২:৪০ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ২৬ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ৫:১৯ অপরাহ্ন
মুরাদনগরে ভুল চিকিৎসায় মারা গেলো ৩টি গরু!
প্রাণিসম্পদ

কুমিল্লার মুরাদনগর উপজেলার বাঙ্গরা বাজার থানাধীন যোগিরখিল গ্রামে সুমি আক্তার উদ্যোক্ত হওয়ার ইচ্ছা থেকে তিনটি বকনা বাছুর দিয়ে খামার শুরু করেন। কিন্তু ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্টের কোন প্রশিক্ষণ না থাকা আলম সামসের ভুল চিকিৎসায় স্বপ্ন ভেস্তে যায় সুমি আক্তারের। ভুল চিকিৎসার কারণে মারা যায় তার তিনটা গরু।

অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, যোগিরখিল গ্রামের প্রবাসী জসিম উদ্দিনের স্ত্রী সুমি আক্তার গরুর কৃমিনাশক ওষুধ নিতে গত ৩১ মে বিকাল আনুমানিক ৫টায় দৌলতপুর গ্রামের আলম সামসের ফার্মেসীতে যায়। কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়ার পর গত বুধবার বিকেলে আবারো ওই ফার্মেসীতে গিয়ে লিভারটনিক ও ভিটামিন ওষুধ আনে। ওইদিন সন্ধ্যায় ওষুধ খাওয়ানোর পর পরই গরুগুলো ঢলতে শুরু করে এবং কিছুক্ষণের মধ্যেই গরুগুলো মারা যায়।

উদ্যোক্তা হওয়ার স্বপ্ন দেখা সুমি আক্তার কান্না জানান, আমি আমার গরুগুলোকে নিয়ে সবসময় ব্যস্ত থাকতাম। ভেবে ছিলাম খামারি হবো, কিন্তু সে স্বপ্ন ভেঙে টুকরো টুকরো হয়ে গেল। সব শেষ করে দিল ভন্ড চিকিৎসক।

খোঁজ নিয়ে জানা যায়, ফার্মেসী মালিক আলম সামসের ড্রাগ লাইসেন্স ও ফার্মাসিস্টের কোন প্রশিক্ষণ নেই।

এ ব্যাপারে বৃহস্পতিবার সকালে সুমি আক্তার বাদী হয়ে দৌলতপুর গ্রামের ছামছুল হকের ছেলে ফার্মেসী মালিক আলম সামসের বিরুদ্ধে বাঙ্গরা বাজার থানায় একটি অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বিষয়টির ব্যাপারে কথা বলার জন্য অভিযুক্ত ফার্মেসী মালিক আলম সামসের সাথে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করেও মোবাইল ফোন বন্ধ থাকায় কথা বলা সম্ভব হয়নি।

বাঙ্গরা বাজার থানার ওসি কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ১১:৫৯ পূর্বাহ্ন
ঠাকুরগাঁও সীমান্ত দিয়ে আসছে ভারতীয় গরু
প্রাণিসম্পদ

ঠাকুরগাঁওয়ের জেলার ভারতীয় বিভিন্ন সীমান্ত দিয়ে প্রায় প্রতি রাতের আঁধারে ভারতীয় গরু ঢুকছে অভিযোগ সীমান্তবাসীদের। এসব ভারতীয় গরু পৌঁছে যাচ্ছে উপজেলার লাহিড়ী বাজার হাট, নেকমরদ হাটসহ বিভিন্ন হাট বাজারগুলোতে। দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত গরু ব্যবসায়ীরা ঠাকুরগাঁওয়ে আসছেন গরু কিনতে।

করোনার বিস্তার রোধে সীমান্তগুলোতে নজরদারী বৃদ্ধি করা হয়েছে এমন দাবী বিজিবি’র। জেলা প্রশাসন ও থানা পুলিশের পক্ষ থেকে সচেতনতা বৃদ্ধির জন্য প্রচার-প্রচারণার পাশাপাশি বাজার মনিটরিং জোরদার করা হয়েছে। কিন্তু করোনা ভাইরাসের বিস্তার রোধে এখনো সীমান্ত দিয়ে গরু প্রবেশ বন্ধ হচ্ছে না।

এলাকাবাসীরা জানান, পাচারকারীদের মাধ্যমে করোনা ভাইরাস ঠাকুরগাঁওয়ের সীমান্ত এলাকাগুলোতে আসতে পারে। কেন গরু আসা বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না তা বোধগম্য নয়।

ঠাকুরগাঁও ৫০ বিজিবির অধিনায়ক লে: কর্ণেল শহিদুল ইসলাম (পিএসসি) জানান, ইতোমধ্যে সীমান্তে করোনা বিষয়ক প্রচারণা করাসহ সীমান্তবাসীদের জানানো হয়েছে যে, কোনো রকম অনুপ্রবেশ লক্ষ্য করলেই তারা যেন বিষয়টি আমাদেরকে দ্রুত অবহিত করেন।

ঠাকুরগাঁও জেলা প্রশাসক ড. কামরুজ্জামান সেলিম জানান, করোনা ভাইরাসের বিস্তাররোধে সকলকে সচেতন থাকতে হবে।
সীমান্ত দিয়ে ভারতীয় গরু আসা বন্ধ করার বিষয়ে সকল রকমের নির্দেশনা দেয়া হয়েছে। এ ব্যাপারে গাফিলতি পরিলক্ষিত হলে যথাযথ ব্যবস্থা নেয়া হবে। বিজিবি ও ইউএনও এর সঙ্গে কথা বলে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার ব্যবস্থা করছি বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩, ২০২১ ৬:৩৩ অপরাহ্ন
পাথরঘাটায় হরিণের মাংস জব্দ, আটক-১
প্রাণিসম্পদ

বরগুনার পাথরঘাটা উপজেলায় ২০ কেজি হরিণের মাংসসহ গোলাম সরোয়ার হাওলাদা (৫০) নামে এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ জুন) ভোর ৫টার দিকে উপজেলার চরদুয়ানী ইউনিয়নের দক্ষিণ চরদুয়ানীর বলেশ্বর নদের পাড় থেকে আটক করা হয়।

আটক গোলাম সরোয়ার হাওলাদার উপজেলার সদর ইউনিয়নের বাদুরতলা এলাকার মফিজ উদ্দিন হাওলাদারের ছেলে। এ সময় ইউনুস হাওলাদার, ছগির চৌকিদার ও ফিরোজ হাওলাদার পালিয়ে যায় বলে জানায় পুলিশ।

আটক গোলাম সরোয়ার জানান, তিন দিন আগে তাকে ইউনুস ও ছগির বাবুর্চি হিসেবে ট্রলারে কাজ করার জন্য নদীতে মাছ শিকার করতে নিয়ে যায়।

পরে সুন্দরবনের পাশে ট্রলারসহ তাকে রেখে ইউনুস, ছগির ও ফিরোজ চারটি হরিণ শিকার করে নিয়ে আসে। এ বিষয়ে তিনি কিছুই জানেন না বলেও জানান।

পাথরঘাটা থানার ওসি মো. আবুল বাশার জানান, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে খবর পেয়ে পাথরঘাটা থানার এসআই (উপপরিদর্শক) রাজেত আলী দক্ষিণ চরদুয়ানী এলাকায় অভিযান চালায়। এ সময় ওই এলাকার সেলিম মৃধার স’মিলের (করাতকল) পাশ থেকে গোলাম সরোয়ারকে আটক করে বস্তা থেকে ২০ কেজি হরিণের মাংস জব্দ করেন।

তখন ইউনুস, ছগির ও ফিরোজ পুলিশের উপস্থিতি টের পেয়ে পালিয়ে যায়। আটক গোলাম সরোয়ারের বিরুদ্ধে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে মামলা করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৩, ২০২১ ৫:৫৩ অপরাহ্ন
করোনায় মারা গেলেন উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মেহেদী
প্রাণিসম্পদ

করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (লাইভস্টক) ক্যাডারের ৩০তম ব্যাচের কর্মকর্তা ডা. মেহেদী হাসান সুমন (৩৯)। তিনি ময়মনসিংহ মুক্তাগাছা উপজেলায় প্রাণিসম্পদ দফতর এবং ভেটেরিনারি হাসপাতালে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত ছিলেন।

বুধবার (২ জুন) রাতরাত ৯টা ৪০মিনেটে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ (মমেক) হাসপাতালের করোনা ইউনিটের সিসিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান তিনি।

মেহেদী হাসানের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। তারা নিহত ডা. মেহেদী হাসান সুমনের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শোক প্রকাশ করে বলেন, ডা. মেহেদী হাসান সুমন ছিলেন একজন তরুণ মেধাবী কর্মকর্তা। কর্মক্ষেত্রে তিনি দক্ষতা ও সুনামের সাথে অর্পিত দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে এ ক্ষণজন্মা কর্মকর্তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব শোক প্রকাশ করে বলেন, ডা. মেহেদী হাসান সুমনের মত বিনয়ী ও জনবান্ধব কর্মকর্তার মৃত্যু দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের বিরাট ক্ষতি। তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গভীর ভাবে শোকাহত।

জানা যায়, জামালপুর সদরের নুরুন্দি এলাকার বাসিন্দা মেহেদী হাসান সুমন বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৯৯৯-২০০০ ব্যাচের শিক্ষার্থী ছিলেন। পরে ৩০তম বিসিএসে ক্যাডারপ্রাপ্ত হন এই কর্মকর্তা। সবশেষ মুক্তাগাছা উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব পালন করছিলেন তিনি। তিনি স্ত্রী, ৫ বছর বয়সী এক মেয়ে ও ১৬ মাস বয়সী এক ছেলেসন্তান রেখে গেছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১১:৩৫ অপরাহ্ন
জামালপুরের অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে ১৯১টি গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রণালয়ের অর্থায়নে পল্লী উন্নয়ন একাডেমি বগুড়া কর্তৃক বাস্তবায়িত ‘কুড়িগ্রাম ও জামালপুর জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দারিদ্র্য হ্রাসকরণ প্রকল্পের’ আওতায় ক্রয়কৃত ১৯১টি গরু জামালপুরের দেওয়ানগঞ্জ উপজেলার অতি দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মাঝে বিতরণ করা হয়। উপজেলার পৌর শহরের গোহাটি থেকে এসব গরু ক্রয় করা হয়।

মঙ্গলবার (১ জুন) দুপুর থেকে রাত প্রায় ৮টা পর্যন্ত এসব গরু প্রান্তি জনগোষ্ঠির মাঝে বিতরণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সুবিধাভোগীদের পছন্দ অনুযায়ী বাছাই করে করে ৩৫ থেকে ৪০ হাজার টাকার মধ্যে প্রতিটি গরু ক্রয় করে দরিদ্রদের মাঝে প্রদান করা হয়। যেসব গরু ৪০ হাজার টাকার নিচে ক্রয় করা হয়, গরুসহ বাকি টাকা তাদের হাতে হাতে বুঝিয়ে দেওয়া হয়। ওজন মাপার যন্ত্র দিয়ে পরিমাপ করে গরু ক্রয় করা হয়। দেওয়ানগঞ্জ গো-হাট থেকে বাছাইয়ের মাধ্যমে ক্রয় করে বিনা মূল্যে এসব গরু বিতরণ করা হয়।

সুবিধাভোগীরা জানান, বিনা মূল্যে গরু পেয়ে আনন্দিত তারা। অনেকে বলেন, আমাদের জীবনে এত সুন্দর উপহার কেউ দেয়নি। অন্যান্য সরকারি সুবিধা নিতে যেখানে ঘুষ দিতে হয়, এই গরু নিতে আমাদের একটা পয়সাও খরচ করতে হয়নি। আমাদের ডেকে নিয়ে গরু দেওয়া হয়েছে, এই গরু লালন-পালন করে আমাদের অভাব দূর হবে। আল্লাহ যেন শেখ হাসিনাকে অনেক বছর বাঁচায়ে রাখেন।

প্রকল্পের পরিচালক (উপসচিব) জাহেদুল হক জানান, ‘জামালপুর জেলার ইসলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ, মেলান্দহ, মাদারগঞ্জ- এই ৪টি উপজেলায় এবং কুড়িগ্রাম জেলার কয়েকটি উপজেলায় অতিদরিদ্রদের মাঝে এসব গরু বিতরণ করা হচ্ছে। আমাদের উদ্দেশ্য হচ্ছে দারিদ্র্য হ্রাসকরণ এবং নারীর ক্ষমতায়ন।’

প্রকল্পের উপপরিচালক শেখ মেহেদী মুহাম্মদ জানান, ‘দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ২ হাজার ৭৯০টি গরু বিতরণ করা হবে। কয়েকটি ইউনিয়নে আগেই বিতরণ করা হয়েছে। বিবিএস ২০১৬-এর জরিপ তালিকা অনুযায়ী উপজেলার চুকাইবাড়ী ইউনিয়নের ১৯১টি গরু বিতরণ করা হয়েছে, গত সপ্তাহে ৫৪টি গরু বিতরণ করা হয়েছিল, এই ইউনিয়নে মোট ৩১৫টি গরু বিতরণ করা হবে। সুন্দরভাবে গরু বিতরণ করতে পেরে আমরা আনন্দিত।’

গরু ক্রয় এবং বিতরণ কার্যক্রমে উপস্থিত ছিলেন – পল্লী উন্নয়ন একাডেমি জামালপুরের প্রকল্প পরিচালক (উপসচিব) জাহেদুল হক চৌধুরী, উপপরিচালক শেখ মেহেদী মোহাম্মদ, বাহাদুরাবাদ ইউপি চেয়ারম্যান মো. সাকিরুজ্জামান রাখাল, দেওয়ানগঞ্জ পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের ম্যানেজার মোজাম্মেল হোসেন, চুকাইবাড়ী ইউপি চেয়ারম্যান সেলিম খান, স্থানীয় সমাজকর্মী মুজাহিদুল ইসলাম আঞ্জু , ভেটেরিনারি সার্জন এ কে এম আতিকুর রহমান, সহকারী প্রগ্রাম অফিসার মানজুর আহমেদ। কালের কণ্ঠ’র প্রতিনিধি তারেক মাহমুদ, যুগান্তরের মদন মোহন ঘোষ, ভোরের কাগজের বিল্লাল হোসেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১০:১২ অপরাহ্ন
‘দুগ্ধ শিল্পে বিনিয়োগকারীদের স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে ঋণ দেওয়া হবে’
প্রাণিসম্পদ

দুগ্ধ শিল্পে বিনিয়োগকারীদের স্বল্প সুদে ও সহজ শর্তে সরকার ঋণ দেবে বলে জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (০১ জুন) রাতে বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ২০২১ উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগ আয়োজিত ওয়েবিনারে রাজধানীর বেইলি রোডের সরকারি বাসভবন থেকে সংযুক্ত হয়ে প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ কথা জানান।

এসময় তিনি বলেন, “গুঁড়ো দুধ আমদানি সরকার নিরুৎসাহিত করছে। যারা গুঁড়ো দুধের শিল্প বাংলাদেশে স্থাপন করতে চান তাদের যন্ত্রপাতি আমদানিতে উৎসে কর এবং অপরাপর সমস্যা দূর করে দেওয়া হবে। প্রয়োজনে এ শিল্পকে প্রাথমিক অবস্থায় কর অবকাশ সুবিধা প্রদানের জন্য ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। এ খাতের উদ্যোক্তাদের আয়কর সুবিধা প্রদানের বিষয়টিও বিবেচনা করা হবে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা চান বেসরকারি উদ্যোক্তারা এগিয়ে আসুক। এজন্য তিনি দেশে বিশেষ অর্থনৈতিক অঞ্চল গড়ে তুলছেন।”

তিনি আরো বলেন, “প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রাণিসম্পদ খাতকে এগিয়ে নিতে চান। কারণ এ খাত এগিয়ে গেলে বেকারত্ব দূর হবে, উদ্যোক্তা তৈরি হবে, গ্রামীণ অর্থনীতি সচল হবে এবং এ খাত থেকে উৎপাদিত সামগ্রী খাবারের বড় যোগান দেবে। পুষ্টি চাহিদা পূরণ করে দেশের মানুষের গড় আয়ু বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখবে।”

ওয়েবিনারে মন্ত্রী আরো যোগ করেন, “কোভিডকালে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় কখনো বন্ধ রাখা হয়নি। আমরা কন্ট্রোল রুম করেছি, ভ্রাম্যমান বিক্রয় কেন্দ্র চালু করেছি। অনলাইন বিক্রির ব্যবস্থা চালু করেছি। প্রাণিসম্পদের খাদ্য আমদানি ও পরিবহণ সচল রেখেছি। এভাবে করোনাকালে খামারি, খামার ব্যবস্থাপনায় সম্পৃক্ত ব্যক্তি এবং সুফলভোগীদের সমন্বিত জায়গায় আনা হয়েছে। এ কারণে এ খাতে ভয়াবহ ক্ষতির যে আশংকা ছিল তা বাস্তবে রূপ নেয়নি। করোনায় ক্ষতিগ্রস্ত প্রায় ৪ লক্ষ খামারিকে ৫৫৪ কোটি টাকা আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে এবং আরও প্রায় ২ লক্ষ খামারিকে প্রায় ২৯২ কোটি টাকা আর্থিক প্রনোদনা দেয়ার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।”

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ডেইরি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. রায়হান হাবিবের সভাপতিত্বে এবং অধ্যাপক ড. সোহেল রানা সিদ্দিকীর সঞ্চালনায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. লুৎফুল হাসান, প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ডাঃ শেখ আজিজুর রহমান, মিল্কভিটার ব্যবস্থাপনা পরিচালক অমর চান বণিক, বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ও বর্তমান শিক্ষক ও গবেষকবৃন্দ এবং ডেইরি খাতের বিশেষজ্ঞ ও উদ্যোক্তাগণ ওয়েবিনারে অংশগ্রহণ করেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ৯:১৫ অপরাহ্ন
গবাদি পশুর দুর্গন্ধে ভোলার পরিবেশ দূষণের শঙ্কা
প্রাণ ও প্রকৃতি

ঝড়ের কবলে মারায় পশুদের গত ৭ দিনেও অপসারণ না করায় পচন ধরে দুর্গন্ধের সৃষ্টি হয়েছে।শুধু তাই নয়, মৃত পশু-পাখির দুর্গন্ধের কারণে চরাঞ্চলের পরিবেশ দূষিত হচ্ছে অন্যদিকে রোগব্যাধি ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা করা হচ্ছে। তাই দ্রুত এসব মৃত পশু অপসারণের দাবি জানিয়েছেন চরবাসী।

এলাকাবাসী জানায়, ঝড়ে মৃত গবাদি পশু ও পাখি চরাঞ্চলের বাগানে, রাস্তার পাশে, গভীর জঙ্গলে, ফসলের ক্ষেতে এবং পুকুর-খাল এবং নদীতে ভাসছে। এসব মৃত পশু থেকে প্রতিনিয়ত ছড়িয়ে পড়ছে দুর্গন্ধ। এতে পরিবেশের ক্ষতিকর আশঙ্কা করা হচ্ছে।

জানা যায়, জেলার ৩০টি চরে প্রাণিসম্পদের ক্ষতি হয়েছে। এরমধ্যে ঢালচর, চর নিজাম, কুকরি-মুকরি, চর মোজাম্মেল, চর নজরুল, চর জহিরুল উদ্দিন, চর হাসিনা, কলাতলীর চর, বদনার চর, চর পিয়াল, চর সামসুদ্দিন, মাঝের চর, মদনপুর, ভেলুমিয়ার চর, চর পাতিলা এবং চর তাড়ুয়ার ক্ষতি বেশি।

জেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তরের হিসেবে, এসব চরে ৯৪টি গরু, ৯৭টি মহিষ, ৪৫টি ছাগল, ১৭৬টি ভেড়া, ৮ হাজার ১৮৪টি মুরগি এবং ৩ হাজার ৮৪টি হাঁস মারা গেছে।

অন্যদিকে, জোয়ারে ভেসে নিখোঁজের রয়েছে ৫ হাজার ৫৮৭টি গরু, ৩ হাজার ৬৫৯টি মহিষ, ১১ হাজার ৬১২টি ছাগল, ২৫১টি ভেড়া, ৪০ হাজার ৭৫৯টি মুরগী এবং ১৭ হাজার ১২৩টি হাঁস।

ঢালচর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুস সালাম হাওলাদার জানান, ঝড়ে ঢালচরে অন্তত অর্ধশতাধিক গবাদি পশুর মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে বিভিন্ন এলাকায় ১২টি গরু-মহিষ বিভিন্ন এলাকায় পড়ে থাকতে দেখা গেছে। মৃত পশু দুর্গন্ধ ছড়িয়ে পড়েছে। প্রাণিসম্পদ বিভাগের কর্মকর্তা এসব পশু অপসারণে কোনো উদ্যোগ বা পরামর্শ দিচ্ছেন না।

বিভাগীয় বন কর্মকর্তা তৌফিকুল ইসলাম জানান, মৃত গবাদি পশু পাখির কারণে আমাদের বনের বন্যপ্রাণির মধ্যে প্রভাব পড়ার সম্ভাবনা থাকলেও তা খুবই কম। আমরা বিষয়টি পর্যবেক্ষণে রাখছি। তবে এতে পরিবেশের ক্ষতি আশঙ্কা করা হচ্ছে। পানিও দূষিত হয়ে পড়বে। তাই এসব মৃত পশু অপসারণ জরুরি।

জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ইন্দ্রজিৎ কুমার মণ্ডল জানান, চরে যেসব গরু-মহিষ, ছাগল এবং পশু-পাখি মারা গেছে, সেগুলো দ্রুত অপসারণের জন্য আমরা দ্রুত নির্দেশনা দিয়েছি, মৃত পশু মাটি চাপা দেওয়ার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে। প্রতিটি ইউনিয়নে আমাদের কর্মীরা কাজ করছে। পরিবেশ যাতে দূষিত না হয়, তাই দ্রুত অপসারণ হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১১:৩৭ পূর্বাহ্ন
বগুড়ায় বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ও দুগ্ধ সপ্তাহ পালন
প্রাণিসম্পদ

বিশ্ব দুগ্ধ দিবস ও দুগ্ধ সপ্তাহ উপলক্ষে বগুড়া জেলা প্রাণি সম্পদ দপ্তর বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করেছে। ৭দিন ব্যাপি কর্মসূচির প্রথম দিন আজ মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে জুম এ্যাপের মাধ্যমে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। আলোচনা শেষে দুপুরে বগুড়া সরকারি শিশু পরিবারের শিশুদের দুধ পান করানো ও তাদের গেঞ্জি প্রদান করা হয়।

অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি বগুড়া জেলা প্রশাসক মো: জিয়াউল হক শিশুদের দুধ পান করান। এসময় জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকতা ডা: মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম তালুকদার, সমাজসেবা কার্যালয় বগুড়ার উপ-পরিচালক আবু সাঈদ মো: কাওছার রহমান, কৃত্রিম প্রজনন বগুড়া অঞ্চলের উপ-পরিচালক ডা: মো: সাজেদুল ইসলাম, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিজুর রহমান, অতিরিক্ত জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকতা ডা: মাসুদুর রহমান, ভেটেনারি সার্জন ডা: সাইদুল ইসলাম, সরকারি শিশু পরিবারের উপ-তত্বাবধায়ক রীপা মোনালিসাসহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন। এর আগে জুম এ্যাপে আলোচনা সভায় জেলা প্রশাসকসহ অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আব্দুর রশিদ (অপরাধ), সদর উপজেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা: আব্দুস সামাদ, জেলা ডেইরি ফার্ম এসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক মুক্তার হোসেন খান অংশগ্রহণ করেন।

৭দিন ব্যাপি কর্মসূচিতে দুগ্ধজাত পণ্য বহুমুখিকরণ পরামর্শ, শিশুদের মাঝে গেঞ্জি ও দুধ বিতরণ, গবাদি পশুর জন্য বিনামূল্যে চিকিৎসা ক্যাম্প, বিনামূল্যে কৃমিনাশক বিতরণ ও টিকা প্রদানসহ সমাপনী দিনে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ করা হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২, ২০২১ ১০:৫৬ পূর্বাহ্ন
আখাউড়ায় ৩ গরু চোরকে গণধোলাই দিয়ে পুলিশে দিল জনতা
প্রাণিসম্পদ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় তিন গরু চোরকে আটক করে গণধোলাই দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দিয়েছে সাধারণ জনগণ।

মঙ্গলবার(১ জুন) বিকালে উপজেলার সদর দক্ষিণ ইউনিয়নের হিরাপুর গ্রাম থেকে তাদেরকে আটক করে পুলিশে সোপর্দ করা হয়।

আটককৃতরা হলেন, সাইফুল ইসলাম, সাইফুল ভূইয়া ও মাহিন। তাদের সবার সবার বাড়ি ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলার বিরাসার গ্রামে।

স্থানীয়রা জানান, দুপুরের দিকে হিরাপুর জমাদ্দার বাড়ি এলাকায় অপরিচিত ৫-৬ জন লোক ঘোরাঘুরি করছে বিষয়টি তাদের নজরে আসে। একপর্যায়ে দুপুর ২টার দিকে ঘাস খাওয়া অবস্থায় একটি গরু তারা টেনে একটি সিএনজি চালিত অটোরিকশায় উঠানোর চেষ্টা করে। এ সময় গরুর মালিকের ছেলে জাহিদ দেখে দৌঁড়ে তাদের আটকায়।

পরে স্থানীয় জনতা এসে তাদের প্রথমে গণধোলাই দেয়। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে ছুটে গিয়ে ঘটনাস্থল থেকে তাদেরকে আটক করে গরুসহ থানায় নিয়ে আসে।

জাহিদ জানান, দুপুরের দিকে আমাদের একটি গরু রাস্তা সংলগ্ন জায়গায় ঘাস খাচ্ছিল। এ সময় ২-৩ জন লোক গরুটি টেনে অটোরিকশায় উঠানোর চেষ্টা করে। পরে দৌড়ে গিয়ে তাদের আটকানো হয়।

দক্ষিণ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জালাল হোসেন জানান, বেশ কিছুদিন ধরে হিরাপুর এলাকায় হাঁস-মুরগি ও গরু ছাগল চুরির ঘটনা ঘটছে। সংঘবদ্ধ একটি চক্র এ চুরির ঘটনা ঘটাচ্ছে।

আখাউড়া থানার ওসি মিজানুর রহমান জানান, গরুসহ তিনজনকে জনতা আটক করে পুলিশের কাছে সপোর্দ করেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদ শেষে তাদেরকে আদালতে সোপর্দ করা হবে বলেও জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ১, ২০২১ ৪:৩৭ অপরাহ্ন
বর্ষায় দুগ্ধ খামারিরা থাকে লোকসানের শঙ্কায়!
প্রাণিসম্পদ

বর্ষার সিজন বলতেই যেন গরু-ছাগল খামারিদের এক করুণ অবস্থা। আর তাতে খুব বেশি শঙ্কায় থাকেন দুগ্ধ খামারিরা।পানিতে সবুজ চারণ ভূমি তলিয়ে যায় পানিতে। একদিকে দাম কম, অন্যদিকে দফায় দফায় গো খাদ্যের মূল্য বৃদ্ধিতে লোকসান গুণতে হয় খামারিদের। যারা দুধ সংগ্রহ করে তারা এই সময়টাতে দাম দেয় কম আবার দুধ না নেয়ারও অভিযোগ অনেক খামারির।

জানা যায়, ১৯৭৩ সালে সমবায়ভিত্তিক রাষ্ট্রায়ত্ত্ব প্রতিষ্ঠান মিল্কভিটার দুগ্ধ প্রক্রিয়াজাতকরণ কারখানা সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুরে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে এই অঞ্চলে গড়ে ওঠে গরুর শত শত খামার। বর্তমানে এখানে গড়ে উঠেছে প্রায় ৪৫টি বেসরকারি দুধ শিতলীকরণ কোম্পানি। গবাদি পশু সারা বছরই খামার সংলগ্ন গো-চারণ ভূমিতে রাখা হয়। সেখানে সবুজ ঘাঁসের পাশাপাশি খড়, বিভিন্ন প্রকারের ভুষি, খৈল খাইয়ে প্রাকৃতিক পরিবেশে লালন করা হয় গবাদি পশুগুলোকে।

আরো পড়ুন: দুগ্ধ শিল্পকে বিশ্বমানের করতে বেসরকারি উদ্যোক্তাদের আহ্বান প্রাণিসম্পদ মন্ত্রীর

বর্ষায় কাঁচা ঘাস না পাওয়ায় বাড়তি খাবার কিনতে হয়। কিন্তু এ সময়ই দুধের দাম কমে যায় বলে এক খামারি জানান।

আরেকজন খামারি দুগ্ধ শিল্পকে লোকসানের হাত থেকে রক্ষায় দুধের মূল্য বৃদ্ধিসহ কর্তৃপক্ষের যথাযথ পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি জানিয়ে বলেন, সরকারের কাছে অনুরোধ, দুধের দাম বৃদ্ধির পাশাপাশি গোখাদ্যের সঠিক মূল্যের দিকেও যেন নজর দেওয়া হয়।

আরো পড়ুন : দ্বন্দ্বের জেরে মরল হাজার মুরগি

সিরাজগঞ্জ জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. আক্তারুজ্জামান ভূঁইয়া জানান, আমরা এমন উদ্যোগ নিচ্ছি যেন মধ্য খামারিরা সরাসরি নিজেদের উৎপাদিত দুধ বিক্রি করতে পারে।

জেলায় মোট খামারের সংখ্যা প্রায় ২৫ হাজার। গাভীর সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ। আর প্রতিদিন প্রায় সাড়ে সাত লাখ লিটার দুধ উৎপাদন হয় বলে জানা যায় প্রাণিসম্পদ অফিসের তথ্যে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop