১১:১৩ পূর্বাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৫, ২০২১ ৯:৩৯ পূর্বাহ্ন
আরবের সাম্মাম চাষে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন আজিজ
কৃষি বিভাগ

মরু অঞ্চলের ফসল হিসেবে পরিচিত সাম্মাম চাষ করে লাভবান হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন সদর উপজেলার ভাদসা ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের কৃষক আব্দুল আজিজ।

সরেজমিন সাম্মামের ক্ষেত ঘুরে দেখা যায়, অধিক পুষ্টি গুণাগুন সমৃদ্ধ মরু অঞ্চলের ফসল সাম্মামের জমিতে শেষ সময়ের পরিচর্যা চলছে। আগামী ১৫/২০ দিনের মধ্যে ওই ফসল বিক্রি করার উপযুক্ত হবে বলে জানান, কৃষক আব্দুল আজিজ।

বাণিজ্যিকভাবে ব্যাপক সম্ভাবনা থাকলেও স্থানীয়ভাবে এ ফসলের সঙ্গে কেউ পরিচিত নন। তাই ঢাকা থেকে আসা এক পার্টির নিকট এগুলো বিক্রি করা হবে।

স্থানীয় বেসরকারি উন্নয়ন সংস্থা ’ জাকস ফউন্ডেশনের’ কারিগরি সহায়তায় ৩৩ শতাংশ জমিতে এ প্রথম সাম্মাম চাষ করেছেন কৃষক আব্দুল আজিজ। ইংরেজিতে ’রক মেলন’ বলা হলেও একেক দেশে একেক নামে পরিচিত। বিশেষ করে মরু অঞ্চলের দেশগুলোতে এটি বেশি চাষ হয়ে থাকে।

রক মেলন, সুইট মেলন, মাস্ক মেলন, হানিভিউ মেলন, গালিয়া মেলন ও পার্সিয়ান মেলন নামে পরিচিত। সৌদি আরবে একে আরবীতে বলা হয় ’সাম্মাম’। দেখতে অনেকটা বেবী তরমুজের মতো তবে রং সাদাটে । খেতে তরমুজের মতো সুস্বাদু। ভেতরে অনেকটা দেশীয় বাঙ্গির মতো। বীজ রোপণ থেকে শুরু করে ৭০ থেকে ৭৫ দিনের মধ্যে ফসল তোলা যায়। ৩৩ শতাংশ জমিতে ১২‘শ বীজ রোপণ করা হয়েছে। প্রতিটি গাছে ২ টি সাম্মাম ধরলে ২৪‘শ পিস সাম্মাম পাওয়া যাবে এমন প্রত্যাশার কথা জানান, কৃষক আব্দুল আজিজ।

চাষ পদ্ধতিও তরমুজের মতো। মালচিং, মাচা তৈরি, সার- বীজ, সেচ ,লেবার খরচ সহ ৩৫ হাজার টাকা খরচ হলেও প্রায় এক লাখ টাকার সাম্মাম বিক্রি হবে বলে আশা করেন চাষি আব্দুল আজিজ।

রক মেলন বা সাম্মামে রয়েছে প্রচুর পরিমানে ক্যালসিয়াম, লৌহ ও ভিটামিন। সাম্মামে শতকরা ৯৫ ভাগ জলীয় অংশ থাকায় মানবদেহে পুষ্টির চাহিদা পূরণসহ শরীরকে শীতল রাখতে সহায়তা করে বলে জানান, জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ স ম মেফতাহুল বারি। জেলার ভাদসার গোপালপুর ও আক্কেলপুরের ভুতগাড়ি এলাকায় প্রায় ২ হেক্টর জমিতে এবার রক মেলন বা সাম্মাম চাষ হয়েছে বলেও জানান তিনি। জয়পুরহাটের মাটির গুণাগুণ অনুযায়ী এখানে বাণিজ্যিক ভাবে সাম্মাম চাষের সম্ভাবনা রয়েছে বলেও জানান, স ম মেফতাহুল বারি।-বাসস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ১১:৫৮ অপরাহ্ন
অল্প পুঁজিতে অধিক লাভে নালিম চাষে ঝুঁকছেন চাষিরা
কৃষি বিভাগ

মাগুরায় নালিম চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের। অল্প পুঁজি বিনিয়োগ করে অধিক মুনাফা পাওয়ায় মাগুরা চাষিরা এখন নালিম চাষের দিকে ঝুঁকছেন। কৃষি অফিসের তথ্যমতে মাত্র ৩০ দিনে একটি নালিম গাছ থেকে আয় হচ্ছে প্রায় এক হাজার টাকা। এতে কৃষকরাও খুব খুশি।

জেলা কৃষি বিভাগের সূত্রমতে, চলতি মৌসুমে মাগুরা সদরের ইছাখাদা, মুছাপুর, সত্যপুর, হাজরাপুর, হাজিপুর, নালিয়ালডাঙ্গি, শিবরামপুর ও নড়িহাটি গ্রামসহ মোট ১৬০ হেক্টর জমিতে নালিম চাষ হয়েছে। প্রতিটি ফল ৩ থেকে সাড়ে ৪ কেজি পর্যন্ত হয়ে থাকে। প্রায় ৩ মাসের জীবনকাল থাকায় খুব অল্প সময়ে কৃষকরা এটি বিক্রির মাধ্যমে নগদ অর্থ ঘরে তুলতে পারে। বর্তমানে বাজারে প্রতি পিস নালিম ১৫-২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে বলেও কৃষি বিভাগ জানিয়েছন।

মাগুরা সদরের ইছাখাদা গ্রামের রজব আলী মোল্যা জানান, রমজানে নালিমের বেশ চাহিদা রয়েছে। প্রতি ট্রাক নালিম ৬০ হাজার থেকে ৮০ হাজার টাকায় বিক্রি হচ্ছে, যেখানে গত বছর এক লাখ টাকার ওপরে বিক্রি করেছি। এ বছ্র ফলন ভালো না হলেও ভালই লাভ থাকবে বলে তিনি জানান।

মুছাপুর এলাকার একজন কৃষক, এ বছর ঘেরের আইলে এবং বসতবাড়ির আঙিনায় প্রায় ৫০টি বীজ বুনি। এবারে খরায় প্রত্যাশামতো ফলন হয়নি। এরই মধ্যে ৫০টির বেশি ফল বিক্রি করেছি। নালিম চাষাবাদে পরিচর্যা তেমন লাগে না। আমি নালিমের মাদায় জৈব সার ব্যবহার করেছি ।

কৃষি বিভাগ বলছে, নালিম একটি উচ্চমূল্যের ফসল। মাগুরার আবহাওয়া নালিম চাষের জন্য অনুকুল। ঘেরের আইলে সবজির পাশাপাশি এটা চাষ করলে কৃষক অত্যন্ত লাভবান হবেন। এটি সম্প্রসারণে আমরা কাজ করবো এবং আগামীতে এর আবাদ এলাকা আরও বৃদ্ধি পাবে বলেও জানাচ্ছেন কৃষি বিভাগ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ৭:৪৭ অপরাহ্ন
সরাইলে বাদীপক্ষের ফসল কেটে নিলো আসামিরা
কৃষি বিভাগ

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার সরাইলে জেল থেকে এসে রাতের আঁধারে বাদীপক্ষের জমির আধাকাঁচা ধান কেটে নিয়েছে হত্যা মামলার আসামিরা। এতে উভয়পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে।

উপজেলার কাটানিসার গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

জানা যায়, গত শনিবার দুপুরে গ্রামে অভিযান চালিয়ে পুলিশ আলী রহমান ও মজিবুর রহমান নামে দুই ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করেছেন। আধিপত্য বিস্তার, পূর্ব শত্রুতা, নির্বাচন ও জায়গা জমিকে কেন্দ্র করে কাটানিসার গ্রামের বর্তমান ইউপি সদস্য মিজান মিয়ার সঙ্গে অলি মিয়ার বিরোধ দীর্ঘদিনের। উভয়পক্ষ প্রায়ই সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। তাদের মধ্যে বাড়িঘর ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনাও ঘটেছে। সংঘর্ষে আহত হয়ে নিহত হয়েছেন আনোয়ারা বেগম নামে এক নারী।

বকুল মিয়াকে প্রধান আসামি করে ৯০ জনের বিরুদ্ধে আদালতে হত্যা মামলা দায়ের করা হয়। মামলার আসামী গ্রেপ্তারকৃত বকুল মিয়া ও মুজিবুর রহমান জামিনে বের হয়ে এসেই বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। তাদের নেতৃত্বে আসামিরা নিহত আনোয়ারো বেগমের দেবর বজলুর রহমানের ৫ কানি জমির আধাকাঁচা ইরি ধান গভীর রাতে কেটে নিয়ে গেছে।

ইউপি চেয়ারম্যান কাজল চৌধুরী জানান, তাদের সংঘাত সংঘর্ষের কারণে গত বছর গ্রামের লোকজন দুটি ঈদই করতে পারেনি। পরিবারের মহিলা ও শিশুরা অবর্ণনীয় কষ্ট ভোগ করেছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ১০:৪৪ পূর্বাহ্ন
বোরোর আবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে নীলফামারীর চাষিরা
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় এবার নীলফামারী জেলায় লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে বেশি জমিতে বোরো আবাদ হয়েছে। সঠিক সময়ে মধ্যে বীজ, সার এবং সেচের ঘাটতি না হওয়ায় ফলনও হয়েছে ভালো। এতে কৃষকদের মুখে যেন ফুটে আছে আনন্দের হাসি।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ দপ্তর জানায়, চলতি বছরে ৮১ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়। সেখানে আবাদ হয়েছে ৮১ হাজার ৫৩৫ হেক্টর জমিতে। গড় ফলন ধরা হয়েছে ৩ লাখ ৬৪ হাজার মেট্রিক টন চাল। আবহাওয়া অনুক’লে থাকায় সঠিক সময়ে চারা রোপণ, সেচ ও সার প্রয়োগের ফলে লক্ষ্যমাত্রার চেয়ে অধিক উৎপাদন হবে।

জেলায় অর্জিত ৮১ হাজার ৫৩৫ হেক্টরের মধ্যে জেলা সদরে ২৩ হাজার ৬৯০ হেক্টর, সৈয়দপুরে ৭ হাজার ৭০৫ হেক্টর, ডোমারে ১৩ হাজার ১৮৫ হেক্টর, ডিমলায় ১১ হাজার ১৬৫ হেক্টর, জলঢাকায় ১৪ হাজার ৬৬০ হেক্টর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় ১১ হাজার ১৩০ হেক্টর রয়েছে।

জেলা সদরের পঞ্চপুকুর ইউনিয়নের দিঘলটারী গ্রামের কৃষক আবুল কালাম বলেন, ‘এবার ৫ বিঘা জমিতে বোরো আবাদ করেছি। আবহাওয়া অনুক’লে থাকায় এবং সার, সেচের ঘাটতি না হওয়ায় প্রতি বিঘায় ২৫ থেকে ৩০ মণ ধানের আশা করছি। মাঠে ধান পেকেছে, এখন কাটার প্রস্তুতি নিচ্ছি।’

সদর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কামরুল হাসান জানান, ‘চলতি বোরো মৌসুমের শুরু থেকে কৃষি ভিাগের কর্মকর্তারা মাঠপর্যায়ে থেকে কৃষকদের পরামর্শ প্রদান করেছেন। এতে সময়ে চারা রোপণ, সার, সেচ প্রদান করতে পারায় ফল ভালো হয়েছে। আবহাওয় অনুক’লে থাকায় রোগবালাই কম হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ৫:৫৭ অপরাহ্ন
বরিশালে ভাসমান কৃষির ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে ভাসমান বেডে সবজি ও মসলা চাষ গবেষণা, সম্প্রসারণ ও জনপ্রিয়করণ প্রকল্পের আয়োজনে ভাসমান কৃষির আধুনিক প্রযুক্তির ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়।

আজ সোমবার(৩ মে) বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রে আয়োজিত অনুষ্ঠানে এ উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বরিশালের আঞ্চলিক কৃষি গবেষণা কেন্দ্রের (আরএআরএস) মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রফি উদ্দিন।

তিনি বলেন, ভাসমান কৃষিতে কোনো কীটনাশকের প্রয়োজন হয় না। পোকা দমনের জন্য জৈবিক পদ্ধতি ব্যবহার করলেই চলে। তাই ফসল থাকে নিরাপদ। আর এসব ফসল স্বাদে-গুণে অনন্য। তাই বাজারমূল্যও ভালো।

আয়োজক প্রতিষ্ঠানের প্রকল্প পরিচালক ড. মো. মোস্তাফিজুর রহমান তালুকদারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন আরএআরএস’র প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আলিমুর রহমান।

বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. মাহবুবুর রহমানের সঞ্চলনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. রফিকুল ইসলাম, এসএসও ড. আনওয়ারুল মোনিম, বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. রাজি উদ্দিন, এসও মো. মাহবুবুর রহমান, এসও স্মৃতি হাসনা, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ।

প্রশিক্ষণে বরিশালের বাবুগঞ্জ, উজিরপুর এবং আগৈলঝাড়ার ৩০ জন কৃষাণ-কৃষাণী অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২১ ৭:৫৭ অপরাহ্ন
লকডাউনেও কৃষি মন্ত্রণালয় ও মাঠ পর্যায়ের অফিস খোলা রয়েছে
কৃষি বিভাগ

চলমান লকডাউনেও খোলা রয়েছে জরুরি পরিষেবার সাথে সংশ্লিষ্ট কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহের অফিস। কৃষি মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে ও মাঠ পর্যায়ের বিশেষ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রয়েছে।
লকডাউনের শুরু থেকেই বোরো ধান কর্তনের জন্য কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ কৃষিযন্ত্র বিতরণ ও আন্ত:জেলা শ্রমিক পরিবহণে সহযোগিতা দেয়াসহ বিভিন্ন জরুরি কাজের জন্য খোলা রয়েছে অফিসগুলো। তাছাড়া, আউশের প্রণোদনা; সার,বীজ,কীটনাশক প্রভৃতি উপকরণ বিতরণের কাজও সুষ্ঠুভাবে চলমান আছে।
মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে অফিস খোলা রেখে জরুরি কার্যক্রম চলমান আছে। মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থাসমূহের মাঠ পর্যায়ের অফিসের সাথে প্রণোদনা, কৃষি উপকরণ ও ধান কাটাসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত সচিববৃন্দের নেতৃত্বে প্রতিদিন একটি করে টিম সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো: হাসানুজ্জামান কল্লোল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন।
পাশাপাশি, রোস্টারভিত্তিতে উপসচিবদের নেতৃত্বে একটি ‘মনিটরিং সেল’ সচিবালয়ে কাজ করে যাচ্ছে। এছাড়া, কৃষিমন্ত্রী এবং সিনিয়র সচিব নিয়মিতভাবে সংস্থাপ্রধানসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সাথে ভার্চুয়াল প্ল্যাটফর্মে জরুরি সভা করছেন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে যাচ্ছেন। অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের কাজ ও ই-নথির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও চলমান আছে। দপ্তরগুলোর মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও এর মাঠ পর্যায়ের জেলা-উপজেলা অফিসগুলো খোলা রয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ নিয়মিতভাবে অফিস করন। তিনি ও অধিদপ্তরের অন্যানা ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাবৃন্দ মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন।
কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি ও সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ে জরুরি প্রয়োজনে অফিস করার পাশাপাশি সরেজমিনে মাঠের কার্যক্রম পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন। করোনার ঝুঁকির মধ্যেও হাওরে বোরো ধানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার বিতরণ ও ধান কাটায় উৎসাহ দিতে ইতোমধ্যে তাঁরা হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের হাওরে ছুটে গিয়েছেন। এছাড়া, গাজীপুরে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করে দ্রুত ‘উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল’ ধানের জাত উদ্ভাবনের নির্দেশনা দিয়েছেন।
লকডাউনে এসব উদ্যোগের ফলে মাঠ পর্যায়ে ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপারের সর্বোচ্চ ব্যবহার, কৃষি উপকরণের সরবরাহ, হাওরে বোরো ধান কর্তন ও শ্রমিকের নির্বিঘ্ন যাতায়াত সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২১ ৭:২৬ অপরাহ্ন
করোনা ঝুঁকিতেও স্বাস্থ্যবিধি মেনে মাঠের কার্যক্রম অব্যাহত রেখেছে কৃষি মন্ত্রণালয়
কৃষি বিভাগ

করোনার ঝুঁকির মধ্যেও কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক ও সিনিয়র সচিব মো. মেসবাহুল ইসলাম মন্ত্রণালয়ে জরুরি প্রয়োজনে অফিস করার পাশাপাশি সরেজমিনে মাঠের কার্যক্রম পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন। একইসঙ্গে চলমান ‘লকডাউনে’ও খোলা রয়েছে জরুরি পরিষেবার সঙ্গে সংশ্লিষ্ট কৃষি মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর/সংস্থাসমূহের অফিস। এছাড়া কৃষি মন্ত্রণালয় সীমিত পরিসরে ও মাঠ পর্যায়ে বিশেষ করে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মাঠ পর্যায়ের অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা রয়েছে।

রোববার (২ মে) কৃষি মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, করোনার ঝুঁকির মধ্যেও হাওরে বোরো ধানের পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ, ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার, রিপার বিতরণ ও ধান কাটায় উৎসাহ দিতে ইতোমধ্যে হবিগঞ্জের বানিয়াচং ও কিশোরগঞ্জের মিঠামইনের হাওরে ছুটে গিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব।

এছাড়া গাজীপুরে ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট পরিদর্শন করে তারা দ্রুত ‘উচ্চ তাপমাত্রা সহনশীল’ ধানের জাত উদ্ভাবনের নির্দেশনা দিয়েছেন।

‘লকডাউনে’ এসব উদ্যোগের ফলে মাঠ পর্যায়ে ধান কাটার যন্ত্র কম্বাইন হারভেস্টার ও রিপারের সর্বোচ্চ ব্যবহার, কৃষি উপকরণের সরবরাহ, হাওরে বোরো ধান কর্তন ও শ্রমিকের নির্বিঘ্ন যাতায়াত সচল রাখা সম্ভব হয়েছে।

সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে আরও জানানো হয়, ‘লকডাউনের’ শুরু থেকেই বোরো ধান কর্তনের জন্য কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ কৃষিযন্ত্র বিতরণ ও আন্তঃজেলা শ্রমিক পরিবহনে সহযোগিতা দেওয়াসহ বিভিন্ন জরুরি কাজের জন্য খোলা রয়েছে অফিসগুলো। তাছাড়া আউশের প্রণোদনা, সার, বীজ, কীটনাশক প্রভৃতি উপকরণ বিতরণের কাজও সুষ্ঠুভাবে চলমান আছে।

মন্ত্রণালয়ে স্বাস্থ্যবিধি মেনে সীমিত আকারে অফিস খোলা রেখে জরুরি কার্যক্রম চলমান আছে। মন্ত্রণালয়ের অধীন বিভিন্ন দপ্তর/সংস্থাসমূহের মাঠ পর্যায়ের অফিসের সঙ্গে প্রণোদনা, কৃষি উপকরণ ও ধান কাটাসহ প্রয়োজনীয় বিষয়ে সমন্বয়ের জন্য অতিরিক্ত সচিবদের নেতৃত্বে প্রতিদিন একটি করে টিম সচিবালয়ে দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। অতিরিক্ত সচিব (সম্প্রসারণ) মো. হাসানুজ্জামান কল্লোল সমন্বয়কের দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি রোস্টার ভিত্তিতে উপ-সচিবদের নেতৃত্বে একটি ‘মনিটরিং সেল’ সচিবালয়ে কাজ করে যাচ্ছে।

এছাড়া কৃষিমন্ত্রী ও সিনিয়র সচিব নিয়মিতভাবে সংস্থাপ্রধানসহ মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তাদের সঙ্গে ভার্চ্যুয়াল প্ল্যাটফর্মে জরুরি সভা করছেন ও প্রয়োজনীয় নির্দেশনা প্রদান করে যাচ্ছেন। অগ্রাধিকারভুক্ত প্রকল্পসমূহ বাস্তবায়নের কাজ ও ই-নথির মাধ্যমে সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়াও চলমান আছে। দপ্তরগুলোর মধ্যে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর ও এর মাঠ পর্যায়ের জেলা-উপজেলা অফিসগুলো খোলা রয়েছে। অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. আসাদুল্লাহ নিয়মিতভাবে অফিস করছেন। তিনি ও অধিদপ্তরের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা মাঠ পর্যায়ে প্রয়োজনীয় পরিদর্শন অব্যাহত রেখেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২১ ৫:৫৩ অপরাহ্ন
ডিএই বরিশাল অঞ্চলের উপপরিচালক অদুদ খানের বিদায় সংবর্ধনা
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর (ডিএই) বরিশালের আঞ্চলিক কার্যালয়ের উপপরিচালক আবদুল অদুদ খানের ২৯ এপ্রিল চাকরিকাল শেষ হয়। এ উপলক্ষে বরিশালের খামারবাড়িতে বিদায় সংবর্ধনার আয়োজন করা হয়।

আনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ডিএই’র অতিরিক্ত পরিচালক মো. আফতাব উদ্দিন।

উদ্যান বিশেষজ্ঞ জি এম এম কবির খানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বরিশালের উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত, ঝালকাঠির উপপরিচালক মো. ফজলুল হক, পটুয়াখালীর উপপরিচালক একেএম মহিউদ্দিন, বরিশালের জেলা বীজ প্রত্যয়ন অফিসার ড. মো. নজরুল ইসলাম শিকদার, আাঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, মেট্টোপলিটন কৃষি অফিসার সোমা রানী দাস প্রমুখ।

দীর্ঘ চাকরিজীবনে সততা, নিষ্ঠা ও দায়িত্ববোধের জন্য বক্তারা তাঁকে ভূয়শী প্রশংসা করেন।

জনাব খান ১৯৬২ খ্রিস্টাব্দের ৩০ এপ্রিল পটুয়াখালীর বাউফল উপজেলার বাজেমহল গ্রামের এক সম্ভ্রান্ত মুসলিম পরিবারে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি ১৯৭৭ খ্রিস্টাব্দে বাউফল হাইস্কুল হতে এসএসসি পাশ করেন। এইচএসসি পাশ শেষে তিনি ১৯৮০-৮১ শিক্ষাবর্ষে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি হন।

অতঃপর শিক্ষাজীবন শেষ করে ১৩তম বিসিএসের মাধ্যমে কৃষি মন্ত্রণালয়ে চাকরিতে যুক্ত হন। প্রথমে ভোলার তজুমুদ্দিনের উপজেলা কৃষি আফিসে এসএমও হিসেবে যোগ দেন। পরে উপজেলা কৃষি অফিসার পদে পদোন্নতি পেয়ে ঝালকাঠি সদরে যোগদান করেন। ইতোপূর্বে কৃষি মন্ত্রণালয়ের একাধিক প্রতিষ্ঠানের গুরুত্বপূর্ণ পদে তিনি দায়িত্ব পালন করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২১ ৫:৪৬ অপরাহ্ন
এক মিষ্টি আলুর ওজন ১২ কেজি
কৃষি বিভাগ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁয়ে কৃষিজমিতে ১২ কেজি ওজনের একটি মিষ্টি আলুর ফলন হয়েছে। বৃহৎ আকারের আলু দেখে এলাকায় সাধারণ মানুষের মধ্যে চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে সোনারগাঁ উপজেলার পিরোজপুর ইউনিয়নের ভাটিবন্দ গ্রামে।

সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার ভাটিবন্দর এলাকার সৌখিন কৃষক সৈয়দ আলম তার দশ শতাংশ জমিতে কমলা সুন্দরী জাতের মিষ্টি আলুর লতা রোপণ করেন। আলুর লতা রোপণের ৭/৮ মাসের ব্যবধানে তার রোপণ করা জমিতে প্রায় ১২ কেজি ওজনের একটি মিষ্টি আলুর ফলন হয়েছে। এ ঘটনায় এলাকায় বেশ চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

কৃষক সৈয়দ আলম জানান, বাড়ি তৈরি করার জন্য ১০ শতাংশ একটি জমিতে মাটি ভরাটের পর সেই জমিতেই কৃষি অফিসের পরামর্শে আলু রোপণ করেছি। জমি থেকে আলু তোলার জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে প্রথমে নজরে আসলেও বুঝতে পারিনি এটি মিষ্টি আলু। পরে উৎসাহ নিয়ে আলুর চারিদিক থেকে মাটি সরানোর পর আমার চোখ ছানাবড়া হয়ে ওঠে। আনন্দে আমি চিৎকার করতে থাকি।

উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. তোফায়েল আহাম্মেদ জানান, গিনেস বুক অব ওয়ার্ল্ডের তালিকায় ৯ কেজি ওজনের একটি আলুর তালিকা রয়েছে। আর সোনারগাঁয়ের কৃষক সৈয়দ আলমের জমির মিষ্টি আলুর ওজন প্রায় ১২ কেজি। এই আলুর ওজনটি গিনেস বুকের তালিকায় অন্তর্ভুক্ত হওয়ার মতো।

সোনারগাঁ উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মনিরা আক্তার জানান, বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট থেকে আমরা আলুর যে লতা পেয়েছি তা থেকে দু-তিনটি আলু বড় হয়েছে। এটি আসলে ব্যতিক্রম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩০, ২০২১ ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
তীব্র গরমে নষ্ট হচ্ছে সবজি ক্ষেত!
কৃষি বিভাগ

সবজি নষ্ট হওয়ায় বিপাকে পড়েছেন ময়মনসিংহের কৃষকেরা।বোরো ধানের পর এবার তীব্র গরম ও তাপদাহে নষ্ট হচ্ছে কৃষকের সবজি ক্ষেত।

ময়মনসিংহ সদরের চর ঈশ্বরদিয়া গ্রামের কৃষক মিরাজ উদ্দিন ৪০ শতক জমিতে শসার আবাদ করেন। তবে তীব্র গরম ও তাপদাহে শসা ক্ষেত পুড়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। গাছে শসা আসার পরেই তীব্র গরম ও তাপমাত্রার কারণে শসাসহ গাছের পাতা মরে যাচ্ছে। পুরো ক্ষেতের একই অবস্থা।

কৃষক মিরাজ উদ্দিন জানান, দুই মাস আগে ৪০ শতক জমিতে শসার আবাদ করেন। আবাদ করতে তার প্রায় ৩৫ হাজার টাকার মতো খরচ হয়েছে। শসার ফলন ভালো হয়েছিল। কচি শসা গাছের ধরার পরই তীব্র গরম ও তাপদাহে শসাক্ষেত পুড়ে যাওয়ার মতো হয়ে দিন দিন নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। কচি শসা আর বড় হতে পারেনি। এখন ক্ষেত থেকে শসা তুলতে পারবে এমন অবস্থা নেই।

মিরাজ উদ্দিন আরও জানান, শসা বিক্রি করে খরচ বাদে আরও প্রায় ৪০ হাজার টাকা মুনাফা হতো। কিন্তু শসা নষ্ট হওয়ায় এখন লাভ তো দূরে থাক, খরচই উঠবে না বলে জানান তিনি।

একই এলাকার আলমগীর হোসেন জানান, মার্চ মাসের মাঝামাঝি সময়ে হঠাৎ গরম বাতাস এসে বোরোধানের ব্যাপক ক্ষতি করেছে। বোরো ধানের পাশাপাশি এলাকার সবজি ক্ষেতও নষ্ট হতে বসেছে। বর্তমানে সবজির ভালো দাম পাওয়ায় কৃষকরা লাভবান হয়েছিল, তবে সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক কৃমক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।

এদিকে কৃষি বিভাগের উপ-পরিচালক মতিউজ্জামান লাভলু জানান, তীব্র গরমে কিছু কিছু সবজি ক্ষেত নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। তবে কি পরিমাণ নষ্ট হয়েছে, বিষয়টি তার অজানা।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop