৭:২৭ পূর্বাহ্ন

বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৭, ২০২১ ৮:৪৪ অপরাহ্ন
কৃষি ও খামার যান্ত্রিকীকরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক বলেছেন কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্প বাংলাদেশের কৃষিক্ষেত্রে, কৃষি উন্নয়নে ও খামার যান্ত্রিকীকরণে নতুন দিগন্ত উন্মোচিত হবে।

মঙ্গলবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইনে ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে কৃষকের মাঝে ‘কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ বিভিন্ন কৃষিযন্ত্র’ বিতরণ উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় এ কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ১০-১৫ বছর আগেও বাংলাদেশের কৃষি ছিল সনাতন পদ্ধতির। চাষাবাদ, মাড়াইসহ সব কাজ মানুষকে শারীরিকভাবে করতে হতো। লাঙলে চাষ হতো। এখন যন্ত্রের মাধ্যমে জমি চাষ ও ফসল মাড়াই হচ্ছে। কিন্তু ধান কাটা ও রোপণ মানুষকে করতে হচ্ছে। এতে ফসল উৎপাদনে খরচ অনেক বেশি ও সময় সাপেক্ষ। সেজন্য বর্তমান সরকার ২০০৯ সাল থেকে গত ১২ বছর ধরে অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কৃষি যান্ত্রিকীকরণের উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে সারাদেশে ৫০% ও হাওর-উপকূলীয় এলাকায় ৭০% ভর্তুকিতে কৃষকদেরকে কৃষি যন্ত্রপাতি সরবরাহ করা হচ্ছে। এ প্রকল্পের মাধ্যমে কৃষিতে নতুন অধ্যায় সূচিত হলো। কৃষি যান্ত্রিকীকরণে বিপ্লব ঘটবে। বাংলাদেশের কৃষিও পশ্চিমা বিশ্বের শিল্পোন্নত দেশের কৃষির মতো উন্নত ও আধুনিক হবে।

কৃষিমন্ত্রী আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান সরকার কৃষিকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিচ্ছে। বর্তমানে কৃষিতে সরকারের মূল লক্ষ্য হলো কৃষিকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক করা। কৃষি যান্ত্রিকীকরণের মাধ্যমে কৃষিকে আধুনিকায়ন ও লাভজনক করতে সরকার নানা উদ্যোগ গ্রহণ ও বাস্তবায়ন করেছে। এই প্রকল্প হলো তার অনন্য উদাহরণ। এর মাধ্যমে কৃষি লাভজনক হবে ও গ্রামীণ মানুষের জীবনমানের উন্নয়ন ত্বরান্বিত হবে বলে আশা করা যায়।

উল্লেখ্য, ৩ হাজার ২০ কোটি টাকার ‘কৃষি যান্ত্রিকীকরণ’ প্রকল্পের মাধ্যমে ২০২০ -২১ অর্থবছর থেকে ২০২৫ সাল পর্যন্ত প্রায় ৫২ হাজার কৃষি যন্ত্রপাতি বিতরণ করা হবে। চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরে এ প্রকল্পের অধীনে সারা দেশে ৫০০টি উপজেলায় ১৬১৭টি কম্বাইন হারভেস্টার, ৭০১টি রিপার, ১৮৪টি রাইস ট্রান্সপ্লান্টারসহ মোট ৫ হাজার ৭৭৬টি বিভিন্ন ধরণের কৃষিযন্ত্র কৃষকের মাঝে বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে হাওরে ধান সফলভাবে কাটার জন্য ৫১০টি কম্বাইন হারভেস্টার ও ২৩১টি রিপার বিতরণ করা হচ্ছে।

অনুষ্ঠানে নেত্রকোনা থেকে ভার্চুয়ালি বক্তব্য রাখেন ও কৃষিযন্ত্র বিতরণ করেন সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো: আশরাফ আলী খান খসরু এমপি। মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব (পরিকল্পনা) ড. মো: আবদুর রৌফ, অতিরিক্ত সচিব (পিপিসি) মো: রুহুল আমিন তালুকদার, অতিরিক্ত সচিব (সার ব্যবস্থাপনা ও উপকরণ) মোঃ মাহবুবুল ইসলাম, মহাপরিচালক (বীজ) বলাই কৃষ্ণ হাজরা, অতিরিক্ত সচিব (নিরীক্ষা) মোঃ আব্দুল কাদের এবং কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো: আসাদুল্লাহ উপস্থিত ছিলেন। মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইড় থেকে যুক্ত হন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক মনিরুল আলম ও প্রকল্প পরিচালক বেনজীর আলম। এছাড়া, ১৩টি কৃষি অঞ্চলের ১৩টি উপজেলা থেকে প্রায় ৫ শতাধিক কর্মকর্তা ও কৃষক ভার্চুয়ালি উপস্থিত ছিলেন।

সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী মো: আশরাফ আলী খান খসরু বলেন, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে বর্তমান কৃষিবান্ধব সরকার কৃষিতে বিভিন্ন প্রণোদনা দিয়ে যাচ্ছে। এর ফলেই কৃষিতে আজকের সাফল্য অর্জিত হয়েছে। দেশ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছে। তিনি আরও বলেন, গত বছর সরকার দ্রুততার সাথে ভর্তুকির মাধ্যমে ধান কাটার যন্ত্র দিয়েছিল, ফলে হাওরের ধান সফলভাবে ঘরে তোলা সম্ভব হয়েছিল। সরকার এ বছরও কম্বাইন হারভেস্টার, রিপারসহ ধান কাটার যন্ত্র বিতরণ করছে। আশা করি, এবারও সফলভাবে ধান ঘরে তোলা যাবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ৬:৫৬ অপরাহ্ন
উজিরপুরে কৃষকের মাঝে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): কৃষিমন্ত্রীর ভার্চুয়ালী উদ্বোধনের অংশ হিসেবে বরিশালের উজিরপুরে উন্নয়ন সহায়তায় ভর্তুকিমূল্যে কৃষকের মাঝে কম্বাইন হারভেস্টার বিতরণ করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার(৬ এপ্রিল) উপজেলা কৃষি অফিস আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের (ডিএই) অতিরিক্ত পরিচালক মো. আফতাব উদ্দিন, উপপরিচালক হৃদয়েশ্বর দত্ত, উপজেলা নির্বাহি অফিসার প্রনতি বিশ্বাস, আঞ্চলিক কৃষি তথ্য অফিসার মো. শাহাদাত হোসেন, উপজেলা কৃষি অফিসার মো. তৌহিদ, উজিরপুর পৌরসভার মেয়র মো. গিয়াস উদ্দিন বেপারী, উপজেলা ভাইস-চেয়ারম্যান অপূর্ব কুমার বাইন, উপজেলা মহিলা ভাইস-চেয়ারম্যান সীমা রানী শীল, কৃষি প্রকৌশলী মো, মশিউর রহমান, কৃষি সম্প্রসারণ অফিসার প্রশান্ত হালদার, কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিক প্রমুখ। অনুষ্ঠান শেষে ২ জন কৃষক এবং ১ জন কৃষাণীর হাতে এ অত্যাধুনিক কৃষিযন্ত্রের চাবি তুলে দেওয়া হয়।

উল্লেখ্য, কম্বাইন হারভেস্টারের বাজার মূল্য ৩০ লাখ টাকা। কৃষকরা ভর্তুকি পেয়েছেন ১৪ লাখ টাকা। এ যন্ত্রের মাধ্যমে ধান কাটা এবং মাড়াই করলে শতকরা ৭০-৮০ ভাগ খরচ সাশ্রয় হয়। পাশাপাশি শ্রম ও সময় অনেক কম লাগে। সমন্বিত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে কৃষি যান্ত্রিকীকরণ প্রকল্পের আওতায় উপকূল ও হাওরাঞ্চলের জন্য ৭০% আর অন্যান্য এলাকায় ৫০% ভর্তুকিমূল্যে কৃষকের জন্য উন্নয়ন সহায়তার এ কার্যক্রম চলমান আছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৬, ২০২১ ১১:১১ পূর্বাহ্ন
নাটোরে বাড়ন্ত তরমুজ কুপিয়ে নষ্ট করেছে দুর্বৃত্তরা!
কৃষি বিভাগ

প্রায় তিন লাখ টাকা ঋণ নিয়ে বর্গা নেয়া সাত বিঘা জমিতে তরমুজের আবাদ করেছিলেন নাটোরে মাছেম আলী নামের এক চাষি। সেই চাষ করা বাড়ন্ত তরমুজ কুপিয়ে নষ্ট করেছেন কিছু দুর্বৃত্তরা। রোববার (৪ এপ্রিল) দিবাগত রাতে সদর উপজেলার বড়হরিশপুর ইউনিয়নের ভেদরার বিলে এ ঘটনা ঘটে। কৃষকের মাথায় নেমে আসে হতাশার চাপ।

সোমবার (৫ এপ্রিল) সকালে মাছুম খেতে গিয়ে দেখেন বড় সাইজের প্রায় ২০০ তরমুজ কুপিয়ে টুকরো টুকরো করে রাখা হয়েছে। উপড়ে ফেলা হয়েছে কিছু গাছ।

জানা যায়, চাষি মাছেম আলীর খেতের তরমুজগুলোর অধিকাংশই আকারে ছোট। বেশ কিছু তরমুজ পরিপক্ব হওয়ায় সেগুলো বাজারে বিক্রির চিন্তা করছিলেন তিনি। তবে বেশ কিছু দিন ধরে তরমুজগুলো চুরি হয়ে যাচ্ছিল। তাই তরমুজ রক্ষায় দিনরাত খেত পাহারা দেয়া শুরু করেন মাছেম আলীর ও তার পরিবারের সদস্যরা।

গত শুক্রবার (২ এপ্রিল) স্থানীয় দুই শিশু তরমুজ চুরি করার সময় হাতেনাতে ধরা পড়ে। বিষয়টি তাদের অভিভাবককে জানানো হয়। চুরির ঘটনা অভিভাবকদের জানানোয় দিয়ারভিটা গ্রামের কসাই শহিদ ও আক্কুর নেতৃত্বে একদল দুর্বৃত্ত গত শনিবার (৩ এপ্রিল) বিকেলে তরমুজ খেত থেকে ফেরার পথে মাছেম আলী ও তার ছেলে আমির হামজাকে মারপিট করে।

এ বিষয় স্থানীয় ইউপি সদস্যের মধ্যস্থতায় মীমাংসার কথা ছিল রোববার সন্ধ্যায়। কিন্তু কসাই শহীদ সালিশে আসবেন না বলে জানান। পরে মাছেম আলী নাটোর সদর থানায় অভিযোগ দাখিল করেন। ওই রাতে টং ঘরে বসে খেত পাহারা দিচ্ছিল মাছেম এবং তার বড় ছেলে সেলিম। হঠাৎ করে ৮-১০ জনের একটি দল ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করলে বাবা ও ছেলে পালিয়ে জীবন রক্ষা করে।

সোমবার বিকেলে ক্ষেতে গিয়ে দেখা যায় অশ্রুসজল চোখে বসে আছেন চাষি মাছেম আলী। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, ‘কারো সঙ্গে কোনো শত্রুতা নেই। অনেক কষ্ট করে দিনরাত শ্রম দিয়ে তরমুজ চাষ করেছি। এখন আমার সব শেষ হয়ে গেল। আমি এর বিচার চাই।’

‘জড়িতদের খুঁজে বের করার চেষ্টা চলছে বলে জানান স্থানীয় ইউপি সদস্য সোহেল রানা।

নাটোর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জাঙ্গাঙ্গীর আলম বলেন, এ ঘটনায় একটি লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ১০:৪৪ অপরাহ্ন
রেকর্ড পরিমাণ আলু উৎপাদন করেও বিপাকে চাষি!
কৃষি বিভাগ

লালমনিরহাটের চাষিরা আলু চাষ করে গত বছরের মত প্রচুর মুনাফার আশায় এবারও অধিকাংশ চাষি অন্যান্য ফসল না চাষ করে আলুই চাষ করেছে। তবে এবার ন্যায্য মুল্য আর আলু সংরক্ষণের পর্যাপ্ত জায়গা না থাকায় আলু চাষিদের কপালে চিন্তার ভাঁজ পড়েছে। আলু চাষিরা ভেবেছিল এবারও আলুতে প্রচুর লাভ হবে। কিন্তু সে আশায় গুড়ে বালি। তাই আলু নিয়ে বিপাকে চাষিরা।

জানা যায়, লালমনিরহাট জেলায় চলতি মৌসুমে রেকর্ড পরিমাণ আলুর উৎপাদন হয়েছে। এ জেলার মাটি ও আবহাওয়া আলু চাষের জন্য খুবই উপযোগী হওয়ায় প্রতি বছর এ অঞ্চলে প্রচুর পরিমাণে আলু উৎপাদিত হয়। এখানকার উৎপাদিত আলু স্থানীয় চাহিদা পূরণ করে প্রতিবছর দেশের বিভিন্ন স্থানে আলুর চাহিদা পূরণে সহায়ক ভূমিকা পালন করে আসছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় অন্যান্য ফসলের চেয়ে স্বল্প সময়ে আলু চাষ করে অধিক লাভবান হওয়ার ফলে এখানকার চাষীরা ধানের পর প্রধান অর্থকরী ফসল হিসেবে আলু চাষেই অধিক মনোযোগী হয়ে পড়ে।

একদশক পূর্বেও এ অঞ্চলে এভাবে আলুর চাষ করতে পারতো না কৃষকেরা। আগাম জাতের আলু চাষ করে অনেক কৃষক লাভবান হওয়ায় বর্তমানে কৃষকেরা আলু চাষে ব্যাপক মনোযোগী হয়েছেন। ইতঃপূর্বে এই এলাকার কৃষকেরা নিয়মনীতি না মেনে সনাতন পদ্ধতিতে আলু চাষ করায় তেমন লাভবান হতে পারেনি।

বর্তমানে সঠিক নিয়মে উন্নত পদ্ধতি প্রয়োগ করে আগাম জাতের ধান চাষের পর আবার ওই জমিতেই আলুর চাষ করে লাভবান হচ্ছেন কৃষকেরা। তাই আলু এখন এই এলাকার চাষীদের স্বপ্ন হয়ে দাঁড়িয়েছে। চলতি মৌসুমে সারের সংকট না থাকায় এবং সরকার সারের দাম কমানোর ফলে কৃষকদের মনে উৎফুল্লতা দেখা দিয়েছে এবং ব্যাপক হারে আলু চাষ হয়েছে।

চাষিরা নিজ নিজ স্বপ্ন পূরণে ব্যাপক হারে আলু চাষের জন্য কোমর বেঁধে নেমে পড়েন। গত বছরেও লালমনিরহাটে আলুর বাম্পার ফলন হয়েছিল, এবারও বাম্পার ফলন হয়েছে।

একজন কৃষক জানান, আলুর ব্যাপক ফলনের কারণে আলুর চাহিদা অনেকটা কমে গেছে। এক বিঘা জমিতে আলু চাষ করতে একজন চাষির প্রায় ৩৫ হাজার টাকা খরচ হয়। আর সেই আলু বাজারে বিক্রি করতে গেলে দাম হবে ২২ থেকে ২৫ হাজার টাকা। এতে প্রতি বিঘায় ১০ হাজার টাকা লোকসান হচ্ছে। আর তাই জমিতেই পঁচে যাচ্ছে কৃষকের আলু।

তিনি আরো বলেন , অতিরিক্ত সরবরাহের কারণেই আলুর বাজারদর তেমন ভাবে বাড়তেছে না, যার কারণে কৃষকরা তেমন একটা লাভের মুখ দেখতে পাচ্ছেনা।

লালমনিরহাট জেলার জন্য আলু একটি অত্যন্ত সম্ভাবনাময় ফসল। এবছর কৃষকদের আলু চাষে যথেষ্ট আগ্রহ দেখা যায় এবং জেলায় ৫ হাজার ৪০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষাবাদ হয়। তবে বাজারে সঠিক মুল্য আর আলু সংরক্ষনের পর্যাপ্ত জায়গায় না থাকায় আলু চাষিরা একটু চিন্তিত বলে জানান লালমনিরহাটে আলু ব্যাপক উৎপাদন সম্পর্কে অতিরিক্ত উপ-পরিচালক (শস্য) কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খামারবাড়ি কৃষিবিদ মোঃ শামসুজ্জামান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ১০:৩০ অপরাহ্ন
পাকুন্দিয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

পাকুন্দিয়া উপজেলায় কাল বৈশাখী ঝড়ে বোরোধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির পরিমান কম হলেও বাতাসের পরিমান ছিল তীব্র। প্রায় ১ ঘণ্টা স্থায়ী ছিল এ ঝড়। গরম বাতাসের পরিমান বেশী হওয়ায় বেশীর ভাগ ধান ক্ষেতের ফুল পড়ে যায়। উপজেলায় এ বছর চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ হাজার ২০০ হেক্টর জমি ।

রবিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ঝড় শুরু হয়।

ধানের ছড়া গুলো ইতোমধ্যে ফ্যাকাশে রং ধারণ করতে শুরু করেছে। কৃষকরা এবার আশঙ্কা করছেন যে চিটাধানের পরিমান বেশী হবে, আশানুরুপ ধান ঘরে তুলা সম্ভব হবে না। গ্রামের অনেক মানুষ এটাকে আল্লাহর গজব বলেও অভিহিত করছেন।

ঘাগড়া গ্রামের কৃষক মাহতাব উদ্দিন জানান-“করোনা মহামারির কারনে অর্থনৈতিকভাবে খুবই সম্যায় আছি। তারপরও ধার-দেনা করে জমিগুলোতে বোরো ধান আবাদ করেছি। এখন যদি সব ধান ধূরা (চিটা) হয়, তাহলে চলার মত আর কোন পথ আমার খোলা থাকবে না। না খেয়ে থাকতে হবে।”

কোদালিয়া গ্রামের কৃষক হাসিম মিয়া জানান ”সারা বছরে আমরা একটা ফসলের উপর নির্ভরশীল। আর সেটা হল বোরো। এই ফসলে যদি মাইর খাই, তাইলে আমি মইরা যামু।” উপজেলার চন্ডিপাশা,কোদালিয়া,ঘাগড়া,আজলদী ,সুখিয়া গ্রাম ঘুরে একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৩:৩৩ অপরাহ্ন
ডিসি-এসপিদের সহায়তা চেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের চিঠি
কৃষি বিভাগ

দেশের সকল জেলা প্রশাসক-ডিসি এবং পুলিশ সুপার-এসপিদের কাছে কৃষিপণ্য পরিবহন, কেনা-বেচা ও সরবরাহ কাজে সহযোগিতা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

রবিবার (৪ এপ্রিল) কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং উপজেলা কৃষি অফিসারদের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকার শর্ত সাপেক্ষে সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে রবিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১২টা পর্যন্ত সার্বিক কার্যাবলী বা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

নিষেধাজ্ঞার সময়কালে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে রাসায়নিক সার ও অন্যান্য কৃষিজাত পণ্য, উপকরণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের পণ্য পরিবহন ও কেনা-বেচায় যাতে কোনও ধরনের অসুবিধা না হয় এবং বোরো ধান কাটাজনিত কারণে আন্তঃজেলা কৃষি শ্রমিকের যাতায়াতে যেন বাধার সম্মুখীন না হয়, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সহযোগিতা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
‘লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পরিবহন-বিপণনে ক্ষতি হবে না’
কৃষি বিভাগ

লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো ক্ষতি হবে না। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রোববার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে। তাই এসব খাদ্যের উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো বাধা আসবে না।

সরকার ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনোভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এ বছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম এসময় বলেন, ‘ইলিশের উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।’

ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৫১ পূর্বাহ্ন
তরমুজ চাষে ভোলায় কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

তরমুজ চাষে এবার ভোলায় ফুটেছে কৃষকের মুখে হাসি। জেলাার চরে চরে দেখা যায় তরমুজ বেচা-কেনার দৃশ্য।বেপারিরা মাঠ থেকেই নিয়ে যাচ্ছে তরমুজ। আর এই তরমুজ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

জানা যায়, বিগত বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এবার লক্ষমাত্রার চেয়ে কম জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৫৫৬ হেক্টর জমিতে। লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৭২২ হেক্টর জমি। আবাদ কম হলেও ফলন ও দাম পেয়েছে বেশি।

চাষীরা জানাচ্ছেন, এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় মাঠ জুড়ে তরমুজের অসম্ভব দেখা যাচ্ছে। তরমুজে তেমন কোন পোকার আক্রমণ হয়নি। ফলন ভালো হয়েছে তাই তারা দামও পাচ্ছে ভালো। ড্রাগন ও পাকিজা জাতের তরমুজ চাষ করে তারা বেশ খুশি।

গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন জানান, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের কৃষি ইউনিটের আওতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা নিরাপদ ফসল উৎপাদনে তরমুজ চাষিদের মাঝে ফেরোমেন ফাদ, কালার ফাদ, ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈববালাই নাশক বিনামূল্যে বিভিন্ন চরে বিতরণ করা হয়েছে।

ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর কালেঙ্গার তরমুজ চাষি ইসুফ মাঝি জানান: তিনি ইতোমধ্যেই ৬৫ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছে। আরও প্রায় ১ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রির কথা চলছে।

চরের আরো দু‘জন কৃষক জানান: তারা বিগত সময়ে পোকার উপদ্রবে নানা ঔষধ দিয়েও ফল পাইনি। কিন্তু এবার গ্রামীন জন উন্নয়ন সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় উপকরণ সহায়তা পাওয়ায় রোগ বালাই থেকে তরমুজ ক্ষেত ছিলো মুক্ত। ফলন বেশ ভালো ও স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে চাষ করা হয়েছে। এখন কেবল তরমুজ তোলা ও বিক্রির ধুম। মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বেপারিরা। খেত থেকে তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বরিশাল, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন জানান: বিগত বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তরমুজ চাষে কৃষকরা হারিয়ে ফেলেছিল সেজন্য এবার চাষ কম হয়েছে, তবে ফলন হয়েছে প্রচুর বাজার দামও পাচ্ছে ভালো।

স্থানীয়রা জানান, ভোলার তরমুজ মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় বিভিন্ন জেলায় এ তরমুজের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বেপারিরা মাঠ থেকে তরমুজ কিনে নৌকায় তুলে নিয়ে যাচ্ছে বরিশাল। কেউবা সড়ক পথে নিয়ে যাচ্ছে অন্যান্য জেলায়। চরের মধ্যে আকাবাকা ছোট ছোট খাল খুলেতে এখন তরমুজ ভরা সারি সারি নৌকা। কেউ নৌকায় তরমুজ তুলছে আবার কেউ নৌকা বেয়ে নিয়ে যাচ্ছে এক অপরুপ দৃশ্য চোখ জুড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ভিড় করেছে বাঙ্গির নৌকাগুলোও।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ১০:১৩ অপরাহ্ন
নড়াইলের ৩ উপজেলায় ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ
কৃষি গবেষনা

নড়াইলের ৩ উপজেলা তথা নড়াইল সদর,লোহাগড়া এবং কালিয়া উপজেলায় এবার গমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ৩ উপজেলায় মোট ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। আবাদকৃত জমিতে উচ্চফলনশীল বারি গম-৩০, ৩২ ও ৩৩ জাতের গমের চাষ হয়েছে বেশি। এছাড়া বারি গম-২৫,২৬,২৭,২৮ ও প্রদীপ জাতের গমেরও চাষ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার জানান, এ পর্যন্ত জেলার ৩ উপজেলায় চাষকৃত ৯৫ শতাংশ জমির গম কাটা হয়েছে।বাকি জমির গম কাটা আগামী দু থেকে তিন দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৩ উপজেলায় ২হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫শ’৬ মেট্রিক টন। গমের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরাও প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আগ্রহ সহকারে গমের চাষ করেছেন।

গত বছর থেকে এ বছর ৩শ’১৯ হেক্টর বেশি জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। গম চাষে তেমন কোন খরচ নেই।সামান্য সেচের প্রয়োজন হয়।এ কারণে অনেক চাষি প্রতি বছর গম চাষে মনোযোগী হচ্ছেন-এমনটাই বলেছেন কৃষি কর্মকর্তারা। লাভজনক হওয়ায় অনেক প্রান্তিক ও বর্গাচাষি অর্থকরী এ ফসল চাষে দিন দিন ঝুঁকে পড়ছেন বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নড়াইলের ৩ উপজেলায় মোট ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে নড়াইল সদর উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ১হাজার ৮০হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩হাজার ৮শ’৮৮ মেট্রিক টন।লোহাগড়া উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ৬শ’ ১৫হেক্টর জমিতে।
উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২হাজার ২শ’ ১৪ মেট্রিক টন এবং কালিয়া উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ৩শ’৯০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১হাজার ৪শ’ ৪ মেট্রিক টন। আবাদকৃত জমিতে উচ্চফলনশীল বারি গম-৩০, ৩২ ও ৩৩ জাতের গমের চাষ বেশি হয়েছে। এছাড়া বারি গম-২৫,২৬,২৭,২৮ ও প্রদীপ জাতের গমের চাষ হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

গমের ভালো ফলনের লক্ষ্যে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে গম চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।গম চাষে অন্য ফসলের তুলনায় খরচ কম। গমে পোকার আক্রমণ হয় না বললেই চলে।ফলনও বেশি। বাজারে গমের চাহিদা ব্যাপক থাকায় এ জেলায় গমের চাষ দিন দিন বাড়ছে বলে জানান নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
বোরো মৌসুমে কৃষকের স্বার্থে চাল আমদানি বন্ধের দাবি
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। নতুন চাল বাজারে আসতে আর মাত্র ১৫ দিন বাকি। তাই কৃষকের স্বার্থে চালের আমদানি বন্ধের দাবি খাত সংশ্লিষ্টের।

ক্রেতা স্বল্পতার ছাপ মিলছে রাজধানীর চালের বাজারে। কেননা মানভেদে ৬২ থেকে ৭০ টাকায় প্রতিকেজি চিকন চাল আর ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় মোটা চাল কিনতে হিমশিম অবস্থা ভোক্তাদের। আর নিম্ন আয়ের মানুষের চিত্র আরও করুণ।

খুচরা বিক্রেতার সাথে সুর মিলিয়ে মিল মালিকদের কারসাজিকে দোষারোপ করছেন ভোক্তারাও।

চালের বাজারের এই উর্ধ্বগতি, সরকারের সঠিক পরিকল্পনার অভাবের ফল, এমন মন্তব্য সাপ্লাইচেইন বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ মোহাম্মদ মুজিবুল হকের।

খাত সংশ্লিষ্টের মতে, কৃষকদের বাঁচাতে চালের বাজার স্থিতিশীল রেখে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে মনযোগ দিতে হবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায়।

টিসিবি’র তথ্যমতে, ১ বছরে চালের দাম বেড়েছে অন্তত ৪২ শতাংশ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop