১০:৩৫ অপরাহ্ন

রবিবার, ৩ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ২৫, ২০২১ ১০:৩৫ পূর্বাহ্ন
ভুটানের কৃষি বিজ্ঞানীদের প্রশিক্ষণ দেবে বাংলাদেশ
কৃষি বিভাগ

‘প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভুটানের কৃষি বিজ্ঞানীদের প্রশিক্ষণ প্রদানে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছেনপররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. এ কে আব্দুল মোমেন।

বুধবার ( ২৪ মার্চ) রাজধানীর ফরেন সার্ভিস একাডেমিতে ভুটানের প্রধানমন্ত্রী ডা. লোটে শেরিংয়ের ঢাকা সফর নিয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে পররাষ্ট্রমন্ত্রী এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী আরও বলেছেন, ‘ভুটান থেকে জলবিদ্যুৎ আনতে চায় বাংলাদেশ। আর ভুটানে রপ্তানি করবে ব্যান্ডউইথ। জলবিদ্যুৎ আমদানি নিয়ে দ্বিপক্ষীয় ও ত্রিপক্ষীয়ভাবে হতে পারে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকে এ নিয়ে আলোচনা হয়েছে।’

ড. মোমেন বলেন, ‘ভুটানে আমরা কম মূল্যে ব্যান্ডউইথ রপ্তানি করব। এছাড়া ভুটানের সঙ্গে সড়ক, আকাশ, নৌ ও রেলপথে কানেক্টিভিটি বাড়াতে উভয়পক্ষ একমত হয়েছে।’

তিনি জানান, ভুটানের শিক্ষার্থীদের বাংলাদেশে ভিসার মেয়াদ এককালীন বাড়ানোর জন্য ভুটানের প্রধানমন্ত্রী অনুরোধ করেছেন। তার এই প্রস্তাবে সম্মতি দেওয়া হয়েছে। ‘করোনা মহামারির মধ্যেও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর এ সফর দুই দেশের মধ্যে অসাধারণ বন্ধুত্বের পরিচয় বহন করে।’

তিনি আরো বলেন, ‘পারস্পারিক সম্মান, রাজনৈতিক সমঝোতা ও বিশ্বাসের ওপর ভিত্তি করে এবং উভয় দেশের জনগণের সমৃদ্ধি অর্জনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে অত্যন্ত চমৎকার, বন্ধুত্বপূর্ণ ও ভালো প্রতিবেশীসুলভ দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক বিদ্যমান। ২০০৯ সাল থেকে উভয় দেশের মধ্যে উচ্চ পর্যায়ের সফর বিনিময়, বিশেষ করে, ২০১৯ সালে ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর তাৎপর্যপূর্ণ বাংলাদেশ সফরের মাধ্যমে দুই দেশের মধ্যে বিদ্যমান ঘনিষ্ট দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ক আরো গভীর হয়েছে।’

মন্ত্রী বলেন, ‘আজ সকালে দুই দেশের প্রধানমন্ত্রীর মধ্যে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে বাংলাদেশ ও ভুটানের মধ্যে পরীক্ষিত বন্ধুত্বের প্রতিফলন ঘটেছে। উভয় দেশের ঐতিহাসিক ও ভালো প্রতিবেশীসুলভ সম্পর্ক অতীতের যেকোনো সময়ের তুলনায় গভীর বলে উভয় প্রধানমন্ত্রী একমত হয়েছেন।’

মন্ত্রী উল্লেখ করেন, বাংলাদেশের প্রথম স্বীকৃতিদানকারী দেশ হিসেবে এবং একই ধরনের ঐতিহ্য, বিশ্বাস, সংস্কৃতি ও মূল্যবোধের কারণে ভুটান বাংলাদেশের জনগণের হৃদয়ে বিশেষ স্থান দখল করে আছে। উভয় নেতা দুই দেশের দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কের সার্বিক দিক পর্যালোচনা করেন এবং উভয় দেশের বিভিন্ন সম্ভাবনার ক্ষেত্রগুলোতে পারস্পারিক সহযোগিতা বৃদ্ধির বিষয়ে আগ্রহ প্রকাশ করেন।

আলোচ্য বিষয়গুলোর মধ্যে ছিল- বাণিজ্য ও বিনিয়োগ, সড়ক, রেল ও বিমান যোগাযোগ, জল-বিদ্যুৎ, দ্বিপাক্ষিক ও বহুপাক্ষিক সহযোগিতা, স্বাস্থ্য, শিক্ষা, কৃষি, সংস্কৃতি এবং দুই দেশের জনগণের মধ্যে যোগাযোগ বৃদ্ধি। করোনা মহামারি মোকাবিলায় ওষুধ পাঠানোয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রতি ভুটানের প্রধানমন্ত্রী এসময় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। গত ৬ ডিসেম্বর অগ্রাধিকারমূলক বাণিজ্য চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ায় উভয় প্রধানমন্ত্রী সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং আশা প্রকাশ করেন- দুই দেশের বাণিজ্য সম্প্রসারণে এ চুক্তি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন ভুটানে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত একেএম শহীদুল করিম।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২১ ৮:০৬ অপরাহ্ন
বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত আউশ ধানের ওপর কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত
কৃষি বিভাগ

নাহিদ বিন রফিক (বরিশাল): বরিশালে বিনা উদ্ভাবিত উচ্চফলনশীল আউশ ধানের জাত পরিচিতি, আাধুনিক চাষাবাদ, বীজ উৎপাদন এবং সংরক্ষণ পদ্ধতি শীর্ষক দিনব্যাপী কৃষক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ বরিশালের বিনা উপকেন্দ্রে বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিনা) আয়োজনে এটি অনুষ্ঠিত হয়।

ভার্চুয়ালী এই আলোচনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন আয়োজক প্রতিষ্ঠানের মহাপরিচালক ড. মির্জা মোফাজ্জল ইসলাম।

তিনি বলেন, বোরো ধানের ওপর চাপ কমাতে আউশের আবাদ বাড়ানো দরকার। এর মাধ্যমে ভ‚গর্ভস্থ পানির ব্যবহার কমবে। সেচখরচ হবে সাশ্রয়। তাই চাষিরা লাভবান হবেন । দক্ষিণাঞ্চলের জন্য বিনাধান-১৯ এবং বিনাধান-২১ বেশ উপযোগি। জাত দুটো খরাসহিষ্ণু। পাশাপাশি রয়েছে স্বল্প জীবনকালের সুবিধা।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালী বক্তব্য রাখেন বিনার পরিচালক (গবেষণা) ড. এম এ মালেক। সভাপতিত্ব করেন বিনার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. সোহেল রানা।

কৃষি তথ্য সার্ভিসের কর্মকর্তা নাহিদ বিন রফিকের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে বক্তব্য রাখেন বিনা সদর দপ্তরের ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা মো. হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের (ব্রি) ঊধর্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. আবু সাঈদ, উজিরপুরের উপজেলা কৃষি অফিসার মো. তৌহিদ প্রমুখ। প্রশিক্ষণে বরিশাল সদর, বাবুগঞ্জ এবং উজিরপুরের ৬০ জন কৃষক অংশগ্রহণ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৪, ২০২১ ৭:৫২ অপরাহ্ন
দক্ষিণাঞ্চলে কৃষি ব্যাংকের ১২‘শ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ সম্পন্ন
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশ কৃষি ব্যাংক চলতি অর্থ বছরে দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি জেলায় প্রায় ৭৩০ কোটি টাকা ঋণ ছাড়াও এসএমই ও কৃষিভিত্তিক শিল্প প্রকল্পে আরো প্রায় ৮০ কোটি টাকা ঋণ বিতরণ করছে। এছাড়া কোভিড-১৯’এ ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক ও ক্ষুদ্র ব্যাবসায়ীদের ৪% সুদে সরকারের প্রণোদনা কর্মসূচী ও মুজিব জন্ম শতবর্ষ ঋন কার্যক্রমের আওতায় কৃষি ব্যাংক দক্ষিণাঞ্চলে প্রায় ৪৪৫ কোটি টাকা ঋন বিতরন করেছে।

ব্যাংকটি দক্ষিণাঞ্চলে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতেও প্রায় ৯০ কোটি টাকা ঋণ বিতরন করেছে চলতি অর্থ বছরের প্রথম ৯ মাসে।

কৃষি ব্যাংক এই প্রথমবারের মত বরিশালে অনলাইনে কৃষি ঋন আবেদনপত্র গ্রহন শুরু করেছে। ফলে কোন দালাল বা মধ্য সত্বভোগী ছাড়াই যেকোন কৃষক ঋন গ্রহন করতে পারছেন।

এলক্ষ্যে বরিশাল জেলার ৮৫টি ইউনিয়ন পরিষদে স্থাপিত ডাটা সেন্টারের কর্মীদের প্রশিক্ষনও প্রদান করেছে ব্যাংকটি। ফলে কৃষকরা স্ব স্ব ইাউনিয়ন পরিষদ অফিসের ডাটা সেন্টারে গিয়ে জাতীয় পরিচয় পত্র ও জমির খতিয়ান দিয়ে কোন ধরনের বিড়ম্বনা ছাড়াই অনলাইনে কৃষি ঋনের আবেদন করতে পারছেন।

গত ২০ মার্চ পর্যন্ত ব্যাংকটি দক্ষিনাঞ্চলের ৪২টি উপজেলায় তার ১০৯টি পল্লী শাখা ও ২০টি আরবান শাখার মাধ্যমে প্রায় ৭৩০ কোটি টাকা ঋন বিতরন করতে সক্ষম হয়েছে। যা লক্ষমাত্রার প্রায় ৬০%। পাশাপাশি ব্যাংকটির লোকশানী শাখার সংখ্যা গত অর্থ বছরের জুনের ৬৪ থেকে ৫৫-তে হ্রাস করা সম্ভব হয়েছে। চলতি অর্র্থ বছরের শেষে লাভজনক শাখার সংখ্যা ৮০-তে উন্নীত করার লক্ষে কাজ করছেন কতৃপক্ষ।

এমনকি ব্যাংকটির বকেয়া ঋন আদায়ের লক্ষ্যমাত্রা বিগত অর্থ বছরের ৬৮৭.৩৮ কোটি থেকে চলতি অর্থ বছরে ৬৯২.৫৪ কোটিতে উন্নীত করা হলেও ২০ মার্চ পর্যন্ত লক্ষ্যমাত্রার প্রায় ৭৫% বা সাড়ে ৪শ কোটি টাকা আদায় সম্ভব হয়েছে বলেও জানা গেছে। গত বছর একই সময়ে আদায়ের পরিমান ছিল ৪২৯ কোটি টাকা বা লক্ষ্যমাত্রার ৬২%। চলতি অর্থ বছরে এ পর্যন্ত কৃষি ব্যাংক বরিশাল বিভাগে নতুন প্রায় ৪৮ হাজার গ্রহিতাকে ঋন প্রদান করায় ব্যাংকটির মোট ঋন গ্রহীতার সংখ্যা দাড়িয়েছে প্রায় ৪ লাখ ৬০ হাজারের মত। দক্ষিণাঞ্চলে রাষ্ট্রয়ত্ব এ বিশেষায়িত ব্যাংকটির আমনত স্থিতি বর্তমানে প্রায় ১৮ শ কোটি টাকা।

এমনকি দক্ষিণাঞ্চলে কৃষি ব্যাংক সাম্প্রতিককালে বৈদেশিক রেমিট্যান্স আয় বৃদ্ধি করতেও সক্ষম হয়েছে। চলতি অর্থ বছরের ১৫ মার্চ পর্যন্ত কৃষি ব্যাংকের মাধ্যমে বিদেশে কর্মরত দক্ষিণাঞ্চলের রেমিট্যান্স যোদ্ধাগন প্রায় ১১৪ কোটি টাকা প্রেরন করেছেন বলে জানা গেছে।

এছাড়া রাষ্ট্রয়ত্ব বিশেষায়িত এ ব্যাংকটি দক্ষিণাঞ্চলে তার শাখাগুালোত ত্রৈমাসিক মুনফা ভিত্তিক সঞ্চয় প্রকল্প, ডবল প্রফিট স্কিম, মিলিনিয়াম স্কিম, মাসিক ডিপোজিট স্কিম, লাখপতি স্কিম ও মাসিক মুনফা স্কিমের প্রায় ১৪ হাজার নতুন হিসেব চালু করতে সক্ষম হয়েছ।

ব্যাংকটি ‘কোভিড-১৯ এর প্রাদূর্ভাব নিরসনে সরকার ঘোষিত বিভিন্ন ঋন প্রণোদনার আওতায় ৪৪৫ কোটি টাকা ঋন প্রদান করেছে। যা লক্ষ্যমাত্রার প্রায় শতভাগ। মাত্র ৪ ভাগ সুদে কৃষি শষ্য ও ক্ষুদ্র ব্যাবসা সহ বিভিন্ন ধরনের কৃষি ভিত্তিক কাজে এ ঋন বিতরণ করা হয়েছে।

করোনায় ক্ষতিগ্রস্থদের জন্য সরকারের ৫% ভতর্’কি অর্থে দক্ষিণাঞ্চলে এসব ঋন প্রদান করেছে কৃষি ব্যাংক। এর বাইরেও কৃষি ব্যাংকের নিজস্ব ৩শ কোটি টাকার তহবিল থেকে ‘মুজিব জন্ম শতবার্ষিকী ঋন বিতরন কার্যক্রম’এর আওতায় দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি জেলায় আরো প্রায় ৩৭ লাখ টাকা ক্ষুদ্র ঋন বিতরন করা হয়েছে।

তবে রাষ্ট্রয়ত্ব বিশেষায়িত এ ব্যাংকটি মারাত্মক জনবল সংকটে এখন নুহ্যমান। লোকবলের অভাবে পল্লী এলাকার বেশীরভাগ শাখার কার্যক্রমই ব্যাহত হচ্ছে। দক্ষিণাঞ্চলের ৬টি জেলার ৪২টি উপজেলার ১২৯টি শাখা সহ বিভাগীয় ও আঞ্চলিক অফিসগুলোর জন্য মঞ্জুরীকৃত প্রায় সাড়ে ১৬শ জনবলের মধ্যে বর্তমান কর্মরত আছেন মাত্র সাড়ে ৯শর মত।

সার্বিক বিষয় নিয়ে ব্যাংকটির বরিশাল বিভাগীয় জিএম মোহম্মদ সালাহ উদ্দীন রাজিব-এর সাথে আলাপ করা হলে তিনি জানান, আমরা চেষ্টা করছি কৃষি ব্যাংককে জনগনের আরো কাছে নিয়ে যেতে। কৃষকদের হয়রানী মূক্ত সেবা প্রদানের লক্ষে কৃিষ ব্যাংকের প্রতিটি শাখা সহ আঞ্চলিক ও বিভাগীয় অফিসে যে কেউ অভিযোগ করতে পারেন। যে কোন অভিযোগের তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহনের কথাও জানান তিনি। জনবল সংকটের বিষয়টি সদর দপ্তর অবগত আছে বলে জানিয়ে পরিস্থিতি উন্নয়নে পদক্ষেপ গ্রহন করা হচ্ছে বলেও জানান তিনি।-ইনকিলাব

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২১ ১১:১৯ অপরাহ্ন
কৃষকদের মাঝে ভতুর্কি মুল্যে রিপার ও কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন হস্তান্তর
কৃষি বিভাগ

ঝিনাইদহে কৃষিতে আধুনিক যন্ত্রপাতির ব্যবহার বাড়াতে কৃষকদের মধ্যে অর্ধেক ভর্তুকি মুল্যে রিপার ও কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন হস্তান্তর করা হয়েছে।

মঙ্গলবার দুপুরে সদর উপজেলা কৃষি অফিস চত্বরে এ মেশিন হস্তান্তর করা হয়।

কৃষি অফিসের কর্মকর্তারা জানান, কৃষি যান্ত্রিকীকরণের লক্ষ্যে ৫০ ভাগ উন্নয়ন সহায়তার মাধ্যমে সদর উপজেলার ১১ জন কৃষককে রিপার ও কম্বাইন হারভেস্টার মেশিন হস্তান্তর করা হয়েছে। এতে কম সময়ের মধ্যে কৃষক ধানসহ অন্যান্য ফসল কর্তন ও মাড়াই করতে পারবে।

এসময় জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক আজগর আলী, উপজেলা চেয়ারম্যান এ্যাড. আব্দুর রশিদ, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এস এম শাহিন, মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান আরতি দত্ত, পোড়াহাটি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শহিদুল ইসলাম হিরন, কৃষি কর্মকর্তা জাহিদুল করিম, কৃষি সম্প্রসারন কর্মকর্তা ইমদাদুল হাসান, উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ অফিসার খাইরুল ইসলামসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২১ ৭:০২ অপরাহ্ন
পূর্ব শত্রুতার জেরে ক্ষেতের কাঁচা ধান কাটলো দুর্বৃত্তরা
কৃষি বিভাগ

পূর্ব শত্রুতার জের ধরে যশোরের কেশবপুরে রবিউল ইসলাম নামে এক কৃষকের ক্ষেতের ধানগাছ কেটে পা দিয়ে মাড়িয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠছে।

মঙ্গলবার দুপুরে এ ঘটনায় ওই কৃষক থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা যায়।

এলাকাবাসী ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার আওয়ালগাতী গ্রামের মোকাম আলী মোড়লের সঙ্গে বহু বছর ধরে একই গ্রামের শাহাদাৎ আলী মোড়লের জমি সংক্রন্ত বিরোধ চলে আসছে।

পূর্বপুরুষের ধারাবাহিকতায় মোকাম আলীর ছেলে কৃষক রবিউল ইসলামের সঙ্গে শাহাদাৎ আলীর ছেলে জব্বার আলীর বিভিন্ন বিষয় নিয়ে প্রকাশ্যে শত্রুতা শুরু হয়। তারই অংশ হিসেবে মঙ্গলবার ভোরে আওয়ালগাতী বিলে খালের ধারে মাছের ঘেরের ভেতরে কৃষক রবিউল ইসলামের ৪ শতক পরিমান জমির ধানগাছ কেটে ও পা দিয়ে মাড়িয়ে দেয় জব্বার আলীর লোকজন। এসময় ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক বাধা দিতে গেলে তাকে মারপিট করে খুনের হুমকি দিয়ে চলে যায় দুর্বৃত্তরা।

তবে অভিযুক্ত জব্বার আলী অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, রবিউল ইসলাম আমাকে ফাঁসানোর জন্য নাটক করছে।

অভিযোগের তদন্ত কর্মকর্তা কেশবপুর থানার উপ-পরিদর্শক অরুপ কুমার বসু জানান, অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২১ ৪:০৮ অপরাহ্ন
পেঁয়াজের বীজ চাষে লাভের স্বপ্ন দূর্গাপুরের চাষিদের
কৃষি বিভাগ

মাঠজুড়ে সবুজ ডগায় গোছায় গোছায় সাদা ফুল দেখা যায় রাজশাহীর দূর্গাপুর জুড়ে।। ওই সাদা ফুলের মধ্যেই লুকিয়ে আছে ‘কালো সোনা’ খ্যাত পেঁয়াজ বীজ।

কৃষিবিদদের মতে, এ উপজেলার মাটি ও আবহাওয়া পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনের জন্য অত্যন্ত উপযোগী। উৎপাদিত পেঁয়াজ বীজ গুণে ও মানে উৎকৃষ্ট। ফলনও হয় বেশ ভালো। আর তাই দূর্গাপুরে পেঁয়াজের বীজ চাষে লাভের স্বপ্ন দেখছেন চাষিরা।

দূর্গাপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্র জানায়, এ বছর উপজেলায় ৮০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজ বীজের চাষ হয়েছে। যা গত বছর ছিল ৫০ হেক্টর। বছরজুড়েই পেঁয়াজের দাম বেশি। তাই অল্প সময়ে বেশি লাভ হওয়ায় এবার লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি পেঁয়াজের বীজ আবাদ হয়েছে।

আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উপজেলায় বেশি পেঁয়াজ বীজ উৎপাদনের সম্ভাবনা রয়েছে। ১ মণ বা ৪০ কেজি বীজের দাম ৮০ থেকে ৮৫ হাজার টাকা। সময় ভেদে চাহিদার তুলনায় দাম আরও বেশি হয়ে থাকে। দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে এখানকার পেঁয়াজ বীজের বেশ চাহিদা রয়েছে। আর তাই এখানকার বীজ বিক্রি করে লাভবান হচ্ছেন দূর্গাপুরের কৃষকরা।

ভালো লাভের সম্ভাবনার বিষয়ে উপজেলার পেঁয়াজ বীজ চাষিরা জানায়, দূর্গাপুরের খুব উর্বব হওয়ায় পেঁয়াজ বীজ চাষে রয়েছে অফুরন্ত সম্ভাবনা। উপজেলার মধ্যে দেবীপুর, কানপাড়া, দাওকান্দি, আলীপুর, মাড়িয়া, পানানগর, জয়নগর, কুশাডাঙা, নওপাড়া, চৌপুকুরিয়া প্রভৃতি এলাকায় প্রচুর পেঁয়াজ বীজের চাষ হয়েছে।

পেঁয়াজ বীজের সাদা ফুলে ফুলে ভরে উঠেছে উপজেলার খেতগুলো। শেষ সময়ে এসে চাষিরাও পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন। ঝড়, শীলা বৃষ্টি না হলে এবার পেঁয়াজ বীজের আশাতীত ফলন হবে।

জানা গেছে, এ বছর চাষাবাদযোগ্য জমির বেশির ভাগ জমিতে পেঁয়াজের বীজ চাষ করা হয়েছে। উপজেলার দেবীপুর, নওপাড়া, জয়নগর, কুশাডাঙা, মাড়িয়া, চৌপুকুরিয়ায় সবচেয়ে বেশি জমিতে পেঁয়াজ ও পেঁয়াজ বীজের আবাদ হয়ে থাকে। প্রায় এক হাজার চাষি পেঁয়াজ বীজ চাষ করছেন।

দূর্গাপুর উপজেলায় মূলত দুই জাতের বীজ চাষ হয়- তাহেরপুরী ও ফরিদপুরী। তবে তাহেরপুরী জাতের চাষ বেশি হচ্ছে। এখন পর্যন্ত বিরূপ আবহাওয়া বা প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হওয়ায় মাঠে মাঠে পেঁয়াজ গাছে ফুলের অবস্থা খুবই ভালো। চাষিরা কয়েক সপ্তাহ পরেই মাঠ থেকে পুরোপুরি পেঁয়াজ বীজ সংগ্রহ শুরু করবেন।

প্রতি একরে গড়ে ৫ থেকে ৬ মণ করে বীজ উৎপাদন হবে বলে কৃষকরা আশা করছেন। বাজার দর স্বাভাবিক থাকলে প্রতি মণ বীজ বিক্রি হবে ৮০ থেকে ৮৫ হাজার টাকা। এসব পেঁয়াজ বীজ দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে মহাজন ও পাইকারি ব্যবসায়ীরা এসে মণ বা কেজি দরে কিনে নিয়ে যান।

চৌপুকুরিয়া গ্রামের কৃষক মহির উদ্দিন জানান, ‘পেঁয়াজের দানা উৎপাদন অতি লাভজনক হলেও ঝুঁকিও রয়েছে। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে উৎপাদন ভালো, আর বিরূপ হলেই মাথায় হাত পড়ে।’‘এবার ১০ শতাংশ জমিতে পেঁয়াজ বীজ আবাদ করেছি। উৎপাদিত এ বীজে নিজেই পেঁয়াজ রোপণ করবো বাকিটা বাইরে বিক্রি করে দিবো।’

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মসিউর রহমান বলেন, ‘উপজেলায় পেঁয়াজের বীজ উৎপাদনে কৃষকদের নানাভাবে উদ্বুদ্ধ করছে কৃষি বিভাগ। লাভজনক হওয়ায় দিনদিন পেঁয়াজ বীজের চাষ ব্যাপক হারে ছড়িয়ে পড়ছে দূর্গাপুর উপজেলায়। এতে এলাকার লোক বেশ লাভবানও হচ্ছেন।’

এই কর্মকর্তা আরো বলেন, ‘পেঁয়াজ বীজে কৃষকরা যেন কীটনাশক প্রয়োগ না করে। কীটনাশক প্রয়োগ করলে মৌমাছি বসে না। আর মৌমাছি না বসলে পরাগায়ন হবে না। তাই পেঁয়াজ বীজ চাষে খুব সর্তকভাবে কীটনাশকের প্রয়োগ করতে হবে।’ পেঁয়াজ ফুলে হাতের তালু দিয়ে আলতোভাবে চাপ দিলে পরাগায়নের সৃষ্টি হয়। ফলে উৎপাদন বেশি হবে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২৩, ২০২১ ১২:১৮ অপরাহ্ন
কক্সবাজারে সামুদ্রিক শৈবাল চাষে ব্যাপক সাফল্য
কৃষি বিভাগ

সামুদ্রিক শৈবাল চাষে ব্যাপক সাফল্য এসেছে কক্সবাজারের উপকূলীয় এলাকায়। শৈবাল থেকে পুষ্টিসমৃদ্ধ খাদ্য, ওষধি পণ্য, প্রসাধনী, সার, বায়োফুয়েল ও পরিবেশ দূষণরোধক পণ্য উৎপাদন করা হচ্ছে।

লবণাক্ত-আধা লবণাক্ত পানির পরিবেশে এটি জন্মে এবং সহজে চাষাবাদ করা যায়। গবেষকরা বলছেন, সামুদ্রিক শৈবাল বিভিন্নভাবে ব্যবহারের পাশাপাশি রপ্তানিরও সুযোগ রয়েছে।

কক্সবাজারের উপকূলীয় অঞ্চলে শৈবাল চাষ উৎপাদনের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনষ্টিটিউট ২০১৬ সাল থেকে ১০টি প্রজাতির সামুদ্রিক শৈবালের উপর গবেষণা ও চাষ শুরু করে। বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের সমন্বয়ে ও কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের অর্থায়নে এ প্রকল্পের কাজ চলবে এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।

সম্ভাবনাময় রপ্তানিযোগ্য ও উন্নত পুষ্টিসমৃদ্ধ সামুদ্রিক শৈবাল উৎপাদন, প্রক্রিয়াজাত ও বাজারজাতকরণে কৃষকদের প্রশিক্ষণ দেয়া হয়েছে। প্রায় ৪ কোটি টাকার সহায়তায় এসব কৃষক কক্সবাজারের নুনিয়ারছড়া, রেজুখাল, চরপাড়া ও চৌফলদন্ডী উপকূলীয় অঞ্চলে শৈবালের চাষ করে সফলতা পেয়েছেন।

সম্ভাবনাময় এ খাতে জড়িয়ে পড়েছে উল্লেখযোগ্য প্রায় ৪ শতাধিক কৃষি পরিবার। এতে আর্থিক সক্ষমতার পাশাপাশি নারীর ক্ষমতায়ন নিশ্চিত হয়েছে।

শৈবাল চাষীরা জানান, এগুলো নিয়ে আমরা উৎপাদন করে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছি। তাতে করে আমাদের সংসার খুব ভালোভাবে চলছে।

ল্যাবরেটরিতে প্রতি কেজি ২০ হাজার টাকা মূল্য মানের ‘এগার’ ও ‘কেরাবিনা’ তৈরি সম্ভব। শৈবালের চাষাবাদ বাড়াতে ল্যাবরেটরিতে বীজ উৎপাদন হচ্ছে, যা কৃষকদের মধ্যে সরবরাহ করা হবে।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিলের নির্বাহী চেয়ারম্যান ডক্টর শেখ মো: বখতিয়ার জানান, ক্লাসিল আগিয়া এবং গুরুফাই- এই দুটি প্রজাতি আমরা মনে করছি এই অঞ্চলের জন্য খুবই উপযোগী।

শৈবাল চাষে সাশ্রয়ী মূল্যের পুষ্টিসমৃদ্ধ মানব ও পশুখাদ্য, পোশাক শিল্প ও ঔষধ শিল্পের কাঁচামাল উৎপাদন যেমন হচ্ছে, তেমনি সমুদ্র অর্থনীতি বা ব্লু ইকোনমিতে ভূমিকা রাখছেন অসংখ্য নারী-পুরুষ।

বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউটের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ডক্টর মো: আক্কাস আলী জানান, কিভাবে এটি কালটিভেশন করলে সারাবছর কৃষক করতে পারবে, তার জন্য একটা পদ্ধতি বের করার চেষ্টা করছি আমরা। বর্তমানে ১০টি প্রজাতির মধ্যে ২টি প্রজাতির চাষ করা হচ্ছে। এর মাধ্যমে উন্নতমানের পুষ্টি এবং অর্থনৈতিকভাবে লাভবান হওয়া সম্ভব।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২২, ২০২১ ১১:১১ পূর্বাহ্ন
পেঁয়াজের আবাদে লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়েছে শরীয়তপুর
কৃষি বিভাগ

আবহাওয়া অনুকূলে থাকায় জেলায় এবার পেঁয়াজের বাম্পার ফলন হয়েছে। গত মৌসুমে পেঁয়াজের বাজার মুল্য ভালো পাওয়ায় এবার কৃষক বেশী পরিমাণ জমিতে পেঁয়াজ আবাদ করেছে।

এবার জেলায় লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৩ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ৩৮ হাজার ৫০০ টন ধরা হলেও ফলন ভালো হওয়ায় ৪৬ হাজার ১২৫ টন পেঁয়াজ আবাদ হবে বলে আশা করছেন কৃষক ও কৃষি বিভাগ।

শরীয়তপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. আমীর হামজা জানান, চলতি মৌসুমে জেলার ৬টি উপজেলায় ৩ হাজার ৬৯০ হেক্টর জমিতে পেঁয়াজের আবাদ হয়েছে। এর মধ্যে শুধু জাজিরা উপজেলাতেই হয়েছে ২ হাজার ২৮৫ হেক্টর জমিতে। ছোট-বড় মিলিয়ে জেলায় অন্তত ১৬ হাজার কৃষক এবছর পেয়াঁজ চাষ করেছে বলে জানা গেছে। আমরা আশা করছি এবার লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে ৪৬ হাজার ১২৫ টন পেঁয়াজ উৎপাদন হবে।

জেলার জাজিরা উপজেলার বিকেনগর, পশ্চিম নাও ডোবা, পূর্ব নাওডোবা, সেনেরেচর, বড় কান্দি, বড় গোপালপুর, মূলনা, জাজিরা, জয়নগর ও পালের চর ইউনিয়নেই সব চেয়ে বেশী পেঁয়াজ আবাদ ও উৎপাদন হয়।

এছাড়াও বিলাসপুর, কুন্ডেরচর ইউনিয়নে তুলনামূলক কম আবাদ হয়। নড়িয়া উপজেলার রাজনগর, মোক্তারের চর, নশাসন, জপসা, ভোজেশ্বর ও ফতেহ জঙ্গপুর ইউনিয়নে বেশী আবাদ হয়। সদর উপজেলার চন্দ্রপুর, চিকন্দী, শৌলপাড়া, ডোমসার ও বিনোদপুর ইউনিয়নে, ডামুড্যা উপজেলার কনেশ্বর, ইসলামপুর, ধানকাঠি, সিধলকুড়া ও পূর্ব ডামুড্যা ইউনিয়নে, গোসাইরহাট উপজেলার নাগেরপাড়া, সামন্তসার, ইদিলপুর, নলমুরি, কুচাইপট্টি,ও গোসাইরহাট ইউনিয়নে এবং ভেদরগঞ্জ উপজেলার ছয়গাঁও, রামভদ্রপুর, ডিএম খালি’ চরভাগা, তারাবুনিয়া ও সখিপুর ইউনিয়নে বেশী পেঁয়াজের আবাদ ও উৎপাদন হয়ে থাকে। তবে জাজিরা উপজেলার প্রধান অর্থকরি ফসল হচ্ছে পেঁয়াজ।

এবছর বাজারজাতকরণ পর্যন্ত উৎপাদন খরচ হয়েছে হেক্টরপ্রতি ২ লাখ ৫৫ হাজার টাকা এবং লিজ নেয়া জমিতে হেক্টর প্রতি ৩ লাখ ২২ হাজার ৫’শ টাকা। কারণ হেক্টর প্রতি বছরে গড়ে ৬০ হাজার টাকা জমির মালিককে ভাড়া বাবদ দিতে হয়। এবছর বিঘাপ্রতি গড় ফলন হয়েছে ৪১ দশমিক ৬৫ মন।

জাজিরা উপজেলার বিকে নগর ইউনিয়নের পুর্ব কাজীকান্দি গ্রামের কৃষক সদর আলী মাদবরকান্দি গ্রামের কৃষক আ. হক মাদবর বলেন, বিঘা জমিতে ৫০ হাজার টাকা খরচ করে পেঁয়াজ আবাদ করে বিক্রি করেছি মাত্র ৬০-৬৫ হাজার টাকা।-বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২১, ২০২১ ৯:৫৫ অপরাহ্ন
বোরো ধানের ভাল উৎপাদনের আশা কৃষিমন্ত্রীর
কৃষি বিভাগ

কৃষিমন্ত্রী ড. মো: আব্দুর রাজ্জাক এমপি বলেছেন, বোরো ধানের আবাদ লক্ষ্যমাত্রার চেয়েও বেশি হয়েছে। একই সাথে, উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য এ বছর হাইব্রিড ধানের আবাদ বৃদ্ধিতে গুরুত্ব দেয়া হয়েছিল, সেটিও লক্ষ্যমাত্রাকে ছাড়িয়ে গেছে। আশা করা যায়, বড় ধরণের কোন প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে ধানের উৎপাদন অনেক ভাল হবে। হাওরসহ সারা দেশের ধান সুষ্ঠুভাবে ঘরে তুলতে পারলে বোরোতে অনেক ভাল ফলন হবে। এছাড়া, শুধু ধান নয়; মাঠে অন্যান্য ফসলের উৎপাদন পরিস্থিতিও ভাল অবস্থায় আছে।
কৃষিমন্ত্রী রবিবার মন্ত্রণালয়ের সম্মেলন কক্ষ থেকে অনলাইনে বার্ষিক উন্নয়ন প্রকল্পের (এডিপি) বাস্তবায়ন অগ্রগতি পর্যালোচনা সভায় এ কথা বলেন। সভাটি সঞ্চালনা করেন কৃষি মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো: মেসবাহুল ইসলাম। এসময় মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাগণ এবং সংস্থাপ্রধানসহ প্রকল্প পরিচালকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের হিসেব অনুযায়ী, এবছর বোরোতে আবাদের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ৪৮ লাখ ৫ হাজার ২০০ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ৪৮ লাখ ৮৩ হাজার ৭৬০ হেক্টর জমিতে। এর মধ্যে হাইব্রিড ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছিল ১১ লাখ ৪ হাজার ৬৩৩ হেক্টর, আবাদ হয়েছে ১২ লাখ ১৩ হাজার ৪৫০ হেক্টর জমিতে। ফলে, গত বছরের তুলনায় এ বছর মোট আবাদ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ ২০ হাজার হেক্টর ও হাইব্রিডের আবাদ বেড়েছে প্রায় ৩ লাখ ২৫ হাজার হেক্টর জমিতে। উল্লেখ্য, এবছর বোরো ধানের আবাদ ও উৎপাদন বৃদ্ধিতে কৃষকদের মাঝে বিনামূল্যে বীজ সহায়তা বাবদ প্রায় ১৪৫ কোটি টাকার প্রণোদনা বিতরণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রিড জাতের ধানের চাষ বৃদ্ধিতে দেয়া হয়েছে প্রায় ৮৫ কোটি টাকার প্রণোদনা। এবছর ২ লাখ হেক্টর বেশি জমিতে হাইব্রিড জাতের ধান চাষের লক্ষ্যমাত্রা ছিল।
কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের এই ছোটো দেশে জনসংখ্যা অনেক বেশি, যা ক্রমশ বাড়ছে। অন্যদিকে শিল্পায়ন, নগরায়নসহ নানা কারণে চাষের জমি দিন দিন কমছে। এই কম জমি থেকেই আমাদের মূল খাদ্য চাল উৎপাদন করতে হবে, চালে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে হবে। একই সাথে, সকল ফসলে স্বয়ংসম্পূর্ণ হতে চেষ্টা করা হচ্ছে, যেটি খুবই চ্যালেঞ্জিং। ভুট্টা, আলু, শাকসবজি, তেল, ডাল ও মসলা জাতীয় ফসলের চাষ ও উৎপাদন বাড়াতে চেষ্টা চলছে। কিন্তু, জমি স্বল্পতার কারণে একটির আবাদ বাড়াতে গেলে অন্যটির কমে যায়। কাজেই, সকল ফসলের উৎপাদন অব্যাহত রাখা ও তা আরও বৃদ্ধি করতে হলে উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধি করতে হবে। উৎপাদনশীলতা বৃদ্ধিতে গবেষক-বিজ্ঞানী, সম্প্রসারণকর্মীসহ সকলকে আরও মনোযোগী হতে হবে।
সভায় জানানো হয়, চলমান ২০২০-২১ অর্থবছরের এডিপিতে কৃষি মন্ত্রণালয়ের আওতায় ৬৮টি প্রকল্পের অনুকূলে মোট ২ হাজার ৪০০ কোটি টাকা বরাদ্দ আছে। ফেব্রুয়ারি ২০২১ পর্যন্ত বাস্তবায়ন অগ্রগতি হয়েছে ৪০.৩৯%। যেখানে জাতীয় গড় অগ্রগতি ৩৩.৮৩%।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ২১, ২০২১ ১২:৪২ অপরাহ্ন
ফেনীতে কৃষি জমির মাটি কাটায় ৩ জনের জরিমানা
কৃষি বিভাগ

ফেনীর দাগনভূঞা উপজেলায় বিক্রির জন্য কৃষি জমির মাটি কাটছেন একটি চক্র। এর দায়ে ভ্রাম্যমান আদালত তিনজনকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করেছেন।

শনিবার (২০ মার্চ) ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা আক্তার তানিয়া এ জরিমানা করেন।

সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের কৃষি জমির মাটি কেটে নিয়ে বিভিন্ন জায়গায় বিক্রি করছে একটি চক্র। এতে করে জমির উৎপাদন ক্ষমতা হ্রাস ও জমির শ্রেণির পরিবর্তন হয়ে যাচ্ছে।

শনিবার ইউএনও নাহিদা আক্তার তানিয়া কৃষি জমির মাটি কাটার বিরুদ্ধে অভিযানে বের হন। এ সময় ইয়াকুবপুর ইউনিয়নের দুধমুখা গ্রামে মাটি কাটার দায়ে খোন্দকার জাকির হোসেনকে ১ লাখ টাকা ও রামনগর ইউনিয়নের সেকান্দরপুরে মাটি কাটার দায়ে জাকির হোসেন এবং আব্দুস সাত্তারকে ৮০ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট জানান, অভিযানে তিনজন থেকে ১ লাখ ৮০ হাজার টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। দণ্ডিতরা এ মাটি কেটে উপজেলার বিভিন্ন ইটভাটায় ও ভিটে মাটির কাজে বিক্রি করে আসছেন বলে জানিয়েছেন। আগামীতে কৃষি জমির মাটি কাটবেন না বলে তারা ভ্রাম্যমাণ আদালতে মুচলেকা দেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop