৫:৪৪ অপরাহ্ন

বুধবার, ৩ জুন , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জুলাই ১০, ২০২৩ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
ডেইরি ফার্ম শুরু করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

ডেইরি ফার্ম করার দিকে এখন অনেকেই ঝুঁকছেন। তবে শুরুটা শুরু করতে গিয়ে অনেকে হিমশিম খাচ্ছেন। কোথায় থেকে, কিভাবে করবেন এটা নিয়ে শুরু হয় দুশ্চিন্তা। কত টাকা লাগবে, কয়দিন লাগবে। সব মিলিয়ে থাকে নানান চিন্তা। তবে কিছু বিষয় জেনে রাখলে ডেইরি ফার্ম নিয়ে এতটা বেগ পেতে হবে না আগ্রহীদের।

একটি পরিকল্পনা
বাজেট ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা। কমপক্ষে ১৫ লিটার দুধের গরু বাছুরসহ ২টি। মনে রাখতে হবে গাভি সব সময় সমপরিমাণ দুধ দেবে না। কম-বেশি হতে পারে। তবে গড়ে ১০ লিটার ধরে নিতে পারেন। গোয়াল ঘর করতে হবে ৩০ ফিট বাই ১৫ ফিট। তাতে ইলেক্ট্রিক আর পানির ব্যবস্থা অবশ্যই থাকতে হবে। মনে রাখতে হবে, ফ্লর যেন পাকা হয়। উপরে টিনের চাল থাকলেই হবে। চারদিকে আলো-বাতাস ঢোকে এমন বেড়া দিতে হবে।

এককালীন খরচ: ২টি দুধের গরুর দাম ৩ লাখ টাকা। গোয়াল ঘর খরচ ৬০ হাজার টাকা। ইলেক্ট্রিক ও পানি খরচ ২০ হাজার টাকা।
দুধ থেকে আয়: ২০ লিটার দুধ ৫০ টাকা করে ১ হাজার টাকা প্রতিদিনের আয়। তাহলে মাসিক আয় ৩০ হাজার টাকা। ‪

‎মাসিক ব্যয়: কর্মচারীর মাসিক বেতন ৭ হাজার টাকা। গরুর খাবার খরচ ১৫০ টাকা প্রতিদিন। তাহলে মাসিক খরচ ৯ হাজার টাকা। ওষুধ এবং অন্যান্য ২ হাজার টাকা।

মাসিক লাভ: আয় ও ব্যয় বাদ দিলে মাসে লাভ হবে ১২ হাজার টাকা। এককালীন খরচের ৩ লাখ ৮০ হাজার টাকা উঠে আসতে সময় লাগবে ২ বছর ৭ মাস।

পদক্ষেপ: এভাবে মাসিক আয় ধরে রাখতে ৮ মাস পর আবার ২টা দুধের গরু কিনতে হবে। তাহলে একটি সার্কেলের মধ্যে পড়ে যাবে। সেক্ষেত্রে কখনোই পকেট থেকে টাকা খরচ করতে হবে না।

দুর্যোগ: বড় ধরনের দুর্ঘটনা বা অসুখ-বিসুখ আমাদের নিয়ন্ত্রণের বাইরে। তাই এখানে তার হিসাব দেখানো হয়নি।

ব্যবসা: ২-৫ বছর পর লাভের পরিমাণ কেমন হবে? সম্পদের পরিমাণ কত হবে? এটি বোঝা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। যদি তা বের করা যায়, তাহলেই বোঝা যাবে ডেইরি ব্যবসা কেমন হবে। সূত্র: জাগো নিউজ

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৬, ২০২৩ ৩:১১ অপরাহ্ন
হাঁস পালনে ঘুরে দাঁড়ালেন তালেব
প্রাণিসম্পদ

গাইবান্ধার পলাশবাড়ী উপজেলার বৈরিহরিণমাড়ী গ্রামের গ্রামের বাসিন্দা আবু তালেব মিয়া। দরিদ্রের কষাঘাত থেকে রেহাই পেতে শুরু করে হাঁসের খামার। বাড়ির পাশে উন্মুক্ত জলাশয়ে দলবেঁধে ভাসছে তার হাঁস।

জানা যায়, বৈরিহরিণমাড়ী গ্রামের দরিদ্র পরিবারের সন্তান আবু তালেব মিয়া। দাম্পত্য জীবনে স্ত্রী-সন্তান রয়েছে তার। এই সংসার চালাতে অনেক হিমশিম খেতে হচ্ছিল। এমনি এক পর্যায়ে স্থানীয় কয়েকটি হাঁসের খামার অনুসরণ করেন তিনি। প্রায় ৬ মাস আগে গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ থেকে ক্যাম্বেল জাতের ৫০০ পিস হাঁসের বাচ্ছা কিনে বাড়িতে শুরু করে খামার। এসব হাঁস বর্তমানে প্রতিদিন ২০০টি করে করে ডিম দিচ্ছে। এরপর থেকে আর কখনো পিছন ফিরে তাকাতে হয়নি তাকে। উৎপাদিত ডিম ও হাঁস বিক্রির লাভের টাকা দিয়েই সুখে চলছে তার সংসার।

উদ্যোক্তা আবু তালেব মিয়া জানান, প্রশিক্ষণ ছাড়াই হাঁসের খামার গড়ে তুলেছেন তিনি। কঠোর পরিশ্রম আর দৃঢ় মনোবল নিয়ে খামারটি পরিচালনা করে চলেছেন। বর্তমানে হাঁসের খাবার, ওষুধ ও অন্যান্য খরচ বাদে মাসে প্রায় ২০ হাজার টাকা লাভ থাকছে তার। তবে কিছুদিন আগে টানা লকডাউনের কবল ক্ষতির শিকার হয়েছেন তিনি।

তিনি আরও বলেন, এক সময়ে স্ত্রী-সন্তানের মুখে তেমন অন্ন যোগাতে পারিনি। এখন হাঁসের খামার করে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরে এসেছে। পরিবার নিয়ে প্রতিদিন খাওয়া হয় মাছ-মাংস-ডিম।

পলাশবাড়ী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ের উপ-সহকারী কর্মকর্তা আতাউর রহমান জানান, যে কোন কাজ পরিকল্পিভাবে করলে অবশ্যই সফল হওয়া সম্ভব। উদ্যোক্তা আবু তালেব মিয়ার খামারে পরামর্শ প্রদান করা হচ্ছে। তাকে আরও লাভবান করতে সর্বাত্নক চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুলাই ৪, ২০২৩ ৫:৩৪ অপরাহ্ন
নবীন খামারিরা গরুর খামারে ব্যর্থ হওয়ার ৫ কারণ
প্রাণিসম্পদ

নবীন খামারিরা গরুর খামারে ব্যর্থ হওয়ার কারণ কি কি সে বিয়য়ে খামারিদের আগে থেকেই ভালোভাবে জেনে খামার ব্যবসায় আসা দরকার। অধিক লাভের আশায় অনেকেই বর্তমানে নতুন করে গরুর খামার গড়ে তুলছেন। তবে সঠিক ব্যবস্থাপনা না জানায় অনেকেই লোকসানে পড়ছেন। আসুন আজকে জানবো নবীন খামারিরা গরুর খামারে ব্যর্থ হওয়ার কারণ সম্পর্কে-

 

নবীন খামারিরা গরুর খামারে ব্যর্থ হওয়ার কারণঃ

১। নতুন খামারিরা খামার পরিচালনা এবং বাজারজাতের বিষয়ে ভালোভাবে না জেনেই অনেক সময় খামার শুরু করে। এতে করে উৎপাদন খরচ বৃদ্ধি পায় এবং পন্য সঠিক দামে কেনা কিংবা বিক্রি করা না গেলে অনেক ক্ষেত্রে লোকসানে পড়তে হয়।

২। পূর্বের কোন পরিকল্পনা না থাকা অবস্থায় অনেকেই গরুর খামার শুরু করেন। কি ধরণের খামার করলে সহজেই লাভবান হওয়া যায় সেটি না জেনে গরুর খামার শুরু করাতে নতুনরা লোকসানে পড়েন।

৩। খামারের গরুগুলো পালন করার জন্য দক্ষ শ্রমিক না রাখতে পারলে অনেক ক্ষেত্রে খামারের উৎপাদন কমে যায়। এর জন্য গরুর খামারে লোকসান দেখা দিয়ে থাকে। সেজন্য খামারে দক্ষ জনবল নিয়োগ দিতে হবে।

৪। সল্প খরচে গরু পালনের জন্য আধুনিক ঘর নির্মাণ করার বিষয়ে কোন ধারণা না থাকায় খামার পরিচালনার ব্যয় বেড়ে যায়। এর ফলে নতুন খামারিরা তাদের খামারে লোকসান করে থাকেন।

৫। খামারে পালন করার জন্য উন্নতমানের গরু সংগ্রহ করতে না পারলেও অনেক ক্ষেত্রে নতুন খামারিরা লোকসান করে থাকেন। তাই খামারে পালনের জন্য ভালো ও উন্নত জাতের গরু নির্বাচন করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২৩ ৯:২৬ পূর্বাহ্ন
স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

গবাদিপশু দিয়ে লাভবান হওয়ার আশায় অনেকে খামার গড়ে তুলেছেন। গবাদিপশু তথা গরু পালনে লাভবান হওয়ার ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে দুধ উৎপাদন একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদনে যা জানা জরুরী তা আমাদের অনেকেরই জানা নেই।

স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে গরুর দুধ উৎপাদন করবেন যেভাবে:
যথাসম্ভব কম লোক দিয়ে খামারের সকল গরুর দুধ দোহন করতে হবে। খামারের প্রবেশদ্বারে জীবানু নাশক সহ ফুটবাথ রাখতে হবে।
দুধ দোহনের পরে গাভীকে খাবার দিতে হবে, ফলে ওলান ফুলা রোগ বা ম্যাসটাইটিস হবার সম্ভবনা থাকবে না।

ম্যাসটাইটিস প্রতিরোধে নিয়মিত সিএমটি পরীক্ষা করা ও প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে। চিকিৎসা ও কৃত্রিম প্রজনন গুরুত্ব দেয়ার সাথে সাথে খামার ব্যবস্থাপনায় অধিক গুরুত্ব দিতে হবে।

বছরে ২-৩ বার সঠিক পরিমানে কৃমি নাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে। রোগ প্রতিরোধে নিয়মিত সঠিক মাত্রায় টিকা প্রদান করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৬, ২০২৩ ৯:২৩ পূর্বাহ্ন
বাছুরের ডায়রিয়া দেখা দিলে যা করবেন
প্রাণিসম্পদ

আমাদের দেশের গ্রামাঞ্চল থেকে শুরু করে এখন শহরেও দেখা মিলে অনেক গরুর খামার। আর গরু পালন করতে গিয়ে খামারিরা নানাবিধ সমস্যায় পড়ছেন। অনেক সময় বাছুরের ডায়রিয়া রোগ দেখা দিয়ে থাকে। আর তখন একজন খামারিকে কি করতে হবে সেটা জানা উচিত।

বাছুরের ডায়রিয়া সমস্যায় খামারিদের করণীয়ঃ

বাছুরের তীব্র ডায়রিয়ার কারণ:
বাছুরকে অতিরিক্ত ফ্যাটযুক্ত দুধ খাওয়ানো, অতিরিক্ত দুধ খাওয়ানো বা খেয়ে ফেলা, খাবারের পাত্র এবং ফিডার নোংরা বা ময়লা হলে, বাছুর কৃমিতে আক্রান্ত হলে, শাল দুধের গুণাগুণ ভাল না হলে, বাছুরের থাকার জায়গাটা নোংরা, স্যাঁতসেঁতে হলে ব্যাকটেরিয়ার সংক্রমণ হলে।

বাছুরের এই তীব্র ডায়রিয়ায় খামারি যা করবে:
ডায়রিয়া দেখার সাথে সাথে আলাদা করে শুকনা পরিষ্কার জায়গায় রাখতে হবে বাছুরকে।খাবারের পাত্র এবং ফিডার বোতল পরিষ্কার করে খাওয়াতে হবে। বাছুরকে তার বড়ি ওয়েটের ১০% দুধ খাওয়াবেন অর্থাৎ ৪০ কেজি ওজনের বাচ্ছাকে দুধ খাওয়াবেন ৪ লিটার। শালদুধের গুণাগুণ পরিমাপ করে দেখতে হবে। ডায়রিয়া দেখার সাথে সাথেই স্যালাইন খাওয়াতে হবে দিনে ৩ বার ২৫০ মিলি করে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৫, ২০২৩ ২:৫৫ অপরাহ্ন
ঢাকায় প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া ৫০-৫৫ টাকা, ঢাকার বাইরে ৪৫-৪৮ টাকা
প্রাণিসম্পদ

ঈদ সামনে রেখে কোরবানির পশুর চামড়া সংগ্রহের দাম নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার; ঢাকায় গরুর চামড়ার দাম গতবারের চেয়ে ৩ টাকা এবং ঢাকার বাইরে ৪ টাকা বেড়েছে।

ট্যানারি ব্যবসায়ীদের এবার ঢাকায় লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়া কিনতে হবে ৫০ থেকে ৫৫ টাকায়; গত বছর এই দাম ছিল ৪৭ থেকে ৫২ টাকা।

ঢাকার বাইরে লবণযুক্ত প্রতি বর্গফুট গরুর চামড়ার দাম হবে ৪৫ থেকে ৪৮ টাকা, গতবছর যা ৪০ থেকে ৪৪ টাকা ছিল।

এছাড়া সারা দেশে লবণযুক্ত খাসির চামড়া গত বছরের মতই প্রতি বর্গফুট ১৮ থেকে ২০ টাকা, আর বকরির চামড়া প্রতি বর্গফুট ১২ থেকে ১৪ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।

রোববার সচিবালয়ে বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে চামড়ার মূল্য নির্ধারণ ও সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা সংক্রান্ত সভায় এ মূল্য নির্ধারণ করা হয়। বৈঠক শেষে সংবাদ সম্মেলনে চামড়ার এই দাম ঘোষণা করেন বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি।

বাংলাদেশে সারা বছর যে সংখ্যক পশু জবাই হয়, তার মোটামুটি অর্ধেক হয় এই কোরবানির মৌসুমে। কোরবানি যারা দেন, তাদের কাছ থেকে কাঁচা চামড়া কিনে মৌসুমি ব্যবসায়ীরা বিক্রি করেন পাইকারদের কাছে।

পাইকাররা সেই চামড়ায় লবণ দিয়ে সংরক্ষণের প্রাথমিক কাজটি সেরে বিক্রি করেন ট্যানারিতে। ট্যানারি কেমন দামে চামড়া কিনবে, তা প্রতিবছর নির্ধারণ করে দেয় বাণিজ্য মন্ত্রণালয়।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৫, ২০২৩ ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
সুস্থ, সবল ও স্টেরয়েড মুক্ত গরু চেনার ৮ টি টিপস…
প্রাণিসম্পদ

ডা. খালিদ হোসাইনঃ গত বছর কুরবানির আগের রাত ১০.৩০ মিনিটে বাসার কলিং বেলের আওয়াজ শুনে দরজা খুলে দেখি এলাকার এক মুরুব্বি, মসজিদে প্রায়ই দেখা হয় কিন্তু সেভাবে কখনো কথা হয় নি । অনেকটা হতাশাভরা কন্ঠে বললেন, আংকেল একটু কষ্ট করে আমার বাসায় চলেন, ছেলে ও তা বন্ধুরা মিলে গতকাল ১ লাখ ৩৫ হাজার টাকা দিয়ে একটা গরু নিয়া আসছে, সেই গরু আজ বিকেল থেকে মাটিতে পরা, উঠতেই পারছে না, অবস্থা খুব খারাপ, মনে হচ্ছে ঔষধ দেওয়া গরু । অনিচ্ছা থাকা সত্ত্বেও প্রায় ১ কি.মি. দূরে সেই গরুটি দেখতে যাই ।

 

প্রতিবছর কুরবানির গরু কেনার সময় একটু সতর্ক থাকা উচিত, সুস্থ, সবল ও স্টেরয়েড মুক্ত গরু কেনার জন্য নিচের কিছু বিষয়ের প্রতি লক্ষ্য রাখা দরকার –

 

১) স্টেরয়েডযুক্ত গরু স্বাস্থ্যবান দেখাবে কিন্তু ঝিমাবে ও নিরব থাকবে, খুব বেশি নাড়াচাড়া করবে না।

২) সুস্থ গরুর চোখ উজ্জ্বল ও তুলনামূলক বড় আকৃতির হবে, অবসরে জাবর কাটবে, লেজ দিয়ে মাছি তাড়াবে। বিরক্ত করলে প্রতিক্রিয়া দেখাবে ।

৩) গরুর চামড়া ধরে টান দিয়ে ছেড়ে দিলে যদি চামড়া আগের অবস্থানে সহজে ফিরে না আসে তাহলে বুঝতে হবে এটি স্টেরয়েড দেওয়া গরু ।

৪) সুস্থ গরুর নাক ভেজা থাকবে, তাপমাত্রা স্বাভাবিক থাকবে ।

৫) সুস্থ গরুর গোবর স্বাভাবিক থাকবে, পাতলা পায়খানার মতো হবে না।

৬) সুস্থ গরুর সামনে খাবার ধরলে জিহ্বা দিয়ে টেনে নিতে চাইবে।

৭) অসুস্থ গরুর উরুতে অতিরিক্ত মাংস থাকবে।

৮) সুস্থ গরুর লেজ ধরে টান দিয়ে পেছনে এনে লেজ ছেড়ে দিলে সে তার পূর্বের অবস্থানে ফেরত যাবে ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৫, ২০২৩ ৯:১৪ পূর্বাহ্ন
কোরবানির গরুর দাম এ বছর কেমন হতে পারে?
প্রাণিসম্পদ

আগামী ২৯ জুন বৃহস্পতিবার দেশজুড়ে পালিত হবে ঈদ-উল-আযহা, ইতোমধ্যে দেশের বিভিন্ন স্থানে বসেছে কুরবানির হাট ।  এই বছর সবকিছুর দাম বেড়ে যাওয়ায় পশুপালনের খরচও বেড়েছে, ফলে গতবারের তুলনায় এইবার দাম তুলনামূলক বেশি হবে বলে আশংকা করছেন অনেকেই ।

কুরবানির পশুর চাহিদা কত?

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম জানিয়েছেন, এ বছর কোরবানির জন্য আমাদের চাহিদা ১ কোটি ৩ লাখ ৯৪ হাজার ৭৩৯টি পশু, আর প্রস্তুত রয়েছে ১ কোটি ২৫ লাখ ৩৫ হাজার ৩৩৩ টি পশু, সেই হিসেবে ২১ লাখেরও বেশি পশু প্রস্তুত রয়েছে।

মাঠপর্যায় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, এবার কোরবানিযোগ্য প্রায় ৪৮ লাখ ৪৪ হাজার গরু-মহিষ, ৭৬ লাখ ৯০ হাজার ছাগল-ভেড়া ও আড়াই হাজার অন্যান্য প্রজাতির পশু প্রস্তুত রয়েছে।

প্রাণিসম্পদ অধিদফতরের মহাপরিচালক ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার বলেন, গত বছরের চেয়ে এ বছর বেশি সংখ্যক গবাদি পশু প্রস্তুত রয়েছে। গত বছর প্রায় ১ কোটি পশু কোরবানি হয়েছে। সে অনুযায়ী এ বছর পর্যাপ্ত পশু প্রস্তুত রয়েছে। সংকট হওয়ার সুযোগ নেই। কোরবানি শেষে পশু উদ্বৃত্ত থাকবে বলেও মনে করেন তিনি।

গরুর খামারীদের ভাষ্যঃ

মাদারীপুরের কৃষক লিটন মিয়া। নিজ বাড়িতে ছোট্ট এক খামারে গরু পালেন তিনি। গেলো কোরবানির ঈদে ৬টি গরু থাকলেও এবার তিনি খামারে রেখেছেন ১০ টি গরু। আশা করছেন ১০টি গরুই কোরবানির ঈদে বিক্রি হবে।

তবে দাম কেমন হবে, কতটা লাভ করতে পারবেন তা নিয়ে দু:শ্চিন্তা আছে লিটনের মনে। তিনি বলছিলেন, “দাম তো এইবার বাড়বেই। এখন কেমন বাড়বে সেইটা বুঝতে পারছি না। খরচ যে হারে বাড়ছে, সেইটা উঠাতে পারবো কি-না সন্দেহ আছে।”

লিটন খান জানাচ্ছেন, বাজারে সবকিছুর দাম বাড়তি। ঘাসের উৎপাদন খরচ বেড়েছে, প্রতিটি পশু খাদ্যের দাম বেড়েছে। শ্রমিকদের মজুরিও বেড়েছে। সুতরাং গরুর দাম গতবারের তুলনায় এবার তারা বেশি চাইবেন।

লিটন মিয়ার মতো একই চিত্র মাদারীপুরের অন্য খামারগুলোতেও।

মাদারীপুরের আরেকজন গরুর খামারের উদ্যোক্তা সাদ্দাম হোসেন বলছেন, ভারত-মিয়ানমার থেকে গরু না আসলে এবারও গরুর বাজার চড়া থাকবে। আর বাজার চড়া থাকলে খামারীরা খরচ তুলে লাভ করতে পারবেন। তিনি বলেন, গত বছর মাঝারি সাইজের যেসব গরু তারা ১ লাখ টাকায় বিক্রি করেছেন, এবার সেই একই আকারের গরুর জন্য তারা দাম চাইছেন ১ লাখ পনেরো থেকে বিশ হাজার অর্থাৎ প্রতি গরুতে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা দাম বেশি।

মাদারীপুরের প্রাণীসম্পদ দপ্তর বলছে, এবারের ঈদে জেলাটিতে গরুর চাহিদা ৩৬ হাজার। কিন্তু সরবরাহ আছে প্রায় ৩৯ হাজার, অর্থাৎ তিন হাজার গরু উদ্বৃত্ত আছে।  (বিবিসি বাংলা নিউজ)

গরুর সরবরাহ এবং দাম কেমন?

মাদারীপুরে যে চিত্র, সারাদেশেও সেটা অনেকটা একইরকম। অর্থাৎ গরুর সরবরাহ বেশি কিন্তু দাম কম নেই। বরং দাম গত বছরের তুলনায় বাড়তি। গাবতলী গরুর হাটে কথা হয় তৈয়ব আলী নামে একজন গরু বেপারীর সঙ্গে। তিনি গরু সংগ্রহ করেন কুষ্টিয়া ও পাবনাসহ উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন এলাকা থেকে। এবছর তিনি ঢাকায় একশর বেশি গরু হাটে তোলার পরিকল্পনা করেছেন। অর্ধেক গরু ইতোমধ্যে সংগ্রহও করেছেন বিভিন্ন জেলা থেকে।

“দেখলাম খামারীরা দাম বেশি চায়। গরু অনেক আছে। কিন্তু খরচের কারণে দাম বেশি। ধরেন, ১০ রাখ টাকা দামের গরু এবার ১২ লাখ টাকা। আর মাঝারি গরুতে প্রতি পিসে দাম বাড়তি বিশ হাজার থেকে ২৫ হাজার টাকা।” বলছিলেন, তৈয়ব আলী।

তিনি জানাচ্ছেন, এবার ছোট এবং বড় গরুর দাম তুলনামূলক বেশি হবে। কারণ এসব গরুর চাহিদা বেশি।

কিন্তু প্রান্তিকভাবে খামার পর্যায়েই যখন গরুর দাম বাড়তি, তখন শেষ পর্যন্ত সেই দাম মধ্যস্বত্তভোগীদের হাত ঘুরে কোরবানির হাটগুলোতে কোন পর্যায়ে গিয়ে ঠেকে সেটা একটা বড় প্রশ্ন। (বিবিসি বাংলা নিউজ)

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৪, ২০২৩ ১:৫৬ অপরাহ্ন
কুরবানির গরু কিনে বাসায় আনার পর এর যত্নে ৮ টি করণীয়…
প্রাণিসম্পদ

তাই জেনে নিন কুরবানির গরুর যত্নে করণীয়ঃ

১. গরু কেনার পর থেকেই গরুর পুরো দায়িত্ব আপনার উপরে। তাই কোরবানির হাট থেকে গরুকে হাঁটিয়ে না এনে পিক আপ ভ্যানে করে আনতে পারেন। এতে গরমে গরুর কষ্ট কম হবে আর হেঁটে আনার যে ঝামেলা হয় তারও সম্মুখীন হওয়া লাগবে না।

২. গরুটিকে বাসায় আনার সাথে সাথেই পানি খেতে দিবেন না, কিছুক্ষণ বিশ্রাম নিতে দিন, পরিবেশ টা বুঝতে দিন, এরপর বিশুদ্ধ পানি দিবেন । পশুর জন্য খড়, কচি ঘাস, কলা পাতা কিংবা বিচালি কিনে রাখুন। পানি দেবার পর খাবার দিতে পারবেন ।

৩. গরুটিকে প্রতিদিন যথেষ্ট পরিমাণ বিশুদ্ধ পানি পান করাবেন । বাসি খাবার না দিয়ে টাটকা খাবার খাওয়ান, অল্প অল্প করে বার বার খাবার দিন। এত খাদ্য অপচয় কমবে এবং খাওয়া বৃদ্ধি পাবে । খৈল, ভুষি, তুষ, কুড়া, লবণ, ভাতের মার পানিতে মিশিয়ে খাওয়াতে পারেন।

৪. গরুর থাকার জন্য একটি অস্থায়ী স্থান তৈরি করুন। জায়গাটি যেন শুষ্ক থাকে কিংবা পানি জমে না থাকে সেদিকে খেয়াল রাখবেন। নিয়মিত পরিষ্কার রাখবেন।

৫. দিনের বেলায় খোলা স্থানে বেঁধে রাখবেন এবং দুপুরে ভালো করে গোসল করাবেন । সম্ভব হলে গরুকে বিকেল বেলা হাটাবেন ।

৬. রাতের বেলা নিরাপদ স্থানে রাখুন। মশার উপদ্রব থেকে বাঁচাতে মশারি কিংবা কয়েল ব্যবহার করুন।

৭. গরুর সাথে যতটা সম্ভব ভালো ব্যবহার করুন। গায়ে হাত বুলিয়ে দিন আর যতটা পারেন সময় দিন। বাচ্চারা যেন গরুকে বিরক্ত না করে সেদিকে লক্ষ্য রাখুন ।

৮. কুরবানির দিন সকাল বেলা গরুকে শুধু পানি পান করাবেন, অন্য কোন খাবার দিবেন না অর্থাৎ যা খাওয়ানোর তা আগের রাতেই খাওয়াবেন ।

আল্লাহ আমাদের সকলের কুরবানি কবুল করুন (আমীন) ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জুন ২৪, ২০২৩ ১০:১৪ পূর্বাহ্ন
ছাগলের কৃমি দমনে করণীয়
প্রাণিসম্পদ

ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগল পালন বাংলাদেশের খামারীদের ভাগ্যবদলের অন্যতম পাথেয়। ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলের মাংস যেমন সুস্বাদু, চামড়া তেমনি আন্তর্জাতিকভাবে উন্নতমানের বলে স্বীকৃত। তবে ব্ল্যাক বেঙ্গল ছাগলেও নিতে হয় আলাদা যত্ন। বিশেষ করে কৃমি দমনে কার্যকরী পদক্ষেপ খামারীদের জন্য বেশ উপকারী।

ছাগলের বাচ্চার কৃমি দমনে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ:

কৃমি দমন : কৃমি ছাগলের মারাত্মক সমস্যা। বয়স্ক ছাগল ও বাচ্চার কৃমি দমনের জন্য প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। মনে রাখতে হবে, শুধু পর্যাপ্ত খাদ্য সরবরাহ ও উন্নত ব্যবস্থাপনার মাধ্যমেই আশানুরূপ উৎপাদন পাওয়া যায় না।

কৃমির জন্য উৎপাদন মারাত্মকভাবে ব্যাহত হয়। কাজেই কাছের প্রাণিসম্পদ হাসপাতাল থেকে ছাগলের মল পরীক্ষা করে প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ছাগলকে নিয়মিত কৃমিনাশক ওষুধ খাওয়াতে হবে।

১-৪ মাস পর্যন্ত বাচ্চা দের কৃমি মুক্ত করার পদ্ধতি:

বাচ্চা ছাগল, ভেড়া, গাড়ল:- বিভিন্ন খামারী এরং ছাগল পালন কারীর সাথে আলোচনা করে এবং নিজে অভিজ্ঞতা থেকে একটি সাধারণ বিষয় লক্ষ্যণীয় হল ছাগলের ক্ষেত্রে বাচ্চা জন্মানোর প্রথম ১ মাস বাচ্চা গুলোর দৈহিক বৃদ্ধি ভাল থাকে এবং দেখতে খুব সুন্দর থাকে কৃমি মুক্ত না করা বাচ্চাগুলো দ্বিতীয় মাস থেকেই আস্তে আস্তে দৈহিক বৃদ্ধি এবং সৈন্দর্য কমতে থাকে, দিন দিন শুকিয়ে যায় আর পেটের সাইজ বড় হতে থাকে,খুবই ঘন ঘন পাতলা পায়খানা হয়, আবার পায়খানার সাথে সাদা সাদা ফিতা কৃমি,হুক কৃমি,চাবুক কৃমি বের হতে থাকে ।

বাচ্চাগুলো খুবই দূর্বল হয়ে ধীরে ধীরে হাড় চামড়ার সাথে ভেসে উঠে কিছু বাচ্চা মারা যায় আবার কিছু বাচ্চা বছর পার হলেও শরির স্বাস্হ্য খারাপ হতেই থাকে । আমারা খামারে সাধারণতঃএই সমস্যার সন্মুখিন হচ্ছি বা হতে পারি। সেজন্য নিচের নিয়মে ছাগল,গাড়লের বাচ্চাদের কৃমি মুক্ত করতে পারলে খামার কে লাভবান করা সম্ভব।

বাচ্চাকে ১ মাস বয়স হলে নিওট্যাক্স,বা এক্সট্রাস মানুষের সিরাপ জেনেরিক নেইম লিভামিসোল প্রতি কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ এমএল হিসেবে খাওয়াতে হবে । (বিঃদ্রঃ কৃমির প্রভাব দেখা দিলে ১৫দিন বয়স থেকেও দেওয়া যেতে পারে।) দুই মাস বয়স পূর্ন হলে এলটিভেট জেনেরিক নেইম লিভামিসোল + ট্রাইক্লাবেন্ডাজল ৪০ কেজি দৈহিক ওজনের জন্য ১ টি ট্যাবলেট হিসেবে খাওয়াতে হবে ।

তিন মাস বয়স হলে এমেকটিন প্লাস জেনেরিক নেইম আইভারমেকটিন + ক্লোরসুলন ২৫ কেজি হিসেবে ১ এমএল চামড়ার নীচে ইঞ্জেকশন দিতে হবে। চার মাস বয়স হলে প্যারাক্লিয়র ফেনবেন্ডাজল গ্রুপের ট্যাবলেট ১০-২০ কেজির জন্য ১ টি । তার ৭-৮ মাস পূর্ণ হলে বড় ছাগলের রুটিনে কৃমি মুক্ত করতে হবে ।

বাচ্চা গাড়ল, ভেড়া, ছাগলের ক্ষেত্রে যেহেতু ১-২ মাসের অধিক সময় পর্যন্ত মায়ের দুধ পান করে তাই কৃমির ঔষধ খাওয়ানোর পর লিভারটনিক না খাওয়াতে পারলে তেমন কোন সমস্যা হবে না আর ৩-৪ মাসে কৃমির ঔষধের দেওয়ার পর লিভারটনিক খাওয়াতে হবে ।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop