২:০৮ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ৩০ অক্টোবর , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ৩, ২০২১ ৬:০৫ অপরাহ্ন
বিষমুক্ত সবজির জন্য বিখ্যাত যাত্রাপুর
কৃষি বিভাগ

বাগেরহাটের যাত্রাপুর হাটে কৃষকের উৎপাদিত বিষমুক্ত সবজির খ্যাতি থাকায় দূর-দূরান্ত থেকে আসা ক্রেতাদের ভিড় চোখে পড়ছে। এখানে সব ধরনের সবজির সরবরাহ বেড়েছে। ফলে দামও রয়েছে কমতির দিকে। সপ্তাহে শনি ও মঙ্গলবারের এ হাটে ২ লাখের বেশি টাকার সবজি বেচাকেনা হয়।

ভোর থেকেই জমজমাট বাগেরহাট সদরের যাত্রাপুর হাট। মিলছে মিষ্টি কুমড়া, ঢেঁড়স, গাজর, আলুসহ নানা ধরনের শাকসবজি। বিষমুক্ত খ্যাত এ সবজি হাটে মোল্লাহাট, মোরেলগঞ্জ, ফকিরহাট ও রামপালসহ আশপাশের জেলা থেকেও পাইকাররা আসেন সবজি কিনতে। ভোর সাড়ে ৫টা থেকে সকাল ৮টা পর্যন্ত চলে বেচাকেনা। চলতি সপ্তাহে সরবরাহ ভালো থাকায় সবজির দাম কিছুটা কমতির দিকে বলে জানান বিক্রেতারা।

বিক্রেতারা জানান, বাজারে লাউ, পোটল, ঢেঁড়স নিয়ে এসেছি। দামও ভালো পেয়েছি।

জানা যায় সেখানে মিষ্টি কুমড়া কেজি ১৫ টাকা, ঢেঁড়স ২০ টাকা, বেগুন ২৫ টাকা, লালশাক ৫ টাকা, লালশাক ৫ টাকা, পালন শাক ৪ টাকা, পুইশাক ৭ টাকা, শজনে ২৫ টাকা, গাজর ৭ টাকা, কাঁচাবাজার ৩০ টাকা ও কাঁচকলার হালি বিক্রি হয়েছে ১০ থেকে ১২ টাকা দরে।

এদিকে হাটে যে কোনো ধরনের বিশৃঙ্খলা এড়াতে সতর্ক অবস্থানে থাকার কথা জানান ইজারাদার।

যাত্রাপুর সবজির হাটের ইজারাদার খান পিকলু বলেন, এ হাঁটে সব ধরনের সবজি পাওয়া যায়। ক্রেতা ও বিক্রেতারার ভালো সরগরম হয়। প্রত্যেকের নিরাপত্তায় সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ১০:২৩ পূর্বাহ্ন
পিরোজপুরে কৃষি প্রণোদনার ৬৩ লাখ টাকা বরাদ্দ
কৃষি বিভাগ

জেলার উফশী, বোনা আমন এবং খরিপ-১ মৌসুমের চাষিরা এখন মাঠে ব্যস্ত সময় অতিক্রম করছে। পিরোজপুর জেলায় উফশী জাতের আউশ চাষিদের প্রণোদনা দেয়ার লক্ষ্যে সরকারের কৃষি মন্ত্রণালয় ৬৩ লক্ষ টাকা বরাদ্দ দিয়েছে। এ টাকা থেকে ৭ হাজার ২শত কৃষককে প্রতি বিঘার জন্য ৫ কেজি বীজ, ২০ কেজি ডিএপি এবং ২০ কেজি এমওপি সার বিনামূল্যে প্রদান করা হবে।

চলতি খরিপ-১ মৌসুমে পিরোজপুর জেলার ৭ উপজেলার ৫২ টি ইউনিয়ন ও ৪ টি পৌর এলাকার ২৩ হাজার ৫ শত ৯৬ হেক্টর জমিতে ৯০ হাজার ৮১৬ মেট্রিকটন খরিপ-১ ফসলের উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এর মধ্যে হাইব্রীড, উফশী এবং স্থানীয় জাতের আউশ ১৭৩৭৮ হেক্টরে ৪২৪৬৫ মেট্রিকটন, ২৭৪৮ হেক্টরে বোনা আমন ২৮৩০ মেট্রিকটন, দেশী পাট৭৫ হেক্টরে ১৯১ মেট্রিকটন, তোসা পাট ১২০ হেক্টরে ৩৬০ মেট্রিকটন, মেছতা ১৭০ হেক্টরে ৩৫৭ মেট্রিকটন নির্ধারণ করা হয়েছে। এছাড়া ১৫ হেক্টরে মরিচ ২৭ মেট্রিকটন, ২৮৮০ হেক্টরে বিভিন্ন জাতের সবজি ৪৩৫৭৪ মেট্রিকটন, ৫ হেক্টরে তিল ৫ মেট্রিকটন, ১৯০ হেক্টরে হলুদ ৮৫৭ মেট্রিকটন, ১৫ হেক্টরে আদা ১৫০ মেট্রিকটন চাষ করা হচ্ছে।

পিরোজপুরের কৃষি সম্প্রসারণ উপ-পরিচালক চিন্ময় রায় জানান, আউশ এবং বোনা আমন উৎপাদন বৃদ্ধিতে ধান ক্ষেতে জৈব সার ব্যবহার, সুষম সার ব্যবহার, সঠিক বয়সের চারা সারিতে রোপণ, গুটি ইউরিয়া ব্যবহার, পোকা দমনে পার্চিং এবং আলোর ফাঁদ ব্যবহার করার ব্যাপক প্রশিক্ষণ দেয়া হচ্ছে চাষিদের।

তিনি আরো জানান, বিনামূল্যে সার ও বীজ প্রদানের পাশাপাশি চািষদের সার্বক্ষণিক পরামর্শ প্রদান করছে জেলার সকল পর্যায়ের কৃষি কর্মকর্তারা। তিনি আশা প্রকাশ করে বলেছেন সরকারের এ প্রণোদনা সহায়তার ফলে ক্ষুদ্র ও প্রান্তিক চািষরা খরিপ-১ মৌসুমে চাষাবাদে যথেষ্ট আগ্রহী হবে এবং কৃষির উৎপাদনও বৃদ্ধি পাবে।

এদিকে চলতি অর্থ বছরের আওতায় খরিপ-১ মৌসুমের ১৪৬টি প্রদর্শনী প্লট এর আয়োজন করা হচ্ছে। গোপালগঞ্জ- খুলনা-বাগেরহাট-সাতক্ষীরা ও পিরোজপুরকে নিয়ে কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের কৃষি উন্নয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে আউশ জাত প্রদর্শনী, আউশ ব্লক প্রদর্শনী, পাট প্লট প্রদর্শনী, জৈব কৃষি ও জৈবিক বালাই ব্যবস্থাপনা প্রদর্শনী এবং সবজি প্রদর্শনীসহ পিরোজপুর জেলার জন্য মোট ১৪৬টি প্রদর্শনী শুরু হতে যাচ্ছে।-বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২, ২০২১ ১০:০২ পূর্বাহ্ন
রাজশাহীতে আলু চাষে সফল চাষিরা
কৃষি বিভাগ

অতীতে কোল্টস্টোরেজ ব্যবস্থার স্বল্পতা থাকায় আলু সংরক্ষণে সমস্যা হতো রাজশাহীর আলু চাষিদের। তবে বর্তমানে এ সমস্যার সমাধান হয়েছে। এখন উৎপাদিত আলু হিমাগারে রেখে সুবিধা মতন বিক্রয় করা যায়। পাশাপাশি ভালো দামও পেয়েছেন কৃষকেরা।

রাজশাহী জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর বলছে, গত বছর ৩৫ হাজার ৮৫৫ হেক্টর জমিতে আলুর আবাদ হয়েছিল। আর উৎপাদন হয়েছিল ৮ লাখ ৩০ হাজার মেট্রিক টন। এবার জেলায় জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৩৬ হাজার ৬২৯ হেক্টর। এই হিসাবে আলুর উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে ৮ লাখ ৪০ হাজার মেট্রিক টন।

কিন্তু লক্ষ্যমাত্রা ছাড়িয়ে যাওয়ায় আলু উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা পরবর্তীতে নির্ধারণ করা হয়েছে ৮ লাখ ৭৫ হাজার মেট্রিক টন। সোমবার (২২ মার্চ) পর্যান্ত জেলায় ৩২ হাজার ৫৫০ হেক্টর জমি থেকে আলু উত্তোলন করা হয়েছে। কিছুদিনের মধ্যে বাকি জমি থেকে আলু তোলা সম্পন্ন হবে।

আলুর উৎপাদন ও খরচের বিষয়ে কৃষক ও আলু ব্যবসায়ীরা জানায়, প্রতি বিঘায় এবার আলু চাষে খরচ হয়েছে ৪০ থেকে ৫০ হাজার টাকা। আর উৎপাদন হয়েছে ৮০ থেকে ১১০ মণ করে। প্রতি কেজি আলুর উৎপাদন খরচ পড়েছে ১০ থেকে ১১ টাকা। এর সাথে জমি থেকে আলু উত্তোলন, বাজারজাতকরণে পরিবহন ও শ্রমিক খরচ মিলে প্রতি কেজি আলুর খরচ পড়ছে ১৪ থেকে ১৫ টাকা। আর জেলার স্থানীয় হাট-বাজারগুলোতে খুচরা বিক্রি হচ্ছে ১৮ থেকে ২০ টাকা কেজি দরে।

অন্যদিকে, এ বছর হিমাগার মালিক সমিতি প্রতি বস্তায় ভাড়া নির্ধারণ করেছে ৫০ কেজিতে ১৫০ টাকা করে। এর সাথে শ্রমিক খরচসহ সব মিলিয়ে কৃষক ও ব্যবসায়ীদের কোল্ডস্টোরেজে ভাড়া দিতে হচ্ছে ২০০ টাকা।

তানোর উপজেলার চিমনা গ্রামের দু‘জন কৃষক জানান, তারা দুইজন এ বছর ছয় বিঘা করে জমিতে আলু রোপণ করেছিলেন। সব মিলিয়ে খরচ হয়েছে প্রায় দুই লাখ টাকা। আলু উৎপাদন হয়েছে ৫৫০ মণ। বিক্রি হয়েছে প্রায় তিন লাখ টাকায়। অন্যান্য আলুর তুলনায় ‘ডায়মন্ড’ আলুর আবাদ ও ফলন বেশি হয়েছে বলে জানিয়েছেন তারা।

রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের অতিরিক্ত উপ-পরিচালক উম্মে সালমা জানান, ‘আলু চাষিদের আমরা প্রণোদনা দিয়েছিলাম। আবহাওয়া ভালো ও দাম ভালো থাকায় কৃষক লাভবান হয়েছে। এ বিষয়ে ৯ টি উপজেলায় সার্বক্ষণিক আমাদের কৃষি অফিসাররা দেখভাল করেছেন। কোনো সমস্যা হলে কৃষকের সাথে গিয়ে কথা বলে সমস্যার সমাধানে কাজ করা হয়েছে।’

তিনি আরো জানান, ‘পূর্বে রাজশাহীতে ভালো ফলন হলে কৃষকেরা তা সংরক্ষণ নিয়ে সমস্যায় পড়তেন। ফলে অনেক সময় বাজারে নামমাত্র মূল্যে বেঁচতে হতো অথবা আলু না তুলে মাটিতেই রেখে দিতেন। বর্তমানে এ সমস্যা নেই। রাজশাহী জেলায় বর্তমানে সরকারি-বেসরকারিভাবে মোট ৩৬টি হিমাগার আছে। এই হিমাগারগুলোতে আলু সংরক্ষণ করা যাবে মোট ৮০ লাখ বস্তা। সংরক্ষণের সমস্যাও নিরসন হয়েছে। সব দিক থেকেই কৃষক লাভবান বলে তিনি যোগ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২১ ১০:২৬ অপরাহ্ন
চালের দাম বাড়লেও একদম গরিরেব কষ্ট হয়নি: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

‘আমরা ৫০ লাখ পরিবারকে ১০ টাকা কেজি দরে চাল দেই। চালের দাম বাড়লেও যারা একদম গরিব তাঁদের কিন্তু অত কষ্ট হয়নি। খাদ্য নিয়ে দেশে কিন্তু কোনও হাহাকার হয়নি বলে মন্তব্য করেছেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

বৃহস্পতিবার (১ এপ্রিল) সচিবালয়ে নিজ দফতর থেকে ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে বোরো ধান কাটা কার্যক্রম উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন কৃষিমন্ত্রী ড. আব্দুর রাজ্জাক।

তিনি বলেন, ‘আপনারাও (সাংবাদিকরা) কিন্তু খবর লিখতে পারেননি যে, উত্তরবঙ্গে মঙ্গা হয়েছে, মানুষ না খেয়ে আছে। দুর্ভিক্ষ হলে কিন্তু বাজারে চাল পাওয়া যায় না। এ রকম কিন্তু হয়নি। জেলা পর্যায়ে ওএমএস দেওয়া হয়েছে। কাজেই ও রকম কষ্ট মানুষের হয়নি। কিছু কষ্ট হয়েছে আমরা সেটা স্বীকার করি।’

মন্ত্রী বলেন, ‘এ বছর বোরোর ফলন ভালো হয়েছে। এবার বোরোতে ২ কোটি ৫ লাখ টন চাল উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। বোরো চাল বাজারে এলে দাম স্বাভাবিক হবে।’

আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘দেশে সাড়ে ১৬ কোটি মানুষ। প্রতি বছর ২২ লাখ নতুন মুখ যুক্ত হচ্ছে। এদের মুখে আমাদের অন্ন তুলে দিতে হচ্ছে। ১০ লাখের বেশি রোহিঙ্গাদের খাবার জোগান দিতে হচ্ছে। ডব্লিউএফপি বাংলাদেশ থেকে খাদ্য কিনেই রোহিঙ্গাদের দেয়, বাইরে থেকে আনা হয় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কৃষকের দিকটাও দেখতে হবে। আবার লেখা শুরু হয়েছে, ধানের দাম কমে যাবে কিনা। আমার মনে হয় না, এবার ধানের দামটা সেভাবে কমবে।’

কৃষিমন্ত্রী বলেন, ‘যদি কোনও বড় ধরনের প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হয়, আমরা যদি ধান ঘরে তুলতে পারি, ইনশাআল্লাহ ধান-চালের দাম স্বাভাবিক হয়ে আসবে। মানুষের ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে আসবে।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২১ ১১:০৬ পূর্বাহ্ন
কারখানার বিষাক্ত বর্জ্যে শত শত একর কৃষিজমিতে চাষাবাদ বন্ধ
কৃষি বিভাগ

একটি কারখানার বিষাক্ত বর্জ্য খালে ফেলায় চট্টগ্রামের পটিয়ার আশপাশের দশটি গ্রামের শত শত একর কৃষিজমিতে হচ্ছে না ফসল। এতে করে চাষাবাদ বন্ধ রেখেছেন কৃষকরা। পাশাপাশি দূষিত পানির দুর্গন্ধে লাখো মানুষ চলাফেরা করছেন নাকে রুমাল চেপে।

জানা যায়, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার-আরকান মহাসড়কের পাশ ঘেঁষে পটিয়া উপজেলার জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের নাকের ডগায় ‘ফুলকলি’ নামে একটি কারখানা খালে ইটিপিবিহীন বর্জ্য ফেলছে। এতে জঙ্গলখাইনের নাইখান থেকে মনসা বাদামতল পর্যন্ত আট কিলোমিটারজুড়ে সার্জেন্ট মহি আলম খালের পানি বিষাক্ত হয়ে পড়েছে। পানি নষ্ট হয়ে যাওয়ায় অনেক আগেই মরে গেছে সব মাছ ও অন্যান্য জলজ প্রাণী এবং উদ্ভিদ। এসব পচে এখনো ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ।

খাল এলাকার মানুষ গোসল, সেচ, গৃহস্থালি কাজে খালের পানি ব্যবহার করতে পারছে না। না বুঝে কেউ পানিতে নামলে শরীরে চুলকানি হচ্ছে। এ ছাড়া পানিবাহিত নানা রোগে আক্রান্ত হচ্ছে খাল এলাকার মানুষ। খালটি মহাসড়কের পাশে হওয়ায় প্রতিদিন লাখো যাত্রী দুর্গন্ধে নাকেমুখে রুমাল চেপে চলতে বাধ্য হচ্ছেন।

স্থানীয়দের দাবি, স্থানীয় প্রভাবশালী নেতাদের ম্যানেজ করে চলছে এই কারখানাটি। পরিবেশ অধিদপ্তরের লোকজন প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে যাতায়াত করলেও রহস্যজনক কারণে তারা নীরব দর্শকের ভূমিকা পালন করছেন।

কারখানাটির লাগোয়া ইউনিয়ন কৃষি স্কুল অ্যান্ড কলেজ ও জঙ্গলখাইন ইউনিয়ন পরিষদের কার্যালয়। তারা পরিবেশ অধিদপ্তরে বেশ কয়েকবার অভিযোগ করলেও মাঝেমধ্যে লোক দেখানো অভিযান পরিচালনা করা হয়। কিন্তু এসব অভিযানে স্থানীয় বাসিন্দাদের কোনো উপকার হয়নি। তবে, তরল বর্জ্য পরিশোধনাগার (ইটিপি) অকার্যকর রাখায় ২০১৯ সালে কারখানাটিকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

স্থানীয়রা আরও জানান, ফুলকলি কারখানায় তৈরি করা হয় মিষ্টিজাতীয় বিভিন্ন পণ্য এবং বিস্কুট ও পাউরুটি। কারখানাটির দূষিত বর্জ্য এভাবে ফেলার কারণে সার্জেন্ট মহি আলম খালের পানিসহ চাঁনখালী খাল ও বোয়ালখালী খালের পানিরও একই অবস্থা।

কস্টিক অ্যাসিডের এ মিশ্রণ খালে ফেলায় কয়েক কিলোমিটার এলাকাজুড়ে খালের পানি কালো হয়ে গেছে। খালের দুই তীরে বর্জ্যরে ফেনা জমে কোথাও কালচে, কোথাও লালচে আকার ধারণ করেছে। সাত বছর ধরে বর্জ্যরে পরিমাণ দিন দিন বাড়তে থাকায় এখন খাল-তীরবর্তী মানুষ দুর্গন্ধে এলাকায় টিকতে পারছেন না।

জঙ্গলখাইন ইউপি চেয়ারম্যান গাজী মোহাম্মদ ইদ্রিস জানান, ফুলকলির বর্জ্যরে দুর্গন্ধে ইউনিয়ন পরিষদে কেউ আসে না। আমিও এখানে বসে কাজ করতে পারি না। বিষয়টি প্রশাসনকে জানিয়েও কিছু হয়নি।

ফুলকলি কারখানাটির ব্যবস্থাপনা পরিচালক শাহ আলম জানান, এ রকম সমস্যা সব কারখানাতেই আছে। আমরা পরিবেশসম্মতভাবে কারখানা চালাচ্ছি। এখন কারও কোনো অভিযোগ থাকার কথা না।

ফুলকলিকে বিভিন্ন সময়ে জরিমানা করা হয়েছে। এখনো যদি তারা পরিবেশ দূষণ করেই যায় তাহলে আবার জরিমানা করা হবে বলে গণমাধ্যমকে জানান পরিবেশ অধিদপ্তর চট্টগ্রামের উপ-পরিচালক জমির উদ্দিন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ১, ২০২১ ১০:০৬ পূর্বাহ্ন
বছরব্যাপী সবজি চাষে আগ্রহ বাড়ছে চাষিদের
কৃষি গবেষনা

সবজি একসময় ছিলো কেবল মৌসুমি চাষের অন্তর্ভুক্ত। এখন আর এটি কোন মৌসুমি ফসল না। এখন কৃষকরা সারাবছর এর উৎপাদনের দিকে ছুটছেন। ​সে কারণে বাণিজ্যিকভাবে শাকসবজি চাষে শামিল হচ্ছেন গ্রামের শিক্ষিত যুবকরাও। ফলে চট্টগ্রামসহ দেশব্যাপী শাকসবজির উৎপাদন যেমন বাড়ছে তেমনি বাড়ছে চাষের পরিধিও।

আর এ কারণে চলতি মৌসুমে দেশজুড়ে শুধু শীতকালীন সবজির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা এক কোটি ৩৭ লাখ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছে বাংলাদেশ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর।

জানা যায়, কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট শীতকালীন (রবি মৌসুম), গ্রীষ্ম বা বর্ষা (খরিপ-১ মৌসুম) ও শরৎকালের (খরিপ-২ মৌসুম) জন্য বিভিন্ন উন্নত জাতের শাকসবজির বীজ উদ্ভাবন করায় স্থানীয়ভাবে চাষিদের বছরব্যাপী সবজি চাষে বেগ পেতে হচ্ছে না।

তা ছাড়া উপজেলা পর্যায়ে উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তারা সরাসরি মাঠে চাষিদের পরামর্শ দেয়ায় বছরব্যাপী সবজি চাষ বাড়ছে। চলতি ২০২০-২১ মৌসুমে দেশে পাঁচ লাখ ৮২ হাজার ৯৬২ হেক্টর জমিতে (হেক্টর-প্রতি গড়ে ২৩.৪৪ মেট্রিক টন) সবজির উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে এক কোটি ৩৬ লাখ ৬৫ হাজার ৭০৩ মেট্রিক টন, যা গত বছরের তুলনায় ছয় লাখ মেট্রিক টন বেশি।

​গত বছর দেশব্যাপী পাঁচ লাখ ৭৬ হাজার ৮৫৪ হেক্টর জমিতে (হেক্টর-প্রতি গড়ে ২২.৬৫ মেট্রিক টন হিসাবে) উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হয়েছে এক কোটি ৩০ লাখ ৬৫ হাজার ৭৪৩ মেট্রিক টন। সেখানে শুধু চট্টগ্রাম জেলাতেই গত বছর উৎপাদন হয়েছে ২৭ হাজার ৭৬ হেক্টরে (প্রতি হেক্টরে গড়ে ২৪ মেট্রিক টন হিসাবে) ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৮২৪ মেট্রিক টন সবজি।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর সূত্রে জানা গেছে, গত মৌসুমে চট্টগ্রাম অঞ্চলে (পাঁচ জেলায়) ৫০ হাজার ৮০৯ হেক্টর জমিতে (হেক্টর-প্রতি ২২.৬০ মেট্রিক টন হিসাবে) ১২ লাখ ১৬ হাজার ১১০ মেট্রিক টন হরেক রকম সবজি উৎপাদন হয়েছে বলে জানান কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের সরেজমিন উইংয়ের পরিচালক এ কে এম মনিরুল আলম।

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতর চট্টগ্রাম জেলার উপপরিচালক আকতারুজ্জামান জানান, গত বছর জেলায় প্রায় ২৭ হাজার হেক্টর জমিতে শাকসবজি চাষ হয়েছে। এ বছর সবজি উৎপাদনের লক্ষ্যমাত্রা ছয় লাখ ৪৯ হাজার ৮২৪ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাওয়ার প্রত্যাশা করছেন তিনি। তিনি বলেন, শীতকালীন শাকসবজির মধ্যে এখনো শুধু সবজি তুলছে চাষিরা।

এ দিকে গত বছর দক্ষিণ চট্টগ্রামসহ জেলাজুড়ে গ্রীষ্মকালেও শীতকালীন শাকসবজিতে ভরপুর ছিল বাজার। যে কারণে মহামারী করোনাভাইরাসকে ছাপিয়ে রমজানে এসে ২০ টাকার বেগুন এক লাফে ৮০ টাকার উপরে উঠেছিল। একই সময়ের সাত টাকার টমেটো ২০ টাকায় এবং ২০ টাকার মুলা ৪০ টাকায় বিক্রি হয়।

এ কারণে বছরজুড়ে শাকসবজির চাহিদা বেশি থাকায় উৎপাদিত শাকসবজির দামে খুশি ছিল চাষিরা। এ বছর মার্চের শেষ প্রান্তে সবজির দাম কিছুটা কম থাকলেও একই সবজি রমজান শুরুর আগে গত বছরের মতো দাম বাড়বে এমন প্রত্যাশা এ অঞ্চলের সব চাষি ও পাইকারি-খুচরা সবজি ব্যবসায়ীদের।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১০:২৬ অপরাহ্ন
বাংলাদেশের বেশিরভাগ মানুষ এখনও কৃষির ওপর নির্ভরশীল: কৃষিমন্ত্রী
কৃষি বিভাগ

বাংলাদেশে এখনও বেশিরভাগ মানুষ প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে কৃষির ওপর নির্ভরশীল বলে মন্তব্য করেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক।

কৃষিকে দারিদ্র্য মোচনের সবচেয়ে বড় হাতিয়ার বলে উল্লেখ করে তিনি বলেন, স্বল্প জমিতে ও বাড়ির আঙিনায় গরু-মুরগি পালন, ফলমূল চাষ ও শাকসবজির বাগান স্থাপনসহ বিভিন্ন আধুনিক কৃষিকাজ বৃদ্ধি পেলেই গ্রামীণ মানুষের দারিদ্র্য আরও হ্রাস পাবে।

বুধবার সন্ধ্যায় রাজধানীর তেজগাঁওয়ে বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া স্টুডিওতে আরটিভি আয়োজিত ‘আরটিভি কৃষি পদক ২০২১’ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, কৃষি এখন আর তুচ্ছতাচ্ছিল্য করার পেশা হিসেবে নেই। শিক্ষিত তরুণরা কৃষিখাতে নানা উদ্ভাবন নিয়ে এগিয়ে এসেছে। কৃষিকে ভাগ্যোন্নয়নের অন্যতম সফল হাতিয়ার হিসেবে পরিণত করেছে।

তিনি আরও বলেন, এক সময় মানুষ কৃষিকে তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য করতো। এখন স্বাধীনতার ৫০ বছরের সেই কৃষি প্রমাণ করেছে যে, দেশকে সবচেয়ে এগিয়ে নিয়ে গিয়েছে এই খাত। এছাড়া দেশের পুষ্টি পূরণে কৃষির বিকল্প কোনো কিছু নেই।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এমপি। এতে অন্যদের মধ্যে আরটিভির চেয়ারম্যান মোরশেদ আলম এমপি ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা সৈয়দ আশিক রহমান বক্তব্য রাখেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১:৫৪ অপরাহ্ন
মিষ্টি আলু চাষে ঠাকুরগাঁওয়ের কৃষকের মুখে হাঁসি
কৃষি বিভাগ

ঠাকুরগাঁওয়ের রানীশংকৈল উপজেলায় বছরের পর বছর বাড়িতে পুষ্টির চাহিদা পূরণের জন্য পতিত জমিতে মিষ্টি আলু চাষাবাদ করা হলেও এবার বাণিজ্যিক উদ্দেশ্যে মিষ্টি আলু চাষ করায় কৃষি দপ্তরের পরামর্শ এবং সহযোগিতায় এই এলাকায় নতুন ফসল হিসেবে মিষ্টি আলুর বাম্পার ফলন হয়েছে। বারি-৮, বারি-১২, বারি-১৪ এবং বারি-১৬ জাতের মিষ্টি আলু চাষ করে ভালো ফলন এবং ভালো দাম পেয়ে খুশি এ এলাকার কৃষকরা।

মিষ্টি আলু বাংলাদেশের একটি অবহেলিত ফসল হলেও বেশ কয়েকটি দেশে এটি মানুষের প্রধান খাদ্য। মিষ্টি আলুর গাছ একটি লতানো বিরুৎ। বৈজ্ঞানিক নাম Ipomeoa batatas। এই লতানো উদ্ভিদ অতিরিক্ত ঠান্ডা সহ্য করতে পারে না। উষ্ণ আবহাওয়ায় মিষ্টিআলু অধিক ফলন দেয়।

জানা যায়, দোঁআশ ও বেলে দোআঁশ মাটি মিষ্টি আলু চাষের জন্য উপযুক্ত। মিষ্টিআলু দ্বিবীজপত্রী, তৃণজাতীয় ও বহুবর্ষজীবী লতানো উদ্ভিদ যা সাধারণত বর্ষজীবী হিসেবে চাষ করা। চাষের জন্য লতা কেটে লাগানো হয়। মিষ্টি আলু প্রাকৃতিকভাবে মিষ্টি হয়, যা রক্তে চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে। প্রাকৃতিক চিনি কাজের শক্তি প্রদান করে অবসাদ, ক্লান্তি দূর করে থাকে।

কৃষকরা জানান, উপজেলা কৃষি অফিস থেকে বাড়ির আনাচে-কানাচে ও পতিত জমিতে উন্নত জাতের মিষ্টি আলু চাষে কৃষকসহ কৃষাণিদের উদ্বুদ্ধ করা হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন এলাকায় অগ্রহায়ণ মাসের প্রথম সপ্তাহে থেকে শুরু হয় মিষ্টি আলুর চারা বপন। ফালগুন মাসের তৃতীয় সপ্তাহে থেকে মিষ্টি আলু মাটির নিচে পরিপক্ক হয়। আর চৈত্র ও বৈশাখ মাস আলু তোলায় ব্যস্ততা থাকে চাষিরা।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ সঞ্জয় দেবনাথ জানান, মিষ্টি আলু খেতে সুস্বাদু এবং উচ্চ পুষ্টিগুন সম্পন্ন। এবার এ ফসল এলাকায় ব্যাপক আগ্রহ সৃষ্টি করেছে। তেমন খরচ নেই বললেই চলে। কম খরচে এবং অল্প পরিশ্রমে এ ফসল চাষে আর্থিকভাবে ভালো লাভবান হওয়া যায়।

আগামী মৌসুমে এ ফসল যেন এবারের চেয়ে বেশি চাষাবাদ হয় সেজন্য আমরা কৃষকদের উদ্বুদ্ধ করবেন বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১২:৪৭ অপরাহ্ন
লিচুর মাইট (মাকড়) রোগ ও প্রতিকার
কৃষি বিভাগ

লিচু বাংলাদেশের অন্যতম জনপ্রিয় একটি ফল। উত্তরবঙ্গে উন্নত জাত ও সুস্বাদু লিচুর জন্যে পরিচিত। যদিও আমাদের আবহাওয়া লিচু চাষের জন্যে উপযুক্ত, তথাপি এই দেশে লিচু চাষ এখনো জনপ্রিয় হয়ে ওঠেনি তেমন।
লিচুর তেমন কোনো মারাত্মক রোগ দেখা যায় না। তবে আর্দ্র ও কুয়াশাযুক্ত আবহাওয়ায় পুষ্পমঞ্জুরি পাউডারি মিলিডিউ ও অ্যানথ্রাকনোজ রোগে আক্রান্ত হতে পারে। তা ছাড়া অনেক সময় ছত্রাকজনিত রোগের কারণে ফল পচে যায়।

মাইট লিচুর অন্যতম শত্রু পোকা। মাকড়সা জাতীয় এই পোকা আকারে খুব ছোট হয়।

ক্ষতির স্থান ও লক্ষণ

মাকড় জাতীয় এ পোকা লিচু গাছের নতুন পাতায় আক্রমণ করে এবং পাতার রস চুষে খেয়ে পাতা কুঁকড়ে ফেলে। আক্রান্ত পাতায় গল তৈরি হয়ে থাকে। আক্রান্ত পাতায় মখমলের মত লালচে বাদামী দাগের সৃষ্টি হয়ে থাকে।পুষ্প মঞ্জুরি, ফুলের কুড়ি এবং ছোট ফলও এরা ক্ষতি করে থাকে। অতি মাত্রায় লিচু মাইটের আক্রমণ হলে ব্যাপকভাবে ফলন কমে যায়। এদের আক্রমণ প্রায় সারা বছরই থাকে। নভেম্বর- ফেব্রুয়ারি মাসে আক্রমণ অপেক্ষাকৃত কম থাকে। এপ্রিল – মে মাসে এদের সংখ্যা বেশি থাকে। পূর্ণ বয়স্ক মাকড় আক্রান্ত পাতায় ফেব্রুয়ারি – মার্চ এবং জুন- জুলাই মাসে দেখা যায়।

প্রাকৃতিক শত্রু দ্বারা বালাই দমন
বাংলাদেশ এ তিন ধরণের মাকড়সা (Tetranychus spp) পাওয়া গেছে যা দ্বারা প্রাকৃতিকভাবে মাইটকে দমন করা সক্ষম। প্রকৃতিতে অনেক বল্লা রয়েছে যারা মাজরা পোকার দমনে সহায়তা করে থাকে।

ব্যবস্থাপনাঃ

১। আক্রান্ত পাতা সংগ্রহ করে মাটিতে পুতে ফেলা ।

২। জৈব বালাইনাশক ব্যবহার করা যেমন: নিমবিসিডিন (০.৪%) হারে ব্যবহার করা।

৩। মধ্য ভাদ্র হতে কার্তিক মাস এবং মাঘের শেষ হতে ফাল্গুন মাস পর্যন্ত গাছে ২-৩ বার অনুমোদিত মাকড়নাশক যেমন: থিওভিট বা কুমুলাস বা রনভিট ২ গ্রাম প্রতি লিটার পানিতে মিশিয়ে স্প্রে করা।

এপ্রিল – মে মাসে লিচুর মাইটের (মাকড়) আক্রমণ পাওয়া গেলে কেলথেন ৪০ এমএফ অথবা নিউরণ ৫০০ ইসি অথবা টারকিউ ৫০ ইসি অথবা ওয়েটেবুল সালফার ২ মিলি প্রতি লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ফুট পাম্প অথবা ভলিউম পাওয়ার স্প্রেয়ার দিয়ে ভালভাবে ভিজিয়ে দিতে হবে।

কান্ড ও ফলের মাজরা পোকা দমনের পূর্বে জরিপ করে দেখতে হবে কি পরিমাণ লিচু পোকা দ্বারা আক্রান্ত হয়েছে। পোকার আক্রান্ত ব্যাতীত ফল রক্ষার জন্য বালাইনাশক প্রয়োগ যে খরচ হবে, তা যদি ফল বিক্রি করার পর বেশি মুল্য পাওয়া না যায় সে ক্ষেত্রে বালাইনাশক স্প্রে না করাই ভাল।সাইপারমেথ্রিন(রিপকর্ড/সিমবুশ/বাসাথ্রিন/এরিভো/অন্যান্য) ১০ ইসি ১ এমএল প্রতি লিটার পানির সাথে মিশিয়ে ফল পাকার ১৫/২০ দিন পূর্বে লিচু ফলের মাজরা পোকা দমনের জন্য প্রয়োগ করা যেতে পারে।

করনীয়
১। ফল সংগ্রহ শেষ হলে গাছের মরা ডালপালা, ফলের বোটা, রোগ বা পোকা আক্রান্ত ডাল পালা ও অতিঘন ডাল পালা ছাটাই করে পরিস্কার করে দিন ।

২। পরিস্কার করার পর একটি ছত্রাক নাশক ও একটি কীটনাশক দ্বারা পুরো গাছ ভালভাবে স্প্রে করুন ।

৩। নিয়মিত বাগান পরিদর্শন করুন।

সাবধানতাঃ

বাগান অপরিচ্ছন্ন রাখবেন না ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মার্চ ৩১, ২০২১ ১২:০৮ অপরাহ্ন
আমেরিকার “ফাইটোপ্যাথলজি নিউজ ইভেন্ট” এ উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব নিয়ে গবেষণার স্বীকৃতি পেলেন খুবির শিক্ষক
কৃষি গবেষনা

উদ্ভিদ রোগতত্ত্ব বিষয়ক গবেষণা প্রকাশের জন্য বিখ্যাত আমেরিকার প্রকাশনা সংস্থা ” আমেরিকান ফাইটোফ্যাথলজি এসোসিয়েশন” তাদের ২০২০-২০২১ সেশনের “ফাইটোপ্যাথলজি নিউজ ইভেন্ট ” এ স্টুডেন্ট ক্যাটাগরি থেকে উদ্ভিদ
রােগতত্ত্বের উপরে গবেষণায় বিশেষ অবদান রাখার জন্য যুক্তরাষ্ট্রের ওয়াশিংটন স্টেট ইউনিভার্সিটি থেকে পিএইচডি করা খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের সহযােগী অধ্যাপক ড. শিমুল দাস-কে মনােনয়ন করে তার গবেষণালব্ধ আবিষ্কার নিয়ে ফিচার করেছে। তিনি তার পিএইচডি
গবেষণায় শীম জাতীয় সবজির সবচেয়ে
বিধ্বংসী রােগ বিন কমন মােজাইক ভাইরাস’ ও ‘কাউপি মাইল্ড মটল ভাইরাস রােগের সম্পূর্ণ জেনেটিক মেকআপ এক্সপ্লোরসহ তাদের প্রত্যেকটি জীনের “NT” ও “AA” ম্যাপিং করেছেন যা বাংলাদেশ ও আমেরিকার কৃষির জন্য এক যুগান্তকারী আবিষ্কার। তার এ গবেষণার মাধ্যমে উপরােক্ত দুটি ভাইরাসের লােকাল ও সিস্টেমিক মুভমেন্টসহ তাদের জেনেটিক লেভেলে প্রতিরােধ করার দ্বার উন্মুক্ত হয়েছে।

তিনি তার অন্য একটি গবেষণায় লেনটিল জাতীয় ডালের জার্মপ্লাজমের জেনােম ওয়াইড অ্যাসােসিয়েশন এনালাইসিসের (GWAS) মাধ্যমে Insect Vector এপিড বাহিত ভাইরাস রােগ বিন লিফ রােল ভাইরাস’ ও ‘পি এনেশন মােজাইক ভাইরাস এর বিপরীতে ১৩টি সিগিনিফিক্যান্ট
SNPs এবং ১৭টি ক্যান্ডিডেট জীন ডিসকভার করেছেন যা আমেরিকা ও বাংলাদেশের লেনটিল ক্রপ ইমপ্রুভমেন্ট গবেষণার জন্য একটি মাইলফলক। আর তার এই গবেষণালব্ধ কাজের স্বীকৃতিস্বরূপ বিগত বছরের ন্যায় এ বছর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা
প্রতিষ্ঠানের মধ্য থেকে উদ্ভিদ রােগতত্ত্ব বিষয়ে উদীয়মান ও প্রমিসিং সাইনটিস্টের স্বীকৃতিস্বরূপ ড. শিমুল দাসকে তাদের ম্যাগাজিনে হাইলাইট করেছেন।

সূত্র : খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ফেইসবুক পেজ

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop