৪:৪৬ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ১৯ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ৭:৩৬ অপরাহ্ন
কানাইঘাট উপজেলার শ্রেষ্ঠ উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা আবুল হারিছ
কৃষি বিভাগ

সিলেট জেলার কানাইঘাট উপজেলার শ্রেষ্ঠ উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা মো:আবুল হারিছ।গত বুধবার বিকাল ৩ ঘটিকার সময় উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কার্যালয়ে এক সভায় মাঠ পর্যায়ে কার্যক্রমের উপর ভিত্তি করে তাঁকে নির্বাচন করা হয়।তিনি কানাইঘাট উপজেলার সাতবাঁক ইউনিয়নের দুইটি ব্লকের দায়িত্বে কর্মরত আছেন।

এছাড়াও খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষে কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার এর নির্দেশনায় সাতবাঁক ইউনিয়নে সমলয় চাষাবাদ সহ বিভিন্ন প্রকল্প বাস্তবায়ন করে যান্ত্রীকীকরনের মাধ্যমে কৃষিকে অনেক এগিয়ে নিয়ে গেছেন।

প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত থেকে তাঁর হাতে সম্মাননা ক্রেস্ট তুলে দেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট জেলার উপ-পরিচালক মো:সালাহ উদ্দিন । এ সময় উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সিলেট জেলার প্রশিক্ষণ কর্মকর্তা বিমল চন্দ সোম,কানাইঘাট উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা তানভীর আহমেদ সরকার ,কৃষি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা হায়দার আলী ও উপজেলায় কর্মরত সকল উপ-সহকারি কৃষি কর্মকর্তাবৃন্দ ।

এদিকে শ্রেষ্ট উপ সহকারি কৃষি কর্মকর্তা হিসাবে মো:আবুল হারিছ নির্বাচিত হওয়ায় শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়েছেন সিলেট জেলা আওয়ামীলীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক ও সাতবাঁক ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান মস্তাক আহমদ পলাশ,কানাইঘাট উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি পৌর মেয়র লুৎফুর রহমান,সাতবাঁক ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো:আব্দুল মন্নান,সাবেক ছাত্রনেতা এডভোকেট আব্দুল খালিক,সাতবাঁক ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ইউপি সদস্য আব্দুন নুর সহ কানাইঘাটের সচেতন নাগরিকরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ২:০৪ অপরাহ্ন
গোপালপুরে আনসার-ভিডিপি সদস্যদের মাঝে তাল গাছের চারা বিতরণ
কৃষি বিভাগ

এ কিউ রাসেল, গোপালপুর (টাঙ্গাইল) : টাঙ্গাইলের গোপালপুরে প্রাকৃতিক দুর্যোগ ও বজ্রপাতের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা এবং পরিবেশের ভারসাম্য ফিরে পেতে উপজেলার আনসার-ভিডিপি’র দলনেতা/দলনেত্রীদের মাঝে মহাপরিচালকের পক্ষ হতে বিনামূল্যে তাল গাছের চারা বিতরণ করা হয়।

উপজেলা আনসার-ভিডিপি কার্যালয় প্রাঙ্গণে ২২ সেপ্টেম্বর, বুধবার বিভিন্ন ইউনিয়নের দলনেতা ও দলনেত্রীদের মাঝে বিনামূল্যে ১৪টি তাল গাছের চারা বিতরণ করেন, ভারপ্রাপ্ত উপজেলা আনসার ভিডিপি কর্মকর্তা শামসুন্নাহার।

এসময় উপ-সহকারি কৃষি অফিসার মো. আবু কায়সার রাসেল, উপজেলা আনসার-ভিডিপি অফিসের প্রশিক্ষক মো. আব্দুল কদ্দুস, দলপতি মামুনুর রশিদ আকন্দ প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৪, ২০২১ ১০:০২ পূর্বাহ্ন
যশোরে আগাম সবজি চাষের বিপ্লব
কৃষি বিভাগ

যশোরে নানা রকমের সবজি বাজারজাতে চাষিরা ব্যস্ত সময় পার করছেন। দামও বেশি পাওয়ায় চাষিদের মুখে হাসি ফুটে উঠেছে। এখানকার উৎপাদিত সবজি স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ছড়িয়ে পড়ছে দেশর বিভিন্ন জেলায়। যশোর আঞ্চলিক কৃষি অফিস সূত্র জানিয়েছে, দেশের সবজির একটি বড় অংশ উৎপাদিত হয় যশোরে। গ্রীষ্মকালিন, আগাম শীতকালিন ও শীতকালিন এই তিন ভাগে বারো মাস সবজির চাষ হয়ে থাকে। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সবজির চাষ হয় যশোর সদর উপজেলার চুড়ামনকাটি, হৈবতপুর ও কাশিমপুর ইউনিয়নে। নতুন করে বাঘারপাড়া ও মণিরামপুরের কিছু এলাকা যোগ হয়েছে।

জানা যায়, যশোর সদর উপজেলায় আগাম শীতকালিন সবজির চাষ হয়েছে ২৮শ’হেক্টর। এরমধ্যে সবজি খ্যাত হৈবতপুর ইউনিয়নে ১৩শ’ ২৮ হেক্টর, চুড়ামনকাটি ইউনিয়নে ৪শ’ ২৫ হেক্টর ও কাশিমপুর ইউনিয়নে ২শ’ ৮৩ হেক্টর জমিতে আগাম শীতকালিন সবজির চাষ হয়েছে। এই এলাকার সবজির সুনামের পাশাপাশি ব্যাপক চাহিদাও রয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় কৃষি কর্মকর্তা জাকির হোসেন।

চুড়ামনকাঠি, আব্দুলপুর ছাতিয়ানতলা, শানতলা, নুরপুর, বাগডাঙ্গা, দোগাছিয়া, সাজিয়ালী, শ্যামনগর ও কমলাপুরস হৈবতপুর, তীরেরহাট, মানিকদিহি, মথুরাপুর, শাহাবাজপুর, মুরাদগড়, কাশিমপুর, বিজয়নগর, দৌলতদিহি, বালিয়াঘাট, ললিতাদাহ, বালিয়াডাঙ্গা, বেনেয়ালী, ডহেরপাড়া, লাউখালী, নাটুয়াপাড়াসহ বিভিন্ন মাঠ আগাম শীতকালিন সবজিতে ভরা। যেদিকে নজর যায় সেদিকেই দেখা মিলছে নানা প্রকারের সবজি ক্ষেতের। এর মধ্যে সিম মুলা, টমেটো, বাঁধাকপি, ফুলকপি, বেগুন,পটল, উল্লেখযোগ্য।

সবজি চাষি অনেকেই জানান, এবারের মৌসুমে সব ধরণের সবজিতে বাম্পার ফলন হয়েছে। বর্তমান বাজার মূল্য বেশি থাকায় তারা প্রতিদিনই সবজি বাজারজাত করছেন। গতবার বৃষ্টিপাতের কারণে আর্থিকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিলেন। কিন্তু এবার সময়োপযোগী আবহাওয়া ও পরিমান মতো বৃষ্টির কারণে ফলন হয়েছে। এখন বাজার দর ভালো হওয়ায় আগাম শীতকালিন সবজি চাষে এবার লাভবান হবেন বলে আশাবাদী।

যশোর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগের উপ-পরিচালক বাদল চন্দ্র বিশ্বাস জানান, যশোর সবজির জেলা হিসেবে সারা দেশে পরিচিত। এখানকার সবজির সুনাম অনেক। স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে তা ছড়িয়ে পড়ছে দেশ বিদেশের বাজারে। দুটি বেসরকারি সংস্থার মাধ্যমে প্রতিনিয়ত সবজি বিদেশ যাচ্ছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমানে গ্রীষ্মকালিন সবজির ভরা মৌসুম চলছে। চাষ হয়েছে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে। বাম্পার ফলন পেয়েছে। দামও পাচ্ছে অনেক। এতে চাষিরা আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছে। কিছু দিন পরেই আগাম শীত কালিন সবজির চাষ শুরু হবে। ৮ হাজার হেক্টর জমিতে চাষ করার লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। এরপর ১৬ হাজার হেক্টর জমিতে শীতকালিন সবজির আবাদ করবেন চাষিরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১ ১০:৫৮ পূর্বাহ্ন
আমন উৎপাদন নিয়ে শঙ্কায় ফরিদপুরের চাষিরা
কৃষি বিভাগ

হঠাৎ করে খুচরা বাজারে ইউরিয়া সারের দর বেড়ে যাওয়ায় কাঙ্খিত উৎপাদন নিয়ে শঙ্কিত ফরিদপুর জেলার চাষীরা। অথচ চলতি আমন ধান আবাদ মৌসুমে সরকারি লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে আবাদ হয়েছে ৬ হাজার হেক্টর বেশি। জেলা নয় উপজেলাতে মাসিক ইউরিয়া সারের চাহিদা তুলনায় সরবরাহ হয়েছে অর্ধেক। আর এ কারণে খুচরা বাজারের এর প্রভাব পড়তে পারে বলে জানিয়েছেন ব্যবসায়ীরা।

ফরিদপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক ড. হযরত আলী জানান, চলতি আমন মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা ছিল ৬৪ হাজার ৬৫০ হেক্টর। কিন্তু সেখানে আবাদ হয়েছে ৭০ হাজার ২৯৪ হেক্টর।চারা রোপনের সময় সার কিটনাশকের দাম স্বাভাবিক ছিল, কিন্তু কয়েক দিন হলো হঠাৎ করেই খুচরা বাজারে ইউরিয়ার সারের দর কিছু বেড়েছে। তবে এই দর বেশি দিন থাকবে না বলে জানান এই কর্মকর্তা।

তিনি আরও জানান, আমন মৌসুমে আগষ্ট মাসের ইউরিয়া সারের চাহিদা ছিল ৫ হাজার ২০০ মেট্রিক টন এবং সেপ্টেম্বর মাসের চাহিদা ৪ হাজার ৫০২ মেট্রিক টন। এর বিপরীতে সরবরাহ হয়েছে ৫ হাজার ৭০২ মেট্রিক টন।

চাষীরা জানান, ধানের উৎপাদন খরচ আগের যে কোনো সময়ে চেয়ে এখন বেশি, তারপর যদি সারের দর বাড়ে তাহলে আমরা (চাষীরা) ক্ষতিগ্রস্থ হবে।

সারের দর বৃদ্ধি প্রসঙ্গে বাংলাদেশ ফাটিলাইজার অ্যাসোসিয়েশনের ফরিদপুর শাখার সভাপতি আব্দুর সালাম বাবু বলেন, ডিলার পর্যায়ে সারের দর কম-বেশি হয়নি, তবে খুচরা বাজারে কিছুটা দর বেড়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২৩, ২০২১ ১০:২৮ পূর্বাহ্ন
মাল্টাবাগান করে সাফল্যের হাসি কুষ্টিয়ার ময়না খাতুনের
কৃষি বিভাগ

মাল্টা বাগান করে সাফল্য অর্জন করেছেন জেলার নারী উদ্যোক্তা ময়না খাতুন। বেশ কয়েক বছর ধরে কঠোর পরিশ্রম করে মাল্টা বাগান গড়ে তুলেছেন কুষ্টিয়ার ময়না খাতুন। জেলার ভেড়ামারা উপজেলার চাঁদগ্রাম ইউনিয়নের চন্ডিপুর এলাকার প্রবাসী আব্দুর রাজ্জাকের স্ত্রী ময়না। স্বামী প্রায় দুই যুগ দক্ষিণ ধরে দক্ষিণ কোরিয়ায় থাকলেও দেশে মাল্টা বাগান নিয়েই তার যত ব্যস্ততা। যদিও এই বাগান তৈরির ব্যাপারে স্বামীরও উৎসাহ রয়েছে।

জানা যায়, গাছে গাছে সবুজ পাতার আড়ালে ও ডালে ডালে ঝুলছে থোকায় থোকায় মাল্টা। বাতাসে মাল্টার টক-মিষ্টির গন্ধ। দুইজন শ্রমিক বাগান পরিচর্যায় ব্যস্ত। আর কোন গাছের পাতা ছিঁড়তে হবে গাছের গোড়া পরিষ্কার করতে হবে এসব নির্দেশনা দিচ্ছেন ময়না খাতুন। পুরো বাগানটি একটি সবুজ ছায়ায় ঘেরা। গেলো বছর ৩ লাখ টাকার মাল্টা বিক্রি করেছেন তিনি। এ বছর তার বাগানে বেশ অনেক মাল্টা ধরেছে। লাখ চারেক টাকার মাল্টা বিক্রি হবে বলে আশাব্যক্ত করেন তিনি।

মাল্টা বাগানেই কথা হয় ময়না খাতুনের সঙ্গে। তিনি বলেন, স্বামীর অনুপ্রেরণায় ২০১৭ সালে সিলেট থেকে ৫৭০টি বারি মালটা-১ এর চারা এনে ৬ বিঘা নিজের জমিতে মাল্টা বাগান গড়ে তুলি। বর্তমানে মাল্টার বাগান এখন দেখার মতো হয়েছে। কাক্সিক্ষত ফলও পেতে শুরু করেছি। কয়েক দিনের মধ্যেই বাগানের মাল্টা বিক্রি শুরু করবেন বলেও জানান তিনি।

তার বাগান থেকেই পাইকারি ব্যবসায়ীরা এসে কিনে নিয়ে যায় বলে বিক্রি করতে কোন ঝামেলাই হয় না। এছাড়াও তার বাগানে সিডলেস ও চায়না লেবু এবং কিছু লিচু গাছও রয়েছে। প্রতিকেজি মাল্টা ১১০ থেকে ১২০ টাকায় বিক্রি হয়ে থাকে। এছাড়াও অনেক দর্শনার্থীরা এই বাগান পরিদর্শনে আসেন। এতে তিনি আনন্দও পান। তবে, নারী হিসেবে তাকে সফল হতে অনেক বেগ পেতে হয়েছে। শুনতে হয়েছে নানান জনের নানান কথা। তবুও দমে যাননি তিনি।

নিজ প্রচেষ্টায় এগিয়ে গেছেন সামনের দিকে। এতোকিছুর পরেও একজন নারী হিসেবে ফলের বাগান গড়ে তোলা সেটি ছিলো অনেকটা দুঃসাহসের ব্যাপারও বটে। ভবিষ্যতে নারীদের উজ্জ্বীবিত হওয়ার জন্য কিছু করার ইচ্ছা রয়েছে বলেও জানান তিনি।

প্রায়ই দেখা যায় এই মাল্টা বাগান পরিদর্শনে অনেক দর্শনার্থী আসেন। তেমনি একজন দর্শনার্থী বিভাস চৌধুরীর সঙ্গে কথা হয়। তিনি বলেন, বাগানে এসে নিজ হাতে ফল পেড়ে খাওয়ার মজাই আলাদা। বাগান ঘুরে নিজের কাছে অনেক ভালো লাগে এবং তরতাজা গাছপাকা মাল্টাও কিনতে পাওয়া যায়।

উপজেলার উপসহকারি কৃষি কর্মকর্তা রাজিবুল গোলাম রাজন জানান, ‘মাল্টা একটি অর্থকরী ফসল। মাল্টা বারি-১ একটি উচ্চ ফলনশীল সুস্বাদু ফল। ময়না খাতুনের মাল্টার বাগানে আমি সবসময়ই নানান পরামর্শ প্রদান করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ভেড়ামারায় তার মতো এতোবড় মাল্টার বাগান আর নেই। তাকে কৃষি বিভাগের পক্ষ থেকে কেবল পরামর্শ প্রদান করেছি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক ড. হায়াত মাহমুদ জানান, একজন নারী হয়েও ময়না খাতুন এতো সুন্দর মাল্টা বাগান করে উপজেলাবাসীকে তাক লাগিয়ে দিয়েছে। তার বাগানে কোন প্রকার ক্ষতিকর কেমিক্যাল ব্যবহার করা হয় না। এমন সুন্দর বাগান এ অঞ্চলে মাল্টা উৎপাদনে অনেককেই উৎসাহিত করবে বলেও আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২২, ২০২১ ৫:৫১ অপরাহ্ন
খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর কালো জাতের ধান চাষে সাফল্যঃ
কৃষি গবেষনা

খাদ্য নিরাপত্তা এখন আর শুধু খাদ্যের পর্যাপ্ততাতেই সীমাবদ্ধ নয় বরং সুস্থ-স্বাভাবিক জীবনের জন্য সকলের চাহিদা ও খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী পর্যাপ্ত, নিরাপদ এবং পুষ্টিকর খাবারের নিশ্চয়তা। শস্যদানার বাইরের  স্তরে অবস্থিত ‘পিগমেন্ট’ হচ্ছে বিভিন্ন অ্যান্থোসায়ানিন যৌগের মিশ্রণ (Yawadio et al., 2007)। অ্যান্থোসায়ানিন হচ্ছে ফ্ল্যাভোনয়েড শ্রেণীর অন্তর্গত এবং উদ্ভিদে সহজলভ্য এক ধরনের রঞ্জক পদার্থ। সাদা বর্ণের চাউলের চেয়ে গাঢ় রঙিন  চাউলের শস্যদানায় লৌহ, পলিফেনল এবং অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বেশি থাকে।

এ বিষয়ে  সৈয়দ সাজিদুল ইসলাম ; সয়েল ওয়াটার এন্ড এনভায়রনমেন্ট ডিসিপ্লিন;  মাস্টার্স  ;বলেন, “গত ২-৩ বছর যাবত আমি এই কালো  জাতের ধান নিয়ে কাজ করছি , যেটা ২০১৯ সালে শেরপুর থেকে প্রথম ১৬-১৯ টা বীজ নিয়ে কাজ শুরু করেছিলাম , এটা নিয়ে পরে ধাপে ধাপে উপযোগিতা যাচাই চলে। এই ধান টা সাধারণত দক্ষিণ অঞ্চল এ চাষ হয়না । এই ধানটার নিউট্রিয়েন্ট কোয়ালিটি অনেকটাই উন্নত আমাদের প্রচলিত ধানগুলোর জাত থেকে । যেটার ফলন প্রতি হেক্টরে ৩.২ – ৩.৯ টন/হেক্টর । সাধারণত আমাদের প্রচলিত ধানগুলোর চেয়ে ফলন একটু কম হলেও নিউট্রিয়েন্ট কোয়ালিটি অনেক অনেক বেশি । যেহেতু বর্তমান সরকার ফুড কোয়ান্টিটির চেয়ে ফুড কোয়ালিটির দিকে বেশি মনোযোগ দিচ্ছে, এক্ষেত্রে এটি যুগান্তকারী হিসেবে গণ্য হতে পারে”।

স্বাস্থ্য উপকারিতা: ১. রঙিন চাউল  থেকে পৃথকীকৃত বিভিন্ন অ্যান্থোসায়ানিন যৌগ যেমন- সায়ানিডিন-৩-গ্লুকোসাইড, পেলারগনিডিন-৩-গ্লুকোসাইড ইত্যাদি অ্যালডোজ রিডাকটেজ ইনহিবিটরি অ্যাক্টিভিটি প্রদর্শন করে যা ডায়াবেটিস প্রতিরোধে সহায়তা করে (Yawadio et al., 2007)। ২. অ্যান্থোসায়ানিনযুক্ত কালো চাউল সম্বৃদ্ধ খাদ্যতালিকায় থাকলে তা রক্তের কোলেস্টেরল কমাতে সাহায্য করে। (Zawistowski et al., 2009) ৩. রঙিন চাউলের অ্যান্টিঅক্সিডেটিভ ক্ষমতা রয়েছে যা শরীরের রোগ প্রতিরোধ ও এনজাইমের এ্যাকটিভিটি কে বাড়ায় (Chung and Shin (2007) and Hiemori et al. (2009)) ৪. বাদামী চাউল ভিটামিন ও মিনারেলস এর গুরুত্বপূর্ণ উত্স। Meng et al (2005) অনুযায়ী কালো রঙের চাউলে আয়রন, জিংক, ক্যালসিয়াম, কপার এবং ম্যাঙ্গানিজ বেশি থাকে। ৫.কালো বর্ণের চাউলে আদ্রর্তা, প্রোটিন, লিপিড, ক্রূড ফাইবার এবং অ্যাশ এর পরিমাণ যথাক্রমে ৫.৯৬-৮.১৯, ৬.৬৩-৮.৪৬, ১.৪৪- ৩.৪৭, ০.১৬-০.৩৫, ১.৩৫-২.১৫ গ্রাম/১০০ গ্রাম (ডিবি)। চাউলের নমুনা গুলোতে আয়রন এবং পলিফেনল এর পরিসর যথাক্রমে ০.৯১-১.৬৬ মিলিগ্রাম/১০০ গ্রাম এবং ৫৮-৩২৯ মিলিগ্রাম জিএই/১০০ গ্রাম। পিগমেন্টেড রাইস বা কালো ধানের পুষ্টিগুণ নন-পিগমেন্টেড ( সাধারন) ধানের চেয়ে অনেক বেশি। পিগমেন্টেড রাইস বা কালো ধানে স্টার্চ ৮৬.৬৯%, অ্যামাইলোজ ২.১%, ক্রুড প্রোটিন ৮.৩১%, ক্রুড ফ্যাট ২.৬৭%, ক্রুড অ্যাশ ০.৫৯%, ক্রুড ফাইবার ০.৭৭% ময়েশ্চার কন্টেন্ট ১১.৭০% অন্যদিকে, নন- পিগমেন্টেড ধানে যথাক্রমে স্টার্চ ৯২.৬৬% অ্যামাইলোজ ০.৪%, ক্রুড প্রোটিন ৬.০৫%, ক্রুড ফ্যাট ০.৬৪%, ক্রুড অ্যাশ ০.৪৬%, ক্রুড ফাইবার ০.১৫%, ময়েশ্চার কন্টেন্ট ১২.৬৪%।

মোঃ আমিনুল খান

ক্যাম্পাস প্রতিনিধি, খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ৪:৫৫ অপরাহ্ন
বাগাতিপাড়ায় প্রণোদনার বীজ ও সার পেলেন শত কৃষক
কৃষি বিভাগ

নাটোর জেলার বাগাতিপাড়া উপজেলার ১০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষককে মাসকালাই ডাল চাষে প্রণোদনার বীজ ও সার দিয়েছে সরকার।

মঙ্গলবার বেলা ১১টায় উপজেলা পরিষদ প্রাঙ্গণে সুবিধাভোগী কৃষকদের হাতে এসব কৃষি প্রণোদনা হস্তান্তর করা হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাগাতিপাড়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অহিদুল ইসলাম গোকুল এবং সভা প্রধানের দায়িত্ব পালন করেন উপজেলা নির্বাহী অফিসার প্রিয়াংকা দেবী পাল।

উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অফিস সূত্রে জানা যায়, ২০২১-২২ অর্থ বছরে খরিপ-২ মৌসুমের কৃষি প্রণোদনা কর্মসূচির আওতায় উপজেলার ১০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের মাঝে উন্নত জাতের মাসকালাই বারী-৩ বীজ জনপ্রতি পাঁচ কেজি করে এবং জনপ্রতি ১০ কেজি করে ডিএপি সার ও পাঁচ কেজি করে এমওপি সার বিতরণ করা হয়েছে। প্রত্যেক কৃষক তাদের এক বিঘা জমিতে মাসকালাই ডাল আবাদ করবেন।

কৃষি পুনর্বাসন ও প্রণোদনা সংক্রান্ত উপজেলা কমিটির সভায় উপকারভোগী ১০০ ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক কৃষকের তালিকা চূড়ান্ত করা হয়।
প্রত্যেক কৃষক তাদের জমিতে উন্নত বীজের মাসকালাই ডাল আবাদ করে বিঘাপ্রতি অন্তত তিন মণ করে ফলন পাবেন বলে জানান উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ মোমরেজ আলী।

এরআগে উপজেলার নির্বাচিত কৃষকদের মাঝে সরকারের কৃষি প্রণোদনার নাবী পাটের বীজ, গ্রীষ্মকালীন পেঁয়াজ বীজ এবং সার ও পরিচর্যা ব্যয়ের অর্থ বিতরণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ৪:২৬ অপরাহ্ন
রংপুরের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ
কৃষি বিভাগ

আন্তর্জাতিক ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট (ইরি’র) সহযোগীতায় আরডিআরএস বাংলাদেশ বাস্তবায়িত Accelerated Genetic Gains in Rice Alliance (AGGRi) প্রকল্পের আওতায় রংপুর জেলার তারাগঞ্জ উপজেলায় বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষণ বিষয়ক কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

রোববার আলমপুর ফেডারেশন হল রুমে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

উক্ত প্রশিক্ষণে বীজ প্রত্যয়ন এজেন্সি, রংপুর জেলার জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার মো: খোরশেদ আলম প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত হয়ে অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ত¡ করেন আলমপুর ফেডারেশনের সদস্য মোছা: নূরজাহান বেগম। বিশেষ অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, তারাগঞ্জ উপজেলার উপসহকারী কৃষি অফিসার মো: মোজাম্মেল হক।

প্রশিক্ষণে আরডিআরএস বাংলাদেশ এর পক্ষে কৃষি অফিসার অনুপ কুমার ঘোষ আধুনিক জাতের বীজ উৎপাদন ও সংরক্ষনের গুরুত্বপূর্ণ্য বিষয়গুলো আলোচনা করেন। প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে বীজ উৎপাদন, রোগবালাই সহনশীল এবং উচ্চ ফলনশীল জাতের চাষ পদ্ধতি ও বাজারজাতকরণের বিভিন্ন আধুনিক পদ্ধতি ও ধাপসমূহ সম্পর্কে আলোচনা করেন এবং এই প্রকল্পের কার্যক্রমকে তিনি সাদুবাদ জানিয়ে আরডিআরএসকে ধন্যবাদ জানান।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন, বীজ উৎপাদনের কৃষকবৃন্দ, ফেডারেশনের কার্যনির্বাহী কমিটির সদস্য, আডিআরএস বাংলাদেশ এর ফিল্ড ফ্যাসিলিটেটর তাপস কুমার রায় সহ মোট ১৬ জন অংশগ্রহণকারী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২১, ২০২১ ১০:৫০ পূর্বাহ্ন
গাইবান্ধার কচু যাচ্ছে সারাদেশে
কৃষি বিভাগ

কচুর মুখি চাষ করে সাফল্য পেয়েছেন গাইবান্ধার চার উপজেলার কৃষকরা। কৃষি বিভাগের সহযোগিতায় এ জাতের কচু চাষ করে পরিবারের পুষ্টি চাহিদার পাশাপাশি আর্থিকভাবে লাভবান হচ্ছেন তারা। আর কচু প্রক্রিয়াজাত কাজে কর্মসংস্থানের সুযোগ হয়েছে শত শত নারীর।

গাইবান্ধা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী এ জেলায় এবার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে কচুর মুখি চাষ হয়েছে।

কৃষি বিভাগের হিসাবে গাইবান্ধার সাঘাটা, গোবিন্দঞ্জ, পলাশবাড়ী ও গাইবান্ধা সদর উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া কচুর মুখি চাষের উপযোগী। ধানসহ অন্য ফসলের চেয়ে কচুর মুখি চাষাবাদে খরচ কম। তাই ৪ উপজেলার মহিমাগঞ্জ, পবনাপুর, জামালপুর, কিশোরগাড়ি, গাইবান্ধার বোয়ালীসহ বেশ কয়েকটি ইউনিয়নের প্রায় ২ হাজার কৃষক এবার কচুর মুখি চাষ করেছেন।

ফলনও হয়েছে আগের চেয়ে অনেক ভালো। গাইবান্ধার পলাশবাড়ি উপজেলার আমলাগাছি গ্রামে গিয়ে দেখা যায়, বিস্তীর্ণ এলাকাজুড়ে সবুজ আর সবুজ কচু পাতা। কেউ কেউ দুহাত দিয়ে কচুর গোড়া ছিড়ে মাটির নিচ থেকে হাতড়িয়ে কচু উত্তোলন করছেন। আবার সেই কচু বাজারজাত করতে মাটি পরিষ্কার করছেন। তারপর পানিতে ধুয়ে বেপারীদের কাছে অথবা বাজারে বিক্রি করছেন।

গ্রামের কচু চাষি জহুরুল ইসলাম জানান, তার ৪ বিঘা জমিতে এবার কচু চাষ করেছেন। খরচ হয়েছে বিঘা প্রতি ১২ হাজার টাকা। কিন্তু বিঘা প্রতি কচু উৎপাদন হবে অন্তত ১০০ মণ। তা বিক্রি হবে অন্তত ৪০ হাজার টাকা। অল্প সময়ে ভালো লাভের কারণে তিনি আগামীতেও অন্য ফসলের পাশাপাশি কচুর চাষ করতে ভুলবেন না।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদ্প্তরের উপ-পরিচালক মো. মাসুদার রহমান জানান, চার উপজেলার উৎপাদিত কচু জেলার চাহিদা মিটিয়ে যাচ্ছে রাজধানী ঢাকা, নারায়নগঞ্জ, চট্রগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন জেলায়। এ ধরনের কচু চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ায় জেলায় কচু চাষ বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে অল্প খরচে লাভবান হওয়ার পাশাপাশি জেলার সবজি চাহিদা পুরণ হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : সেপ্টেম্বর ২০, ২০২১ ৪:৫৭ অপরাহ্ন
বরিশালে বিসিআইসির বাফার গোডাউন পরিদর্শন করলেন ডিএইর পরিচালক
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বাংলাদেশ কেমিক্যাল ইন্ডাস্ট্রিজ কর্পোরেশনের (বিসিআইসি)বাফার গোডাউন পরিদর্শন করলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক একেএম মনিরুল আলম।

তিনি আজ (২০ সেপ্টেম্বর) নগরীর বান্দ রোডে রাসায়নিক সারের মজুদ, উত্তোলন এবং সার্বিক অবস্থা প্রত্যক্ষ করেন। এ সময় ডিলারদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, সময়মত সার উত্তোলন করে তা অবশ্যই সরকারের নির্ধারিত মূল্যে বিক্রি করতে হবে। সারের ক্ষেত্রে যেন কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি না হয়। এমন পরিস্থিতিতে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

পরিদর্শনকালিন সময়ে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ডিএইর অতিরিক্ত পরিচালক মো. তাওফিকুল আলম, উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত, অতিরিক্ত উপপরিচালক (শস্য) সাবিনা ইয়াসমিন, বরিশাল সদরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. ফাহিমা হক, মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস প্রমুখ। পরে প্রধান অতিথি বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেশনের (বিএডিসি)সারের গুদাম পরিদর্শন করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop