১:২৯ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ১০:৩০ অপরাহ্ন
পাকুন্দিয়ায় কালবৈশাখী ঝড়ে বোরো ধানের ব্যাপক ক্ষতি
কৃষি বিভাগ

পাকুন্দিয়া উপজেলায় কাল বৈশাখী ঝড়ে বোরোধানের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। বৃষ্টির পরিমান কম হলেও বাতাসের পরিমান ছিল তীব্র। প্রায় ১ ঘণ্টা স্থায়ী ছিল এ ঝড়। গরম বাতাসের পরিমান বেশী হওয়ায় বেশীর ভাগ ধান ক্ষেতের ফুল পড়ে যায়। উপজেলায় এ বছর চলতি মৌসুমে বোরো আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১০ হাজার ২০০ হেক্টর জমি ।

রবিবার (৪ এপ্রিল) সন্ধ্যায় উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় এ ঝড় শুরু হয়।

ধানের ছড়া গুলো ইতোমধ্যে ফ্যাকাশে রং ধারণ করতে শুরু করেছে। কৃষকরা এবার আশঙ্কা করছেন যে চিটাধানের পরিমান বেশী হবে, আশানুরুপ ধান ঘরে তুলা সম্ভব হবে না। গ্রামের অনেক মানুষ এটাকে আল্লাহর গজব বলেও অভিহিত করছেন।

ঘাগড়া গ্রামের কৃষক মাহতাব উদ্দিন জানান-“করোনা মহামারির কারনে অর্থনৈতিকভাবে খুবই সম্যায় আছি। তারপরও ধার-দেনা করে জমিগুলোতে বোরো ধান আবাদ করেছি। এখন যদি সব ধান ধূরা (চিটা) হয়, তাহলে চলার মত আর কোন পথ আমার খোলা থাকবে না। না খেয়ে থাকতে হবে।”

কোদালিয়া গ্রামের কৃষক হাসিম মিয়া জানান ”সারা বছরে আমরা একটা ফসলের উপর নির্ভরশীল। আর সেটা হল বোরো। এই ফসলে যদি মাইর খাই, তাইলে আমি মইরা যামু।” উপজেলার চন্ডিপাশা,কোদালিয়া,ঘাগড়া,আজলদী ,সুখিয়া গ্রাম ঘুরে একই চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৩:৩৩ অপরাহ্ন
ডিসি-এসপিদের সহায়তা চেয়ে কৃষি মন্ত্রণালয়ের চিঠি
কৃষি বিভাগ

দেশের সকল জেলা প্রশাসক-ডিসি এবং পুলিশ সুপার-এসপিদের কাছে কৃষিপণ্য পরিবহন, কেনা-বেচা ও সরবরাহ কাজে সহযোগিতা চেয়ে চিঠি পাঠিয়েছে কৃষি মন্ত্রণালয়।

রবিবার (৪ এপ্রিল) কৃষি মন্ত্রণালয় থেকে দেশের সব বিভাগীয় কমিশনার, জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপ-পরিচালক, উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) এবং উপজেলা কৃষি অফিসারদের কাছে এই চিঠি পাঠানো হয়।

কৃষি মন্ত্রণালয়ের চিঠিতে বলা হয়, করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাব রোধে সরকার শর্ত সাপেক্ষে সোমবার (৫ এপ্রিল) সকাল ৬টা থেকে রবিবার (১১ এপ্রিল) রাত ১২টা পর্যন্ত সার্বিক কার্যাবলী বা চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরোপ করেছে।

নিষেধাজ্ঞার সময়কালে অত্যাবশ্যকীয় পণ্য হিসেবে রাসায়নিক সার ও অন্যান্য কৃষিজাত পণ্য, উপকরণ ব্যবসার সঙ্গে জড়িতদের পণ্য পরিবহন ও কেনা-বেচায় যাতে কোনও ধরনের অসুবিধা না হয় এবং বোরো ধান কাটাজনিত কারণে আন্তঃজেলা কৃষি শ্রমিকের যাতায়াতে যেন বাধার সম্মুখীন না হয়, সেই বিষয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ ও সহযোগিতা দিতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৫৭ পূর্বাহ্ন
‘লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম পরিবহন-বিপণনে ক্ষতি হবে না’
কৃষি বিভাগ

লকডাউনে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো ক্ষতি হবে না। এছাড়া করোনায় ও রমজানে মানুষের কাছে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম সহজলভ্য করার জন্য ভ্রাম্যমাণ বিক্রয়ের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

রোববার (৪ এপ্রিল) রাজধানীর সচিবালয়ে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষে জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহ ২০২১ উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, করোনা থেকে বাঁচতে হলে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে হলে শরীরের পুষ্টি ও আমিষের চাহিদা মেটাতে হবে। আর পুষ্টি ও অমিষসমৃদ্ধ খাবারের সবচেয়ে বড় যোগান মাছ, মাংস, দুধ, ডিম থেকে আসে। তাই এসব খাদ্যের উৎপাদন, পরিবহন ও বিপণনে কোনো বাধা আসবে না।

সরকার ইলিশের উৎপাদন বৃদ্ধিতে সব ব্যবস্থা গ্রহণ করছে জানিয়ে মন্ত্রী বলেন, ‘ইলিশ বেড়ে উঠার পথে কোনোভাবেই যাতে বাধা সৃষ্টি না হয় সেজন্য যা যা করা দরকার আমরা করবো। এ বছর জাটকা সংরক্ষণ সপ্তাহের কর্মসূচি ৪ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত পালন করা হচ্ছে। জাটকা আহরণ বন্ধকালে ইলিশ আহরণে জড়িতদের যাতে সমস্যা নয়, সেজন্য তাদের সহযোগিতা দেওয়া হচ্ছে। তাদের খাবারসহ অন্যান্য সমস্যা যাতে না হয় সেটাকে অত্যন্ত গুরুত্বের সাথে বিবেচনায় নিয়ে আমরা সহায়তা দেওয়া হচ্ছে।’

বাংলাদেশের মধ্যে সবচেয়ে ব্র্যান্ডেড এবং পৃথিবীর মধ্যে অন্যতম সেরা মাছ ইলিশ উল্লেখ করে শ ম রেজাউল করিম এসময় বলেন, ‘ইলিশের উৎপাদন অতীতের সব রেকর্ড অতিক্রম করেছে। ইলিশ উৎপাদনকারী দেশসমূহের মধ্যে আমরা প্রথম স্থানে রয়েছি। গত বছর আমাদের নজিরবিহীন দৃষ্টান্ত স্থাপন করা ইলিশ উৎপাদন হয়েছে। জাটকা রক্ষায় ও মা ইলিশ আহরণ বন্ধে জলে, স্থলে ও আকাশপথে বিভিন্নভাবে মনিটর করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।’

ইলিশ সংরক্ষণে শুধু মন্ত্রণালয় বা অধিদপ্তর নয়, সকলকে সম্পৃক্ত থাকতে হবে উল্লেখ করে মন্ত্রী বলেন, ‘গণমাধ্যমকে জনসচেতনতা বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখতে হবে। নৌপুলিশ, কোস্টগার্ড, পুলিশ, র‌্যাব, নৌবাহিনী, সংশ্লিষ্ট প্রশাসন এ ব্যাপারে সহযোগিতা করছে। এমন কি মৎস্যজীবী সম্প্রদায়ও আমাদের পাশে এসে দাঁড়াচ্ছে।’

অনুষ্ঠানে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সচিব রওনক মাহমুদ, অতিরিক্ত সচিব শ্যামল চন্দ্র কর্মকার ও মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক কাজী শামস্ আফরোজ উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৫, ২০২১ ৯:৫১ পূর্বাহ্ন
তরমুজ চাষে ভোলায় কৃষকের মুখে হাসি
কৃষি বিভাগ

তরমুজ চাষে এবার ভোলায় ফুটেছে কৃষকের মুখে হাসি। জেলাার চরে চরে দেখা যায় তরমুজ বেচা-কেনার দৃশ্য।বেপারিরা মাঠ থেকেই নিয়ে যাচ্ছে তরমুজ। আর এই তরমুজ যাচ্ছে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে।

জানা যায়, বিগত বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে এবার লক্ষমাত্রার চেয়ে কম জমিতে তরমুজের আবাদ হয়েছে ৫ হাজার ৫৫৬ হেক্টর জমিতে। লক্ষমাত্রা ধরা হয়েছিল ৭ হাজার ৭২২ হেক্টর জমি। আবাদ কম হলেও ফলন ও দাম পেয়েছে বেশি।

চাষীরা জানাচ্ছেন, এবার আবহাওয়া অনুকুলে থাকায় মাঠ জুড়ে তরমুজের অসম্ভব দেখা যাচ্ছে। তরমুজে তেমন কোন পোকার আক্রমণ হয়নি। ফলন ভালো হয়েছে তাই তারা দামও পাচ্ছে ভালো। ড্রাগন ও পাকিজা জাতের তরমুজ চাষ করে তারা বেশ খুশি।

গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থার নির্বাহী পরিচালক জাকির হোসেন মহিন জানান, পল্লী কর্ম-সহায়ক ফাউন্ডেশনের কৃষি ইউনিটের আওতায় গ্রামীণ জন উন্নয়ন সংস্থা নিরাপদ ফসল উৎপাদনে তরমুজ চাষিদের মাঝে ফেরোমেন ফাদ, কালার ফাদ, ভার্মি কম্পোস্ট ও জৈববালাই নাশক বিনামূল্যে বিভিন্ন চরে বিতরণ করা হয়েছে।

ভোলা সদর উপজেলার ভেলুমিয়া ইউনিয়নের চর কালেঙ্গার তরমুজ চাষি ইসুফ মাঝি জানান: তিনি ইতোমধ্যেই ৬৫ হাজার টাকার তরমুজ বিক্রি করেছে। আরও প্রায় ১ লক্ষ টাকার তরমুজ বিক্রির কথা চলছে।

চরের আরো দু‘জন কৃষক জানান: তারা বিগত সময়ে পোকার উপদ্রবে নানা ঔষধ দিয়েও ফল পাইনি। কিন্তু এবার গ্রামীন জন উন্নয়ন সংস্থা থেকে প্রয়োজনীয় উপকরণ সহায়তা পাওয়ায় রোগ বালাই থেকে তরমুজ ক্ষেত ছিলো মুক্ত। ফলন বেশ ভালো ও স্বাস্থ্য সম্মত ভাবে চাষ করা হয়েছে। এখন কেবল তরমুজ তোলা ও বিক্রির ধুম। মাঠ চষে বেড়াচ্ছেন বেপারিরা। খেত থেকে তরমুজ কিনে নিয়ে যাচ্ছেন বরিশাল, ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মুহাম্মদ রিয়াজ উদ্দিন জানান: বিগত বছরগুলোতে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে তরমুজ চাষে কৃষকরা হারিয়ে ফেলেছিল সেজন্য এবার চাষ কম হয়েছে, তবে ফলন হয়েছে প্রচুর বাজার দামও পাচ্ছে ভালো।

স্থানীয়রা জানান, ভোলার তরমুজ মিষ্টি ও সুস্বাদু হওয়ায় বিভিন্ন জেলায় এ তরমুজের চাহিদা রয়েছে প্রচুর। বেপারিরা মাঠ থেকে তরমুজ কিনে নৌকায় তুলে নিয়ে যাচ্ছে বরিশাল। কেউবা সড়ক পথে নিয়ে যাচ্ছে অন্যান্য জেলায়। চরের মধ্যে আকাবাকা ছোট ছোট খাল খুলেতে এখন তরমুজ ভরা সারি সারি নৌকা। কেউ নৌকায় তরমুজ তুলছে আবার কেউ নৌকা বেয়ে নিয়ে যাচ্ছে এক অপরুপ দৃশ্য চোখ জুড়িয়ে যায়। এর মধ্যে ভিড় করেছে বাঙ্গির নৌকাগুলোও।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ১০:১৩ অপরাহ্ন
নড়াইলের ৩ উপজেলায় ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ
কৃষি গবেষনা

নড়াইলের ৩ উপজেলা তথা নড়াইল সদর,লোহাগড়া এবং কালিয়া উপজেলায় এবার গমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ৩ উপজেলায় মোট ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। আবাদকৃত জমিতে উচ্চফলনশীল বারি গম-৩০, ৩২ ও ৩৩ জাতের গমের চাষ হয়েছে বেশি। এছাড়া বারি গম-২৫,২৬,২৭,২৮ ও প্রদীপ জাতের গমেরও চাষ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার জানান, এ পর্যন্ত জেলার ৩ উপজেলায় চাষকৃত ৯৫ শতাংশ জমির গম কাটা হয়েছে।বাকি জমির গম কাটা আগামী দু থেকে তিন দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৩ উপজেলায় ২হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫শ’৬ মেট্রিক টন। গমের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরাও প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আগ্রহ সহকারে গমের চাষ করেছেন।

গত বছর থেকে এ বছর ৩শ’১৯ হেক্টর বেশি জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। গম চাষে তেমন কোন খরচ নেই।সামান্য সেচের প্রয়োজন হয়।এ কারণে অনেক চাষি প্রতি বছর গম চাষে মনোযোগী হচ্ছেন-এমনটাই বলেছেন কৃষি কর্মকর্তারা। লাভজনক হওয়ায় অনেক প্রান্তিক ও বর্গাচাষি অর্থকরী এ ফসল চাষে দিন দিন ঝুঁকে পড়ছেন বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নড়াইলের ৩ উপজেলায় মোট ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে নড়াইল সদর উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ১হাজার ৮০হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩হাজার ৮শ’৮৮ মেট্রিক টন।লোহাগড়া উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ৬শ’ ১৫হেক্টর জমিতে।
উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২হাজার ২শ’ ১৪ মেট্রিক টন এবং কালিয়া উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ৩শ’৯০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১হাজার ৪শ’ ৪ মেট্রিক টন। আবাদকৃত জমিতে উচ্চফলনশীল বারি গম-৩০, ৩২ ও ৩৩ জাতের গমের চাষ বেশি হয়েছে। এছাড়া বারি গম-২৫,২৬,২৭,২৮ ও প্রদীপ জাতের গমের চাষ হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

গমের ভালো ফলনের লক্ষ্যে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে গম চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।গম চাষে অন্য ফসলের তুলনায় খরচ কম। গমে পোকার আক্রমণ হয় না বললেই চলে।ফলনও বেশি। বাজারে গমের চাহিদা ব্যাপক থাকায় এ জেলায় গমের চাষ দিন দিন বাড়ছে বলে জানান নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
বোরো মৌসুমে কৃষকের স্বার্থে চাল আমদানি বন্ধের দাবি
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। নতুন চাল বাজারে আসতে আর মাত্র ১৫ দিন বাকি। তাই কৃষকের স্বার্থে চালের আমদানি বন্ধের দাবি খাত সংশ্লিষ্টের।

ক্রেতা স্বল্পতার ছাপ মিলছে রাজধানীর চালের বাজারে। কেননা মানভেদে ৬২ থেকে ৭০ টাকায় প্রতিকেজি চিকন চাল আর ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় মোটা চাল কিনতে হিমশিম অবস্থা ভোক্তাদের। আর নিম্ন আয়ের মানুষের চিত্র আরও করুণ।

খুচরা বিক্রেতার সাথে সুর মিলিয়ে মিল মালিকদের কারসাজিকে দোষারোপ করছেন ভোক্তারাও।

চালের বাজারের এই উর্ধ্বগতি, সরকারের সঠিক পরিকল্পনার অভাবের ফল, এমন মন্তব্য সাপ্লাইচেইন বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ মোহাম্মদ মুজিবুল হকের।

খাত সংশ্লিষ্টের মতে, কৃষকদের বাঁচাতে চালের বাজার স্থিতিশীল রেখে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে মনযোগ দিতে হবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায়।

টিসিবি’র তথ্যমতে, ১ বছরে চালের দাম বেড়েছে অন্তত ৪২ শতাংশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ১:৩৫ অপরাহ্ন
তিস্তার চরে বাদাম তোলায় ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

রংপুর জেলার, গংগাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীতে মাইলের পর মাইল চর পরেছে। বন্যার পর চরের মাটিতে পলি জমায় মাটি র্উবর হওয়ায় অতিরিক্তি সার, সেচ, কীটনাশক দিতে হয় না। ফলে বীজ রোপণে তিন মাসের মধ্যেই বাদাম তোলা হচ্ছে। চরজুড়ে এখন বাদাম তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা।

রংপুরে উৎপাদিত বাদামের মান ভালো হওয়ায় প্রতি বছরই দশেরে বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে এখান থেকে বাদাম কিনে নিয়ে যায়। গংগাচড়া উপজেলার চর চিলাখাল, মানুষ খাওয়া, নেল্টা, মহিপুর, চালাপাক চরসহ বিভিন্ন চরে কৃষকেরা বাদামের চাষ করেছেন।

কাউনিয়া উপজেলার গড্ডিমারী চরের কৃষক দুলাল মিয়া জানান, গতবার চরের ৩ একর জমিতে বাদাম চাষ করতে সবমিলে খরচ হয়েছে ৪৮ হাজার টাকা। বিক্রি করেছি ২ লাখ টাকা। আশাকরছি এবার ৩ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো। কারণ এবার বাদামের বাজার বেশ চড়া।

মধুপুর চড়ের তাসলিমা জানান, গত বছর শখের বসে বাপ দাদার ১ একর জমিতে বাদাম চাষ করে বেশ লাভোবান হয়েছিলাম। এবার ৫ একর জমিতে বাদামের চাষ করেছি। বাদাম চাষে খুব একটা খরচ হয় না। অল্পতে বেশি লাভ। গত বছরের তুলনায় এ বছর বাদাম ভালো আছে। লাভও বেশি হবে বলে আশা করছি।

বাদাম চাষিরা জানান, প্রতি বছর অক্টোবর থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বাদামের বীজ লাগানো হয়। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময় জমি থেকে এই বাদাম তোলার কাজ শুরু হয়। বাদামের বীজ লাগানোর আগে চাষ দিয়ে মাটি সামান্য নরম করে নিতে হয়। আর মাঝে মধ্যে জমির আগাছা পরিস্কার করতে হয়।তারপর সারি করে লাগানো হয় বাদাম বীজ। তিস্তা নদীর চরের মাটি উর্বর হওয়ায় অতিরিক্ত সার, কীটনাশক ও সেচ দিতে হয় না। তিন মাসের মধ্যই বাদাম ঘরে তোলেন চাষিরা । তাই অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভে খুশি বাদাম চাষিরা।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে এ বছর রংপুর জেলায় ৩৯০ হক্টের জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে, গত বছর ছিল ২৫০ হক্টের জমিতে চাষ হয়েছিল। জেলায় এখন স্থানীয় জাতরে বভিনি নাম্নে বাদামরে চাষ হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহায়তায় জেলায় বাদাম চাষ সম্প্রসারণের জন্য কৃষকদের মাঝে বীজ, সার, কীটনাশকসহ নানা ধরনরে উপকরণ দেয়া হচ্ছে।

রংপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন জানান ,সরকারে পক্ষ থেকে প্রত্যেক বাদাম চাষীকে ১০ কেজি করে বীজ দেয়া হয়েছে। আর প্রণোদনা হিসাবে ১০০জনকে কৃষক কেডিএপি ১০ কেজি, ৫ কেজি সার, বারী ৮ বীজ ১০ কেজি করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাদাম জমি থেকে তোলার সঙ্গে সঙ্গে বাজারজাত না করে শুকেিয় গুদামজাত করে পরে বাজারজাত করা হলে কৃষকরা অধিক লাভবান হবেন।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৮:২৩ অপরাহ্ন
জেগেছে গৌতমখালী মরা নদী: কমবে বন্যা, বাড়বে কৃষি
কৃষি বিভাগ

প্রায় ৬৫ বছর পর ফেনী সদর উপজেলার গৌতমখালী মরা নদী খননের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নামে নদী হলেও এটি মূলত খাল হিসেবে পরিচিত।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে এতে সমৃদ্ধ হবে কৃষি। বন্যা থেকে রক্ষা পাবে ফসলি জমি। খননের পর তীরবর্তী দাগনভূঞা ও ফেনী সদরের তিনটি ইউনিয়নের কৃষি আবাদ বাড়বে, প্রাকৃতিক মৎস্য উৎপাদন বাড়বে ও দুই পাড়ে সবুজ বনায়ন সৃষ্টি হবে। এছাড়াও ফেনীর উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন হয় গৌতমখালী মরা নদী দিয়ে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনী সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে গৌতমখালী মরা নদীর খনন কাজের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

একই সূত্র জানায়, খনন কাজ চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হয়েছে । ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। কাজ পুরোপুরি শেষ হতে চলতি বছরের মে ও জুন গড়াতে পারে। খাল খননের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। খনন কাজ করছে ঠিকাদার সালেহ আহমদ বাবুল।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আখতার হোসেন জানান, এ নদীর দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার, প্রস্থ ৪০ মিটার। শীতকালে কৃষি সেচের জন্য ২ মিটার পানি থাকবে।

উৎপত্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ নদীটি দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়ন, ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন ও শর্শদী ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। গৌতমখালীর মরা নদীর উৎপত্তি সিন্দুরপুর ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামের ছোট ফেনী নদী থেকে আবার ওইখানে এসে মিলিত হয়েছে।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আরিফুল রহমান ভূঞা জানান, ৬০-৬৫ বছর আগে এ খাল খনন করা হয়েছে। এরপর আর কোন খনন কাজ করা হয়নি। বন্যার কারণে আর ফসলের ক্ষতি হবে না। পানি সহজে অপসারণ হবে।

আখতার হোসেন বলেন, গৌতমখালী নদী একটি প্রাকৃতিক নদী। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠার পর থেকে গৌতমখালীর মরা নদী খনন হওয়ার কোন রেকর্ড নেই। এটিই প্রথম খনন কাজ। এ নদী খননের ফলে শহরের উত্তরাঞ্চলের সহজে পানি নিষ্কাশন হবে। তিনি আরও বলেন, স্টার লাইনের পাশের খালের পানি, মোহাম্মদ আলী বাজারের খাল, শর্শদী খালের পানিগুলো এ মরা নদী দিয়ে নিষ্কাশন হবে। এ নদী থেকে এক কিলোমিটার পর্যন্ত কৃষকরা পানি নিতে পারবে। এটা খনন করা হচ্ছে জলাশয় হিসেবে। এতদিন এটি ছিল মরা নদী। এটি জলাশয় হিসেবে নিষ্কাশনের কাজে, সেঁচের কাজে, প্রাকৃতিক মৎস চাষে ব্যবহার হবে। এর দুই পাড়ে বনায়ন হবে। এতে পরিবেশের উন্নয়ন হবে।-বাসস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৬:৪৮ অপরাহ্ন
বাকৃবি‘র গবেষণা: আমন-বোরোর মাঝে শিম জাতীয় ফসল চাষে লাভবান হবে কৃষক
কৃষি গবেষনা

বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশে প্রচলিত দ্বি-ফসলি আমন-বোরোকে তিন ফসলি করা ও আবাদকৃত জমির উর্বরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবেষণা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।

শনিবার (৩এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সভাকক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে গবেষকগণ এসব জানান।

গবেষকদল তিন বছরের গবেষণায় দেখেছেন, স্বল্পকালীন আগাম রোপা আমন (যেমন বিনাধান-৭) এবং নাবী বোরো ধান (যেমন বিনাধান-১৪) চাষ করে আমন-বোরোর মাঝের পতিত সময়কাল বাড়িয়ে ৭০-১০০ দিন করা সম্ভব। এই সময়ে সবজি হিসেবে খাওয়া যায় এমন শিম জাতীয় ফসল যেমন মটরশুটি, লিগনোসাস শিম, ঝাড় শিম, ফেলন, সয়াবিন এবং মুগ আবাদ করা সম্ভব। এতে করে দ্বি-ফসলি জমি থেকে তিন ফসল পাওয়া যায়।

সম্মেলনে ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষণা কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকিরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির এবং সহযোগী গবেষক ড. মো. নেছার উদ্দীন।

এসময় গবেষকেরা বলেন, বাংলাদেশে প্রচলিত ফসলগুলোর মধ্যে দ্বি-ফসলি আমন-বোরো অন্যতম। দেশের মোট আবাদযোগ্য জমির শতকরা প্রায় ২২ ভাগ আসে এখান থেকে। আমন ও বোরোর মধ্যবর্তী সময় কম। যার ব্যাপ্তি ৬০ দিনেরও কম। আমন ও বোরোর মধ্যবর্তী স্বল্প সময়ে প্রচলিত অন্য কোনো ফসল চাষের জন্য যথেষ্ট নয়। এসময় কৃষকরা জমি পতিত রাখেন। কিন্তু স্বল্পকালীন আগাম রোপা আমন এবং নাবী বোরো ধান চাষ করে দ্বি-ফসলি জমি থেকে তিন ফসল পাওয়া সম্ভব।

শিম জাতীয় গাছগুলো থেকে বীজ সংগ্রহ করে গাছগুলোর অবশিষ্ট অংশ জমিতে সবুজ সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে জমির জৈব উপাদান ও পুষ্টিগুন বেড়ে যায়। ফলে জমিতে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন কম হবে। পাশাপাশি দুই ফসলের জায়গায় তিন ফসল পেয়ে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। এই উৎপাদন ব্যবস্থায় শিম পরবর্তী বোরো ধানের উৎপাদন শতকরা ১৫-২০ ভাগ পর্যন্ত বেশি পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৬:১৩ অপরাহ্ন
লাখ টাকা কেজির সবজি চাষে যুবকের চমক!
কৃষি বিভাগ

ভারতের বিহারের এক কৃষক লাখ টাকা কেজির সবজি চাষ করে চমকে দিলেন। তিনি এমন এক সবজি উৎপাদন করেছেন, যা দেশটিতে এতদিন পাওয়া যেত না। সেটাও বড় কথা নয়। সবচেয়ে বড় চমক এই সবজির দামে। প্রতি কেজি ৮৫ হাজার রুপি, বাংলাদেশী মূদ্রায় যার দাম প্রায় এক লক্ষ টাকায় বিক্রি হয় এটি।

জানা যায়, বিহারের করমডিহ গ্রামের বাসিন্দা অমরেশ সিং। ৩৮ বছরের ওই যুবক প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন এই বিশেষ সবজিটির উৎপাদনের জন্য। ‘হিপ শুটস’ নামের এই সবজিটি আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি হয় ৮৫ হাজার রুপি প্রতি কেজি হিসেবে। সেই সবজিই নিজের পাঁচ কাঠা জমিতে চাষ করেছেন অমরেশ। কোনও রাসায়নিক কিংবা কৃত্রিম সার প্রয়োগ করেননি বলে জানা যায়।

কিছুটা পরীক্ষামূলক ভাবেই এই সবজির চাষ করেছিলেন তিনি। আর তাতে তিনি বহুলাংশে সফল। যা বীজ তিনি রোপণ করেছিলেন, তার মধ্যে ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রেই মিলেছে সাফল্য। পরিশ্রম ও অর্থ খরচ করে এই নতুন ধরনের ফসল উৎপাদন করতে চেয়ে সাফল্য পেয়ে অত্যন্ত খুশি তিনি।

তাঁর এই প্রয়াস কৃষকদের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। সুপ্রিয়া সাহু নামে এক আইএএস অফিসার তাঁর টুইটারে অমরেশের সাফল্যের কথা লেখার পাশাপাশি দাবি করেছেন, এটা ভারতীয় কৃষকদের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে।

 

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop