৩:৫৮ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ১ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৫:১০ অপরাহ্ন
ইঁদুরের হাত থেকে ৩৬০ কোটি টাকার ফসল রক্ষা
কৃষি গবেষনা

গত বছর প্রায় ১ কোটি ১৯ লাখ ৮৪ হাজার ইঁদুর নিধনের মাধ্যমে প্রায় ৮৯ হাজার ৮৭৬ মেট্রিক টন ফসল রক্ষা করা সম্ভব হয়েছে। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩৬০ কোটি টাকা। ২০১৯ সালেও ইঁদুর নিধন অভিযানের মাধ্যমে প্রায় ১ কোটি ৪৭ লাখ ৯০ হাজার ইঁদুর নিধন করে ৩০০ কোটি টাকার ফসল রক্ষা করা হয়।

আজ রাজধানীর খামারবাড়ির আ.কা.মু গিয়াস উদ্দিন মিলকী অডিটরিয়ামে জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২১ ও ২০২০ সালের পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে তথ্যটি উঠে আসে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর প্রতি বছর মাসব্যাপি এ অভিযান পরিচালনা করে থাকে। ১০ নভেম্বর পর্যন্ত চলবে এ অভিযান। জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযান ২০২১ এর প্রতিপাদ্য ‘জাতীয় সম্পদ রক্ষার্থে, ইঁদুর মারি একসাথে’।

ইঁদুরের ব্যাপক ক্ষতি থেকে ফসলকে রক্ষা করার পাশাপাশি ইঁদুর নিধন কার্যক্রমকে আরো জোরদার করার আহবান জানান কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম। আজ জাতীয় ইঁদুর নিধন অভিযানের উদ্বোধনী ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহবান জানান।

তিনি বলেন, প্রতিনিয়ই ইঁদুর কৃষকের কষ্টার্জিত ফসলের কয়েকগুন নষ্ট করে থাকে। এ ক্ষতির পরিমান বছরে প্রায় ২ হাজার ৯০০ কোটি টাকা। উদ্ধুকরণের মাধ্যমে সম্মিলিতভাবে ইঁদুর নিধন করতে হবে। খাদ্য উৎপাদন বৃদ্ধি ও খাদ্য নিরাপত্তার জন্য ইঁদুর দমন করা অত্যন্ত জরুরী।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ এর সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল, সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ মনিরুল ইসলাম, বিনার মহাপরিচালক মফিজুল ইসলাম ও বাংলাদেশ সুগারক্রপ রিসার্চ ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক মোহাম্মদ আমজাদ হোসেন । স্বাগত বক্তব্য দেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের পরিচালক ড. মো. আবু সাইদ মিঞা। মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন উদ্ভিদ সংরক্ষণ উইংয়ের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ হাবিবুর রহমান। এ সময় কৃষি মন্ত্রণালয় ও অধীনস্থ সংস্থার উর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ২:৩৫ অপরাহ্ন
তরমুজের গুড উৎপাদনে সাড়া জাগিয়েছেন মৃত্যুঞ্জয়
কৃষি বিভাগ

খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ছোটবন্ড গ্রামের কৃষক মৃত্যুঞ্জয় মন্ডল কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় প্রথমবারের মত তরমুজের গুড় তোগুড় উৎপাদন করে তাক লাগিয়ে দিয়েছেন।

তিনি উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেনের সহযোগিতায় ২০১৯ সালে প্রথমবারের মত তরমুজ লাগিয়েছিলেন এবং পরপর তিন বছর তরমুজ চাষ করে এলাকায় সফল তরমুজ চাষী হিসাবে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

বরাবরই তরমুজ উচ্চ মূল্যের ফসল, তবে কিছু কিছু তরমুজ সাইজে কিছুটা ছোট হয় বা আকার আকৃতিতে কিছুটা কম থাকে, ফলে গ্রেডিং এ টেকে না, যা ক্যাট নামে পরিচিত। এগুলো বিক্রি হয়না এবং অনেক সময় মাঠেই থেকে যায়। কোন কোন সময় বৃষ্টিতে পঁচে এগুলোর দুর্গন্ধ সৃষ্টি হয়। মৃত্যুঞ্জয় ঐ সমস্ত ক্যাট নিয়ে কোন রকম মেশিন ছাড়া একেবারে দেশীয় প্রযুক্তি ব্যবহার করে তরমুজ কেটে এর লাল অংশ বের করে, নেট দিয়ে ছেঁকে জুস বের করে চুলায় জালিয়ে তোগুড় তৈরি করছেন। প্রাকৃতিক উপায়ে তৈরি এ গুড় অত্যন্ত সুস্বাদু এবং অনেক দিন সংরক্ষণ করা যায়।

মৃত্যুঞ্জয় জানান, তরমুজের রস মিষ্টি এবং পাতলা, এজন্য আমার মনে হয়েছিল এর থেকে গুড় করা সম্ভব এবং আমি শুরু করে সফল হয়েছি। আমি প্রায় তিন কেজি গুড় তৈরি করে আমি নিজে, পাড়া প্রতিবেশী, উপজেলা কৃষি অফিসার স্যারসহ অনেককেই খায়য়েছি। সকলে প্রশংসা করেছে। অনেকেই ৩০০ টাকা কেজি দরে কিনতে চেয়েছে। আগামীতে এর উৎপাদন আরও বৃদ্ধি করব।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোছাদ্দেক হোসেন জানান, এটি কৃষিতে এক দারুণ অর্জন। আমাদের দেশের গুড় শিল্প দিন দিন হারিয়ে যাচ্ছে। একদিকে তাল, খেজুর গাছের সংখ্যা অপরদিকে গাছির সংখ্যা কমে যাচ্ছে। ফলে অদূর ভবিষ্যতে গুড় শিল্প হুমকির দিকে চলে যাচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৯:১১ পূর্বাহ্ন
আগাম জাতের রোপা আমন কাটা নিয়ে ব্যস্ত জয়পুরহাটের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

খাদ্য উৎপাদনে উদ্বৃত্ত জেলা জয়পুরহাটে আগাম জাতের রোপা আমন ধান কাটা মাড়াই শুরু হয়েছে। ভালো ফলন পেয়ে কৃষকরাও খুশি। এতে কৃষকের পাশাপাশি দিনমজুররাও ব্যস্ত হয়ে উঠছেন ধান কাটা মাড়াই কাজে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, জেলায় চলতি ২০২১-২২ রোপা আমন চাষ মৌসুমে ৬৯ হাজার ৬৬০ হেক্টর জমিতে রোপা আমন চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করা হলেও চাষ হয়েছে ৬৯ হাজার ৬৬২ হেক্টর জমিতে। এরমধ্যে আগাম জাতের রোপা আমন ধান রয়েছে ৪ হাজার ৮শ হেক্টর। আগাম জাতগুলোর মধ্যে রয়েছে ব্রী ধান-৭৫, বিনা ধান ১৭, আগাম হাইব্রিড জাতের মধ্যে রয়েছে ধানি গোল্ড ও এরাইজ-৭০০৬ জাত।

এ গুলোর গড় উৎপাদন হচ্ছে হেক্টর প্রতি ৫ থেকে ৬ মেট্রিক টন। জেলার এবার মোট উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২ লাখ মেট্রিক টন চাল। এবার আষাঢ় মাসে বৃষ্টিপাত সন্তোষজনক পর্যায়ে থাকায় রোপা আমন চাষে তেমন কোন সমস্যা হয়নি। চলতি জুলাই দ্বিতীয় সপ্তাহের পর থেকে আমনের চারা রোপণ কার্যক্রম শুরু হলেও আগস্টের শেষ সপ্তাহে রোপণ কার্যক্রম শেষ হয় বলে জানায় কৃষি বিভাগ।

কৃষি বিভাগ জানায়, জয়পুরহাটে চলতি ২০২১-২২ মৌসুমে রোপা আমন চাষ সফল করতে ৩ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে বীজতলা তৈরি করা হয়েছে। জেলায় ২০২০-২০২১ মৌসুমে বোরোর বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি বিভাগের হিসেবে মতে জেলায় এবার বোরো চাল উৎপাদন হয়েছে সাড়ে ৩ লাখ মেট্রিক টন।

বোরো ধান কাটা মাড়াই শেষ করেই কৃষকরা রোপা আমন চাষে ঝাঁপিয়ে পড়ে। আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও অন্যান্য জাতের ধানও পাক ধরেছে। অক্টোবর মাসের প্রথম সপ্তাহ থেকে আগাম জাতের ধান কাটা শুরু হলেও আগামী নভেম্বর মাস থেকে সব জাতের ধান কাটা মাড়াই পুরো দমে শুরু হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ পরিচালক বাবলু কুমার সূত্রধর।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১১, ২০২১ ৯:০৩ পূর্বাহ্ন
কাদা জমিতে চলছে পেঁয়াজের চাষ
কৃষি বিভাগ

কৃষকরা যুগ যুগ ধরে পেঁয়াজ চাষ করে আসছে শীত মৌসুমে শুকনো মাটিতে। কিন্তু মেহেরপুরের চাষিরা তাদের চাষের ধরণ বদলিয়ে পেঁয়াজ ক্ষেতে আমন ধান আবাদের মতো কাদা তৈরি করে রোপণ করেছে পেঁয়াজের চারা। এ পদ্ধতিতে পেঁযাজের ফলন নিয়ে চিন্তিত হলেও হাল ছাড়েনি কৃষি বিভাগ ও উদ্যোমী চাষিরা।

গত ৪ বছর ধরে জেলায় কাদা জমিতে পেঁয়াজের চাষ হচ্ছে। শেষ পর্যন্ত কাদায় রোপণ করা পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। শুধু ফলনই নয়, নতুন পদ্ধতিতে চাষ করে বিঘাতে গড়ে ৫০ হাজার টাকা লাভবান করেছেন অনেকেই। আগামীতে এ পদ্ধতিতে পেঁয়াজ চাষ বাড়বে বলে আশা করছে কৃষি বিভাগ।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, দেশে উৎপাদিত পেঁয়াজে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে পেঁয়াজ উৎপাদনের উপর জোর দেয়া হয়েছে। সে লক্ষ্যে মেহেরপুর জেলায় এবার নতুন পদ্ধতিতে ২৫ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করা হয়। বারি পেঁয়াজ-৫ সহ বিভিন্ন জাতের পেঁয়াজ আবাদ করেছে চাষিরা।

জেলার মুজিবনগর উপজেলার সোনাপুর গ্রামের কৃষক ফিরোজ আহমেদ মাস্টার জানান- মুজিবনগরে শীতকালে ব্যাপক পেঁয়াজ চাষ হয়। তবে সেটি ভারতীয় বীজ থেকে উৎপন্ন ‘সুখ সাগর’ পেঁয়াজ। এ পেঁয়াজ বেশি দিন ঘরে রাখা যায় না। আবার সময় চাহিদা ও দাম না পাওয়ায় চাষিদের ক্ষতির মুখে পড়তে হয়। এবার ‘সুখ সাগর’ পেঁয়াজের পরিবর্তে কয়েকজন কৃষক গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ চাষ করে ভালো ফলন ও ভােলা দামে বিক্রি করে ওই জমিতেই আবার শীতকালীন পেঁয়াজের চাষ করছেন। পেঁয়াজ আবাদের এ ধারায় দেশের পেঁয়াজ সংকট দূর হবে বলে আশা করছেন অগ্রগামী এসব কৃষক।

মেহেরপুর সদর উপজেলার শুভরাজপুর গ্রামের কৃষক ওহাব আলী জানান- তিনি ৫ বিঘা বারি পেঁয়াজ -৫ নতুন পেঁয়াজের চাষ করেছেন। আবহাওয়া অনুকূল হওয়ায় এ পেঁয়াজ চাষে ঝুঁকি কম। নভেম্বর থেকেই এ পেঁয়াজ উত্তোলন করা যাবে বলে তিনি জানান। ফলে চাষিরা সারা বছর পেঁয়াজ চাষ ও সংরক্ষণ করতে পারবেন। এতে পেঁয়াজের ঘাটতি যেমন কমবে, তেমনি চাষিরাও সারা বছর ন্যায্য দামে পেঁয়াজ বিক্রি করতে পারবেন।

মেহেরপুর সদর উপজেলার ইছাখালি গ্রামের পেঁয়াজ চাষি গোলাম মোস্তফা জানান- ১৫বিঘা জমিতে গ্রীষ্মকালীন এ পেঁয়াজ চাষ করে লাভবান হয়েছেন। তিনি এবছর ২০ বিঘা জমিতে গ্রীষ্মকালীন পেয়াঁজের চাষ করেছেন। ৯৫ থেকে ১১০ দিনে এ পেঁয়াজ বিঘায় ১২০ থেকে ১৫০ মণ উৎপাদন হয়। গ্রীষ্মকালীন এ পেঁয়াজ প্রতি বিঘায় চাষ করতে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা খরচ হয়।
ওয়েভ ফাউন্ডেশনের প্রকল্প পরিচালক কৃষিবিদ নাসির উদ্দীন আহম্মেদ জানান- জেলায় বিভিন্ন চাষিদের মাধ্যমে ২৫ হেক্টর জমিতে বারী পেঁয়াজ-৫ আবাদ করা হয়েছে। ভালো ফলন হবে এবং চাষিরা লাভবান হবে।

মেহেরপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক স্বপন কুমার খাঁ জানান- নতুন পদ্ধতিতে পেঁয়াজ উৎপাদনে মেহেরপুর জেলা কৃষিতে যুগান্তকারী এক পরিবর্তনের মাইলফলক স্পর্শ করেছে। লাভ ও ফলনে কৃষকদের মাঝে ব্যাপক আগ্রহ বেড়েছে। আগামীতে এ জেলায় আরও বেশি পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজ চাষ হবে বলে আশাবাদ প্রকাশ করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৮:২৪ অপরাহ্ন
বরিশালে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

বরিশালে আঞ্চলিক কৃষি প্রযুক্তি সম্প্রসারণ কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ নগরীর খামারবাড়িতে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) উদ্যোগে এই সভার আয়োজন করা হয়। এত সভাপতিত্ব করেন ডিএই বরিশাল অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন আঞ্চলিক বীজ প্রত্যয়ন অফিসার চিন্ময় রায়, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলমগীর হোসেন, ডিএই ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএআরআই) প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. গোলাম কিবরিয়া, হর্টিকাল সেন্টারের উপপরিচালক মো. নজরুল ইসলাম, বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি) যুগ্ম পরিচালক ড. একেএম মিজানুর রহমান, বিএডিসির নির্বাহী প্রকৌশলী চঞ্চল কুমার মিস্ত্রী, বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) ভারপ্রাপ্ত ড. ছয়েমা খাতুন, কৃষি প্রশিক্ষণ ইনস্টিটিউটের (এটিআই) ঊর্ধ্বতন প্রশিক্ষক যুথিকা পাল, বাংলাদেশ সুগারক্রপ গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএসআরআই) ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা রতন কুমার গনপতি, বাংলাদেশ মৃত্তিকা সম্পদ উন্নয়ন ইনস্টিটিউটের (এসআরডিআই) বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা আশিক এলাহী, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক, আদর্শ কিষাণী মাকসুদা বেগম প্রমুখ। সভাপতির বক্তৃতায় তিনি বলেন, মৌসুমভিত্তিক কৃষিপরিকল্পনার ক্ষেত্রে সরকারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্যের প্রতি অবশ্যই গুরুত্ব দিতে হবে। তাই ফসলের উৎপাদনশীলতা বাড়ানো দরকার। পাশাপাশি প্রয়োজন পুষ্টি ও নিরাপদ খাদ্যের বিষয়েও নজর দেওয়া। তাহলেই আমরা সফলকাম হবো। অনুষ্ঠানে কৃষি সংশ্লিষ্ট সরকারি-বেসরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে ২০ জন কর্মকর্তা অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৪:৪৪ অপরাহ্ন
১৫ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

আগামী ১৫-২০ দিনের মধ্যে পেঁয়াজের দাম নিয়ন্ত্রণে আসবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক। তিনি বলেন, আমরা গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজের চাষ করেছি সেই পেঁয়াজ এবং আমদানিকৃত পেঁয়াজ আসার অপেক্ষায় রয়েছে।

রোববার (১০ অক্টোবর) সকালে গাজীপুরের বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের দুটি গবেষণাগার পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, পেঁয়াজ পঁচনশীল ও মজুদ রাখার তেমন কোনো ব্যবস্থা না নেই। তাই মৌসুমের শেষের দিকে দাম বেড়েছে, এটা কমে যাবে।

রপ্তানিকৃত কৃষিপণ্যে ভাইরাস ও জীবাণু পরীক্ষাগার সম্পর্কে মন্ত্রী বলেন, বিশ্ব বাজারে দেশের পণ্য রপ্তানিতে এ গবেষণাগার গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

শেষে বারি’র কেন্দ্রীয় গবেষণা পর্যালোচনা ও কর্মসূচি প্রণয়ন এক কর্মশালায় অংশ নেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক। এ সময়ে যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী জাহিদ আহসান রাসেল, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মহাপরিচালক ডক্টর মো. নাজিরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ১০, ২০২১ ৮:২৬ পূর্বাহ্ন
মরুর ফল চাষে লাখপতি স্কুল শিক্ষক
কৃষি বিভাগ

টানা দেড় বছর দাপ্তরিক প্রয়োজনীয় কাজ ছাড়া শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান বন্ধ ছিল। এ সময় বরিশালের মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলার আন্ধারমানিক ইউনিয়নের আজিমপুর গ্রামের স্কুলশিক্ষক হাসান মাহমুদ সাইদ (৪৫) চাষাবাদ করেছেন গ্রীষ্ফ্মকালীন ও মরুভূমির ফল তরমুজ ও বাঙ্গির।

দেখা যায়, সাইদ হাসান গত বছর ২৪ শতাংশ জমিতে মরুভূমির ফল আবাদ করে বিক্রির পর আড়াই লাখ টাকা লাভ করেছেন। এ বছর এক একর জমিতে আবাদ করে ১০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি। এসব ফলের বীজ বপনের ১৫ দিনের মধ্যেই ফুল ধরে এবং তিন মাসের মধ্যে ফলগুলো বিক্রয়যোগ্য হয়ে ওঠে। ১২ মাসই আবাদ করা যায় এসব ফলের।

এ ছাড়া তার খামারে আবাদ করা হয় বিদেশি জাতের ব্রোকলি (ফুলকপি), মিষ্টি মরিচ, লেটুস পাতা, রেডবিট (শালগম জাতীয়), টমেটো, আলুবোখারা, লবঙ্গ, ডুরিয়ান (মালয়েশিয়ান ফল) সাদা জাম, কমলাসহ দুষ্প্রাপ্য বিভিন্ন জাতের বিদেশি ফলের চারা। পাঁচটি মাছের ঘেরে আছে বিভিন্ন প্রজাতির মাছ।

হাসান মাহমুদ জানান, ১৯৯০ সালে এসএসসি পাসের পর কৃষি ব্যাংক থেকে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে তিনি মাছের ঘের করেন। এরপর আর পেছনের দিকে ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। এরই মধ্যে খামারের পরিধি বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫ একরে। ২০১০ সালে পাঁচটি ঘেরের চারপাশে কৃষিকাজ শুরু করেন। এ সব কাজের পাশাপাশি দর্শনে স্নাতকোত্তর ডিগ্রি অর্জন করেন। ১৯৯৬ সালে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক পদে যোগ দিয়ে পদোন্নতি পেয়ে প্রধান শিক্ষক হয়েছেন তিনি।

হাসান মাহমুদ সাইদ বলেন, গত বছর বরিশাল নগরীর একটি বীজ বিক্রির দোকানে তার পরিচয় হয় থাইল্যান্ডের চিয়াত তাই কোম্পানির (বীজ বাজারজাতকারী প্রতিষ্ঠান) এক বিক্রয়কর্মীর সঙ্গে। তার পরামর্শ ও বিনামূল্যে দেওয়া বীজে আরব দেশের সুস্বাদু ফল আবাদে আকৃষ্ট হন তিনি।

আন্ধারমানিক ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মামুন সরদার জানন, হাসান মাহমুদের খামারে কৃষি অধিদপ্তরের উদ্যোগে বিভিন্ন ধরনের ফল ও আখ এবং নানা প্রকার সবজির প্রদর্শনী করা হচ্ছে। আগ্রহী তরুণদের নিয়ে সেখানে প্রশিক্ষণ কর্মশালা করা হয়। এরই মধ্যে আন্ধারমানিক ইউনিয়নের দুই যুবক প্রশিক্ষণ নিয়ে নিজ নিজ বাড়িতে খামার গড়েছেন।

মেহেন্দীগঞ্জ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হারুন অর রশিদ জানান, অধিদপ্তরের বিভাগীয় ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা হাসান মাহমুদের খামার পরিদর্শন করেছেন। তার উদ্যোগ সর্ব মহলে প্রশংসিত হচ্ছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২১ ১১:২০ অপরাহ্ন
তরমুজ চাষে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন শিক্ষার্থী ছামিউল্লাহ
কৃষি বিভাগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা উপজেলার প্যারামেডিকেলের এক শিক্ষার্থী করোনাকালীন সময়ে পতিত জমিতে বিভিন্ন জাতের তরমুজ চাষ করে লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন ।

জানা গেছে, করোনা মহামারিতে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান দীর্ঘদিন বন্ধ ইউটিউবে কুমিল্লার এক তরমুজ চাষির গল্প শুনেন তিনি। পরে ওই চাষির সাথে যোগাযোগ করে তরমুজ চাষের পরামর্শ নেন তিনি। পরামর্শ অনুযায়ী চার জাতের তরমুজের চারা রোপণ করেন। এর মধ্যে ব্ল্যাক বেবি, গোল্ডেন ক্রাউন এবং বাংলাদেশি জাত মধুমালা এবং সুপার কিং অন্যতম। ফলন ভালো হওয়ায় লাখ টাকা আয়ের স্বপ্ন দেখছেন এই শিক্ষার্থী।

মো. ছামিউল্লাহ জানান, আমি প্রথমে ইউটিউবে কুমিল্লার এক তরমুজ চাষির গল্প দেখি। পরে ওনার সাথে যোগাযোগ করে কোথায় থেকে বীজ নিতে হবে সেটি জানলাম। পরে আমি ফোন করে বীজ এনেছি। আমি এখানে চার জাতের তরমুজ ব্ল্যাক বেবি, গোল্ডেন ক্রাউন এবং বাংলাদেশি জাত মধুমালা এবং সুপার কিং চাষ শুরু করি। আমার এই গাছগুলো সম্পূর্ণভাবে ফলন দিয়েছে। এখনও আমি বিক্রি শুরু করেনি। আশা করছি আগামী কয়েকদিনের মধ্যে বিক্রি শুরু করতে পারব।

তিনি জানান, প্রথমে যখন আমি চাষ করি তখন আমাকে অনেকেই না করেছিল কিন্তু বর্তমানে সবাই এসে আমার ফলন দেখছেন, পরামর্শ চাচ্ছেন। সবাই এখন অনেক খুশি। মাত্র ২৫ শতাংশ জমিতে তরমুজ আবাদ করেছি। আশা করছি প্রায় ১ লাখ টাকার ফল বিক্রি করতে পারব, বলেন তিনি।

কসবা উপজেলা উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. আমিনুল ইসলাম জানান, এই এলাকায় প্রথমবার তরমুজ চাষ করেছে ছামিউল্লাহ। আমরা তাকে বলেছি তার এই চাষাবাদ অব্যাহত রাখার জন্য। এতে করে কুটি এলাকায় অন্য কৃষকরা উৎসাহিত হবে। কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে আমরা বলেছি যখন যে পরামর্শ প্রয়োজন আমরা তাদেরকে দিয়ে যাব। কারণ পোকা মাকড়ের আক্রমণ সম্পর্কে তাদের কোনো ধারণা নেই। সে জন্য আমরা এসে তাদেরকে পরামর্শ দিয়ে যাচ্ছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৯, ২০২১ ৬:৫১ অপরাহ্ন
আমন ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় কৃষক
কৃষি বিভাগ

বোনা আমন ধানের শীষ বের হয়নি এখনও। এরই মধ্যে বিল থেকে নেমে গেছে বর্ষার পানি। ফলে ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছে চাটমোহরের কৃষক।

বিলে পানি থাকায় সাধারণত বোনা আমন ধান আবাদে সেচের প্রয়োজন হয় না। আশ্বিন মাসের মাঝামাঝি এসে বোনা আমনের শীষ বের হয়। কিন্তু এ বছর আশ্বিন মাসের শুরু থেকেই বিলের পানি কমতে থাকে দ্রুত এবং কয়েক দিনের মধ্যে ধানক্ষেত শুকিয়ে যায়। তাই ফলন বিপর্যয়ের আশঙ্কা করছেন পাবনার চাটমোহর উপজেলার বিল অধ্যুষিত চার ইউনিয়নের হাজারো কৃষক।উপজেলার হান্ডিয়াল, নিমাইচড়া, বিলচলন (আংশিক) এবং ছাইকোলা ইউনিয়নের (আংশিক) এলাকার বিলের পানি ইতোমধ্যে শুকিয়ে যাওয়ায় এসব এলাকার ধানক্ষেতও শুকিয়ে গেছে।

উপজেলা কৃষি অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে চাটমোহর উপজেলার ১১টি ইউনিয়ন ও একটি পৌরসভা এলাকায় ১১২০ হেক্টর জমিতে বোনা আমন ধানের চাষ হয়েছিল। বর্ষা শুরুর দিকে প্রয়োজনীয় বৃষ্টিপাত না হওয়ায় ৮৯০ হেক্টর জমির বোনা আমন নষ্ট হয়ে যায়। সে সময় কৃষকরা কাঁচা ধানগাছ কেটে গবাদি পশুর খাদ্য হিসেবে ব্যবহার করে। এরপর বর্ষার পানি দ্রুত নেমে যাওয়ায় আরও একদফা নষ্ট হলো ধান।

উপজেলার বরদানগর গ্রামের কৃষক রতন আলী জানান, চলতি বছর পাঁচ বিঘা জমিতে বোনা আমন ধান চাষ করেছেন। জমি চাষ, বীজ, সার, আগাছা পরিস্কার বাবদ ইতোমধ্যে বিঘ প্রতি খরচ গেছে চার হাজার টাকা করে। অথচ ধানের শীষ বের হওয়ার আগেই জমি শুকিয়ে গেল। ফলে পুরো লোকসানে পড়েছেন তিনি।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা এ এ মাসুম বিল্লাহ জানান, উপজেলার নিচু এলাকাগুলোতে ধলদীঘা, আজলদীঘা, জিরাশাইল, কালবোরনসহ স্থানীয় জাতের বোনা আমন ধানের চাষ হয়। অনিয়ন্ত্রিত বন্যার কারণে এ অঞ্চলের কৃষকরা প্রায়ই ক্ষতির শিকার হন। আর এবার বিলের পানি শুকিয়ে গিয়ে ক্ষতির মুখে পড়লেন তারা। তবে মাঝেমধ্যে বৃষ্টি হলে ধানের ফলন বিপর্যয় কিছুটা কমবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : অক্টোবর ৮, ২০২১ ২:৩৯ অপরাহ্ন
অসময়ে তরমুজ চাষে খরচের দ্বিগুণ লাভ করছেন চাষিরা
কৃষি বিভাগ

অসময়ে তরমুজ চাষ করে সফল হয়েছেন মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জের আদমপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল মতিন। পাত্রখোলা চা বাগানের প্রায় দুই বিঘা জমিতে প্রথমবারের মতো উচ্চ ফলনশীল তিন জাতের তরমুজ চাষ করেন তিনি। এখন মৌসুম না হলেও তার জমিজুড়ে শোভা পাচ্ছে হলুদ, কালো ও সবুজ ডোরাকাটা তরমুজ। তরমুজের ফলন ও দাম ভালো হওয়ায় বেশ লাভবান এই কৃষক।

আব্দুল মতিন জানান, তরমুজের তিন জাত ব্ল্যাক বেরি, মধুমালা এবং বাংলালিংক জাতের। ফলন খুবই ভালো হয়েছে। আর ফলন দেখে আমরা সবাই খুশি।

গবেষণায় সফলতার পর এবার মাঠ পর্যায়ে বাম্পার ফলন হয়েছে নতুন উদ্ভাবিত বারি-১ ও ২ জাতের তরমুজের। আধুনিক পদ্ধতি ব্যবহার করে বারোমাসী এ তরমুজ চাষে স্বাবলম্বী পটুয়াখালী কলাপাড়ার তিন কৃষক।

কৃষকরা জানান, এই তরমুজ আমরা এ পর্যন্ত তিনবার বিক্রি করেছি। এতে আমাদের যা খরচ হয়েছে তার চেয়ে দ্বিগুণ লাভ হয়েছে। তবে এখন যে পরিমাণ চাহিদা সে পরিমাণ দিতে পারছি না, জানালেন আরেক কৃষক।

২০১৫ সালে গবেষণা শুরু করে পাঁচ বছর পর দেশীয় এই নতুন জাত উদ্ভাবনে সফল হন কৃষি গবেষণা ইনিস্টিটিউটের পটুয়াখালীর লেবুখালী আঞ্চলিক উদ্যানতত্ত্ব গবেষণা কেন্দ্রের গবেষকরা।

এমন সফলতায় তরমুজ চাষে আগ্রহী হয়ে উঠছেন অনেক কৃষক। আর চাষীদের পরামর্শ ও সহযোগিতা দেয়ার কথা জানিয়েছে কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop