৮:৫৪ অপরাহ্ন

শনিবার, ২ মে , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মে ৪, ২০২১ ৫:৫১ অপরাহ্ন
সীমান্ত এলাকা থেকে ভারতীয় গরু জব্দ করলো বিজিবি
পাঁচমিশালি

নেত্রকোনার সীমান্ত এলাকা থেকে দুই লক্ষ টাকা মূল্যমানের দুইটি ভারতীয় গরু জব্দ করেছে বিজিবি।

মঙ্গলবার(৪ মে) দুপুরে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তি এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) নেত্রকোনা ৩১ ব্যাটালিয়নের উপ-অধিনায়ক মেজর নূরুদ্দীন মাকসুদ।

বিজ্ঞপ্তিতে তিনি জানান, গত সোমবার দিবাগত রাত সোয়া ১টার দিকে নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলায় লেংগুরা ইউনিয়নের লেংগুরা বিওপি’র (বর্ডার অবজারবেশন পোষ্ট) সুবেদার মো. রুহুল আমিনে নেতৃত্বে ৮ সদস্যের একটি দল অভিযান পরিচালনা করে। গোপন তথ্যের ভিত্তিতে এ অভিযানে ১১৭০/৩-এস নং সীমান্ত পিলারের একশত গজ বাংলাদেশের অভ্যন্তরে চকলেটবাড়ী নামক এলাকা হতে দুইটি ভারতীয় গরু জব্দ করতে পারে এ দলটি।

জব্দকৃত ভারতীয় গরুর মুল্য আনুমানিক দুই লক্ষ মূল্যমানের এবং গরু দুইটি নেত্রকোনা কাস্টমস কর্তৃপক্ষের নিকট হস্তান্তর করা হবে। তবে এ অভিযানে কোন চোরাকারবারীকে আটক করা সম্ভব হয়নি বলে জানান বিজিবি’র ৩১ ব্যাটালিয়নের ওই কর্মকর্তা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ১০:৫৩ অপরাহ্ন
মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে চলছে গবাদি পশু-পাখির চিকিৎসা!
প্রাণিসম্পদ

মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ দিয়ে গবাদি পশু-পাখির চিকিৎসা চালানোর অভিযোগ উঠেছে যশোরের শার্শা উপজেলা প্রাণিসম্পদ দফতরের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বিরুদ্ধে। ফলে সুচিকিৎসার অভাবে প্রতিনিয়ত গরু, ছাগল, হাঁস, মুরগি মারা যাচ্ছে বলে অভিযোগ করেছেন খামারি ও চাষিরা। এতে লোকসান গুনতে হচ্ছে তাদের। সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি করে দিয়ে এসব ওষুধ সবার চোখের আড়ালে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ অনেকের।

সোমবার (৩ মে) সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, অসুস্থ গরু, ছাগলের শরীরে পুশ করার জন্য উপজেলার নাভারন প্রাণিসম্পদ দফতরের র্যাকে রাখা প্রোক্সাসিন ইনজেকশনের কাঁচের বোতলের গায়ে মেয়াদ উল্লেখ আছে ২০২১ সালের ২১ মার্চ। আরেকটি র্যাকে রাখা আছে কেমোনিড (ওরাল পাউডার)। এগুলোর গায়েও ব্যবহারের মেয়াদ উল্লেখ আছে ২০২১ সালের ২১ ফেব্রুয়ারি।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন খামারি ও চাষির অভিযোগ, ২৮ এপ্রিল কয়েকজন খামারির অসুস্থ গরু ও ছাগলের দেহে প্রোক্সাসিন ইনজেকশন পুশ করা হয়। এরপরই তাদের কিছু গরু ও ছাগল আরও বেশি অসুস্থ হয়ে যায়।

সরকারি ওষুধ বাইরে বিক্রি করে দিয়ে এসব ওষুধ সবার চোখের আড়ালে ব্যবহার করা হচ্ছে বলেও অভিযোগ করেন তারা।

উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডাক্তার মাসুমা আক্তার বলেন, ‘কীভাবে আমার দফতরে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ এলো আমি বুঝতে পারছি না। আমার মনে হয় বাইরের কেউ শত্রুতা করে এখানে মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ রেখে আমাকে ফাঁসানোর চেষ্টা করছে।’

এ ব্যাপারে জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. মাহবুব আলম বলেন, ‘বিষয়টি জানার পর আমি এসব মেয়াদোত্তীর্ণ ওষুধ ব্যবহার না করে নষ্ট করে দিতে বলেছি।’

তিনি উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা একজন সৎ ও ভালো দাবি করে তিনি বলেন, ‘এটা সামান্য ছোট একটি ঘটনা। অনেক সময় ভুলের কারণে এসব হয়ে থাকে। ভবিষ্যতে যাতে এসব ঘটনা না ঘটে সে ব্যাপারে সতর্ক করে দেয়া হয়েছে।’- জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ৭:৫৯ অপরাহ্ন
করোনায় প্রাণিজ আমিষ নিশ্চিতে কাজ করছে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়
প্রাণিসম্পদ

চলমান করোনা সংকট পরিস্থিতিতে জনগণের পুষ্টি চাহিদা পূরণ ও রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির জন্য ভোক্তা পর্যায়ে প্রাণিজ আমিষ সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি। এটি বিবেচনায় রেখে করোনা পরিস্থিতিতে সরকার ঘোষিত বিধি-নিষেধ চলাকালেও মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উদ্যোগে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন অব্যাহত রাখতে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় ও আওতাধীন দপ্তরের মাঠ পর্যায়ের কর্মকর্তা-কর্মচারিরা দপ্তরে ও কর্মস্থলে সার্বক্ষণিক উপস্থিত থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

করোনা পরিস্থিতিতেও মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় ও মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উদ্যোগে হাঁস-মুরগি (লাইভ), গবাদিপশু, মাছের পোনা, মাছ, মাংস, দুধ, ডিম, প্রাণিজাত পণ্য, মৎস্য ও পশু খাদ্যসহ এ ধরণের খাদ্য উৎপাদনে ব্যবহৃত উপকরণ, কৃত্রিম প্রজনন এবং পশু চিকিৎসায় ব্যবহৃত ঔষধ-সরঞ্জামাদি অবাধ উৎপাদন, পরিবহণ ও সরবরাহ এবং বিপণন অব্যাহত রাখা হয়েছে। মন্ত্রণালয়ের নির্দেশনায় মৎস্য অধিদপ্তর ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা রাজধানী ঢাকাসহ সারাদেশে ন্যায্যমূল্যে মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্যের ভ্রাম্যমান বিক্রয় কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছেন। এতে একদিকে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের খামারিরা যেমন ন্যায্যমূল্যে উৎপাদিত পণ্য সহজে বিপণন করতে পারছেন, অন্যদিকে ভোক্তারা চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যেও চাহিদা অনুযায়ী মাছ, মাংস, দুধ, ডিম ও দুগ্ধজাত পণ্য সহজে ক্রয় করে তাদের প্রাণিজ আমিষের চাহিদা পূরণ করতে পারছেন।

করোনায় চলমান বিধি-নিষেধের মধ্যে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণনজনিত উদ্ভুত সমস্যা সমাধান ও সারাদেশে ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কার্যক্রম সমন্বয়ের জন্য মৎস্য অধিদপ্তরে একটি ও প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরে আরেকটি কন্ট্রোল রুম কাজ করেছে। কন্ট্রোল রুম থেকে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী গতকাল ০২ মে দেশের ৬৪টি জেলায় ৭২০ টি ভ্রাম্যমাণ বিক্রয় কেন্দ্র পরিচালনা করে ১ লক্ষ ১৯ হাজার ৫৬৮ লিটার দুধ, ৮ লক্ষ ৪৮ হাজার ৮০১ টি ডিম, ৫ হাজার ৯৩৪ কেজি গরুর মাংস, ১ হাজার ১৪০ কেজি খাসির মাংস, ৭৫ হাজার ৭২৬ কেজি মুরগি এবং ১৬১ মে. টন মাছ এবং অন্যান্য দুগ্ধজাত পণ্য বিক্রয় করা হয়েছে। যার আর্থিক মূল্য ৫ কোটি ৩০ লক্ষ টাকা।

করোনা পরিস্থিতিতে সারাদেশে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ খাতের উৎপাদন, পরিবহণ, সরবরাহ ও বিপণন সংক্রান্ত কার্যক্রম নিয়মিত তদারকী ও বিভিন্ন দিক-নির্দেশনা প্রদান করছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ সচিব রওনক মাহমুদ। এছাড়াও মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তাগণ বিভিন্ন জেলায় সার্বক্ষণিক মাঠ পর্যায়ের কার্যক্রম মনিটরিং করছেন।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
এক গরুর লালন-পালনে প্রতিদিন খরচ ৪৪৩ টাকা!
পাঁচমিশালি

লালমনিরহাটের পাটগ্রামে আটক হওয়া ভারতীয় ৩২টি গরু ৪৯ দিন লালন-পালনে ব্যয় লেখা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। এতে প্রতি গরু লালন-পালনে প্রতিদিন ব্যয় ধরা হয়েছে ৪ শত ৪৩ টাকা। একটি গরু লালন-পালনে প্রতিদিন ৪ শত ৪৩ টাকা ব্যয় হয়েছে এমন বিল ভাউচার নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন গরু খামারিয়া।

অভিযোগ উঠেছে, সরকারি টাকা আত্মসাত করতেই এমন বিল ভাউচার তৈরি করা হয়েছে। এ ছাড়া ওই গরু গুলো নিলামে বিক্রিতেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে নিলাম কমিটির বিরুদ্ধে।

সূত্র জানায়, ওই উপজেলার দহগ্রাম পুলিশ তদন্ত কেন্দ্র গত ১১ মার্চ ভারতীয় ৩৩টি গরু আটক করেন। গরু গুলো নিয়ে আদালতের সিদ্ধান্ত পেতে কালক্ষেপণ হওয়ায় ওই গরু গুলো লালন-পালনের দায়িত্ব দেয়া হয় দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদকে। গরুগুলো পালনে দায়িত্ব অবহেলার ফলে ১টি গরু মারাও যায়। ৪৯ দিন পর আদালতের অনুমতি ক্রমে গত ২৭ এপ্রিল গরুগুলো প্রকাশ্য নিলামে ২৫ লাখ টাকা ধরে বিক্রি করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা রামকৃষ্ণ বম্মর্ণের নেতৃত্বে নিলাম কমিটি।

এ নিলামকে কেন্দ্র করে ওই দিন দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদে গরু ব্যবসায়ীদের মধ্যে সংর্ঘষও বাঁধে। এ ছাড়া নিলামেও অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে নিলাম কমিটি’র বিরুদ্ধে।

সাধারণ গরু ব্যবসায়ীদের নিলামে অংশগ্রহণের সুযোগ না দিয়ে তাড়াহুড়া করে নিলাম শেষে ইউনিয়ন পরিষদ ত্যাগ করেন নিলাম কমিটি’র সদস্যবৃন্দ। যা নিয়ে সাধারণ গরু ব্যবসায়ীদের মাঝে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে।

এ দিকে ওই গরুগুলোকে ৪৯ দিন লালন-পালনের জন্য দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা ব্যয় দেখিয়ে বিল ভাউচার নিলাম কমিটি’র কাছে অনুমোদন নিয়েছেন। যাতে প্রতিটি গরুর পিছনে প্রতিদিন ব্যয় দেখানো হয়েছে ৪ শত ৪৩ টাকা। ওই বিল ভাউচার মতে একটি গরু প্রতিদিন ২ শত ২২ টাকার শুধু খাদ্যই খেয়েছেন এবং অন্যান্য ব্যয় দেখানো হয়েছে ৩ লাখ ৪৬ হাজার টাকা। যা কোনো ভাবেই বিশ্বাস যোগ্য নয় এমন দাবী স্থানীয় গরু খামারিদের।

কয়েকজন খামারি জানান, খাদ্য, বাসস্থান, চিকিৎসা, শ্রমিক সব মিলে প্রতিদিন একটি গরুর পিছনের ২ শত টাকাও ব্যয় হবে না সেখানে কীভাবে ৪ শত ৪৩ টাকা হয়? সঠিকভাবে লালন পালন না করায় একটি গরু মারা গেছে সেহেতু ওই গরুগুলোর পিছনে পরিমাণ মত ব্যয় করা হয়নি।

অভিযোগ উঠেছে, সরকারি টাকা আত্মসাত করতেই এমন বিল ভাউচার তৈরি করে অনুমোদন নেয়া হয়েছে। যার সাথে বাস্তবতার কোনো মিল নেই। এ অনিয়মের সাথে একটি সিন্ডিকেট জড়িত এমন অভিযোগ রয়েছে।

দহগ্রাম ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান কামাল হোসেন বলেন, আমি শুধু খাদ্য সরবরাহ করেছি। এতে ৪৯ দিনে ৩ লাখ ৪৯ হাজার টাকার খাদ্য গিয়েছে। বাকি ব্যয়ের সাথে আমি জড়িত নই।

পাটগ্রাম উপজেলা প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তা শ্যামল চন্দ্র বলেন, প্রতিটি গরুর পিছনে প্রতি দিন ৪ শত ৪৩ টাকা ব্যয়ে হয়েছে এটা অতিরিক্ত নয়। সকল নিয়ম মেনেই ব্যয় হয়েছে।

পাটগ্রাম উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও নিলাম কমিটি’র সভাপতি রামকৃষ্ণ বর্ম্মণ বলেন, গরু গুলো ২৫ লাখ টাকায় প্রকাশ্য নিলামে বিক্রি হয়েছে। ওই গরুগুলো লালন পালন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার টাকা। ব্যয় অতিরিক্ত ধরা হয়েছে কি না তা আমি বলতে পারবো না। প্রাণী সম্পদ কর্মকর্তাই ভালো বলতে পারবেন।-বাংলাদেশে জার্নাল

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ৩, ২০২১ ৩:০২ অপরাহ্ন
গরু মোটাতাজাকরণে ‘ফারমেন্টেড কর্ন’ তৈরীর প্রণালী 
প্রাণিসম্পদ

ফার্মিংয়ে এসে প্রথমেই যে সমস্যার সম্মুখিন হলাম তা হল খড় সংকট ও খড়ের মূল্যবৃদ্ধি। এই সমস্যা থেকে পরিত্রানের জন্য মানুষের কাছে লিজ দেয়া জমি ছাড়িয়ে নিয়ে সাড়ে তিনবিঘা জমিতে নিজেই ধান চাষ শুরু করলাম। যেহেতু শুরুতেই বড় পরিসরে যাচ্ছি না তাই ভাবলাম এথেকে যা পাই পেলাম বাকিটা কিনে চালিয়ে নেব। তবে এবারের অতিবৃষ্টি ও বন্যায় একবার ধানের চারা নষ্ট হয়েছে এবং পরেরবার লাগানো ধান একদম শেষ মুহূর্তের বৃষ্টির কারণে ভালই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। যার ফলে সাড়ে তিন বিঘা জমির ধানে খড় পাচ্ছি মোটামুটি দেড় বিঘার মত।
আবার কিনে ঘাটতি পুরণ করবো সেখানেও মহা বিপদ। কারণ হল বৃষ্টি ও বন্যায় সবাই মোটামুটি ক্ষতিগ্রস্ত। অনেকের নিজের গরু থাকায় বেচবে না আবার যারা বেচবে তাদের দাম আকাশচুম্বী।খড় তো নয় যেন সোনা খাওয়াচ্ছি গরুকে। তাহলে উপায় কি? দানাদার খাবার খাওয়াব? শুধুমাত্র দানাদারের উপর নির্ভরশীল হওয়া মানে পয়সা খরচ করে ব্যাপারী আর কসাইদের পকেট ভারী করা। রেডী ফিড খাওয়াব? সেটা মানেতো লাভের গুড় ফিড কোম্পানিরে খাওয়ানো।শেষমেশ সিদ্ধান্ত নিলাম খড় যেহেতু খাওয়াবো তাহলে ফার্মেন্টেড কর্ন এর মাদ্ধমেই খাওয়াই। এতে করে দুটি লাভ হবে ১। কম পুষ্টিমান সমবৃদ্ধ খড়ে পুষ্টিমান বাড়বে ২। দানাদারের খাদ্যের খরচ কমবে। আরে সাথে খরচ কমার বিষয়টা তো থাকছেই।
কি কি উপাদান লাগবেঃ
১। ভুট্টার পাউডার বা বেসন ১০০ কেজি।
২। খড় ৪০ কেজি (৩০ কেজিও দেয়া যায়)
৩। মোলাসেস বা চিটা গুড় ১০ কেজি
৪। ইউরিয়া ৩/৪ কেজি
৫। পানি ১০০ লিটার
৬। সাইলো পিট্ অথবা বায়ুরোধী প্লাস্টিকের ড্রাম।
৭। পানি ছিটানোর ঝর্ণা।
৮। ত্রিপল অথবা প্লাস্টিকের পলিথিন।
কিভাবে বানাবেনঃ
১। প্রথমে পানির পাত্রে ১০০ লিটার পানি নিয়ে তার সাথে চিটা গুড় ও ইউরিয়া মিশিয়ে মিশ্রণ তৈরী করুন। লক্ষ করবেন ইউরিয়া যাতে ভালভাবে গলে যায়।
২। পরিষ্কার সমান জায়গায় ত্রিপল বিছিয়ে নিন এবং এর উপর ভুট্টার গুঁড়া ভালভাবে বিছিয়ে দিন।
৩। বিছানো ভুট্টার গুঁড়ার উপর আপনার ব্যবহৃত খড়ের অর্ধেকটা ভালভাবে ছিটিয়ে দিন।
৪। এরপর আপনার তৈরিকৃত মিশ্রনের অর্ধেকটা ঝর্ণার সাহায্যে খড়ের উপর এমনভাবে ছিটিয়ে দিন যাতে সবজায়গায় সমভাবে বন্টন হয়।
৫। ছিটানো হয়ে গেলে খড় ও ভুট্টার গুঁড়াটা ভালভাবে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দিতে হবে। এরপর বাকি অর্ধেক খড় প্রথমবারে মিশ্রিত খড় ও ভুট্টার উপর বিছিয়ে দিতে হবে।
৬। এবার বাকি অর্ধেক মিশ্রণ খড়ের উপর ছিটিয়ে দিতে হবে। ছিটানো হয়ে গেলে আগের বারের মত পুরো মিশ্রণটা আবার ভালভাবে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দিতে হবে।
৭। মেশানো হয়ে গেলে এবার তা সাইলো পিট বা ড্রামে ঢেলে ভালভাবে এয়ার টাইট করে দিতে হবে যাতে বাতাস চলাচল করতে না পারে।
৮। ২১ দিন এভাবে রেখে দিতে হবে এবং ২১ দিন পর থেকে প্রস্তুতকৃত ফার্মেন্টেড কর্ন গরুকে খাওয়ানো যাবে।
এখানে আরেকটি বিষয় উল্লেখ্যঃ
১. ভুট্টার গুড়া বা বেশন যেটা করা হয় পাটা লাগানো মেশিনে আর
২. ভুট্টা ভাংগা যেটা করা হয় ব্লেড লাগানো মেশিনে যা মুরগীর খাবারে ব্যবহৃত হয়।
৩. সাগু দানার মতো করে ভুট্টা ভেংগে নিতে হবে। সেক্ষেত্রে পাটা মেশিন দিয়ে না ভেংগে জালি মেশিন দিয়ে ভাংগানো ভালো। এই ক্র্যাকট কর্ন পরিমানমতো পানি দিয়ে ভিজিয়ে রেখে হাই ময়েশ্চারে (৩০%) নিয়ে আসতে হবে।
দু টি দিয়েই ফার্মেন্টড কর্ন তৈরি করা যায় তবে দ্বিতীয় টি দিয়ে আগের রাতে ভিজিয়ে সকালে ছেঁকে তা দিয়ে করলে এর নিউট্রেশন ভ্যালু বেশি হয়।
প্রোটিন সাপ্লিমেন্টঃ
প্রস্তুতকৃত ফার্মেন্টেড কর্ন এর সাথে গরুকে প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট সরবরাহ করতে হবে। প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট তৈরীর উপাদান নিচে দিয়ে দেয়া হল :
সয়ামিল ৫০%, ভুট্টার গুঁড়া ৩৫%,লবন ৫%,ডি সি পি ৫%, লাইমস্টোন ৫% .
কতটুকু করে খাওয়াবেনঃ
প্রতি ১০০ কেজি লাইভ ওয়েটের জন্য গরুকে ১ থেকে সোয়া ১ কেজি ফার্মেন্টেড কর্ন ও ২২৫ গ্রাম প্রোটিন সাপ্লিমেন্ট দিতে হবে।
সাবধানতাঃ
১।ফার্মেন্টেড কর্ন মোটাতাজাকরণের গরুর জন্য ব্যবহার করতে হবে। ডেইরির জন্য নয়।
২। প্রস্তুতকৃত ফার্মেন্টেড কর্ন হঠাৎ করেই গরুকে বেশি পরিমানে দেয়া যাবে না। মনে রাখতে হবে গরু জাতীয় প্রাণীর খাদ্যে যেকোন পরিবর্তন আস্তে আস্তে সময় নিয়ে করতে হবে।
৩। পূর্বের খাদ্য কিছুটা কমিয়ে ২৫০ থেকে ৫০০ গ্রাম ফার্মেন্টেড কর্ন দিয়ে শুরু করে আস্তে আস্তে বাড়াতে হবে।
৪। এছাড়া প্রাথমিক অবস্থায় ফার্মেন্টেড কর্ন দেয়ার ফলে গরুর গোবর কিছুটা নরম হতে পারে। এতে ঘাবড়ানোর কারণ নেই। দুএকদিনের মাঝে এটা ঠিক হয়ে যাবে।
শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ২, ২০২১ ২:৪০ অপরাহ্ন
ক্ষেত থেকে গরু তাড়ানোয় কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতন
পাঁচমিশালি

নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে গরুকে ক্ষেত থেকে বের করে দেয়ায় এক কিশোরকে গাছে বেঁধে নির্যাতনের ঘটনায় লিখিত অভিযোগ করেছে কিশোরের মা।

শনিবার রাত ১১টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ থানায় এ অভিযোগ করা হয়। ওইদিন বিকেলে উপজেলার চর এলাহী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরকলমি গ্রামের সাহাদাত নগরের খালপাড়ে এ ঘটনা ঘটে।

ভুক্তভোগী কিশোর আইয়ুব খান উপজেলার ৮ নম্বর চর এলাহী ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডের চরকলমি এলাকার জাবেদ হোসেনের ছেলে।

কিশোরের মামা ইউছুফ মিয়া জানান, তার ভাগিনা আইয়ুব দরিদ্র পরিবারের সন্তান। তারা খুব কষ্ট করে চরকলমি গ্রামে পাঁচ বিঘা জমিতে ইরি বোরো ধান বর্গা চাষ করে। শনিবার দুপুরের দিকে স্থানীয় জাহাঙ্গীরের ১৪টি গরু তাদের ধানি জমিতে ঢুকে ধান খেয়ে ফেলে।

এটা দেখে আইয়ুব গরুগুলোকে লাঠি দিয়ে কয়েকটি আঘাত করে ধান ক্ষেত থেকে তাড়িয়ে দেয়। এ ঘটনা দেখে গরুর মালিক জাহাঙ্গীর ক্ষিপ্ত হন।

গরু মারধরের অভিযোগে বিকেলে জাহাঙ্গীর, তার ছেলে মাসুদ, ভাড়াটে সন্ত্রাসী সাইফুলসহ আইয়ুবদের বাড়িতে হামলা চালিয়ে আইযুব ও তার মাকে বেধড়ক মারধর করে।

ইউছুফ আরও জানান, একপর্যায়ে হামলাকারীরা আইয়ুবের মাকে মারধর করে ঘরে ঢুকিয়ে দেয়। ওই সময় আইয়ুবকে তাদের বাড়ি থেকে জোরপূর্বক উঠিয়ে নিয়ে জাহাঙ্গীরের বাড়ির একটি কড়ইগাছের সঙ্গে দুই হাত বেঁধে ঘণ্টাব্যাপী নির্যাতন চালায়। খবর পেয়ে ভুট্টু নামের এক স্থানীয় দোকানদার তাকে উদ্ধার করে নিয়ে আসে।

চর এলাহী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান আবদুর রাজ্জাক বলেন, ‘নির্যাতনের শিকার ওই কিশোরের পরিবার আমার কাছে এসেছে। বিষয়টি অমানবিক। আমি তাদের আইনের আশ্রয় নিতে বলেছি।’

কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর জাহেদুল হক রনি জানান, কিশোরের গায়ে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। বর্তমানে সে কোম্পানীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় তার পরিবার লিখিত অভিযোগ দিয়েছে। পুলিশ বিষয়টি খতিয়ে দেখে আইনগত পদক্ষেপ গ্রহণ করবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১, ২০২১ ৬:১০ অপরাহ্ন
ছাগলের ধানের চারা খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, নিহত ১
প্রাণিসম্পদ

ধানের চারা ছাগলে খাওয়া নিয়ে দুই পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় সুফিয়ান আহমদ (১৯) নামে এক তরুণ নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। নাসির আহমদ নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নিহত সুফিয়ান আহমদ সিলেটের জৈন্তাপুর উপজেলার চারিকাটা ইউনিয়নের সরুখেল পূর্ব গ্রামের সিদ্দেক মিয়ার ছেলে।

এ ঘটনায় গতকাল বিকেলে নিহত সুফিয়ানের বড় ভাই বাহার উদ্দিন ছয়জনের নাম উল্লেখ করে জৈন্তাপুর থানায় হত্যা মামলা করেন।

পুলিশ জানায়, গত বৃহস্পতিবার দুপুরে উপজেলার সরুখেল পূর্ব গ্রামের সিদ্দেক মিয়ার একটি ছাগল প্রতিবেশী হারিছ আহমদ ও নাছির মিয়ার ধানের বীজতলার চারা খেয়ে ফেলে। এ নিয়ে দুই পরিবারের সদস্যদের মধ্যে বাগ্‌বিতণ্ডা হয়। একপর্যায়ে তাঁরা সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন।

এতে সিদ্দেক মিয়ার ছেলে সুফিয়ান আহমদ গুরুতর আহত হন। গুরুতর অবস্থায় তাকে উদ্ধার করে সিলেট এম এ জি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হয়। গতকাল ভোরে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান সুফিয়ান।

সিলেটের জৈন্তাপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) গোলাম দস্তগীর আহমদ বলেন, হত্যা মামলার এজাহারভুক্ত আসামি নাসির আহমদকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে আদালতে পাঠানোর প্রস্তুতি চলছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : মে ১, ২০২১ ১০:৩০ পূর্বাহ্ন
​শ্রীপুরে এক ব্যবসায়ীর ৪ গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

গাজীপুরের শ্রীপুর উপজেলার বরমী ইউনিয়নের সোনাকর গ্রামের ইকবাল হোসেন নামে এক গরু ব্যবসায়ীর চারটি গরু চুরি হয়ছে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত ইকবাল হোসেন।

শুক্রবার (৩০ এপ্রিল) গভীর রাতে ওই কৃষকের গোয়াল ঘর থেকে এ গরু গুলো চুরি হয়। গরুর মালি ইকবাল হোসেন ওই গ্রামের ইউসুফ আলীর ছেলে। কৃষি কাজের সাথে গরুর ব্যবসাও করেন তিনি।

ইকবাল হোসেন জানান, প্রতিদিনের মতোই গোয়াল ঘরে গরু রেখে তালা লাগিয়ে দিয়ে গত রাত সাড়ে বারোটার দিকে ঘুমাতে যান তিনি। সেহরির সময় উঠে দেখেন গোয়াল ঘরের তালা কাটা৷ পরে ভেতরে গিয়ে দেখতে পান গরু গুলো নেই। ধারণা করা হচ্ছে , গভীর রাতে তালা কেটে গরুগুলো নিয়ে গেছে অজ্ঞাত চোরেরা। পরে রাতেই থানা পুলিশকে অবগত করেন ।

তিনি আরও বলেন, চুরি হওয়া গরুর মধ্য একটি লাল রঙের ষাঁড়, একটি সাদা রঙের গাভী ও দুটি বকনা। যেগুলোর বাজার মূল্য আনুমানিক সাড়ে তিন লাখ টাকা।

শ্রীপুর থানার কর্তব্যরত অফিসার এসআই রিপন মিয়া জানান, গরু চুরির ঘটনায় এখনো থানায় কেউ খবর দেননি। অভিযোগ পেলে যথাযথ আইনি প্রক্রিয়া গ্রহণ করা হবে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩০, ২০২১ ১১:৫৬ অপরাহ্ন
মিশ্র খামারে আগুন লেগে ১৫ লাখ টাকার গবাদি পশু পুড়ে ছাই
প্রাণিসম্পদ

কুষ্টিয়ার কুমারখালীতে একটি মিশ্র খামারে আগুন লেগে খামার সহ বিভিন্ন ধরনের পশু আগুনে পুড়ে ছাই হয়েছে। এতে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি সাধিত হয়েছে বলে দাবি করেন ক্ষতিগ্রস্ত রেজাউল আলী।

বৃহস্পতিবার দিবাগত রাত সাড়ে ১২ টার দিকে বাগুলাট ইউনিয়নের দুধকুমড়া গ্রামে এই অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে।

এলাকাবাসী জানান, রাত সাড়ে ১২ টার দিকে চারদিকে আলোকিত দেখে তারা ছুটে এসে দেখেন রেজাউল আলীর মিশ্র খামারে আগুন। তারা আগুন নিভানোর চেস্টা করাকালীন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীদের সংবাদ দিলে তারা এসে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এসময় আগুনে কৃষকের খামারসহ ৫টি গরু ১৫ টি ছাগল ও প্রায় ২ শতাধিক হাঁস মুরগী পুড়ে যায়।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক মৃত আক্কাস শেখের ছেলে রেজাউল আলী জানান, তিনি তার মিশ্র খামারে গরু, ছাগল ও হাঁসমুরগি রাখতেন। হটাৎ করেই আগুনে পুড়ে প্রায় ১৫ লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে। তিনি সবকিছু হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছেন।তিনি আরো জানান বৈদ্যুতিক শর্টসার্কিট থেকে আগুনের সূত্রপাত হতে পারে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : এপ্রিল ৩০, ২০২১ ২:০৮ অপরাহ্ন
কলাপাড়ায় গরুর ঘাস খাওয়া নিয়ে সংঘর্ষ, আহত ১১
প্রাণিসম্পদ

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় গরুর ঘাস খাওয়াকে কেন্দ্র করে সংঘর্ষে উভয় পক্ষের অন্তত ১১ জন আহত হয়েছেন। সংঘর্ষের পর স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে কলাপাড়া হাসপাতালে নিয়ে এলে গুরুতর আহত ৫ জনকে ভর্তি করা হয়েছে। এছাড়া বাকিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে।

গত বুধবার রাতে উপজেলার লতাচাপলী ইউপির লক্ষীপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। বিষয়টি নিশ্চিত করে লতাচাপলী ইউপি চেয়ারম্যান আনছার উদ্দিন মোল্লা।

আনছার উদ্দিন মোল্লা জানান, ‘অনেক মারামারি হয়েছে কয়েকজনের মাথা ফাটছে। আমি তাদেরকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে পাঠিয়েছি।’

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাহাঙ্গীর হাওলাদারের জমির বিক্রি করা ঘাস জোড় করে গরু দিয়ে খাইয়ে নেয় মহাসীন হাওলাদার। এর প্রতিবাদ করলে লোহার রড দিয়ে পিটিয়ে জাহাঙ্গীরসহ তার স্বজনদের রক্তাক্ত জখম করে। পরে সংঘর্ষে জড়িয়ে উভয়পক্ষে লোকজন আহত হয়।

মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকার্তা (ওসি) মনিরুজ্জামান জানান, অভিযোগ পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop