৭:৩৫ অপরাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ১০:১৩ অপরাহ্ন
নড়াইলের ৩ উপজেলায় ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ
কৃষি গবেষনা

নড়াইলের ৩ উপজেলা তথা নড়াইল সদর,লোহাগড়া এবং কালিয়া উপজেলায় এবার গমের বাম্পার ফলনের সম্ভাবনা রয়েছে। এই ৩ উপজেলায় মোট ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। আবাদকৃত জমিতে উচ্চফলনশীল বারি গম-৩০, ৩২ ও ৩৩ জাতের গমের চাষ হয়েছে বেশি। এছাড়া বারি গম-২৫,২৬,২৭,২৮ ও প্রদীপ জাতের গমেরও চাষ হয়েছে।

জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-সহকারী কৃষি কর্মকর্তা নিপু মজুমদার জানান, এ পর্যন্ত জেলার ৩ উপজেলায় চাষকৃত ৯৫ শতাংশ জমির গম কাটা হয়েছে।বাকি জমির গম কাটা আগামী দু থেকে তিন দিনের মধ্যে সম্পন্ন হবে।

নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, জেলার ৩ উপজেলায় ২হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৭ হাজার ৫শ’৬ মেট্রিক টন। গমের চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাওয়ায় এবং লাভজনক হওয়ায় এ অঞ্চলের কৃষকরাও প্রতি বছরের ন্যায় এবছরও আগ্রহ সহকারে গমের চাষ করেছেন।

গত বছর থেকে এ বছর ৩শ’১৯ হেক্টর বেশি জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। গম চাষে তেমন কোন খরচ নেই।সামান্য সেচের প্রয়োজন হয়।এ কারণে অনেক চাষি প্রতি বছর গম চাষে মনোযোগী হচ্ছেন-এমনটাই বলেছেন কৃষি কর্মকর্তারা। লাভজনক হওয়ায় অনেক প্রান্তিক ও বর্গাচাষি অর্থকরী এ ফসল চাষে দিন দিন ঝুঁকে পড়ছেন বলে জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে জানা গেছে।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর অফিস সূত্রে আরো জানা গেছে, চলতি মৌসুমে নড়াইলের ৩ উপজেলায় মোট ২ হাজার ৮৫ হেক্টর জমিতে গমের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে নড়াইল সদর উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ১হাজার ৮০হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩হাজার ৮শ’৮৮ মেট্রিক টন।লোহাগড়া উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ৬শ’ ১৫হেক্টর জমিতে।
উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ২হাজার ২শ’ ১৪ মেট্রিক টন এবং কালিয়া উপজেলায় গমের আবাদ হয়েছে ৩শ’৯০ হেক্টর জমিতে। উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ১হাজার ৪শ’ ৪ মেট্রিক টন। আবাদকৃত জমিতে উচ্চফলনশীল বারি গম-৩০, ৩২ ও ৩৩ জাতের গমের চাষ বেশি হয়েছে। এছাড়া বারি গম-২৫,২৬,২৭,২৮ ও প্রদীপ জাতের গমের চাষ হয়েছে বলে কৃষি বিভাগ সূত্রে জানা গেছে।

গমের ভালো ফলনের লক্ষ্যে কৃষি অফিসের পক্ষ থেকে গম চাষিদের উদ্বুদ্ধকরণ,পরামর্শ,মাঠ দিবস,উঠান বৈঠক,নতুন নতুন জাতের বীজ সরবরাহ ও প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে।গম চাষে অন্য ফসলের তুলনায় খরচ কম। গমে পোকার আক্রমণ হয় না বললেই চলে।ফলনও বেশি। বাজারে গমের চাহিদা ব্যাপক থাকায় এ জেলায় গমের চাষ দিন দিন বাড়ছে বলে জানান নড়াইল কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক দীপক কুমার রায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ৭:২৫ অপরাহ্ন
বোরো মৌসুমে কৃষকের স্বার্থে চাল আমদানি বন্ধের দাবি
কৃষি বিভাগ

বোরো ধান কাটা শুরু হয়েছে। নতুন চাল বাজারে আসতে আর মাত্র ১৫ দিন বাকি। তাই কৃষকের স্বার্থে চালের আমদানি বন্ধের দাবি খাত সংশ্লিষ্টের।

ক্রেতা স্বল্পতার ছাপ মিলছে রাজধানীর চালের বাজারে। কেননা মানভেদে ৬২ থেকে ৭০ টাকায় প্রতিকেজি চিকন চাল আর ৪৫ থেকে ৫০ টাকায় মোটা চাল কিনতে হিমশিম অবস্থা ভোক্তাদের। আর নিম্ন আয়ের মানুষের চিত্র আরও করুণ।

খুচরা বিক্রেতার সাথে সুর মিলিয়ে মিল মালিকদের কারসাজিকে দোষারোপ করছেন ভোক্তারাও।

চালের বাজারের এই উর্ধ্বগতি, সরকারের সঠিক পরিকল্পনার অভাবের ফল, এমন মন্তব্য সাপ্লাইচেইন বিশেষজ্ঞ কৃষিবিদ মোহাম্মদ মুজিবুল হকের।

খাত সংশ্লিষ্টের মতে, কৃষকদের বাঁচাতে চালের বাজার স্থিতিশীল রেখে আমদানি নির্ভরতা কমিয়ে মনযোগ দিতে হবে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনায়।

টিসিবি’র তথ্যমতে, ১ বছরে চালের দাম বেড়েছে অন্তত ৪২ শতাংশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৪, ২০২১ ১:৩৫ অপরাহ্ন
তিস্তার চরে বাদাম তোলায় ব্যস্ত কৃষক
কৃষি বিভাগ

রংপুর জেলার, গংগাচড়া, কাউনিয়া, পীরগাছা উপজেলার মধ্য দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদীতে মাইলের পর মাইল চর পরেছে। বন্যার পর চরের মাটিতে পলি জমায় মাটি র্উবর হওয়ায় অতিরিক্তি সার, সেচ, কীটনাশক দিতে হয় না। ফলে বীজ রোপণে তিন মাসের মধ্যেই বাদাম তোলা হচ্ছে। চরজুড়ে এখন বাদাম তোলার কাজে ব্যস্ত সময় পার করছেন চাষীরা।

রংপুরে উৎপাদিত বাদামের মান ভালো হওয়ায় প্রতি বছরই দশেরে বিভিন্ন জেলা থেকে পাইকাররা এসে এখান থেকে বাদাম কিনে নিয়ে যায়। গংগাচড়া উপজেলার চর চিলাখাল, মানুষ খাওয়া, নেল্টা, মহিপুর, চালাপাক চরসহ বিভিন্ন চরে কৃষকেরা বাদামের চাষ করেছেন।

কাউনিয়া উপজেলার গড্ডিমারী চরের কৃষক দুলাল মিয়া জানান, গতবার চরের ৩ একর জমিতে বাদাম চাষ করতে সবমিলে খরচ হয়েছে ৪৮ হাজার টাকা। বিক্রি করেছি ২ লাখ টাকা। আশাকরছি এবার ৩ লাখ টাকা বিক্রি করতে পারবো। কারণ এবার বাদামের বাজার বেশ চড়া।

মধুপুর চড়ের তাসলিমা জানান, গত বছর শখের বসে বাপ দাদার ১ একর জমিতে বাদাম চাষ করে বেশ লাভোবান হয়েছিলাম। এবার ৫ একর জমিতে বাদামের চাষ করেছি। বাদাম চাষে খুব একটা খরচ হয় না। অল্পতে বেশি লাভ। গত বছরের তুলনায় এ বছর বাদাম ভালো আছে। লাভও বেশি হবে বলে আশা করছি।

বাদাম চাষিরা জানান, প্রতি বছর অক্টোবর থেকে নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহ পর্যন্ত বাদামের বীজ লাগানো হয়। জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত সময় জমি থেকে এই বাদাম তোলার কাজ শুরু হয়। বাদামের বীজ লাগানোর আগে চাষ দিয়ে মাটি সামান্য নরম করে নিতে হয়। আর মাঝে মধ্যে জমির আগাছা পরিস্কার করতে হয়।তারপর সারি করে লাগানো হয় বাদাম বীজ। তিস্তা নদীর চরের মাটি উর্বর হওয়ায় অতিরিক্ত সার, কীটনাশক ও সেচ দিতে হয় না। তিন মাসের মধ্যই বাদাম ঘরে তোলেন চাষিরা । তাই অল্প পরিশ্রমে অধিক লাভে খুশি বাদাম চাষিরা।

রংপুর কৃষি সম্প্রসারণ বিভাগ সূত্রে জানা গেছে এ বছর রংপুর জেলায় ৩৯০ হক্টের জমিতে বাদাম চাষ করা হয়েছে, গত বছর ছিল ২৫০ হক্টের জমিতে চাষ হয়েছিল। জেলায় এখন স্থানীয় জাতরে বভিনি নাম্নে বাদামরে চাষ হচ্ছে। কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সহায়তায় জেলায় বাদাম চাষ সম্প্রসারণের জন্য কৃষকদের মাঝে বীজ, সার, কীটনাশকসহ নানা ধরনরে উপকরণ দেয়া হচ্ছে।

রংপুর জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের ভারপ্রাপ্ত উপরিচালক রিয়াজ উদ্দিন জানান ,সরকারে পক্ষ থেকে প্রত্যেক বাদাম চাষীকে ১০ কেজি করে বীজ দেয়া হয়েছে। আর প্রণোদনা হিসাবে ১০০জনকে কৃষক কেডিএপি ১০ কেজি, ৫ কেজি সার, বারী ৮ বীজ ১০ কেজি করে দেয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, বাদাম জমি থেকে তোলার সঙ্গে সঙ্গে বাজারজাত না করে শুকেিয় গুদামজাত করে পরে বাজারজাত করা হলে কৃষকরা অধিক লাভবান হবেন।

সূত্রঃ ডেইলি বাংলাদেশ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৮:২৩ অপরাহ্ন
জেগেছে গৌতমখালী মরা নদী: কমবে বন্যা, বাড়বে কৃষি
কৃষি বিভাগ

প্রায় ৬৫ বছর পর ফেনী সদর উপজেলার গৌতমখালী মরা নদী খননের কাজ শুরু করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ড। নামে নদী হলেও এটি মূলত খাল হিসেবে পরিচিত।

সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ বলছে এতে সমৃদ্ধ হবে কৃষি। বন্যা থেকে রক্ষা পাবে ফসলি জমি। খননের পর তীরবর্তী দাগনভূঞা ও ফেনী সদরের তিনটি ইউনিয়নের কৃষি আবাদ বাড়বে, প্রাকৃতিক মৎস্য উৎপাদন বাড়বে ও দুই পাড়ে সবুজ বনায়ন সৃষ্টি হবে। এছাড়াও ফেনীর উত্তরাঞ্চলের পানি নিষ্কাশন হয় গৌতমখালী মরা নদী দিয়ে।

বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনী সূত্রে জানা যায়, ১৯৫৯ সালে পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠিত হয়। প্রতিষ্ঠা হওয়ার পর থেকে গৌতমখালী মরা নদীর খনন কাজের কোনো তথ্য পাওয়া যায়নি।

একই সূত্র জানায়, খনন কাজ চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে শুরু হয়েছে । ইতোমধ্যে প্রায় ৪০ ভাগ কাজ শেষ হয়েছে। কাজ পুরোপুরি শেষ হতে চলতি বছরের মে ও জুন গড়াতে পারে। খাল খননের জন্য বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে ১ কোটি ৭৬ লাখ টাকা। খনন কাজ করছে ঠিকাদার সালেহ আহমদ বাবুল।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আখতার হোসেন জানান, এ নদীর দৈর্ঘ্য ২ দশমিক ৬৬ কিলোমিটার, প্রস্থ ৪০ মিটার। শীতকালে কৃষি সেচের জন্য ২ মিটার পানি থাকবে।

উৎপত্তি প্রসঙ্গে তিনি জানান, এ নদীটি দাগনভূঞা উপজেলার সিন্দুরপুর ইউনিয়ন, ফেনী সদর উপজেলার পাঁচগাছিয়া ইউনিয়ন ও শর্শদী ইউনিয়ন দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। গৌতমখালীর মরা নদীর উৎপত্তি সিন্দুরপুর ইউনিয়নের শরিফপুর গ্রামের ছোট ফেনী নদী থেকে আবার ওইখানে এসে মিলিত হয়েছে।

ফেনী পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী আরিফুল রহমান ভূঞা জানান, ৬০-৬৫ বছর আগে এ খাল খনন করা হয়েছে। এরপর আর কোন খনন কাজ করা হয়নি। বন্যার কারণে আর ফসলের ক্ষতি হবে না। পানি সহজে অপসারণ হবে।

আখতার হোসেন বলেন, গৌতমখালী নদী একটি প্রাকৃতিক নদী। পানি উন্নয়ন বোর্ড প্রতিষ্ঠার পর থেকে গৌতমখালীর মরা নদী খনন হওয়ার কোন রেকর্ড নেই। এটিই প্রথম খনন কাজ। এ নদী খননের ফলে শহরের উত্তরাঞ্চলের সহজে পানি নিষ্কাশন হবে। তিনি আরও বলেন, স্টার লাইনের পাশের খালের পানি, মোহাম্মদ আলী বাজারের খাল, শর্শদী খালের পানিগুলো এ মরা নদী দিয়ে নিষ্কাশন হবে। এ নদী থেকে এক কিলোমিটার পর্যন্ত কৃষকরা পানি নিতে পারবে। এটা খনন করা হচ্ছে জলাশয় হিসেবে। এতদিন এটি ছিল মরা নদী। এটি জলাশয় হিসেবে নিষ্কাশনের কাজে, সেঁচের কাজে, প্রাকৃতিক মৎস চাষে ব্যবহার হবে। এর দুই পাড়ে বনায়ন হবে। এতে পরিবেশের উন্নয়ন হবে।-বাসস।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৬:৪৮ অপরাহ্ন
বাকৃবি‘র গবেষণা: আমন-বোরোর মাঝে শিম জাতীয় ফসল চাষে লাভবান হবে কৃষক
কৃষি গবেষনা

বাকৃবি প্রতিনিধি: বাংলাদেশে প্রচলিত দ্বি-ফসলি আমন-বোরোকে তিন ফসলি করা ও আবাদকৃত জমির উর্বরতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গবেষণা করেছেন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (বাকৃবি) একদল গবেষক।

শনিবার (৩এপ্রিল) দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের সভাকক্ষে এক সাংবাদিক সম্মেলনে গবেষকগণ এসব জানান।

গবেষকদল তিন বছরের গবেষণায় দেখেছেন, স্বল্পকালীন আগাম রোপা আমন (যেমন বিনাধান-৭) এবং নাবী বোরো ধান (যেমন বিনাধান-১৪) চাষ করে আমন-বোরোর মাঝের পতিত সময়কাল বাড়িয়ে ৭০-১০০ দিন করা সম্ভব। এই সময়ে সবজি হিসেবে খাওয়া যায় এমন শিম জাতীয় ফসল যেমন মটরশুটি, লিগনোসাস শিম, ঝাড় শিম, ফেলন, সয়াবিন এবং মুগ আবাদ করা সম্ভব। এতে করে দ্বি-ফসলি জমি থেকে তিন ফসল পাওয়া যায়।

সম্মেলনে ফসল উদ্ভিদ বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও গবেষণা কার্যক্রমের কো-অর্ডিনেটর অধ্যাপক ড. মো. ছোলায়মান আলী ফকিরের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন প্রধান গবেষক অধ্যাপক ড. কাজী ফরহাদ কাদির এবং সহযোগী গবেষক ড. মো. নেছার উদ্দীন।

এসময় গবেষকেরা বলেন, বাংলাদেশে প্রচলিত ফসলগুলোর মধ্যে দ্বি-ফসলি আমন-বোরো অন্যতম। দেশের মোট আবাদযোগ্য জমির শতকরা প্রায় ২২ ভাগ আসে এখান থেকে। আমন ও বোরোর মধ্যবর্তী সময় কম। যার ব্যাপ্তি ৬০ দিনেরও কম। আমন ও বোরোর মধ্যবর্তী স্বল্প সময়ে প্রচলিত অন্য কোনো ফসল চাষের জন্য যথেষ্ট নয়। এসময় কৃষকরা জমি পতিত রাখেন। কিন্তু স্বল্পকালীন আগাম রোপা আমন এবং নাবী বোরো ধান চাষ করে দ্বি-ফসলি জমি থেকে তিন ফসল পাওয়া সম্ভব।

শিম জাতীয় গাছগুলো থেকে বীজ সংগ্রহ করে গাছগুলোর অবশিষ্ট অংশ জমিতে সবুজ সার হিসেবে ব্যবহার করা যায়। এতে জমির জৈব উপাদান ও পুষ্টিগুন বেড়ে যায়। ফলে জমিতে রাসায়নিক সারের প্রয়োজন কম হবে। পাশাপাশি দুই ফসলের জায়গায় তিন ফসল পেয়ে কৃষকরা আর্থিকভাবে লাভবান হবেন। এই উৎপাদন ব্যবস্থায় শিম পরবর্তী বোরো ধানের উৎপাদন শতকরা ১৫-২০ ভাগ পর্যন্ত বেশি পাওয়া গেছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৬:১৩ অপরাহ্ন
লাখ টাকা কেজির সবজি চাষে যুবকের চমক!
কৃষি বিভাগ

ভারতের বিহারের এক কৃষক লাখ টাকা কেজির সবজি চাষ করে চমকে দিলেন। তিনি এমন এক সবজি উৎপাদন করেছেন, যা দেশটিতে এতদিন পাওয়া যেত না। সেটাও বড় কথা নয়। সবচেয়ে বড় চমক এই সবজির দামে। প্রতি কেজি ৮৫ হাজার রুপি, বাংলাদেশী মূদ্রায় যার দাম প্রায় এক লক্ষ টাকায় বিক্রি হয় এটি।

জানা যায়, বিহারের করমডিহ গ্রামের বাসিন্দা অমরেশ সিং। ৩৮ বছরের ওই যুবক প্রায় আড়াই লক্ষ টাকা বিনিয়োগ করেন এই বিশেষ সবজিটির উৎপাদনের জন্য। ‘হিপ শুটস’ নামের এই সবজিটি আন্তর্জাতিক বাজারে বিক্রি হয় ৮৫ হাজার রুপি প্রতি কেজি হিসেবে। সেই সবজিই নিজের পাঁচ কাঠা জমিতে চাষ করেছেন অমরেশ। কোনও রাসায়নিক কিংবা কৃত্রিম সার প্রয়োগ করেননি বলে জানা যায়।

কিছুটা পরীক্ষামূলক ভাবেই এই সবজির চাষ করেছিলেন তিনি। আর তাতে তিনি বহুলাংশে সফল। যা বীজ তিনি রোপণ করেছিলেন, তার মধ্যে ৬০ শতাংশ ক্ষেত্রেই মিলেছে সাফল্য। পরিশ্রম ও অর্থ খরচ করে এই নতুন ধরনের ফসল উৎপাদন করতে চেয়ে সাফল্য পেয়ে অত্যন্ত খুশি তিনি।

তাঁর এই প্রয়াস কৃষকদের সামনে নতুন দিগন্ত খুলে দিতে পারে বলে মনে করছেন অনেকেই। সুপ্রিয়া সাহু নামে এক আইএএস অফিসার তাঁর টুইটারে অমরেশের সাফল্যের কথা লেখার পাশাপাশি দাবি করেছেন, এটা ভারতীয় কৃষকদের জন্য ‘গেম চেঞ্জার’ হতে পারে।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৬:০৫ অপরাহ্ন
বিষমুক্ত সবজির জন্য বিখ্যাত যাত্রাপুর
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের যাত্রাপুর হাটে কৃষকের উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজির খ্যাতি থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ছে। এখানে সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দামও রয়েছে কমতির দিকে। সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবারের এ হাটে ২ লাখের বেশি টাকার সবজি বেচাকেনা হয়।

ভোর থেকেই জমজমাট বাগেরহাট সদরের যাত্রাপুর হাট। মিলছে মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, গাজর, আলুসহ নানা ধরনের শাকসবজি। বিষমুক্ত খ্যাত এ সবজি হাটে মোল্লাহাট, মোরেলগঞ্জ, ফকিরহাট ও রামপালসহ আশপাশের জেলা থেকেও পাইকাররা আসেন সবজি কিনতে। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। চলতি সপ্তাহে সরবরাহ ভালো থাকায় সবজির দাম কিছুটা কমতির দিকে বলে জানান বিক্রেতারা।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে লাউ, পোটল, ঢেঁড়স নিয়ে এসেছি। দামও ভালো পেয়েছি।

জানা যায় সেখানে মিষ্টি কুমড়া কেজি ১৫ টাকা, ঢেঁড়স ২০ টাকা, বেগুন ২৫ টাকা, লালশাক ৫ টাকা, লালশাক ৫ টাকা, পালন শাক ৪ টাকা, পুইশাক ৭ টাকা, শজনে ২৫ টাকা, গাজর ৭ টাকা, কাঁচাবাজার ৩০ টাকা ও কাঁচকলার হালি বিক্রি হয়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা দরে।

এদিকে হাটে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে থাকার কথা জানান ইজারাদার।

যাত্রাপুর সবজির হাটের ইজারাদার খান পিকলু বলেন, এ হাঁটে সব ধরনের সবজি পাওয়া যায়। ক্রেতা ও বিক্রেতারার ভালো সরগরম হয়। প্রত্যেকের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরে কৃষি প্রণোদনার ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ
কৃষি বিভাগ

জেলার উফশী, বোনা আমন এবং খরিপ-১ মৌসুমের চাষিরা এখন মাঠে ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছে। পিরোজপুর জেলায় উফশী জাতের আউশ চাষিদের প্রণোদনা দেয়ার লক্ষ্যে সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় ৬৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ টাকা থেকে ৭ হাজার ২শত কৃষককে প্রতি বিঘার জন্য ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি এবং ২০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।

চলতি খরিপ-১ মৌসুমে পিরোজপুর জেলার ৭ উপজেলার ৫২ টি ইউনিয়ন ও ৪ টি পৌর এলাকার ২৩ হাজার ৫ শত ৯৬ হেক্টর জমিতে ৯০ হাজার ৮১৬ মেট্রিকটন খরিপ-১ ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রীড, উফশী এবং স্থানীয় জাতের আউশ ১৭৩৭৮ হেক্টরে ৪২৪৬৫ মেট্রিকটন, ২৭৪৮ হেক্টরে বোনা আমন ২৮৩০ মেট্রিকটন, দেশী পাট৭৫ হেক্টরে ১৯১ মেট্রিকটন, তোসা পাট ১২০ হেক্টরে ৩৬০ মেট্রিকটন, মেছতা ১৭০ হেক্টরে ৩৫৭ মেট্রিকটন নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৫ হেক্টরে মরিচ ২৭ মেট্রিকটন, ২৮৮০ হেক্টরে বিভিন্ন জাতের সবজি ৪৩৫৭৪ মেট্রিকটন, ৫ হেক্টরে তিল ৫ মেট্রিকটন, ১৯০ হেক্টরে হলুদ ৮৫৭ মেট্রিকটন, ১৫ হেক্টরে আদা ১৫০ মেট্রিকটন চাষ করা হচ্ছে।

পিরোজপুরের কৃষি সম্প্রসারণ উপ-পরিচালক চিন্ময় রায় জানান, আউশ এবং বোনা আমন উৎপাদন বৃদ্ধিতে ধান ক্ষেতে জৈব সার ব্যবহার, সুষম সার ব্যবহার, সঠিক বয়সের চারা সারিতে রোপণ, গুটি ইউরিয়া ব্যবহার, পোকা দমনে পার্চিং এবং আলোর ফাঁদ ব্যবহার করার ব্যাপক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে চাষিদের।

তিনি আরো জানান, বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রদানের পাশাপাশি চািষদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করছে জেলার সকল পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন সরকারের এ প্রণোদনা সহায়তার ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চািষরা খরিপ-১ মৌসুমে চাষাবাদে যথেষ্ট আগ্রহী হবে এবং কৃষির উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে চলতি অর্থ বছরের আওতায় খরিপ-১ মৌসুমের ১৪৬টি প্রদর্শনী প্লট এর আয়োজন করা হচ্ছে। গোপালগঞ্জ- খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা ও পিরোজপুরকে নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে আউশ জাত প্রদর্শনী, আউশ ব্লক প্রদর্শনী, পাট প্লট প্রদর্শনী, জৈব কৃষি ও জৈবিক বালাই ব্যবস্থাপনা প্রদর্শনী এবং সবজি প্রদর্শনীসহ পিরোজপুর জেলার জন্য মোট ১৪৬টি প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে।-বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ১০:০২ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে আলু চাষে সফল চাষিরা
কৃষি বিভাগ

অতীতে কোল্টস্টোরেজ ব্যবস্থার স্বল্পতা থাকায় আলু সংরক্ষণে সমস্যা হতো রাজশাহীর আলু চাষিদের। তবে বর্তমানে এ সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন উৎপাদিত আলু হিমাগারে রেখে সুবিধা মতন বিক্রয় করা যায়। পাশাপাশি ভালো দামও পেয়েছেন কৃষকেরা।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, গত বছর ৩৫ হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছিল। আর উৎপাদন হয়েছিল ৮ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। এবার জেলায় জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬২৯ হেক্টর। এই হিসাবে আলুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।

কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায় আলু উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন। সোমবার (২২ মার্চ) পর্যান্ত জেলায় ৩২ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমি থেকে আলু উত্তোলন করা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে বাকি জমি থেকে আলু তোলা সম্পন্ন হবে।

আলুর উৎপাদন ও খরচের বিষয়ে কৃষক ও আলু ব্যবসায়ীরা জানায়, প্রতি বিঘায় এবার আলু চাষে খরচ হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয়েছে ৮০ থেকে ১১০ মণ করে। প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ পড়েছে ১০ থেকে ১১ টাকা। এর সাথে জমি থেকে আলু উত্তোলন, বাজারজাতকরণে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ মিলে প্রতি কেজি আলুর খরচ পড়ছে ১৪ থেকে ১৫ টাকা। আর জেলার স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে।

অন্যদিকে, এ বছর হিমাগার মালিক সমিতি প্রতি বস্তায় ভাড়া নির্ধারণ করেছে ৫০ কেজিতে ১৫০ টাকা করে। এর সাথে শ্রমিক খরচসহ সব মিলিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কোল্ডস্টোরেজে ভাড়া দিতে হচ্ছে ২০০ টাকা।

তানোর উপজেলার চিমনা গ্রামের দু‘জন কৃষক জানান, তারা দুইজন এ বছর ছয় বিঘা করে জমিতে আলু রোপণ করেছিলেন। সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে প্রায় দুই লাখ টাকা। আলু উৎপাদন হয়েছে ৫৫০ মণ। বিক্রি হয়েছে প্রায় তিন লাখ টাকায়। অন্যান্য আলুর তুলনায় ‘ডায়মন্ড’ আলুর আবাদ ও ফলন বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক উম্মে সালমা জানান, ‘আলু চাষিদের আমরা প্রণোদনা দিয়েছিলাম। আবহাওয়া ভালো ও দাম ভালো থাকায় কৃষক লাভবান হয়েছে। এ বিষয়ে ৯ টি উপজেলায় সার্বক্ষণিক আমাদের কৃষি অফিসাররা দেখভাল করেছেন। কোনো সমস্যা হলে কৃষকের সাথে গিয়ে কথা বলে সমস্যার সমাধানে কাজ করা হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, ‘পূর্বে রাজশাহীতে ভালো ফলন হলে কৃষকেরা তা সংরক্ষণ নিয়ে সমস্যায় পড়তেন। ফলে অনেক সময় বাজারে নামমাত্র মূল্যে বেঁচতে হতো অথবা আলু না তুলে মাটিতেই রেখে দিতেন। বর্তমানে এ সমস্যা নেই। রাজশাহী জেলায় বর্তমানে সরকারি-বেসরকারিভাবে মোট ৩৬টি হিমাগার আছে। এই হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণ করা যাবে মোট ৮০ লাখ বস্তা। সংরক্ষণের সমস্যাও নিরসন হয়েছে। সব দিক থেকেই কৃষক লাভবান বলে তিনি যোগ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২১ ১০:২৬ অপরাহ্ন
চালের দাম বাড়লেও একদম গরিরেব কষ্ট হয়নি: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

‘আমরা ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেই। চালের দাম বাড়লেও যারা একদম গরিব তাঁদের কিন্তু অত কষ্ট হয়নি। খাদ্য নিয়ে দেশে কিন্তু কোনও হাহাকার হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বোরো ধান কাটা কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘আপনারাও (সাংবাদিকরা) কিন্তু খবর লিখতে পারেননি যে, উত্তরবঙ্গে মঙ্গা হয়েছে, মানুষ না খেয়ে আছে। দুর্ভিক্ষ হলে কিন্তু বাজারে চাল পাওয়া যায় না। এ রকম কিন্তু হয়নি। জেলা পর্যায়ে ওএমএস দেওয়া হয়েছে। কাজেই ও রকম কষ্ট মানুষের হয়নি। কিছু কষ্ট হয়েছে আমরা সেটা স্বীকার করি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর বোরোর ফলন ভালো হয়েছে। এবার বোরোতে ২ কোটি ৫ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোরো চাল বাজারে এলে দাম স্বাভাবিক হবে।’

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘দেশে সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ। প্রতি বছর ২২ লাখ নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছে। এদের মুখে আমাদের অন্ন তুলে দিতে হচ্ছে। ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের খাবার জোগান দিতে হচ্ছে। ডব্লিউএফপি বাংলাদেশ থেকে খাদ্য কিনেই রোহিঙ্গাদের দেয়, বাইরে থেকে আনা হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকের দিকটাও দেখতে হবে। আবার লেখা শুরু হয়েছে, ধানের দাম কমে যাবে কিনা। আমার মনে হয় না, এবার ধানের দামটা সেভাবে কমবে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনও বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, আমরা যদি ধান ঘরে তুলতে পারি, ইনশাআল্লাহ ধান-চালের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আসবে।’

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop