৫:১৬ অপরাহ্ন

বুধবার, ১৮ মার্চ , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : মার্চ ১, ২০২১ ১২:৩৫ অপরাহ্ন
বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের মাঝে ক্রসব্রীড বকনা গরু বিতরণ
প্রাণিসম্পদ

নওগাঁর বদলগাছীতে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠিদের মাঝে ক্রসব্রীড বকনা গরু ও উপকরণ বিতরণ করা হয়েছে।

২৮ ফেব্রুয়ারি বেলা ১২ টায় বদলগাছী উপজেলার শেখ রাসেল মিনি স্টেডিয়াম মাঠে উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসের আয়োজনে সমতল ভূমিতে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থসামাজিক ও জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় এ বিতরণ অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।

উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মো. জিয়াউর রহমান বলেন, সমতল ভূমিতে অনগ্রসর ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠির আর্থসামাজিক ও জীবন মান উন্নয়নের লক্ষ্যে সমন্বিত প্রাণি সম্পদ উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় ১২৬ জন সুফলভোগির মধ্যে ১ টি করে ক্রসব্রীড বকনা গরু ও উপকরণ বিতরণ করা হয়। পর্যায়ক্রমে ২ হাজার ৮শ জনের মাঝে গরু, মহিষ, ছাগল, ভেড়া ও উপকরণ বিতরণ করা হবে বলে জানান তিনি।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মুহা. আবু তাহির এর সভাপতিতে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শামসুল আলম খান। বিশেষ অতিথি ছিলেন, বদলগাছী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মো. আবু খালেদ বুলু, উপজেলা পরিষদের ভাইস-চেয়ারম্যান ইমামুল আল হাসান তিতু, নওগাঁ জেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার মো. মহির উদ্দীন, ডিটিএলপি’র প্রকল্প পরিচালক ড. অসীম কুমার দাস প্রমুখ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বদলগাছী উপজেলা প্রাণি সম্পদ অফিসার ডা. মো. জিয়াউর রহমান সহ সকল কর্মকর্তা কর্মচারিবৃন্দ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ১১:৪৪ অপরাহ্ন
রুপগঞ্জে অভিনব কায়দায় দুই বছরে ৩‘শ গরু চুরি!
প্রাণিসম্পদ

নারায়নগঞ্জের রূপগঞ্জের পূর্বাচল এলাকায় হচ্ছে অভিনব কায়দায় চুরি। সেখানে গত দুই বছরে গরু চুরি হয়েছে অন্তত ৩০০ টি। অভিনব কায়দায় গরু চুরির শিকার এলাকার খামারিরা।

থানায় অভিযোগ করেও, মিলছেনা সমাধান। একমাত্র আয়ের উৎস বন্ধ হওয়ায় সর্বশান্ত বেশিরভাগ খামারি।

অভিনব কায়দায় গরু চুরি করা হয় নারয়নগঞ্জের রুপগঞ্জের। এই ঘটনায় সর্বশান্ত অনেক খামারি। গত কয়েক মাস আগে এক রাতেই ৭টি গরু চুরি হয় এক খামারির। ক্ষতিগ্রস্ত খামারির অভিযোগ, থানায় জানিয়েও মেলেনি কোন সুরাহা।

স্থানীয়রা জানায়, গত ২ বছরে রূপগঞ্জ এলাকা থেকে গরু চুরি হয়েছে অন্তত ৩০০ টি।

খামারিদের দুরবস্থা ঠেকাতে প্রশাসনিক সহায়তার কথা জানিয়েছে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর। আর রূপগঞ্জের এই এলাকাটা বেশ ফাঁকা থাকার কারণে চুরির প্রবণতা বেশি বলে মনে করছে পুলিশ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ৩:১০ অপরাহ্ন
হাঁস পালনে স্বাবলম্বী অনোক
প্রাণিসম্পদ

অনোক কুমার পাল একজন বেকারি ব্যবসায়ী ছিলেন। করোনা মহামারীতে তার ব্যবসাতে ধ্বস নামায় বিকল্প আয়ের উৎস হিসাবে শুরু করেন হাঁস পালন। যা উপর ভিত্তি করেই বদল হয় তার ভাগ্য। মাত্র দুই লক্ষ টাকার পূজিতে ৮ মাস না যেতেই মাসিক আয় পৌছেছে অর্ধলক্ষ টাকায়।

জানা যায়, অনোক কুমার পাল বাগেরহাট সদর উপজেলার বেমরতা ইউনিয়নের ফতেপুর গ্রামের একজন বেকারির ব্যবসায়ী।যিনি বছর পাঁচেক আগে রং মিস্ত্রির কাজ ছেড়ে দিয়ে শুরু করেন বেকারির ব্যবসা।চানাচুর, বিস্কিট, চিড়া, বুট, ছোলাসহ বিভিন্ন খাবার পন্য তৈরি ও সরবরাহ করে ভালই চলছিল তার।কিন্তু করোনা মহামারিতে এবছর জুন মাসের দিকে ব্যবসা একদম শুন্যের কোঠায় চলে আসে। দুই সন্তান ও স্ত্রী নিয়ে সংসার চালানো দায় হয়ে পড়ে অনোকের।চিন্তায় পড়ে যান, খুজতে থাকেন বিকল্প আয়ের পথ। ইউটিউবে বিভিন্ন হাসের খামারের ভিডিও দেখে সিদ্ধান্ত নেন খামার করার।বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তার সাথে কথা বলেন।সিদ্ধান্ত নেন নিজের সখের মৎস্য ঘেরেই হাস পালন শুরু করবেন।নিজের জামানো টাকা দিয়ে ঘেরের পাশে হাঁসের জন্য গোলপাতার ছাউনিতে কাঠের শেড তৈরি করেন।

তিনি বাগেরহাট আঞ্চলিক হাস প্রজনন খামার থেকে ২০ টাকা দরে এক হাজার ৫০টি হাঁসের বাচ্চা নিয়ে শুরু করেন হাসের খামার। অন্তর-অয়ন হাস খামার নামে শুরু করেন স্বপ্ন যাত্রা।মাত্র ৩ মাস ২৬ দিনে হাস থেকে ডিম পায় অনোক কুমার পাল।

কিন্তু বাধঁ সাধে খামারে থাকা পুরুষ হাস।এক হাজার ৫০ পিস হাসের মধ্যে প্রায় ৫‘শ হাস পুরুষ হয়ে যায়। ৪০ হাজার টাকা লোকসানে পুরুষ হাসগুলোকে বিক্রি করে দেন তিনি। তবে লোকসান পুষিয়ে নিতে প্রাণপন চেষ্টা করে যান অনোক।সফলতাও পেয়ে যান অনোক।

খামার থেকে এখন প্রতিদিন ৪‘শ থেকে সাড়ে চারশ ডিম সংগ্রহ করেন অনোক।খাবারের দাম ও একজন কর্মচারীর বেতনসহ সব খরচ দিয়ে প্রতিমাসে ৪৫ থেকে ৫০ হাজার লাকা লাভ করেন তিনি।হাস খামারের আয়ে খুশি অনোক।

অনোক বলেন, ‘মাত্র ৩৩ শতাংশ জমির উপর আমার মৎস্য ঘের ও হাঁসের খামার। বাচ্চা উঠানোর মাত্র তিন মাস ২৬ দিনে আমার খামারে হাঁস ডিম দেওয়া শুরু করে। এটা ছিল আমার জন্য খুবই আনন্দের। বর্তমানে খামার থেকে ভালই আয় হচ্ছে।শুরু থেকে এখন পর্যন্ত বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ অফিস ও আঞ্চলিক হাস খামারের লোকজন আমাকে খুব সহযোগিতা করেছেন।

তিনি জানান, আগামী এক থেকে দেড় মাসের মধ্যে এই আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজারে পৌছাবে আশা করি। এভাবে মাস ছয়েক চলতে পারলে আর একটি খামার করার ইচ্ছা রয়েছে আমার’।

বাগেরহাট জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা ডা. লুৎফর রহমান বলেন, ‘অনোক একজন ভাল খামারি। তিনি খামার করার আগে আমার কাছে এসেছেন। আমি তাকে সব ধরণের কারিগরি পরামর্শ দিয়েছি। তাকে একজন সফল হাঁস খামারি বলা যায়’।

তিনি আরও বলেণ, হাসপালন খুবই লাভ জনক। হাঁসের মর্টালিটি হার খুবই কম। রোগ ব্যাধিও কম। তাই নিয়ম মেনে হাঁস পালন করতে পারলে খুব সহজে স্বচ্ছলতা আনা যায় বলে দাবি করেন এই কর্মকর্তা।শেখ সাইফুল ইসলাম কবির।

আর সবকিছু এভাবে ঠিকঠাক থাকলে খামার থেকে অনোকের মাসিক আয় ৬০ থেকে ৭০ হাজারে পৌছাবে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৮, ২০২১ ১১:০৯ পূর্বাহ্ন
চাঁদপুরে আজ রাত থেকে ২ মাস ইলিশ ধরা বন্ধ থাকবে
প্রাণিসম্পদ

ইলিশ রক্ষায় আজ রোববার রাত ১২টা থেকে চাঁদপুরের পদ্মা ও মেঘনায় দুই মাস (মার্চ ও এপ্রিল) মাছ ধরা বন্ধ থাকবে। অভয়াশ্রম ও জাটকা রক্ষা কার্যক্রম উপলক্ষে জেলেদের জন্য ওই দুই মাস ভিজিএফের চাল বরাদ্দ দেওয়া হবে।

জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. আসাদুল বাকী বলেন, আগামী দুই মাস নদীতে সব ধরনের মাছ ধরা নিষিদ্ধসহ জাটকা ধরা, পরিবহন, বাজারজাত ও মজুত নিষিদ্ধ থাকবে। এই আইন অমান্য করলে নৌ পুলিশ, জেলা পুলিশ, কোস্টগার্ড ও জেলা ম্যাজিস্ট্রেটের ভ্রাম্যমাণ আদালত আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। ইতিমধ্যে এ নিয়ে বিভিন্ন স্থানে লিফলেট বিতরণ, মাইকিং, পোস্টারিং ও ব্যানার লাগানো হয়েছে।

এ কর্মকর্তা আরও বলেন, ‘আমরা প্রথম কিস্তিতে ৪০ হাজার ৫টি মৎস্যজীবী পরিবারের জন্য দুই মাসের প্রতি মাসে ৪০ কেজি হিসাবে মোট ৩ লাখ ২০ হাজার ৪০ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ করেছি। গত বছর এই বরাদ্দের পরিমাণ ছিল ৩৮ হাজার ৫টি মৎস্যজীবী পরিবারের জন্য ৩ লাখ ৪০ হাজার ৪০ মেট্রিক টন। এই চাল চাঁদপুর, হাইমচর, মতলব উত্তর ও মতলব দক্ষিণ উপজেলায় প্রশাসনের মাধ্যমে পৌঁছানো হয়েছে।’

প্রথম আলো

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৭, ২০২১ ১১:০২ পূর্বাহ্ন
ছাগল বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ সেই নারীর মৃত্যু
প্রাণিসম্পদ

চট্টগ্রামের রাউজানে ছাগল বাঁচাতে গিয়ে দগ্ধ হওয়া জোসনা আরা বেগম তোতা (৫৫) নামে সেই নারীর মৃত্যু হয়েছে। চিকিৎসাধীন অবস্থায় শুক্রবার বিকেল ৫টায় ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে তিনি মারা যান।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রাউজান থানার ওসি আবদুল্লাহ আল হারুন।

নিহত জোসনা আরা বেগম ওই এলাকার ফজল কাদেরের স্ত্রী। এর আগে গত ১৭ ফেব্রুয়ারি সকাল ৮টায় রাউজান পৌরসভার ৬নম্বর ওয়ার্ডের রাউজান ফায়ার সার্ভিসের পেছনে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় তিনি দগ্ধ হন।

জানা যায়, ছাগলকে তাপ দেওয়ার জন্য হাড়িতে করে কয়লা রাখেন। কয়লার হাড়িটি ছাগল ফেলে দিলে সকালে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে ছাগল বাঁচাতে ছুটে যান জোসনা আরা বেগম। সে সময় তার শাড়িতে আগুন ধরে তিনি দগ্ধ হন। পরে তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিক্যালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি মারা যান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১ ৫:১৮ অপরাহ্ন
নতুন প্রজন্মকে মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তুলতে হবে: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

নতুন প্রজন্মকে বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

শুক্রবার (২৬ ফেব্রুয়ারি) ঢাকার কেরাণীগঞ্জে ঢাকাস্থ খুলনার সাবেক ছাত্রলীগ ফাউন্ডেশনের বনভোজন ও মিলনমেলা ২০২১-এ অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এ আহ্বান জানান।

এসময় মন্ত্রী বলেন, “সন্তানদের শেখাতে হবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনা কাকে বলে। কোমলমতি বাচ্চাদের শেখাতে হবে অসাম্প্রদায়িকতা কাকে বলে। তাদেরকে শেখাতে হবে বঙ্গবন্ধু একটা প্রতিষ্ঠান ছিল। তাঁর জীবনালেখ্য পড়াতে হবে। বঙ্গবন্ধু কন্যা মৃত্যুঞ্জয়ী শেখ হাসিনা ঊনিশ বার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েও কীভাবে অদম্য গতিতে বাংলাদেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, সেটাও এ প্রজন্মকে শেখাতে হবে।”

তিনি আরো বলেন, ‘৭১ এ পাকিস্তানিদের নৃশংসতার কথা নতুন প্রজন্মকে জানাতে হবে। একদিন বাংলাদেশে আমরা ক্ষমতায় নাও থাকতে পারি, কিন্তু আমাদের সন্তানরা যেন বঙ্গবন্ধুর আদর্শ ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় বেড়ে উঠে।”

ঐতিহাসিক ৭ মার্চকে স্মরণ করে শ ম রেজাউল করিম আরো বলেন, “৭ মার্চ প্রকৃতপক্ষে বাঙালির স্বাধীনতা ঘোষণার দিন। বঙ্গবন্ধু ‘৭১ এর ২৬ শে মার্চ প্রথম প্রহরে আনুষ্ঠানিকভাবে স্বাধীনতার ঘোষণা করেছিলেন।

কিন্তু ৭ মার্চ বঙ্গবন্ধু বলেছিলেন এবারের সংগ্রাম আমাদের মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। এদিন তিনি যার যা কিছু আছে তাই নিয়ে প্রস্তুত থাকতে বলেছিলেন। তার মানে ৭ মার্চে স্বাধীনতার ঘোষণা হয়ে গিয়েছিল। এটাই বাস্তবতা।”

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১ ২:১৯ অপরাহ্ন
গরুর পেটে ৭১ কেজি প্লাস্টিক!
প্রাণিসম্পদ

গরুর পেটে মিলল ৭১ কেজি প্লাস্টিক। এমনি ঘটনা ঘটেছে ভারতের ফরিদাবাদে। দুর্ঘটনায় আহত গরুটিকে অস্ত্রোপচার করার সময় বিভিন্ন ধরনের বর্জ্যর সাথে এটি পাওয়া যায়।

ভারতীয় গণমাধ্যম টাইমস অব ইন্ডিয়ার প্রতিবেদনে বলা হয়, প্লাস্টিক বর্জ্য ও আবর্জনা কতটা মারাত্মক রূপ নিয়েছে, তা ফুটে উঠেছে এই ঘটনায়।

পশুচিকিৎসকেরা গত সোমবার চার ঘণ্টা ধরে এই অস্ত্রোপচার করেন। গরুটির পেটে পাওয়া বর্জ্যের মধ্যে আছে, প্লাস্টিক, সুই, কয়েন, গ্লাসের টুকরো, স্ক্রু ও বিভিন্ন ধরনের পিন।

শহরে ঘাস খাওয়ার সময় এগুলো তার পেটে চলে যায় বলে ধারণা করা হচ্ছে।

ডা. আতুল মাওরিয়া বলেন, পশুটির অস্ত্রোপচার সফল হলেও এখনও আশঙ্কামুক্ত না। আগামী ১০ দিন তার জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ।

সড়ক দুর্ঘটনায় আহত হওয়া গরুটি ফরিদাবাদের এনআইপি-৫ থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। পরে দেবাশ্রী প্রাণী হাসাপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

চিকিৎসকরা দেখতে পান, গরুটি নিজের পেটেই ক্রমাগত লাথি মারছে। এতে তাদের মনে হয়, দুর্ঘটনায় আহত হওয়া ছাড়াও এটির শরীরে আলাদা যন্ত্রণা আছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৬, ২০২১ ৯:২৮ পূর্বাহ্ন
সাতক্ষীরায় ক্ষুরা রোগে ১৬ গরুর মৃত্যু, কাজ করছেনা ভ্যাকসিন!
প্রাণিসম্পদ

সাতক্ষীরায় গরুর ক্ষুরা রোগ বেড়েই চলছে। এই রোগের ভ্যাকসিন প্রয়োগ করেও কমানো যাচ্ছে না এই রোগের প্রকোপ। এই রোগে আক্রান্ত হয়ে এ পর্যন্ত মৃত্যু ঘটেছে অন্তত ১৬টি গরুর।

জেলা সদর উপজেলার ব্রহ্মরাজপুর ইউনিয়নের ঘোষপাড়ার খামারি নিরঞ্জন ঘোষ জানান, তার খামারে উন্নত জাতের গাভী বাছুরসহ ১৫টি গরু ছিল। ফেব্রুয়ারির প্রথম সপ্তাহ থেকে খামারে ক্ষুরা রোগের সংক্রমণ হয়। এতে একে একে এ পর্যন্ত পাঁচটি গরু মারা গেছে।

ক্ষুরা রোগে নিরঞ্জন ঘোষের প্রতিবেশী বাবু রাম বিশ্বাসের পাঁচটি গরুর মধ্যে একটি, নিতাই ঘোষের সাতটি গরুর মধ্যে দুটি, গৌর ঘোষের আটটি গরুর মধ্যে দুটি ও ফারুক মোল্লার ৮০টি গরুর মধ্যে ছয়টি গরু মারা গেছে। এছাড়া রাম বিশ্বাসের চারটি গরু খুরা রোগে আক্রান্ত হয়েছে।

খামারিরা জানান, মারা যাওয়া উন্নত জাতের প্রতিটি গাভীর মূল্য দেড় থেকে দুই লাখ টাকা। রোগ প্রতিরোধে ভ্যাকসিন দিয়েও কোনো কাজে আসেনি। অনেক খামারি শুরুতেই শেষ হয়ে গেল।

তাদের অভিযোগ, সরকারি ভ্যাকসিন সঠিক তাপমাত্রায় সংরক্ষণ না করার কারণে ভ্যাকসিন সঠিকভাবে কাজ করেনি।

সাতক্ষীরা জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মোহাম্মদ শহীদুল ইসলাম বলেন, ভ্যাকসিন নিয়ে প্রশ্ন তোলার সুযোগ নেই। তবে, ভ্যাকসিন দেয়ার সময় নিয়ে খামারিদের মধ্যে বিভ্রান্তি রয়েছে। তারা মনে করে একবার ভ্যাকসিন দিলে হয়ে যায়। ক্ষুরা রোগের ভ্যাকসিন একবার দিলে ছয় মাস কাজ করে। এই ভ্যাকসিন ছয়মাসের মধ্যে আবার দিতে হয়। তাহলে বুস্ট ডোজ হিসেবে কাজ করে। কিন্তু ছয় মাস পার হয়ে গেলে এর কার্যকারিতা কমে যায়। আমাদের দফতরে জানালে আমরা ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে ব্যবস্থা নেই। কিন্তু কেউ কিছু জানায়নি বলেও তিনি জানান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২১ ৮:১৩ অপরাহ্ন
বাংলাদেশ বর্তমানে দুই ভাগে বিভক্ত: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বাংলাদেশ বর্তমানে দুই ভাগে বিভক্ত রয়েছে। এক পক্ষ বঙ্গবন্ধুকন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার, অপর পক্ষ হলো মুক্তিযুদ্ধের চেতনাবিরোধী ও আওয়ামী লীগের বিরোধী পক্ষ বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ. ম. রেজাউল করিম।

বৃহস্পতিবার (২৫ ফেব্রুয়ারি) রাজধানীর ফার্মগেটে কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশন বাংলাদেশ মিলনায়তনে শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের ৩৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

শ. ম. রেজাউল করিম বলেন, ‘দেশি-বিদেশি ষড়যন্ত্রের ব্যাপারে আমাদের সতর্ক থাকতে হবে। যাতে কোনও অপচেষ্টাকারী অপপ্রচার দিয়ে মানুষকে বিভ্রান্ত করতে না পারে। ক্ষমতায় থাকলে সব সময় ভালো আছি—এ কথা ভাবার কোনও কারণ নেই। শত্রুর ষড়যন্ত্র ভেতরে থেকেও আসে। দেশে বঙ্গবন্ধু হত্যা ও যুদ্ধাপরাধের বিচার হয়েছে। এ জন্য আমরা আনন্দিত। এর পাশাপাশি মনে রাখতে হবে, ৭৫ সালের ১৫ আগস্টও আওয়ামী লীগ রাষ্ট্র ক্ষমতায় ছিল। দেশের ভেতর ও বাইরে তখনও ষড়যন্ত্র ছিল, এখনও আছে।

তিনি আরো বলেন, ইতিহাসে মীর জাফরদের তালিকায় খন্দকার মোশতাক, জিয়াউর রহমানসহ অনেকেই আছেন। তাদের স্বরূপ বুঝতে হবে।’ ইস্পাত কঠিন আদর্শিক দৃঢ়তা দিয়ে সকল ষড়যন্ত্রের ব্যুহ ভেদ করতে হবে বলেও জানান তিনি।

১৯৭৫ পরবর্তী ইতিহাস তুলে ধরে মন্ত্রী বলেন, ‘জিয়াউর রহমান অবৈধভাবে ক্ষমতা দখল করেছেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের উৎসাহিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর ১২ জন খুনিকে ১২টি রাষ্ট্রে প্রতিষ্ঠিত করেছিলেন। বঙ্গবন্ধুর খুনিদের রক্ষার জন্য যে ইনডেমনিটি অধ্যাদেশ হয়েছিল, জিয়াউর রহমানের স্বাক্ষরে তা আইনে পরিণত হয়েছে। যার কারণে বঙ্গবন্ধুর খুনিদের বিচারের পথ রুদ্ধ হয়ে গিয়েছিল।

তিনি আরো বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বাংলাদেশকে ধ্বংস করেছিলেন জিয়াউর রহমান। তিনি সংবিধানের ৩৮ অনুচ্ছেদকে কর্তন করে ধর্মভিত্তিক রাজনৈতিক সংগঠন করার সুযোগ করে দিয়েছিলেন। মুক্তিযুদ্ধের সপক্ষ রাষ্ট্রগুলোকে শত্রু বানিয়ে মুক্তিযুদ্ধের বিরোধী রাষ্ট্রগুলোকে মিত্র বানানো হয়েছে।’

এ সময় প্রাণিসম্পদমন্ত্রী বঙ্গবন্ধু ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনা আর শেখ হাসিনার নেতৃত্বের জায়গায় থাকতে নতুন প্রজন্মকে আহ্বান জানান।

শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান রকিবুর রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে ভার্চুয়ালি সংযুক্ত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন—শেখ রাসেল জাতীয় শিশু-কিশোর পরিষদের মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মাহমুদ উস্ সামাদ চৌধুরী, আওয়ামী লীগের দফতর সম্পাদক ও প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী বিপ্লব বড়ুয়া, সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম বাবু ও সংসদ সদস্য আনোয়ারুল আবেদীন খান।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ফেব্রুয়ারী ২৫, ২০২১ ৩:২৩ অপরাহ্ন
মাগুরায় কলায় বিষ মিশিয়ে গরু হত্যা!
প্রাণিসম্পদ

গরুর সাথে এ কেমন শত্রুতা। মাগুরার শালিখায় কলার সঙ্গে বিষ মিশিয়ে দুটি গরু হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের নাম বাবলু বিশ্বাস। তিনি ওই গ্রামের মৃত দলিলদ্দি বিশ্বাসের ছেলে।

বুধবার (২৪ ফেব্রুয়ারি) দিবাগত রাতে শালিখা উপজেলার আড়পাড়া ইউনিয়নের শ্রীহট্ট গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

কৃষক বাবলু বিশ্বাস জানান, প্রতিদিন ঘুমানোর আগে গোয়ালের গরুগুলো দেখতে যান তিনি। ঘটনার সময় রাত ১১টার দিকে তিনি গরু দেখে ঘুমিয়ে পড়েন। ভোরে গোয়াল থেকে গরু বের করতে গিয়ে দুটি গরু মৃত অবস্থায় পড়ে থাকতে দেখে প্রতিবেশিদের খবর দেন। পরে গোয়ালে খাবারের পাত্রে বিষ মেশানো কলা পড়ে থাকতে দেখেন। ধারণা করা হচ্ছে, পূর্বশত্রুতার জেরে কলার সঙ্গে কেউ বিষ মিশিয়ে গরু দুটি হত্যা করা হতে পারে।

বাবুলের স্ত্রী আসমা বেগম কান্নাজড়িত কণ্ঠে জানান, প্রতি বছর দুটি গরু কিনে পালন করেন কোরবানির হাটে বিক্রি করার জন্য। ঋণ শোধ করে আবার দুটি গরুর বাছুর কেনেন পরের বছরে বিক্রির জন্য। এবার তার সব শেষ হয়ে গেল।

আসমা বেগম আরও জানান, তাদের প্রতিবেশি বা আশপাশের কারও সঙ্গে শত্রুতা নেই। এর পরেও তার সঙ্গে যদি কারও শত্রুতা থেকেও থাকে তবে তার কারণে গরুকে কেন হত‌্যা করা হলো? তিনি কিছু বুঝে উঠতে পারছেন না।

শালিখা থানার পরিদর্শক তরিকুল ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, এ ঘটনায় অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop