভালো দাম পান কৃষকরা।

হাটে পাইকাররা এসে পেঁয়াজ কিনে নিয়ে যাচ্ছে। প্রতি কেজি নতুন পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২০-৩০ টাকা কেজি দরে। বিকল্প হিসেবে পেঁয়াজের সাথে ফুলকা (পেঁয়াজের কলি) বিক্রি হচ্ছে ২০ টাকা আটি। পুরাতন দেশি পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ৪৫-৫০ টাকা কেজি দরে। শহরের বাজারে নতুন পেঁয়াজ ও পাতার দাম কিছুটা বেশি দামে বিক্রি হয়।

বাজারে নতুন পেঁয়াজ নিয়ে আসা বিক্রেতা হানিফ বলেন, পেঁয়াজের পাতা ১৫-২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি করছি। নতুন পেঁয়াজ ২০-৩০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

খুচরা ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা হলে তারা জানান, দেশি পেঁয়াজের চাহিদা বাজারে বরাবরই ভালো ছিল। কিন্তু দাম বাড়ার কারণে অনেক ক্রেতা খোলাবাজারে আমদানি করা পেঁয়াজ কিনা শুরু করেন। এখন দেশি পেঁয়াজ ৪৫-৫০ টাকা কেজিতে বিক্রি হচ্ছে। সামান্য উঠানামা হয়। বাজারে নতুন পেঁয়াজ পুরোপুরি উঠতে শুরু করলে পুরাতন পেঁয়াজের দাম আরও কমে যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২৫, ২০২১ ১১:৫৮ পূর্বাহ্ন
নতুন জাতের আমন ধান, এক বিঘা জমিতে ২৭ মণ ধান
কৃষি বিভাগ

মাত্র এক বিঘা জমিতে ২৭ মণ ধান! ধানের নাম আমন। রাজবাড়ীর নিম্নাঞ্চলের কৃষকরা যখন দিশাহারা তখন হাইব্রিড অ্যারাইজ এজেড-৭০০৬ জাতের আমন ধান চাষিদের আলোর মুখ দেখায়। নতুন জাতের আমন ধানের চাল মধ্যম চিকন; ভাতও হয় ঝরঝরে ও খেতেও সুস্বাদু।

জানা যায়, বন্যায় সহনশীল হওয়ায় রাজবাড়ীতে কৃষকদের কাছে দিন দিন জনপ্রিয় হয়ে উঠছে এ ধান। জাতটি শুধু বন্যায় সহনশীলই নয়, যে কোনো জাতের ধানের চেয়ে উচ্চফলনশীলও। তেমনি রোগবালাইও অনেক কম। বন্যায় ক্ষতি পোষাতে এ জাতের আমন ধানের প্রতি আগ্রহ বাড়ছে রাজবাড়ী অঞ্চলের কৃষকদের।

আর উচ্চফলনশীল এ জাতের বীজ দিয়ে কৃষকদের সহযোগিতা করছে জার্মানভিত্তিক কোম্পানি বায়ার ক্রপ সায়েন্স।

এ জাতের ধান চাষ করে সাফল্যও পাচ্ছেন তারা। ৩৩ শতাংশে বিঘাপ্রতি এ জাতের ২৬ থেকে ২৭ মণ ধান পাচ্ছেন কৃষকরা।

বায়ার ক্রপ সায়েন্স লিমিটেডের ফরিদপুর আঞ্চলিক কর্মকর্তা কৃষিবিদ মানসুর রহমান জানান, এ জাতের আমন ধানের বিশেষায়িত হচ্ছে বীজ রোপণের পর অনাকাঙ্ক্ষিত বন্যায় দুই সপ্তাহ পর্যন্ত ক্ষেত তলিয়ে থাকলেও ফসলের কোনো ক্ষতি হয় না।

পক্ষান্তরে নতুন জাতের আমন ধানের এ জাতটি যেমন বন্যা সহনশীল, তেমনি উচ্চফলনশীলও। পাতা পোড়া (বিএলবি) রোগসহ অন্য জাতের ধানের চেয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাও অনেক বেশি। রয়েছে ধান ঝরে না পড়ার গুণও। হাইব্রিড এ জাতের ধান চাষ করে বিঘাপ্রতি ২৬ থেকে ২৭ মণ ধান পাচ্ছেন এ অঞ্চলের কৃষকরা। দুই হাজার ছয় জাতের আমনের ধানের চাল মধ্যম চিকন। ভাতও হয় ঝরঝরে ও খেতেও সুস্বাদু।

রাজবাড়ী সদর উপজেলার সুলতানপুর ইউনিয়নের ইসলামপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মালেক বলেন, আমাদের ব্লকে ২০০ বিঘা জমি আছে। এর মধ্যে এবার প্রায় ১৫০ বিঘা জমিতে এ জাতের ধান চাষ করা হয়েছে। কারণ এ জাতের আমন ধানে রোগবালাই কম। আমরা যে জাতের ধান চাষ করতাম তার থেকে নতুন এ জাতের ধানের ফলন বেশি হয়েছে।

ধানচাষি আব্দুল গফুর মণ্ডল বলেন, আমরা আগে যে জাতের আমন ধান চাষ করতাম; তার থেকে প্রায় দ্বিগুণ ফসল হচ্ছে নতুন এই জাতের ধান থেকে। এর চেয়ে বড় কথা হচ্ছে জাতটি বন্যায় সহনশীল ও রোগবালাই কম। এ জাতের ধান চাষ করে আমরা আগের চেয়ে বেশি লাভবান হব।

রাজবাড়ী সদর উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা মো. তোফাজ্জেল হোসেন বলেন, গতানুগতিক পুরনো জাতের ধান চাষ থেকে কৃষকদের সরে আসতে হবে। কারণ দীর্ঘদিন একই জাতের ধান আবাদ করলে রোগব্যাধি বেশি হয়। নতুন অ্যারাইজ এজেড-৭০০৬ জাতের ধান উচ্চফলনশীল ও বন্যা সহনশীল। পাতা পোড়া (বিএলবি) রোগ প্রতিরোধী।

ধান ঝরে পড়ে না। এ ধরনের হাইব্রিড জাতের ধান চাষ যদি আমরা বাড়াতে পারি, তা হলে কৃষক লাভবান হবেন। রাজবাড়ী সদর উপজেলায় চলতি মৌসুমে ১২ হাজার ৬৫০ হেক্টর জমিতে আমন ধানের চাষ হয়েছে বলেও জানান কৃষি অফিসের ওই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop