৬:৫৮ অপরাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ১২:১৬ অপরাহ্ন
দিশেহারা তিস্তাপাড়ের চাষিরা,ফসলি জমি এখন শুধু বালুচর
কৃষি বিভাগ

নীলফামারীর ডিমলা ও জলঢাকা উপজেলার  ফসলি জমি এখন পরিণত হয়েছে বালুচরে। অথচ আর ক’দিন বাদেই সোনালী ধান, আগাম ভুট্টা আর সবজি ঘরে তোলার কথা ছিল কৃষকের।

আকস্মিক বন্যায় তিস্তাগর্ভে বিলীন হয়েছে সব ধরনের ফসলি জমি। সর্বস্ব হারিয়ে এখন দিশেহারা তিস্তাপাড়ের মানুষ। তিন ফসলি জমির কোথাও এক ফুট, কোথাও দেড় ফুট বালুর স্তর। অথচ ক’দিন আগেও এখানে ছিল ধান, আগাম জাতের ভুট্টা আর শীতকালীন শাক-সবজি। ঘরে তোলার বদলে সেসব ফসল এখন তিস্তাগর্ভে বিলীন।

সম্প্রতি উজানের ঢলে ভেঙ্গে যায় তিস্তা নদীর ফ্লাডবাইপাস। নদীগর্ভে বিলীন হয় ১০টি বাঁধের ১১শ’ মিটার। বানের পানির সাথে ধেয়ে আসে বালু। উর্বর ফসলি জমি পরিণত হয়েছে বালুচরে। ভবিষ্যতে এসব জমিতে আবারও ফসল আবাদ নিয়ে শঙ্কায় নীলফামারীর ডিমলা আর জলঢাকার কৃষক।

কৃষকের আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ নির্ণয় করা না গেলেও তার পরিমাণ কয়েকশ কোটি টাকা।বর্তমানে তারা মানবেতর জীবন পার করছেন ।এই ক্ষতি পুষিয়ে উঠার জন্য তার সরকারের কাছে আর্থিক সহযোগিতা ও প্রনোয়দনা চান ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকেরা।

ক্ষতিগ্রস্তদের পুনর্বাসনে পদক্ষেপ নেয়ার আশ্বাস দিয়েছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। হঠাৎ বন্যায় দুই উপজেলার ১ হাজার ৭০৫ হেক্টর জমির ফসল বিলীন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৮:৫১ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরে রবিশস্য চাষীদের দেয়া হচ্ছে দেড় কোটি টাকার কৃষি প্রণোদনা
কৃষি বিভাগ

পিরোজপুর জেলায় ১৪ হাজার ৪শ’ জন ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চাষীকে রবিশস্য চাষাবাদে ১ কোটি ৫০ লাখ ৮৭৫ টাকা প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে।

কৃষি অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে এই কৃষি প্রণোদনা দেয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে। প্রতিজন চাষীকে ১ বিঘা জমির জন্য এই প্রণোদনা দেয়া হবে। গম চাষে ৫শ’, ভুট্টা চাষে- ৩ হাজার, সরিষা চাষে ১ হাজার, সূর্যমূখী চাষে ২ হাজার ৫শ’, চীনাবাদাম চাষে ৪শ’, মুগ চাষে ৫ হাজার, মসুর চাষে ১ হাজার এবং খেসারী চাষে ১ হাজার জন এই প্রণোদনা পাবে।

প্রতিজন সূর্যমুখির জন্য বীজ ১ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি এবং এমওপি ১০ কেজি, মুগের জন্য ৫ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ৫ কেজি, ভুট্টা চাষের জন্য ২ কেজি বীজ, ডিএপি ২০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, গমের জন্য ২০ কেজি বীজ, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, সরিষার জন্য ১ কেজি উচ্চ ফলনশীল বীজ, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ১০ কেজি, চীনা বাদামের জন্য বীজ ১০ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ৫ কেজি এবং মসুরের জন্য বীজ ৫ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি এবং এমওপি ৫ কেজি, খেসারীর জন্য বীজ ৮ কেজি, ডিএপি ১০ কেজি, এমওপি ৫ কেজি প্রদান করা হবে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের পিরোজপুর জেলার উপ-পরিচালক অরুন রায় বাসসকে জানান সরকারের এ প্রণোদনা প্রদানের ফলে চাষীরা এসব ফসল চাষাবাদে উৎসাহী হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৮:৩৮ পূর্বাহ্ন
কুমিল্লায় কৃষকদের মাঝে সার বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলার বুড়িচংয়ে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে সার বীজ ও কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হয়েছে।

উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে বুধবার সকাল ১০টায় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উদ্যোগে ২০২১-২২ অর্থ বছরের আওতায় রবি মৌসুমে কৃষকদের মাঝে এ সব বিতরণ করেন কুমিল্লা-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট আবুল হাসেম খাঁন এমপি।

এ সময়ে ২০২১-২২ অর্থ বছরের সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উন্নয়ন সহায়তায় বিনামূল্যে কৃষি যন্ত্রপাতিও বিতরণ করা হয়।

এ বিষয়ে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. আফরিনা আক্তার বলেন, শীত কালীন মৌসুমে গম, সরিষা, সূর্যমুখী, চিনাবাদাম, পেঁয়াজ, মসুরও খেসারি ফসলের আবাদ এবং উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্য ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক প্রায় শতাধিক কৃষকের মাঝে বিনামূল্যে সার বীজ এবং আধুনিক প্রযুক্তির কম্বাইন হার ভেস্টার ও রাইস টান্স প্লান্টার বিতরণ করে।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আখলাক হায়দার, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোসাম্মৎ সাবিনা ইয়াসমিন, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মোছা. আফরিনা আক্তার, বুড়িচং থানার ওসি মোঃ আলমগীর হোসেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার শারমীন আরা, বুড়িচং উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা মোঃ মীর হোসেন মিঠু প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৪, ২০২১ ৭:৫৯ পূর্বাহ্ন
মহাকাশে ফলল কাঁচা মরিচ
কৃষি বিভাগ

মহাকাশে কোনো কোনো সবজির চাষ সম্ভব তা নিয়ে দীর্ঘদিন ধরেই গবেষণা চলছে। সেই গবেষণার অংশ হিসেবেই গত জুনে পৃথিবী থেকে প্রচুর কাঁচা মরিচের বীজ নিয়ে যাওয়া হয়েছিল মহাকাশ স্টেশনে। প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক মহাকাশ স্টেশনে কাঁচা মরিচ চাষ করা হয়েছে। মহাকাশচারীরা সেই কাঁচা মরিচ খেয়েছেন বলে নাসা জানিয়েছে।

মঙ্গল বা চাঁদে মহাকাশচারীদের দীর্ঘ দিন থাকতে হলে সেখানেই কী কী জিনিস ফলানো সম্ভব তা বুঝতেই মহাকাশ স্টেশনে এই পরীক্ষা করা হয়েছিল বলে নাসার তরফ থেকে জানানো হয়েছে।

গত শুক্রবার মহাকাশ স্টেশনে বীজ থেকে প্রথম কাঁচা মরিচের ফলন সম্ভব হয়েছে বলে নাসা জানিয়েছে। এ ব্যাপারে খুদে ব্লগিং সাইট টুইটারে নাসার মহাকাশচারী মেগান ম্যাকআর্থার জানান, মহাকাশ স্টেশনে যে কাঁচা মরিচ হয়েছে, গরুর মাংসের সঙ্গে তারা তা খেয়েছেন।

গত জুলাইয়ে নাসার তরফ থেকে জানানো হয়েছিল, পৃথিবী থেকে নিয়ে যাওয়া বীজ থেকে মহাকাশ স্টেশনে চার মাসের মধ্যেই কাঁচা মরিচ চাষ করা যাবে বলে আশা করা হচ্ছে।

নাসা আরও জানিয়েছিল, সেই কাঁচা মরিচ যদি খাওয়ার মতো মনে হয় তা হলে মহাকাশ স্টেশনেই তা চেখে দেখবেন মহাকাশচারীরা। তার পর সেখানে ফলানো বাকি কাঁচা মরিচ পৃথিবীতে ফিরিয়ে আনা হবে তার খাদ্যগুণ যথার্থ কি না তা পরীক্ষা করতে। মহাকাশে ফলানো বিভিন্ন ফসল খাওয়ার ফলে মহাকাশচারীদের উপর কী কী প্রভাব পড়তে পারে তাও খতিয়ে দেখা হবে বলে নাসা জানিয়েছিল।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
খেজুর গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত ঠাকুরগাঁওয়ের গাছিরা
কৃষি বিভাগ

উত্তরের জেলা ঠাকুরগাঁওয়ের বিভিন্ন গ্রামে খেজুর গাছ প্রস্তুতে ব্যস্ত হয়ে পড়ছেন গাছিরা। গত কয়েক বছর ধরে বাণিজ্যিকভাবে গড়ে ওঠা দুটি খেজুর বাগান বদলে দিয়েছে গাছিদের ব্যস্ততা । প্রতিবছর শীতে তৈরি হচ্ছে খেজুরের গুড়। রস ও গুড় কিনতে বাগানে ভিড় করেন বিভিন্ন প্রান্তে র মানুষ। শীতের প্রতিটি সকালেই এ বাগান গুলোতে লেগে থাকে রসমেলা উৎসব।

প্রকৃতিতে বইছে শীতের আগমনী বার্তা। সকালের শিশির ভেজা ঘাস আর হালকা কুয়াশায় পস্তুত হচ্ছে প্রকৃতি। একই সঙ্গে খেজুরের রস সংগ্রহে প্রস্তুত হতে দেখা গেছে ঠাকুরগাঁওয়ের গাছিদেরও।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ঠাকুরগাঁও সুগারমিলের উদ্যোগে সদর উপজেলার নারগুনে ৫০০টি ছোটো বড় খেজুরের গাছ নিয়ে গড়ে ওঠে একটি বাগান। গত বছর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে হঠাৎ করে ভাইরাল হয়ে যায় বাগানটি। এরপর থেকে রস ও গুড় সংগ্রহে প্রতিদিন সকালে শহরের বাসিন্দারা ভিড় করতে থাকেন বাগানে।

এবছরও সেই আয়োজনের পস্তুতি নিতে দেখা যাচ্ছে বাগানটিতে। রস সংগ্রহের জন্য এখন গাছকে বিশেষ পদ্ধতিতে প্রস্তুুত করা হচ্ছে। সপ্তাখানেকের মধ্যেই রস সংগ্রহ শুরু হবে বলে জানিয়েছেন গাছিরা।

এদিকে ঠাকুরগাঁওয়ের পীরগঞ্জ উপজেলার বৈরচুনা গ্রামে বেশ কয়জনের উদ্যোগে গড়ে ওঠে আরেকটি খেজুরের বাগান। দুবছর ধরে তারা বাণিজ্যিকভাবে খেজুরের রস থেকে গুড় উৎপাদন শুরু করেছে। প্রত্যন্ত গ্রামটিতে গড়ে ওঠা বাগানটি এখন সেই এলাকার অর্থনৈতিক উন্নায়নের কান্ডারি বলে জানান এলাকাবাসী।

তাদের অনুসরণ করে জেলার অনেকেই আগ্রহী হয়ে খেজুরের বাগান করতে চাইছে। উদ্যোক্তারা প্রতিনিয়তই বিভিন্ন পরামর্শ নিতে আসছেন বলে জানান বাগান মালিক সোহেল রানা।

তিনি বলেন, ২০ দিন হয়েছে কাজ শুরু করেছি। গাছের ময়লা ও অপ্রয়োজনীয় ডালপালা ছেঁটে ফেলা হয়েছে। ধারালো দা দিয়ে খেজুর গাছের সোনালী অংশ বের করে নোলন স্থাপনের কাজও শেষ। কিছুদিন পরই গাছে লাগানো হবে মাটির পাতিল। এরপরই শুরু হবে সুস্বাদু খেজুর রস সংগ্রহের কাজ। তা দিয়ে তৈরি হবে গুড় ও পাটালি।

সোহেল রানা আরও বলেন, গাছ একবার ছাঁটলে তিন-চার দিন রস সংগ্রহ করা যায় এবং পরবর্তীতে তিন দিন শুকাতে হয়। এভাবে কাটলে গাছের রস সুমিষ্ট হয়। রস সাধারণত নভেম্বর থেকে মার্চ মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত সংগ্রহ করা যায়। রস সংগ্রহের পর হাড়ি পরিষ্কার করে রোদে শুকাতে হয় অথবা আগুনে ছেকে নিতে হয়। এতে সংগৃহীত রসে গাঁজন বন্ধ হয়।

ঝুঁকি নিয়েই কোমরে রশি বেঁধে গাছে ঝুলে রস সংগ্রহের কাজ করেন গাছিরা। প্রতিদিন বিকেলে ছোট-বড় মাটির হাঁড়ি গাছে বাঁধা হয়, আর সকালে রস সংগ্রহ করা হয়। কেউ কেউ কাঁচা রস এলাকার বিভিন্ন স্থানে ও হাটে-বাজারে খাওয়ার জন্য বিক্রি করেন। আবার কেউ কেউ সকালেই এ রস জ্বালিয়ে গুড় তৈরি করেন।

এ বিষয়ে বৈরচুনার গাছি মো: আবু তালেব বলেন, বর্তমানে যে হারে খেজুর গাছ হারিয়ে যেতে বসেছে, তাতে এক সময় হয়তো আমাদের দেশে খেজুর গাছ থাকবে না। এ ঐতিহ্যকে ধরে রাখতে চাইলে আমাদের সবার উচিত তালগাছের মতো বেশি বেশি খেজুর গাছ লাগানো এবং তা যতœ সহকারে বড় করা।

নতুন করে কেউ খেজুরের বাগান করতে চাইলে বা খেজুরের গাছ রোপণে যে কোনো সহযোগিতায় পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন ঠাকুরগাঁও জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক কৃষিবিদ আবু হোসেন।

তিনি বলেন, এ জেলায় খেজুরের গাছ রোপণের ক্ষেত্রে তেমন একটা আগ্রহ দেখা যায় না। সবাই আম, কাঁঠাল আর লিচু নিয়েই ব্যস্ত। সব গাছেরই প্রয়োজন আছে। খেজুর বাগান উদ্যোক্তাদের স্বাগত জানাই। প্রয়োজনে যোগাযোগ করতে পারবেন তারা। আমরা সব রকম সহযোগিতা করবো খেজুর বাগান করা থেকে বাগান প্রতিষ্ঠা পর্যন্ত পরবর্তী সেবাও দেবে জেলা ও উপজেলা কৃষি অফিস। আমরা চাই এ অঞ্চলের পুরোনো ঐতিহ্য বজায় থাকুক বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩, ২০২১ ১১:২৬ পূর্বাহ্ন
কৃষকের আয় বাড়িয়েছে বিনা ধান-১৬ ও ১৭
কৃষি বিভাগ

কুমিল্লা জেলায় কৃষকের আয় বাড়িয়েছে বিনা ধান ১৬ ও ১৭। মাত্র একশত পাঁচ দিনে ফলন পেয়ে, হাসি ফুটেছে কৃষকের মুখে। কম সময়ে পাওয়া এ জাতের ধানের ফলন ও অন্যান্য জাতের ধানের মতই।

কৃষি অধিদপ্তর জানায়, এ ফসল আবাদ করলে, কৃষকের পাশাপাশি জাতীয় আয়ও বৃদ্ধি পাবে। আর চাষিরা করতে পারবে বছরে ৪ বার ফসলে উৎপাদন।

বাংলাদেশ পরোমাণু কৃষি গবেষনা ইনস্টিটিউট বিনার উদ্ভাবন, বিনা ১৬ ও ১৭ জাতের ধান ব্যাপক সাড়া ফেলেছে, কুমিল্লার কৃষকদের মাঝে। উচ্চ ফলনশীল এ ধান উদ্ভাবন করে, মাঠ পার্যায়ে কাজ করছেন বিজ্ঞানীরা। বিনা ধান ১৬ এর জীবনকাল মাত্র ৯৫ থেকে ১০০ দিন। আর বিনা ১৭ এর জীবনকাল ১১৫ থেকে ১১৭ দিন। গড় ফলন প্রতি হেক্টরে সাড়ে ৬ টন, অথবা প্রতি বিঘায় ২৭ মণ।

পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট, কুমিল্লা উপকেন্দ্রের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মোহাম্মদ আশিকুর রহমান বাসসকে বলেন, একজন কৃষক যেন বছরজুড়ে ফলন পায় সে লক্ষ্যে, এ জাতটির উদ্ভাবন করা হয়েছে। এ ধানের ফলন পেয়ে খুশি কৃষকরা। আগামীতেও এ ফসলই চাষ করবে বলে জানায় তারা।

এ ধান চাষে কৃষকের পাশাপাশি জাতীয় আয়ও বাড়বে। ইতোমধ্যে কৃষকরা এ ধান চাষে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন। কৃষকদের সকল ধরনের সহযোগিতা করা হচ্ছে। বিনা ১৬ ও ১৭ উদ্ভাবনের মাধ্যমে, দেশের কৃষিতে ব্যাপক পরিবর্তন আসবে বলে মনে করছেন কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩, ২০২১ ১১:১৮ পূর্বাহ্ন
কমতে শুরু করেছে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম
কৃষি বিভাগ

বাজারে কমতে শুরু করেছে আমদানিকৃত পেঁয়াজের দাম। প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৮ টাকা দরে। কিছুদিন আগে এর দাম ঊর্ধ্বমুখী ছিল।

সেপ্টেম্বর মাস থেকে হিলিস্থলবন্দর দিয়ে পেঁয়াজ আমদানি শুরু হয়। তবে হঠাৎ করে পেঁয়াজের দাম বৃদ্ধির কারণে আমদানিকারকেরা বেশ বিপাকে পড়ে যায়।

কিন্তু বর্তমানে বাজার পরিদর্শন করে দেখা গেছে যে, পেঁয়াজের দাম কিছুটা নিম্নমুখী।

হিলিস্থল বন্দর

 

আমদানিকরকেরা বলেছেন, পেঁয়াজের ওপর শুল্ক প্রত্যাহারের প্রভাবে পেঁয়াজের দাম কমে আসছে।

দেশে বাজারে পেঁয়াজের চাহিদা বাড়লে, ভারত প্রায় প্রতি বছরই নানা অজুহাতে পেঁয়াজের দাম বাড়িয়ে দেয়। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এ কারণে দেশের আমাদানিকরকেরা বার্মাসহ বিভিন্ন দেশ থেকে পেঁয়াজ আমদানি শুরু করেছে।

এদিকে, দেশে নতুন পেঁয়াজ ওঠতে শুরু করেছে। সেই সঙ্গে ভারতও পেঁয়াজের দাম কমিয়ে দিয়েছে। বর্তমানে বার্মার পেঁয়াজ পুরোপুরি বাজার দখল করে রেখেছে। এরই প্রভাব পড়েছে বাজারে পেঁয়াজের দামে। বাজারে প্রতি কেজি ভারতীয় পেঁয়াজ ২৮ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

এদিকে হিলিস্থল বন্দরে পেঁয়াজ ক্রয় করার জন্য পাইকার ব্যবসায়ী প্রায় নেই বলা যায়।

পাইকারি ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, আগে প্রতিদিন ১০ থেকে ২০ ট্রাক পেঁয়াজ কেনা হলেও বর্তমানে এক ট্রাক পেঁয়াজও কেনা হচ্ছে না।

যেহেতু পুরো দেশের বাজারে বার্মা ও অন্যান্য দেশের পেঁয়াজের দখলে রয়েছে। সে কারণে ভারতীয় পেঁয়াজের চাহিদা নেই।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩, ২০২১ ১০:১৭ পূর্বাহ্ন
বাগাতিপাড়ায় কম্বাইন্ড হারভেস্টর ও কৃষি প্রণোদনা প্রদান
কৃষি বিভাগ

নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার ৫৬০ জন কৃষককে রবি মৌসুমের দুইটি শস্য আবাদে কৃষি প্রণোদনা এবং ভর্তুকি মূল্যে একটি কম্বাইন্ড হারভেস্টর প্রদান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার উপজেলার জিমনেশিয়ামে এ উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন সংসদ সদস্য মোঃ শহিদুল ইসলাম বকুল। উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা দেবী পাল সভা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন। উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মমরেজ আলী স্বাগত বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে বক্তারা বলেন, দেশে ক্রমবর্ধমান জনসংখ্যার খাদ্য চাহিদা পূরণে উৎপাদন বৃদ্ধির কোন বিকল্প নেই। কৃষি-বান্ধব বর্তমান সরকার কৃষি ও কৃষকের উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকদের বিভিন্ন মৌসুমের ফসল উৎপাদনে নিয়মিত প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে সরকার। সার ও সেচের জ্বালানির মূল্য কমানো হয়েছে, উন্নত বীজ সহজলভ্য করা হয়েছে, নতুন নতুন প্রযুক্তি সরবরাহ করছে, কৃষির যান্ত্রিকীকরণ করা হয়েছে। এসব কার্যক্রমের সুফল হিসেবে দেশ এখন বিপুল জনগোষ্ঠীর খাদ্য চাহিদা পূরণ করে খাদ্য উদ্বৃত্ত দেশে পরিণত হয়েছে।

অনুষ্ঠানে মোট ৫৬০জন নির্বাচিত ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে তাদের এক বিঘা করে জমি আবাদের প্রয়োজনী সরিষা ও খেসারী ডাল বীজ, সার ও আবাদের জন্যে আর্থিক সহায়তা প্রদান করা হয়। এছাড়া একজন আদর্শ কৃষককে পঞ্চাশ শতাংশ হ্রাসকৃত মূল্যে একটি কম্বাইন্ড হারভেস্টর প্রদান করা হয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ৩, ২০২১ ৯:৪০ পূর্বাহ্ন
মধু ও মৌমাছি বিষয়ক জাতীয় সম্মেলন:
কৃষি বিভাগ

সঠিক পদ্ধতিতে মধু আহরণ, সংগ্রহ ও বাজারতকরণ নিয়ে দ্বিতীয় জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করতে যাচ্ছে ‘মৌমাছি ও মধু’ সংগঠন। শুক্রবার (৫ নভেম্বর) রাজধানীর মিরপুর ডিওএইচএস পোপাইস প্লাস কনভেনশন হলে দুপুর ৩টায় অনুষ্ঠিত হবে এই সম্মেলন।

মধু বিষয়ক জাতীয় এ সম্মেলনে সরকারের সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, দেশের প্রথিতযশা মৌ গবেষক, লেখকসহ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন। তাছাড়া মধু বিষয়ক গবেষণাধর্মী বিশেষায়িত ম্যাগাজিনের প্রথম সংখ্যার মোড়ক উম্মোচন করা হবে।

জাতীয় এ সম্মেলনে মধু সংশ্লিষ্ট চাষি, গবেষক, ব্যবসায়ী ও ভোক্তাদের আসল মধু চেনার উপায়, সঠিক পদ্ধতিতে মধু সংগ্রহ ও বাজারজাতকরণ সম্পর্কে আলোকপাত করা হবে। মানসম্পন্ন পণ্য বাজারজাত করে সরকারের রাজস্ব সংগ্রহ নিশ্চিত করতে ব্যবসায়ীদের ট্রেড লাইসেন্স, ট্রেড মার্ক, বিএসটিআই, লাইসেন্স ও এর হালনাগাদ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য সরবরাহ করা হবে।

মৌমাছি ও মধু সংক্রান্ত বিভিন্ন গবেষণা ও তথ্য তুলে ধরতে ২০১৯ সালে ‘মৌমাছি ও মধু’ সংগঠন প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রায় সাত হাজার সদস্যের এ গ্রুপটি অনলাইন প্লাটফর্মের পাশাপাশি অফলাইনেও সক্রিয় ভূমিকা পালন করছে। প্রতিষ্ঠার পর থেকেই সংগঠনটি মৌমাছি ও মধু বিষয়ক প্রচলিত ভুল ধারণা দূর করার পাশাপাশি সংশ্লিষ্ট সবার মধ্যে নিবিড় সম্পর্ক গড়ে তুলতে বিভিন্ন সভা, সেমিনার, ওয়েবিনার ও জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন করে আসছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : নভেম্বর ২, ২০২১ ৫:২৩ অপরাহ্ন
চলনবিলে ধান কাটা শুরু
কৃষি বিভাগ

খাদ্যশস্যের ভাণ্ডারখ্যাত চলনবিলে আগাম জাতের বোনা ও রোপা আমন ধান কাটা শুরু হয়েছে। এতে স্থানীয় বাজারে কমতে শুরু করেছে চালের দাম। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষের মধ্যে স্বস্তি ফিরে আসছে।

চলনবিলের প্রসিদ্ধ চাল ও ধানের হাট চাঁচকৈড়, মির্জাপুর, কাছিকাটা, সলঙ্গা, আসামগঞ্জ, নওগাঁ, গুল্টা, বিনসাড়া, নিমগাছি, চান্দাইকোনা, তালগাছি, রণবাঘা, ধামাইচ হাট, বোয়ালিয়াসহ অর্ধশত হাট ঘুরে দেখা গেছে, সব ধরনের ধান ও চালের দাম কমতে শুরু করেছে।

জানা গেছে, চলনবিলের সিরাজগঞ্জের তাড়াশ, রায়গঞ্জ, উল্লাপাড়া ও শাহজাদপুর; পাবনার ভাঙ্গুড়া, চাটমোহর ও ফরিদপুর; নাটোরের সিংড়া, গুরুদাসপুর এবং নওগাঁর আত্রাই উপজেলায় চলতি বছর প্রায় ৮০ হেক্টর জমিতে বোনা ও রোপা আমন ধান চাষ হয়েছে। আর চলনবিল এলাকায় বর্ষা মৌসুমে জমিতে প্রচুর পলি পড়ায় জমি উর্বর হয়। ফলে আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়, এবারও তাই হয়েছে। এ অবস্থায় বিলপাড়ের মানুষের মধ্যে ধান কাটা উৎসবের আমেজ বিরাজ করছে।

তাড়াশের ধামাইচ হাটের ধানের আড়তদার কেরামত আলী জানান, রোববার পর্যন্ত চলনবিলে প্রতি মণ আব্দুল গুটি ধান এক হাজার ৪০০ থেকে এক হাজার ২০০, কাটারিভোগ ১৩০০ থেকে ১১০০, ব্রিআর-৫১ এক হাজার ১২৫ থেকে ৯৫০, ব্রিআর-২৯ এক হাজার ২৫০ থেকে এক হাজার ৫০ টাকায় নেমে এসেছে।

গুরুদাসপুরের চাঁচকৈড় হাটের চালের আড়তদার আয়নাল সরদার জানান, বর্তমানে খুচরা ও পাইকারি বাজারে চালের দাম কেজিতে পাঁচ থেকে আট টাকা কমেছে। বর্তমানে প্রতি কেজি কাটারিভোগ চাল ৬০ টাকার স্থলে ৫২, ৫৮ টাকার মিনিকেট ৫২ টাকা, ব্রিআর-২৯ ধানের চাল ৪৭ টাকার স্থলে ৪১ টাকা, মোটা চাল ৪৫ টাকার স্থলে ৩৮ টাকা ও নতুন সব ধরনের আমন ধানের চাল ৪০ টাকা থেকে ৪২ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

তাড়াশ বাজারের চালের আড়তদার লাবু হোসেন জানান, চলনবিলের হাটবাজারে সব ধরনের চালের দাম কেজিপ্রতি পাঁচ থেকে আট টাকা কমেছে। এ ছাড়া চলনবিলের ধান কাটা শেষ হলে ধান ও চালের দাম আরও কমবে।

স্থানীয় হোসেন আলী, দুদু ফকির, ওমেলা খাতুন, আহাদ আলীসহ অনেক শ্রমজীবী মানুষ বলেন, ‘ধান ও চালের দাম কমে আসায় তাদের মধ্যে স্বস্তি ফিরে এসেছে।’ তাড়াশের ইউএনও মেজবাউল করিম বলেন, চলনবিল খাদ্যশস্যের অন্যতম বড় উৎস। এখানে ধান কাটা শুরু হলে চালের বাজারে ইতিবাচক প্রভাব পড়ে। এ ছাড়া চালের দাম কমাতে সরকার নানা উদ্যোগ নিয়েছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop