১:৩২ পূর্বাহ্ন

শুক্রবার, ২৬ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৪:১৭ অপরাহ্ন
চৌগাছার এক বাড়ি থেকে ৫টি গরু চুরি
প্রাণিসম্পদ

যশোরের চৌগাছায় এক রাতে একটি বাড়ি থেকে ৫টি গরু চুরি হয়েছে। চুরি যাওয়া গরুর মধ্যে দুটি গাভী, একটি এঁড়ে ও দুটি বাছুর রয়েছে। যার অনুমানিক মূল্য ৪ লাখ টাকা বলে জানান পরিবারের সদস্যরা।

শনিবার (৫ জুন) দিবাগত রাতে চৌগাছা পৌর শহরের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের ডিগ্রি কলেজ এলাকার চান্দু বিশ্বাসের বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।

বাড়ির মালিকের স্ত্রী শাহানারা বেগম ও ছেলে শেখ শাদি জানান, রাত ১২টা পর্যন্ত গরুগুলো গোয়ালঘরে ছিল। রাত ৩টার দিকে বৃষ্টি হচ্ছিল। বৃষ্টির কিছু সময় পরে গোয়ালঘরে গিয়ে দেখেন, সেখানে একটি গরুও নেই। খোঁজ নিয়ে দেখতে পান, বাড়ির পেছনের গেটের তালা ভাঙে চোরেরা গরুগুলো নিয়ে গেছে।

স্থানীয় কাউন্সিলর জিএম মোস্তফা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ‘এ ঘটনায় চৌগাছা থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করেছেন চুরি যাওয়া গরুর মালিক চান্দু বিশ্বাস।’

চৌগাছা থানার অফিচার্জ ইনচার্জ (ওসি) সাইফুল ইসলাম সবুজ বলেন, ‘গরু চুরির বিষয়টি আমাদের জানানো হয়েছে। আমরা প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবো।’

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৩:০১ অপরাহ্ন
মানিকগঞ্জে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

নিজস্ব প্রতিবেদকঃ মানিকগঞ্জ জেলার দৌলতপুর উপজেলায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১ অনুষ্ঠিত হয়েছে। শনিবার (৫ জুন) উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল এবং উপজেলা প্রশাসনের যৌথ উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শন এবং পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠান অনুষ্ঠিত হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন জনাব মোঃ ইমরুল হাসান (উপজেলা নির্বাহি অফিসার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ), ডা. মোঃ আব্দুর রেজ্জাক (উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ), জনাব মোঃ ফরিদ হোসেন (উপজেলা মৎস্য অফিসার, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ), ডা. মোঃ আমিনুল ইসলাম (এলইও, দৌলতপুর মানিকগঞ্জ ) সহ গণ্যমান্য ব্যক্তিগণ।

সকাল দশটায় অনুষ্ঠানটি উদ্বোধন করেন জনাব মোঃ ইমরুল হাসান। ‘প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১’ কে মোট তিনটি ক্যাটাগরিতে ভাগ করে পুরস্কারের আওতায় আনা হয়। প্রথম ক্যাটাগরি বড় প্রাণী (গরু, ঘোড়া, মহিষ)। দ্বিতীয় ক্যাটাগরি ছোট প্রাণী যেখানে স্থান পায় ছাগল, ভেড়া, গাড়ল & খরগোশ। তৃতীয় ক্যাটাগরিতে স্থান পায় গৃহপালিত পাখি এবং পোষা পাখি যেমন বিভিন্ন ধরনের কবুতর, হাঁস-মুরগি, তিতির, টার্কি, কোয়েল, টিয়া, ময়না, বাজরিগার, ঘুঘু ইত্যাদি।

বিচারকমণ্ডলীদের ফলাফলের ভিত্তিতে প্রতিটি ক্যাটাগরিতে প্রথম, দ্বিতীয় এবং তৃতীয় স্থান অধিকারীদের মধ্যে পুরস্কার দেওয়া হয়। উপজেলার ছোট বড় সকল খামারি থেকে শুরু করে প্রান্তিক কৃষক এবং সৌখিন ব্যক্তিদের পোষা পাখি ও পোষা প্রাণীর জন্য প্রায় ৪০ টির অধিক স্টল বরাদ্দ দেওয়া হয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসার ডা. মোঃআব্দুর রেজ্জাক বলেন, ‘সকল মানুষকে পশু পাখি পালনে উদ্বুদ্ধ করার সবচেয়ে কার্যকরী পদ্ধতি হলো পশু পাখি প্রদর্শনী। যার মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে পশুপাখির প্রতি সহানুভূতি, ভালোবাসা এবং দায়িত্ববোধ জাগ্রত করে। আমরা সবসময় আপনাদের প্রিয় পোষা প্রাণী ও গবাদি পশু-পাখি সহ সকল ছোট-বড় খামারিদের পাশে ছিলো, আছি এবং থাকবো।’

এলাকার ছোট বড় সকল খামারিরা মনে করেন এই ধরনের আয়োজন পশুপাখি পালনের প্রতি সকল মানুষকে উদ্বুদ্ধ করবে। তাই তারা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও হাসপাতাল এবং উপজেলা প্রশাসন কে সাধুবাদ জানায় এবং ভবিষ্যতে এরকম আয়োজনের অনুরোধ করেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ১:২৯ অপরাহ্ন
রংপুরে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী উদযাপন
প্রাণিসম্পদ

রংপুর বিভাগের ৮টি জেলার, ৫৪টি উপজেলায়, উপজেলা সদরে “প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন” প্রকল্পের আওতায় “প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী-২০২১” উদযাপিত হয়েছে।

শনিবার(৫মে) এটি উদযাপন করা হয়।

রংপুর বিভাগীয় প্রাণিসম্পদ দপ্তর পরিচালক(ভারপ্রাপ্ত) ডা. মো. সিরাজুল হক বলেন, করোনার ক্রান্তি লগ্নে রংপুর বিভাগের উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর সমূহ নিরলস পরিশ্রম করে এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে।

তিনি আরো বলেন, আমি রংপুর জেলার বদরগঞ্জ উপজেলা এবং দিনাজপুর জেলার পার্বতীপুর উপজেলায় প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী পরিদর্শন করেছি। সার্বিক কার্যক্রম সন্তোষজনক ছিল। এ মহাযজ্ঞ কার্যক্রম সফল ভাবে সমাপ্ত করার জন্য অত্র বিভাগের সকল কর্মকর্তা/কর্মচারীগণকে আন্তরিক ভাবে ধন্যবাদ জ্ঞাপন করছি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৬, ২০২১ ৯:২০ পূর্বাহ্ন
রাজধানীর ২৩ স্থানে হবে কোরবানির হাট
প্রাণিসম্পদ

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহা উপলক্ষে রাজধানীতে পৃথক ২৩টি স্থানে অস্থায়ী পশুর হাট বসানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) ও ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি)। ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি) এলাকায় হাট বসবে ১৩টি, ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশন (ডিএসসিসি) এলাকায় বসবে ১০টি।

জানা যায়, হাটগুলোর ইজারা চূড়ান্ত করার জন্য ইতোমধ্যে পৃথক দরপত্র আহ্বান জানিয়েছে সিটি করপোরেশন।

এই ২৩টি হাটের সঙ্গে ডিএনসিসির গাবতলী ও ডিএসসিসির সারুলিয়া পশুর হাটেও কোরবানির পশু ক্রয়-বিক্রয় হবে। এই হাট দু‘টিতে বছরব্যাপী পশু ক্রয়-বিক্রয় হয়। ঈদের সময় এখানে পশু বেচাকেনা বেশি হয়। কিন্তু করোনাভাইরাস (কোভিড-১৯) মহামারিতে পশু হাটে স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিত করার বিষয়ে সম্প্রতি দুই সিটির আহ্বান করা দরপত্রে কিছুই উল্লেখ নেই।

ডিএনসিসি ও ডিএসসিসির সংশ্লিষ্টরা জানান, হিজরি জিলহজ মাসের চাঁদ দেখার উপর নির্ভর করে আগামী ২১ জুলাই সম্ভাব্য ঈদুল আজহা উদযাপিত হবে। তাই সেভাবে প্রস্তুতি নিচ্ছেন তারা। তবে, করোনাভাইরাস পরিস্থিতির আরও অবনতি হলে হাটের সংখ্যা কমে যেতে পারে।

গত বছর দুই সিটি করপোরেশনে ২৪টি হাট বসানোর সিদ্ধান্ত হলেও পরবর্তীতে করোনার জন্য ডিএনসিসিতে দশটির পরিবর্তে ৬টি এবং ডিএসসিসিতে চৌদ্দটির পরিবর্তে ১১টি হাট বসানো হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ২:১৯ অপরাহ্ন
কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

কুমারখালীতে অনুষ্ঠিত হলো প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা। শনিবার (৫ জুন) সকাল সাড়ে ১০টায়  কুমারখালী সরকারি কলেজ মাঠে এই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর ও ভেটেরিনারি হাসপাতাল কুমারখালী কুষ্টিয়ার তত্বাবধায়নে প্রাণিসম্পদ ও ডেইরি উন্নয়ন প্রকল্প (এলডিডিপি), প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর, মৎস ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সহযোগিতায় এই প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলা অনুষ্ঠিত হয়।

কুমারখালী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রাজীবুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন- উপজেলা চেয়ারম্যান আব্দুল মান্নান খান, কুমারখালী পৌরসভা মেয়র শামছুজ্জামান অরুন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন কুমারখালী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. নুরে আলম সিদ্দিকী।এ প্রদর্শনী মেলার অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন উপজেলা প্রাণি সম্প্রসারণ কর্মকর্তা ডা. আরশাদ চৌধুরী।

এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন- কুমারখালী উপজেলা মহিলা পরিষদ ভাইস চেয়ারম্যান (মহিলা) মেরিনা আক্তার মিনা, কুমারখালী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ বিনয় কুমার সরকার।

এ প্রাণিসম্পদ প্রদর্শনী মেলাতে কুমারখালী উপজেলার বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা খামারিরা তাদের পালিত হাস-মুরগি,গরু-ছাগলসহ বিভিন্ন রকম  পশু-পাখি প্রদর্শন করেন।এছাড়াও উপজেলা প্রাণিসম্পদ দপ্তর খামারে ব্যবহৃত বিভিন্ন ধরনের আধুনিক যন্ত্র প্রদর্শন করে।

এ প্রদর্শনী মেলায় আসা দর্শনার্থীদের নজর কারে উপজেলার সদকী ইউনিয়নের গোপালপুর গ্রামের খামারী নিখিল কুমার বিশ্বারের খামারের ১২০০ কেজি ওজনের হলিস্টন ফ্রিজিয়ান ক্রোস জাতের একটি ষাঁড় গরু।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ২:০২ অপরাহ্ন
বিএলআরআই’র আয়োজনে খামারী মাঠ দিবস উদযাপিত
প্রাণিসম্পদ

 বাংলাদেশ প্রাণিসম্পদ গবেষণা ইন্সটিটিউট (বিএলআরআই)-এর নাইক্ষ্যংছড়ি আঞ্চলিক কেন্দ্র, বান্দরবানে খামারী মাঠ দিবস উদযাপিত হয়েছে । ৫ জুন বিএলআরআই-এ চলমান ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জাত সংরক্ষণ ও উন্নয়ন গবেষণা প্রকল্পের আয়োজনে এই খামারী মাঠ দিবস পালিত হয়।
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ কৃষি গবেষণা কাউন্সিল (বিএআরসি)-এর নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বখতিয়ার। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি হিসাবে ছিলেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব (প্রাণিসম্পদ-২) ড. অমিতাভ চক্রবর্ত্তী, বিএআরসি-এর পরিকল্পনা ও মূল্যায়ন বিভাগের সদস্য-পরিচালক ড. মোঃ আবদুছ ছালাম, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান জনাব মোহাম্মদ শফিউল্লাহ, বান্দরবান পার্বত্য জেলা পরিষদের সম্মানিত সদস্য জনাব ক্যানে ওয়ান চাক। এছাড়াও অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন বিএলআরআই-এর উর্দ্ধতন কর্মকর্তাবৃন্দ, বিভাগীয় প্রধানগণ, প্রকল্প পরিচালকগণ, নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তাবৃন্দ, স্থানীয় শিক্ষক ও সচেতন সমাজের সদস্যসহ গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এবং স্থানীয় সাংবাদিকগণ।
অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন বিএলআরআই-এর সম্মানিত মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল। সভায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের জাত সংরক্ষণ ও উন্নয়ন গবেষণা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক ড. ছাদেক আহমেদ।
অনুষ্ঠানে খামারীদের মাঝে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালনের সুফল, অর্থনৈতিক সাফল্য, এই জাতের ছাগল পালনের প্রয়োজনীয়তা প্রভৃতি বিষয়সহ দেশের সামগ্রিক অর্থনীতিতে ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগলের গুরুত্ব উপস্থাপন করেন বিএলআরআই-এর মহাপরিচালক ড. মোঃ আবদুল জলিল মহোদয়।
খামারীদের ব্ল্যাক বেঙ্গল জাতের ছাগল পালনে উৎসাহিত করতে এই আয়োজন করা হয়। মাঠ দিবসকে কেন্দ্র করে বিএলআরআই-এর নাইক্ষ্যংছড়ি আঞ্চলিক কেন্দ্র সেজে উঠেছিল উৎসবের আবহে। সকাল থেকেই খামারীরা উৎসব স্থলে জমা হতে থাকে। বিরূপ আবহাওয়া আর মেঘলা দিনেও খামারীরা অসম্ভব আগ্রহ ও উদ্দীপনা নিয়ে খামারী মাঠ দিবসে যোগ দেন। করোনা পরিস্থিতিতে যথাযথ স্বাস্থ্য বিধি ৩০০ (তিন শত) জন খামারী নিয়ে আয়োজন করা হয় খামারী মাঠ দিবসটি।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ১:৩১ অপরাহ্ন
খামারে কমছে বেকারত্বের অভিশাপ
পোলট্রি

ছাগলনাইয়ার বেকার ও বিদেশফেরত যুবক-তরুণদের জন্য বেকাত্ব হ্রাসের বাস্তবরুপ লাভ করেছে সরকারের ‘একটি বাড়ি একটি খামার’ প্রকল্প ব্যক্তি উদ্যোগ। কোনো ধরনের পূর্ব অভিজ্ঞতা এবং সরকারি-বেসরকারি সহযোগিতা ছাড়াই তারা আয় করছেন লাখ লাখ টাকা।

উপজেলার প্রত্যন্ত অঞ্চলে গড়ে উঠেছে হাজার হাজার পোলট্রি, ডেইরি, হাঁস, ছাগল, কবুতরসহ বিভিন্ন প্রাণীর ছোট, বড় ও মধ্যম সারির খামার। ফলে এলাকায় কমেছে বেকারত্বের হার।

স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে শিক্ষিত বেকাররা বাড়ির ছাদ, পতিত জমি, খালের পাড়ে এসব উৎপাদনশীল ক্ষুদ্র, মাঝারি, বৃহৎ খামার গড়ে তুলে নিজেকে যেমন সচ্ছল করেছেন, তেমনি পরিবারকেও করেছেন স্বাবলম্বী। স্থানীয়ভাবে উৎপাদিত মাছ, মুরগি, ডিম এলাকার চাহিদা পূরণ করে খামারিরা বিক্রি করছেন উপজেলা, জেলা ও বিভাগব্যাপী। ফেনী জেলা ছাড়িয়ে পার্শ্ববর্তী কুমিল্লা ও চট্টগ্রাম জেলার বিভিন্ন উপজেলা সদর থেকে শত শত গাড়ি প্রতিদিন রাতে ও ভোরে এসে নিয়ে যাচ্ছে এসব খামারের পণ্য।

উপজেলা সদর পৌরসভা, (মহামায়া, রাধানগর, শুভপুর, ঘোপাল, পাঠাননগর) পাঁচ ইউনিয়নে ৫৪টি ওয়ার্ড ঘুরে এবং উপজেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কার্যালয়ের তথ্য সূত্রে জানা গেছে, এই উপজেলায় হাঁস-মুরগির খামার রয়েছে প্রায় ছয় হাজার।

ডেইরি বা গরুর খামার রয়েছে এক হাজার। ছাগল ও অন্যান্য মিলে আছে দেড় হাজারের মতো। সবচেয়ে বেশি খামারি রয়েছেন ঘোপাল ইউনিয়নের দৌলতপুর গ্রামে।

কর্মসংস্থান হয়েছে ২০ হাজার লোকের। চলতি বছর করোনার প্রাদুর্ভাবের কারণে খামারিদের অপূরণীয় ক্ষতি হওয়ায় প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় দুই হাজার খামারিকে প্রণোদনা দিয়েছে।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা রফিকুল ইসলাম জানান, উপজেলায় বিভিন্ন প্রকার অসংখ্য খামার গড়ে উঠেছে। সূত্র: সমকাল

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ১০:৩৪ পূর্বাহ্ন
ইয়াসের প্রভাবে ভোলার চরাঞ্চলে গরু মহিষের রোগবালাই
প্রাণিসম্পদ

ভোলায় ঘূর্ণিঝড় ইয়াসের প্রভাবে সাগরের নোনা পানি প্রবেশ করেছে। আর ৫-৬ ফুট উচ্চতায় প্লাবিত হয়েছে জেলার ৪০টি দ্বীপ চর। আর এতে করে এসব চরের তিন লক্ষাধিক গরু মহিষের মধ্যে বেশিরভাগ রোগে আক্রান্ত হয়ে পড়েছে।

গতকাল শুক্রবার জেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা ড. ইন্দ্রজিত কুমার মন্ডল নোনা পানি প্রবেশ করায় ওই পানিতে তিন দিন আটকে থাকায় গরু মহিষ মারা যাওয়ার পাশাপাশি রোগ দেখা দেয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তাদের ২৫টি টিম মাঠে কাজ করছেন বলেও তিনি দাবি করেন।

যেসব চরে রোগ ছড়িয়ে পড়েছে ওইসব চর হচ্ছে, জেলা সদরের কাচিয়া মাঝের চর, রাজাপুর রামদাসপুর, ভেলুমিয়া, ভেদুরিয়া, দৌলতখানের মদনপুর চর, নেয়ামতপুর, চরফ্যাশনের চরপাতিলা, ঢালচর, চরনিজাম, সিকদার চর, কুকরিমুকরি, লালমোহনের চরশাহাজালাল, চরকচ্ছপিয়া, তজুমদ্দিনের চরমোজাম্মেলসহ ৪০টি চর।

প্রাণী সম্পদ বিভাগ সূত্র জানায়, জেলায় গরুর সংখ্যা রয়েছে ৫ লাখ ৯৫ হাজার, মহিষ রয়েছে ১ লাখ ২৪ হাজার, ছাগল রয়েছে ২ লাখ ২৬ হাজার, ভেড়া রয়েছে ২১ হাজার ৩শ’। এর মধ্যে ৫৭টি ইউনিয়নে সরকারি হিসেবে মারা গেছে গরু ৯৪টি, মহিষ ৯৭টি, ছাগল ৫৫টি, ভেড়া ১৭৬টি ও হাঁস ৩,৪৮৪টি। ইতিমধ্যে রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৫ হাজার ৫৯৭টি গরু, ৩ হাজার ৩৫৯টি মহিষ, ১১ হাজার ৬১২টি ছাগল, দুই হাজার ৫১টি ভেড়া। বেসকারি হিসেবে গরু মহিষ আক্রান্তের সংখ্যা প্রায় দেড় লাখ।

চরফ্যাশন কুকরিমুকরি ইউনিয়নের চেয়ারম্যান আবুল হোসেন মনজুর জানান, ওই উপজেলায় জোয়ারের পানিতে ভেসে গেছে ৫ হাজার গরু মহিষ। যার সন্ধান এখনও মেলেনি। এছাড়া এখন আক্রান্তের সংখ্যা ৫০ হাজার ছাড়িয়েছে। গোলাম দৌলতখান ভবানীপুর ইউপি চেয়ারম্যান গোলাম নবী নবু জানান, তার ভানীপুর চরহাজারি মৌজায় ৬ হাজার গরু মহিষ আক্রান্ত হয়েছে। মদনপুর ইউনিয়ন চেয়ারম্যান ও জানান একই কথা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৫, ২০২১ ৯:৫৬ পূর্বাহ্ন
গরু আনতে গিয়ে বজ্রপাতে প্রাণ গেল শিশুর
প্রাণিসম্পদ

নেত্রকোনার পুর্বধলা উপজেলার ভাবানিপুর গ্রামে বজ্রপাতে আশামনি নামে ৭ বছরের এক শিশু নিহত হয়েছেন। এ সময় সেলিনা (৫০) নামে এক নারী আহত হয়েছেন।নিহত শিশু আশামনি ওই গ্রামের আব্দুল আলীর মেয়ে। আহত সেলিনা একই গ্রামের মোতালেব’র স্ত্রী।

শুক্রবার (০৪ জুন) বিকেলে উপজেলার ধলামুলগাও ইউনিয়নের ভবানীপুর গ্রামে বজ্রপাতের সময় শিশুটি গরু আনতে গেলে এ ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় ইউপি চেয়ারম্যান ওমর ফারুক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

তিনি জানান, শুক্রবার বিকেল সোয়া ৪টার দিকে গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টিসহ বজ্রপাত হচ্ছিল। এ সময় শিশু আশামনি বাড়ির পাশে পুকুর পাড় থেকে গরু আনতে যায়। একই সাথে পাশের বাড়ির সেলিনা ওই পুকুরে গোসল করছিলেন। এ সময় বজ্রপাতে ঘটনাস্থলেই আশামনি নিহত হয় ও সেলিনা আহত হয়।

স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় সেলিনাকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালে পাঠান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ৪, ২০২১ ১০:২৭ অপরাহ্ন
সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের উদ্যোগে ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত
প্রাণিসম্পদ

দেশের প্রানীসম্পদের উন্নয়নের লক্ষ্যে সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলায় সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ কর্তৃক আয়োজিত দিনব্যাপী ফ্রি ভেটেরিনারি মেডিকেল ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়েছে।

আজ শুক্রবার (৪ ই জুন ২০২১) সিরাজগঞ্জের বেলকুচি উপজেলার আজগরা গ্রামে এই ক্যাম্পের উদ্বোধন করেন সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ ড.মো.লিয়াকত হোসেন। মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের প্রধান ড.হুজ্জাত উল্যাহ সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরো উপস্থিত ছিলেন সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের সন্মানিত শিক্ষক গন এবং সাধারন শিক্ষার্থীরা।

সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজের আয়োজনে প্রাণিসম্পদ দপ্তরের সহযোগিতায় এই ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হয়। এসময় গবাদি পশু লালন-পালনকারী ব্যক্তিদের মাঝে হাঁস, মুরগি, গরু, ছাগলের বিভিন্ন রোগের ওষুধ বিতরণ করা হয়।

এসময় শিক্ষার্থীরা জানান, বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলা গড়তে প্রাণিসম্পদের উন্নয়নের কোন বিকল্প নেই। সরকার দেশের তৃণমূল পর্যায়ে প্রাণিসম্পদ বিভাগকে আরো আধুনিকায়ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে। দেশের বেকারত্বকে দূর করতে গবাদিপশু লালন-পালন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রেখে আসছে। আর দেশের সিংহভাগ প্রাণিজ আমিষ আসছে তৃণমূল পর্যায়ের গবাদি পশু থেকে। তাই এই বিষয়ে আমরা যদি আরো যত্নবান হই তাহলে আগামীতে আরো লাভবান হবো। আর গবাদিপশু বিষয়ে যে কোন সমস্যায় আপনারা রেজিস্ট্রার ভেটেরিনারি ডাক্তার এর পরামর্শ নেয়া জরুরি।

উল্লেখ্য  সিরাজগঞ্জ সরকারি ভেটেরিনারি কলেজ শুরু থেকেই ডেইরি রাজধানীর খ্যাত সিরাজগঞ্জ প্রানীসম্পদের উন্নয়ন এবং ভেটেরিনারি হাসপাতালের মাধ্যমে বিনামূল্যে গবাদিপশুর চিকিৎসা করে আসছে। দিগন্ত আহমেদ শিমুল

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop