১০:৪৭ পূর্বাহ্ন

শনিবার, ২৫ এপ্রিল , ২০২৬
ads
ads
শিরোনাম
প্রকাশ : জানুয়ারী ১০, ২০২৩ ৭:০০ অপরাহ্ন
বিজয়ের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর প্রত্যাবর্তন না হলে বিজয় অসম্পূর্ণ থাকতো: প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী
প্রাণিসম্পদ

বিজয়ের মহানায়ক বঙ্গবন্ধুর স্বদেশে প্রত্যাবর্তন না হলে বিজয় অসম্পূর্ণ থাকতো বলে মন্তব্য করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম।

মঙ্গলবার (১০ জানুয়ারি) বিকালে রাজধানীর জাতীয় জাদুঘরের কবি সুফিয়া কামাল মিলনায়তনে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষ্যে বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটি আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান আলোচকের বক্তব্যে মন্ত্রী এ মন্তব্য করেন।

এ সময় মন্ত্রী বলেন, জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ছিলেন বিজয়ের মহানায়ক। বিজয় অসম্পূর্ণ থেকে যেতো শেখ মুজিবহীন বাংলাদেশে। বঙ্গবন্ধু স্বদেশে ফিরে না আসলে বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে বাংলাদেশের স্বীকৃতি আদায় সম্ভব হতো না। সে সময় পূর্ব পাকিস্তান পুনরুদ্ধার কমিটি গঠন করে স্বাধীনতাবিরোধীরা নতুন করে আবার পূর্ব পাকিস্তানে ফিরে যাওয়ার চেষ্টা করেছিল। বঙ্গবন্ধু ফিরে না এলে যুদ্ধবিধ্বস্ত বাংলাদেশ পুনর্গঠন সম্ভব হতো না। তিনি ফিরে না এলে তাঁর সাড়ে তিন বছরের শাসনামলে প্রায় তিনশত আইন প্রণয়ন সম্ভব হতো না। প্রতিটি জায়গায় বঙ্গবন্ধুর অসামান্য দূরদৃষ্টি ছিল।

প্রধান আলোচক আরও যোগ করেন, মুক্তিযুদ্ধ কোন কল্পকাহিনী ছিল না। মুক্তিযুদ্ধ হঠাৎ করে নেমে আসা স্বাধীন সত্ত্বা না। বাঙালি জাতির ইতিহাস দীর্ঘদিনের। কিন্তু বাঙালি জাতিকে পরাধীনতার শৃঙ্খল মুক্ত করার জন্য আমাদের পূর্বপুরুষরা ধারাবাহিকভাবে চেষ্টা করেছেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধু বাংলা ভাষাভাষীদের বাঙালি জাতীয়তাবোধে উদ্বুদ্ধ করে একটা প্ল্যাটফর্মে নিয়ে এসেছিলেন। ‘৬২-এর শিক্ষা কমিশন আন্দোলন ‘৬৬-এর ছয় দফা, আইয়ুববিরোধী আন্দোলন, ‘৬৯-এর গণঅভ্যুত্থান, ‘৭০-এর নির্বাচন, ‘৭১-এর মহান মুক্তিযুদ্ধ-এসব কিছুর দীর্ঘ পথ পরিক্রমায় বঙ্গবন্ধু মুক্তির সংগ্রামে, স্বাধীনতার সংগ্রামে মানুষকে প্রস্তুত করেছেন।

শ ম রেজাউল করিম আরও বলেন, বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধীরা দেশে এবং দেশের বাইরে এখনো বিরাজমান। সে মানুষদের প্রেতাত্মা এখনও এদেশে আছে। স্বাধীনতাবিরোধীদের উত্তরসূরিরা এদেশে এখনও বিভিন্ন জায়গায় প্রতিষ্ঠিত আছে। এখন আমরা কঠিন সময় অতিক্রম করছি।

তিনি আরও যোগ করেন, মুক্তিযোদ্ধাদের অবর্তমানে নতুন প্রজন্মকে দেশের হাল ধরতে হবে। তাদেরকে মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস, বাংলাদেশ সৃষ্টির প্রকৃত ইতিহাস বারবার বলতে হবে।মনে রাখতে হবে বিজয়ের পর বিজয়ের মহানায়ক ফিরে এসেছিলেন, কিন্তু আমরা তাকে রক্ষা করতে পারিনি। বঙ্গবন্ধুকে রক্ষা করতে না পারার ব্যর্থতা আমাদের জাতির ইতিহাসের সবচেয়ে বড় ব্যর্থতা।

বাংলাদেশ মুক্তিযুদ্ধ মঞ্চ কেন্দ্রীয় কমিটির সভাপতি আমিনুল ইসলাম বুলবুলের সভাপতিত্বে সভায় আরও বক্তব্য প্রদান করেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. আব্দুস সামাদ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. এস এম মোস্তফা জামান, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক সৈয়দ সাজিদুর রহমান ফারুক, বীর মুক্তিযোদ্ধা রুহুল আমিন মজুমদার, বীর মুক্তিযোদ্ধা জহির উদ্দিন জালাল, ভাস্কর রাশা, যুক্তরাজ্য আওয়ামী লীগের কার্যকরী সদস্য রীনা মোশাররফ প্রমুখ।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৬, ২০২৩ ৩:৫১ অপরাহ্ন
চাকরি ছেড়ে গরুর খামার করে কোটিপতি গিয়াস
প্রাণিসম্পদ

ছিলেন ব্যাংকার। তবে অন্যের অধীনে চাকরি তার ভালো লাগেনি। সিদ্ধান্ত নেন উদ্যোক্তা হবেন। যেমন ভাবা তেমন কাজ। নেমে পড়লেন নিজের সিদ্ধান্ত বায়স্তবায়নে। গড়ে তোলেন গরুর খামার। যে খামার ঘুরে দিয়েছে তার ভাগ্যের চাকা। এখন তিনি কোটি টাকার সম্পত্তির মালিক।

বলা হচ্ছে গোপালঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামের আব্দুর রাজ্জাক মোল্লার ছেলে মো. গিয়াস উদ্দিনের (৩৩) কথা।

গিয়াস উদ্দিন অগ্র ডেইরি ফার্মের সত্ত্বাধিকারী। ফার্মের দুধ প্রসেস করে গড়ে তুলেছেন অগ্র সুইটস ভিলেজ নামে ৩টি মিষ্টির দোকান। ডেইরি ফার্ম ও মিষ্টির দোকানে তিনি ১৫ জনের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছেন। তার ফার্মে গরুর সংখ্যা এখন ৯০টি। তিনি ১০ লাখ টাকা নিয়ে ডেইরি ফার্ম শুরু করেন। এখানে তিনি এ পর্যন্ত ৫০ লাখ টাকা বিনিয়োগ করেছেন। বর্তমানে স্থায়ী, আবাসনসহ তার সম্পদের পরিমান প্রায় ৩ কোটি টাকা।

মো. গিয়াস উদ্দিন গোপালগঞ্জ জেলার কাশিয়ানী উপজেলার হোগলাকান্দি গ্রামে জন্ম গ্রহণ করেন। তিনি গ্রামের স্কুল হোগলাকান্দি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে শিক্ষা জীবন শুরু করেন। সেখান থেকে ৫ম শ্রেণি পাস করেন। এরপর বাড়ির পাশের জয়নগর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ে ভর্তি হন। এ বিদ্যালয় থেকে তিনি ২০০৩ সালে এসএসসি পাস করেন। ২০০৫ সালে খুলনার হাজী মোহাম্মদ মহসিন কলেজ থেকে তিনি এইচএসসি পাস করেন।

আবুল হোসেন কলেজ থেকে বিবিএস ও নিউ মডেল ইউনিভার্সসিটি কলেজ থেকে এমবিবিএস পাস করেন। ২০১৪ সালে গিয়াস উদ্দিন একটি বেসরকারি ব্যাংকে জুনিয়র অফিসার হিসেবে কর্ম জীবন শুরু করেন। ব্যাংকে চাকরি তার ভালো লাগেনি। তাই তিনি চাকরি ছেড়ে দিয়ে উদ্যোক্তা হয়ে মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টির পরিকল্পনা করেন।

২০১৫ সালের শেষের দিকে তিনি চাকরি ছেড়ে দেন। এরপর তিনি গ্রামের বাড়িতে চলে আসেন। ২০১৮ সালের ১০ লাখ টাকা পুঁজি নিয়ে ১৮ এপ্রিল তিনি ৪টি উন্নত জাতের গাভী দিয়ে হোগলাকান্দি গ্রামেই ডেইরি ফার্ম শুরু করেন। তারপর আর তকে পেছনে ফিরে তাকাতে হয়নি। পরম মমতায় তিনি তিলতিল করে গড়ে তোলেন ডেইরি ফার্ম। ৪টি থেকে এখন তার ডেইরি ফার্মে গরুর সংখ্যা ৯০টি।

গিয়াস উদ্দিন তরুণদের উদ্দেশে বলেন, উদ্যোক্তা হয়ে ডেইরি ফার্ম করা যেতে পারে। এটি লাভজনক ব্যবসা। আত্মপ্রত্যয়ী হলেই এই ব্যবসা থেকে লাভ করা যায়। মানুষের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা হয়। এটি করে জাতিকে দুধ, মাংসের যোগান দেয়া সম্ভব। মেধাবী জাতি গঠনে ভূমিকা রাখা যায়। এটি খুবই পূণ্যের কাজ।

জয়নগর মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক  মোহাম্মাদ সালাহউদ্দীন বলেন, শহরের অভিজাত এলাকার মিষ্টির মতো মানসম্পন্ন মিষ্টি পাওয়া যায় অগ্র সুইটস ভিলেজে। মিষ্টি খুবই মজাদার। দামও নাগালের মধ্যে। গিয়াস উদ্দিন তার ফার্মের গরুর খাঁটি দুধ দিয়ে এ মিষ্টি তৈরি করেন। এ মিষ্টিতে কোনো ভেজাল নেই। খাঁটি মানের নিশ্চয়তার এ মিষ্টি আমরা গ্রামে বসে খেতে পারছি।

সূত্র: বাসস

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৫, ২০২৩ ১০:২১ পূর্বাহ্ন
১টি দিয়ে শুরু, এখন ১৩৭টি গরুর মালিক আমিরুল
প্রাণিসম্পদ

ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নের বহরমপুর গ্রামের আমিরুল ইসলাম প্রমাণিক গরু পালনে নিজের ভাগ্যের ‍পরিবর্তন করলেন। বর্তমানে তার খামারে গরুর সংখ্যা ১৩৭টি।

জানা যায়, ১৯৯৪ সালে ১৪ হাজার ৬০০ টাকায় একটি শংকর জাতের গাভী কিনে লালন পালন শুরু করেন।সময়ের পরিক্রমায় আজ তিনি একজন সফল খামারি। বর্তমানে তার খামারে ৭০ টি গাভী রয়েছে। যা থেকে প্রতিদিন প্রায় ৫০০ লিটার দুধ পাচ্ছেন। স্থানীয় বাজারে যা বিক্রি করে ২৫ হাজার টাকা আয় করার পাশাপাশি বছরে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আয় করছেন।

আমিরুল ইসলাম বলেন, আমার বাবা মৃত্যুর পর সংসারের সব দায়িত্ব এসে পরে আমার উপরে। আমার স্বপ্ন পূরণ করতে সবজি বিক্রি করে টাকা জমাতাম । আমার মায়ের জমানো টাকা এবং আমার সবজি বিক্রির জমানো টাকা দিয়ে একটি শংকর জাতের গাভী কিনি। প্রথমে একটি গাভী থেকে ৩টা বাচ্চা হয়। একটি ষাঁড় বাচ্চা বিক্রি করে গরুর ঘর তৈরি করি আর দুইটি বকনা বাচ্ছা থেকেই আমার সফলতার শুরু। বর্তমানে আমার খামারে মোট ১৩৭টি গরু আছে এর মধ্য ৭০টি গাভী থেকে প্রতিদিন ৫০০ লিটার দুধ হয়। বর্তমান প্রতি বছর খামার থেকে প্রায় ৫০ লাখ টাকা আয় হয়।

ঈশ্বরদী উপজেলার লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) চেয়ারম্যান আনিসুর রহমান শরীফ জানান, লক্ষ্মীকুন্ডা ইউনিয়নে এখন যে পরিমাণ দুধ উৎপাদন হয়, সে পরিমাণ দুধ বিক্রির জায়গা নেই। তাই এই অঞ্চলে একটি দুগ্ধ শিল্প প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলা যায় এর পরিকল্পনা করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ৩, ২০২৩ ৬:১৬ অপরাহ্ন
শিকল কেটে গরু চুরি, গ্রেপ্তার ৩
প্রাণিসম্পদ

রাজশাহী নগরীতে গরু চোর চক্রের তিন সদস্যকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এসময় চোরদের কাছ থেকে চুরি হওয়া দুইটি গরুও জব্দ করে নগরীর পবা থানা পুলিশ।

সোমবার (২ ডিসেম্বর) সোমবার দিনভর অভিযান চালিয়ে আসামি মাহাবুব, সাইফুল ও আবু বাক্কারকে তাদের নিজ নিজ বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

রাতে রাজশাহী মেট্রোপলিটন পুলিশের (আরএমপি) মুখপাত্র ও অতিরিক্ত উপ-পুলিশ কমিশনার রফিকুল আলম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

গ্রেফতাররা হলেন— রাজশাহী নগরীর কর্ণহার থানার ধর্মঘাটা স্কুলপাড়ার জাকারিয়ার ছেলে মাহাবুব ইসলাম (৩২), বেলপুকুর থানার ক্ষুদ্র জামিরার তানছের মন্ডলের ছেলে মাহাবুল ইসলাম সাইফুল (৫৮) ও একই গ্রামের মৃত ওয়াহেদের ছেলে আবু বাক্কার (৬০)।

ঘটনার বিবরণ দিয়ে রফিকুল আলম জানান, গত ১৯ ডিসেম্বর দিনগত রাতে পবা থানার বাগধানী গ্রামের শামীম রানার গোয়াল ঘরের শিকল কেটে একটি ষাঁড় গরু এবং একটি গাভী চুরি করে নিয়ে যায়। শামীম রানার এমন অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে পবা থানায় একটি চুরির মামলা রুজু হয়। পরবর্তীতে পুলিশের এক টিম চোরাই গরু উদ্ধার ও চোরদের গ্রেফতারে অভিযান শুরু করে। সোমবার গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে আসামি মাহাবুব, সাইফুল ও আবু বাক্কারকে তাদের বাড়ি থেকে গ্রেফতার করে।

তিনি আরও জানান, গ্রেফতারদের দেওয়া তথ্যমতে সোমবার সন্ধ্যা সাড়ে ৫টায় বেলপুকুর থানার ক্ষুদ্র জামিরা গ্রামের ইদ্রিস আলীর ছেলে চোর চক্রের আরেক সদস্য পলাতক আসামি তোফার বাড়ি থেকে চুরি হওয়া গরু দুইটি উদ্ধার করা হয়।

এ ঘটনায় অন্যান্য আসামিদের গ্রেফতারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। গ্রেফতারদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে বলে জানান তিনি।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২, ২০২৩ ১০:৪৫ পূর্বাহ্ন
জন্মের পর বাছুরের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা
প্রাণিসম্পদ

জন্মের পর বাছুরের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা কেমন হবে সে বিষয়ে ডেইরি খামারিদের সঠিক ধারণা থাকা দরকার। আমাদের দেশে বিশেষ করে গ্রামাঞ্চলে ব্যাপকহারে গরু পালন করা হয়ে থাকে। গরু পালনের মাধ্যমে অনেকেই এখন স্বাবলম্বী হচ্ছেন। আজকের এই লেখাতে আমরা জেনে নিব জন্মের পর বাছুরের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা সম্পর্কে-

জন্মের পর বাছুরের খাদ্য ও স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনাঃ
বাছুর জম্মের পরপর ৩০ মিনিটের মধ্যে বাছুরকে শাল দুধ খাওয়াতে হবে,কারন প্রতি ১০ মিনিট পর পর শাল দুধের গুন কমতে থাকে, এর পর বাছুরের ওজন নির্ণয় করে ২ মাস পর্যন্ত, শরীরের ওজনের দশ ভাগের এক ভাগ দুধ বা CMR বা কাপ মিল্ক রিপ্লেসার খাওয়াতে হবে,ওজন ২২ কেজি হলে দুধ খাবে ২.২ কেজি, ওজন ৪০ কেজি হলে দুধ খাবে ৪ কেজি, ৪র্থ দিন থেকে বাছুরকে মা থেকে আলাদা করে ফিডার দিয়ে দুধ ও পরিস্কার পানি পান করাতে হবে,এই সময় সে দৈনিক ওজন অনুযায়ী (২ মাস পর্যন্ত) ২.৫ – ৫ কেজি পর্যন্ত দুধ খেতে পারে, পাশাপাশি স্বল্প পরিমান দানাদান বা ভুট্রা সুজির মত জিহ্বায় লাগিয়ে দিয়ে দানাদারের অভ্যাস গড়ে তুলতে হবে, ১৫-২০ দিন পর থেকে আস্তে আস্তে জাবর কাটতে শুরু করবে, এতে রুমেন, রেটিকুলাম, ওমেজাম ডেভলপ করতে থাকবে। সে ১৫-২০ দিন পর কচি কাঁচা ঘাস খেতে শুরু করবে,এ সময় কখনোই বাছুরকে শুকনো খড় দেয়া যাবেনা,শুকনো খড় দিলে পেট বড় হয়ে যাবে, স্বাস্থ্য নষ্ট হবে, ৪৫-৬০ দিনে উইনিং প্রিয়ডে বাছুর শুকনো খড় খেতে শুরু করবে। শাল দুধের এ্যকশন কমে ৭ দিন পর থেকে বুছুরের ক্রান্তি কাল শুরু হয়।

৩০-৪৫ দিনে বাছুরের মৃত্যু হার সব চেয়ে বেশি,এ সময়কে বাছুরের ভারনারেবল লাইফ বলে। বাছুরকে শুকনা জায়গায় রাখতে হবে যাতে বাছুরের ঠান্ডা না লাগে। ৩ দিন পর কেঁচো কৃমি বা এসকারিস রোধো বাছুরকে আইভারমেকটিন গ্রুফের ইনজেকশন এসিমেক ১% ৩০ কেজির জন্য, চামড়ার নিচে ১ সি সি ইনজেকশন দিতে হবে। ১ মাস বয়সে ক্ষুরা টিকা দিতে হবে, ২১ দিন পর আবার ক্ষুরার বুুষ্টার ডোজ দিতে হবে,এর পর প্রতি ৬ মাসে এক বার ক্ষুরার টিকা দিতে হবে।

নিয়ম মেনে পরিমান মত ১২ সপ্তাহ পর্যন্ত বা ৮৪ দিন পর্যন্ত বাছুরকে মায়ের দুধ বা মিল্ক রিপ্লেসার খাওয়ালে বাছুর ৬ মাসের বাচ্ছার মত গ্রোথ হবে,রোগ কম হবে, মৃত্যু হার কমে যাবে। প্রতি ৩ মাস পরপর বকনাকে কৃমিমুক্ত করতে হবে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : জানুয়ারী ২, ২০২৩ ৯:৫৪ পূর্বাহ্ন
শত্রুতা করে গোয়ালঘরে আগুন, দুই গরু পুড়ে ছাই, দিশেহারা দিনমজুর
প্রাণিসম্পদ

কুড়িগ্রামের রৌমারীতে পূর্ব শত্রুতার জের ধরে আব্দুল হাকিম নামের এক দিনমজুরের গোয়ালঘরে আগুন লাগিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে প্রতিবেশী ও প্রতিপক্ষ নুরুল ইসলাম নামের এক পল্লী চিকিৎকের বিরুদ্ধে।

এতে গোয়ালঘরে থাকা দুটি গরু ও তিনটি ভেড়া পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। ক্ষতি হয়েছে প্রায় আড়াই লাখ টাকা।

শনিবার (৩১ ডিসেম্বর) রাত ২টার দিকে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোয়ালগ্রামে এ ঘটনা ঘটে। পরে ভুক্তভোগী দিনমজুর আব্দুল হাকিম বাদী হয়ে ৬ জনের নামে থানায় অভিযোগ দায়ের করেন।

ভুক্তভোগী দিনমজুর আব্দুল হাকিম অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে উপজেলার সদর ইউনিয়নের গোয়ালগ্রাম এলাকার প্রতিবেশী নুরুল ইসলামের সঙ্গে তার জমির সীমানা নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল।

এরই জের ধরে শনিবার রাত ২টার দিকে তার বসতবাড়ির গোয়ালঘরে আগুন লাগিয়ে দেন নুরুল ইসলাম। এ সময় গোয়ালঘরে থাকা দুটি গরু, তিনটি ভেড়াসহ অন্য মালামাল পুড়ে যায়। এতে তার প্রায় আড়াই লাখ টাকার ক্ষতি হয়েছে।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, বেশকিছু দিন ধরে বসতঘর সীমানা থেকে সরিয়ে না নিলে আগুন লাগানোর হুমকি দিয়ে আসছিলেন নুরুল ইসলামসহ তার ছেলে সাদ্দাম হোসেন।

অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে নুরুল ইসলাম বলেন, আমার বিরুদ্ধে যে অভিযোগ আনা হয়েছে। তা সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট।

রৌমারী থানার ওসি রূপ কুমার সরকার বলেন, এ ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

অভিযোগের তদন্তকারী কর্মকর্তা রৌমারী থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) বোরহান উদ্দিন বলেন, সরেজমিনে তদন্ত করা হয়েছে। আগুন লাগার ঘটনা ঘটেছে। এতে দুটি গরু ও তিনটি ভেড়া পুড়ে যায়। প্রকৃত ঘটনা বের করতে অনুসন্ধান করা হচ্ছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ৩১, ২০২২ ১২:০৫ অপরাহ্ন
মিয়ানমার থেকে সিমান্ত পথে ঢুকছে গরু
প্রাণিসম্পদ

বান্দরবানের আলীকদম ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার অরতি সীমান্ত পথ দিয়ে মিয়ানমার থেকে অবৈধভাবে ঢুকছে গরু-মহিষ। একটি প্রভাবশলী পাচারকারী চক্র রাজনৈতিক দলের ছত্রছায় দীর্ঘ ৮-৯ মাস ধরে এসব গরু-মহিষ সড়ক ও নদীপথে পাচার হয়ে আসছে।

গত বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) ভোর রাতে নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি’র ১১ ব্যাটালিয়নের সদস্যরা গোপন সংবাদের ভিত্তিতে পাঁচটি ট্রাক ভর্তি ২৫টি গরু আটক করেন। চকরিয়া উপজেলার মানিকপুর বাজার এলাকায় পাচারের সময় গরুভর্তি ওই ট্রাকগুলো আটক করা হয়।

জানা যায়, আলীকদম উপজেলার করুক পাতা ইউনিয়নের পশ্চিম ও দক্ষিণ সীমান্তে মিয়ানমারের রাখাইন প্রদেশ। এ ইউনিয়নের সীমান্তের বেশির ভাগ এলাকাই অরতি ও দুর্গম পাহাড়ী অঞ্চলে ঘেরা। এই অঞ্চলের সীমান্ত পথ দিয়ে চোরাচালানি ও পাচারকারীরা চক্র নির্বিঘেœ গরু-মহিষ নিয়ে আসছে। গরু-মহিষের পাশাপাশি থাইল্যান্ড ও মিয়ানমার থেকে মাদকদ্রব্যও আসছে এই সীমান্ত পথে। আলীকদমের নির্বাহী কর্মকর্তা পশু ডাক্তারের মাধ্যমে পরীক্ষা করে জেনেছেন, সীমান্ত পথে আসা বিভিন্ন জাতের এসব গরু-মহিষের গায়ে এক ধরনের নেশাজাতীয় ট্যাবলেট খাইয়ে দেয়া হয় অথবা ইনজেকশন দেয়া হয়। এতে ওইসব পশু খুব দ্রুত হেঁটে সীমান্ত পার হতে পারে।

জানা গেছে, মিয়ানমার থেকে চোরাইপথে আসা শত শত গরু-মহিষ এখনো আলীকদম উপজেলার গভীর জঙ্গলে উপজাতিদের জিম্মায় রাখা আছে। তারা ওই সব রাজনৈতিক নেতাদের সহায়তায় স্থানীয় প্রশাসনসহ বিভিন্ন দফতরের সাথে যোগাযোগ রক্ষা করে পাচারের সুযোগ সৃষ্টি করে। এভাবে তারা চকরিয়া, লামা ও আলীকদমের বিভিন্ন সড়ক পথে এবং পাহাড়ি গভীর জঙ্গলের ভেতর দিয়ে দেশের বিভিন্ন স্থানে নিয়ে যাচ্ছে।
অবৈধভাবে নিয়ে আসা মিয়ানমারের গরু-মহিষগুলোর বৈধতা দেয়ার জন্য চকরিয়া উপজেলার বাসস্ট্যান্ডে, বেড়া বাজার ও ডুলাহাজারা এলাকায় বেশ কয়েকটি গরু-মহিষের হাট বসে। রাতের আঁধারে সীমান্ত পথে আসা এসব গরু-মহিষ উল্লেখিত বাজারগুলোতে পথেও স্থানীয়দের চাঁদা দিতে হয়। তা না হলে সেগুলো লুট হয়ে যায়। চোরাইপথে আসা এসব গরু-মহিষ বাজারে এনে বিক্রি রসিদ ও ইউনিয়ন পরিষদের রসিদের মাধ্যমে গরু-মহিষগুলোকে বৈধ করে নেয়া হয়।

এদিকে দেশীয় গরু খামারিরা জানান, সীমান্তপথে আসা এসব গরু ও মহিষের কারণে তাদের খামার প্রায় বন্ধ হয়ে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। তারা অবৈধ পথে গরু-মহিষ আসা বন্ধ করার জন্য জরুরি পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানান। চকরিয়া থানার ওসি চন্দ কুমার চক্রবর্তী জানান, পাঁচ ট্রাকে আসা আটককৃত ২৫টি গরু এখন তাদের হাতে রয়েছে। নাইক্ষ্যংছড়ি বিজিবি’র নায়েক সুবেদার ফরিদ উদ্দিন বাদি হয়ে এ ব্যাপারে জড়িতদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়েছে।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৯, ২০২২ ৯:২৯ অপরাহ্ন
প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তর এর নতুন মহাপরিচালক ডাঃ মোঃ এমদাদুল হক তালুকদার
প্রাণিসম্পদ

প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের নতুন মহাপরিচালকে(চলতি দ্বায়িত) দ্বায়িত্ব পেলেন ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদার।

বৃহস্পতিবার (২৯ ডিসেম্বর) রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রাণিসম্পদ-১ অধিশাখার যুগ্ম সচিব শাহিনা ফেরদৌসী স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানা যায়। এ আদেশ অবিলম্বে কার্যকর হবে বলে প্রজ্ঞাপনে উল্লেখ করা হয়।

এ পদে নিয়োগের পূর্বে ডা. মো. এমদাদুল হক তালুকদারএকই অধিদপ্তরের পরিচালক (প্রশাসন) পদে দায়িত্ব পালন করেছিলেন। তাঁর আগে তিনি জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা, ঢাকা হিসেবে কর্মরত ছিলেন তিনি।

তাঁর মত একজন বিচক্ষণ ব্যক্তির এ পদে নিয়োগের ফলে দেশের প্রাণীসম্পদের উন্নয়ন অব্যাহত থাকবে বলে আশাবাদী সংশ্লিষ্টরা।

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৬, ২০২২ ৫:৫০ অপরাহ্ন
সহজ কৌশলে ছাগলের দৈনিক দানাদার খাদ্য তৈরি করবেন যেভাবে
প্রাণিসম্পদ

দেশের প্রান্তিক অনেক খামারি ছাগল পালন করে স্বাবলম্বী হয়েছে। অনেকেই আজকাল বাণিজ্যিকভাবে ছাগলের খামার দিচ্ছে। ভাগ্য পরিবর্তন করতে ছাগলের খামারের দিকে ঝুঁকছেন অনেকে। ছাগল পালনের সবথেকে বেশি ব্যয় হয় খাদ্য প্রদানে। তাই প্রত্যেক ছাগল খামারিদের জানা উচিৎ প্রতিদিন কি পরিমাণ দানাদার খাদ্য ছাগলকে দিতে হবে।

বিএলআরআই এর তথ্য অনুযায়ী প্রাপ্ত বয়ষ্ক ব্লাক বেংগল ছাগলের জন্য মাথাপিছু ১৬০ গ্রাম দানাদার প্রয়োজন হয়। ক্রস ছোট আকারের ছাগলের জন্যও এটা অনুসরণ করা যেতে পারে। সাধারণত বড় জাতের ছাগলের জন্য দৈনিক ২০০-৪০০গ্রাম দানাদার খাবার দিতে হয়।

এছাড়াও ছাগলের জাত, দুধ উৎপাদন, ঘাসের প্রোটিনমান, দৈহিক ওজন ইত্যাদি আরো কিছু বিষয়ের উপর নির্ভর করে ক্ষেত্র বিশেষে পরিমাণে কিছু কম বা বেশী দিতে হয়।

খাদ্য প্রস্তুত প্রণালীঃ

ধাপ-১:
প্রথমেই খাদ্য উপাদান গুলোকে ০৩(তিন)টি ক্যাটাগরীতে ভাগ করে নিন। ক্রমিক নং০১ এবং ০২ একটা ক্যাটাগরী (সরিষার খৈল ব্যবহার না করলে ০১-০৩ পর্যন্ত একই ক্যাটাগরীতে থাকবে)। সরিষার খৈল ব্যবহার করলে তা আলাদা ক্যাটাগরীতে রাখুন। বাকি সব উপাদানগুলো আরেকটা ক্যাটাগরীতে।

ধাপ-২
এবার সরিষার খৈল বাদে ক্যাটাগরী অনুযায়ী বাকি উপাদান গুলো আলাদা মিশিয়ে নিয়ে আলাদা বস্তায় অথবা ড্রামে সংরক্ষণ করুন।

ধাপ-৩:
এবার আপনার খামারে ছাগলের সংখ্যা হিসাব করে মোট কত কেজি দানাদার খাবার লাগবে তা ক্যাটাগরী অনুযায়ী আলাদা আলাদা পরিমাপ করে নিন।

ধাপ-৪:
প্রতিদিন সন্ধায় পরিমাণ মত পানি কুসুম গরম করে তার মধ্যে ১-২ মুঠি চিটাগুড় এবং প্রথম ক্যাটাগরীর খাদ্য উপাদান অর্থাৎ গম ও ভূট্টা প্রতি কেজির জন্য ০৩-০৪ গ্রাম বেকারী ঈস্ট ভাল করে মিশিয়ে নিন।

ধাপ-৫:
এবার সেই পানিতে প্রথম ক্যাটাগরীর খাদ্য উপাদান অর্থাৎ ভুট্টা এবং গম মাখা মাখা করে মিশিয়ে নিয়ে ঢাকনাযুক্ত কোন ড্রাম অথবা বালতিতে বায়ুরোধ করে রেখে দিন।

ধাপ-৬:
আলাদা একটা পাত্রে সরিষার খৈল ভিজিয়ে রাখুন (যদি সরিষার খৈল ব্যবহার করেন সেক্ষেত্রে)।

ধাপ-৭:

পরদিন ০৩(তিন) ক্যাটাগরীর উপাদানই একসাথে মিশিয়ে ছাগলকে পরিবেশণ করুন। সাথে কিছু পরিমাণ হে অথবা ধানের খর টুকরো করে কেটে মিশিয়ে দিতে পারেন।

বিশেষ দ্রষ্টব্যঃ-

(ক) ছাগলকে যেকোন নতুন খাবারই অল্প অল্প করে খাইয়ে অভ্যাস করিয়ে নিতে হবে।

(খ) গম, ভূট্টা ইত্যাদি অবশ্যই ভেংগে নিতে হবে। দানাযুক্ত খাবার ভেংগে না দিলে ছাগলের হজম প্রক্রিয়ায় ব্যাঘাত ঘটে।

(গ) আপনি চাইলে ঈস্ট ব্যবহারের পরিবর্তে গম ও ভুট্টা সিদ্ধ করেও ব্যবহার করতে পারেন।

 

শেয়ার করুন

প্রকাশ : ডিসেম্বর ২৫, ২০২২ ৮:১০ অপরাহ্ন
নরসিংদীতে রাতের আঁধারে কৃষকের ৫ গরু চুরি
প্রাণিসম্পদ

নরসিংদীর মনোহরদীতে রাতের আঁধারে কৃষকের পাঁচটি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। যার বাজারমূল্য সাড়ে ৪ লাখ টাকা বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষক জাকির হোসেন। শনিবার (২৪ ডিসেম্বর) রাতে উপজেলার কাঁচিকাটা ইউনিয়নের দাইরাদী গ্রামের এক কৃষকের ৫টি গরু চুরি করে নিয়েছে দুর্বৃত্তরা।

এই নিয়ে গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে উপজেলার বিভিন্ন গ্রাম থেকে ১২টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে। আর গত দুই মাসের ব্যবধানে শুধু দাইরাদী গ্রাম থেকেই ১৪টি গরু চুরির ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে ক্ষতিগ্রস্থ কৃষকরা। একের পর এক গরু চুরির ঘটনায় উদ্বিগ্ন কৃষকরা নির্ঘুম রাত কাটাচ্ছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত কৃষক জাকির হোসেন বলেন, প্রতিদিনের মতো শনিবার রাতেও ঘুমাতে যাওয়ার আগে গরুগুলোকে তিনি গোয়াল ঘরে বেঁধে রেখে যান। ভোরে ফযর নামাজের সময় গরুগুলোকে খেতে দিতে গেলে তিনি দেখেন গোয়ালঘরে কোন গরু নেই। এর পরেই তার ডাক চিৎকারে এলাকার লোকজন তার বাড়িতে আসে এবং বিভিন্ন জায়গায় খোঁজাখুঁজি করেও গরুগুলোর কোন খোঁজ পাননি।

কৃষকরা জানায়, এর আগে গত শুক্রবার রাতে উপজেলার লেবুতলা ইউনিয়নের তারাকান্দী গ্রামের কৃষক আলফাজ উদ্দিনের বাড়ি থেকে একটি গরু চুরি হয়েছে। গত বুধবার রাতে উপজেলার চালাকচর ইউনিয়নের বাঘবের গ্রামের কৃষক আব্দুল লতিফ খাঁনের চারটি গরু চুরি হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৩ লাখ টাকা। আর গত শুক্রবার (১৬ ডিসেম্বর) উপজেলার দৌলতপুর ইউনিয়নের সৈয়দপুর গ্রামের মুরাদ মিয়ার খামার থেকে ৩টি গরু চুরি করে নিয়ে যায়। যার বাজার মূল্য ৪ লাখ টাকা।

জানতে চাইলে কাঁচিকাটা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মোবারক হোসেন খাঁন কনক বলেন, সাম্প্রতিক সময়ে ভারত থেকে গরু আমদানী বন্ধ হওয়ায় দেশী গরু পালনে কৃষকের আগ্রহ বেড়েছে। এ কারণে শুধু হাল চাষের জন্য নয় ঈদকে সামনে রেখে অনেক কৃষক গরু পালন করছে। কিন্তু একের পর এক গরু চুরির ঘটনায় কৃষকরা উদ্বিগ্ন হয়ে পড়েছে। আমরা প্রশাসনকে গরু চোর চক্রকে আইনের আওতায় আনার অনুরোধ জানিয়েছি।

মনোহরদী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ফরিদ উদ্দীন বলেন, গরু চুরি হওয়ার বিষয়ে অনেক ক্ষেত্রেই কৃষক থানায় কোন অভিযোগ করেনা। ফলে অপরাধীদের আইনের আওতায় আনতে আমাদের বেগ পেতে হচ্ছে। গরু চুরি রোধে স্থানীয়ভাবে পাহারার ব্যবস্থা করার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে অপরাধীদের ধরতে পুলিশ অভিযান চালাচ্ছে।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

ads

বিজ্ঞাপন

বিজ্ঞাপন

ads

ফেসবুকে আমাদের দেখুন

ads

মুক্তমঞ্চ

scrolltop