১০:০০ অপরাহ্ন

রবিবার, ১৫ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২১ ৬:২১ অপরাহ্ন
গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে কেশবপুরের খামারিরা
প্রাণিসম্পদ

যশোরের কেশবপুরে উপজেলার খামার ও বিভিন্ন বাড়িতে ৮২ হাজার গৃহপালিত পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। বর্তমানে পশুখাদ্যের উচ্চমূল্যের কারণে গবাদিপশু নিয়ে বিপাকে পড়েছেন এই অঞ্চলের কৃষকসহ খামার মালিকরা। গত বছর নদীর নাব্য হারিয়ে অধিকাংশ ঘেরে বোরো আবাদ না হওয়ায় বিচালির তীব্র সংকট দেখা দেয়।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস জানায়, কেশবপুর উপজেলার একটি পৌরসভা ও ১১টি ইউনিয়নে ১৯২টি গরুর খামার রয়েছে। এসব খামার ও বিভিন্ন বাড়িতে ৮২ হাজার গৃহপালিত পশু লালন-পালন করা হচ্ছে। প্রতি বছর কেশবপুরে প্রায় ১৯ হাজার ৫৭৯টি গরু, ছাগল, ভেড়া কোরবানি দেওয়া হয়। এ অঞ্চলের চাহিদা পূরণ করে এসব পশুর কিছু অংশ অন্যত্র বিক্রি করা হয়।

এছাড়া এখানে প্রতিদিন প্রায় ৬৫ হাজার লিটার গরুর দুধ উৎপাদন হয়। এ দুধ স্থানীয় চাহিদা মিটিয়ে ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় সরবরাহ করা হয়। এসব পশু পালনে ও ভালো মানের দুধ উৎপাদনে বিচালিসহ প্রচুর দানাদার পশুখাদ্যের প্রয়োজন হয় বলে জানান উপজেলা প্রাণিসম্পদ।

জানা গেছে, গত বছর সাড়ে ১৩ হাজার হেক্টর জমিতে বোরো আবাদ হলেও ধান সংগ্রহের শেষ মুহূর্তে বৃষ্টিপাত হওয়ায় অপেক্ষাকৃত নিচু জমির বিচালি পচে নষ্ট হয়। ফলে বিচালির তীব্র সংকট দেখা দেয় ও মূল্য বেড়ে যায়। বিচালির এ সংকটের সুযোগে যশোরের বারবাজার ও তার আশপাশের ব্যবসায়ীরা প্রতিদিন ভোরে কেশবপুর পাইলট স্কুলের পাশে বিক্রি করতে বিচালি নিয়ে আসেন।

বেতীখোলা গ্রামের কৃষক বিমল রায় জানান, গত বছর জলাবদ্ধতার কারণে তাদের বিলে কোনো ফসল উৎপাদন হয়নি। বিচালির উচ্চমূল্যের কারণে তার এলাকার শত শত কৃষক ৪ থেকে ৫ কিলোমিটার দূরের বুড়িভদ্রা নদী থেকে শেওলা সংগ্রহ করে গরুকে খাওয়াতেন। কিন্তু এখন এ নদীতে পানি না থাকায় শেওলাও সংগ্রহ করা যাচ্ছে না। অন্যদিকে করোনার প্রভাবে গরুর শুকনো খাবারের দামও বেড়ে গেছে।

তিনি আরো জানান, বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি খুদ ৪০, ভূষি ৩৫, ভূট্টার গুঁড়া ২৩, ক্যাটল ফিড ৩২ ও সরিষার খৈল ৩৫ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। ঘন ঘন লকডাউনের কারণে গরুর দামও কমে গেছে। এতে কৃষকরা গরু বিক্রি করতে পারছেন না। আবার দাম বাড়ায় গরুর খাবারও কিনতে পারছেন না। ফলে তারা পড়েছেন বিপাকে। দোরমুটিয়া মোড়ের খামার মালিক ব্যবসায়ী বিষ্ণুপদ দাস জানান, তার খামারে ২২টি গরু রয়েছে। প্রতি কাউন বিচালি ৬ হাজার টাকায় কিনতে হচ্ছে। মাঝেমধ্যে বিচালির সংকটের কারণে গরুকে দানাদার খাবার খাওয়ানো হচ্ছে। এতে গরুর উৎপাদন খরচ বেড়ে যাচ্ছে। সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা না থাকলে খামার মালিকরা এ ব্যবসা থেকে সরে যাবেন বলে মনে করেন তিনি।

উপজেলা সহকারী প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা অলকেশ সরকার জানান, এ উপজেলায় প্রতিদিন খড়ের (বিচালি) চাহিদা রয়েছে ১ লাখ ৮০ হাজার কেজি। প্রতি মৌসুমে যে ধান উৎপাদন হয় তাতে চাহিদা মিটে যায়। ধান ওঠার আগে কিছু বিচালির সংকট দেখা দিয়েছে। তবে এখন ধান কাটা শুরু হয়েছে। ধান উঠে গেলে বিচালির উচ্চ দাম ও সংকট কেটে যাবে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৮, ২০২১ ১১:৫৪ পূর্বাহ্ন
রান্নাঘরের আগুনে কৃষকের ১৪টি ছাগল পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

চুয়াডাঙ্গার দামুড়হুদা উপজেলায় অগ্নিকাণ্ডে কৃষক সাইদুর রহমানের ১৪টি ছাগল ভস্মীভূত হয়েছে। এছাড়া ৩০ মণ ধান, ১০ মণ আলু ও ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, সদ্য গরু বিক্রির ৫৫ হাজার টাকাসহ ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

মঙ্গলবার (২৭ এপ্রিল) সন্ধ্যায় দামুড়হুদা উপজেলার নতুন বাস্তপুর গ্রামে এ অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে দামুড়হুদা ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিভেন্সের সদস্যরা ঘটনাস্থলে পৌঁছান। প্রায় দুই ঘণ্টার চেষ্টায় আগুন নেভান তারা।

প্রত্যক্ষদর্শী ব্যক্তিরা জানান, সাইদুর রহমানের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত হয়। মুহূর্তের মধ্যেই বসতঘর, গোয়ালঘর, বিচালির গাদায় আগুন ছড়িয়ে পড়ে। আগুনের লেলিহান শিখায় ঘর থেকে কোনো কিছু বের করার আগেই ৩০ মণ ধান, ১০ মণ আলু, ১৪টি ছাগল, ঘরের আসবাবপত্র, কাপড়চোপড়, সদ্য গরু বিক্রির ৫৫ হাজার টাকাসহ ২ লক্ষাধিক টাকার মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে যায়।

স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আবদুল হান্নান জানান, সাইদুর রহমানের রান্নাঘর থেকে আগুনের সূত্রপাত। ১৪টি ছাগল, ধান, চালসহ ঘরের প্রায় সব পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের সঙ্গে তিনি সাক্ষাৎ করেছেন। ইউপির পক্ষ থেকে তাদের সার্বিক সহযোগিতা করা হবে।

কৃষক সাইদুর রহমান জানান, রান্নাঘর থেকে কোনোভাবে আগুন ছড়িয়ে পড়েছে। আগুনে আমার সব পুড়ে গেছে। আমি এখন নিঃস্ব হয়ে গেছি। পরিবার নিয়ে এখন খোলা আকাশের নিচে বসবাস করা ছাড়া উপায় নেই।

খবর পেয়ে দামুড়হুদা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দিলারা রহমান ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন। তিনি ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের হাতে ৩০ হাজার টাকা তুলে দেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৭, ২০২১ ৪:০১ অপরাহ্ন
সুদ প্রদানে অপারগতায় গরু নিয়ে গেলো কারবারি
পাঁচমিশালি

আট-নয় বছর আগে ঋণ নিয়েছন ৫ হাজার টাকা। আর তাতে পরিশোধ করেছেন ৩০ হাজার টাকা। নতুন করে আবারও ৮৫ হাজার টাকা দাবি করেছেন এক সুদ কারবারি। অপারগতায় হতদরিদ্র দিন মজুরের গরু নিয়ে গেছে ওই কারবারি।

সোমবার চুয়াডাঙ্গার জীবননগর উপজেলার বেনীপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।

উপজেলার সীমান্ত ইউনিয়নের বেনীপুর মাঠপাড়ার শহিদুল ইসলামের স্ত্রী নাজমা খাতুন জানান, আমরা হতদরিদ্র মানুষ। আমাদের গ্রামের লাল মিয়ার ছেলে সুদ কারবারী ফিরোজ হোসেনের (৩২) কাছ থেকে গত ৮-৯ বছর আগে সুদে পাঁচ হাজার টাকা নেই। এ পর্যন্ত তাকে আমরা ৩০ হাজার টাকা পরিশোধ করেছি। কিন্তু নতুন করে সে আমার কাছে ৮৫ হাজার টাকা দাবি করছে।

তিনি আরো জানান, আমার স্বামী ফরিদপুর জেলায় কাজে থাকায় আমি তাকে টাকা দিতে পারিনি। এতে ফিরোজ ক্ষিপ্ত হয়ে সোমবার সকালে আমি বাড়িতে না থাকার সুযোগে উঠানে বাঁধা বাছুরসহ গাভী গরু খুলে নিয়ে চলে যায়। তার বাড়িতে গরু আনতে গেলে সে আমাকে হুমকি ও গালাগালি করে তাড়িয়ে দেয়।

সীমান্ত ইউনিয়ন ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সোহেল রানা ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন,পুলিশ ও স্থানীয় জন প্রতিনিধিদের সহযোগিতায় সন্ধ্যায় ফিরোজ গরু ফেরত দেয়।

জীবননগর থানার অফিসার ইনচার্জ সাইফুল ইসলাম জানান, ঘটনার ব্যাপারে লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে সাব-ইন্সপেক্টর সাহাজুল ইসলামকে দায়িত্ব দেয়ার পর তিনি গরুটি উদ্ধারের ব্যবস্থা করেন। সুদ কারবারির বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৬, ২০২১ ৭:১৭ অপরাহ্ন
রামগতি-কমলনগরে অজ্ঞাত রোগে ২ শতাধিক মহিষের মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

অজ্ঞাত রোগে লক্ষ্মীপুরের রামগতি ও কমলনগরের চরে বাছুরসহ দুই শতাধিক মহিষের মৃত্যু হয়েছে। মহিষ মালিকের দাবি এতে তার অন্তত দেড় কোটি টাকার ক্ষতি হয়েছে। একের পর এক এভাবে মহিষ মরতে থাকায় খামারিরা হতাশায় পড়েছেন; বাড়ছে তাদের দুশ্চিন্তা।

রোগটি নতুন হওয়ায় অনুমানের ওপর ভিত্তি করে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। তবে রোগ শনাক্তের জন্য আক্রান্ত মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠিয়েছে প্রাণিসম্পদ বিভাগ।

খামারি ও রাখালরা জানান, চরে হঠাৎ করে মহিষের অজ্ঞাত রোগ দেখা দেয়। আক্রান্ত মহিষগুলো পায়ে ব্যথা হয়ে অবশ হয়ে দাঁড়াতে পারে না। খাবারে অনীহাসহ ধীরে ধীরে শরীর নিস্তেজ হয়ে ১০ থেকে ১২ দিন পর মারা যায়। অনুমান করে চিকিৎসা দিয়ে আক্রান্ত মহিষ সুস্থ করা যাচ্ছে না।

অজ্ঞাত রোগে আক্রান্ত হয়ে কমলনগর উপজেলার চরফলকন এলাকার নুরনবী হাওলাদারের ৪০টি, আনোয়ার হোসেন মিয়ার ২৫, দুলালের ১৫, জসিম উদ্দিনের ১৫, চরজগবন্ধু এলাকার স্বপন মিয়ার ১৫, রামগতি উপজেলার শাহাদাত হোসেনের সাতটিসহ দুই শতাধিক মহিষ মারা গেছে।

ক্ষতিগ্রস্ত মহিষ মালিক শাহাদাত হোসেন ও আনোয়ার হোসেন জানান, মহিষে রোগ দেখা দিলে ব্যথানাশক ওষুধের মাধ্যমে রোগটি নিরাময়ের চেষ্টা করেন তারা। কিন্তু এতে কোনো কাজ না হয়ে আক্রান্ত মহিষগুলোর মৃত্যু হয়। অজ্ঞাত এ রোগে আনোয়ার হোসেনের ২৫টি মহিষের মৃত্যু হয়েছে; তার ক্ষতি হয়েছে প্রায় ৩০ লাখ টাকা। এভাবে মহিষ মরতে থাকায় প্রায় দেড় কোটি টাকা ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করছেন মহিষ মালিকরা।

রামগতি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা শাহাদাত হোসেন ও কমলনগর উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. আক্তারুজ্জামান জানান, সরেজিমন চরে গিয়ে রোগাক্রান্ত মহিষগুলো দেখেছেন। ইতোমধ্যে রোগ শনাক্তের জন্য আক্রান্ত মহিষের নমুনা সংগ্রহ করে ল্যাবে পাঠানো হয়েছে বলে তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৬, ২০২১ ৭:০১ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপপরিচালকের করোনায় মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের উপপরিচালক ডা. কাজী মো. তরিকুল আলম করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন। তিনি কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার, নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক হিসেবে দায়িত্বরত ছিলেন। মৃত্যুকালে তার বয়স হয়েছিল ৫৩ বছর। তিনি স্ত্রী, এক পুত্র, এক কন্যা ও অনেক গুণগ্রাহী রেখে গেছেন। গত ৮ এপ্রিল তিনি করোনায় আক্রান্ত হন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) মৎস্য ও প্রাণি সম্পদ মন্ত্রণালয় সূত্র জানায়, বাংলাদেশ সিভিল সার্ভিস (লাইভস্টক) ক্যাডারের ১৯তম ব্যাচের কর্মকর্তা ও কেন্দ্রীয় হাঁস প্রজনন খামার, নারায়ণগঞ্জের উপপরিচালক ডা. কাজী মো. তরিকুল আলম গতকাল (রোববার) দিবাগত রাত ১টায় রাজধানীর একটি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান।

তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম ও সচিব রওনক মাহমুদ শোক প্রকাশ করেছেন। মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব মরহুম ডা. কাজী মো. তরিকুল আলমের বিদেহী আত্মার শান্তি কামনা করেন। তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান তারা।

শোক বার্তায় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানান, ডা. কাজী মো. তরিকুল আলম ছিলেন একজন মেধাবী কর্মকর্তা। কর্মক্ষেত্রে তিনি দক্ষতা ও সুনামের সঙ্গে দায়িত্ব পালন করেছেন। দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের উন্নয়নে তার অবদান স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ শোক বার্তায় জানান, ডা. কাজী মো. তরিকুল আলমের মতো মেধাবী কর্মকর্তার মৃত্যু দেশের প্রাণিসম্পদ খাতের বিরাট ক্ষতি। তার মৃত্যুতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় গভীরভাবে শোকাহত।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৬, ২০২১ ১১:০০ পূর্বাহ্ন
কালীগঞ্জে গরু চুরি করতে গিয়ে গণধোলাইয়ে নিহত ১, আহত ৫
পাঁচমিশালি

গাজীপুরের কালীগঞ্জে গরু চোরের একটি চক্র গরু চুরি করতে গিয়ে এলাকাবাসীর হাতে নাতে ধরা পড়ে। এসময় এলাকাবাসীর গণধোলাইয়ে এক গরু চোরের ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয়। এছাড়া আহত হয়েছেন আরও ৫ জন। আহতের মধ্যে আশঙ্কাজনক অবস্থায় আছেন ৩ জন।

সোমবার (২৬ এপ্রিল) ভোরে উপজেলার নাগরী ইউনিনের উলুখোলা এলাকার কালিকুঠি গ্রামে এ ঘটনা ঘটেছে।

সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালীগঞ্জ থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) মো. শহীদুল ইসলাম।

নিহতের (৪২) নাম পরিচয় এখনো জানা যায়নি। আহতরা হলেন— বগুড়ার সদর উপজেলার ক্ষেত্রদামা এলাকার বাবলার ছেলে দেলোয়ার হোসেন (২৮), একই জেলার শিবগঞ্জ উপজেলা গেওনা ভিন্নত এলাকার আক্তারের ছেলে নাহিদ মিয়া (৩০), একই উপজেলার তাতভৈরা এলাকার আব্দুর রশিদের ছেলে হাসান আলী (৩০), নওগাঁর তেজনন্দী পাতবাইন এলাকার মান্নানের ছেলে গাজী হোসেন (৩৫) ও টাঙ্গাইলের ফজর আলীর ছেলে আলমগীর হোসেন (৩৬)।

স্থানীয়দের বরাত দিয়ে মো. শহীদুল ইসলাম জানান, সোমবার ভোরে গরু চোরের একটি চক্র উপজেলার নাগরী ইউনিনের কালিকুঠি গ্রামে গরু চুরি করতে যায়। এ সময় গ্রামবাসী টের পেয়ে তাদের হাতে নাতে ধরে ফেলে। পরে তারা দৌড়ে পালিয়ে যাওয়ার সময় এলাকাবাসীর চিৎকারে শত শত লোক এসে তাদের ঘিরে ফেলে। এ সময় তাদের গণধোলাইয়ে চল্লিশোর্ধ একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান।

খবর পয়ে নাগরী ইউপি চেয়ারম্যান অলিউল্লাহ, কালীগঞ্জ থানাধীন পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ মো. রেজাউল করিম ঘটনাস্থলে যান এবং এলাবাসীকে শান্ত করেন। পরে পুলিশের সহায়তায় নিহতের মরদেহ ও আহতদের উদ্ধার করে কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে যাওয়া হয়।

কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক লুবনা খানম জানান, হাসপতালে আনার আগেই একজনের মৃত্যু হয়েছে। আর আহতদের চিকিৎসা চলছে। তবে আহতদের মধ্যে আলমগীর, নাহিদ ও গাজীর অবস্থা আশঙ্কাজনক বলেও তিনি জানান।

এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) একেম মিজানুল হক জানান, আহতদের চিকিৎসা চলছে। এছাড়া আহতের কাছ থেকে কয়েকটি মোবাইল ফোন জব্দ করা হয়েছে বলেও তিনি জানান।

আরো পড়ুন: গরু চুরির অভিযোগে রিকশাচালকের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৫, ২০২১ ৯:৫৭ অপরাহ্ন
গরু চুরির অভিযোগে রিকশাচালকের গায়ে পেট্রোল ঢেলে আগুন
পাঁচমিশালি

গরু চুরির অপবাদ দিয়ে মধ্যরাতে বাড়ি থেকে তোতা মিয়া নামে এক রিকশাচালককে ডেকে নিয়ে গাছের সঙ্গে বেঁধে কোমর থেকে পা পর্যন্ত পেট্রোল ঢেলে আগুন দিয়ে ঝলসে দেওয়া হয়। তার দুই হাতে দেয়া হয় সিগারেটের ছেঁক। এই ঘটনায় ধারকি পাথারপাড়া এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম নামে এক এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) রাতে জয়পুরহাটের ধারকি পাথারপাড়া গ্রামে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। জয়পুরহাট পুলিশ সুপার মাছুম আহাম্মেদ ভুঞা এই ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করেন।

পুলিশ সুপার মাছুম জানান, এ ঘটনায় রোববার (২৫ এপ্রিল) সকালে জয়পুরহাট থানায় মামলা হলে ধারকি পাথারপাড়া এলাকা থেকে রফিকুল ইসলাম নামে এক এক ইউপি সদস্যকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতার রফিকুল ইসলাম জয়পুরহাট সদর উপজেলার ধারকি পাথারপাড়া গ্রামের মৃত আব্দুল করিম মন্ডলের ছেলে এবং বম্বু ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য।

পুলিশ সুপার জানান, রিকশাচালক তোতা মিয়া গরু চুরি করেছে এমন অভিযোগ তুলে শনিবার সন্ধ্যায় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পরে মধ্যরাতে ইউপি সদস্যসহ একই গ্রামের জুয়েল, আবুল খয়ের ও নিজাম নামের তিন যুবক তাকে ডেকে নিয়ে গরু চুরির স্বীকারোক্তি আদায়ের চেষ্টা করে। তোতা মিয়া অস্বীকার করলে নির্জন মাঠের মধ্যে গাছের সঙ্গে বেঁধে হাতের তালুতে সিগারেটের আগুন দিয়ে ছেঁকা দিয়ে তারা নির্যাতন চালায়। পরে তার কোমর থেকে পা পর্যন্ত পেট্রোল ঢেলে আগুন দিলে দগ্ধ হয়ে তোতা মিয়া জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। এ সময় রাত ৩টা ২০ মিনিটে তারা তোতা মিয়াকে মুমূর্ষু অবস্থায় জেলা আধুনিক হাসপাতালে ফেলে পালিয়ে যায়।

তিনি আরও জানান, খবর পেয়ে পুলিশ ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলামকে রোববার ভোরে তার বাড়ি থেকে আটক করা হয়। এ ঘটনায় তোতা মিয়ার স্ত্রী ডলি বেগম আজ সকালে জয়পুরহাট সদর থানায় ইউপি সদস্য রফিকুল ইসলাম ও আরও কয়েকজনের নাম উল্লেখ করে অজ্ঞাত আরো ৬-৭ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের প্রত্যেককে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির ব্যবস্থা করা হবে বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৫, ২০২১ ৪:২৯ অপরাহ্ন
গর্ভবতী গাভীকে খাদ্য প্রদানে যেসব বিষয় গুরুত্ব দিতে হবে
প্রাণিসম্পদ

গাভী গর্ভবতী হলে খাদ্য প্রদানে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে সেগুলো খামারিদের ভালোভাবে জেনে রাখতে হবে। লাভজনক হওয়ার কারণে দিন দিন গাভী পালনে আগ্রহী হচ্ছেন অনেকেই। গাভী পালনকালে গর্ভবতী অবস্থায় বেশি যত্ন নিতে হয়। আজকে আমরা জানবো গাভী গর্ভবতী হলে খাদ্য প্রদানে যে বিষয়গুলো বিবেচনা করতে হবে সেই সম্পর্কে-

১। গর্ভবতী গাভীকে খাদ্য প্রদানে এমনভাবে খাদ্য প্রদান করতে হবে যাতে গাভীর দৈনিক খাদ্য চাহিদা পূরণ হয়। সম্ভব হলে একটি নির্দিষ্ট সময় পর পর গাভীকে খাদ্য প্রদান করতে হবে। এতে গাভী সুস্থ-সবল থাকবে ও বাচ্চাও পরিপুষ্ট হবে।

২।  গাভীকে   যতটা সম্ভব নরম ও তরল জাতীয় খাদ্য বেশি খাওয়াতে হবে। শুকনো খাদ্য প্রদানের পাশাপাশি নরম ও তরল খাদ্য প্রদান করলে গাভীর খাদ্য হজমে সমস্যা দেখা দিবে না এবং গাভী সুস্থ থাকবে।

৩।  গাভীকে খাদ্য প্রদানের সময় খেয়াল রাখতে হবে যাতে গাভীর খাদ্যে প্রয়োজনীয় পুষ্টি উপাদন বিদ্যমান থাকে। গর্ভবতী থাকা অবস্থায় গাভীর শরীরে প্রচুর পরিমাণে পুষ্টির দরকার হয়। এছাড়াও গাভীকে পুষ্টিকর খাদ্য গাভীকে প্রদান করলে গর্ভের বাচ্চা সুস্থ ও সবল থাকে।

৪। গর্ভধারণ করা গাভী বেশি দুর্বল হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে গাভীর খাদ্য প্রদান করতে হবে। এছাড়াও গাভীকে সবল রাখার জন্য খাদ্যের সাথে অতিরিক্ত উপাদান মিশ্রিত করে গাভীকে খাওয়াতে হবে।

৫। গর্ভবতী গাভীকে কাঁচা ঘাস খাওয়াতে পারলে সবচেয়ে ভালো হয়। গাভীকে নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাওয়ালে গাভীর প্রয়োজনীয় সকল ভিটামিন ও পুষ্টির চাহিদা পূরণ হবে। এছাড়াও গাভী আরও বেশি শক্তিশালী হবে। ফলে বাচ্চা প্রসবের সময় তেমন কোন জটিলতা দেখা দিবে না।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৫, ২০২১ ১১:০৫ পূর্বাহ্ন
ছাগল পালনে কাঁচা ঘাস খাওয়ানোর উপকারিতা
প্রাণিসম্পদ

গরু-ছাগল পালন এখন একাংশ মানুষ তাদের অর্থনৈতিক চাকা পরিবর্তনের হাতিয়ার হিসাবে নিয়েছেন। বিশেষ করে কম দামে কিনতে পাওয়া যায় ছাগল। যা মোটামুটি গ্রামের প্রতিটা কৃষকের আছে। তারা ছাগল পালনে বড় কিছু করার প্রত্যাশায় এতে শ্রম দিয়ে থাকে। তবে এই শ্রমকে সফল করতে লাগবে অনেকগুলো পদ্ধতি। তম্মধ্যে অন্যতম হলো ছাগলকে খাওয়াতে হবে নিয়মিত কাঁচা ঘাস। কারণ ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল শারীরিকভাবে সুস্থ থাকে। এছাড়াও ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে নানা উপকার পাওয়া যায়।

ছাগলকে কাঁচা ঘাস কেন খাওয়ানো প্রয়োজন:
১। মনে রাখবনে কাঁচা ঘাস কিনতে হয় না। এটি তৈরি হয় প্রাকৃতিক উপায়ে। যার কারণে এতে খরচ নেই বললেই চলে। আর তাই অর্থনৈতিক দিক বিবেচেনায় ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ানো উচিত।

২। নিয়মিত ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং ছাগলের শারীরিক পুষ্টি চাহিদা পূরণ হয় এবং ছাগল বেশি পরিমাণ দুধ প্রদান করতে সক্ষম হয়ে থাকে।

৩। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল বাচ্চা জন্ম দেওয়ার সময় বাচ্চা মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাদ্য হিসেবে ছাগলকে খাওয়ালে বাচ্চার মৃত্যু কম হয়।

৪। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের শরীর সঠিক সময়ে প্রজননে সক্ষম হয়। এর ফলে ছাগলের প্রজননের জন্য কৃত্রিম পদ্ধতি প্রয়োগ করে সফল হওয়া যায়।

৫। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলকে দানাদার খাদ্য কম দেওয়া লাগে। সেজন্য ছাগলকে দানাদার খাদ্য প্রদান করতে হয় না। তাই ছাগলের জন্য দানাদার খাদ্য কেনার টাকা বেঁচে যায়।

৬। ছাগলকে নিয়মিত কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগল যখন বাচ্চা জন্ম দেয় তখন বাচ্চার ওজন সঠিক পাওয়া যায়। বাচ্চা সুস্থ সবল হয়ে জন্ম নেয়।

৭। কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের মৃত্যুর হার অনেকগুনে কমে যায়। কাঁচা ঘাস ছাগলকে নিয়মিত খাওয়ালে ছাগলের জীবনীশক্তি বৃদ্ধি পায়। আর এর ফলে ছাগল অকালে মরা থেকে রক্ষা পায়।

৮। ছাগলকে কাঁচা ঘাস খাওয়ালে ছাগলের চিকিৎসা খরচ অনেকগুনে কমে যায়। কাঁচা ঘাস খাওয়ার ফলে ছাগল জটিল কোন রোগের দ্বারা আক্রান্ত হয়না। এর ফলে ছাগলের চিকিৎসার খরচ বেঁচে যায়।

ঘাস চাষ
ছাগলের জন্য ইপিল ইপিল, কাঁঠাল পাতা, খেসারি, মাসকলাই, দুর্বা, বাকসা ইত্যাদি দেশি ঘাসগুলো বেশ পুষ্টিকর। এছাড়া উচ্চফলনশীল নেপিয়ার, স্পেনডিডা, এন্ড্রোপোগন, পিকাটউলুম ইত্যাদি ঘাস চাষ করা যায়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ২৪, ২০২১ ১১:৫৩ অপরাহ্ন
গর্ভবতী গাভী জবাই নিয়ে যা বললেন মাংস ব্যবসায়ী
প্রাণিসম্পদ

প্রাচীনতম এ ব্যবসাপ্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করতে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছেন নানা অভিযোগে দোকান থেকে বহিস্কৃত দোকান কর্মচারী ফারুক আহমদ। সংবাদ সম্মেলনে এমনটি জানান গর্ভবর্তী গাভী জবাইয়ের অভিযোগ ওঠা সিলেট নগরের শিবগঞ্জে ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’র সত্বত্বাধিকারী মো. রিয়াজ উদ্দিন। একই সাথে তিনি তার বিরুদ্ধে আনা এমন অভিযোগ অস্বীকার করেছেন।

শনিবার (২৪ এপ্রিল) সিলেট জেলা প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলনে এমন অভিযোগ করেছেন মো. রিয়াজ উদ্দিন। সংবাদ সম্মেলনে রিয়াজ উদ্দিনের পক্ষে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন তার মেয়ে লিমা আক্তার মিম।

লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন, টাকা পয়সা হিসাবে গরমিলসহ নানা অনিয়মের কারণে প্রায় ২ মাস পূর্বে দোকানের প্রধান কারিগরের পদ থেকে বহিস্কার করি। এতে তিনি ক্ষুব্ধ হয়ে আমাদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে অবস্থান নেন। পরবর্তীতে আমাদের দোকানের পার্শ্ববর্তী মাংসের দোকানে যোগ দেন ফারুক। সেই দোকানে থেকে তিনি আমাদের দোকানের কাষ্টমারদের ডেকে নিয়ে যান। তাছাড়া আমাদের ক্ষতি হোক এমন ধরনের আচরণ করেন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও বলা হয়, বহিস্কারের পর থেকে ফারুক আমাদের ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’র বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যেপ্রনোদিতভাবে মিথ্যা অপপ্রচার করে যাচ্ছেন। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২২ এপ্রিল সকালে আমাদের জবাইকৃত গরু অন্ত:সত্ত্বা ছিলো বলে মিথ্যা অপপ্রচার চালান। প্রকৃত ঘটনা হচ্ছে ওই দিন সকালে আমরা একটি সুস্থ গরু স্বাস্থ্য নীতিমালা মেনে যথারীতি জবাই করি। কিন্তু গরু জবাই করার কয়েক ঘন্টা পর আমাদের দোকানের সাবেক কারিগর ফারুক ড্রেন থেকে একটি গরুর বাচ্চার ছবি তুলে আমাদের গরুর পেট থেকে বাচ্চা বের হয়েছে বলে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অপপ্রচার চালান। অথচ গত ২০ এপ্রিল দক্ষিণ সুনামঞ্জের পাথারিয়াবাজার থেকে আব্দুশ শুকুর মিয়ার কাছ থেকে পাঁকা রশিদের মাধ্যমে (রশিদ নং-৭৫) জবাই করার জন্য উপযুক্ত একটি গরু ক্রয় করে আনি। সেই গরুটি আমরা ২২ এপ্রিল সকালে সকল নিয়ম মেনে জবাই করে বিক্রির জন্য প্রস্তুত করি। পরে ফারুকের অপপ্রচারে আমরা বিস্মিত হয়ে যাই। আমাদের ঐতিহ্যবাহি ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সুনাম নষ্ট করার চেষ্টা করায় আমরা ফারুক আহমদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করব।

সংবাদ সম্মেলনে দাবি করা হয়, আমরা সব সময় হালালভাবে ব্যবসা পরিচালনা করে ক্রেতাদের উন্নত সেবা দিয়ে যাচ্ছি। ক্রেতাদের আস্তায় থাকার কারণে শিবগঞ্জে আমরা দীর্ঘদিন ধরে সফলতার সাথে ব্যবসা করে আসছি। আমরা সকল ক্রেতাসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি অনুরোধ জানাচ্ছি যে, আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচারে যেন কেউ বিভ্রান্ত না হন।

সংবাদ সম্মেলনে আরও উপস্থিত ছিলেন- ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’র মালিক মো. রিয়াজ উদ্দিন ও তাঁর স্ত্রী মোছা. নয়ন তারা প্রমুখ।

উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার (২২ এপ্রিল) সকালে নগরীর শিবগঞ্জে ‘মাখন মিয়ার গোস্তের দোকান’ -এ গর্ভবতী একটি গাভি জবাই করে মাংস বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়। বিষয়টি খতিয়ে দেখতে সিলেট সিটি কর্পোরেশন গঠন করে ৩ সদস্যের একটি কমিটি।

ঘটনার ঠিক দুই দিন পর অভিযুক্ত দোকানদার তার দোকানে গাভী জবাইয়ের পর বাচ্চা পাওয়ার অভিযোগ সংবাদ সম্মেলন করে প্রত্যাখ্যান করেন।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop